Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমি গাধা বলছি – কৃষণ চন্দর

    মোস্তফা হারুন এক পাতা গল্প112 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আমি গাধা বলছি – ৩

    তিন

    জোসেফ আমাকে রাতভর কিছু খেতে দিল না। ভোরে কিছু খেতে দেবে, তাও দিল না। কিছু না খেতে দিয়েই আমাকে নিয়ে বান্দ্রা রওনা হল। ক্ষুধায় আমার পেটের নাড়িভুঁড়ি চোঁ চোঁ করতে লাগল। আমার চলৎশক্তি রহিত হয়ে আসছিল।

    অবশ্য আমাকে ভুখা রাখতে পেরে জোসেফ খুশীই হয়েছিল। কারণ, আমাকে যত বেশি ভুখা রাখতে পারবে ততই তার লাভ। বেশি বেশি মদ ধরাতে পারবে আমার পেটে। আমি আগে থাকতেই জানতাম, এ কাজ করতে হলে আমাকে দিনভর মাত্র একবার খেতে দেবে। আর তাও দিনের দশটা এগারটায়, যখন স্মাগলিং এর কাজ সারা হবে। উপবাস থাকা খুব কষ্ট। কিন্তু আমি একথা ভেবে মনকে সান্ত্বনা দিলাম যে, পৃথিবীতে কোটি কোটি লোক অনাহারে অর্ধাহারে দিন কাটাচ্ছে। আর আমি তো হলাম গিয়ে এক গাধা। দিনভর একবারও যদি এক আধ আঁটি ঘাস পাওয়া যায়, তাই আমার জন্যে ঢের।

    বান্দ্রার গোপন ঘাঁটিতে পৌঁছে জোসেফ আমাকে জিজ্ঞেস করল,

    ‘এখন কি করব?’

    ‘এখন বালতিতে মদ এনে আমার সামনে রাখ। আমি তা পান করে নিই।’

    জোসেফ একটা ঘরের মধ্যে ঢুকে পড়ল। কিছুক্ষণ পর সে ঘর থেকে দু’জন লোক বেরিয়ে এল। একজন জোসেফ, অন্যজন কামতাপ্রসাদ। কামতাপ্রসাদ লোকটা হালকা পাতলা এবং খিটখিটে মেজাজের। কিন্তু এক নম্বর ফোরটুয়েন্টি এবং চালাকের হদ্দ। দু’জনে ধরাধরি করে মদভর্তি একটা বড় বালতি নিয়ে এল।

    এক বালতি দু’বালতি করে বড় কষ্টে আমি তৃতীয় বালতিটাও পান করলাম। কিন্তু এরপরও কামতাপ্রসাদ আর এক বালতি নিয়ে এল। আমি মাথা নেড়ে অসম্মতি জানালাম ৷ ‘কি যে বল, চেষ্টা করে দেখতে দোষ কি? দু’তিন বালতি মদ তো একজন তাগড়া লোক এক দিনেই পান করে ফেলতে পারে। আর তুমি গাধা হয়ে কিনা’

    ‘না, ভাই আমি পারব না। আমার পেট ফেটে যাবে তাহলে।’ ঠিক আছে, না পারলে আর কি করা। তবে তোমাকে রাতের বেলা ইনোজফ্রুটসন্ট বা অন্য কোন ঔষধ দিতে হবে। ভোর বেলা তাহলে পেটটা আরো বেশি খালি হবে। তখন সহজেই চার বালতি পান করতে পারবে তুমি।’

    আমি বললাম, ‘এখন ওসব কথা রাখ। যত জলদি পার আগে আমাকে নিয়ে চল। দেরি করলে আমার নেশা হবে। খালি পেটে মদ পান করলে সহজেই নেশা পায়।

    ওর দু’জন আমাকে বান্দ্রার মসজিদের কাছে নিয়ে ছেড়ে দিল। আর আমি একটা বেওয়ারিশ গাধার মত ঘোরাফেরা করতে করতে ক্রমশ ফাঁড়ির দিকে এগোতে লাগলাম।

    সকালের মৃদুমন্দ হাওয়া আমার বেশ ভালই লাগছিল। মহমক্রাকের কাছে জেলেরা জাল রোদে দিয়েছে। দূরে সমুদ্রে নানা ধরনের নৌকা পাল তুলে চলেছে। ছোট ছোট মেয়েরা রঙ বেরঙের ফ্রক পরে চড়ুই পাখির মত চেঁচামেচি করতে করতে স্কুলে যাচ্ছিল।

    আজকের সকাল বেলাটা আমার বেশ ভাল লাগল। আমার মনে একটা গানের কলি গুঞ্জন করছিল। ইচ্ছে হচ্ছিল গলা ছেড়ে তান ধরি। কিন্তু একালে ইচ্ছা করলেই সবকিছু করা যায় না। আজকাল সর্বত্র ব্যবসা নীতি চলছে। একটা মামুলী জিনিসও পারমিট বা কোটা ছোড়া এদিক-সেদিক করা যায় না। পারমিট বা কোটা না হলে স্মাগলিং বা ঘুষের আশ্রয় নিতে হয়। উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতকেও আজকাল রেডিওর লোকরা লাইট মিউজিকের প্রোগ্রামে স্মাগলিং করে থাকে।

    আমি এসব ভাবছিলাম আর হেলে দুলে চলছিলাম। হঠাৎ একটা মারাঠি মেয়েকে দেখতে পেয়ে আমি থমকে দাঁড়িয়ে গেলাম। গাঢ় সবুজ রঙের মারাঠি শাড়ি আর সোনালী কাজ করা কাল মতো ব্লাউজে তাকে চমৎকার মানিয়েছিল। সকালের সোনালী সূর্যের আভা পড়েছে তার চোখে মুখে। তার চুল থেকে একটা চমৎকার তেলের গন্ধ আসছিল। ডাগর ডাগর চোখের পলক টেনে টেনে এমন ব্রীড়ানতার ভঙ্গিতে সে চলছিল, দেখে মনে হচ্ছে এ ধূলির ধরার কোন মানবী সে নয়, ইন্দ্রলোকের অপ্সরী। মন্ত্রমুগ্ধের মত আমি তার পেছনে পেছনে চলছিলাম।

    পুলিশ ফাঁড়ির কাছে বেজায় রকম ভিড়। সারি সারি ট্যাক্সি, লরি, বাস দাঁড়িয়ে রয়েছে। পুলিশ অত্যন্ত সতর্ক দৃষ্টি দিয়ে সেগুলোকে নিরীক্ষণ করছে এবং এক এক করে যাবার অনুমতি দিচ্ছে।

    পুলিশ একটা গাড়ির তল্লাশী নিচ্ছিল। এমনি সময় মারাঠি মেয়েটি সেখানে একটু দাঁড়াল। মেয়েটির হাতে একটা কাঁসার থালা ছিল। মেয়েটি চারদিকে ইতিউতি করে যখন আবার পা চালিয়ে দিল এমন সময় একজন মেয়ে পুলিশ তাকে ডাক দিয়ে দাঁড় করাল।

    মেয়ে পুলিশটি কাছে এসে বলল, ‘কোথায় যাচ্ছ তুমি?’

    ‘মন্দির।’

    হঠাৎ মেয়ে পুলিশটি তার দেহ তল্লাশী শুরু করে দিল। সামনে পেছনে হাত চালিয়ে তার শাড়ীর তল থেকে দুটো মদ ভর্তি টিউব বের করে ফেলল।

    ‘তুমি মদ নিয়ে মন্দিরে যাচ্ছিলে বুঝি।’ মেয়ে পুলিশটি বলল মারাঠি মেয়েটি

    জোরে জোরে কাঁদতে শুরু করে দিল।

    একজন সিপাই আমার পিঠে একটা ঘা বসিয়ে দিল, বলল,

    ‘পা-জী গাধাটা এখানে দাঁড়িয়ে রয়েছে কেন?’

    ঘা খেয়ে আমি দৌড় দিলাম এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই ‘মহম’-এর ঘাঁটিতে যেয়ে পৌছলাম। জোসেফ এবং কামতাপ্রসাদ আগে থাকতেই আমার প্রতীক্ষা করছিল সেখানে। জোসেফ আমার গলায় রশি লাগিয়ে টেনে টেনে অন্ধ গলিতে এসে তারপর সেখান থেকে একটা অন্ধকার ঘরের মধ্যে নিয়ে গেল। আমাকে নিয়ে ওরা সেখানে কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকল। তারপর দরজাটা খট খটাল।

    ‘কে?’ একটা মেয়েলী কণ্ঠ ভেসে এল।

    ‘আমি কামতাপ্রসাদ।’

    দরজা খুলে গেল। বাদামী রং-এর ব্লাউজ এবং গাঢ় লাল রং-এর ছায়া পরিহিতা এক সুন্দর, সুঠাম মেয়ে এগিয়ে এলো। একটু ঘাড় বাঁকিয়ে বলল, ‘আজ খালি হাতে এসেছ মনে হয়?’

    ‘মারিয়া আগে দরজাটা ছেড়েই দাঁড়াও না। মারিয়া দাঁড়ালো ওরা আমাকে টেনে আরো ভেতরের কোঠায় নিয়ে গেল।

    এবং তারও পরে একটা খোলা আঙ্গিনায় গিয়ে উপস্থিত হলাম আমি। আঙ্গিনার এক কোণে ক’টা ড্রাম রাখা আছে। অন্য কোণে একটা দড়িতে ধোয়া কাপড় শুকাতে দেয়া হয়েছে। অন্য দিকে খাটিয়ায় এক বুড়ো শুয়ে এপাশ ওপাশ করছে।

    ওরা দুজন হঠাৎ গায়েব হয়ে গেল। কিছুক্ষণ পর একটা রবারের নল এবং একটা বিরাট ড্রাম নিয়ে এলো। ড্রামটা আমার সামনে রেখে আমার গলা দিয়ে নল ঢুকিয়ে দিল।

    আমার গলা দিয়ে মদ বেরুচ্ছে দেখে মারিয়া তো হতবাক। হঠাৎ সে এমন জোরে হাসতে শুরু করল যে, আমরা চমকে উঠলাম। হাসতে হাসতে ওর চোখে জল দেখা দিল। জোসেফ মারিয়ার কাঁধে হাত রেখে বলল,

    ‘আমরা বড় লোক হতে আর ক’দিনই বা লাগবে মনে কর। যখন বিরাট শেঠ হয়ে যাব, তখন তো আর তুমি বিয়ে করতে আপত্তি করবে না?’

    ‌ মারিয়া তার হাতটা ঝটকা দিয়ে সরিয়ে কামতার কাছে যেয়ে বলল, ‘দেখা যাবে।’

    তারপর একটু হেসে বলল,

    ‘তোমরা কি করে এ জানোয়ারটাকে বশ করলে? আশ্চর্য, তোমাদের মাথায় এত বুদ্ধি আছে আগে জানতাম না।’

    ‘জোসেফ আবার বলল,

    ‘আমাদের বিয়ে কবে হচ্ছে তাই বলো।’

    মারিয়া আমার গলা জড়িয়ে ধরে বলল, ‘আমার তো এখন এ গাধাকে বিয়ে করতে ইচ্ছে করছে। এ তো গাধা নয়, সোনার খনি।’

    কামতাপ্রসাদ মদগুলোকে বালতিতে ঢেলে মাপল। তারপর বলল,

    ‘পৌনে তিন বালতি হল। এক চতুর্থাংশ গাধাটা হজম করে ফেলেছে।’ ‘শোকর কর। গাধা বলে তবু পৌনে তিন বালতি ফেরত পেয়েছ। কোন পাকাশরারী যদি পান করত তাহলে এক ফোঁটাও ফেরত পেতে না।’

    জোসেফ বলল, ‘গাধাটা যতটুকু হজম করেছে, ততটুকু পানি দিয়ে পূরণ করে নাও।’

    আমি মনে মনে হেসে বললাম, দুধেও পানি, মদেও পানি …

    কামভাপ্রসাদ জিজ্ঞেস করল, ‘শেঠ কোথায়?’ মারিয়া কামতার কানে কানে কি যেন বলল। তারপর দু’জনে বারান্দার দিকে চলে গেল। এই ফাঁকে আমি জোসেফকে বললাম, তাড়াতাড়ি আমাকে ঘাস দাও নইলে এক্ষুণি আমি ক্ষুধায় মরে যাব ৷

    ‘এইতো এক্ষুণি দিচ্ছি পার্টনার।’

    বলেই সে মারিয়াকে ডেকে বলল, ‘মারিয়া ঘাস নিয়ে এস।’ মারিয়া ঘাস নিয়ে এলো এবং আমার সামনে বসে খাওয়াতে লাগল। তার নরম এবং সুন্দর হাত আমার মাথায় ও কানে বুলিয়ে আদর করতে লাগল। সে হাতের পরশের কি আমেজ, তা একমাত্র আমিই বুঝতে পারি।

    দিন দুয়েক পর কামতাপ্রসাদ একটা মোটা টিউব এবং হ্যাণ্ড পাম্প দিয়ে বলল, ‘গাধাটা সত্যিই কামচোর। ওর পেটে এত কম মদ ধরে কি করে?’

    জোসেফ বলল, ‘বেচারী যতটুকু সামলাতে পারে, তার চেয়ে বেশি নেবে কি

    করে? তার শক্তি পরিমাণ সে পান করে।’

    ‘জী না, এ পাম্পের সাহায্যে আমি ওর পেটে মদ ভর্তি করবো।’

    আমি বললাম, ‘আমার পেটটা একটা জানোয়ারের পেট। এটা কোন মোটরের টিউব না যে, যত পাম্প দেবে ততই ফুলবে।’

    কিন্তু কামতাপ্রসাদ আমার কোন কথাই শুনল না। যেমন করে মোটরের টায়ার পাম্প দেয়া হয়, সেভাবে সে আমার পেটে মদ ভর্তি করতে লাগল। শেষ অবধি আমার মনে হল আমার পেট যেন ফেটে যাচ্ছে। পাম্প করতে করতে আমার গলা দিয়ে যখন মদ পড়তে আরম্ভ করলো, তখন সে পাম্প টানা বন্ধ করল।

    কামতা প্রসাদ বিজয়ীর হাসি হেসে বলল, পুরো ছ’বালতি মদ ভর্তি করলাম। কোথায় তিন বালতি আর কোথায় ছ’বালতি ৷’

    জোসেফ বলল, ‘তালেতো বেশ এখন দেখছি আমাদের ব্যবসা দ্বিগুণ হচ্ছে।’ আমি ব্যথায় কঁকিয়ে উঠে বললাম,

    ‘তোমরা এত নির্দয়, আমার পেট ফেটে যাচ্ছে।’

    ‘একটু সহ্য করে থাক দোস্ত। মাত্র পাঁচ মিনিটের রাস্তা বই তো নয়। চোখের পলকের মধ্যে পার হয়ে যাও—আমাদেরকে মহম এর চকে পাবে।’

    ‘যদি আমাদের এক আধ মিনিট দেরিও হয়, কোন চিন্তা নেই। তুমি সেখানে পৌঁছে একটু অপেক্ষা কর।’ কামতাপ্রসাদ বলল, তারপর জোসেফের দিকে তাকিয়ে বলল, ‘এ খুশীতে এক পেগ হয়ে যাক না।’

    ‘হোক ৷’ জোসেফ সম্মতি জানাল।

    তার পান করছিল আর আমি রওনা হয়ে গেলাম। অন্য দুদিনের মতই আমি নির্বিঘ্নে মহমের চকে যেয়ে পৌঁছলাম। সেখানে পৌঁছে তাদেরকে না পেয়ে ফুটপাথে দাঁড়িয়ে ওদের প্রতীক্ষা করতে লাগলাম আমি।

    . আমি যেখানে দাঁড়িয়েছিলাম সেখানে সারি সারি ভাড়াটে ট্যাক্সি দাঁড়িয়েছিল। অপরদিকে ক’জন বিদঘুটে ধরনের লোক চারপেয়েতে বসে লটারীর নম্বরের কথা বলাবলি করছিল আর সকালের নাস্তা খাচ্ছিল।

    সেসব দিক আমার খেয়াল খবর ছিলনা। আমি শুধু ওদের প্রতীক্ষা করছিলাম। আমার সাংঘাতিক অসুবিধা হচ্ছিল। আমার পেট ফেটে যাবার উপক্রম হলো।

    ওদের প্রতীক্ষায় আমি পাঁচ মিনিট, দশ মিনিট করে সময় অতিবাহিত করলাম। কিন্তু ওদের টিকিটাও দেখা গেল না। আমি নিজের উপর অভিসম্পাত দিতে লাগলাম। কেন আমি এ বাজে কাজটা আরম্ভ করলাম।

    এভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে থাকতে নেশা পেয়ে গেল। আমার মাথা ঘুরতে লাগল আমার শিরা উপশিলায় মদ প্রবাহিত হয়ে চলল। মনে হল আমি হাওয়াতে ভেসে বেড়াচ্ছি। আমি মাতাল হয়ে আস্তে আস্তে নাচতে শুরু করলাম। সেই সাথে গানও গাইতে লাগলাম। আমার এই অবস্থা দেখে আমার চারিদিকে লোকজন জমা হয়ে গেল।

    ‘কি আশ্চর্য, গাধা নাচছে।’

    ‘শুধু নাচছে বল কেন, গাইছে যে তা শুনতে পাচ্ছ না? অপরজন বলল। আমি পাকা নাচিয়ের মত বিলোল কটাক্ষ হেনে বললাম,

    ‘ইয়ারো মুঝে মাফ কর, ম্যায় নেশে মে হুঁ।’

    আমার নেশা যত বাড়তে লাগল, লোকজনও জমা হতে লাগল প্রচুর।

    ‘বেশ মজার গাধাতো দেখছি।’

    ‘একজন বলল, কি আশ্চর্য। গাধা মানুষের মত কথা বলছে।’

    ‘একেই বলে বিংশ শতাব্দী—এ কালে কিনা হয়।’

    ‘এটা বোম্বাই—বোম্বাইতে সবকিছুই সম্ভব। এখানে গাধা যদি মানুষের গলায় কথা বলে তাতেও আশ্চর্যের কিছু নেই।’

    অন্য একজন বলল। লোকটিকে, ওপাশের চার পেয়েতে বসে নাস্তা খেতে দেখেছিলাম। সে তার সাথীকে ডেকে আবার বলল,

    ‘অদ্যাবধি তুমি কোন গাধাকে কথা বলতে দেখছ জুমন?’ ‘না শেঠজি, শুনিওনি এমন সৃষ্টি ছাড়া কথা ৷’

    জুমন এবং শেঠ ভুসুরিমল দু’জনকেই আমি চার পেয়েতে দেখেছিলাম। শেঠ বলল,

    ‘ইয়ার জুমন—আমার কাছে কেমন যেন গোলমেলে মনে হচ্ছে ব্যাপারটা।’ ‘কি রকম গোলমাল?’

    ‘আমার মনে হয় আসলে এটা গাধা নয়। কোন সাধু সন্ন্যাসী হবে। দুনিয়ার পাপাচার থেকে দূরে থাকার জন্য গাধার বেশ ধারণ করেছে।’

    ‘তুমি ঠিকই বলছ শেঠ। আমারও মনে হচ্ছে কোন পীর পয়গম্বরের আত্মা এ গাধার মধ্যে আশ্রয় নিয়েছে।’

    ‘তাহলে তার পায়ের উপর পড়ে লটারীর নম্বরটা জিজ্ঞেস করি।’ বলেই শেঠজি এত লোকের সামনে গাধার পা জড়িয়ে ধরে বলল, ‘আমরা চিনে ফেলেছি তোমায় সাধু মহারাজ।’

    জুমন অন্য পা ধরে বলল,

    ‘বাবা ফকির দস্তগীর দয়া করে লটারীর নাম্বারটা দাও।’

    ‘আমি ঝটকা টানে পা ছাড়িয়ে নিয়ে বললাম—’কি সব বাজে বকছো। তোমরা ভাগো এখান থেকে।’

    ‘না ছাড়ব না তোমায়, নম্বর না বললে মোটেই ছাড়ব না, তোমায় বাবা। তুমি জ্ঞানে অন্তর্ধান হয়ে আমাদের নম্বরটা একটু দেখে দাও।’ শেঠ বলল –

    ‘দয়া করে এ গরীব বেচারাকেও একটা নম্বর বলে দাও বাবা— তুমি রাগ হলে আমরা কোথায় যাব?’

    জুমন বলল—তাদের দেখাদেখি আরো কজন লোক আমার পায়ের ওপর এসে পড়ল।

    ‘তোমাকে প্রতিদিন হালুয়া খেতে দেব। শুধু একবার ওপেন টু ক্লোজ নাম্বারটা গড় গড় করে বলে দে বাবা।’

    আমি জানতাম না বোম্বেতে এত লোক লটারী আর রেসের পাগল।

    এখন এদের নাম্বারটা বলে আমিই বা বাঁচব কি করে? আমি অনেক সাধু সন্ন্যাসীকে ভুয়ো নাম্বার বলে দিতে শুনেছি। আমি তাই করব কিনা ভাবছিলাম। প্রথমে আমি হাত পা ছেড়ে কিছু জায়গা করে নিলাম। তারপর আবোল তাবোল বকতে শুরু করলাম। ‘অন্তর মন্তর জন্তর—কংগ্রেস লীগ ছু মন্তর। হিন্দু মুসলিম এক মন, ‘দুই প্রাণ ৷’

    শেঠ খুশী হয়ে বলল,

    ‘পেয়েছি পেয়েছি।’

    জুমন বাঁধা দিয়ে বললো,

    ‘আমিও বুঝে নিয়েছি—একের সাথে দুই মিলিয়ে নাও।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleভগবানের সাথে কিছুক্ষণ – কৃষণ চন্দর
    Next Article গাঞ্জে ফেরেশতে (চলচ্চিত্র ইতিহাসের দলিলগ্রন্থ) – সাদত হাসান মান্টো

    Related Articles

    মোস্তফা হারুন

    গাঞ্জে ফেরেশতে (চলচ্চিত্র ইতিহাসের দলিলগ্রন্থ) – সাদত হাসান মান্টো

    November 13, 2025
    মোস্তফা হারুন

    ভগবানের সাথে কিছুক্ষণ – কৃষণ চন্দর

    November 13, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026
    Our Picks

    সাইলাস মারনার – জর্জ ইলিয়ট

    January 20, 2026

    কলিকাতার কথা (আদিকাণ্ড) – প্রমথনাথ মল্লিক

    January 20, 2026

    দশরূপা – সৌমিত্র বিশ্বাস

    January 20, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }