Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আম্রপালী – নারায়ণ সান্যাল

    নারায়ণ সান্যাল এক পাতা গল্প120 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আম্রপালী – ৮

    ০৮.

    শনিবার সওয়া আটটা নাগাদ উনি ওঁর স্টাডি-রুমে এসে বসলেন। ঐ নাছোড়বান্দা ছিনেজোঁকটির সঙ্গে একাই মোকাবিলা করতে হবে। দ্বৈরথ সমরে। তার অসংখ্য গুণগ্রাহী ছাত্র, শিষ্য, পাঠক-পাঠিকা। কিন্তু কারও কাছে সাহায্য চাইবার কোনো উপায় নেই। একদিকে ঐ মাস্তান, উদ্ধত যুবক, তার সঙ্গীসাথী, তার আগ্নেয়াস্ত্র, ছুরি-ক্ষুর অ্যাসিড বাল্ব, পেটোয়া পুলিস, অন্য দিকে প্রৌঢ় একজন পণ্ডিত। ল্যাবরেটরি আর লাইব্রেরির চৌহদ্দিতে জীবনটা যিনি পাড়ি দিয়ে এসেছেন নির্বিবাদে। তাঁর হাতিয়ার তাঁর শিক্ষা, তাঁর ক্ষুরধার বুদ্ধি, অসাধারণ উদ্ভাবনী ক্ষমতা আর সারাজীবনে হার-না-মানার স্ট্যামিনা! ভয় পেলে চলবে না, ভয় তিনি পাননি। দ্বৈরথ সমরে অবতীর্ণ হতে প্রস্তুত বৃদ্ধ মানুষটি।

    স্টাডিরুম ভিতর থেকে বন্ধ। পাশের ঘরে ধর্মেন্দ্র না শশী কাপুর কে যেন ভিলেনকে ক্রমাগত টিশম্‌-টিশম্‌ কিলিয়ে চলেছে। টি. ভি.-তে। প্রফেসর তালুকদারও ঐভাবে মাস্তানকে ঠ্যাঙাতে পারেন, যদি ভিলেনের ঘুসিগুলো ওঁর হয়ে খায় ওঁর ডামি। না হলেও পারেন, যদি নেপথ্য নাট্যকারের তাই নির্দেশ থাকে। বৃদ্ধ বলে তিনি লড়তে ভয় পাবেন না। ও-ঘরে প্রণতি আর রামু সেই লড়াই দেখতে বুঁদ। ওরা জানে না, ঠিক পাশের ঘরে এই নিরস্ত্র বৃদ্ধ এক রিভলভারধারীর সঙ্গে একইভাবে মোকাবিলার তাল ভাঁজছেন। কাঁটায় কাঁটায় সাড়ে আটটায় রিঙিং টোন শুরু হতেই তুলে নিয়ে তার কথামুখে’ বললেন : তালুকদার।

    –নমস্তে! রোপেয়ার ইন্তেজাম হইয়েসে স্যার?–কী বিনীত মোলায়েম কাকুতি!

    –না!

    –না! কেনো! তিন-সেট পিকচার আর নিগেটিভ আপনি খরিদ করবেন না?

    –করব। কিন্তু…

    –আ! সমঝলম! ভাও লিয়ে দরাদরি করবার হিঞ্ছা হইয়াসে?

    –না! দরাদরি নয়। আমি জানতে চাইছি কেন তুমি প্রিন্সিপাল-সাহেবকে ফোন করেছিলে? জগদীশকে কেন বলেছ…

    –আহাহা! দিমাগ খারাপ করছেন কেন প্রফেসর-সাব? আসল কথা তো কিছু বলি নাই প্রফেসর-স্যার? আমি কি ওঁদের বলেছি প্রফেসর তালুকদার-সাহাব এক ছুকরির সঙ্গে লেংটা-খেলা খেলিয়েসেন? আপন গড! সি-কথা কুছু বলি নাই। বেহুদ্দো দিমাগ কেনো খারাপ করছেন, স্যার? ছবি আর নেগেটিভ কিনে লিন, ব্যস্। লেঠা চুকিয়ে যাক। ই-সব নোংরা ঝামেলা হমার বুঢ়া লাগে।

    –তার আগে ঐ মেয়েটির সঙ্গে কিছু কথা বলতে চাই। টাকার প্যাকেটটা আমি শুধু তার হাতেই দেব। অন্য কাউকে নয়।

    –তা তো হবে না, স্যার। সি ইখানে না আছে। তাকে কী দরকার?

    –একমাত্র তাকেই আমি দেখলে চিনতে পারব।

    –লেকিন সি তো কলকাত্তামে না-আছে। পাকিট হামাকেই দিতে হবে। আমি আইডেন্টিটি দেখিয়ে তবে লিব।

    –কী আইডেন্টিটি?

    –তিন সেট পিকচার ঔর নিগেটিভ।

    –সে সব আমি চাই না।

    -–চান না, ওয়াপস লিবেন না। লেকিন কেন?

    –তুমি তো দশ কপি করে প্রিন্ট বানিয়ে রেখে ওগুলো আমাকে ফেরত দিতে পার। আমি তোমাকে টাকাটা দিলেই তুমি আবার নতুন করে টাকা চাইতে পার। ঠেকাচ্ছে কে?

    –‘আপন গড’ স্যার! সিরেফ তিন সেট বানিয়েসি। আপন মাই অনার!

    প্রফেসর তালুকদার নীরবে অপেক্ষা করেন।

    –কী হল স্যার? কুছু তো বোলেন?

    –আমি কী বলব, মাস্তান? তুমি বলছ ‘আপন গড’, ‘আপন মাই অনার’-এ ক্ষেত্রে আমি কী বলতে পারি? তোমার মতো অনারেবল…

    –অ! তা আপনি কী চাইছেন?

    –সেই মেয়েটি যদি টাকা নিতে না পারে তবে তোমাকেই আমি প্যাকেটটা দেব, তবে স্ট্যাম্পড রসিদ নিয়ে।

    –কী নিয়ে? রিসিট?

    –হ্যাঁ, তাই। রসিদ। রিসিট!

    –আপনি কি দিল্লাগি শুরু করলেন স্যার? ব্ল্যাকমেলিং-এর রুপেয় কেউ কখনো রসিদ দিয়ে নেয়?

    –তা তো আমি জানি না। আমার জানার কথা নয়। এই জীবনে কখনো ব্ল্যাকমেলিঙের টাকা নিইওনি, দিইওনি। তবে ঐ আমার শর্ত। আমি একটা কাগজে লিখে নিয়ে যাব—”পত্রবাহকের কাছে ব্ল্যাকমেলিং বাবদ পঁচিশ হাজার টাকা খুচরো নোটে বুঝিয়া পাইলাম।” স্ট্যাম্প প্যাডও নিয়ে যাব। তুমি তার নিচে তোমার বাঁ হাতের বুড়ো আঙুলের টিপছাপ দিয়ে টাকাটা আমার কাছ থেকে নেবে!

    –আপনি পাগল হইয়ে গেসেন, স্যার। তাই কি হামি পারি?

    –না পার টিপছাপ দিও না। রসিদ দিও না। আমিও টাকাটা দিতে পারব না।

    –ও. কে.। তাইলে কালই তিন সেট পিচার ডাকে ডেলে দিই।

    –ক্ষমতা থাকে দাও!

    –ক্ষেমতা! কেঁও? হমার হিম্মতে কুলাবে না?

    –তাই তো আমার ধারণা!

    –তিনঠো লেফাফা ডাক-বাক্সে গিরাতে সেকব না আমি?

    –সেই কথাই তো বলছি আমি। বারে বারে বলছি।

    –লেকিন কেঁও?

    –কারণ তোমার এক্তিয়ারে ঐ একটিই একাঘ্নী বাণ আছে, মাস্তান! ও দিয়ে তুমি ঘটোৎকচকে বধ করতে পার–আলবৎ পার–কিন্তু অর্জুন তাহলে জীবিত থাকবে। তোমার কভিকশন তো অৰ্জুনই করবে, তাই নয়? আই. পি. সি.-তে ব্ল্যাকমেলিঙের জন্য ম্যাক্সিমাম কত বছর সশ্রম কারাদণ্ডের প্রভিসন্স আছে তা ভোলনি নিশ্চয়। অর্জুনই সে ব্রহ্মাস্ত্রটা ছাড়বে, তাই নয়? ঘটোৎকচ তো বেফাজুল? ‘কর্ণার্জুন’ নাটকে এলেবেলে-চরিত্র!

    –কী উল্টাসিধা বকছেন প্রফেসার-সাহাব!

    –মহাভারত যে পড়নি তা জানি, কিন্তু চোপড়া-সাহেবের সিরিয়ালটাও দেখনি রোব্বারে?

    –হামি সচমুছ কুছু সমঝাতে পারছি না, স্যার!

    –অলরাইট! মহাভারত তুমি পড়নি! কিন্তু তাস খেল নিশ্চয়। শোন! তোমার হাতে আছে রঙের টেক্কাখানা! ম্যায়নে মান্‌লি! একটা পিঠ তুমি তুলবেই। কোন শুয়ারের বাচ্চা রুখতে পারবে না! তাই না মাস্তান? কিন্তু তারপর! টেক্কাখানা তোমার হাতছাড়া হয়ে যাবার পর? মানছি, আমার নানান অসুবিধা হবে, নানা বেইজ্জতি। হয়তো চাকরি ছেড়ে দেব। কিন্তু তুমি? শুধু পঁচিশ হাজার টাকাই খোয়াবে –উপরন্তু আমার মতো একটা শত্রুকে লাভ করবে। বদলা না নিয়ে যে আমি থামব তা তুমি নিশ্চয় বুঝছ! বয়স হয়েছে, তবু শত্রু হিসাবে আমি লোকটা যে সাঘাতিক তা তোমার ভালরকম জানা। তাছাড়া তুমি জান নিশ্চয়, সোন্ধী ইতিমধ্যে পুলিসে ডায়েরি করেছে…

    –সোন্ধী! সৌন্ধী কৌন আছে?

    –ন্যাকা সাজবার চেষ্টা কর না মাস্তান! য়ু আর অলরেডি হাফ-এক্সপোজড! তুমি জান যে, পুলিসে এইট বাই টোয়েন্টি অ্যাপার্টমেন্টে সাত-সাতটা লেটেন্ট ফিঙ্গারপ্রিন্ট পেয়েছে। একটা মেয়ের, আর একটা ছেলের। য়ু নো ড্যাম ওয়েল, হোয়াটস আ লেটেন্ট ফিঙ্গারপ্রিন্ট। তুমি জান, পুলিস রেকর্ডে তোমার ফিঙ্গারপ্রিন্ট আছে কি না। যদি জীবনে কখনো কনভিকশন হয়ে থাকে, যদি কখনো কোনো হাজতে রাত্রিবাস করে থাক, তাহলে য়োর ফিঙ্গারপ্রিন্ট উড ট্যালি…

    –হামি কুছু সমঝাতে…

    –লেকিন হামি সব কুছ সমঝেছি মাস্তান! ডু হোয়াটএভার য়ু থিংক বেস্ট! আই নো অ্যান্ড দ্য পুলিস নো দ্যাট য়ু আন্ডারস্ট্যান্ড ইংলিশ পার্ফেক্টলি! গুড নাইট!

    –শুনুন স্যার, প্লীজ…

    তালুকদার লাইনটা কেটে দিলেন।

    ‘ফিয়ার ইজ দ্য কী!’

    তীক্ষ্ণধী মানুষটি ইতিমধ্যে ‘দুইয়ে-দুইয়ে চার’ করেছেন।

    সদ্যসমাপ্ত অ্যাপার্টমেন্ট। প্রকাণ্ড বড় ফ্ল্যাট, অথচ আসবাবপত্রবিহীন! তার একটাই অর্থ হতে পারে : মালিক ফ্ল্যাটের দখল নিয়েছে, নেমপ্লেট বসিয়েছে, নগদ টাকার জোরে টেলিফোন কানেকশান পর্যন্ত পেয়েছে, কিন্তু সপরিবারে ফ্ল্যাটটা দখল করেনি। এটা বোঝা যায়। একটা ফ্রিজ, একটা ডবল-বেড খাট আর একটা সিলিঙ ফ্যান। ব্যস! কেন? সম্ভবত পূর্ববর্তী এক-কামরার ফ্ল্যাট থেকে এগুলি স্থানান্তরিত করে সোন্ধী অপেক্ষা করছিল। হয়তো ওর স্ত্রী-পুত্র-পরিবার দিল্লীতে, বোম্বাইয়ে বা ব্যাঙ্গালোরে। দু-চার মাস পরে, বাচ্চাদের পরীক্ষা শেষ হলে হয়তো ওরা সবাই আসবে। এই সুযোগটা নিয়েছে ঐ মাস্তান-পার্টি। যে কোনোভাবেই হোক ঐ সদর দরজার একটা ডুপ্লিকেট চাবি যোগাড় করেছে।

    সেই ডুপ্লিকেট চাবি দিয়ে দরজা খুলে ওরা কারবার ফেঁদে বসেছিল। হয়তো এতদিনে সোন্ধী আচমকা সপরিবারে ফিরে এসেছে। হয়তো বিগত সপ্তাহে সে পাঁচ সাতটা বিচিত্র টেলিফোন কল পেয়েছে। কেউ খুঁজছে সরযূকে, কেউ নমিতাকে, কেউ মালিনীকে। অথচ প্রত্যেকেই নিজ নিজ পরিচয় সযত্নে গোপন রাখতে চায়। নাম জানতে চাইলেই লাইন কেটে দিয়েছে। কেন? সোন্ধী সন্দিগ্ধ হয়েছে–খোঁজ নিতে গিয়ে প্রতিবেশীদের কাছে জেনেছে ‘কে বা কাহারা’ তার ফ্ল্যাটে বাস করে গেছে। পুরুষ এবং স্ত্রীলোক। প্রতিবেশীরা ধরে নিয়েছিল তাঁরা সোন্ধীর রিস্তেদার। হয়তো তাই মায়াজাল বিস্তার করে সোন্ধী জানবার চেষ্টা করেছিল প্রফেসর তালুকদারের পরিচয়। নিদেন তাঁর টেলিফোন নাম্বার। মাস্তান এ বিষয়ে কতটা কী জানে তা জানা নেই কিন্তু সোন্ধী যে সন্দিগ্ধ, অ্যাপার্টমেন্টটা হাতছাড়া হবার পরেই তা বুঝেছে। হয়তো আচমকা পালাতে গিয়ে ফ্রিজে ফেলে আসতে হয়েছে অর্ধসমাপ্ত বিয়ার অথবা জীন-এর বোতল!

    ‘ফিয়ার ইজ দ্য কী!’–আতঙ্কের বলটা উনি ও-কোর্টে ফিরিয়ে দিলেন।

    রবিবার রাত সাড়ে-আটটায় টেলিফোন রিসিভারের পাশে চুপচাপ বসে ছিলেন। ওঁর টেবিলের উপর একটা ইংরেজি পেপারব্যাক গল্পের বই, পাতা খোলা অবস্থায় পড়ে আছে : ফ্রেডেরিক ফরসাইথ-এর ‘নো কামব্যাকস্’! একটা পাতাও পড়তে পারছেন না। আশা ছিল, আতঙ্কগ্রস্ত ব্ল্যাকমেলার একই সময়ে ফোন করবে। সে সময়ে অন্য কেউ ফোনটা তুলুক তা উনি চান না।

    ঠিক তাই সাড়ে আটটায় বেজে উঠল টেলিফোনটা।

    –তালুকদার স্পিকিং।

    –আজ্ঞে হ্যাঁ, আমিই বলছি। আপনি অহেতুক দরাদরি করছেন, স্যার। আপনি আমাকে চেনেন না। এসব ব্যাপারে আমি অত্যন্ত নিষ্ঠুর, জানে মারা পড়বেন কিন্তু।

    পরিষ্কার সহজ সরল বাঙলা উচ্চারণ। কাবুলিওয়ালার সেই ‘খোঁকী তোমি সসুরবাড়ি যাবিস্‌’-গোছের বিকৃতির চিহ্নমাত্র নেই।

    তালুকদার বললেন, লুক হিয়ার, মাস্তান! আয়াম নট আফটার এনি বারগেন!…অর ডু য়ু স্টিল প্রিটেন্ড দ্যাট য়ু ডোন্ট ফলো মি?

    –না স্যার! আমি আপনার কথা বুঝতে পারছি।

    –তাহলে? আমি তো একটা নয়া পয়সা কমাবার কথা বলিনি। পুরো পঁচিশ হাজারই দেব। সমস্তই দশ বা বিশ টাকার নোটে। বিনিময়ে আমার ঐ শর্তটা তোমাকে মানতে হবে।

    –ঐ রসিদে সই দিয়ে ব্ল্যাকমেলিঙের টাকা নেওয়া?

    –হ্যাঁ, কিন্তু শুধু সই নয়, বাঁ-হাতের বুড়ো আঙুলের টিপছাপ।

    –আপনাকে একটা কথা বলব, বিশ্বাস করবেন স্যার?

    –ইতস্তত করছ কেন?

    –ঐ যে কাল আপনি বললেন, ‘তোমার মতো অনারেবল…’, কিন্তু এখন যেটা বলছি তা আপনি যাচাই করে জেনে নিতে পারেন…

    –কী কথা?

    –ঐ ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে আপনি কিসসু করতে পারবেন না। অ্যাসুমিং আমার ফিঙ্গার প্রিন্ট পুলিসের কাছে আছে, অ্যাসুমিং সেই টিপছাপের সঙ্গে সোন্ধীর বাড়িতে ওরা যে টিপছাপ পেয়েছে তা মিলে গেল। তাহলে কী হবে?

    –তুমিই বল?

    –মাকড় মারলে যা হয় : ধোকড়! খুঁটির জোরে ম্যাড়া লড়ে শোনিননি? কোন শালা পুলিসের বড়সাহেবের হিম্মৎ হবে না…

    –তাহলে তুমি এত ভয় পাচ্ছ কেন?

    –এটাই আপনার ভুল। ‘ভয়’ আমি আদৌ পাইনি। কিন্তু তাই বলে বেহুদ্দো পঁচিশ হাজার টাকা খোয়াতেও আমি রাজি নই।

    –বুঝলাম! তা এতই যদি বেপরোয়া তাহলে টিপছাপ দিয়ে ব্ল্যাকমেলিঙের টাকা নিতেই বা তোমার আপত্তি কিসের?

    –কিন্ত ঐ টিপছাপ নিয়ে আপনি কী করবেন? পুলিসে যাবেন? আপনার ছাত্র সেই দিল্লীতে-পোস্টেড কল্যাণ সেনগুপ্ত, আই. পি. এস.?

    তালুকদার বুঝতে পারেন লোকটা কতদূর খবর রাখে।

    বলেন, না, মাস্তান। আমি পুলিসে যাব না আদৌ। রসিদটা ব্যাঙ্ক ভল্টে রেখে দেব।

    –বাট হোয়াই? কেন?

    –দেখ মাস্তান, আমি খোলা কথার মানুষ। হ্যাঁ, ভুল আমি একটা করেছি। তোমরা আমাকে বোকা বানিয়েছ। আমার অবশ্য এখনো দৃঢ় বিশ্বাস–সেই মেয়েটি স্বেচ্ছায় আমার সঙ্গে কোনও তঞ্চকতা করেনি। কেন এমন অদ্ভুত ধারণা হয়েছে, ওয়েল, তা আমি তোমাকে বুঝিয়ে বলতে পারব না। ইন ফ্যাক্ট, তুমি যে স্তরের মানুষ, তাতে তোমার পক্ষে ওসব বোঝা সম্ভবপরও নয়। বাদ দাও সেকথা! ‘অ্যাভেইলেবল ডাটা’ অনুসারে আমাকে স্বীকার করতেই হবে যে, মেয়েটি আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছে। তোমাকে ব্ল্যাকমেলিঙের সুযোগ করে দিতে। স্বীকার করতেই হবে, তোমরা আমাকে বোকা বানিয়েছ। ওয়েল, তার মূল্য আমি দেব। কড়ায় গণ্ডায়। যা তুমি চেয়েছ-গোনাগুন্তি পঁচিশ হাজারই। কিন্তু দুবার নয়। একবার! আমার মৃত্যুবাণ যেমন তোমার কাছে থাকবে, তেমনি তোমার মৃতুবাণও থাকবে আমার কাছে। দু-পক্ষের আর্সেনেলে হাইড্রোজেন বোমা থাকলে, কোন পক্ষই সেটা ফাটাতে পারে না। ফলো?

    –আজ্ঞে না। যতক্ষণ না আমি মেনে নিতে পারছি যে, ঐ টিপছাপ দেওয়া রসিদটা আমার কোন ক্ষতি করতে পারবে।

    –তাহলে তা দিতেই বা তোমার এত আপত্তি কেন?

    –যেহেতু এটা একটা অ্যাবসার্ড প্রপোজিশান! পৃথিবীর ইতিহাসে কেউ কোনদিন রসিদ দিয়ে ব্ল্যাকমানি নেয়নি।

    –তার কারণটা কী তা জান?

    –না। আপনিই বলুন?

    –অলরাইট! কারণটা আমিই বলছি। কেন তুমি ভয় পাচ্ছ টিপছাপ দিতে।

    –ভয় আমি পাচ্ছি না।

    –পাচ্ছ! আলবৎ পাচ্ছ! একশবার পাচ্ছ! কেন পাচ্ছ, তা তুমিও জান, আমিও জানি।

    –কী,বলুন?

    –তুমি জান, ভারতবর্ষে আজ যারা ক্ষমতার চূড়ায় কাল তারা অপজিশন বেঞ্চে গিয়ে বসতে পারে। আজ যাদের প্রভাবে তুমি হাতে মাথা কাটছ তারাই তখন পথে পথে মিছিল করে ঘুরে মরতে পারে : আমাদের দাবী মানতে হবে। সেই দুর্দিনে ঐ টিপছাপ, ঐ রসিদ তোমার কাছে হাইড্রোজেন বোমারই সামিল! তাই না তোমার এত আপত্তি? কী? মাস্তান-সাহেব?

    ওপক্ষ তবু জবাব দিল না।

    –হ্যালো, মাস্তান? তুমি লাইনে আছ?

    –আছি স্যার! আপনি একটি পাক্কা হারামজাদা ব্যক্তি আছেন! অলরাইট, ঐ শর্তেই আমি টাকাটা নেব।

    –রসিদ দিয়ে? টিপছাপ দিয়ে?

    –উপায় কি? টাকাটার বড় জরুরি দরকার। আই এগ্রি! কোনপক্ষই বোমা ফাটাতে পারবে না কোনদিনই। আজকে যারা পার্টি-ইন-পাওয়ার তারা অপজিশানে গেলেও আপনি ঐ রসিদটা দাখিল করতে পারবেন না। কারণ তাহলে ঐ ফটোগুলোও আমি দাখিল করব। ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাস যেদিকেই মোড় নিক আপনাকে ইজ্জত বাঁচাতে হবেই।

    –তাহলে টিপছাপ দিয়ে টাকাটা নেবে?

    –বলছি তো তাই নেব।

    –কিন্তু ঐ মেয়েটারও টিপছাপ যে আমার চাই?

    –দ্যাটস্ ইম্পসিবল। বিশ্বাস করুন, ও এখানে নেই।

    –অলরাইট। কোথায় কীভাবে টাকাটা তোমাকে দেব তা এবার বল। সাতটা দিন সময় আমাকে দাও। টাকাটা জোগাড় করতে, আর দশ-বিশটাকার খুচরো নোটে তা ভাঙাতে। আজ রবিবার। আগামী রবিবার টাকাটা তোমাকে আমি দেব। বল, কখন কোথায়?

    –রবিবার দেবেন? ওয়েল, তাহলে শনিবার বলব, এই সময়ই।

    –আজ বলতে পার না?

    –ছেলেমানুষী করবেন না, স্যার!

    লাইন কেটে দিল লো্কটা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল
    Next Article আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    Related Articles

    নারায়ণ সান্যাল

    অলকনন্দা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    আবার যদি ইচ্ছা কর – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    বিশ্বাসঘাতক – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    সোনার কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    মাছের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    নারায়ণ সান্যাল

    পথের কাঁটা – নারায়ণ সান্যাল

    September 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }