Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আয়নামহল – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প203 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আয়নামহল – ১০

    দশ

    দুপুর যখন বিকেলটাকে ছোঁয়, দক্ষিণের জানলাটায় এসে বসে দিব্যজ্যোতি। বেতের আরামকেদারা এখানেই রাখা থাকে আজকাল। প্রাচীন দীর্ঘ বাতায়নে, মোটা মোটা লোহার শিকের ওপারে, তেমন বিশেষ কিছু দৃশ্যমান নয়। খানিকটা গলি, ঘরবাড়ির টুকরো-টাকরা অংশ, আর গলিশেষে বড় রাস্তার একটা কুচি চোখে পড়ে মাত্র। ওই কুচিটুকুতে হঠাৎ হঠাৎ চলমান গাড়ির ঝলক। কখনও সাদা, কখনও লাল, নীল কিংবা হলুদ। সুঁই-সাঁই চলে যায় তারা, দর্শনেন্দ্রিয়কে ঝাঁকি দেয় ঘনঘন। হর্নের উৎকট আওয়াজ উড়ে আসে, শব্দের রেশ রয়ে যায় কানে। নজরে পড়ে মানুষও। নারী-পুরুষ-বালক-বালিকা…। প্যান্ট-ধুতি-শাড়ি- সালোয়ার কামিজ-স্কুল ইউনিফর্ম… রঙিন ছাতা, কালো ছাতা, ছাতাবিহীন…। মানুষজনকে একটু যেন খাটো দেখায় দোতলা থেকে হাঁটাচলাতেও তাদের কেমন পুতুল পুতুল ভাব। সামনের সরু গলি, বাড়ি ঘরের ভগ্নাংশ, চকিত মানুষ, ঝটিতি যানবাহন, সব মিলিয়ে একটা ছবি তৈরি হয় দৃশ্যপটে। সেই ছবিটাই কি দেখে দিব্যজ্যোতি? হয়তো বা!

    গলির মোড়ে আজ এক লুঙ্গি-গেঞ্জি পরা মোটামতন লোক কার সঙ্গে যেন ঝগড়া করছে। পাড়ার কেউ কি? দিব্যজ্যোতি দূর থেকে ঠিক ঠাহর করতে পারছিল না। তবে আঙুল নেড়ে নেড়ে লোকটার শাসানোর ভঙ্গি ভারী মজাদার লাগছে এখান থেকে। যাকে শাসাচ্ছে তাকে দেখা যায় না, মনে হয় লোকটা যেন কোনও অদৃশ্য প্রতিপক্ষের উদ্দেশে একা একাই তর্জনী নাচাচ্ছে! দৃশ্যটার যেন একটা মানে আছে! আবার নেইও। ঝুঁকে, গরাদে কপাল ঠেকিয়ে, অন্য লোকটিকে খোঁজার চেষ্টা করল দিব্যজ্যোতি। মুখভঙ্গি করে বলল, দেখি ব্যাটা কোথায় তুই! মুখ দেখা!

    গোবিন্দ কখন পিছনে চা নিয়ে এসে দাঁড়িয়েছিল। মীরার নতুন পরিচারক, দিন পনেরো হল কাজে ঢুকেছে। বছর ষোলোর ছেলেটা ঘাড় উঁচিয়ে জিজ্ঞেস করল, কার সঙ্গে কথা বলছ, মামা?

    জবাব না-দিয়ে দিব্যজ্যোতি আরও দু’-চার সেকেন্ড খুঁজল লোকটাকে। তারপর আরামকেদারায় শরীর মেলে দিয়ে বলল, ধুস্।

    গোবিন্দ পিটপিট তাকাচ্ছে। ঘাড় ঘুরিয়ে একবার গলিটাকে দেখল, একবার দিব্যজ্যোতিকে।

    রগুড়ে গলায় দিব্যজ্যোতি বলল, ব্যাটা ভগবান দেখা দিল না, বুঝলি। … কাপটা রাখ, চা-ই খাই।

    হতবাক গোবিন্দ কাপ প্লেট রাখল আরামকেদারার হাতলে। পা টিপে টিপে চলে যাচ্ছে। তার যাওয়ার ভঙ্গিটা দেখে হো হো হেসে উঠল দিব্যজ্যোতি। হাসতে হাসতেই বলল, সুখেনটা কী করছে রে? তাকে একবার পাঠিয়ে দে তো।

    তলব পেয়ে সুখেন প্রায় সঙ্গে সঙ্গে হাজির। পাশে দাঁড়িয়ে হাত কচলাচ্ছে। তাকে আলগা নিরীক্ষণ করে দিব্যজ্যোতি বলল, পড়ে পড়ে ঘুমোচ্ছিলি বুঝি?

    না তো। দিদার সঙ্গে কথা বলছিলাম।

    তোর দিদা আজ বেরোবে না বিকেলে?

    বোধহয় বেরোবে। শাড়ি বের করছিল।

    অ।… তুই মাল ডেলিভারি করে কখন ফিরলি?

    দেড়টা। … না না, দুটো।

    আমার কাছে এলি না তো!

    আপনি তখন বিশ্রাম নিচ্ছিলেন…

    হুম।… মিসেস সিংহানিয়ার সঙ্গে দেখা হল?

    হ্যাঁ।

    ম্যাডামের একটা কমপ্লেন আছে। কী?

    বলছিলেন, ডিজাইন নাকি একঘেয়ে হয়ে যাচ্ছে।

    হুম। কথাটা আমিও ভাবছিলাম। যাই সুবর্ণলতায়, তারপর দেখি কী করা যায়।… এক কাজ করিস। ডিজাইনের যে হ্যান্ডবুকটা তৈরি করেছিলাম, সেটা সামনের বার নিয়ে আসিস। ভুলবি না। আমার দাবার বোর্ডটা আনতে বলেছিলাম…

    এনেছি। দিদার কাছে আছে।

    বিছানার পাশের টেবিলটায় রেখে যাস। … খাটের ওপর থেকে রবারের বলটা দে তো।

    ঝটিতি রবারের বলখানা এনে দিয়েছে সুখেন। ডান হাতের মুঠোয় বলটা নিয়ে দিব্যজ্যোতি চাপছে, ছাড়ছে। ব্যায়ামটায় ভারী উপকার হয়। ফিজিওথেরাপিস্ট বলেছে, যত বেশি ব্যায়ামটা করবে, তত ভাল ফল হবে। হচ্ছেও। ডান হাতের আঙুলগুলো দিব্যি নড়াচড়া করছে এখন

    প্রক্রিয়াটা চালাতে চালাতে দিব্যজ্যোতি বলল, পেমেন্টের ব্যাপারে মিসেস সিংহানিয়া কিছু বলল?

    একটা চেক দিয়েছে। দশ হাজার টাকার।

    মাত্র দশ? ওর কাছে তো অনেক টাকা পড়ে। লাস্ট কনসাইনমেন্টে বত্রিশ হাজার টাকার মাল নিল, কুড়ি হাজার ঠেকাল। এ তো হু হু করে জমে যাচ্ছে! তুই কিছু বললি না?

    বলেছি। আবার সামনের সপ্তাহে দেবে বলেছে।

    এবার ফোনে খিস্তি মারতে হবে। দিব্যজ্যোতি ঝেঁঝে উঠল, শালী আমার দাড়ি উপড়ে বোস্টন-নিউ ইয়র্কে ব্যাবসা করবে…! বিছানায় পড়ে গেছি বলে খুব অফচান্স নিচ্ছে!

    আমরা সরাসরি বিদেশে মাল পাঠাতে পারি না, মামাবাবু?

    ওরকমই কিছু একটা ভাবতে হবে এবার। দালালই যদি পয়সা খেয়ে নেয়, সুবর্ণলতার লাভ কোথায়?… যাক গে, তোদের টাকা-পয়সা কী লাগবে, একটা এস্টিমেট করে এনেছিস?

    সমরবাবু বানিয়ে দিয়েছে। কাগজটা নিয়ে আসব?

    হুঁ।

    সুখেন বেরিয়ে যেতেই দিব্যজ্যোতি ইজিচেয়ারের মোটা হাতল দুটোয় ভর দিয়ে উঠে দাঁড়াল। তার ডান অঙ্গে সাড় অনেকটাই ফিরেছে এখন, একা একাই চরে বেড়াতে পারে ঘরময়। তবে লাঠিটা এখনও লাগছে। গত সপ্তাহ থেকে সেবিকাদের ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়েছে, রাতবিরেতে বাথরুমে যেতেও তার খুব একটা অসুবিধে নেই। তবে মীরার নির্দেশে গোবিন্দ এ-ঘরেই শোয়। যদিও বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া ছেলেটাকে ডাকাডাকি করে না দিব্যজ্যোতি।

    লাঠি ঠুকে ঠুকে দিব্যজ্যোতি বিছানায় গিয়ে বসল। কাগজ নিয়ে ফিরেছে সুখেন, নাকের ডগায় সরু চালশে-চশমা এঁটে হিসেবটা দেখছে মন দিয়ে। চোখ বুজে কী যেন বিড়বিড় করল, ফের নজর কাগজে। দেখা শেষ করে কাগজখানা ভাঁজ করল দিব্যজ্যোতি। সুখেনকে বাড়িয়ে দিয়ে বলল, আমার কম্পিউটার-টেবিলটার ড্রয়ারে রাখ এটা। আর দ্যাখ, ওই ড্রয়ারেই চেকবই আছে, নিয়ে আয়। কলমটাও।

    আজ্ঞা পালন করতে পুবের বন্ধ জানলাটায় গিয়েছিল সুখেন, সেখান থেকেই বলে উঠেছে, আজ কি ঘরে ঝাঁট পড়েনি মামাবাবু?

    কেন, কী হল?

    জানলার নীচে এত কাঠি পড়ে…!

    দিব্যজ্যোতি হেসে ফেলল, ও আমার চড়ুইদের কীর্তি। দুপুরে বোধহয় ঘুলঘুলি থেকে ফেলেছে।

    চড়ুই বড় ঘর নোংরা করে। বাসাটা ভেঙে দেব?

    থাক। উৎসাহী সুখেনকে নিরস্ত করল দিব্যজ্যোতি, বেচারাদের বেঘর করার পাপটা নয় নাই করলাম। গেলে আপনিই চলে যাবে। মনে হচ্ছে চড়ুইগিন্নি ডিম পেড়েছে। বাচ্চাটাচ্চা ফুটুক।… আমার রাইটিং প্যাডটাও আনিস তো।

    ড্রয়ার ঘেঁটে প্যাড চেকবই বার করে বিছানায় এনে রাখল সুখেন। গদগদ স্বরে বলল, আমাদের ওখানেও বাবুই এখন বাসা বাঁধছে।

    সাইডটেবিল থেকে একটা মোটা বই টানল দিব্যজ্যোতি। রাইটিংপ্যাড তার ওপর রেখে খুশি খুশি মুখে বলল, গুড নিউজ। কোন গাছে?

    পশ্চিম কোণের বেঁটে তালগাছটায়। একসঙ্গে ছ’-সাতটা বাসা।

    মেয়ে বাবুইরা খুব ঘুরঘুর করছে তো বাসার কাছে?

    সুখেনের কথাটা ঠিক বোধগম্য হল না। জিজ্ঞাসু চোখে তাকিয়েছে।

    দিব্যজ্যোতি বলল, মাথায় ঢুকল না তো?… ছেলে বাবুইরাই তো বাসা বাঁধে রে। আই মিন, বোনে। তাল, নারকোল … তারপর ধর গিয়ে তোর সুপুরিগাছের কচি কচি পাতার যে লম্বা লম্বা আঁশ থাকে, সেগুলোকে ঠোঁট দিয়ে বুনে বুনে, এক একজন এক একটা বাসা বানায়। পুরোটা কমপ্লিট করে না, তার আগেই মেয়ে বাবুইদের ডাকাডাকি শুরু করে দেয়। এসো এসো, আমার কেরামতি দেখে যাও! ম্যাডামরা এসে তখন খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে বাসাগুলোকে পরখ করেন। কোনটা কত টেকসই, কে কত সুন্দর বুনেছে, কার ছাউনি কতটা পোক্ত… যার বাসা মনোমত হবে, ম্যাডাম তার সঙ্গেই জোড় বাঁধবেন। তার পরে বাবুইমশাই ফিনিশিং টাচ দেবে বাসায়। এটাই ওদের কাস্টম।

    সুখেন মাথা দুলিয়ে বলল, বাহ্, ভাল রীতি তো! প্রায় মানুষের মতোই। আমাদেরও তো ঘরটর দেখেই ছেলে পছন্দ করা হয়।

    অন্যভাবেও তো হয়, সুখেনবাবু! দিব্যজ্যোতি চোখ মটকাল, তোর ঘরদোর কিছু ছিল? আমার দৌলতে দিব্যি তো ফোকটে একটা বউ পেয়ে গেলি!

    বোকা বোকা মুখে হাসছে সুখেন। দিব্যজ্যোতি ঘাড় নামিয়ে কাগজে সই মকশো করা শুরু করল। হাত এখনও কাঁপে, তবে হচ্ছে মোটামুটি। ব্যাঙ্ক ম্যানেজার বলেছে, একটু-আধটু ফারাক থাকলেও চেক পাস করে দেবে। প্র্যাক্টিস সেরে চেকবই খুলল। সন্তর্পণে লিখতে লিখতে বলল, ইস, বাবুইপাখির বাসাটা আমার দেখা হল না! আই রিয়েলি লাইক ইট। কী নিপুণ শিল্পকর্ম, আহা।

    একটা বাসা তো পেয়েছিলাম। আস্ত। গত রোববার ওখানে কালবোশেখি হল, ঝড়ে পড়ে গিয়েছিল। তুলে রেখেছিলাম ঘরে, ভেবেছিলাম আপনাকে এনে দেখাব… আপনার ভাগনির জন্য হল না। পরদিনই দেখি ছিঁড়েখুঁড়ে ফেলে দিয়েছে।

    সে কী রে! দিব্যজ্যোতির হাত থামল, বাসাটাকে নষ্ট করে দিল?

    আজকাল কল্পনার রাগ খুব বেড়েছে, মামাবাবু। আমাকে তো সারাক্ষণ গুয়ে বসাচ্ছে, তাই নিয়ে আমি কিছু মনে করি না। তা আমি নয় তার স্বভাবটা জানি, কিন্তু আর পাঁচজন? যা নয় তাই বলছে। মেয়েগুলোকে উঠতে-বসতে দাবড়ানি। সমরবাবুর সঙ্গেও কেমন চোখ পাকিয়ে পাকিয়ে কথা বলে। আর কচিকাচাগুলোর সঙ্গে যে কী ব্যবহারটা করে।… এই তো, রোববারই, ঝড়ে কিছু আম পড়েছিল, গাঁয়ের বাচ্চারা চাট্টি কুড়োতে এসেছে, তাদের বাপ-মা তুলে কী খিস্তি! বাচ্চাদের ওপর ওর যেন জাতরাগ।

    দিব্যজ্যোতি সাবধানে চেকটা ছিঁড়ল, হয়তো নিজের বাচ্চাকাচ্চা হচ্ছে না, তাই।

    সুখেন ঘাড় নিচু করে বলল, কতবার তো বলছি, ডাক্তারের কাছে চলো, দু’জনেই পরীক্ষা করিয়ে আসি। কিছুতেই যেতে চায় না। উলটে আমায় গাল পাড়ে।

    দিব্যজ্যোতি হাসতে হাসতে বলল, কী বলে তোকে? ঢ্যামনা?

    সুখেনের ঘাড় আরও ঝুলে গেল।

    মুখ তোল। দিব্যজ্যোতি চেকটা এগিয়ে দিল, কাল সকালে চেকটা ভাঙিয়ে নিয়ে যাস।… এবার আমটাম কেমন হয়েছে রে?

    সুখেনের গলা দিয়ে ক্ষীণ আওয়াজ বেরোল, ভাল।

    আশা করছি, বৈশাখে সুবর্ণলতায় যেতে পারব। তদ্দিনে হিমসাগরে পাক ধরে যাবে, কী বল?

    সামনের মাসে পারবেন, মামাবাবু?

    দেখে কী মনে হচ্ছে, অ্যাঁ? ডান হাতখানা মন্থর গতিতে তুলতে শুরু করল দিব্যজ্যোতি। গোটা বাহুটাই কাঁপছে অল্প অল্প। মুখে একটা কষ্ট ফুটে উঠল, তবু থামছে না। হাত মাথার ওপর তুলে হাঁপাতে হাঁপাতে হাসল, কী রে, বল?

    সুখেনের চোখ উজ্জ্বল, এবার সোনামাটি গেলে এক মাস থেকে আসবেন। আমরা আপনার সেবা করব।

    দিব্যজ্যোতি যন্ত্রণাটা মুছে ফেলে হাসিটুকু ধরে রাখল মুখে। বলল, ওপাশের জানলা দুটো খুলে দিয়ে যা তো। ঘরে ভাল করে হাওয়া খেলুক। তোদের দিদার যে কী বন্ধ বন্ধ বাতিক!

    আলো একটু বাড়তেই ঘরটা যেন বদলে গেল সহসা। মায়াবী বিকেল ডানা মেলে দিয়েছে অন্দরে। এবার চৈত্র মাস পড়ার পর বেশ কয়েকটা কালবৈশাখী হয়ে গেছে। কালও একটা ঝড় উঠেছিল সন্ধেবেলা। সঙ্গে জোর এক পশলা বৃষ্টি। তাপ আজ বেশি চড়তে পারেনি, দিনভর হাওয়াও দিচ্ছে খুব। খামখেয়ালি বাতাস। হঠাৎ হঠাৎ বইছে দমকা, থেমে যাচ্ছে পরক্ষণে। আবার উঠছে।

    দিব্যজ্যোতি জানলায় গিয়ে বাতাসটা মাখল খানিকক্ষণ। বেশিক্ষণ দাঁড়াতে পারে না, শরীর কাঁপতে থাকে, আস্তে আস্তে কম্পিউটারের সামনে এসে বসেছে। ড্রয়ার থেকে সুখেনের আনা হিসেবটা বের করে পুরছে কম্পিউটারে, সুবর্ণলতার অ্যাকাউন্টে। কম্পিউটারে সে খুব সড়গড় নয়, দেখে দেখে টিপছে কি-বোর্ড, ঠিক অক্ষর টিপল কি না চোখ তুলে বারবার দেখছে মনিটারে।

    কাজ অর্ধেকও এগোয়নি, পিছনে ফের গোবিন্দ, মামা, একজন

    মেয়েছেলে এসেছে।

    দিব্যজ্যোতি বিরক্ত মুখে তাকাল, মেয়েছেলে?

    গোবিন্দ তাড়াতাড়ি বলল, না না, দিদিমণি।

    দিদিমণি?

    না না, মাসি। আসতে বলব?

    দিব্যজ্যোতি হেসে ফেলল। বেচারা গোবিন্দ এখনও বাবুদের বাড়ির তাল-ছন্দে ঠিক রপ্ত হয়নি। কাকে কী বলতে হয়, কীভাবে বলতে হয়, জ্ঞানটা কম। পরশু না কবে যেন ঝুনি এসেছিল, তাকে কাকিমা বলে ডেকে ফেলে বেচারার কী আতান্তর! কেন কাকিমা মনে হল, কাকাটিকে সে পেল কোত্থেকে… পরের পর প্রশ্ন হেনে চলেছে ঝুনি, আর গোবিন্দ গপগপ ঢোঁক গিলছে। বিজিতদাকেও কাল দাদু বলেছিল না?

    দিব্যজ্যোতির সম্মতির অপেক্ষা না করেই বেরিয়ে গিয়েছিল গোবিন্দ। ফিরেছে যে মেয়েছেলে কাম দিদিমণি কাম মাসিটিকে নিয়ে, তাকে দেখে দিব্যজ্যোতি রীতিমতো চমকিত।

    হৃষ্ট স্বরে বলল, কী ব্যাপার, অ্যাঁ? প্যারিসের পারমিতা পাতকের প্রকোষ্ঠে?

    পারমিতা একটুও হাসল না। জিনস্ টপ পরিহিতা, কোমর অবধি লম্বা চুল, সুগন্ধী মাখা, ফ্যাটফেটে ফরসা পারমিতা কোমরে হাত রেখে স্থির। দুঃখী দুঃখী গলায় জিজ্ঞেস করল, তোমার এ কী হল, দিব্য?

    এক কালের ছাত্রী পারমিতার নাম ধরে ডাকা দিব্যজ্যোতির কানসওয়া। বছর আষ্টেক আগে প্যারিসে তারা একত্রে বাস করেছিল মাসখানেক, তখন থেকেই।

    দিব্যজ্যোতি বাঁ হাতে চেয়ারটাকে সামান্য ঘোরাল। সপ্রতিভ গলায় বলল, মৃত্যুকে ছুঁয়ে দেখার সাধ হয়েছিল। ফেল করে গেলাম।

    ডোন্ট টক শিট্। এখন আছ কেমন?

    নেচে দেখাতে পারব না। তবে জাস্ট ফাইন। দাঁড়িয়ে কেন, বসো।

    ওপাশের চেয়ার টেনে বসেছে পারমিতা। কেমন যেন অদ্ভুত চোখে দেখছে দিব্যজ্যোতিকে। মুগ্ধতা নয়, বিস্ময় নয়, প্রেম নয়, বিষাদও নয়, তবু সবই যেন ওই দৃষ্টিতে আছে। মিলেমিশে।

    দিব্যজ্যোতি ভুরু নাচাল, খবর পেলে কোত্থেকে? কলেজের কেউ…?

    সবে তো দেশে এলাম। এখনও কারও সঙ্গে যোগাযোগই হয়নি। পারমিতার ঠোঁটে ছোট্ট একটা হাসি দেখা দিল, কাল সন্ধেবেলা গড়িয়াহাটে হঠাৎ তোমার এক্স ওয়াইফের মুখোমুখি। আমাকে প্রথমটা রেকগনাইজ করতে চায়নি, আমিই আগ বাড়িয়ে কথা বললাম। জাস্ট হাই হ্যালো করতে গিয়েছিলাম, তখনই দুম করে তোমার অসুস্থতার কথাটা বলল। শুনেই মনটা এত খারাপ হয়ে গেল!

    দিব্যজ্যোতি মৃদু হাসল, মাঝে মাঝে মন খারাপ হওয়া ভাল। ওতে মনের একটা এক্সারসাইজ হয়।

    উফ্, তোমার ওয়ে অফ টকিং একই রকম রয়ে গেল।

    আনরোম্যান্টিক?

    না। সিউডো রোম্যান্টিক।

    গ্রেট কমপ্লিমেন্ট। আমার কোনও প্রেমিকাই আমাকে এই আখ্যা দেয়নি। দিব্যজ্যোতি শব্দ করে হেসে উঠল। হঠাৎই হাসি থামিয়ে বলল, অ্যাজ এ হোস্ট জিজ্ঞেস করছি, চা খাবে? কফি? অর এনি আদার ড্রিঙ্কস?

    আজ নো ফরমালিটি, দিব্য। আমি বসবও না বেশিক্ষণ, তাড়া আছে। আজ শুধু তোমায় দেখতে এসেছি।

    কেমন দেখছ? দিব্যজ্যোতি চেয়ারে টানটান হল।

    সত্যি বলব? কিছু মাইন্ড করবে না?

    তুমি তো জানো আমি সত্যি শুনতেই ভালবাসি। মিথ্যে আমার বরদাস্ত হয় না।

    লাইনারশোভিত চোখের কুচকুচে কালো মণি দুটো কেঁপে উঠল তিরতির। মাথা নেড়ে নেড়ে পারমিতা বলল, ইউ আর লুকিং সিকলি, দিব্য। ওল্ড।

    দিব্যজ্যোতির মুখটা সামান্য শুকনো দেখাল। তবু হাসার চেষ্টা করে বলল, একটা বড় ধাক্কা গেল কাহিল তো লাগবেই। তা ছাড়া বয়সও তো হচ্ছে।

    না না, ঠিক সেরকম নয়। দেখে মনে হচ্ছে, তুমি আর আগের তুমি নেই, অনেকটা নিবে গেছ। পারমিতার গলা নেমে গেল হঠাৎই, প্রায় বিড়বিড় করে বলল, এটা ঠিক এক্সটারনাল সিকনেস নয়, তুমি বোধহয় ভেতরে ভেতরে…

    তোমার কি অন্তর্দৃষ্টি গজিয়েছে নাকি? ফের শব্দ করে হেসে উঠল দিব্যজ্যোতি। বাঁ হাতে মাছি তাড়ানোর ভঙ্গি করে বলল, নো, বকোয়াস, পারমিতা। আমি আগে যা ছিলাম, তার চেয়ে হাজার গুণ ভাল আছি। চাকরি বাকরির ঝুটঝামেলা নেই। প্রাণের খেয়ালে ছবি আঁকছি। মনের চাহিদা মেটাতে মানুষের জন্য কিছু করার চেষ্টা করছি। লাস্ট তোমার সঙ্গে যখন দেখা… আই মিন, লাস্ট আমরা যখন মিট করেছিলাম…

    মিট! ইউ কল ইট মিট? পারমিতা আহত গলায় বলল, সিম্পলি মিট?

    ও কে। সেকেন্ড টাইম প্যারিস গিয়ে আমি যখন তোমার সঙ্গে ছিলাম…

    এত অবলীলায় তুমি কথাটা বলে দিলে? তোমার গলা কাঁপল না?

    আমি ম্যাটার অফ ফ্যাক্ট মানুষ, পারমিতা। ওয়ার্ল্ড ট্যুর করতে গিয়ে তোমার সঙ্গে প্যারিসে দেখা হল, আমরা কয়েকটা দিন এক সঙ্গে রইলাম…

    শুধু থাকা?

    ওয়েল… ক্লোজ হয়ে ছিলাম। আমাদের দু’জনেরই সেই সময়টা খুব সুন্দর কেটেছে। আমার অ্যালবামে সেই সময়কার কয়েকটা ছবিও আছে, মাঝে মাঝে ছবিগুলো দেখতে আমার ভালও লাগে… তোমার নিশ্চয়ই মনে আছে, সেই সময়ে আমি বলেছিলাম দেশে ফিরে গিয়ে এবার একটা বড় কাজে হাত দেব?

    হ্যাঁ, ওরকমই একটা বাহানা দিয়েছিলে বটে। এতক্ষণ পর পারমিতার স্বরে একটু যেন ব্যঙ্গ, কী একটা ওয়ার্ড যেন খুব ইউজ করতে? ও হ্যাঁ, মনে পড়েছে। আত্মরতি। বলতে, শুধু আত্মরতিতে জীবনটা অপব্যয় করা কোনও কাজের কথা নয়। বেঁচে থাকতে গেলে লাইফের একটা মিশন চাই।

    এখনও বলি। এবং জেনে রাখো, সেই মিশনটা আমি খুঁজেও পেয়েছি। এত বছর পর পোড়া দেশটায় এলে, নিশ্চয়ই কিছুদিন থাকবে… একবার গিয়ে দেখে এসো আমি কী গড়েছি। সুবর্ণলতা। আমার ড্রিম প্রোজেক্ট। আমাদের ট্র্যাডিশনাল আর্টকে প্রোমোট করছি। গ্রামের দরিদ্রতম মেয়েদের কিছু উপার্জন করার একটা রাস্তা খুলে দিয়েছি। এখনও পুরো হয়নি, অনেকটাই বাকি। স্টিল, গিয়ে দেখলে বুঝবে, দিব্যজ্যোতি সিংহ জীবনটাকে কত বড় করে ভাবতে পারে। দিব্যজ্যোতি একগাল হাসল, অ্যান্ড ফর দ্যাট ম্যাটার… সব কিছু মিলিয়ে এত ব্যস্ত থাকি, যে আমার খারাপ থাকার কোনও সুযোগই নেই।

    আমি তোমার প্রতিষ্ঠানটার খবর শুনেছি। প্যারিসে থাকলেও এখানকার সঙ্গে আমার টাচ তো আছে। পারমিতা চোখ তেরচা করল, ব্যস্ত থাকো জানি। ইনভলভড্ থাকো কি?

    থাকি না? এত সময় ডিভোট করছি… আমার জীবনের সঙ্গে জুড়ে গেছে…

    সে তো তোমার এক্স ওয়াইফও তোমার সঙ্গে জুড়ে ছিল। কম দিন নয়, প্রোব্যাবলি দশ-এগারো বছর। আমার সঙ্গেও তো তুমি অন্তত চারটে উইক…। জানি না আর কারও সঙ্গেও এরকম হয়েছে কি না…! এ-সবের মধ্যে কোথাও কি তোমার কখনও ইনভলভমেন্ট ছিল? হয়েছে কখনও? আমার তো ধারণা, তুমি কোনও কিছুর সঙ্গেই জড়িয়ে থাকার মানুষ নও। তোমার সেই ক্ষমতাই নেই।

    দিব্যজ্যোতি স্থির চোখে পারমিতাকে দেখল একটুক্ষণ। তারপর অট্টহাসিতে ফেটে পড়েছে, জীবনটাকে এত ছোট অ্যাঙ্গেল থেকে দ্যাখো কেন, অ্যাঁ? যে-কোনও সম্পর্ক… এনি ড্যাম রিলেশনশিপ… জীবনের একটা পার্ট মাত্র। গোটা জীবন নয়। আর বেঁচে থাকাটাই তো জীবনের সবচেয়ে বড় ইনভলভমেন্ট। নয় কি? লাইফের প্রত্যেকটা মোমেন্ট ডিফারেন্ট, বেঁচে থাকার ভঙ্গিটাও তাই অলওয়েজ পালটে যায়।

    কথার মাঝেই মীরা ঢুকেছেন ঘরে। পারমিতাকে ঝলক দেখে নিয়ে দিব্যজ্যোতিকে বললেন, তোর কি এখন সুখেনকে দরকার?

    না। কেন?

    আমি একটু সুখেনকে নিয়ে বেরোচ্ছি তা হলে। কয়েকটা জিনিস কিনে ওর হাত দিয়ে পাঠিয়ে দেব।

    তুমি ফিরছ কখন?

    আটটার মধ্যে চলে আসব। তোর কিছু লাগবে?

    একটা ভাল শেভিং ক্রিম…। দিব্যজ্যোতি গালে হাত বোলাল। মুচকি হেসে বলল, এইসব বাচ্চা বাচ্চা মেয়েগুলো এসে বলছে, আমায় নাকি বুড়ো বুড়ো লাগছে! গালটাকে আরও ঝকঝকে করতে হবে। … তুমি ওকে চিনতে পারছ তো? আগে এক-দু’বার এসেছে। পারমিতা। আমার ছাত্রী ছিল।

    মীরা চিনলেন বলে মনে হল না। হেসে বললেন, ও আচ্ছা। … বসো, তোমরা গল্প করো।

    বেরিয়ে গেলেন মীরা। পারমিতাও উসখুস করছে। ঘড়ি দেখে বলল, আজ তা হলে উঠি?

    দাঁড়াও। তোমার খবর তো এখনও জানা হল না। দিব্যজ্যোতি ভুরু নাচাল, আছ কোথায় এখন? প্যারিসেই?

    ওখানেই তো রয়ে গেলাম।

    শুনেছিলাম তুমি বিয়ে করেছ? ফরাসি ছেলেকে?

    হ্যাঁ। পিয়ের। ঊনত্রিশ মাস আগে আমাদের ছাড়াছাড়ি হয়ে গেছে।

    ইজ ইট? তুমি তা হলে এখন সিঙ্গল?

    কিস্যু খবর রাখো না। লাস্ট ইয়ারে আবার বিয়ে করেছি। রিকার্ডোও একজন পেন্টার। স্প্যানিশ। ফার্স্ট ম্যারেজে আমার একটা ইস্যুও আছে। ছেলে। আমাদের সঙ্গেই থাকে।

    প্যারিসেই তা হলে সেট করে গেলে?

    মনে তো হচ্ছে। ফেরা আর হল কই!

    ফিরতে পারোনি বলে আফশোস আছে নাকি?

    না। ইনফ্যাচুয়েশান আমি কাটিয়ে ফেলেছি।

    দ্যাটস দা স্পিরিট। মোহ জাগবে, ঘুচে যাবে, সম্পর্ক গড়বে, ভাঙবে, আবার নতুন করে তৈরি হবে, কিংবা হবে না… জীবন তো এরকমই হওয়া উচিত।

    পারমিতার ঠোঁট সামান্য বেঁকে গেল, নিজেকে দিয়ে অন্যকে অ্যাসেস করো না, দিব্য। কেউ সম্পর্ক ছিঁড়ে গেলে কষ্ট পায়, কেউ সম্পর্ক গড়তেই জানে না।

    উম্‌ম্।… তা দেশের মাটিতে আছ ক’দিন?

    দিন কুড়ি। বাবার শরীরটা খারাপ। বাইপাস হবে, দাদারা ডাকাডাকি করছিল… মা চাইছে আরও কিছুদিন থাকি…. ওদিকে বর-ছেলেও রেখে এসেছি…

    কখন যেন চলে গেছে পারমিতা। দিব্যজ্যোতি আবার ইজিচেয়ারে। বাইরের মেদুর বিকেল ফুরিয়ে সন্ধে এখন। গলির আলো জ্বলেনি আজ, আশপাশের বাড়ির আলো মাখা গলিটাকে কেমন যেন মনমরা দেখায়। বড় রাস্তার টুকরোটায় যথারীতি গাড়ির আনাগোনা। হঠাৎ আলোর ঝলকানি, হঠাৎ ছেঁড়া ছেঁড়া আঁধার।

    দিব্যজ্যোতির হাতে রবারের বল। চাপছে। ছাড়ছে।

    রাত্রে একটা অদ্ভুত স্বপ্ন দেখল দিব্যজ্যোতি। মাঝসমুদ্রে একটা পুরনো মানোয়ারি জাহাজ। গাদাবোট টেনে নিয়ে যাচ্ছে জাহাজটাকে। অদূরে দেখা যায় বন্দর। প্রকাণ্ড জাহাজখানা চলেছে বন্দরে। পশ্চিমের আকাশে সূর্যাস্ত হচ্ছে তখন। সমুদ্রের বুকে জাফরানি আর সোনালি হলুদ ঝিকমিক করে উঠল।

    দা ফাইটিং টেমেরেয়ার!

    টার্নারের পেন্টিংটা কেন যে এল দিব্যজ্যোতির স্বপ্নে!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমার এখন সময় নেই – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article মিতিনমাসি সমগ্র ২ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }