Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমি চঞ্চল হে – বুদ্ধদেব বসু

    বুদ্ধদেব বসু এক পাতা গল্প100 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আমি চঞ্চল হে – ৬

    ৬

    সন্ধের পর সমুদ্রের ধারে বড়ো মন-খারাপ লাগে। নিঃস্পন্দ নীরন্ধ্র অন্ধকার, আর হু-হু হাওয়া, আর একটা নামহীন দুর্দান্ত আতঙ্কের মতো সমুদ্র। তখন ঘোর কৃষ্ণপক্ষ। গভীর, গভীর রাত্রে অসুস্থ পীত চাঁদ ছায়ার মতো ফ্যাকাশে আলো মেলে দিতো আকাশে। সন্ধেবেলাটা অন্ধকারে থমথমে। হয়তো শহরের দিকে গিয়েছিলুম, সরু রাস্তা দিয়ে আসতে-আসতে হঠাৎ এক সময়ে সমুদ্রের শব্দে বুক কেঁপে উঠলো রাস্তা ছেড়ে বীচে এসে পড়লুম; অন্ধকার সমুদ্র প্রলয়ের জলরাশির মতো ভয়ংকর। ভালো করে কিছু দেখা যায় না, শোনা যায় ভীষণ গর্জন; বুঝি কোনো অনুচ্চারণীয় সর্বনাশ দাঁত বার করে ছুটে আসছে। মন চায় তখন ঘর, চায় অভ্যাসের আরাম, চায় চারদিকে শক্ত দেয়ালের নিশ্চিন্ততা। টর্চ জ্বেলে-জ্বেলে এগিয়ে চলি, দুরে হোটেলের পেট্রোম্যাক্সে সাধারণ অভ্যস্ত জীবনের আশ্বাস। হারিকেন লন্ঠনের আলোয় ঘরে বসে আছি : সবে সন্ধে হলো, এখনই যেন মধ্যরাত্রি। এসো কিছু পড়ি। এসো চিঠি লিখি। কিছু কাজ নেই। ভয়াল একটা দুরন্ত উপস্থিতির মতো সমুদ্র, হাওয়াটা কান্নার মতো, অন্ধকার যেন মৃত্যুর হাঁ-করা দরজা। হাওয়ায় উড়ে চলছে জোনাকির পাল। সমুদ্রে স্ফুরজ্যোতি পতঙ্গদল থেকে-থেকে ঝিলকিয়ে উঠছে। আমরা বসে আছি চুপ করে।

    এই সময়টাতেই কলকাতার কথা মনে পড়ে। প্রকৃতির কোনো মহান প্রকাশের খুব কাছাকাছি থাকা উচিত নয় বোধহয়। অতি প্রবল তার প্রভাব, তার চাপে আমদের মন যেন অভিভূত, আচ্ছন্ন হয়ে পড়ে। কলকাতায় আমাদের প্রকৃতিসেবন যেন দাগ-কাটা ওষুধ খাওয়া— সেটাও নিয়মিত ঘটে না, ঘটে দৈবাৎ—আর তা-ই সবচেয়ে ভালো কিনা কে জানে। মানুষের মনের কতগুলো মূলগত সংস্কার আছে, কতগুলো প্রবৃত্তিগত বিশ্বাসে তার জীবনের ভিত্তি। আমরা কাজ করি, আমরা গল্প করি; আশা আর যুদ্ধ আর শান্তি নিয়ে আমাদের জীবন। কতগুলো জিনিশের মূল্য আমরা ধরেই নিই, তা-ই নিয়ে বাঁচি। কিন্তু রাত্রির অদৃশ্য-কল্লোলিত সমুদ্রের মুখোমুখি, মুহূর্তে সে-সব মূল্য হারিয়ে যায়; শূন্য, শূন্য হয়ে যায় মন; কিছু নেই, জীবনে কিছু নেই; আমি ব্যর্থ, আমি নিঃসঙ্গ। কলকাতায় আমার সত্তা নিশ্চিত সেখানে আমার সব চেষ্টার আর যুদ্ধের মূল্য নিঃসংশয়ে গৃহীত; সেখানকার বাড়ি আর রাস্তা আর রাস্তার মানুষই সেই মূল্যস্বীকারের প্রমাণ। সেই পরিপ্রেক্ষিতে আমার একটা ‘মানে’ আছে। সন্ধেবেলা ঘরে বসি, আসে বন্ধুরা, স্রোতের মতো পরস্পরের মধ্যে আমাদের সঞ্চার; পরস্পরকে আমরা উদ্দীপিত করি, উজ্জীবিত করি; পারস্পরিক বিশ্বাসে আত্মবিশ্বাস নিবিড় করি; এইটে ভালো করে বুঝি যে আমি আছি, এবং সেই থাকাটা সার্থক। কিন্তু রাত্রির এই অন্ধকার সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে বুকের মধ্যে একটা হতাশা এই উদ্দাম হাওয়ার মতো হা-হা করে ওঠে— আমি নেই, আমি নেই। এই আকাশ আমাকে গ্রাস করেছে, এই অন্ধকার আমাকে গিলে ফেললো, আমাকে ছিনিয়ে উড়িয়ে নিয়ে গেলো হাওয়া। কালো-কালো ডাকাতের মতো কালো ঢেউগুলো এলো হৈ-হৈ করে, দরজা ভাঙলো বুঝি, লাফিয়ে উঠলো ওরা হোটেলের ছাদে, লুঠ করে নিয়ে গেলো সব, নিচের তলায় পেট্রোম্যাক্স- জ্বালানো এই ভদ্র চেহারার বাড়ি ভাসিয়ে নিয়ে গেলো অন্তিম সর্বনাশের বন্যায়। রাত্রে সমুদ্রের জোর আরো বাড়ে কিনা জানি না, হতে পারে সেটা আমাদের মনেরই প্রতিচ্ছবি, কিন্তু সত্যি এক-এক সময় মনে হয় সমুদ্র বুঝি লাফিয়ে একেবারে ঘরের মধ্যে উঠে এলো। মনের যে-সব কোণ দিয়ে ছুঁয়ে ছুঁয়ে নিজের সত্তা আমরা অনুভব করি, সব নিঃশেষে হারিয়ে যায় : নিছক জৈবপ্রাণটা অঙ্গহীন চর্মহীন আদিম জেলিমাছের মতোই অসহায়ভাবে পড়ে থাকে। স্বস্তির নিশ্বাস পড়ে, যখন ঠাকুর রাত্রের খাবার নিয়ে ঘরে ঢোকে। ঐ খাওয়াতেই যেন ফিরে পাই নিজের সুস্পষ্ট-নির্দিষ্ট সংজ্ঞাসম্ভব মনুষ্যতা।

     

     

    বিশ্বসৃষ্টির পটভূমিকায় মানুষের সকল কাজই নগণ্য। কথাটা এতই সত্য যে ধরা বুলিই বলা যায়। এটা দর্শন কি বিজ্ঞানের নয়; সাধারণ মানুষের নিত্য অভিজ্ঞতার কথা। কেননা এমন মানুষ পৃথিবীতে বোধহয় কমই জন্মেছে যে তার জীবনের কোনো-এক দিনে আকাশ-ভরা তারার দিকে তাকিয়ে নিজের তুচ্ছতার উপলব্ধিতে অভিভূত হয়ে পড়েনি। কিন্তু সে-উপলব্ধি ক্ষণিক, ধন্যবাদ ঈশ্বরকে। তা না-হলে উপায় ছিলো না। শঙ্করাচার্য জীবনের সর্বব্যাপী ব্যর্থতা উপলব্ধি করলেন, কিন্তু সেই উপলব্ধি প্রচার করবার প্রকাণ্ড ব্যর্থতা তো বুঝতে পারলেন না। মায়ার বশ আমরা সকলেই। যে-মানুষ সন্ন্যাসী হয়, সমস্ত জিনিশের অনিত্যতাই তার মনে ধরা পড়ে; শুধু তার ঐ নির্জন তপস্যার পরম অনিত্যতার বোধ কেমন করে তাকে এড়িয়ে যায় সে আশ্চর্য। যদি কোনো মানুষ সত্যি-সত্যি কখনো তার নিজের অপার অর্থহীনতা সর্বাঙ্গীণভাবে উপলব্ধি করে, তার একমাত্র ন্যায্য পরিণাম হচ্ছে আত্মহত্যা। সে-রকম প্রায় হয়ই না, আর যদি বা হয়, সে-মানুষকে আমরা মহামানব বলে শ্রদ্ধা করি না, উন্মাদ বলে করুণা করি। প্রকৃতির যে-অদম্য প্রেরণা পৃথিবী নামক গ্রহে প্রাণ নামক আশ্চর্য সংঘটন সম্ভব করেছে, তারই একটা কারসাজি এই যে নিজের তুচ্ছতার এই উপলব্ধি নিম্নপ্রাণীতে একেবারে আসবেই না, আর পূর্ণবুদ্ধি জীবেরও হবে আংশিক ও ক্ষণিক। একটা-না-একটা বিশ্বাস আছে সকল মানুষেরই জীবনে; অনেক বিষয়ে মোহমুক্ত হয়েও কোনো-না-কোনো জায়গায় প্রকাণ্ড একটা মোহ আমাদের আছেই আছে। সেই মোহই আমাদের জীবনের মূল ভিত্তি; সেটা না-থাকলে বাঁচতে পারতো না কেউ। যেমন আমি সাহিত্যরচনা সম্বন্ধে মনে-প্রাণে আস্থাবান। শেয়ারের দালালের কাছে, খেলোয়াড়ের কাছে, ‘সোসাইটি’র মেয়ের কাছে এই সাহিত্যরচনা ব্যাপারটা একেবারে অর্থহীন। তাতে অবিশ্যি আমার কিছু এসে যায় না, ঐ সব মানুষদের অবজ্ঞা করে আমি নিশ্চিন্ত, নিজের মোহের মধ্যে সম্পূর্ণ আমি। তবু যদি কখনো ভেবেই দেখি, সমস্ত জীবন ভরে আমি যতই লিখি না কেন, আয়ু যেদিন শেষ হবে সেদিন মরবোই, আর সূর্য যেদিন নিবে যাবার সেদিন যাবেই, আর সেই তো একদিন হবে পৃথিবীর শেষ। এ-ধরনের ভাবনা সচরাচর মনে আসে না, সে-জন্য ঈশ্বরকে ধন্যবাদ না দিয়ে পারিনে। আর যখন আসে, সে নিতান্তই ক্ষণিক। তারপর আরো ভাবা যায় : আমাদের এই সূর্যমণ্ডলের নির্বাপণ সমস্ত সৃষ্টির বিচারে একটা দেশলাইয়ের কাঠির জ্বলা-নেবার মতো : মনে করো প্রতিটি তারা একটি সূর্য, আমাদের সূর্যের অনেক হাজারগুণ বড়ো— আর তাও সবসুদ্ধ ক-টাই বা মানুষ জানতে পেরেছে, সবচেয়ে জোরওয়ালা দূরবীক্ষণের নাগালের বাইরে আরো কত আকাশ, আর কোটি-কোটি সূর্যের পুঞ্জ পুঞ্জ উপনিবেশ। আর আমার লেখা, হায়রে!

     

     

    যদি পুরী হতো য়োরোপের কোনো শহর, তাহলে এই ব্যর্থতাবোধ নিয়ে বিলাস করবার কোনো সুযোগ অবশ্য হতো না। তাহলে জ্বলে উঠতো বীচের প্রান্ত থেকে প্রান্ত কড়া ইলেকট্রিক আলোয়, ভরে যেতো আকাশ আমোদলোভীদের কোলাহলে, এখানে ভোজ ওখানে নাচ-বাজনা ইত্যাদি; রইলো সমুদ্রের স্বাস্থ্য, রাজধানীর প্রমোদসুলভতাও বাদ গেলো না। একা লাগবে এমন ফাঁক কোথায়; মন খারাপ করবো এমন সময় নেই। অনেকেই হয়তো খুশি হবেন, পুরী যদি হঠাৎ একদিন ও-রকম হয়ে যায়। বাকি পৃথিবীর চাইতে আমরাও কম ‘আধুনিক’ নই। হয়তো এটাও সত্যি যে বালুর উপর দিয়ে অনেকক্ষণ হাঁটতে-হাঁটতে ক্লান্ত হয়ে হঠাৎ হাতের কাছে একটা ভদ্রগোছের সরাইখানা জুটে গেলে ভালোই লাগে। উল্লসিত হতাম, যদি সমুদ্রের ধারে শুয়ে সমস্তটা দিন কাটিয়ে দেবার উপযুক্ত ব্যবস্থা থাকতো। কিন্তু সে-উল্লাস স্বভাবতই অনেক হ্রস্ব হয়ে আসে, যখনই ভাবি যে সে- রকম ব্যবস্থা থাকলে সকলেই তার সুযোগ নিতো; এবং সমুদ্রতীর যদি ক্লাইভ স্ট্রিটের মতোই মানুষে কিলবিল করে, তবে আর সেখানে শুয়ে থাকবার মজাটা কোথায়? সকলেই যখন একসঙ্গে বীচে শুয়ে সময় কাটাতে আরম্ভ করে, তক্ষুনি দরজা বন্ধ করে ঘরে বসে থাকাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে রোমাঞ্চকর।

     

     

    গণ-মনের প্রধান লক্ষণই এই যে অন্য সকলে যা করে তা-ই করতেই ভালোবাসে। জড় হোক, মৃত হোক, এই ধরনের মনের একটা সুবিধে এই যে কিসে সে সুখী হবে তা সে নির্দিষ্টভাবেই জানে, সুতরাং সাধ্যমতো সে-সুখের অনুধাবন ও করতে পারে। ফুটবলের মাঠে আর পোলিটিকাল সভায় গিয়ে যারা হৈ-চৈ করে, আমেরিকান সিনেমা আর য়োরোপীয় পানীয়ে যাদের সন্ধ্যাযাপন ছাঁচে-ঢালা, এটা মানতেই হবে যে জীবনটা তাদের পক্ষে তত বড়ো সমস্যা নয়। কতগুলো অভ্যাসের সুক্ষ্মযন্ত্রে ঘুরছে তাদের দিন আর রাত্রি; তারা যেখানেই যাবে নিয়ে যাবে সেই অভ্যেসগুলোকে। সুতরাং আজকাল দেখা যায়, যে-সব জনপদকে প্রকৃতিই অপরূপ করে রেখেছে, তাকেও সম্পূর্ণ করেছে মানুষের পানাশালা, ক্রীড়াক্ষেত্র আর প্রমোদভবন— আর হোটেলে চরম আরামের ব্যবস্থা— রাজধানীতে যেমন জীবন কাটাই, তিনদিনের ছুটিতে বেড়াতে এসেও ঠিক তেমনটি চাই, হিমালয় কি সমুদ্র যেন ভাড়াটে খুশিকরনেওয়ালা— আমরা যতক্ষণ নাচবো কি খেলবো কি ফ্লার্ট করবো, ওরা অপেক্ষা করতে পারে। কী আশা করতে হবে, তা তারা নিশ্চিত জানে; এবং যা তারা আশা করে তা তারা পায়।

    স্বীকার করবো, এ-সুবিধে আমার নেই। বহুলতম প্রচারিত আমোদগুলির প্রতি আমার স্বাভাবিক ও অনতিক্রম্য বিতৃষ্ণা। ভোজ যদি বা কখনো হয় লোভনীয়, সার্বজনীন মহোৎসবে কাঁধে কাঁধ ঠেকিয়ে পাত পেড়ে বসে যাওয়ার চিন্তাই আমার পক্ষে অসহ্য। ফলে আমাকে দুঃখ পেতে হয় বেশি। আমার নিজের খুশি নিজেকে তৈরি করে নিতে হয়, এবং মনের হাওয়া সব সময় অনুকূল বয় না। কত সময় অকারণে মনখারাপ করে বসে থাকি। মনে হতে পারে সেটাই মানুষের পক্ষে স্বাভাবিক, কিন্তু মানুষ যাতে কখনোই মনখারাপ না করে, সেজন্যে আজকালকার বাজারে কত রঙিন মোড়কের ফূর্তি সাজানো

     

     

    কিন্তু এ-ও বলি, মানুষের কি মাঝে-মাঝে মনখারাপ করবার অধিকারও নেই? সুখ তো আমাদের পরের হাতে চলেই গেছে, দুঃখী হবার স্বাধীনতাও কি আমাদের থাকবে না? বুকের ভিতর থেকে যেই একটা দীর্ঘশ্বাস উঠলো, অমনি কি গিয়ে বসতে হবে ছবিঘরের ঘেঁষাঘেষির মধ্যে টিকিট কিনে, কি হুইস্কির গেলাশ সামনে নিয়ে ক্যাবারে নাচের ঊরু-প্রদর্শনীতে? কি এই পুরীর হোটেলে সন্ধেবেলাটা যদি ‘ডাল্’ লাগে, বসে কি যেতেই হবে লন্ঠন জ্বালিয়ে একশোয় একআনা হারে ব্রিজ খেলতে? যে-দুঃখ বাস্তব নয়, যে-দুঃখ একটা বিলাস, মনের একটা মেঘ-মায়া, তাকে এত ভয় কেন? সেটাকেই রসিয়ে চেখে দেখা যাক না, সেটাও তো একটা অভিজ্ঞতা। দুঃখেও তো কম রোমাঞ্চ নেই— বিশেষ, সে-দুঃখ যদি হয় পরোক্ষ, নৈর্ব্যক্তিক। ট্র্যাজেডি আমরা পড়তে ভালোবাসি সে কি ঠিক এই কারণেই নয় যে তাতে আমরা দুঃখের রোমাঞ্চটা সম্পূর্ণই পাই, আঘাতটা একেবারেই পাই না। এ- ও তো তেমনি, এই যে অন্ধকার সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে হঠাৎ মনটা হু-হু করে ওঠে— এই অনুভূতিটাকে ধ্বংস করার জন্যে হাজার আয়োজন কি না-করলেই নয়? মনে-মনে গুমরোনো খারাপ, আধুনিক বিজ্ঞানের এইরকম একটা কথা আছে, সেটা ‘সুস্থ’ নয়। এবং যাতে আমরা একা-একা মনে-মনে গুমরে পীড়িত হয়ে না পড়ি, তার জন্যেই আধুনিক সভ্যতার এই বিরাট বাণিজ্য-আয়োজন। সে-জন্যে অবিশ্রান্ত অফুরন্ত উপকরণ তৈরি হচ্ছে। কিন্তু একটা সন্ধ্যা তাসের জুয়ো খেলে, কি একটা দিন ঘোড়দৌড়ের জুয়ো খেলে কাটানো— সেটা কোনরকমের ‘স্বাস্থ্য’ তা-ও তো জানিনে। আর তাছাড়া, মনে-মনে গুমরোনোটাই বা এমন কী খারাপ? ভেবে দেখতে গেলে, তা থেকেই তো সমস্ত আর্টের সৃষ্টি। তা থেকে আমাদের মনে নানা রঙের ভাবনা আসে— কিন্তু ঐ ভাবনাটাতেই তো আপত্তি। পৃথিবীর বেশির ভাগ লোক একেবারেই ভাবতে চায় না। এবং যাতে তাদের ভাবতে না হয়, সে-জন্যে তারা এই সমুদ্রের ধারে এসে আর-কোনো উপায় না পেলে হারিকেন লন্ঠন জ্বালিয়ে তাস খেলেই সমস্তটা সন্ধ্যা কাটিয়ে দেবে। যাতে মানুষকে ভাবতে না হয় তার অসংখ্য বিচিত্র ব্যবস্থা যন্ত্র সম্ভব করেছে। এবং তারই নির্ভরে পৃথিবীর বেনেদের কোটিপতিত্ব। তোমরা মনখারাপ কোরো না, আমাদেরকে অনেক জিনিশ বেচতে হবে। আমাদের সব জিনিশ কেনো : ভাবনার দায় থেকে বাঁচবে। সেই যে ইংরেজ কবি বলে গিয়েছেন ‘এ পৃথিবীতে ভাবতে গেলেই দুঃখ’, এই কথার উপরে ভর করেই বিংশ শতাব্দীতে বাণিজ্যের এই আশ্চর্য স্ফীতি।

     

     

    বহু ধন্যবাদ ঈশ্বরকে, পুরী য়োরোপের কোনো শহর নয়। যে-সমুদ্রতীরে আগাগোড়া তাল-পাকানো, খোসা ছাড়ানো মনুষ্যতার পিও সেখানে নিজেকে কল্পনা করে কোনোই সুখ পাইনে। মনুষ্যতার দৃশ্য ও সংস্পর্শ এড়াবার জন্যেই মাঝে-মাঝে আমরা বাইরে আসি। কলকাতা থেকে রুদ্ধশ্বাস হয়ে পালিয়ে চলে আসি— কলকাতারই আর-একটি প্রতিকৃতি দেখবার জন্যে নয় নিশ্চয়ই? এখানেও কি সেই সব নগর-ধূসর মুখ, আর নগর-মৃত কথা, আর নাগরিক উল্লাসের অশ্লীল সুড়সুড়ি? ঈশ্বর আমাদের রক্ষা করুন। কলকাতায়, বাড়িতেই আমরা সম্পূর্ণ নিরাপদ নই, আমাদের নির্জনতা অক্ষত নয়। যাতে সম্পূর্ণরূপে একা হতে পারি, সেজন্যেই বেরোতে হয় ঘর ছেড়ে। এখানে নির্জনতা। এখানে অন্ধকার। এখানে শান্তি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসাহিত্যচর্চা – বুদ্ধদেব বসু
    Next Article আমার ছেলেবেলা – বুদ্ধদেব বসু

    Related Articles

    বুদ্ধদেব বসু

    বোদলেয়ার: তাঁর কবিতা – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    বুদ্ধদেব বসু

    ছোটগল্প – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    বুদ্ধদেব বসু

    ছায়া কালো কালো – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    বুদ্ধদেব বসু

    তিথিডোর – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    বুদ্ধদেব বসু

    পিরানদেল্লোর গল্প – সম্পাদনা : বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    বুদ্ধদেব বসু

    রাত ভ’রে বৃষ্টি – বুদ্ধদেব বসু

    October 30, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }