Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমি লিলি – লিলি চক্রবর্তী

    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প135 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সত্যজিৎ এর ‘বড় বউ’

    তখন বম্বেতে। সাদা খামে একটা চিঠি এলো। চিঠিটা পড়ে আমি তো থ বনে গেছি। অনেকক্ষণ মুখে কোন কথা নেই। অজিত পেছন থেকে সমানে খোঁচাচ্ছে- ”কি হল? কার চিঠি? খারাপ কিছু?”

    -”সত্যজিৎ রায়”। দীর্ঘ পনেরো বছর পর আবার যোগাযোগ। উনি চিঠি লিখেছেন আমাকে। সেই কোন ছোট্ট বেলায় ওঁর বাড়ি গিয়েছিলাম। অপুর সংসার-এ কাজ করা হয়নি। অল্প সময়ের সান্নিধ্য পেয়েছিলাম মাত্র। এতদিন পরও যে উনি আমাকে মনে রেখেছেন, তাই বা কম কি! বাড়ি বদলের সময় কিভাবে যে চিঠিটা হারিয়ে ফেললাম, এ আপশোশ আমার কোনদিন যাবার নয়। তবে গোটা গোটা অক্ষরে লেখাগুলো দাঁড়ি কমা সহ মনে আছে- ”তোমার ‘ফুলেশ্বরী’ দেখেছি। খুব ভালো কাজ হয়েছে। আমি শংকরের উপন্যাস ‘জন অরণ্য’-কে চলচ্চিত্রায়িত করার কথা ভাবছি। উপন্যাসে দুজন বৌদি ছিল। আমি কেটেছেঁটে একটা করেছি। কমলা বৌদি। আমার ইচ্ছে তুমি এই চরিত্রটা কর। ওখানে তোমার কাজের চাপ কেমন? ফাঁকা হলে জানিও। সেই মত যোগাযোগ করা যাবে। – সত্যজিৎ রায়”। কোথাও কোন ঠিকানা লেখা নেই। চিঠির উত্তর দেবো কী করে! আমি পড়লাম মহা বিপদে। সেই কবে লেক টেম্পল রোডের বাড়ি গিয়েছিলাম। এখন ঠিকানা পাই কোথায়! এটা-সেটা ভাবতে ভাবতে বাসু ভট্টাচার্যের স্ত্রী রিঙ্কিকে ফোন করলাম। রিঙ্কি জানালো ওর মা’র কাছে আছে। ওর মা মানে বিমল রায়ের স্ত্রী। উনিই আমাকে ঠিকানা যোগাড় করে দিলেন। চিঠি লিখলাম সত্যজিৎ বাবুকে- ”এ সুযোগ বারবার আসেনা। আমি যে কোন মূল্যে আপনার সঙ্গে কাজ করতে প্রস্তুত”। ‘চুপকে চুপকে’-র শুটিং তখন শেষের পথে। ঋষিদাকে জানাতেই এক বাক্যে সায় দিলেন- ”এটা তোর লাইফটাইম এক্সপেরিয়েন্স হবে লিলি। শিগগিরি যা”। কিছুদিনের মধ্যে ফ্লাইটের দুটো টিকিট চলে এলো। সোজা কলকাতা এসে পৌঁছোলাম। ফ্লাইটটা সেদিন একটু লেট ছিল। এসে শুনি ওঁর প্রোডাকশন ম্যানেজার অনিল চৌধুরী বার কয়েক ঘুরে গেছেন। কোনোমতে স্নান-টান সেরেই দে ছুট। তখন বিশ্বাস হচ্ছিল না! আমি কী কোন স্বপ্নের মধ্যে আছি! দরজায় টোকা মারতেই বৌদি বেরিয়ে এলেন। অভ্যর্থনা সেরে ঘরে ঢোকালেন আমাকে। বললেন- তোমার সেই কোমর-ছাপানো একমাথা চুল গেল কই? উত্তর দেওয়ার আগেই পাশ থেকে ভেসে এলো সেই ব্যারিটোন ভয়েস। নড়েচড়ে বসলাম আমি। ধীরে ধীরে আমার সামনে দৃশ্যমান হয়ে উঠছেন সেই দীর্ঘদেহী সুপুরুষ। আমি তো এই মুহূর্তটারই প্রতীক্ষায় ছিলাম! বারবার চিমটি কেটে পরখ করে নিচ্ছিলাম নিজেকে। এই কী সেই বিশ্বনন্দিত পরিচালক! যার সঙ্গে কাজ করবার সুপ্ত বাসনা দীর্ঘদিন লালন করেছি ভেতরে ভেতরে? তবে কী আরও একটা স্বপ্ন সত্যি হওয়ার পথে? এমন হাজারও প্রত্যাশা আর সম্ভাবনার আলোড়ন চলছিল ভেতরে ভেতরে। সেই আলোড়নের স্রোতে যেন জোয়ার এনে দিল সত্যজিৎবাবুর এক একটি সংলাপ। আমার দিকে একবার ভালো করে তাকিয়ে বিজয়া রায়কে বললেন- ”কি যা-তা বলছ! আমি ওর ফুলেশ্বরী দেখেছি। বেশ ভালোই তো চুল ছিল”।

    কথাটা শুনেই সেই গুরুগম্ভীর পরিবেশে ফিক করে হেসে ফেললাম আমি। হেসেই মনে হল আমি এখনও কি চূড়ান্ত ছেলেমানুষ! কোথায় কি আচরণ করতে হয় এসব জ্ঞানগম্যি আমার আজও হল না। ভয়ে ভয়ে বললাম- ”ওটা তো আসল চুল নয়। উইগ ছিল”। বলেই মনে হল, ‘কাকে কী বলছি’! কোথায় চুপচাপ ওঁর কথা শুনবো, তা নয়, ফটফট করে বকে যাচ্ছি! এবার নির্ঘাত আমার কপালে বকুনি জুটবে। কিন্তু কিসের বকুনি! উলটে যেন কিছুটা অপ্রস্তুত হয়ে পড়লেন সত্যজিৎ রায়। সেই প্রথম সমস্ত গাম্ভীর্য ভেঙে বেরিয়ে এলেন। নিজেও খানিকটা মুচকি হেসে বললেন- ”সে কী আমার চোখে ফাঁকি! এমন উইগ কে বানালো?” বললাম- ”এমন উইগ একজনই বানাতে পারে— পিয়ার আলি”। আমার মুখ থেকে যেন কথা কেড়ে নিলেন সত্যজিৎ রায়। ডেকে পাঠালেন অনিল চৌধুরীকে- ”অনিলবাবু, পিয়ার আলিকে এক্ষুণি খবর দিন। আমার জন অরণ্যের জন্য লিলির একটা উইগ চাই”।

    এরপর এলো স্ক্রিপ্ট পাঠের দিন। সত্যজিৎ রায়ের বাড়িতে স্ক্রিপ্ট পাঠের অভিজ্ঞতার গল্প যে কতজনের মুখে শুনেছি! আমার ভাবতেই বেশ ভালো লাগছিল। আমিও সেই অভিজ্ঞতার অংশীদার হতে চলেছি। পড়তে শুরু করলেন তিনি। গোটা গোটা অক্ষরে সাজানো লেখা, আর ফাঁকে ফাঁকে ওর সেই অসামান্য স্কেচ। ছবিটা যেন সত্যজিৎ বাবুর মাথার মধ্যে খেলছে। একবারের জন্যও অভিনয় করে দেখিয়ে দিচ্ছেন না। কিন্তু স্ক্রিপ্ট পাঠের অসামান্য দক্ষতায় চোখের সামনে জলজ্যান্ত হয়ে উঠছে চরিত্রগুলো। এতেই একজন অভিনেতার নব্বই শতাংশ কাজ সহজ হয়ে যেত। মাত্র দশ শতাংশ নিজস্ব এফর্ট যোগ করলেই চলত।

    শুটিং এর প্রথম দিনের কথা দিব্যি মনে আছে। তখন আমার মেকআপ হয়ে গিয়েছে। মেকআপ ম্যান অনন্তবাবু মাথায় উইগ পড়িয়ে দিয়েছেন। পিয়ার আলি এত অসাধারণ উইগটা বানিয়েছেন, বোঝা যাচ্ছে না এতটুকু। তবু সত্যজিৎ রায়ের মত পারফেকশনিস্ট এর কী আর সহজে পছন্দ হয়! বারবার মেক আপ রুমে আসছেন ব্ল্যাক পেন্সিলটা হাতে নিইয়ে উইগটা নাড়িয়ে চারিয়ে দেখছেন। কিছুতেই যেন মনঃপুত হচ্ছে না। চিরকাল অরিজিনালিটিতে বিশ্বাস করে এসেছেন। এতটুকু কৃত্রিমতা ছিল ওর না-পসন্দ। তাই উইগ নিয়ে অস্বস্তি যেন কিছুতেই কাটছিল না। অবশেষে শুটিং হল সেই উইগ নিয়েই। বেশ ভালোভাবেই উতরে গেল। কেউ কিচ্ছুটি বুঝতে পারল না। যদিও মনের মধ্যে একটা হালকা খচখচানি রয়েই গেল সত্যজিৎ রায়ের।

    কিভাবে যে জলের মত শুটিং এর এগারোটা দিন পেরিয়ে গেল টেরই পেলাম না। এমন একজন মহান পরিচালকের সংস্পর্শ আমাকে অনেক কিছু শেখালো। ইউনিটের প্রতিটা খুঁটিনাটি বিষয়ে ওঁর নজর। সবার সঙ্গে সমান ভাবে মিশে যাচ্ছেন অনায়াসে। বড় পরিচালক মানে হাত গুটিয়ে বসে থাকা নয়। মেক আপ থেকে আলো, সেট, ক্যামেরা, লেন্স যাবতীয় বিষয়গুলো বারবার নিজের হাতে পরখ করে নেওয়া। এরই নাম সত্যজিৎ রায়। উনিই তো বিশ্ববন্দিত হবেন। কারণ উনিই পারেন সূক্ষতার গভীরে পৌঁছে যেতে। ভাবনার জাল বুনে তাকে বৃহৎ বিস্তার দিতে। ওর পক্ষেই তো সম্ভব বাংলা চলচ্চিত্রকে বিশ্বের দরবারে পৌঁছে দেওয়া।

    শুটিং সেরে বম্বে এলাম পুনরায়। কিছুদিন বাদের ফিল্ম ডেভেলপমেন্টের কাজে সত্যজিৎ রায়ও এলেন। আমার ভেতরে আবার উৎকন্ঠা আর উচ্ছ্বাসের আলোড়ন। অল্প সময়ের ব্যবধানে আবার অপ্রত্যাশিত সাক্ষাৎ। সদলে জন অরণ্যের টিম এসে হাজির বম্বেতে। ইনডোর শুটিং এর সাউন্ড ডাব হওয়ার চল তখনও শুরু হয়নি। অরিজিনাল সাউন্ডই ব্যবহার করা হত। আমার পুরোটাই ছিল ইনডোর পার্ট। তাই ডাবিং এর বিশেষ প্রয়োজন হয়নি। প্রদীপ সেবার আমাদের বাড়িতেই ছিল। ওর সঙ্গে আমার ভারি জমতো। আমারই মত লাজুক, মিতভাষী, প্রচারের আলো থেকে অনেক দূরে। নীরবে একের পর এক ভালো ভালো কাজ করে গেছে। বিনিময়ে কোন চাহিদা ছিল না প্রদীপের। আর ছিল অসম্ভব ভোজন রসিক। মনে আছে সেবার রাজকমলে ফিল্ম ডেভেলপমেন্টের কাজ শেষে আমরা সবাই মিলে একদিন রেস্টুরেন্টে খেতে গেলাম। আমি, সত্যজিৎ রায়, বৌদি, প্রদীপ- সব পেটুক একসঙ্গে। সত্যজিৎবাবুর যে রান্নার ব্যাপারেও এত জ্ঞানগম্যি, তা কী আর আগে থাকতে জানতাম! দেশি-বিদেশি হাজার একটা রেসিপি তার নখদর্পণে। খুব হুল্লোড় হয়েছিল সেবার। মুহূর্তগুলো আজও স্মৃতিতে সোনালি ফ্রেমে বাঁধানো আছে।

    সেদিনের পর আবার লম্বা এক বিরতি। দূরত্বের খরা যেন কাটতেই চায়না। কতদিন ভেবেছি, যাই একটু দেখা করে আসি। কিন্তু যাবো যাবো করে আর হয়ে ওঠেনি। সংকোচ, দ্বিধা, নিজেকে গুটিয়ে রাখার আজন্ম অভ্যেস আমাকে চিরকাল গুণীজনদের সঙ্গে নিছক সৌজন্য সাক্ষাৎ থেকেও দূরে রেখেছে। কতজনকে দেখতাম, কাজ পাওয়ার জন্য সত্যজিৎবাবুর বাড়িতে হত্যে দিয়ে পড়ে থাকতেন। পরিচালকদের সঙ্গে দেখা করাটা তাদের সাপ্তাহিক রুটিনের মধ্যে পড়ত। মাঝেমধ্যে আমার নিজের প্রতি রাগ হত। একা একা বলতাম- ”দেখো লিলি, চারপাশটা একবার ভালো করে তাকিয়ে দেখো। এখনও সময় আছে। তাড়াতাড়ি এসব শিখে নাও”। আমার সমস্ত সময় বোধহয় অপচয়েই গেল। যে মানুষের কাছাকাছি কিছুক্ষণ চুপচাপ বসে থাকাও সৌভাগ্যের, ব্যক্তিগত দ্বিধা দ্বন্দ্ব আমাকে সেই পরম সৌভাগ্য থেকে দূরে সরিয়ে রাখলো। কিন্তু সবই যে ওপরওয়ালার ইচ্ছে। অপ্রত্যাশিত ভাবে আবার একটা ফোন। ততদিনে পনেরো বছর পেরিয়ে গেছে।

    সেদিন খুব টায়ার্ড ছিলাম। নাটকের ডাবল শো থেকে সদ্য ফিরছি। ল্যান্ডলাইন ছিল দোতলার ঘরে। প্রথমবার রিং হলেও আমি আর সিঁড়ি ভেঙে দোতলার ঘরে যাইনি। ভাবলাম এত রাতে কে আবার ফোন করবে! নির্ঘাত কোন উটকো ফোন। সবে সবে বাড়িতে ল্যান্ডলাইন ঢুকেছে। তখন ফোন মানে অনেকের কাছেই বিলাসিতা। অনেকের কাছে আবার অজানা আশ্চর্যের বিষয়। মাঝেমধ্যেই প্রচুর উটকো ফোন আসত। সেসব ভেবেই আর ওপরে উঠিনি। দ্বিতীয়বার আবার বাজল। এবার যেতেই হল। রিসিভ করতেই ওপার থেকে একজন বললেন ”নির্মাল্য আচার্য বলছি। সত্যজিৎ রায় আপনার সঙ্গে কথা বলতে চান”। রিসিভারটা ধরে আছি, হাত কাঁপছে থরথর করে। মুহূর্তে ঝেঁপে এল স্মৃতিরা। ১৯৭৫ এ ‘জন অরণ্য’-র শুটিং। বছরখানেকের মধ্যে রিলিজ। প্রত্যেকটা দৃশ্য তখন আমার চোখের সামনে ঘুরছে। দেখতে দেখতে স্রোতের মত গড়িয়ে গেছে পনেরোটা বছর। মিথ্যে কথা বলে লাভ নেই, একটু একটু করে বয়সের ছাপ পড়েছে আমার মুখে। কত নতুন নায়িকারা চলে এসেছে! অন্যদিকে তিনি আরও ক্ষুরধার, আরও উজ্জ্বল। ভারতীয় চলচ্চিত্রের নক্ষত্রালোকে প্রধানতম জ্যোতিষ্ক। বানিয়ে চলেছেন একের পর এক ছবি । খ্যাতি ছড়িয়ে পড়ছে দূর-দুরান্তে। এসব ভাবতেই ভাবতেই ফের সেই ব্যারিটোন ভয়েসে — ”অনেকদিন তোমাকে দেখিনি। একবার এসো। দেখি তোমাকে। আমি একটা ছবি করছি। ‘শাখা-প্রশাখা’। তোমাকে লাগবে”।

    দেখা হল দিনসাতেক বাদেই। সেদিন আমার পদ্মপুকুর ল্যান্সডাউনে নাটকের রিহার্সাল ছিল। পদ্মপুকুরের কাছেই বিশপ লেফ্রয় রোড। বাড়িটা আগে থেকেই চেনা।পা টিপেটিপে সিঁড়ি ভাঙছি। কপালে তখন বিন্দু বিন্দু ঘাম। কত বছর বাদে আবার দেখা। ভাবতেই সব কেমন গুলিয়ে যাচ্ছিল। ডোরবেল বাজাতে আচমকা দরজা খুলে হাজির হলেন সেই ছয় ফুট সাড়ে চার ইঞ্চির বিশালদেহী মানুষটি। ওঁর ব্যক্তিত্বময় উপস্থিতি আমাকে নীরব করে দিল। কী বলবো! মুখে কোন কথা নেই। চুপ করে দাঁড়িয়ে রইলাম কয়েক সেকেন্ড। নীরবতা ভাঙল জলদগম্ভীর কণ্ঠে- ”আরে এসো এসো। কতদিন বাদে তোমার সঙ্গে দেখা। ঘরে এসো।” মুহূর্তে ডুবে গেলেন ‘জন-অরণ্যে’র গল্পে। শুটিং এর এক একটা দিনের ছোটোখাটো ঘটনাও মনে রেখেছেন তিনি। বিস্ময়ের বোধহয় আরও কিছু বাকি ছিল। আমার জন্য চা এর কথা বলতে লেখার টেবিল ছেড়ে উঠে গেলেন। উনি করছেন কী! আমি লজ্জায় মরে যাচ্ছিলাম। চমক লাগছিলো বারংবার। খ্যাতি যেন তাকে আরও সহজ আরও স্বাভাবিক করে তুলেছে। চা এলো খানিক বাদেই। সত্যজিৎ বাবুর বাড়ির চায়ের কদর কো-আর্টিস্টদের মুখে বহু শুনেছি। চেখে দেখবার সৌভাগ্য হল। চুমুক দিতেই বুঝলাম, মকাইবাড়ি গ্রিন টি। স্বাদে গন্ধে অতুলনীয়। ইতিমধ্যে বৌদি এলেন। তখন ‘গুপী বাঘা ফিরে এলো’-র শুটিং চলছে। ছেলের কাজ দেখতে রোজ হাজির হতেন মা। বাবুর তখন সদ্য শুরু। সত্যজিৎ রায়ের মতই মা’ই ছিল তাঁর প্রধান ক্রিটিক। বৌদি এসে যোগ দিতেই আড্ডা জমে উঠলো দ্বিগুণ। হাসি-ঠাট্টা আর খুনসুটিতে পরিশেষ যেন আরও প্রাণবন্ত হয়ে উঠলো। বৌদি বললেন ”কই, সবাই বলছিল, তুমি নাকি মোটা হয়ে গেছ! আমার তো কিছু চোখে পরছে না!” কথা কেড়ে নিলেন সত্যজিৎ রায় ”ও তো বাড়ির বড় বৌয়ের চরিত্র করবে। একটু স্বাস্থ্য ভাল না হলে হয় নাকি! ঠিক মানিয়ে যাবে।” বলতে বলতে একপ্লেট মিষ্টি সাজিয়ে নিয়ে এলেন। আমি একটাও মুখে তুলছিনা দেখে মুচকি হেসে বললেন বৌদি বললেন ”তুমি কী আমাদের কথা শুনে ডায়েট শুরু করলে ? পেটপুরে মিষ্টি খাও তো, ওসব ডায়েট পরে হবে।” গল্পে গল্পে সন্ধে গড়িয়ে রাত। ফেরার কথা সেদিন যেন ভুলেই গেছি। বিশ্ববরেণ্য পরিচালক ও তাঁর পরিবার এমন এক আন্তরিক সন্ধে উপহার দেবেন আমাকে এ ছিল ভাবনার অতীত!

    স্ক্রিপ্ট পাঠের ডেট পড়ল। ‘জন অরণ্য’-র সময় সত্যজিৎ রায় আমাকে আলাদা করে স্ক্রিপ্ট পড়ে শুনিয়েছিলেন। আমি তখন বম্বেতে। একসঙ্গে সবাই মিলে স্ক্রিপ্ট পাঠের অভিজ্ঞতা হয়নি। আগেও বলেছি, ওঁর পাঠ নিয়ে কী বলবো! যাই বলি কম হয়ে যায়। শুধুমাত্র পাঠের মধ্যে দিয়ে সমস্ত চরিত্র যে এত সাবলীলভাবে ফুটিয়ে তোলা সম্ভব তা সত্যজিৎবাবু না থাকলে জানাই হত না। আমার খালি মনে হয় উনি যদি অভিনয়ে আসতেন তবে অনেকের ছুটি হয়ে যেত।

    ট্রেনে করে শুটিং স্পটে যাওয়ার দিন তো আর এক কাণ্ড। ‘জন অরণ্য’-র ফোর্থ অ্যাসিস্ট্যান্ট জানিয়েছিল শিয়ালদার ফার্স্ট ক্লাস ওয়েটিং রুমে অপেক্ষা করতে। আমি পৌঁছতেই মমদি (মমতাশংকর) আর বিট্টু (সোহম) এল ওঁর বাবা-মা’র সঙ্গে। খানিক বাদে রঞ্জিত। ট্রেন ছাড়ার সময় এগিয়ে আসছে ক্রমশ। নিজেরা গল্প করছি বটে, কিন্তু বারবার চোখ যাচ্ছে ঘড়িতে। তবু আর কারও পাত্তা নেই! টেনশন বাড়ছে আমাদের। সি অফ করতে সেদিন ভাই এসেছিল সঙ্গে। হঠাৎ দেখি প্ল্যাটফর্ম থেকে ও ছুটতে ছুটতে আসছে— ”তাড়াতাড়ি চলো, ট্রেন ছাড়তে আর দু’মিনিট বাকি। সবাই উঠে পড়েছে।” ঘটনার আকস্মিকতায় ঘাবড়ে গিয়ে কিছুটা এলোমেলো ছুটতে লাগলাম। মূহুর্তে আশঙ্কার কালো মেঘ ছেয়ে ফেললো মন। আদৌ কী পৌঁছতে পারব! যদি বেরিয়ে যায় ট্রেন! ভুল তো আমাদের নয় তবু কী করে মুখ দেখাব সত্যজিৎ রায়কে! ভাবতে ভাবতেই লম্বা হুইসেল। কীভাবে যেন এক লাফে উঠে পড়লাম আমরা। প্ল্যাটফর্ম ছাড়ছে ট্রেন। ভাই হাত নাড়ছে। আমরা হাঁপাচ্ছি। বিশ্বাস হচ্ছে না তখনও। ট্রেনে উঠতে পেরেছি তো ? আশ্বস্ত হলাম সত্যজিৎ রায়ের গলা শুনে ”ওরা এসে গেছে? যাক বাঁচলাম। নইলে কাল আমি কাদের নিয়ে শুটিং করতাম!” ভুল খবর দেওয়ার জন্য সেই অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টরটির যে কী অবস্থা হয়েছিল তা আজ আর বলে কাজ নেই।

    ট্রেন জার্নি মানেই মজার। তবু ‘শাখা প্রশাখা’র জার্নি যেন সবার থেকে আলাদা। একে তো সত্যজিৎ রায়ের উপস্থিতি সঙ্গে পুরো একটা বগি জুড়ে আমরা। ট্রেন এগোচ্ছে। ক্রমশ সবুজ বাড়ছে চারপাশে। সরে সরে যাচ্ছে গাছপালা,দূরের একটা দুটো ঘরবাড়ি। ঝালমুড়ি আর বাদামভাজা সহযোগে জমে উঠছে আড্ডা। কিসের ঘুম! খোশ গল্পে কেটে গেল সারারাত। পরদিন ভোরবেলা এনজেপি। আমাদের সঙ্গে রেলের একজন অফিসারকে রাখা হয়েছিল। আসলে সত্যজিৎ রায়ের তখন শরীরটা খুব একটা ভালো যাচ্ছিল না। ওঁর পক্ষে প্ল্যাটফর্মে নেমে ওভারব্রিজ ক্রস করা ছিল প্রায় অসম্ভব। এনজেপিতে ঢোকার মুখে লেভেল ক্রসিং-এ ট্রেনটা দাঁড় করানো হল। সত্যজিৎবাবু আর বৌদি ওখানেই নামলেন। তারপর আমাদের নিয়ে ট্রেন পৌঁছলো এনজেপি-তে। তথ্যসংস্কৃতি দপ্তর থেকে এই ব্যবস্থাটি নেওয়া হয়েছিল। ফেরার সময় ছিল একই বন্দোবস্ত।

    শিলিগুড়িতে আমাদের জন্য দুটো হোটেল বুক করা হয়। নামগুলো এখন আর মনে নেই। আমি, টিটো (দীপঙ্কর দে), মমদি, সত্যজিৎ রায়, বৌদি, বাবু আর বুনি (সন্দীপ রায়ের স্ত্রী) ছিলাম একটা হোটেলে। পাশেই আর একটা হোটেলে হারাধনদা, রঞ্জিত, বিট্টু ও ইউনিটের আরও অনেকে। শুকনা ফরেস্টে তিনদিনের আউটডোর শুটিং। আগেভাগেই জানতাম মেকআপের কোন বালাই নেই। ‘জন অরণ্যে’র সময় উইগ পড়েছিলাম বলে অনন্তদা তবু একটু আধটু সাজিয়ে দিতেন। ‘শাখা প্রশাখা’য় মেকআপ বলতে- আমি মম-এর চুল বেঁধে দিচ্ছি, মম আমার গালে একটু পাউডার লাগিয়ে দিচ্ছে। কারণ ততদিনে আমরা খুব ভালো করেই জানি ন্যাচারাল লুকটাই সত্যজিৎ রায়ের সবচেয়ে পছন্দ। অভিনেতা অভিনেত্রীদের লুক, মেকআপ থেকে পোষাক পরিচ্ছদ সমস্ত ব্যাপারেও উনি ভীষণ খুঁতখুঁতে। ‘জন অরণ্য’-র সময় আমার আর অপর্ণার সবকটা শাড়ি ওর নিজে হাতে পছন্দ করে কেনা। অসুস্থতার জন্য ‘শাখা প্রশাখা’-র সময় পারেননি। দায়িত্ব পড়েছিল বৌদি আর বুনির কাঁধে।

    ‘শাখা প্রশাখা’ ছিল ফরাসি কোলাবরেশানের ছবি। শুটিং -এ আয়োজনের কোন খামতি ছিল না। অ্যাম্বুলেন্স থেকে মেডিকেল টিম ব্যবস্থা থাকত সবের। আশ্চর্যের বিষয় ছবিতে আউটডোর শুটিং এর অরিজিনাল সাউন্ডই ব্যবহৃত হয়। ডাবিং কোন এর প্রয়োজন হয়নি। সংলাপ ছাড়াও ঝর্নার জল, পাখির ডাক, এমন বেশ কিছু ন্যাচারাল সাউন্ড নেওয়া হয়েছিল। এডিটিং এর সময় জুড়ে দেওয়া হয়। ভাবতেই অবাক লাগে, সেই সময় দাঁড়িয়ে ‘শাখা প্রশাখা’য় একটিও কৃত্রিম শব্দের ব্যবহার নেই। সমস্তটা সম্ভব হয়েছিল ফরাসি প্রযুক্তির সহায়তায়।

    শুটিং-এ সবচেয়ে মজা হত রঞ্জিতকে নিয়ে। রঞ্জিতের ছিল মুখ চেপে কথা বলার অভ্যেস। সত্যজিৎ রায় ওকে পইপই করে বলে রেখেছিল- পরিষ্কার করে ডায়লগ বলবে, সবকটা শব্দ যেন স্পষ্ট শোনা যায়। ব্যাস বেচারা গেল টেনসড হয়ে ! সংলাপ বলা নিয়ে সে কী টেনশন! ছবির একটা অংশে রঞ্জিতের বেশ বড় একখানা ডায়লগ ছিল। আমরা রোজ দেখতাম ও কিচ্ছুটি মুখে না দিয়ে শুটিং স্পটে বেরিয়ে যাচ্ছে। এমন কি দুপুরেও খাওয়ার কোন নাম গন্ধ নেই। কেউ কিছু জিজ্ঞেস করলেই এড়িয়ে যেত। কিন্তু টিটো কী আর ছাড়বার পাত্র! চেপে ধরল- ”রঞ্জিত হঠাৎ উপোস শুরু করলি যে!”

    উত্তর দেবে কী! রঞ্জিত তখন লজ্জায় লাল। এভাবে রোজ ও নির্জলা উপোস করে শুটিং স্পটে আসতো, আর হোটেলে ফিরে যেত। হবে হবে করে অংশটা আর কিছুতেই হচ্ছে না। আড়ালে হাসাহাসি করতাম বটে কিন্তু রঞ্জিতের তখন ল্যাজেগোবরে অবস্থা। অবশেষে যেদিন ওর অংশটা শুটিং হল, সবাই মিলে রঞ্জিতকে থালা বাটি সাজিয়ে ভালো মন্দ খাওয়ালাম। কতদিনের উপোস ভাঙল বেচারা! এতদিন পরও শুটিং -এর এইসব ছোটখাটো নির্ভেজাল আনন্দ মুহূর্তের দিকে ফিরে তাকাতে বেশ ভালোই লাগে।

    মনে আছে শুটিং দেখতে এসেছিলেন তখনকার নামকরা ফরাসি আর্টিস্ট দুপার দেও। সবার সঙ্গে প্রচুর ছবি তোলা হল সেবার। দুপার দেও-র সঙ্গেও বেশ কয়েকখানা ছবি তুলেছিলাম। কিন্তু সেসবের একটাও আমি পাইনি। সত্যজিৎবাবুর স্টিল ফোটোগ্রাফার নিমাই ঘোষকে বেশ কয়েকবার বলেও কোন কাজ হয়নি। বলেছিলেন দেবেন। তারপর যে কী হল কে জানে! নাই বা পেলাম সেসব। ছবি কী এত সহজে হারায়! স্মৃতিতে তো আজও সবই উজ্জ্বল। কোন ছবিতেই টাকা পয়সা নিয়ে আগেভাগে কথা বলার আমি পক্ষপাতী ছিলাম না। আর সত্যজিৎ বাবুর ছবিতে তো প্রশ্নই ওঠে না। শুটিং এর ফাঁকে হঠাৎ অনিল চৌধুরী ডেকে একটা খাম ধরালেন। খাম খুলে আমার তো চক্ষু চড়কগাছ। বাংলা ছবিতে এত টাকা! মম-র মুখেও একই কথা। টাকার পরিমাণটা নাই বা বললাম, তবে এটুকু বলতে পারি, তখনকার দিনে বাংলা কেন, হিন্দি ছবি করেও কেউ এত টাকা উপার্জনের কথা ভাবতে পারতেন না। ‘শাখা প্রশাখা’-র প্রথম স্ক্রিনিং হয়েছিল গোর্কি সদনে। আমরা সবাই মিলে দেখতে গেলাম। বেশ মনে পড়ে, সেটাই সত্যজিৎবাবুর সঙ্গে সামনাসামনি শেষ দেখা। অস্কার পাওয়ার পর বিশপ লেফ্রয় রোডের বাড়িতে পৌঁছতে দেরি করিনি। উনি তখন অসুস্থ। নার্সিংহোমে ভর্তি। বৌদি ছুটে এলেন- ”দেখবে অস্কারটা?” ছুঁয়ে দেখলাম। গর্বে বুকটা ভরে গেল। মনে হল, এই মানুষটার সঙ্গে দুটো ছবিতে কাজ করেছি। আমার আর কিচ্ছু চাই না। উনি যখন চলে গেলেন, সামনে যাওয়ার সাহস হয়নি। অনেক দূরে দাঁড়িয়ে ছিলাম। যে মানুষটাকে সবসময় সচল অ্যাক্টিভ দেখেছি, ওঁর অমন নিথরতা আমি সহ্য করতে পারবো না। এখনও মাঝেমধ্যে মনে হয় অনেকদিন তো হল, এবার বুঝি ফোনটা বেজে উঠবে। ওপার থেকে শুনতে পাবো সেই ব্যারিটোন ভয়েস ”অনেকদিন তোমাকে দেখিনি। চলে এসো। আমি একটা নতুন ছবি শুরু করছি। তোমাকে লাগবে”।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleপদাবলী মাধুর্য্য – দীনেশচন্দ্র সেন
    Next Article মহীদাদুর এন্টিডোট – দীপান্বিতা রায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }