Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমি চঞ্চল হে – বুদ্ধদেব বসু

    বুদ্ধদেব বসু এক পাতা গল্প100 Mins Read0
    ⤶

    আমি চঞ্চল হে – ১০

    ১০

    কালপুরুষকে কতদিন দেখেছি। কত আশ্বিনের সবুজ সন্ধ্যায় পূর্ব দিগন্তে প্রশ্নচিহ্নের মতো, কত চৈত্রসন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশে তির্যক ছাঁদে ঝুলন্ত, কত মৃত জ্যোছনায় ম্লান, কত অন্ধকারে আশ্চর্য উজ্জ্বল। কত জানলা থেকে দেখেছি তাকে, দেখেছি গলির উপরে, শহরের পথে যেতে-যেতে সেই ভীষণ জ্বলন্ত মূর্তি চমক লাগিয়ে দিয়েছে কতবার। আমাদের আকাশে এই জ্যোতির্ময় আতঙ্কের মতো আর-কিছু নেই,– কোটি কল্পের এই ধ্বংসহীন সূর্যপুঞ্জ, অন্ধকারের দুরন্ত হৃৎপিণ্ড যেন। আর আছে শান্ত গম্ভীর সপ্তর্ষি, উত্তরের আকাশে নিঃস্পন্দ। কালপুরুষ আনে আমাদের রক্তে দুর্দান্ত হিংস্রতা, সপ্তর্ষি আনে শান্তি। কতদিন আমি খুঁজেছি সপ্তর্ষিকে এই শেষ শরতের আকাশে, দেখা পাইনি। আজকাল বড়ো দেরি করে ওঠে সে, তখন আমাদের ঘুম। আজকাল সূর্যাস্ত থেকে সূর্যোদয় সমস্ত আকাশ কালপুরুষেরই খড়্গেঙ্গ দ্বিখণ্ডিত। আছে আরো অনেক তারা, তারা ম্লান, তারা বিচ্ছিন্ন; তাদের কোনো নির্দিষ্ট সম্মিলিত মূর্তি আমার চোখে ধরা পড়ে না। এ-আকাশে আরো কত নক্ষত্রপুঞ্জের মেলা, কিন্তু আমার আনাড়ি চোখ তাদের চেনে না : কালপুরুষের অসহ্য সৌন্দর্যে ক্লান্ত, আমি খুঁজি সপ্তর্ষির শান্তি। কোন গভীর রাত্রে উঠে আসে সে, চুপে-চুপে, ভীরু ভাঙা চাঁদের মতো, একটু পরেই বুঝি মিলিয়ে যায় ভোরের আভাসে। যাবে শীত, প্রথম বসন্তে যখন দক্ষিণে হাওয়ার দোলা, তখন এক সন্ধ্যায় হঠাৎ দেখবো দিগন্তের উপরে ভীরু সপ্তর্ষি, আর কালপুরুষ পশ্চিমে আনত।

    —কিন্তু এ-দেখাও আমার অদৃষ্টে ছিলো! হঠাৎ ভাঙলো ঘুম, তারপর ঘুমের জড়তা কাটিয়ে এটা উপলব্ধি করতে কিছু সময় লাগলো যে আমাদের গোরুর গাড়ি আছে দাঁড়িয়ে। কানে এলো গাড়োয়ানের শীতে-কর্কশ কণ্ঠস্বর : চীৎকার করে আমাদের ডাকছে। সেই অতি সংকীর্ণ শকটের লেপ-চাপা অবলুপ্তি থেকে উঠে আসাও বড়ো সহজ কথা নয়। উঠতে হলো : অন্ধকারে ঘড়ির জ্বলজ্বলে কাঁটায় ঠিক তিনটে বেজেছে। বেরিয়ে এলুম গোরুর গাড়ির ঘুটঘুট্টি অন্ধকার থেকে। সঙ্গে-সঙ্গে স্বপ্নের মতো কানে বাজলো জলের ছলছলানি।

    গাড়োয়ান বললে : নদীতে জোয়ার এসেছে। নদী? ঐ তো নিয়াকিয়া নদী। তারার আলোয় দেখা গেলো ম্লান জলের অস্পষ্ট ঝিলিমিলি। পার হওয়া যাবে না? গাড়োয়ান মাথা নাড়লো। নৌকো? নৌকোয় গাড়ি সুদ্ধ পার হওয়া যায় বটে, কিন্তু নৌকো কোথায়? গাড়ি থেকে নেমে দাঁড়ালুম, দীর্ঘরাতের শিশিরে বালুগুলো ভেজা, জুতোর উপর দিয়েও টের পাওয়া যায়। সেই বিশাল, শূন্য বালু-প্রান্তরে গাড়োয়ান হাতের আঙুল গোল করে মুখে ঠেকিয়ে শীতে ভাঙা-ভাঙা গলায় চীৎকার করে মাঝিকে ডাকতে লাগলো। বার-বার ফিরে এলো প্রতিধ্বনি নদীর ওপার থেকে। আজ এই হাজার তারা-ভরা আকাশের তলায়, এই নিঃসীম নিঃস্পন্দ অন্ধকারে আমরা ছাড়া আর-কোনো প্রাণের চিহ্ন নেই। শুধু মাঝে-মাঝে সমুদ্র ডেকে উঠছে বাঘের মতো। সমুদ্র কোথায়? জানি না। শুধু সারারাত সমুদ্রের ডাক এসেছে আমাদের সঙ্গে-সঙ্গে, হঠাৎ বুঝি ঢেউয়ে-ঢেউয়ে ধাক্কা লাগলো, যেন ধ্বসে পড়লো বিরাট মাটি গাছপালা পোকা-পাখি আর পরিত্যক্ত বাড়ি-ঘর নিয়ে, যেন হঠাৎ গুলি- খাওয়া বাঘের হুংকারে অরণ্য তোলপাড় করে উঠলো। পূর্ববঙ্গে নদীর ভাঙন যারা জানে, তাদের কাছে রাত্রি-ভরা এই গুমগুমানি একেবারে অপরিচিত নয়। আমাদের পথে-পথে কখন থেকে এই শব্দ, ঘুমের মধ্যে চমক লাগানো, কখনো দূরের রেলগাড়ির শব্দের মতো ঘুম-পাড়ানো। তারপর রাত্রির শেষে ঘুম-ভাঙা কানে এই তোলপাড় চুরমার, হাজার তারার আকাশের নিচে, নিয়াকিয়া নদীর ধারে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    Library
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বইয়ের
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    পিডিএফ
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি

     

    এ-কথা বলতে হবে এমন আকাশের নিচে আর কখনো আমি দাঁড়াইনি, এমন নীরন্ধ্র নিঃস্পন্দ রাত্রিময় প্রান্তরের মধ্যে। সমস্ত দিকে ছড়িয়ে স্তব্ধ, অস্পষ্ট বালু- বিস্তার : আর-কিছু চোখে পড়ে না, দূরে যদি থাকে গাছের সারি মনে হয় রাত্রিই নেমেছে নিবিড় হয়ে দিগন্তে। উপরে তাকালুম : আর আকাশে যা চোখে পড়লো তা ঠিক ঐ রকম করে আমি আর দেখবার আশা রাখি না। প্রথম কথা, আকাশ বলতে সাধারণত আমরা যা বুঝি, এ সে জিনিশই নয়। আকাশের ভাঙা-ভাঙা রঙিন টুকরো নিয়ে আমরা সাজাই মনের খেলাঘর, সমস্তটা আকাশ একসঙ্গে কল্পনাতেও আসে না আমাদের। এ কি কখনো আমরা ভাবতে পারি, এই যে আকাশ উঠে গেছে সমস্ত দিক থেকে তীক্ষ্ণ তারা-স্রোতে, বাধা নেই, দ্বিধা নেই, সমস্ত পৃথিবীর উপরে চিরকালের ছায়ার মতো ছড়ানো। ক্ষুদ্র সীমায় অভ্যস্ত আমাদের চোখ এতটা একসঙ্গে নিতে পারে না, পড়ে ক্লান্ত হয়ে। টুকরো চাঁদ অস্ত গেছে প্ৰথম প্রহরেই; এখন আকাশের প্রান্ত থেকে প্রান্ত জ্বলন্ত জীবন্ত তারায়-তারায় নিশ্বসিত। ঠিক মাথার উপরে দেখলুম কালপুরুষ, আর উত্তরের দিগন্তে এইমাত্র বুঝি সপ্তর্ষি উঠে এলো। স্পষ্ট দেখলুম সাতটা তারা, আর তাদের শান্ত ভঙ্গি, আর মাথার উপরে তীব্র হিংস্র কালপুরুষ আকাশের মাঝখান দিয়ে যেন ফাটল ধরিয়ে দেবে। এত তারার চাপে আকাশ বুঝি ভেঙে পড়লো। কিন্তু ভিড় থেকে বিচ্ছিন্ন নির্লিপ্ত, আকাশের দূর প্রান্তে ঐ তো সপ্তর্ষির শান্তি— সপ্তর্ষিকে কতদিন পর দেখলুম!

     

    আরও দেখুন
    গীতবিতান
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    রেসিপি বই
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    Library
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা বই
    সংগীত
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা ই-বুক রিডার

     

    গাড়োয়ানের হাঁক-ডাকের কোনো জবাবই এলো না, নিয়াকিয়া ছলছলিয়ে বয়ে চলেছে। ছোট্ট নদী, কিন্তু সমুদ্রের সঙ্গে এর যোগ, এখন তাতে এসেছে জোয়ারের ধার। এখন পার হওয়া যাবে না; ভোরবেলায় লাগবে ভাঁটার টান, ততক্ষণ এখানেই অপেক্ষা। বিকেলবেলা পুরীর হোটেল থেকে বেরিয়েছিলুম, মনে আশা ছিলো প্রতিষ্ঠিত প্রথা-অনুযায়ী সূর্যোদয়ের আগেই কোনারক পৌঁছনো যাবে। গেলো সে-আশা। আমাদের এই গাড়োয়ান হোটেল থেকে রওনা হয়ে শহরের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত রাস্তায় যাকে-তাকে ডেকে বলেছে, ‘কোনারক যাউচি। বুঝলুম, গো- যানচালকদের মধ্যে কোনারক যাত্রা কৌলীন্যের চিহ্ন। এত ঘটা করে যখন আরম্ভ করলো, তখন এই পরিচালক ঠিকমতো আমাদের পৌঁছিয়ে দেবেই, এমন আশা ছিলো মনে। তা হলো না : কাছাকাছি এসে এখন তিন ঘণ্টা অপেক্ষা। কোনারকের ‘বিখ্যাত’ সূর্যোদয় দেখা আমাদের কপালে নেই।

    সুতরাং গুঁড়িসুড়ি মেরে ফিরে গেলুম বিছানাতেই। ঐটুকু তো গাড়ি, তার মধ্যে আমরা, আমাদের জলের কুঁজো, আমাদের শীতবস্ত্র, একটি বাক্সে চায়ের পেয়ালা স্টোভ ইত্যাদি— কিছুই ভুলিনি। টর্চের আলোয় জায়গা দেখে নিয়ে জড়োসড়ো হয়ে শুয়ে পড়লুম। কোনো বন্য জন্তুর সবুজ স্ফুরিত চোখের মতো ইলেকট্রিক টর্চ মুহূর্তের জন্য জ্বলেই নিবে গেলো। গাড়ির মধ্যে জমাট অন্ধকার। মনে হয় আদিম কোনো গুহার মধ্যে শুয়ে আছি। বাইরের বাতাসে থমকে থমকে সমুদ্রের স্বর আছড়াচ্ছে শুনতে-শুনতে ঘুমিয়ে পড়লুম।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    পোর্টেবল স্পিকার
    উপন্যাস সংগ্রহ
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    গান
    বাংলা হস্তলিপি কুইল

     

    ঘুম যখন ভাঙলো, তখন বেশ বেলা। রোদ্দুর উঠেছে ঝিলকিয়ে। পথ দিয়ে চলেছে দু-চারজন দেহাতি লোক। নদীতে এখন ভাঁটা, গাড়িসুদ্ধ পার হয়ে গেলুম। নদীর মাঝখানে গোরুর গলা অবধি জল। গোরুদুটো কাঁপতে কাঁপতে এসে পৌঁছলো উল্টো পাড়ে। সেখানে কয়েক ঘর বসতি, হাটগোছের বোধহয়, তারপর ধু-ধু মাঠ আর মাঠ গড়িয়ে চলেছে। এখন চা খেতেই হবে। বেরুলো স্টোভ আর পেয়ালা আর রসদ, কিন্তু সেই দিকশূন্য প্রান্তরে হৃ-হূ হাওয়ায় স্টোভ কিছুতেই ধরে না। গাড়ি থামিয়ে গাড়ির তলায় ঢুকে চেষ্টা করা গেলো, হলো না। অগত্যা গাড়ির ভিতরেই দু-দিকে কাপড় খাটিয়ে আড়াল করে নেয়া হলো; ধরলো স্টোভ, হলো চা খাওয়া।

    ধু-ধু করছে ব্রাউন রঙের প্রান্তর। ঘাস নেই, গাছ অল্প। চারদিকে তাকিয়ে একটা কুঁড়েঘরও চোখে পড়ে না। কদাচ দু-একটি লোকের আসা-যাওয়া। এত ফাঁকা জায়গাও আজকালকার পৃথিবীতে আছে! কিন্তু উড়িষ্যার এই অভ্যন্তর বুঝি আজকালের নয়। এখানে যেন পুরোনো পৃথিবীর প্রসার ও শূন্যতা বইছে বালু- ওড়ানো হাওয়া মাইলের পর মাইল। ফসল ফলে না : অকারণ অর্থহীন ঈষৎ বন্ধুর মাটি গড়িয়ে চলেছে, নেহাৎই যেন আমাদের আর কোনারকের মধ্যবর্তী ব্যবধান বাড়াবে বলে। তাকিয়ে থাকতে-থাকতে টলস্টয়ের সেই ভীষণ গল্প মনে পড়ে : মানুষের কতটা জায়গা লাগে। এখানে যদি কেউ সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পরিক্রমণ করে, সে একটি রাজধানী বসাবার মতো জায়গা দখল করতে পারবে— এবং তার জন্যে বোধহয় তাকে বিশেষ-কিছু দিতেও হবে না। কিন্তু বিনাযুদ্ধে বিনামূল্যে পেলেও এ-ভূখণ্ড কেউ কি কখনো নিতে চাইবে— উড়িষ্যায় এমনিতেই জায়গার ছড়াছড়ি। মনে হয় এ-সমস্ত জায়গা এমনি খাঁ-খাঁ করবে চিরকাল, রেল- লাইন থেকে দূরে, সভ্যতা থেকে দূরে, সময় থেকে দূরে। পৃথিবীতে যুদ্ধ বাধবে, ডুববে এক দেশ, অন্য দেশ জাগবে; মানুষ সম্পূর্ণ করবে তার বৈবর্তনিক নিয়তি; কিন্তু এই শূন্য ব্রাউন প্রান্তর এমনিই পড়ে থাকবে চিরকাল, আর তার উপর দিয়ে মাঝে-মাঝে আমাদেরই মতো কোনো যাত্রী গোরুর গাড়িতে যাবে কোনারকের দিকে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    গীতবিতান
    বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    লেখকের বই
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বই ডাউনলোড
    বইয়ের তালিকা
    ডিজিটাল বই

     

    এখন আর সমুদ্রের শব্দ শুনছি না, সকালের আলোয় অদ্ভুত স্তব্ধ পৃথিবী। রাত ভরে সমুদ্রের গর্জন এলো আমাদের সঙ্গে, হঠাৎ কি সমুদ্রকে অনেক দূরে ফেলে এলাম, নাকি অন্য-কোনো কারণে শব্দটা এসে পৌঁচচ্ছে না? কোনারকের মন্দিরে উঠতে-উঠতে সমুদ্র যদি চোখে না-পড়তো তাহলে প্রথম কারণটাই নিঃসংশয়ে ধরে নিতুম। অনেকটা দূর অবিশ্যি, কিন্তু রাত্রেই কি খুব কাছে ছিলো? এ-সমস্যার মীমাংসা হবে না। আর মীমাংসা হবে না পুরীর সমুদ্রের অদ্ভুত ব্যবহারের। পুরীতে বীচ ছাড়িয়ে শহরের দিকে একটুখানি ঢুকলেই সমুদ্রের সেই প্রচণ্ড চীৎকার একেবারে মিলিয়ে যায়। অথচ কোনারকের পথে কতদূর থেকে শোনা গেলো সমুদ্রের গর্জন। ব্যাপারটা খুবই অদ্ভুত, অন্বেষণের যোগ্য। দুঃখের বিষয়, এই রহস্যে প্রবেশ করবার মতো সংগতি আমার আদৌ নেই। অথচ জগন্নাথদেব সমুদ্রের গোলমাল পছন্দ করেন না, এ-কথা শুনে জগন্নাথের মহিমায় বিহ্বল হয়ে চুপ করে থাকার ক্ষমতাও অবিশ্যি নেই আমার। আমি শুধু অবাক হতে পারি, শুধু পারি মনে-মনে ছটফট করতে।

    কলকাতায় ফেরবার গাড়িতে এক ভদ্রলোকের সঙ্গে দেখা; তিনি পুরীরই বাসিন্দা, এবং উড়িষ্যার পুরাবৃত্তে পণ্ডিত বলে খ্যাত। অনেক আশা নিয়েই প্রশ্নটা তাঁর কাছে উত্থাপন করেছিলুম। কিন্তু তিনি প্রশ্নটার পুনরাবৃত্তি করে তারপর এমনভাবে চুপ করে গেলেন যেন সেটা আলোচনার যোগ্যই নয়। মনটা দমে গেলো, তবু পণ্ডিতের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের লোভ সামলাতে না পেরে কোনারক ও পুরীর মন্দিরের গায়ে মিথুন-মূর্তির ইতিহাস সম্বন্ধে প্রশ্ন করলুম। সঙ্গে-সঙ্গে তাঁর মুখ চোখ উজ্জ্বল হয়ে উঠলো; তিনি আমাকে সাগ্রহে জানালেন যে এ-দেশের ‘আর্কিটেকচার’ নিয়ে তিনি অনেক গবেষণা করেছেন, সম্প্রতি তাঁর একটি প্রবন্ধও লেখা হয়েছে, এবং প্রবন্ধটি তাঁর সঙ্গেই রয়েছে বাক্সে। ‘তাহলে লেখাটাই আপনাকে পড়ে শোনাই। ভদ্রলোক বাক্স থেকে প্রবন্ধটি বার করবার আয়োজন প্রায় করেন আর কি, এমন সময় জগন্নাথদেবের দয়া হলো, গাড়ি দিলো ছেড়ে, আর আমি জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে রইলুম। আমি নিতান্তই অজ্ঞ বলে অতি সরল একটা প্রশ্নই করেছিলুম, ভদ্রলোক তার উত্তরে আমার মাথায় ‘আর্কিটেকচারে’র ইট ছুঁড়ে না-মারলেই দয়া করতেন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    PDF
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা ই-বুক রিডার
    ই-বই পড়ুন
    রেসিপি বই
    নতুন বই
    সংগীত
    বইয়ের

     

    বেলা দশটায় কোনারক পৌঁছলুম। হঠাৎ একটা গাছে ভরা উঁচু জায়গায় ঢুকলো আমাদের গাড়ি। শুনলুম, এসে গেছি। দূর থেকেই মন্দিরের দর্শন মিলবে, এইরকম একটা ধারণা ছিলো, কিন্তু সারি-সারি লম্বা ঝাউগাছের আন্দোলিত ছায়ার উপর দিয়ে গাড়ি চলেইছে। ডাকবাংলোই বা কোথায়? মস্ত এক ঝাউবনে ঢুকেছি আমরা, অবিশ্রান্ত উঠছে শোঁ-শোঁ দীর্ঘশ্বাস। ঐ একটা পুকুর। এখানেই গাড়ি থামবে। গোরুর গাড়িতে ষোলো ঘণ্টা : একটা ছোটো গল্পের চমৎকার নাম। ঐ পুকুরের ধার দিয়ে হেঁটে যেতে হবে, অ্যাটাশে কেসটা হাতে নিয়ে নাও।

    পুকুরের ধার দিয়ে এসে বাঁক পার হয়ে উঠতেই রোদে ঝলসে উঠলো পুরোনো ছবির মতো একটি হলদে রঙের একতলা বাড়ি। একমুহূর্ত আগেও তাকে দেখিনি। সিঁড়ি দিয়ে উঠলাম বারান্দায়, ঘর খোলা হলো আমাদের জন্যে খোলা হলো স্নানের ঘর, টবে এক্ষুনি জল ভরা হবে। এখানে আছে সভ্যতার নানা আয়োজন। আগে দাঁত মাজতে হবে। এখনো মন্দির দেখিনি : আগে বিশ্রাম হোক, স্নানাহার হোক।

    বিশাল মর্মরিত ঝাউবনের মধ্যে এই মন্দির আর ডাকবাংলো পাখির মতো লুকিয়ে আছে যেন। একেবারে কাছে না-এলে কিছুই বোঝা যায় না। ডাকবাংলোটি একটু ফাঁকা জায়গায়, তাতে ঢোকবার প্রধান পথটির দু-দিকে ঝাউয়ের সারি; অন্যদিকে প্রকাণ্ড সবুজ প্রাঙ্গণের মাঝখানে ইঁদারা। ঝাউবনের বুকের ভিতর থেকে যে-একটি সূক্ষ্ম নিশ্বাসের ঢেউ কেবলই উঠছে-পড়ছে, তা যেন কোনো চিরন্তন স্তব্ধতারই সুর। কাছাকাছি একটা রেল-লাইনও নেই যে এই স্তব্ধতা মুহূর্তের জন্যও ভাঙবে। মোটরের রাস্তা আছে, তা বছরে ছ-মাস বন্ধ; ঝাউয়ে লুকোনো, হাওয়ায়-ধোয়ানো, আলোয় ঝলসানো এই স্বর্গে পৌঁছতে গো-যানই গতি।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    রেসিপি বই
    Books
    পোর্টেবল স্পিকার
    বই
    বই ডাউনলোড
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    ই-বই পড়ুন

     

    এখানে ক্লান্তি নেই। আসতে-আসতে শেষের দিকে অবসন্ন লাগছিলো, কিন্তু যে- মুহূর্তে এই বাড়িতে ঢুকেছি, যে-মুহূর্তে গায়ে লেগেছে এই ঝাউয়ের হাওয়া, ফূর্তির ঢেউ হয়ে উঠেছে আমাদের শরীর। আকাশে উড়তে-উড়তে হঠাৎ পাখি দিক বদল করে, সেই তীক্ষ্ণ বাঁকা রেখা যেন আমি। এ কোথায় এলাম? এত আলো, এত আকাশ, এত শান্তি, আর এমন স্বচ্ছ উজ্জ্বল নীরবতা— বিশ্বাস হয় না যেন। এখানে যেন সৃষ্টির কাজ এখনো শেষ হয়নি; মাত্র ষোলো ঘণ্টা গোরুর গাড়ি চড়ে আমরা পালিয়ে এসেছি সময় থেকে, আমরা মুক্তি পেয়েছি কোন স্তব্ধ নিভৃত অতীতে, কোন আদিম সময়হীনতায়।

    নাকি এই নগ্ন সরল স্তব্ধতায় আমরাই নিয়ে এলাম তালি-দেয়া কাটাছেঁড়া বর্তমানকে? আমাদের আত্মবিস্মৃতি কখনোই বুঝি সম্পূর্ণ হয় না। যতই ডুবে যাই, কোথায় যেন ভেসে ওঠে শক্ত, একগুঁয়ে একটা সচেতনতা। এখানে আমরা নিয়ে এসেছি আমাদের বছর আর তারিখ : ভুলিনি। খাবার আগে যেটুকু সময় তাতে আমরা বাড়ির লোকদের চিঠি লিখবো। কাগজ-কলম ডাকটিকিট আছে সঙ্গে। কিন্তু খবর পেলাম, নিকটতম ডাকঘর পাঁচ মাইল দূরে, রাজার ডাক ধরতে হলে মাঝামাঝি আর-কোনো উপায় নেই। নিশ্চিত ছিলুম যে ডাকবাংলোয় ডাকবাক্স একটা আছে নিশ্চয়ই, এবং যদিও কলকাতার বাইরে এলে ডাকবাক্স সম্বন্ধে আমার মনে দ্বিধার অন্ত থাকে না, তবু তারই ভরসায় কলম শানিয়ে নিচ্ছিলুম। ছেলেবেলায় ছিলুম মফস্বলের পাড়াগেঁয়ে শহরে, রাস্তার লাল বাক্সের প্রতি অবিশ্বাসের সূত্রপাত সেখানেই। হঠাৎ লোকালয়ের বাইরে শূন্য রাস্তায় এক টগর গাছের ডালে সাত জায়গায় দুমড়ানো রং-চটা একটা বাক্স দেখলে প্রিয়জনকে লেখা প্রিয় চিঠি তার গহ্বরে ফেলতে অনিচ্ছা হওয়াই স্বাভাবিক। বরঞ্চ দু-পা হেঁটে গিয়ে খোদ ডাকখানাতে ফেলাই সহজ। উত্তরকালে আমার এই শঙ্কা অনেকটা কেটেছে; কলকাতার যেখানে-সেখানে জীর্ণদর্শন বিবর্ণ বাক্সে চিঠি ফেলেও দেখেছি, যথাসময়ে যথাস্থানেই পৌঁচেছে। তারপর শীতকালে কলকাতার বাক্সগুলো যখন সিঁদুরের মতো টকটকে রং করা হয়, তখন তো তারা রীতিমতো সম্ভ্রমেরই উদ্রেক করে; আমাদের মধুরতম প্রেমপত্রের, আমাদের জরুরিতম ব্যবসা-সংবাদের দায়িত্ব দিয়ে অনায়াসে তাদের বিশ্বাস করা যায়। কিন্তু কলকাতার বাইরে এলে বালককালের সেই ভয় আবার চাড়িয়ে ওঠে আমার মনে, খুব সাবধানেই চিঠিপত্র ফেলি। কিন্তু এবারের মতো ডাকবাংলোর ভাঙাচোরা যা-হোক বাক্সের উপরে ভরসা করেই আমাদের চমৎকার চিঠিগুলো ছেড়ে দিতে প্রস্তুত ছিলুম; সে-সুযোগও জুটলো না।

     

    আরও দেখুন
    বাইশে শ্রাবণ
    পিডিএফ
    রেসিপি বই
    বই ডাউনলোড
    অনলাইন বুকস্টোর
    স্বাস্থ্য টিপস
    বই পড়ুন
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল

     

    হতাশ হতে হলো : টিকিটে কোনারকের ছাপ-মারা, কাগজের উপর ‘কোনারক ডাকবাংলো’ লেখা চিঠি আমাদের আত্মীয়রা আর পেলেন না; সে-রোমাঞ্চ থেকে বাধ্য হয়েই তাঁদের বঞ্চিত করতে হলো। বাড়ি থেকে পা বাড়ালেই আমরা এক- একজন মস্ত চিঠি-লিখনেওয়ালা হয়ে উঠি : আমাদের দাঁতের মাজন আর সাবানের বাক্সর সঙ্গে চিঠির কাগজ আর ফাউন্টেন পেনের কালিও থাকে আমাদের তোড়জোড়ের অংশ। অবশ্য চিঠি লেখবার সংকল্পটা সাধু, তাতে আশ্চর্য হবারও কিছু নেই; আশ্চর্য এই যে সত্যি-সত্যি আমরা চারদিকে প্রচুর পরিমাণেই চিঠি লিখি। একখানা সাবানের অর্ধেকও হয়তো ক্ষয় হয় না, কিন্তু কাগজের বাক্স তলায় এসে ঠেকে এমন নয় যে আত্মীয়-বন্ধুর বিচ্ছেদে আমরা ভ্রাম্যমাণ অবস্থায় মোহ্যমান হয়ে থাকি; বরঞ্চ পর্যটনের উল্লাসে ও উত্তেজনায় নব-বিবাহিতার পক্ষে মাতৃবিরহ ভুলে থাকাও সম্ভব। তবু এটা কেন হয় যে বাড়িতে বসে যে-দূরস্থ বন্ধুর সঙ্গে পত্রালাপের কোনো উপলক্ষই হয় না, বাইরে এসে তাকেও একখানা চিঠি না-লিখলে চলে না যেন। হঠাৎ মনে হয় সুকুমার কী ভালো ছেলে, ছেলেবেলায় কত ভালোবাসতুম তাকে, আর এখন সে কেমন আছে না জানি। সুতরাং তাকেও একখানা চিঠি লিখতে হয়, ভুবনেশ্বর ধর্মশালার ঘরে তক্তাপোশে উপুড় হয়ে শুয়ে। আর বীণা সেই যে বিয়ের পরে জলপাইগুড়ি চলে গেলো, তার তো আর কোনো খোঁজই নেই। অবশ্য দুটো চিঠি তার কবে যেন এসেছিলো, তখন জবাব দেয়া হয়ে ওঠেনি, এখন একটা চিঠি না লিখলে চলে না। ‘প্রিয় বীণা : এখন আমরা চিল্কায়। এমন সুন্দর এই …’ চললো চার পৃষ্ঠা অনায়াসে। সারারাত ট্রেনে কাটিয়ে সকালবেলা হোটেলে উঠে প্রথমেই মনে হয় চিঠি লেখার কথা; আর গোরুর গাড়িতে ষোলো ঘণ্টার পরে ডাকবাংলোর আশ্রয় পেয়েই যে কাগজ-কলম বার করে নিয়ে বসি তা তো দেখাই গেলো। কোনো বাধা, কোনো অসুবিধেতেই এ-উৎসাহ শ্লথ হয় না। ট্রেনের সময় আসন্ন, এক্ষুনি বেরুতে হবে স্টেশনের দিকে; সুটকেসের উপরে বসে ওরই মধ্যে হু-হু করে দু-খানা পোস্টকার্ড লেখা হয়ে গেলো। সকালবেলা একচোট বেড়িয়ে এসেছি; দুপুরে খাওয়ার পর আবার বেরুবো, গাড়ি যতক্ষণ না আসে, দুটো ফাউন্টেন-পেন সমানে কাগজের উপর উড়ে চলেছে। আমরা ক্লান্ত থাকি; কিন্তু চিঠি লিখতে ইচ্ছে করে না এমন ক্লান্ত কখনোই নয়; আমাদের মোটে সময় নেই, কিন্তু চিঠি লেখবার সময় সব সময়ই।

     

    আরও দেখুন
    রেসিপি বই
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা বই
    লেখকের বই
    সংগীত
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার

     

    ভেবে দেখেছি, এর মূলে হয়তো আমাদের অতি মৃদু নিরীহ গোছের একটু স্মবারি। বেড়াবার মজা কী হলো, যদি হাতে-হাতে তখন-তখন সেটা সকলকে জানাতে না-পারলাম? যে-দুর্ভাগারা জলপাইগুড়িতে কি ঢাকায় বসে পচছে, কি সেই চিরকালের চির-চেনা কলকাতাতেই আটকে আছে, তারা অন্তত এই রোমাঞ্চম দেশান্তরের চিঠি পেয়েই ধন্য হোক। কোনারকে ডাকবাক্স না-থাকাটা শোচনীয় তাদের পক্ষেই কী চমৎকার চিঠি তারা পেতে পারতো, টাটকা-টাটকা বর্ণনায় যেন সেই জায়গার গন্ধ। আর চিল্কা থেকে যে-সব চিঠি আমরা পাঠিয়েছিলাম, তাতে অসম্পূর্ণ ঠিকানা লিখে পরে আমাদের যে-আপশোস হয়েছিলো, সে-ও তাদেরই খাতিরে। অত কথাই লিখতে পারলাম, আর মান্দ্রাজ কথাটা লিখতে কী হয়েছিলো। আমরা যে সত্যি-সত্যি মাদ্ৰাজ প্রদেশে এসে পড়েছি, এ-কথাটা তারা হয়তো জানলোই না। ‘চিল্কা হ্রদ (মাদ্রাজ) – শোনাতোও ভালো। নিজেদের অন্যমনস্কতায় আত্মীয়-বন্ধুদের এ-রকম বঞ্চিত করা কি উচিত?

    চিঠিপত্রে বিজ্ঞপ্তির যে-সব ত্রুটি হয়তো হয়েছিলো, এই বইয়ে সে-সব পুষিয়ে নেয়া হয়েছে, এই ধরনের একটা ব্যঙ্গোক্তি এখানে খুবই প্রাসঙ্গিক হয়। সত্যি, এতগুলো পৃষ্ঠা কেন লিখলাম? এর মূলে কি কেবলই আত্মনিনাদের প্রবৃত্তি? আমি অবিশ্যি নিজেকে এই কথাই বলি যে এটা আত্মপ্রচার নয়, আত্মপ্রকাশ। আত্মপ্রকাশের চেষ্টা, অন্তত। বাস্তবপক্ষে, এটুকু সাফাই আমার আছে যে আমার এই রচনায় রটনার অংশ অতি সামান্য। এতে হয়তো আমি শুধু নিজের কথাই বলেছি; কিন্তু তেমনি, কবিতায় গল্পে উপন্যাসে নিজের কথাই তো আমরা বলি। যাদের আঙুলে লেখার সুড়সুড়ানি তাদের পক্ষে নিছক বাঁচা যথেষ্ট হয় না। তাদের পক্ষে, অভিজ্ঞতা বলতে জীবনের ঘটনাই শুধু বোঝায় না। আরো বলা যায় : ঘটনামাত্রেই অভিজ্ঞতা নয় তাদের পক্ষে। আছে কোনো-কোনো নিবিড় সংবেদনের মুহূর্ত, অবশ্যতই যে বৃহৎ ঘটনাপ্রসূত, তা নয়। হয়তো বিশেষ কিছুই হয়নি; হয়তো শুধু বৃষ্টির পরে রোদ উঠেছে, কি একটা রেলগাড়ি ছুটে গেছে ঊর্ধ্বশ্বাসে হা-হা করে— হঠাৎ মনে হলো এই তো, এই তো দেখলুম, মনে হলো মুহূর্তের জন্য বিশ্বের রহস্য উন্মোচিত হলো বুঝি। এই মুহূর্তগুলিই আমাদের জীবনের চিহ্ন, এদের দিকে না-তাকালে বুঝতে পারিনে যে বেঁচেছি। ভাবনার হাওয়ায় তারা চঞ্চল, স্মৃতির কুয়াশায় তারা রঙিন। তারা হারাবে না, তারা পুরোনো হবে না, নতুন হয়ে তারা ফিরে আসবে। এই তো কয়েকটি মুহূর্ত কবে ছাড়িয়ে এসেছি, তবু এখনো তাদের দেখতে পাচ্ছি যেন শাদা পাখির ঝাঁক সমুদ্রের দিগন্তে। একদিন হয়তো দিগন্ত ছাড়িয়ে উড়ে যাবে, রইলো এখানে তাদের পাখার শব্দ, রইলো তাদের উড়ে-চলার হাওয়া।

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাহিত্যচর্চা – বুদ্ধদেব বসু
    Next Article আমার ছেলেবেলা – বুদ্ধদেব বসু

    Related Articles

    বুদ্ধদেব বসু

    বোদলেয়ার: তাঁর কবিতা – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    বুদ্ধদেব বসু

    ছোটগল্প – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    বুদ্ধদেব বসু

    ছায়া কালো কালো – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    বুদ্ধদেব বসু

    তিথিডোর – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    বুদ্ধদেব বসু

    পিরানদেল্লোর গল্প – সম্পাদনা : বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    বুদ্ধদেব বসু

    রাত ভ’রে বৃষ্টি – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }