Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমি চঞ্চল হে – বুদ্ধদেব বসু

    বুদ্ধদেব বসু এক পাতা গল্প100 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আমি চঞ্চল হে – ৩

    ৩

    রেলগাড়িতে চড়া এক রোমাঞ্চকর ব্যাপার। হঠাৎ এক পৃথিবী থেকে আর-এক পৃথিবীতে আমরা বদলি হয়ে যাই। যেন আলাদিনের কোনো জিন ঘুমের মধ্যে আমাদের তুলে নিয়ে যায় প্রাত্যহিক ও অভ্যস্ত আবেষ্টনী থেকে কোনো আশ্চর্য নতুনে। অবাক হয়ে যাই চোখ মেলে।

    আজকাল প্রায় সব ভালো গাড়ি রাত্রিতে চলে; এ-রকম মনে হওয়ার আরো বেশি কারণ সেইজন্যে। সত্যি-সত্যি ঘুমের মধ্যে আমরা চলে যাই প্ৰদেশ থেকে অন্য প্রদেশে, নরম থেকে শক্ত মাটিতে, ভিজে থেকে শুকনো হাওয়ায়। এ তো পথ চলা নয়, এ হচ্ছে চালান হওয়া। এ-ব্যবস্থার বিরুদ্ধে একটা আপত্তি এই হতে পারে যে উপায়টা বড়ো বেশি সহজ। কথাটা পুরোনো। যদি অভিজ্ঞতা থেকে কোনো সার্থকতা চাই-ই, তার অর্জন হবে দুঃখসাপেক্ষ। যার জন্যে কষ্ট করতে হলো না, তাকে বেশি মূল্য না-দেয়াটা মানুষের স্বভাব। যে-সময়ে রোমে পায়ে হেঁটে যাওয়া ছাড়া উপায় ছিলো না, সে-সময়ে ক্যাথলিক পুণ্যপিপাসুরা কেবল পায়ে হাঁটাতেই খুশি না-থেকে জুতোর মধ্যে পাথরের কুচি ঢুকিয়ে নিয়ে পুণ্যের ওজন বাড়াতেন। আমাদের দেশেও তীর্থপর্যটন এত বড়ো মহৎ পুণ্য ছিলো এই কারণেই যে অমানুষিক ক্লেশ ছাড়া তা সম্ভব হতো না। প্রাণনাশের আশঙ্কা ছিলো প্রতি পদে। রেল-কোম্পানি এসে তীর্থযাত্রা সুসাধ্য করেছে বটে, কিন্তু সেই সঙ্গে— এবং সেই কারণেই— তীর্থমাহাত্ম্যও অনেক কমিয়ে দিয়েছে।

    দ্রুত ও সুলভ যানের এই দিনে পদপর্যটনা সম্বন্ধে রোমান্টিক কল্পনা সহজেই উদ্দীপিত হয়। প্রথম কথা, ভ্রমণের ক্লেশেই গন্তব্য মহিমান্বিত হয়। কষ্ট করে যেখানে পৌঁছতে হয় সেটাই তীর্থ। যেমন কিনা, লেখার উপর চলনসই রকমের দখলও অনেক কষ্টেই আসে, সুতরাং সে-অবস্থায় পৌঁছতে পারা নিঃসন্দেহে পুণ্য। যন্ত্রের জিন দূর করেছে শরীরের ক্লেশ, কিন্তু সাধনার দুঃখ মানুষের চিরন্তন। মনের সাধনা সব মানুষের জন্য নয়; সাধারণ মানুষের জন্য শরীরের এই ক্লেশ বোধহয় ভালোই ছিলো। তাতে ছিলো মুক্তি। যে-পরিব্রাজক শীতে অনশনে পরিশ্রমে দীর্ঘপথ কাটিয়ে শেষ পর্যন্ত একদিন দূর থেকে দেখতে পেতো রোমের কি কাশীধামের উজ্জ্বল আভাস, তার জীবনের সেই এক মুহূর্তের পরম রোমাঞ্চ অতি মহার্ঘ জিনিশ।

    লৌকিক ধর্মের পতন এ-যুগের একটা বিশেষ ঘটনা। তাতে আমরা অনেক ঘোর অমঙ্গল থেকে রেহাই পেয়েছি; কিন্তু লোকশানও বোধহয় কিছু হয়েছে। এতকাল ধর্মে ছিলো মানুষের মনের নিষ্ক্রমণ; তার জীবনটাকে একটা সুস্পষ্ট নির্দিষ্ট ছন্দে বেঁধে দেয়া হতো নানা আচারে নানা অনুষ্ঠানে, উৎসবে ও উপবাসে। সে-ছন্দ কেড়ে নিয়েছে আধুনিক কাল, কিন্তু তার বদলে কিছু কি দিতে পেরেছে? নেহাৎ আনুষ্ঠানিক ধর্মেরও এটুকু সার্থকতা ছিলো যে তা মানুষের জীবনকে ব্যবহারিক সংকীর্ণ গণ্ডি থেকে বের করে নিয়ে আসতো বিশ্বসৃষ্টির পটভূমিকায় আর আজকালকার মানুষের জীবন কী? একজন ইংরেজ বলেছেন : ধর্মের আর প্রয়োজন নেই আজকাল, তার বদলে আর্ট আছে। কিন্তু আর্ট তো সকলের জন্যে নয়। সাধারণের জন্য আছে সিনেমা আর রেডিও আর খবরের কাগজ, পলিটিক্স আর ক্রওয়ার্ড আর অসংখ্য কলে-চলা আমোদ, যাতে ব্যক্তির স্ফুর্তি নেই, আছে সংঘবদ্ধ উন্মত্ততা। সমুদ্রের বীচে প্রায়-উলঙ্গ অবস্থায় (ঐ প্রায়টাই অশ্লীল) হাজার স্ত্রী-পুরুষের সম্মিলিত মাংসপিণ্ডে চটকে যাওয়ার চাইতে গির্জার নির্জন অন্ধকারে প্রতিমার সামনে মোমবাতি জ্বালানো সত্যিই অনেক পুণ্যময় কাজ। এ-কথা মানতেই হবে যে গ্রেটা গার্বোকে দেবী করে তোলার চাইতে শ্রীরাধার দেবীত্বে বিশ্বাস করায় সাধারণ বুদ্ধির পরিচয় অন্তত বেশি।

     

     

    আধুনিক জীবনের সবচেয়ে বড়ো ট্র্যাজেডি এই যে ফূর্তিটাও ফরমায়েশি। মানুষের সুখদুঃখের উপকরণ থাকে তার নিজেরই মধ্যে, সেটা একটা স্বাভাবিক ক্ষরণ। কিন্তু আজকালকার মানুষ সুখের কারখানার দাস, সেখান থেকে আসে বিচিত্র লেবেল-আঁটা রংবেরঙের টাটকা আমোদ— পয়সা দিয়ে কিনতে হয় বলেই সন্দেহ থাকে না যে ফূর্তি হলো। অন্য সব-কিছুর মতো ভ্রমণেও তা-ই হয়েছে। ভ্রমণ করে প্রায়ই আমরা রেল-কোম্পানির বিজ্ঞাপন সার্থক করি মাত্র। বেরিয়ে পড়ি ছক-কাটা রাস্তায়; বিজ্ঞাপনের ভাষার বহর অনুসারে চেষ্টা করি উপভোগ চাড়িয়ে তুলতে। বিজ্ঞাপনের অতি সূক্ষ্ম প্রভাবের অধীন আমরা সবাই, সবাই। আমরা যাই ‘বিখ্যাত’ জায়গায়, যাই সেখানে, যেখানে অন্য সবাই যায়। ছুটিতে বেড়ানোর প্রধান আকর্ষণ যে নিরিবিলি চুপচাপ কয়েকটা দিন কাটানো, এ-কথা তাদের দেখে মনেই হয় না যারা গরম পড়তেই সদলবলে দার্জিলিং শহরে যায় ফ্যাশনের পুরোদস্তুর কুচকাওয়াজ নিয়ে।

    মাঝে-মাঝে, তাই, পুরোনো দিনের জন্য মন-কেমন করে। এটা অনিবার্য। গণ- মতের চাপে যাদের মন একেবারে নির্মূল হয়ে যায়নি, এমন কিছু-কিছু লোক প্রতিযুগেই থাকবে। এবং তাদের কাছে বর্তমানকে হতেই হবে অতৃপ্তিকর : তারা ভবিষ্যৎকে নিজের বাসনার রঙে সাজাবে, কি অতীতের কোনো যুগকে নিজের কল্পনায় নতুন সৃষ্টি করে নেবে। কোনো-এক কাল্পনিক সময় হবে তাদের মানসজগৎ, সেখানে তাদের ইচ্ছাপূরণ। কাল্পনিক ইচ্ছে করে বলছি, কেননা এ-সব অতৃপ্ত মন যে-অতীতের কোনো যুগকে আশ্রয় করে, সে-অতীত তো ইতিহাসের পাতা নয়, সে কবিতা, কল্পনার তাপে গলানো সে, ভাবের ছাঁচে গড়া। উইলিয়ম মরিসের মধ্যযুগ অবিশ্যি ইতিহাসের মধ্যযুগ নয়; কালিদাসের কাল রবীন্দ্রনাথেরই, কালিদাসের খুব সম্ভবত নয়।

     

     

    তেমনি আমারও মাঝে-মাঝে মনে হয়, পরিব্রাজনা আর গোযানের দিনে আসলে কত বেশি সুখী ছিলো মানুষ! রোমাঞ্চ ছিলো, উন্মাদনা ছিলো; তাছাড়া ছিলো প্রকৃত পর্যবেক্ষণের অপরিসীম সুযোগ। আমাদের মন ধনী হয় অভিজ্ঞতার পরিমাণ অনুসারে নয়, নিবিড়তা অনুসারে; আর দশ মাইল পায়ে হাঁটায় আমরা যা দেখবার, যা অনুভব ও গ্রহণ করবার সুযোগ পাই, তা কি পাওয়া যায় রেলগাড়িতে রাতারাতি একটা আস্ত দেশ পার হয়ে? সেই তো সত্যিকারের পথ চলা, যখন পথের দু-ধারে কত-কিছু থেকে-থেকে ডাক দেয়— এখানে একটা অদ্ভুত চেহারার গাছ, ঐ হলদে পাখিটা উড়ে গেলো, একটা কুকুর ছায়ায় শুয়ে হাড় চিবোচ্ছে হয়তো। কিছু ফেলবার নয়, সবই ভালো লাগে। সেই তো প্রকৃত অবসর, যখন পৌঁছবার তাড়া নেই, লক্ষ্যটা হয়ে উঠলো উপলক্ষ, পথ চলা হলো আপনাতে আপনি সার্থক। সেই তো আলস্য, সেই তো উপভোগ। ‘What is life if full of care, we have no time to stand and stare?’

    এখানে, শহরে, রাস্তায় দাঁড়িয়ে তাকিয়ে থাকাটা শুধু বেয়াদবি নয়, প্রায় বে- আইনি। শুধু তা-ই নয়, তাতে শারীরিক বিপদেরও আশঙ্কা আছে। শহরে রাস্তায় দাঁড়িয়ে যারা তাকিয়ে থাকে, নিতান্তই তারা রাস্তার লোক। তারা ভিড়। এ-সংস্কার আমাদের মনে এমনি মজ্জাগত যে রাস্তায় যখনই বেরুই, ব্যস্ত না-হলেও ব্যস্ত হবার ভান অন্তত করতে হয়। নয়তো নিজেরই কাছে মানহানি হয় যেন। অথচ এই কলকাতারই পথে-পথে অকারণে ঘুরে বেড়াবার আনন্দই কি কম! ভবানীপুরের বিশেষ একটা রাস্তা আছে, যাতে সন্ধের পর ম্লান গ্যাসের আলোয় ঢুকতেই আমার কেমন অদ্ভুত লাগে। কিন্তু কদাচ যাওয়া হয় সেখানে, কেননা যাওয়ার কোনো ‘কারণ’ নেই। এমনি অলক্ষিত ও অলঙ্ঘনীয় সংস্কারের বন্ধন।

     

     

    শহর ছেড়ে পালাবার জন্য এক-এক সময় মনটা যে ছটফট করে ওঠে তা তো এই স্বাধীনতারই টানে, নিরুদ্দেশ ঘুরে বেড়াবার ও অকারণ তাকিয়ে থাকবার এই অধিকারের লোভে। এখানে যখনই বাড়ি থেকে বেরোই, হয় কাজে কি ভোজে, অর্থের কি আমোদের সন্ধানে, ব্যবসার খাতিরে কি নিমন্ত্রণরক্ষায়। সাজসজ্জা, আচার-ব্যবহার, কথার কায়দা, কত কী! বাইরে, এ-সমস্তর কোনো বালাই নেই। বেরিয়ে পড়লাম যখন খুশি যে-কোনো রাস্তা ধরে, রাস্তা ছেড়ে মাঠে, মাঠ ছেড়ে বনে, পৌঁছতে হবে না কোনোখানে, ফেরবার তাড়া নেই— গায়ের জামাটায় ভব্যতার কড়া ইস্ত্রি না-থাকলেও বেরুনো আটকাবে না, এমনকি। নিজের পরিবেশ ছেড়ে পালাবার প্রধান আনন্দ এই স্বাধীনতা। করুণা করতে হয় তাদের যারা ছুটির দিনেও কলকাতার ‘দল’ ও কলকাতার ব্যবহার বাইরে টেনে নিয়ে যায়; আর দয়া করতে হয় সেই মাতব্বরদের যারা যেখানেই যায় ঘেরাও হয়ে থাকে সাজগোজ লোকলস্কর এনগেজমেন্টের ভিড়ে।

    তবু এটাও ঠিক যে পায়ে হেঁটে দেশভ্রমণ ভাবতে যতই রোমাঞ্চকর হোক, আমার জীবনে তা ভাবনার আকাশে রঙিন মেঘ হয়েই থেকে যাবে। সবচেয়ে বড়ো বাধা হচ্ছে শারীরিক ক্লেশ। ভেবে দেখছি আজকালকার মানুষের মানসিক দুঃখভোগের এত বিচিত্র উপায় আছে, যে স্বর্গের দরবারে দাবি পাকা করবার আশায় ইচ্ছে করে শরীরের কষ্ট নিয়ে লাভ নেই। তার উপর, আমার যেমন শরীর তার কষ্ট করবার ক্ষমতা অত্যন্ত কম। কোনো রোমাঞ্চের প্রলোভনেই আমি নৌকোয় কি সাইকেলে পৃথিবীভ্রমণ করতে রাজি হবো না। শরীরটাকে যথাসম্ভব শান্তিতে রেখে উদ্দাম আকাশে মানসযাত্রা আমার চরম অ্যাডভেঞ্চার।

     

     

    এ-সমস্ত ছাড়াও আরো একটা মস্ত কারণ আছে যার জন্যে রেলগাড়ির যুগ থেকে পায়ে হাঁটার যুগে বদলি হতে আমি নারাজ। রেলগাড়ি জিনিশটাই ভারি আশ্চর্য। বেগের আনন্দ আধুনিক মনের একটা অবিচ্ছেদ্য অংশ, সে-কথা ছেড়েই দিলাম। কিন্তু রেলগাড়ি যে-অদ্ভুত অভিজ্ঞতার জোগান দেয় পদাতিক ভ্রমণে সেটা সম্ভব নয়, অন্য কোনো যানেই সেটা সম্ভব নয়। রেলগাড়ি শুধু আমাদের এক ইস্টিশান থেকে আর-এক ইস্টিশানেই নিয়ে যায় না, বাস্তব থেকে রূপকথার জগতেও নিয়ে যায়। রাত্রির ভিতর দিয়ে দ্রুত ধাবমান গাড়ির জানলা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে এই বাস্তব পৃথিবীকে আর চিনতে পারিনে, প্রতি মুহূর্তে রূপকথার এক-একটি পাতা খুলে যাচ্ছে। সবই অদ্ভুত। বাড়ি আর কলকারখানা, শহর আর মাঠ ঝোপ জঙ্গল, এমনকি পশু পাখি মানুষ— সবই অদ্ভুত, সবই ক্ষণিক; কিছুরই অবয়ব স্পষ্ট নয়, সবই ছায়াময়, সবই ছায়া-স্নানে আজানুমগ্ন, সবই বাঁকাচোরা, যেন শেষ-না-হওয়া; যেন এই সৃষ্টি বিধাতার কল্পনার সমুদ্র থেকে জেগে উঠেছে এইমাত্র। একটা কথা আছে যে বিশ্বসৃষ্টি স্থবির নয়, সাবলীল; এই আপাতস্তব্ধতার আড়ালে বয়ে চলেছে একটি চিরকালের প্রাণস্রোত : জড়বস্তুর সেই তীব্র তির্যক গতিস্রোত রেলগাড়ির জানলায় বসে হঠাৎ-আভাসে ধরা পড়ে যেন। সেখানে বসেই দেখা যায় গাছগুলো ঝাঁকে-ঝাঁকে ছুটে চলেছে, পাহাড় পাখা মেলে উড়ে চলে গেলো, দিগন্ত কতবার ঘুরে-ঘুরে গেলো পাখির ঝাঁকের মতো। হয়তো অন্ধকার, হয়তো অস্পষ্ট জ্যোছনা; আলোর কয়েকটা ফুটকি চোখের উপর দিয়ে ঝিলকিয়ে গেলো, একটা স্টেশন; কখন ঘুমিয়ে পড়েছিলুম, হঠাৎ চোখ মেলে দেখি বড়ো ইস্টিশানে গাড়ি লেগেছে।– ঘুমে-ভরা চোখে ছায়ামূর্তির মতো মানুষগুলি, শব্দগুলি যেন স্বপ্নে শোনা— কিংবা দেখি গাড়ি সাঁকো পার হচ্ছে মৃদুবেগে, নিচে বালুর বিছানায় ম্লান জ্যোছনার ঝিকিমিকি, মাঝখান দিয়ে অতি সরু একটি জলস্রোত চলেছে সরু সাপের মতো এঁকেবেঁকে, দূরে একটা পাহাড়। আবার ঘুমিয়ে পড়লুম; তারপর ভোরবেলা যেখানে নামলুম, সেখানে এ কী বিচিত্র সুন্দর পৃথিবী। আগের রাত্রে যে-কলকাতাকে ছেড়ে এসেছি, এই কয়েক ঘণ্টাতেই তাকে গেছি ভুলে। সে যেন বিস্মৃতির কুয়াশায় লিপ্ত; সে যে কোনোদিন ছিলো তাও যেন আর ভালো করে মনে করতে পারিনে।

     

     

    এটা উপলব্ধি করেছিলুম সেদিন, যেদিন পুরী যাওয়ার পথে নামলুম ভুবনেশ্বরে। তখন ভোর। কৃষ্ণপক্ষের বিলম্বিত চাঁদের জ্যোছনা ছিলো প্রায় সমস্ত পথ, এখনো লেগে রয়েছে তার ভূতুড়ে আভাস। চারদিক অদ্ভুত চুপচাপ; আলো-জ্বালা জানলাগুলো নিয়ে লম্বা রেলগাড়িটা ছবির মতো দাঁড়িয়ে, শুধু দূরে শোনা যাচ্ছে এঞ্জিনের অসহিষ্ণু নিশ্বাস। কী অর্থহীন হয়ে যায় রেলগাড়ি, যে-মুহূর্তে আমরা তা থেকে নামি! কী নিরর্থক মনে হয় যাত্রীদের, যেমন-তেমন শুয়ে বসে ঝিমুচ্ছে। গেলো গাড়ি ছেড়ে, সমস্ত জনপদ হঠাৎ বিরহী গৃহের মত খাঁ-খাঁ করে উঠলো। কিন্তু পর- মুহূর্তেই সব ডুবলো নতুন দেশের নতুন দৃশ্যে। প্ল্যাটফর্মের অন্য দিকে দিনের আলো ফুটেছে, কত মাঠ কত গাছ কত আকাশ। আকাশে দপ্ দপ্ করে একটা তারা জ্বলছে, ঐ তো সবুজ পাহাড়। পান্ডাজি এগিয়ে এলেন, শরণ নিলুম। নিলুম গোরুর গাড়ি, এখন পর্যন্ত উড়িষ্যার প্রধান যান। উঠলো বাক্স-বিছানা, আমরা উঠলুম। জ্যোছনার শেষ ছায়া মিলিয়ে গেছে ততক্ষণে, ভোর হলো। লাল মাটির রাস্তা দিয়ে অতি আস্তে আমরা চলেছি। গাড়ির চাকা কঁকাচ্ছে। আমাদের নাকে খড়ের আর গোরুর গায়ের আর শিশিরে ভেজা সকালবেলার গন্ধ। পথের দু-ধারে পাখির ডাক, ঘন গাছের সারি। দেখতে-দেখতে রোদ ফুটলো, আমাদের পথে আলো-ছায়ার জাল বোনা; আমাদের কানে গাড়ির চাকার গোঙানি আর পাখির ডাক। একটু পরেই দেখা পেলাম হাজার মন্দিরের দেশে প্রথম মন্দিরের। দু-একজন বাঙালি বৃদ্ধ বেড়াচ্ছেন, অতিরিক্ত শীতবস্ত্রে মোড়া; ছোটো ছোটো বাড়ি; লোকালয় কাছে। তারপর রাস্তাটা হঠাৎ একটা সরু বাঁক নিয়ে নেমে গেছে, গড়গড়িয়ে গাড়ি চললো, তারপর আর-একটা বাঁক পার হয়ে বিশাল কালো দিঘি কূলে-কূলে ভরা, ওপারে ভুবনেশ্বরের বিশাল পরিষ্কার মন্দির ভোরের আকাশে উঠে গেছে, এপাশে ধরমশালা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাহিত্যচর্চা – বুদ্ধদেব বসু
    Next Article আমার ছেলেবেলা – বুদ্ধদেব বসু

    Related Articles

    বুদ্ধদেব বসু

    বোদলেয়ার: তাঁর কবিতা – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    বুদ্ধদেব বসু

    ছোটগল্প – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    বুদ্ধদেব বসু

    ছায়া কালো কালো – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    বুদ্ধদেব বসু

    তিথিডোর – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    বুদ্ধদেব বসু

    পিরানদেল্লোর গল্প – সম্পাদনা : বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    বুদ্ধদেব বসু

    রাত ভ’রে বৃষ্টি – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }