Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আমি লিলি – লিলি চক্রবর্তী

    লেখক এক পাতা গল্প134 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ইস্কুল বাড়ি

    সোহাগ, আহ্লাদ, আদরের পর সব শিশুরই যেমন হয়, তেমনই শুরু হল স্কুল জীবন। ছোট্ট লিলি স্কুলে যাবে, বাড়িতে তাই বড়দের মধ্যে নানা ব্যস্ততা। খাইয়ে দাইয়ে তৈরি করে দেওয়া হল আমাকে। প্রথম দিন স্কুলে যাওয়ার অভিজ্ঞতা আর পাঁচ জনের থেকে মোটেই আলাদা ছিল না। বাড়ি ছেড়ে, মা, বোনকে ছেড়ে একা আমাকে অনেকক্ষণ কোথাও থাকতে হবে ভেবেই কান্না পেল। যেতে তো হবেই, স্কুলের পথে পা বাড়ালাম। ছোটবেলার সেই স্কুলটার আবছা একটা ছবি আমার মনে আছে। কিছুটা স্বপ্নের মত। স্পষ্ট করে বলতে গেলে হারিয়ে যায়। অথচ চোখ বুঝলেই ভেসে ওঠে। সেই আমার প্রথম পাঠশালা। যেমন সেই ছোট্টবেলাকার আমার একটা মুখের ছবি এখনও গেঁথে আছে মনে। আসলে তো এসব দানা বেঁধে আছে অনুভূতিলোকে। তাই স্পষ্ট করা খুব মুশকিল।

    স্কুলের পাশাপাশি বাড়িতে পড়াবার জন্য একজন মাস্টারমশাই আসতেন। আমি আর ভাই পড়তে বসলেই ছোটবোন মুড়ির বাটি নিয়ে আমাদের পাশেপাশে ঘুরঘুর করত। খেত কম, ছড়াতো বেশি। বেশ নাদুস-নুদুস দেখতে ছিল। ওকে আমরা ভুড়ু ভুড়ু বলে ক্ষ্যাপাতাম। সেই বোন এখন আমার ফ্ল্যাটের নীচতলায় থাকে। বয়সে ছোট হলেও এখন বোন আর ভগ্নীপতিই আমার অভিভাবক। ওর ভালো নাম দীপ্তি। আমার ২৪ ঘন্টা সুস্থ থাকার সমস্ত দায়িত্ব এখন ওদের কাঁধে। ওঁদের মেয়ে সংহিতা। ইতিহাস গবেষক। সংহিতা আমার মেয়েও বটে।

    ওর দিকে তাকালে আমার কৈশোরে ফিরে যাই। মনে হয়, ওকে নিয়ে দিনরাত কথা বলে চলি। শুনতে ইচ্ছে করে, ওরা এখন জীবন নিয়ে কী ভাবে! মনে পরে যায় ছোটবেলার হাজারও গল্প।

    আমার বাবার নাম কেশবনাথ চক্রবর্তী। মা দীপালি চক্রবর্তী। বাবা প্রথমে আমার মেজমাসিকে বিয়ে করেছিলেন। তাঁদের তিন সন্তান। দুই মেয়ে, এক ছেলে। মেজমাসি হঠাৎ মারা যায়। ছেলেমেয়েদের দেখার কোন লোক ছিল না। মামাবাড়ির সবাই মিলে ঠিক করে আমার মা’র সঙ্গে বাবার বিয়ে দেবে। আমরা ভাইবোনেরা অনেক বড় হয়েও এসব কিছুই জানতাম না। আমরা সবাই ছিলাম এক মায়ের পেটের। এখনও তাই।

    এক অর্থে সোনার চামচ মুখে নিয়েই জন্মেছিলাম। ঢাকায় বাবার বিরাট বড় ব্যবসা। সেই সূত্রে ঢাকাতেই থাকতাম। বাবা বলতেন আমার জন্মের পরই নাকি তাঁর ব্যবসার উন্নতি। তখন শুনতে বেশ লাগতো। এখন বিশ্বাস করতে কষ্ট হয়। মানুষ আসলে যে যার ভাগ্যে করে খায়। উন্নতি, অবনতি সব তার কপালেই লেখা থাকে। তবু বাবার বিশ্বাসকে ছোট করতেও ইচ্ছে করেনা।

    এসবের মাঝেই একটা গভীর আতঙ্ক ছাপ ফেলে গেল আমার শিশুমনে। একটা ট্রমা! মনে আছে একদিন মাঝরাতে ঘুম থেকে সব ভাইবোনদের ডেকে তুললেন মা। আমার সেদিনের সেই ছোট্টবেলার ভয় পাওয়া মুখটা এখনও স্পষ্ট ভাসে। সেই প্রথম এতটা ভয় পেয়েছিলাম। জিজ্ঞাসা করলাম- আমরা কোথায় যাচ্ছি? মা কোন উত্তর দিলেন না। চিৎকার, কান্না, হট্টগোলের মাঝে বেরিয়ে পড়ে দেখলাম, আমাদেরই মত আরও অনেক অসহায় মুখ। তারাও যেন পালাচ্ছে এক বিরাট আতঙ্ক দৈত্যের তাড়া খেয়ে। যেন ছিঁড়ে যাচ্ছে নাড়ির টান। অনেক পরে জেনেছি সেই দৈত্যের নাম দেশভাগ। ভাবলে আজও লোম খাড়া হয়ে যায়। সব ফেলে আমরা পৌঁছলাম কলকাতায়। বাবা তখন কলকাতাতেই ছিলেন। জিনিসপত্র প্রায় কিছুই আনতে পারলো না মা। ভাইবোনদের গায়ের গয়নাগাঁটি, অল্প কিছু টাকা আর দু’একটা জামাকাপড়। বাদবাকি সব পড়ে রইলো ঢাকায়। কলকাতায় এসে আমার মন পড়ে থাকতো সেই বাড়ির পাশের পুকুরটায়। সেটা যে আর কোনদিন দেখতে পাবো না তখনও বুঝিনি। এখন এই বুড়ো বয়েসে আমার নিবেদিতা অ্যাপার্টমেন্টের উল্টোদিকের ঝিলটায় বাংলাদেশের ছায়া খুঁজি। মাঝেমধ্যে দু’দশ মিনিট দাঁড়িয়ে থাকি। ছোটবেলার কথা ধীরে ধীরে মনে পড়ে যায়। ভালোলাগায় ভরে ওঠে মন।

    কলকাতায় এসে আমরা উঠলাম বালিগঞ্জে। বাবার এক মামাতো ভাইয়ের বাড়িতে। যতটুকু সম্বল ছিল তা দিয়ে বাবা নতুন করে ব্যবসা শুরুর চেষ্টা করছিল। মা ঢাকায় বাবার এক বন্ধুর কাছে প্রায় ২০০ ভরি গয়না রেখে এসেছিল। তিনি পরে অনায়াসে সবটা অস্বীকার করলেন! কথাগুলো কানে ভাসে- ”বৌদি, আপনার মাথার ঠিক ছিল না, কাকে ভুলে কী দিয়ে এসেছেন। এখন আপশোশ করে লাভ আছে!” সত্যিই তো আপশোশ করে কী লাভ! শুনেছি সেই ভদ্রলোকের শেষটা ছিল ভয়ানক কষ্টের! চোখে দেখা যেত না। তিনি চলে গেছেন, এখন আর নিন্দেমন্দ করে কাজ নেই! তবে অসৎ, মিথ্যেবাদী কাউকে দেখলে আজও আমার মনে পড়ে যায় সেই ভদ্রলোক ও তাঁর শেষজীবনের কথা।

    যাই হোক, বাবার ব্যবসাটা আর করা হল না! যা মূলধন দরকার, মা গয়নাগাটি বেচেও যোগাড় করতে পারলেন না। তাছাড়া ছোটখাটো ব্যবসায় বাবার একেবারেই মন ছিল না। আমাদের অবস্থা ক্রমশ খারাপ হতে থাকলো। কাকার বাড়িতে আর কতদিন থাকা যায়! যদিও ওঁরা সবাই আমাদের খুব ভালোবাসতেন। বিশেষ করে বাবার মামিমা, মানে আমাদের ঠাকুমা। আমার খুব প্রিয় হয়ে উঠেছিলেন। কিন্তু ওই ছোটবেলাতেই এটুকু বুঝতে পারতাম, এখানে আর বেশীদিন থিতু হওয়া যাবেনা। জীবনের আর একটা অধ্যায় যেন শুরু হতে চলেছে। আমরা বড় হচ্ছি, কিন্তু আমাদের পড়াশুনো ঠিক মত হচ্ছে না। তখন বড় মামা থাকতেন মধ্যপ্রদেশের ছিনুওয়াড়া ডিসট্রিক্টের ডুঙ্গুরিয়া বলে একটি জায়গায়। ১৮ কিলোমিটার জুড়ে কোলিয়ারি বেল্ট। চারিদিকে ধুলো, বালি আর কয়লার গুঁড়ো উড়ছে সর্বক্ষণ। তারই মাঝে বড় মামার ছোট সুন্দর একটা কোয়ার্টার। বড় মামা সেখানকার চিফ সার্ভেয়ার। আবার একটা নতুন শুরু। সেই অল্প বয়সেই অনেকটা পথ পাড়ি দিয়ে ফেললাম। ঢাকা থেকে কলকাতা। সেখান থেকে আরও পশ্চিমে, মধ্যপ্রদেশ। আমার পড়াশুনো শুরু হল। কাছাকাছি কোন স্কুল ছিল না। প্রায় ৪ মাইল দূরে একটা স্কুল। কমিউনিকেশান খুব খারাপ। পাহাড়ি রাস্তা। রেললাইনের ধার দিয়ে হাঁটতে হত। সারাদিনে একটা মাত্র বাস। সাইকেল ছাড়া যাতায়াতের কোন পথ নেই। একরকম বাধ্য হয়েই বাড়িতে পড়াশুনো শুরু করলাম। পড়াশুনো শুরু হল বটে, তবে সবই হিন্দিতে। প্রথম প্রথম খুব রাগ হত। কি খটমট ভাষা রে বাপু। কিছুই বুঝি না ছাই! যদিও আস্তে আস্তে সব রপ্ত হয়ে গেল।

    বড়মামা বললেন- ”বাঙালি ঘরের মেয়ে শুধু হিন্দি শিখবে, বাংলা শিখবে না! এ কী করে সম্ভব!” বাংলা শেখানোর জন্য আলাদা একজন মাস্টারমশাই রেখে দিলেন। বাড়িতে বই পড়ার চল থাকলেও এই মাস্টারমশাই আমাকে উপন্যাস পাঠের নেশা ধরিয়েছিলেন। তাঁর হাত ধরেই চিনলাম বঙ্কিমচন্দ্র, রবীন্দ্রনাথ এবং বিশেষ করে শরৎচন্দ্রকে।

    জায়গাটা খুব রুক্ষ হলেও গাছপালা ছিল প্রচুর। বাড়ির সামনেই দু’টো মহুয়া গাছ। সারাক্ষণ মহুয়ার গন্ধে ম-ম করত। তারই একটা ডালে দোলনা লাগিয়েছিলাম। একটু ছাড়া পেলেই- দে ছুট। আমার দোল খাওয়া শুরু। বাড়ির সামনে ছিল ফুলের বাগান। পেছনে অনেকটা জায়গা। মা সেখানে সব্জি বাগান করেছিল। ভেন্ডি, উচ্ছে, কুমড়ো, লাউ, ধনেপাতা, কাঁচালঙ্কা কী লাগায়নি! আমাদের মত এত বড় বাগান আর কোন কোয়াটার্সে ছিল না। আরও খানিকটা পিছিয়ে বিশাল বড় একটা জঙ্গল। তার পেছনে নালা। বর্ষাকালে নালাটা ভরে যেত। জলের গর্জন শুনে রীতিমত ভয় করত। সেটাই আবার গ্রীষ্মে শুকিয়ে কাঠ। হেঁটেহেঁটে নালা পেরিয়ে আমরা ওপারে যেতাম। ছোটবেলা থেকেই জল আর জঙ্গল আমার ভীষণ প্রীতি। এখানে এসে তা আরও বেড়ে গেল।

    চলছিল ভালোই। তখন প্রায় ৯ বছর বয়স। ছোটমামা থাকতেন বেলুড়ে। দিদিমা আর মেজদিও সেখানে থাকতেন। হঠাৎ কী খেয়াল হল, ছোটমামা বললেন- ”লিলি আমার কাছে থাকবে। এখানে থেকেই পড়াশুনো করবে”। ছোটমামা বেলুড়ে নিয়ে এলেন। আসলে ছোটমামার খুব প্রিয় ছিলাম তো! একরকম ধরে বেঁধেই আমাকে আনা হল। কাছেই বালী বিদ্যাপীঠ স্কুল। ভর্তি হলাম। অল্প সময়ের মধ্যে পরীক্ষা দিয়ে পাশ করে গেলাম। স্কুলে ছোটখাটো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হলে অংশ নেওয়ার জন্য মুখিয়ে থাকতাম। নাটক, কবিতাপাঠ কিছু একটা হলেই হল। আমি সবার আগে হাজির। কোন কিছুতেই আগ্রহের খামতি নেই। তখন আমি যেন ডানা মেলে উড়ছি। বাতাসে প্রাণের আনন্দ। বড় হচ্ছি একটু একটু করে। বুঝতে পারছি ভেতরে ভেতরে একটা মেয়ের জেগে ওঠা। কিন্তু হঠাৎই আমার সেই উড়তে থাকা ডানা ধাক্কা খেল চরম। কয়েকদিনের ঘুসঘুসে জ্বর। তারপরই ধরা পড়ল টাইফয়েড। ছোটমামা সঙ্গে সঙ্গে ডাক্তারের কাছে নিয়ে গেলেন। তাড়াতাড়ি সেরেও গিয়েছিল। কিন্তু রিল্যাপস করল। এসব কিছুই মাকে জানানো হয়নি। দ্বিতীয়বার আর না-জানিয়ে উপায় ছিল না। তখন খুব ঘ্যানঘ্যানে হয়ে গিয়েছিলাম। দেওয়াল ধরে ধরে হাঁটতাম। খবর পেয়ে ছুটে এল মা। আমার রোগ জর্জর শরীর দেখে মা’র মুখটা কেমন শুকিয়ে গেল। তবু আমাকে বুঝতে দিলেন না তাঁর ভেতরের ভয়টা। সেকালে টাইফয়েড অনেক কিছু কেড়ে নিত। কারও চোখ, কারও কান। মা দাঁতে দাঁত চেপে যেন আমাকে সুস্থ করার লড়াইয়ে নামলেন। নিজের দিকে তাকিয়ে তখন আমার কান্না পেত। বড় বিশ্রী লাগত নিজেকে। সেকালের মানুষেরা জানেন টাইফয়েড তখন কী মারাত্মক ছাপ ফেলত শরীরে। আমার রূপ গেল ঝরে। যে মেয়ের চুল ছিল হাঁটু পর্যন্ত, তাকে ন্যাড়া করে দেওয়া হল। তবু মা’র মুখের দিকে তাকালে শরীরে যেন একটু বল পেতাম। ভাবিনি, সেরে উঠবো। মা বললেন- ”তুই না আমার মেয়ে! আমরা হাল ছাড়তে শিখিনি।” মা’র স্পর্শে একটু একটু করে সেরে উঠছিলাম। দাঁড়ানোর বল পেলাম পায়ে। অবশ হাতগুলো সচেতন হয়ে উঠলো। আর বুকের মধ্যে জোর তৈরি করছিল মা’র ভোকাল টনিক। ধীরে ধীরে সুস্থ স্বাভাবিক হচ্ছি। এমন সময় বাড়িতে সুখবরের হাওয়া।

    মা বললেন- ”এসেছি যখন এবার ভাইয়ের বিয়ে দিয়েই যাবো”।

    মেজদি, দিদিমা দু’জনেই মায়ের কথায় সায় দিলেন। মনে আছে, দিদিমা নির্মলা রায় চৌধুরী তখনও খুব অ্যাক্টিভ। সারাক্ষণ তাঁর ছোটাছুটি লেগেই আছে। নিজে দাঁড়িয়ে থেকে ঘরের সমস্ত কাজ তদারক করতেন। এমনকী আমি দিদিমার শাশুড়িকে পর্যন্ত দেখেছি। তাকে নিয়ে একটা মজার ঘটনাও আছে। আমরা ওকে মধ্যপ্রদেশে নিয়ে গিয়েছিলাম। সে বুড়ি দিব্যি সেখানে গিয়ে কয়লা খাদানের ভেতরে ঢুকে পড়লো। বলেছিল- ”আমি দেখতে চাই মাটির নীচে কী আছে”। পিছু পিছু দ্বিগুণ উৎসাহে আমিও গেলাম। ও বাবা! ভেতরে সে কী অন্ধকার! ”মা গো”- বলে এক চিৎকার। ছুটে বেরিয়ে এলাম। কিন্তু তিনি হেঁটে হেঁটে সব দেখলেন। বেরিয়ে এসে বললেন- ”গেলি না তো! গেলে দেখতে পেতি ভেতরে কী মজার মজার সব যন্তর”।

    বড় হয়েও কোনদিন আর কয়লা খাদানের ভেতরে ঢোকার সাহস করিনি। সে বুড়ির সাহস আর উৎসাহ দেখে এখনও তাকে মনে মনে প্রণাম করি।

    আমি সেরে উঠলে ছোটমামার বিয়ে দেওয়া হল। আর এই ছোটমামার বিয়ের সঙ্গেই জড়িয়ে আছে আমার অভিনেত্রী হয়ে ওঠার এক পরোক্ষ আভাস। দিনক্ষণ মনে নেই, কিন্তু এই ছোটমামার বিয়ের পরই আমি প্রথম থিয়েটার দেখেছিলাম। সেই মঞ্চে দর্শক আসন থেকেই বুকের ভেতরে কেমন বেজে উঠেছিল সাঁঝঘরের অন্দরমহল। ঠিক হল, নতুন বৌকে নিয়ে সবাই মিলে নাটক দেখতে যাওয়া হবে। স্টার থিয়েটারে তখন ‘পরিণীতা’ চলছে। আমি তো লাফাচ্ছি। সবার সঙ্গে আমিও যাবো। সকলেই বারণ করলো- ”এই বয়সে এসব থিয়েটার দেখবে! একদম না। লিলি বাড়িতে থাকবে”। কান্নাকাটি জুড়ে দিলাম। বেগতিক বুঝে ছোটমামা সবাইকে বলে কয়ে একরকম রাজি করালো। ওই যে বললাম, ছোটমামার প্রিয় ভাগ্নীটি বলে কথা। আমাকে না নিয়ে তিনি কী যেতে পারেন! তখন কিন্তু কিছুই বুঝি না। কিন্তু ঐ যে স্টেজের মধ্যে লোকজন ঘুরে বেড়াচ্ছে; নানারকম আলো, শব্দ সেসব দেখে অবাক লাগতো। কেমন বিভোর হয়ে যেতাম। মনে হত, আমি যেন দর্শক আসনে নেই, মঞ্চে উঠে গেছি। ওদের সঙ্গে তালে তাল মিলিয়ে আমিও অভিনয় করছি। তাই নাটক দেখতে গেলে আমার আর খুশির অন্ত থাকত না।

    সদ্য টাইফয়েড থেকে উঠেছি। তাই মা আর কাছছাড়া করতে চাইলো না। সঙ্গে করে নিয়ে এলো। আবার চলে এলাম মধ্যপ্রদেশ। মাথায় একটাও চুল নেই। রুমাল বেঁধে ঘুরতাম। ব্যস, ওমনি বন্ধুরা ক্ষেপাতে শুরু করল। আমার নাম হয়ে গেল নেড়ি। কী যে কষ্ট হত তা আর বলার নয়! মাঝেমধ্যে ভয় হত, আর যদি চুল না গজায়! আমি কি নেড়িই থেকে যাবো? যদিও সে ভয় বেশীদিন স্থায়ী হয়নি। অচিরেই আমি আবার কেশবতী হয়ে উঠলাম। তখন ঘনঘন আয়নার সামনে গিয়ে দাঁড়াতাম। মনে মনে বলতাম- ”খুব নেড়ি বলা না! এবার দেখ কেমন লাগে”।

    বড়মামা ইতিমধ্যে ডুঙ্গুরিয়া থেকে দূরে পরাশিয়া বলে একটি জায়গায় বদলি হয়ে এসেছে। পরাশিয়ার কোয়াটার্সটা ছিল আরও সুন্দর। একটা ছোটখাটো বাংলোবাড়ির মত। বাড়ির পেছনে একটা বিশাল মাঠ। মাঠের ধার ঘেঁষে সরু নদী। তারপর রেললাইন। রেললাইন পেরিয়ে ড্যাম। ড্যামের ওপারে একটা ছোট্ট পাহাড়। বাড়ির পেছনের জানলা খুললেই প্রকৃতি যেন আমার হাতের মুঠোয়। ট্রেনের হুইসেল কানে এলে, ছুটে বেরিয়ে পড়তাম। বাড়িতে থাকলে একদিনও বাদ যেত না। কিভাবে পাহাড়টাকে পেছনে রেখে এঁকেবেঁকে চলে যাচ্ছে সন্ধের শেষ ট্রেন। আমার কেমন একা লাগতো! ঠিক ওই ট্রেনটার মত।

    রেলগাড়ির কথা যখন উঠলই, তখন বলেই ফেলি সেই মজার অভিজ্ঞতাটা। তখন আমি কিশোরী। বাবা-মা কলকাতায়। আমি ও ছোটভাই বাচ্চু (কমল চক্রবর্তী) পরাশিয়ায়। কিশোরীবেলায় একা একা ট্রেনে চড়া আমার জীবনের এক দুর্লভ আনন্দ অনুভূতি।

    আমি আর ভাই তখন মাঝেমধ্যেই কলকাতায় ঘুরতে আসি। ফেরার সময় আমাদের ট্রেনে তুলে দেওয়া হত। আমরা একা একাই ফিরে যেতাম। প্রথমে কলকাতা থেকে নাগপুর যাওয়ার ট্রেন। নাগপুর থেকে ছিনুওয়াড়া, সেখান থেকে আবার পরাশিয়ার ট্রেন ধরতে হত।

    মনে আছে, নাগপুরে নেমেই আমরা রেলের পরিচিত দুই গার্ড মাস্টারের খোঁজ করতাম। তাদের একজনকে ডাকতাম মুখার্জি মামু বলে। ট্রেনটা কিন্তু নাগপুর থেকে ছিনুওয়াড়া হয়ে সোজা পরাশিয়া যেত না। দু’টো স্টেশন ঘুরে তারপর পরাশিয়া পৌঁছত। তাতে আধঘন্টা সময় বেশি লাগতো। শুধু তাই নয়, আমাদের বাড়ির পেছন দিয়ে ট্রেনটা ঘুরে অন্য স্টেশনে চলে যেত। যা আমার আর ভাই এর মোটেই পছন্দ ছিল না। মুখার্জি মামুকে আগেভাগেই বলা থাকত। মুখার্জি মামু ড্রাইভারকে বলে আমাদের বাড়ির ঠিক পেছনদিকটায় ট্রেনটা দাঁড় করাতো। আমাদের হাত ধরে নামিয়ে দেওয়া হত। বাগান পেরিয়ে এক লাফে বাড়ি পৌঁছে যেতাম। হাত নাড়িয়ে টাটা করতেই, ট্রেনটা একটা লম্বা হুইসেল ছেড়ে দূরে পালিয়ে যেত। ভাই আর আমার যে কী আনন্দ হত, বলে বোঝানো প্রায় অসম্ভব।

    পরাশিয়ায় এসে আবার নতুন স্কুল। অনিন্দ্যপ্রকৃতির মধ্যে এক আশ্চর্য পঠনপাঠন ছিল সেই স্কুলে। জল, জঙ্গল আর নীল প্রকৃতির মাদকতা ছড়িয়ে থাকতো এলাকায়। আমার ছোটবেলার যেন এক স্বপ্নরাজ্য সেই পরাশিয়া।

    স্কুলটা ছিল কোয়েড। পেইঞ্চভ্যালি নদীর ধারে পেইঞ্চভ্যালি হাইস্কুল। আমি আর বাচ্চু ওখানে ভর্তি হয়েছিলাম। বাংলার কোন বালাই নেই, সমস্তটা হিন্দিতে। হিন্দি বলতে শিখেছিলাম ঠিকই, কিন্তু গ্রামারটা তখনও রপ্ত হয়নি। স্কুলে হিন্দির টিচার ছিলেন খান স্যার। খান স্যার আমার নড়বড়ে হিন্দি নিয়ে খুব মজা করতেন। একদিন বললেন- ”বোলো লিলি, আজ টিফিন পর কেয়া খায়েগা?” আমি মাথা নীচু করে খুব আস্তে আস্তে বললাম- ”খায়েগা নেহি স্যার, খায়েগি”। শুনে গোটা ক্লাস হো হো করে হেসে উঠলো। খান স্যার বললেন- ”কামাল হে! বাচ্চি তো শিখ রেহি হে”।

    হিন্দি হাতের লেখা যা ছিল সে তো কহতব্য নয়। স্যার রোজ একপাতা করে লিখতে দিতেন। খান স্যার ছিলেন অন্য শিক্ষকদের থেকে একটু আলাদা। মাঝেমধ্যেই ক্লাসরুম থেকে বাইরে মাঠে নিয়ে বসাতেন। বলতেন- চারদেওয়ালের মধ্যে আবার পড়াশুনো হয় নাকি! রবীন্দ্রনাথের বড় ভক্ত ছিলেন। হিন্দির টিচার হলে কী হবে! কথায় কথায় রবীন্দ্রনাথের কবিতা আওড়াতেন। বলতেন- ”টেগর কি কবিতা পড়ো। জিন্দেগি বদল জায়েগি”।

    খান স্যারকে বোঝা বড় মুশকিল ছিল। কখন যে কী করে বসবেন, আগে থেকে কেউ আন্দাজ করতে পারত না। একদিন আচমকা আমাদের ক্লাসে চলে এলেন। আমাকে বললেন ”লেখা দেখাও”। আমি ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে কিছুক্ষণ চুপ করে রইলাম। কাঁচুমাচু স্বরে বললাম- ”খাতা তো আনিনি স্যার”। আনবো কিভাবে সেদিন তো ওর ক্লাসই ছিল না! শাস্তি দিলেন ”কান ধরে দাঁড়াও”। পরবর্তী হুকুম ” সবাই হিন্দি বই বের করো”। কেউ আর বই বের করেনা। করবে কী করে, কেউই তো বই আনেনি! অবশেষে ভয়ে ভয়ে ক্লাস মনিটর বলল- ”আপনি বোধহয় ভুল করে চলে এসেছেন স্যার, আজ আপনার ক্লাস নেই”। এবার স্যার একটু অপ্রস্তুত। আমার দিকে তাকিয়ে বললেন- ”বুঝেছি এইজন্য লিলি খাতা আনেনি। আচ্ছা বেশ আগামীকাল নিয়ে এসো”। সেদিনটা ছিল শনিবার। আমি আস্তে করে বললাম- ”কাল আপনি একা আসবেন স্যার, আমরা কেউ আসব না। কাল রবিবার। ছুটি”। বলেই সবাই মিলে খিলখিলিয়ে হাসতে শুরু করলাম। এমনই হুল্লোড়, মজায় আমাদের ক্লাস চলত। খান স্যারের মধ্যে মেঘ রৌদ্রের মত এমন বৈপরীত্য ধরা পড়ত বারবার। এখন বুঝতে পারি, আসলে শিক্ষকের জীবন এমনই হওয়া উচিৎ। শাসনে ও স্নেহে যিনি সবসময় কাছে টেনে নেবেন। তাঁর কথা মনে পড়লে বুকের ভেতর ভারী হয়ে আসে আজও। তিনি হয়ত আজ আর নেই। তবু কখনও কখনও চোখের সামনে দেখতে পাই এই মাস্টারমশাইকে। সব সংকীর্ণতার দেওয়াল ভেঙে যিনি দাঁড়িয়ে আছেন এক আশ্চর্য মন নিয়ে।

    স্কুলে কোন অনুষ্ঠান হলেই আমার ঘাড়ে দায়িত্ব এসে পড়তো। আমি সেটা উপভোগ করতাম। ফ্রক পড়ে স্কুলে এলে হেডমাস্টার বকতেন। তাই শাড়ি বা সালোয়ার পড়তাম। বয়সের তুলনায় বোধহয় একটু বড়সড় দেখাতো। স্কুলের অনুষ্ঠানগুলোতে বিনা বাক্যে উঁচু ক্লাসের ছাত্রছাত্রীরাও আমার নেতৃত্ব মেনে নিত।

    স্কুলের একটা ছেলের কথা মনে পড়ে। খুব দুষ্টু ছিল। নামটা ভারী মিষ্টি। শিউ পাল। ক্লাস শুরুর আগে প্রতিদিন প্রেয়ার হত। প্রেয়ার লিড করত শিউ পাল। আমরা সবাই ওকে ফলো করতাম। বিহারে ট্রাইবালদের মধ্যে খুব তাড়াতাড়ি বিয়ে হয়ে যেত। শিউপাল ছিল বিবাহিত। তবু ও সারাক্ষণ আমার দিকে ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে থাকতো। ওর বোন শিউকুমারি আমার বন্ধু ছিল। শিউকুমারিকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম- ”তোর ভাই আমার দিকে অমন ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে থাকে কেন রে?” ও কোন উত্তর দেয়নি। আসলে অতগুলি অবাঙালি মেয়ের মধ্যে একটা সুন্দরী বাঙালি মেয়ে। এক মাথা চুল, টানা টানা চোখ দেখে ওঁর বোধহয় আমাকে মনে ধরে গিয়েছিল। ব্যস আর কোথায় যাবে! ছোটমাসিরা ওকে নিয়ে ক্ষ্যাপাতে শুরু করল। ছেলেটা রোজ বাংলোর পেছন দিকে এসে বাঁশি বাজাত। একটা অদ্ভুত মনকেমন করা সুর। একদিন বড়মামা ওকে খুব দাবড়ে দিলেন। তারপর আর কোনদিন আসেনি। পরে মাঝেমধ্যে মনে হয়েছে শিউপাল কী অন্যায় কিছু করেছিল? বাঁশিটা তো খারাপ বাজাতো না! তবে? কত বয়স হল ওর? ও কি এখনও বাঁশি বাজায়? বেঁচে আছে শিউপাল?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএবং ইনকুইজিশন – অভীক সরকার
    Next Article অশ্বচরিত – অমর মিত্র

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }