Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আরব জাতির ইতিহাস – ফিলিপ কে. হিট্টি (অনুবাদ : প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ)

    ফিলিপ কে. হিট্টি এক পাতা গল্প254 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. আদিম আরব বেদুঈন

    এ-পুস্তকে আরবী ভাষাভাষী সমস্ত জাতিই আমাদের আলোচ্য বিষয় কেবল আরবের বাসিন্দা নয়–সিরিয়া, লেবানন, ফিলিস্তিন, ট্রান্স জর্দান, ইরাক, ইরান, মিসর, উত্তর আফ্রিকা এবং মধ্যযুগীয় সিসিলী ও স্পেন সহ বহু দেশের লোক। তথাপি আদিম আরব বেদুঈনের উপর আমাদের প্রথম আলোক সম্পাতের প্রয়োজন।

    জিপসীরা কেবল বেড়ানোর জন্যই উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়ায়। বেদুঈন সে ধরনের জিপসী নয়। মরুভূমির অবস্থার সঙ্গে মানুষের জীবনকে কি করে সব চেয়ে সুন্দরভাবে খাপ খাইয়ে চলতে হয়, বেদুঈন তার প্রকৃষ্ট আদর্শ। যেখানে ঘাস জন্মে, বেদুঈন তার উট, ঘোড়া, দুম্বা, বকরীর খাদ্যের খোঁজে সেখানেই চলে যায়। ডেট্রয়েট অথবা ম্যানচেস্টারে শিল্প ব্যবসায়ের মত নফুয়ে যাযাবর বৃত্তি জীবনযাত্রার এক বিজ্ঞানসম্মত পথ। বেদুঈনকে তার প্রতিকূল পরিবেশের সঙ্গে একটা সুসঙ্গত এবং কঠোর সামঞ্জস্য সাধন করে চলতে হয়। কারণ, আরবের প্রায় সর্বাংশেই মরুভূমি; বাস-উপযোগী কেবল একটি মরু-ভূখও তার চারদিকে ঘিরে আছে। আরবরা তাদের দেশকে দ্বীপ বলে। প্রকৃতপক্ষে আরব একটি দ্বীপ। তার তিন দিকে পানি আর চতুর্থ দিকে বালির দরিয়া।

    আরব পৃথিবীর মধ্যে সব চেয়ে বড় উপদ্বীপ। এত বড় আয়তন সত্ত্বেও এর বাসিন্দা সংখ্যা সত্তর-আশী লাখের বেশি নয়। ভূতত্ত্ববিদরা বলেন যে, আরব দেশ এককালে সাহারা মরুভূমির এক স্বাভাবিক সংযুক্ত অংশ ছিল; এক্ষণে লোহিত সাগর একে আলাদা করে রেখেছে। কেবল তাই নয়; যে বালুকাময় ভূখণ্ড মধ্য-ইরান ও গোবী মরুভূমির ভিতর দিয়ে এশিয়ার এক বিরাট অংশ জুড়ে আছে, আরব দেশ তার সঙ্গেও যুক্ত ছিল। সমগ্র পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে উষ্ণ দেশসমূহের মধ্যে আরব অন্যতম। যদিও এর পূর্ব ও পশ্চিমে সমুদ্র বর্তমান, কিন্তু সে সমুদ্রের পরিসর অত্যন্ত অল্প। এশিয়া-আফ্রিকার বিরাট বৃষ্টিহীন ভূখন্দ্রে আবহাওয়ার সঙ্গে এর আবহাওয়া অবিচ্ছিন্নভাবে সম্পৃক্ত। পূর্ব পশ্চিমের ক্ষুদ্র পরিসর সমুদ্রের পানি সে আবহাওয়াকে মোলায়েম করতে পারে না। দক্ষিণের সন্দ্র হতে কিছু বৃষ্টি আসে, সন্দেহ নাই; কিন্তু মৌসুমী হাওয়া মাঝে মাঝে দেশের উপর প্রবাহিত হলেও দেশের ভিতরের অংশের জন্য তার বুকে বিশেষ কোন বাষ্প অবশিষ্ট থাকে না। স্বাস্থ্যপ্রদ স্নিগ্ধ পুবালী বাতাস বরাবরই কেন আরব কবিগণের রচনার বিষয় হয়েছে, তা বোঝা কঠিন নয়।

    বেদুঈন তার পিতৃ-পিতামহের মত এখনো ছাগল ও উটের পশমের তাঁবুতে বাস করে এবং সেই প্রাচীন চারণভূমিতে তার ভেড়া ও বকরী চরায়। ভেড়া, উট ও ঘোড়া পালন, শিকার ও লুণ্ঠন-এই হল বেদুঈনের নিয়মিত পেশা; আর তার বিবেচনায় মরদের পক্ষে এই-ই ইস্যুতের পেশা। তার দৃঢ় বিশ্বাস, কৃষি এবং সর্বপ্রকার শিল্প ও ব্যবসায় তার মর্যাদার অনুপযোগী। আসলে আবাদযোগ্য জমিনের পরিমাণও নগণ্য। সামান্য গমের আবাদ হয়। বেদুঈনের পক্ষে রুটি বিলাসের খাদ্য। সামান্য কিছু গাছপালা আছে খেজুর গাছ। আর আছে সেই গুল্ম যা থেকে দক্ষিণ-আরবের বিখ্যাত কফী তৈরি হয়। (১৪শ শতাব্দীর আগে, এর চল হয় নাই) মরূদ্যানে জন্মে নানা রকম ফল, বাদাম, আখ ও তরমুজ। দক্ষিণ-আরবের সেকালের বাণিজ্য-জীবনে গুগ্গুলের মস্ত গুরুত্ব ছিল। সে গুগুল আজো প্রচুর জন্মে।

    আরব শুষ্ক নিষ্করুণ দেশ : বাতাস শুকনা, জমি লবণাক্ত। বারো মাস প্রবাহিত হয় এবং সমুদ্র গিয়ে পড়েছে, এমন একটি নদীও নাই। ছোট ছোট নদী যা আছে, তার একটি জাহাজ কিংবা নৌকা চালাচলের উপযোগৗ নয়। নদী নালার জায়গায় আছে অনেকগুলি ওয়াদী। কখনো বান প্লাবন এলো এই ওয়াদী পথে তো চলে যায়। এসব ওয়াদীতে আরো একটি কাজ হয় : হজযাত্রীদের এবং সাধারণ কাফেলার পথ নির্ণয় এরাই করে। ইসলামের অভ্যুদয়ের সময় হতে হজই আরবের সঙ্গে বাইরের জগতের যোগসূত্র স্থাপন করে এসেছে।

    উর্বর হেলালে সাম্রাজ্যের উত্থান হয়েছে-পতন হয়েছে; কিন্তু উষর মরুভূমিতে বেদুঈন বরাবর একই রয়ে গেছে। বেদুঈন, উট আর খেজুর গাছ মরুভূমিতে এদেরই প্রকৃত প্রভুত্ব। বালুকার সঙ্গে একত্র হয়ে এরা চারজনই এ মঞ্চের অভিনেতা। যেখানে আর কিছুই টিকতে পারে না, সেখানে দৃঢ়তা ও সহনশক্তির জোরে বেদুঈন বেঁচে থাকে। ব্যক্তি-স্বাতন্ত্র তার চিত্তে এমন গভীরভাবে শিকড় গেড়ে আছে যে, তার মধ্যে কখনো সামাজিক সচেতনতা বিকাশ লাভ করে নাই। নিজের কওমের বাইরে সে পর হিতৈষণার কথা ভাবতে পারে না। নিয়মানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা-রক্ষা ও কর্তৃপক্ষের প্রতি আনুগত্য–এ সব তার আদর্শের অন্তর্গত নয়।

    সেমিটিক ধর্মের অঙ্কুর প্রথম পাতা মেলে মধ্যানে-বালুময় ভূমিতে নয়। পাথর ও ফোয়ারাকে কেন্দ্র করে এ ধর্ম গড়ে উঠতে থাকে। এর থেকেই এসেছে ইসলামে ‘হাজরুল আসোয়াদ’ ও জজ এবং ওলটেষ্টামেন্টে বেথেল।

    বেদুঈনের মরু-গৃহের বৈচিত্র্যহীনতা,ও অনুর্বরতা তার দৈহিক ও মানসিক প্রকৃতির উপর যথাযথ প্রতিফলিত হয়েছে। সে কতকগুলি হাড়ডি ও শিরা উপশিরার বোঝ। খেজুর ও দুধ তার খানার প্রধান দফা। খেজুর আর উটের গোশতই তার অতরল খাদ্য। খেজুর গাঁজিয়ে সে তার প্রিয় শরবত তৈরি করে। খেজুরের বিচি ভেঙ্গে সে রোজ তার উটকে খাওয়ায়। পানি আর খেজুর মরুভূমির এই দুটি মূল্যবান সম্পদের মালিক হওয়া বেদুঈনের দিনের ধ্যান, রাতের স্বপ্ন।

    বেদুঈনের খাদ্যের মত তার কাপড়-চোপড়ও নিতান্ত অল্প। কটিবন্ধযুক্ত একটি লম্বা কামিজ এবং তার উপর একটি দোলায়মান দীর্ঘ জামা। মাথায় দড়িতে বাঁধা একটি চাদর। পাজামা তারা পরে না; পাদুকা দুষ্প্রাপ্য।

    আরবের জীব-জানোয়ারের মধ্যে দুটি প্রধান–উট আর ঘোড়া। উট বাদ দিলে মরুভূমিতে বাস করা কল্পনার অতীত। উট বেদুঈনের খাদ্য, তার বাহন, তার মুদ্রা। কনের মোহর, রজের দাম, জুয়ার লাভ, শেখের ঐশ্বর্য সবেরই পরিমাণ উটের সংখ্যা দিয়ে ঠিক করা হয়। উট বেদুঈনের নিত্য সঙ্গী, পোষক পিতা, দ্বিতীয় সত্তা। সে পানির বদলে উটের দুধ খায় পানি রেখে দেয় সে উট, ভেড়া, বকরীর জন্য। সে উটের গোশত্ দিয়ে ভোজের আয়োজন করে, সে উটের চামড়া গায় দেয়–সে উটের পশম দিয়ে তাঁবু তৈরি করে। সে উটের বিষ্ঠা জ্বালানী হিসাবে ব্যবহার করে, তার পেশাব দিয়ে চুলের টনিক ও দাওয়াই তৈরি করে। মাথা পরিষ্কারের জন্য ব্যবহার করলে এতে চুলে এক রকম খোশ পয়দা হয় এবং মুখমণ্ডলের উপর তেলের মত লেগে থাকে, যার ফলে মশা মাছি কামড়ায় না। বেদুঈনের কাছে উট কেবল জাহাজ নয়–উট আল্লার খাস নেয়ামত।

    আজকের বেদুঈনরাও গর্ভের সঙ্গে নিজেদের পরিচয় দেয়–’আমরা উটের দেশের মানুষ।’ মুসিল ওয়ালাহ্ বেদুঈনদের সম্পর্কে তার লিখিত গ্রন্থে বলেন : সে কওমে এমন একটি লোক খুঁজে পাওয়া কঠিন হবে, সে কোন না কোন সময় উটের পেটের পানি না খেয়েছে। জরুরী অবস্থায় হয় কোন বুড়ো উটকে জবে করা হয়, না হয় ওকে দিয়ে পানি বমি করার জন্য ওর গলার ভিতর একটা লম্বা কাঠি ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। উট দুই-একদিন আগে পানি খেয়ে থাকলে তা মোটামুটি পানের উপযোগী থাকে।

    পৃথিবীত আরবই উট পালনের সবচেয়ে বড় কেন্দ্র। কাজে কাজেই উট-শিল্প এখনে আয়ের একটি বড় উৎস। আরবের অর্থনৈতিক জীবনে উটের স্থান যে কত গুরুত্বপূর্ণ তা এ থেকেই বোজা যায় যে, উটের বিভিন্ন জাত, বিভিন্ন রং, বিভিন্ন অবস্থা এবং বিভিন্ন বয়স সম্বন্ধে নাকি আরবী ভাষায় এক হাজার শব্দ আছে। এক তলোয়ার ছাড়া আর কোন কিছুর জন্য ও ভাষায় এত প্রতিশব্দ নাই।

    অন্যপক্ষে, ঘোড়া বিলাসের সামগ্রী। ঘোড়ার খাদ্য জোটানো ও যত্ন নেওয়া মরুবাসীর পক্ষে এক সমস্যা। ঘোড়া থাকলেই বুঝতে হবে যে, তার মালিক ধনবান ব্যক্তি। মুসলিম-সাহিত্যে আরবের ঘোড়া অপরূপ খ্যাতি লাভ কলেও প্রাচীন আরবে ঘোড়ার আমদানী হয়েছিল অনেক পরে। খৃস্ট-জন্মের পূর্বে ঘোড়া আরবে আসে। কিন্তু এবার এখানে এসে যাওয়ার পর সে তার রক্তকে সম্পূর্ণ অবিমিশ্র রাখার পুরোপুরি সুযোগ পেয়ে গেল। দৈহিক সৌন্দর্য, সহনশীলতা, বুদ্ধি ও মনিবের প্রতি অগাধ ভালবাসার জন্য আরবের তাজী বিশ্ববিখ্যাত। এইরূপ সংজাত তাজী হতেই পাশ্চাত্য জাতিসমূহ উচ্চবংশীয় ঘোড়া পালনের আইডিয়া ও আদর্শ গ্রহণ করেছে। খৃস্টীয় অষ্টম শতাব্দীতে আরবেরা স্পেনের মারফত ইউরোপে ঘোড়া সরবরাহ করে। বার্বারী ও আন্দালুসীয়ান ঘোড়ার মধ্যে সেই ঘোড়ারই নিদর্শন স্থায়ী হয়ে আছে। ক্রুসেডের আমলে বিলাতী ঘোড়া আরব ঘোড়ার সংশ্রব হতে নতুন রক্ত সঞ্চয় করে।

    বেদুঈনের কাছে ঘোড়ার প্রধান মূল্য এই যে, অতর্কিত আক্রমণের সময় ঘোড়ার দ্রুত-গতি তারপক্ষে বিশেষ সহায়ক। খেলা-ধুলা, দৌড় এবং শিকারেও ঘোড়া ব্যবহৃত হয়ে থাকে। আজকের কোন আরব তাবুতে পানির অভাব হলে শিশুরা পিয়াসে আর্তনাদ করতে পারে, কিন্তু তাবুর কর্তা সে আর্তনাদে বিচলিত হয়ে পানির শেষ ফোঁটাটি পর্যন্ত ঢেলে নিয়ে তার ঘোড়ার সামনে ধরবে।

    অতর্কিত আক্রমণকে বেদুঈন ভাষায় গোজওয়া বলে। গোওয়ারে এক হিসেবে লুণ্ঠনাত্মক আক্রমণ বলা যেতে পারে। কিন্তু মরুভূমির আর্থিক ও সামাজিক অবস্থা গোজওয়াকে এক জাতীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে। বেদুঈনের এই যে পশু পালন-প্রধান সামাজিক জীবন এর থেকেই গোওয়ার উদ্ভব। মরু-জীবনে যুদ্ধের জোশ মানুষের মনে নিত্য-জাগ্রত। কাজেই গোজওয়া সে জীবনে একটি বীরোচিত পেশা। খৃস্টান কওমেরাও এ পেশা অবলম্বন করত। সেকালের একজন কবি এমন জীবনের নীতি সম্বন্ধে দুই লাইনে সুন্দর বলেছেন :দুশমনের উপর গোজওয়া করা আমাদের পেশা। দুশমন না পেলে আমরা প্রতিবেশীর উপর হামলা চালাই; প্রতিবেশীও না মিলে অগত্যা আমরা ভাইকে আক্রমণ করি।’

    গোজওয়া একরকম জাতীয় ক্রীড়া। এই ক্রীড়ার বিধান অনুসারে একান্ত প্রয়োজন না হলে রক্তপাত নিষিদ্ধ। পরিবারে খানেওয়ালার সংখ্যা কমিয়ে রাখার কাজে গোজওয়া খানিকটা সাহায্য করে। তবে এতে খাদ্যবস্তুর মোট পরিমাণ বাড়ে না। দুর্বল কওম অথবা স্থায়ী-বসুয়া কওম অনেক সময় প্রবল প্রতিবেশী কওমকে খাজনা দিয়ে নিরাপত্তা খরিদ করে।

    গোজওয়ার অপকারিতা খানিটা প্রশমিত হয় আতিথেয়তার নীতি দ্বারা। দুশমন হিসেবে বেদুঈন যত নির্মমই হোক না কেন, তার বন্ধুত্বের নিয়মের মধ্যে সে একান্ত বিশ্বস্ত ও পরম উদার। প্রাক-ইসলামী যুগে কবিরাই ছিল বড় সাংবাদিক। তারা মেহমানদারীর প্রশংসা কীর্তনে কখনো ক্লান্ত হয় নাই। তারা বলত : মেহমানদারী, ধৈর্য ও মরদামী–এই-ই তো জাতির শ্রেষ্ঠ গুণ। পানি ও ঘাসের জন্য তীব্র প্রতিযোগিতার ফলেই কওমেরা পরস্পর দুশমন হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু দুর্দমনীয় হিংস্র মরু-প্রকৃতির সামনে মানুষ যে কত অসহায়, এরই উপলব্ধি হতে উদ্ভূত হয় এক পবিত্র কর্তব্য-জ্ঞান-মেহমানদারীর মহান দায়িত্ব। মরুভূমিতে সরাইখানা নাই, হোটেল নাই। সেখানে কোন মুসাফিরকে আশ্রয়দানে অস্বীকার কেবল সুপ্রতিষ্ঠিত নীতি ও ইজ্জতের হানিকর স্বয়ং আল্লাহর বিরুদ্ধ কাজ। কারণ, তিনি সকল আশ্রয়প্রার্থীর আশ্রয়দাতা।

    কওমী সংগঠন হচ্ছে বেদুঈন সমাজের বুনিয়াদ। একটি তাঁবু মানে একটি পরিবার। একসঙ্গে যতগুলি তবু থাকে, তা নিয় হয় একটি কওম। কয়েকটি আত্মীয় কওম নিয়ে হয় একটি সম্প্রদায়। এক কওমের লোক প্রত্যেক প্রত্যেককে এক রক্তের ভাই বলে মনে করে, এক শেখের আনুগত্য স্বীকার করে এবং এক যুদ্ধ-ধ্বনি করে। কওমের বয়োজ্যষ্ঠ জনকেই সাধারণত কওমের শেখ বা সর্দার করা হয়। গোত্রীয় সংগঠনে রক্তের সম্বন্ধ পরস্পরকে একত্রে বেঁধে রাখে । কোন কওমের এক ব্যক্তির কয়েক ফোঁটা রক্ত চুষে খেলেই সে কমে দাখিল হওয়া চলে।

    তাঁবু এবং তাঁবুর ভিতর গিরস্থালীর জিনিষ-পাতি যা থাকে, তা তাঁবুপতির নিজ সম্পত্তি। কিন্তু পানি, ঘাস ও আবাদযোগ্য ভূমি কওমের সাধারণ সম্পত্তি।

    কোন কওমে লোক যদি নিজ কওমের কোন লোককে খুন করে, তবে কেউ তার পক্ষে দাঁড়াবে না। যদি সে কওম ছেড়ে চলে যায়, তবে সে আইন বা সমাজ বিরোধী হয়ে পড়ে। যদি কওমের বাইরের কোন লোককে খুন করা হয়, তবে খুনের বদলা দিতে হয়। কওমের যে কোন লোককে নিজ জান দিয়ে সে বদলা দিতে হতে পারে।

    মরুভূমির আদিম আইন অনুসারে রক্তের বদলা দিতে রক্ত চাই। প্রতিহিংসা সাধন ছাড়া আর কোন শাস্তিই পর্যাপ্ত নয়। রক্তের কলহ চল্লিশ বছর পর্যন্ত স্থায়ীও হতে পারে। প্রাক-ইসলামী যুগে কওমে কওমে যত লড়াই হয়েছে, তল্কালীন ঐতিহাসিকেরা রক্তের ঋণকে তার আসল কারণরূপে বর্ণনা করেছেন, যদিও অর্থনৈতিক বিবেচনাও নিঃসন্দেহভাবে অনেক লড়াই’র কারণ ছিল।

    নিজ কওমের সঙ্গে সম্পর্ক ছিন্ন হওয়ার চেয়ে বড় বিপদ বেদুঈনের জীবনে আর নাই। কারণ, কওমহীন মানুষ কার্যতঃ অসহায় হয়ে পড়ে। তার অবস্থা আইনের আশ্রয়চ্যুত ব্যক্তির অবস্থার মতো–সে আশ্রয় ও নিরাপত্তার সীমার বাইরে চলে যায়।

    কওমী জীবন চায় সহযোগী কওমী মানুষের প্রতি শর্তহীন অসীম বিশ্বস্ততা। সে আনুগত্য দানের সঙ্গে সঙ্গে স্বীকার করে নেয় যে, তার কওম এক স্বতন্ত্র, স্বয়ংসম্পূর্ণ নিরঙ্কুশ ইউনিট। সে বিশ্বাস করে, অন্য প্রত্যেক কওমকে তার লুণ্ঠন ও হত্যা করার সঙ্গত অধিকার আছে। সামরিক ব্যাপারে ইসলাম এ-সব কওমের শক্তি ও দলীয় ঐক্যবোধের সদ্ব্যবহার করেছিল। ইসলাম তার সৈন্যদলকে কওমে কওমে বিভক্ত করত বিজিত দেশে কওমী ভিত্তিতে উপনিবেশ স্থাপনের ব্যবস্থা করত এবং পরাজিত জাতিসমূহের মধ্যে যারা ইসলাম গ্রহণ করত, তাদের আশ্রিত বলে গণ্য করত। ইসলামের অভ্যুদয়ের পর আরব-চরিত্রের ব্যাপক উন্নয়ন ও বিকাশ সাধিত হয়েছিল। কিন্তু সে চরিত্র এই কওমী মেজাজ এবং আত্মকেন্দ্রিক জীবনের সমাজবিরোধী বৈশিষ্ট্যসমূহকে সম্পূর্ণরূপে জয় করতে পারে নাই এবং পরবর্তীকালে বিভিন্ন মুসলিম রাষ্ট্রের অবনতি ও পতনের এই-ই কারণ ছিল।

    কওমের সর্দারকে বলা হয় শেখ। শেখই কওমের প্রতিনিধি। শেখ কওমের বয়োজ্যষ্ঠ ব্যক্তি। তার নেতৃত্ব নির্ভর করে সংযত বিচার-বুদ্ধি, উদারতা ও সাহসিকতার উপর। বিচার, যুদ্ধ-বিগ্রহ এবং জনসাধরণের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট অন্যান্য ব্যাপারে শেখ সর্বময় কর্তা নন-কওমের অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন পরিবারের কর্তাদের নিয়ে গঠিত পরামর্শ-সভার সঙ্গে তাকে আলোচনা করতে হয়। শেখের পদের স্থায়িত্ব নির্ভর করে কওমের সদিচ্ছার উপর।

    আরব–বিশেষ করে বেদুঈন, জন্ম-গণতন্ত্রী। সে সমান স্তরে দাঁড়িয়ে শেখের সঙ্গে কথা কয়। যে সমাজে তার বাস, সে সমাজ প্রত্যেককে সমান স্তরে নামিয়ে আনে। বর্তমান কালের আগে বিদেশী শাসকদের ছাড়া আর কাউকে আরবরা কখনো মালিক বলে সম্বোধন করে নাই। কিন্তু আরব যেমন গণতন্ত্রী তেমনি আবার আভিজাত্য-প্রিয়। সে নিজকে সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ গুণান্বিত জীব বলে মনে করে। তার কাছে আরব জাতির মত মহৎ জাতি এ দুনিয়ায় আর নাই। বেদুঈন পরম গর্বের সঙ্গে বিশ্বাস করে যে, সভ্য মানুষ কম সুখী ও অতি নিকৃষ্ট। তার রক্তের পরিবত্রতায়, বাগীতায় এবং কবিত্বে, তার ঘোড়া ও তলোয়ারে সর্বোপরি তার মহান বংশ-মর্যাদায় আরবের গর্বের অন্ত নাই। সে সুদীর্ঘ বংশ-তালিকার কথা আওড়াতে ভালোবাসে এবং অনেক সময়, তার পূর্বপুরুষদের আদম পর্যন্ত নিয়ে ঠেকায়।

    ইসলামের আগের জামানা হতে এ-যাবত কাল পর্যন্ত বেদুঈন রমনী যে পরিমাণ স্বাধীনতা ভোগ করে এসেছে, তা তার স্থায়ী বসুয়া বোনের ভাগ্যে ঘটে নাই। সত্য বটে, সে বহু-বিবাহ প্রধান পরিবারে বাস করে আসছে; কিন্তু তবু সে স্বাধীনভাবে স্বামী গ্রহণ করতে পারে এবং সদ্ব্যবহার না পেলে স্বাধীনভাবে স্বামী বর্জন করতে পারে।

    সুযোগ পেলে মরু সন্তানেরা অন্য তমদ্দুনও অনায়াসে আত্মস্থ করতে পারে। বহুকালের ঘুমন্ত বৃত্তি উপযুক্ত সাড়া পেয়ে সহসা জেগে ওঠে এদের মাঝে এবং বিপুল শক্তিতে পরিণতি লাভ করে সৃজনশীল অর্ধচন্দ্র এই সুযোগের ক্ষেত্র। এরই প্রভাবে কোন হাম্মুরাবী ব্যাবিলনে আবির্ভূত হয়, কোন মুসাকে (আঃ) পাওয়া যায় সিনাইয়ে, কোন জেনোবীয়ার উত্থান হয় পামীরায়, কোন আরব ফিলীপ দেখা দেয় রোমে, কোন হারুনর-রশীদ জেগে ওঠ বাগদাদে। আর স্ট্রোর মত স্মৃতিস্তম্ভ নির্মিত হয়। আজো সে স্মৃতিস্তম্ভ বিশ্বের বিস্ময় হয়ে আছে। ইসলামের প্রাথমিক যুগে তার যে অভূতপূর্ব সাফল্য, তার এক মস্ত কারণ ছিল বেদুঈনদের এই ঘুমন্ত শক্তি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআরণ্যক – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article আরব জাতির ইতিহাস – ফিলিপ কে. হিট্টি (অনুবাদ : জয়ন্ত সিং)

    Related Articles

    ফিলিপ কে. হিট্টি

    আরব জাতির ইতিহাস – ফিলিপ কে. হিট্টি (অনুবাদ : জয়ন্ত সিং)

    October 27, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }