Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আয়নামহল – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য এক পাতা গল্প203 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আয়নামহল – ২

    দুই

    কী হল পৃথাদি, দৌড়োচ্ছ কেন? মুখেচোখে একটু জলও তো ছেটালে না!

    সময় নেই রে। আমার ময়নারানি আজ ডুব মেরেছেন। টুকুসের স্কুল বাস চলে এলে কেলেঙ্কারি হবে।

    ক’টায় আসে বাস?

    সাড়ে চারটে… চারটে পঁয়ত্রিশ…। কবজিতে চোখ ফেলে পৃথা ফের ছটফট করে উঠল, লাস্ট বেলটা যে কেন আজ দেরিতে পড়ল!

    বলতে বলতে পৃথা ঝড়ের গতিতে স্টাফরুমের বাইরে। প্রায় লাফাতে লাফাতে রাস্তায়। উফ্, শুক্রবারের সেভেনথ পিরিয়ডটা যেন এক বিভীষিকা। টিফিনের আগে পরপর তিনটে ক্লাস, টিফিনের পর আবার তিনটে, শেষ পিরিয়ডে আর শরীর চলে? তাও বাংলা-ইংরেজি- ইতিহাস-ভূগোল হলে একটা কথা ছিল। চেয়ারে বসে খানিক বকবক করে চল্লিশটা মিনিট তবু কাটিয়ে দেওয়া যায়। কিন্তু অঙ্ক বড় কঠিন ঠাঁই। সেই চক হাতে উঠে দাঁড়াতেই হবে, দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে বকবক করতেই হবে, সঙ্গে গলার অনন্ত ব্যায়াম। নতুন হেডমিস্ট্রেসের আক্কেলেরও বলিহারি, পৃথার এই শেষ ক্লাসটা এবার বেছে বেছে কিনা ইলেভেনকেই দিতে হল? ধাড়ি ধাড়ি মেয়েগুলো পর্যন্ত এই শেষবেলায় ক্লান্তিতে ঢুলতে থাকে, গজাল মেরে মেরে তাদের মাথায় এখন বাইনোমিয়াল থিয়োরেম ঢোকানো যে কী পরিশ্রমের কাজ! নাহ্, অমিতাদির প্র্যাকটিকাল সেন্স একেবারে জিরো।

    সরু গলি পেরিয়ে, স্টেট ব্যাঙ্কটা টপকে, পৃথা হাঁপাতে হাঁপাতে বাস স্টপে এল। কপাল ভাল, দাঁড়াতে না-দাঁড়াতেই আজ সন্তোষপুর মিনি। যথারীতি বসার জায়গা নেই, দাঁড়িয়েছে ড্রাইভারের পিছনটায়। ঘড়ি দেখে এবার স্বস্তি পেল একটু। চারটে চোদ্দো। যাদবপুর মোড়ে জ্যামে না-আটকালে মনে হয় ঠিকঠাক পৌঁছে যাবে।

    ব্যাগ খুলে একটা পাঁচ টাকার নোট বার করল পৃথা। রুমালটাও। কনডাক্টরকে টাকাটা এগিয়ে দিয়ে রুমালে মুখ মুছছে। ফাল্গুনের গোড়াতেই বেশ গরম পড়ে গেল, বৈশাখ জ্যৈষ্ঠ ঝলসাবে নির্ঘাত। কণাদ বলছিল, এবার শোওয়ার ঘরে একটা এ.সি লাগাবে। কিনে ফেলতে পারলে মন্দ হয় না। জীবনে অনেক সুখই তো পেল পৃথা, এখন নয় একটু আরাম করুক!

    মিনিবাস থেমে থেমে এগোচ্ছে। যাদবপুর থানা পেরোল। চারটে বাইশ। পৃথার টেনশনটা ফিরছিল আবার। টুকুসদের স্কুল বাস দু’-চার মিনিট দেরিও তো করতে পারে। করেও তো। পরশুই তো প্রায় পৌনে পাঁচটায় এল। আজ যদি তাড়াতাড়ি নামিয়েও দিয়ে যায়… একদিন কি আর টুকুস একা একা ফিরতে পারবে না? গেছেও তো দু’-চারবার। ময়নার কামাই তো আর নতুন কিছু নয়। তবু… ভয় লাগে পৃথার। যা রিকশা চলে রাস্তায়, আর টুকুসটাও যা ভেবলুর মতো হাঁ করে হাঁটে! কিছু একটা দেখল, তো ওমনি দাঁড়িয়ে গেল! গাড়ি রিকশা কিছুই তো বাবু খেয়াল করে না।… মেন রোডের ওপর ফ্ল্যাট কিনলে কি ভাল হত? স্কুল বাস নামিয়ে দিত দরজায়!… ধ্যাত, বড় রাস্তা মানে তো আরও বেশি বিপন্নতা। হুট করে বাইরে বেরিয়ে গেলেই সামনে বাস লরি ট্যাক্সি অটো…! তার চেয়ে বাবা এটাই ঠিক আছে। মিনিট পাঁচ-সাত হাঁটতে হয় বটে, কিন্তু হট্টগোল নেই, ঝামেলা নেই, পাড়াটাও বেশ নিরিবিলি …

    ব্যাগে কি মোবাইল বাজছে? পৃথা সচকিত হল। হ্যাঁ, তারই তো সুরঝংকার। স্কুল থেকে বেরোনোর সময়ে কি অন করেছিল ফোনটা? নাকি টিফিনে কণাদের সঙ্গে কথা বলার পর আর অফ করা হয়নি?

    ব্যাগ খুলে খুদে দূরভাষ যন্ত্রটিকে হাতে নিল পৃথা। ঝলক দেখল নাম্বারটা। ল্যান্ডলাইন। অচেনা। কে?

    পৃথা কানে ফোন চাপল, হ্যালো?

    ওপারে এক মহিলাকণ্ঠ। কিন্তু শোনা যাচ্ছে না স্পষ্ট। শব্দগুলো কেটে কেটে যাচ্ছে। বার কয়েক হ্যালো হ্যালো করে পৃথা হাল ছেড়ে দিল। সামান্য গলা উঠিয়ে বলল, আমি বাসে আছি। খুব ডিসটার্বেন্স হচ্ছে, আপনি আধ ঘণ্টা পরে করুন।

    মোবাইল ব্যাগে রাখার আগে আর একবার নম্বরটা পড়ল পৃথা। উঁহু, চেনা নয়। ব্যাঙ্কের ক্রেডিট কার্ডের মেয়েগুলো নয় তো? সারাক্ষণ যারা লোন গছানোর জন্য মুখিয়ে থাকে? নাকি রং নাম্বার?

    সুকান্ত সেতুতে উঠে বাস গতি বাড়িয়েছে। পৃথা সামনের রডটাকে চেপে ধরল শক্ত করে। দুপুর থেকেই কোমরের ব্যাথাটা শুরু হয়েছিল, এখন বাড়ছে ক্রমশ। ঝনঝন করছে। কোমরের আর দোষ কী, সারাদিন খাড়া দাঁড়িয়ে ক্লাস নেওয়া…! বয়সও তো হচ্ছে! নয় নয় করেও চুয়াল্লিশে পৌঁছোল। এইসব ব্যথাট্যাথা উপসর্গগুলো এখন ভোগাতেই থাকবে। স্কুলে শিপ্রাদি সেদিন ক্যালসিয়াম খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছিল। হাড়গোড়গুলো নাকি মজবুত থাকে। তার আগে একবার ডাক্তার দেখিয়ে নিলে হয়। কিন্তু সময় কোথায়? সময় কোথায়? এই তো, দিনভর স্কুল, সংসার, বর, ছেলে… যাকে বলে আকণ্ঠ নিমজ্জিত দশা।

    ছেলের কথা মাথায় ফিরতেই আবার উদবেগ। টুকুস যদি ফ্ল্যাটে পৌঁছেও যায়, ঢুকতে তো পারবে না! বুদ্ধি করে দোতলায় শীলাদের ফ্ল্যাটে চলে যেতে পারে। শীলাকে বলাও আছে। কিন্তু টুকুস কি যাবে? আগের দিন তো সিঁড়িতেই ঘাড় ঝুলিয়ে চুপটি করে বসে ছিল টুকুস। কলিংবেলে হাত যায় না, দরজা ধাক্কা দিয়েছিল, শীলারা নাকি শুনতে পায়নি! বেচারা। কবে যে লম্বা হবে!

    বাস থেকে নেমে অবশ্য ভাবনা উৎকণ্ঠার ত্বরিত অবসান। পৃথা মোড় থেকেই দেখতে পেল টুকুস আগে আগে হাঁটছে। হেলেদুলে। এবং মোটেই রাস্তার মধ্যিখান দিয়ে নয়, মোটামুটি ধার ঘেঁষে।

    বড় বড় পা ফেলে পৃথা ধরল ছেলেকে, কী রে, এই নামলি বুঝি? মাকে দেখে খুশি হল কি টুকুস? বোঝা গেল না। সাড়ে আট বছরের ছেলে বিজ্ঞ বিজ্ঞ ভঙ্গিতে বলল, নাহ্। অনেকক্ষণ।

    অনেকক্ষণ মানে কতক্ষণ?

    হবে ফাইভ মিনিটস।

    পাঁচ মিনিটে মাত্র এইটুকু এলি?

    তুমি তো বলো, রাস্তা দিয়ে ধীরেসুস্থে হাঁটবি!

    ছেলের বাচনভঙ্গিতে এবার হেসে ফেলল পৃথা। তারপর শুরু হয়েছে তার একের পর এক জেরা। টুকুস আজ স্কুলে কী করল, টিফিন ঠিকঠাক খেয়েছে কিনা, কারও সঙ্গে মারপিট করেনি তো, কী কী হোমওয়ার্ক আছে…। টুকুসের এইসব রোজকার খুঁটিনাটি পুঙ্খানুপুঙ্খ না জানলে পৃথার যেন তৃপ্তি হয় না। ছেলে ছেলে করাটা তার প্রায় বাতিকে দাঁড়িয়ে গেছে। একটু বেশি বয়সের সন্তান বলে কি? হবেও বা

    কথায় কথায় বাড়ি এসে গেছে। তিনতলায় উঠে ফ্ল্যাটের দরজা খুলে বেজায় ব্যস্ত হয়ে পড়ল পৃথা। ছেলেকে ইউনিফর্ম ছাড়াল, ঘষামাজা করল, নিজেও মুখ হাত ধুয়ে তরতাজা হয়ে নিল খানিকটা। তারপর ঢুকেছে রান্নাঘরে। নুডলস সেদ্ধ বসিয়ে ফ্রিজ খুলে দুধ বার করছে। এই এক ঝঞ্ঝাট, টুকুসকে দুধ খাওয়াতে এখন প্রাণ বেরোবে। ভাবতে ভাবতে রাতের রান্নাটাও ছকে ফেলল মনে মনে। ডিমের ডালনা তো করাই আছে, সঙ্গে ডাল আর একটা ভাজা করে নিলেই যথেষ্ট। কণাদের খাওয়ার কোনও প্যাখনা নেই, যা থাকে তাই সোনামুখ করে খেয়ে নেয়।

    আবার মোবাইলে ঝংকার। ড্রয়িং-ডাইনিং স্পেসে। গ্যাসের আঁচ কমিয়ে পৃথা এগোচ্ছিল, তার আগেই টুকুস তুলে নিয়ে টিপেছে বোতাম। একটা দুটো কথা বলে পৃথাকে দিয়ে গেল ফোন, একটা দিদা।

    কে দিদা? কোন দিদা?

    জানি না। নাম বলেনি।

    গ্লাসে টুকুসের দুধ ঢালতে ঢালতে বাক্যালাপ শুরু করেছিল পৃথা, ওপারের মহিলাটির পরিচয় জানামাত্র প্রবল ঝাঁকুনি খেয়ে গেছে।

    দিব্যর মা!

    গলা কাঁপছে দিব্যর মা’র, তোমাকে আমি খানিক আগেও একবার ফোন করেছিলাম।

    কী করে যে স্বর স্বাভাবিক রাখল, পৃথা নিজেও জানে না। রাগ বিস্ময় বিরক্তি, কিছুই না-ফুটিয়ে বলল, হ্যাঁ, আমি তখন স্কুল থেকে ফিরছিলাম।… কেমন আছেন?

    ওই একরকম। এই বয়সে আর থাকা না-থাকা। তুমি কেমন আছ?

    ভাল। বলেই পৃথার মুহূর্তের জন্য মনে হল, দিব্যর মা’র কুশলপ্রশ্নটা একেবারেই অর্থহীন। নিশ্চয়ই উনি আশা করেননি, তাঁর প্রাক্তন পুত্রবধূ বলবে সে এখন ভাল নেই? গলা শান্ত রেখেই জিজ্ঞেস করল, আপনি আমার নাম্বার পেলেন কোত্থেকে?

    তোমার মাকে আজ ফোন করেছিলাম।

    ও।… হঠাৎ…?

    তুমি হয়তো শুনেছ, দিব্য খুব অসুস্থ?

    খবরটা পৃথার স্নায়ুতে কোনও আলোড়ন তুলল না। সহজভাবেই বলল, না, জানতাম না। কী হয়েছে?

    সেরিব্রাল অ্যাটাক। হেমারেজ হয়নি, তবে রক্ত চলাচল বন্ধ হয়ে গিয়ে ব্রেনের অনেকগুলো সেল ড্যামেজ হয়েছে। অবস্থা এখনও খুব ভাল নয়। দিব্যর মা একটুক্ষণ থেমে রইলেন, যেন অপেক্ষা করলেন পৃথার প্রতিক্রিয়ার। পৃথা নিশ্চুপ দেখে ফের তাঁর কণ্ঠ ফুটেছে, কাল বেষ্পতিবারের আগের বেষ্পতিবার দিব্য সোনামাটি গিয়েছিল। ওখানে যে আশ্রম খুলেছে, সেখানেই… সন্ধেবেলা হঠাৎই…। সঙ্গে দুই ছাত্র ছিল। আর কল্পনা, কল্পনার বর। তারা সবাই মিলে ধরাধরি করে আগে উলুবেড়িয়া হাসপাতালে নিয়ে গিয়েছিল, পরদিনই কলকাতায় এনে গ্রিন ভিউতে ভরতি করেছে। ইনটেনসিভ কেয়ার থেকে সবে কাল বেডে দিল।

    পৃথা অস্ফুটে বলল, ও।

    ডান দিকটায় এখনও তেমন সাড় নেই। কথাও চলে গিয়েছিল, এখন বলছে একটু একটু। তাও জড়িয়ে জড়িয়ে।

    পৃথা আবারও বলল, ও।

    কাল তোমার খুব নাম করছিল। দিব্যর মা গলার ধরাধরা ভাবটাকে সামলালেন, হাত-মুখ নেড়ে জানতে চাইছিল তুমি খবরটা পেয়েছ কিনা।

    এ সংবাদেও পৃথা তেমন উদ্‌বেলিত হল না। তবে শরীর শক্ত হয়ে গেছে সহসা। এসব সমাচার তাকে শোনানোর কী অর্থ? দিব্যজ্যোতির সম্পর্কে পৃথার কণামাত্র আগ্রহ নেই, থাকতে পারে না, থাকা সম্ভব নয়, থাকা উচিতও নয়। এগারো বছর আগে যার সঙ্গে সম্পর্ক ছিঁড়ে ফেলেছিল পৃথা, কিংবা বলা যায় ছিঁড়তে বাধ্য হয়েছিল, আজ সে বেঁচে রইল, না মরে গেল, তাতে পৃথার কী যায় আসে?

    কিন্তু সত্যিই কি দিব্য তার নাম করছে? এও কি দিব্যর অভিনয়?… কিন্তু ওরকম অসুস্থ অবস্থায় কোনও পাষণ্ডও কি অভিনয় করতে পারে? অবশ্য পাষণ্ড বললেও দিব্যজ্যোতি সিংহকে যথেষ্ট সম্মান দেখানো হয়। দিব্যজ্যোতির মতো পাপাচারী পৃথা জীবনে আর একটাও দেখেনি।

    পৃথার নীরবতায় দিব্যর মা কি কোনও আশ্বাস খুঁজে পেলেন? গলা উঠেছে সামান্য, তোমায় একটা অনুরোধ করব পৃথা। রাখবে?

    বলুন?

    তোমাকে বলার আমার মুখ নেই। অনুরোধ করা উচিতও নয়। তুমি বিয়ে-থা করে শান্তিতে ঘর-সংসার করছ। তবু… যদি একবার আসো… দিব্যর সামনে একবার দাঁড়াও.::

    আমিই-ই! পৃথার গলা বিস্ময়ে চড়ে গেল। এতটাই উচ্চগ্রামে, যে টুকুস পর্যন্ত ছুটে এসেছে টিভি ছেড়ে। চোখ পিটপিট করে দেখছে মাকে। তাড়াতাড়ি তার হাতে দুধের গ্লাসটা ধরিয়ে দিয়ে পৃথা স্বর নামাল, আমি গিয়ে কী করব?

    তা নয়… আসলে দিব্য বোধহয় তোমায় একবার দেখতে চাইছে… এখনও তো জীবনসংশয়টা রয়ে গেছে… কী হবে কিছু বলা যাচ্ছে না…

    দিব্যর মা এবার স্পষ্টতই ভেঙে পড়েছেন। নাক টানছেন জোরে জোরে। একেই বুঝি বলে পুত্রস্নেহ! দুর্যোধনের ঊরুভঙ্গে গান্ধারীও কি ভেঙে পড়েনি!

    পৃথা স্বর অচঞ্চল রাখল, দেখি।

    মোবাইল অফ করে পৃথা ভুরু কুঁচকে দাঁড়িয়ে রইল একটুক্ষণ। এ কী আজব আবদার রে বাবা? যদি-বা সত্যিই দিব্য এখন পৃথা পৃথা করে, তো পৃথার কী? মরণকালে তার হরিনামের সাধ জেগেছে বলে পৃথাকে গিয়ে খঞ্জনি বাজাতে হবে? নিশ্চয়ই দিব্যর চেলা-চামুণ্ডারা নার্সিংহোমে মজুত আছে, তাদের কাছে মশলাদার খোরাক হতে যাবে পৃথা! অসম্ভব। এক সময়ে অনেক নির্বুদ্ধিতা হয়েছে, এই বয়সে আর নতুন করে বোকা সাজার কোনও মানে হয় না।

    দিব্যর মা’র সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে নুডলসের দফারফা। গলে প্রায় পাঁক। তাড়াতাড়ি ছানচা দিয়ে ছেঁকে তুলে নুডলগুলো স্টিলের ট্রে-তে ছড়ানোর চেষ্টা করল পৃথা। হচ্ছে না, জড়িয়ে জড়িয়ে যাচ্ছে। এই মণ্ড দিয়ে চাউমিন বানালে কে গিলবে? টুকুস না কণাদ?

    চড়াং করে মাথা গরম হয়ে গেল পৃথার। রাগটা গিয়ে বিস্ফোরিত হয়েছে নিজের মা’র ওপর।

    হ্যালো, মা? তোমার সেন্সটা কবে হবে বলো তো?

    কেন রে? কী করলাম?

    দুম করে দিব্যর মাকে আমার নাম্বার দিয়ে দিলে! একবার জিজ্ঞেস করার প্রয়োজন মনে করলে না?

    না, শোন খুকু… ব্যাপারটা হয়েছে কী….

    আমি কিচ্ছু শুনতে চাই না। যদি বা দিলে… সঙ্গে সঙ্গে আমায় জানিয়ে দেওয়া উচিত ছিল।

    তুই তখন স্কুলে, তাই তোকে বিরক্ত করিনি। রাত্তিরেই তোকে ফোন করতাম।… মীরাদি এমনভাবে বলছিলেন, মুখের ওপর না করে দেব? কী বলব? মেয়ের ফোন নাম্বার আমি জানি না?… তা ছাড়া তোর আর দিব্যর মধ্যে যাই হোক, আমার সঙ্গে মীরাদির তো কখনও অসম্ভাব হয়নি!

    উফ্, তুমি এমন এক একটা অকোয়ার্ড সিচুয়েশনে ফেলো না মা! জানো, কেন ফোন নাম্বার চেয়েছিলেন?

    না-জানার কী আছে! গৌরীর স্বরে খুব একটা তাপ-উত্তাপ নেই, তোকে একবার নার্সিংহোমে যেতে বলেছে, তাই তো?

    ও, তুমি জানো। পৃথা থ, তার পরেও তুমি… হরিবল! তোমার কি বলে দেওয়া উচিত ছিল না, পৃথাকে আর এসবের মধ্যে টানাটানি করবেন না?

    ব্যাপকতামি করিস না, খুকু। মীরাদি কী এমন অন্যায় কথা বলেছেন? একটা মরোমরো মানুষকে দু’মিনিটের জন্য দেখতে গেলে তোর গায়ে কী এমন ফোসকা পড়বে?

    হুঁহ্, মানুষ না আরও কিছু

    সে তুমি যা খুশি বলতে পারো। তবে একটা কথা তো অস্বীকার করতে পারবে না, সে এক সময়ে তোমার স্বামী ছিল। তার সঙ্গে নয় নয় করেও দশ বছর ঘর করেছ। তোমার সঙ্গে ডিভোর্সের পর সে আর বিয়েও করেনি। একটা একা মানুষ…। গৌরী যেন আরও কিছু বলতে গিয়েও সামলে নিলেন, যাক গে, তোমার ইচ্ছে হলে যাবে, না হলে যাবে না। আমার ওপর মেজাজ দেখানোর তো কোনও কারণ দেখি না।

    বলেই গৌরী ফোন রেখে দিয়েছেন। উপযুক্ত কোনও জবাব দেওয়ার সুযোগ না পেয়ে অসহায় ক্ষোভে ছটফট করতে থাকল পৃথা। মা-টা যে কী! কণাদের সঙ্গে তার বিয়েটা ভালভাবে মেনে নিয়েছে বটে, টুকুসের ওপরেও খুব টান, তবে দিব্যজ্যোতির প্রতি মায়া এখনও ঘুচল না। মেয়ের মুখ থেকে জামাইয়ের অনাচারের অনুপুঙ্খ কাহিনি শোনা সত্ত্বেও। দিব্যজ্যোতির সাফাইগুলোকেই এখনও মা বিশ্বাস করে বসে আছে। বিবাহবিচ্ছেদের পর কোনও পুরুষ আর বিয়ে না-করলে সে একেবারে নিষ্কলুষ! হয় তাকে দুঃখী মানুষ ভাবা হবে, নয়তো সাধুসন্ত গোছের কিছু একটা। কী যে সব প্রিমিটিভ ধারণা!

    পৃথা পায়ে পায়ে সোফায় এসে বসল। মেঝেয় পা ছড়িয়ে কার্টুন চ্যানেল দেখছে টুকুস, টিভির একদম সামনেটায় গিয়ে। অত কাছ থেকে টিভি দেখার জন্য অন্য দিন ছেলেকে বকে পৃথা, এখন কিছুই বলল না। টুকুসের দুধের গ্লাস প্রায় ভরতিই পড়ে, সেদিকে নজরই গেল না যেন। গাঁক গাঁক করে টম অ্যান্ড জেরি চলছে পরদায়, ইঁদুর-বেড়াল খেলার উচ্চকিত ধ্বনিতে অন্য সময়ে কানে তালা লেগে যায়, আজ যেন শুনতেই পাচ্ছে না। বাক্ দৃষ্টি শ্রবণের ইন্দ্রিয়গুলো যেন ভোঁতা হয়ে গেছে। অথবা অসাড়।

    আপন মনে দু’দিকে মাথা নাড়ল পৃথা। কী মানুষ! ভাবমূর্তি নির্মাণের কী অসীম ক্ষমতা!

    দিব্যজ্যোতির সঙ্গে তার সম্পর্কটা তখন শেষ পর্যায়ে। সে তখন মনস্থির করেই ফেলেছে, পচে যাওয়া সুতোটাকে এবার ছিঁড়েই ফেলবে, চলে এসেছে বাপের বাড়ি, মা’র কাছে উগরে দিয়েছে মাসতুতো বোনদের সঙ্গে দিব্যজ্যোতির অবৈধ কামকেলির উপাখ্যান…। দু’-চার দিন পর হঠাৎ এক সন্ধেবেলা দিব্যজ্যোতি এসে উপস্থিত।

    বাবা সেদিন বাড়ি ছিল না। মা’র তো কোনও কালেই স্থানকালপাত্র জ্ঞান নেই, পৃথার সামনেই হাউমাউ করে উঠল, এসব কী শুনছি, দিব্য? তুমি নাকি রুনি ঝুনির সঙ্গে…?

    দিব্যজ্যোতি পলকে পাংশু। একটুক্ষণ সময় নিয়ে বলল, দেখুন মা, আপনাকে কয়েকটা কথা বলি। পৃথা সত্যি বলছে, কি মিথ্যে বলছে, সে প্রসঙ্গে আমি যাবই না। তবে পরিস্থিতিটা তো বুঝতে পারছেন, আমার আর পৃথার সম্পর্কটা তলানিতে এসে ঠেকেছে। পৃথা আমায় আর সহ্যই করতে পারছে না। আমি দাবি করব না, আমি ধোওয়া তুলসীপাতা নিশ্চয়ই আমার অনেক দোষ আছে। খামতি আছে। নইলে এক সময়ে আমায় ভালবেসে বিয়ে করেও পৃথা আজ সরে যেতে চায় কেন?… তবে এই যে বদনামগুলো পৃথা ছড়াচ্ছে… আমি পুরুষমানুষ, তায় আঁকাজোকা করি… উচ্ছৃঙ্খল বলে আমাদের খানিকটা দুর্নামও আছে। সুতরাং আমার গায়ে কেউ কালি ছিটোলে কিছু যায় আসে না। ঝেড়ে ফেলব।… কিন্তু রুনি ঝুনির কথা ভাবুন। তারা তাদের মতো করে লাইফে সেটল্ করছে… এখন এইসব কলঙ্ক যদি রটে, তাদের কত ক্ষতি হতে পারে বলুন তো?

    কী নিপুণ বাক্যজাল বিছিয়ে অর্ধসত্যের আবরণে নিজেকে আড়াল করে ফেলল দিব্যজ্যোতি। মা মোটেই বোকা হাবা নয়, তবু এমন ধরনের কথার ফাঁদে আচ্ছা ঘাঘু লোকও তো বেকুব বনে যায়। আমতা আমতা করে মা বলল, কিন্তু খুকু যে… নিজের চোখে…?

    থাক না মা ওসব কথা। চোখ কতটুকু দেখে? দেখে তো মানুষের মন। আপনার মেয়ের মন যদি বলে আমি চরিত্রহীন, সে-ধারণা তো আমি বদলাতে পারব না। তার চেয়ে বরং কোনও সিন ক্রিয়েট না-করে আলাদা হয়ে যাওয়াই তো ভাল। বিশ্বাস করুন, আমি পৃথার শত্রু নই। আমি চাই, পৃথা পৃথার মতো করে সুখী হোক।

    তারপরেই উঠে দাঁড়িয়ে একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলে প্রস্থান।

    দৃশ্যটা মনে পড়লেই পৃথার গা যেন রি-রি করে ওঠে। প্রায় বারো বছর পরেও।

    কেউ কি ভাবতে পারবে, কী কুৎসিত চেহারায় মানুষটাকে দেখেছে পৃথা? দিনের পর দিন? মাসের পর মাস? একটা দিনের স্মৃতি তো পচা ঘায়ের মতো দগদগ করছে।

    তখন সবে চাকরিতে জয়েন করেছে পৃথা। সেদিন কী কারণে যেন ছুটি হয়ে গেল স্কুল, দুপুর দুপুর পৃথা বাড়ি ফিরে এসেছিল। দিব্যর মা অফিসে, দিব্য কলেজে, বাড়ি ফাঁকা থাকারই কথা। নিজের চাবিতে দরজা খুলে ভেতরে ঢুকে থমকে গেল পৃথা। দিব্যর স্টুডিয়োয় কার গলা শোনা যাচ্ছে না? নারীকণ্ঠ!

    নিছকই কৌতূহলের বশে স্টুডিয়োর দরজায় গিয়ে পৃথার পা গেঁথে গেছে মাটিতে। চোখের পলক পড়ছে না। ডিভানে যে ত্রিমাত্রিক ছবিটা দেখছে, তা কি সত্যি?

    রুনি ডিভানে শায়িত! দিব্যর ছোটমাসির বড় মেয়ে রুনি! গাইঘাটা থেকে কলকাতায় ডাক্তারি পড়তে আসা রুনি! ক্যালকাটা মেডিকেল কলেজের হোস্টেলনিবাসিনী রুনি।…. রুনির বুকের ওপর মাথা রেখে শুয়ে আছে দিব্য! দু’জনের কারও অঙ্গে এক কণা সুতোও নেই!

    রুনি চোখ বুজে কী যেন প্রলাপ বকে চলেছে একটানা। দিব্যর হাত ঘুরে বেড়াচ্ছে রুনির নগ্ন দেহে। হঠাৎ হঠাৎ কেঁপে উঠছে রুনি, পরক্ষণে হাসছে খিলখিল।

    দৃশ্যটায় একটা তীব্র মাদকতা ছিল। আবার প্রচণ্ড উত্তাপও। পৃথার চোখ দুটো যেন ঝলসে গেল। প্রায় টলতে টলতে এসে শুয়ে পড়ল বিছানায়। স্টুডিয়ো থেকে ভেসে আসা হাসি আর উল্লাসধ্বনি, মাঝে মাঝে যৌনগন্ধী আওয়াজ, তার কানকে পুড়িয়ে দিচ্ছিল।

    চৈত্রের প্রখর দুপুরে, দরজা-জানালা বন্ধ আধো অন্ধকার ঘরে কতক্ষণ নিঃসাড়ে পড়ে ছিল পৃথা? পৃথা জানে না। শুয়ে শুয়েই টের পাচ্ছিল, রুনি বাথরুমে গেল, বেরিয়ে রান্নাঘরে ঢুকেছে, চায়ের জল চড়াচ্ছে। দিব্য কি তখনই ঢুকেছিল শোওয়ার ঘরে? নাকি আর একটু পর? বিছানায় পৃথাকে দেখে দাঁড়িয়ে গেছে, আরে, তুমি কখন এলে?

    কথা বলতে ইচ্ছে হচ্ছিল না পৃথার। তবু মুখ দিয়ে বেরিয়ে গেল, অনেকক্ষণ।

    হঠাৎ? দুপুরবেলায়?

    এবার ঝাঁঝ এসে গেল গলায়, বোধহয় তোমাদের লীলাখেলা দেখাটা আমার কপালে ছিল, তাই।

    আশ্চর্য, দিব্যর কোনও ভাবান্তর নেই। নাকি ছিল? অতিমানবিক ক্ষমতায় মনের ভাব গোপন রাখতে পেরেছিল দিব্য? ড্রয়ার থেকে নতুন সিগারেটের প্যাকেট বার করল একটা। সেলোফেনের মোড়ক ছাড়াতে ছাড়াতে পৃথার মাথার কাছে এসে দাঁড়িয়েছে। সহজ স্বরে বলল, ইমোশনের মাথায় এরকম হয়েই যায়। এগুলোকে বেশি পাত্তা দিতে নেই। স্টুডিয়োর দরজাটা তোমার ভেজিয়ে দেওয়া উচিত ছিল।

    দিব্যর সুললিত বাক্যরাজির মাঝে কখন বুঝি দরজায় রুনি। তাকে দেখে দিব্য বলে উঠল, কী রে, তুই অমন পাথরের মতো দাঁড়িয়ে পড়লি কেন?

    আআআমি… যাই দিব্যদা।

    তাড়া কীসের? বোস না। তোর বউদিকেও এক কাপ চা দিস।

    এর পরেও আরও আট আটটা বছর এই মানুষটার সঙ্গে বাস করেছিল পৃথা! কী করে যে ছিল? কেন ছিল? এখন ভাবতে গেলে পৃথা কোনও উত্তরই খুঁজে পায় না। কণাদ টেনে বার না-করলে সে বুঝি অনন্তকাল থেকে যেত চেতলার ওই বাড়িটায়। কত কী যে নিঃশব্দে সহ্য করে গেছে। কত কিছু জেনেও প্রতিবাদ করেনি। রুনি, রুনির পরে ঝুনি … ছাত্রীটাত্রিদের সঙ্গেও কি আর ফস্টিনস্টি চলত না? পারমিতা বলে মেয়েটা, যে দিব্যকে দেখলে গলে গলে পড়ত, তাকেও কি দিব্য ছেড়ে কথা বলেছে? তবু পৃথা পড়ে ছিল কোন কুহক মায়ায়? কীসের আশায়? শরীরের টানও তো ছিল না। চৈত্রের সেই দুপুরের পর থেকে দিব্যজ্যোতি বিছানায় এলে কেমন যেন সিঁটিয়ে যেত পৃথা, আপনাআপনি কাঠ হয়ে যেত শরীর। তা হলে?

    টিভিতে ইঁদুর-বেড়ালের কাহিনি শেষ। টুকুস এসে ঠেলছে পৃথাকে, মা? ও মা?

    পৃথা সন্তোষপুরের ফ্ল্যাটে ফিরল, কী?

    আমার সাম্‌সগুলো নিয়ে আসব?

    তোমার দুধ শেষ হয়েছে?

    কখন। গ্লাসটা দ্যাখো।

    পৃথার ঠোঁটের কোণে চিলতে হাসি ফুটে উঠল। টুকুসটা ঠিক বুঝেছে মা’র একটা কিছু হয়েছে, মনোযোগ আকর্ষণ করতে চাইছে মা’র। দু’হাত ছড়িয়ে পৃথা ডাকল, আয়, কাছে আয়।

    টুকুস লজ্জা লজ্জা মুখে গা মোচড়াল, কেন?

    আমার সোনা বাচ্চাটাকে একটু আদর করি।

    ছেলেকে খানিক চটকে অঙ্কের খাতা-বই আনতে বলল পৃথা। ইস, টুকুসটার তো বিকেলে দুধ ছাড়া কিছু খাওয়া হল না, নিজেরও পেট চুঁইছুঁই করছে, সেই কখন দু’খানা রুটি খেয়েছিল, উঠে চিঁড়েটিড়ে কিছু ভাজবে নাকি? কিংবা টোস্ট ওমলেট? টুকুস ওমলেট দেখলে নাক সিঁটকোয়, ওকে পোচ করে দেওয়া যেতে পারে। দিব্যরও ডিমের পোচ ভীষণ প্রিয় ছিল। হঠাৎ দিব্যজ্যোতির সেরিব্রাল হল কেন? প্রেশারটেশারে ধরেছিল নাকি? মদের মাত্রা কি খুব বাড়িয়েছিল ইদানীং? সোনামাটি গিয়ে কি দেদার বেলেল্লাপনা করত? সোনামাটিতে দিব্যর কাজকর্ম নিয়ে বছর দুয়েক আগে বেশ একটা বড়সড় আর্টিকেল বেরিয়েছিল কাগজে। মেয়েদের জন্য স্বনির্ভর প্রকল্প গড়েছে দিব্য, ওইসব মেয়েদের নিয়ে কি সোনামাটিতে ফুর্তিফার্তা করত? দিব্যজ্যোতি সিংহর পক্ষে কিছুই অসম্ভব নয়। হয়তো শহরের মেয়েতে অরুচি ধরেছিল, মুখবদলের জন্য গ্রামে ছুটছিল তাই!

    কিন্তু পৃথাকে দেখার সাধ জাগল কেন? কণাদকে ফোনে জানাবে খবরটা? কী প্রতিক্রিয়া হবে কণাদের? দিব্যর জেগে ওঠা নতুন বাসনাটায় নিশ্চয়ই খুব আহ্লাদিত হবে না?

    তবু বলতে তো হবে। বলা উচিত।

    পৃথা হাত বাড়িয়ে মোবাইলটা তুলল সেন্টার টেবিল থেকে। কী ভেবে রেখেও দিল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমার এখন সময় নেই – সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    Next Article মিতিনমাসি সমগ্র ২ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    Related Articles

    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    গল্প সমগ্র – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অন্য বসন্ত – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    কাছের মানুষ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    হেমন্তের পাখি – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    অলীক সুখ – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    আলোছায়া – সুচিত্রা ভট্টাচার্য

    December 5, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }