Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আলালের ঘরের দুলাল – টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)

    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র) এক পাতা গল্প200 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২৭.বাদার প্রজার বিবরণ –বাহুল্যের বৃত্তান্ত ও গ্রেপ্তারি, গাড়ি-চাপা লোকের প্রতি বরদাবাবুর সততা,বড়ো আদালতে ফৌজদারী মকদ্দমা করণের ধারা,বাঞ্ছারামের দৌড়াদোড়ি,ঠকচাচা ও বাহুল্যের বিচার ও সাজা।

    বাদাতে ধানকাটা আরম্ভ হইয়াছে, সালতি সাঁ সাঁ করিয়া চলিয়াছে –চারিদিক জলময় –মধ্যে মধ্যে চৌকি দিবার টং, কিন্তু প্রজার নিস্তার নাই –এদিকে মহাজন ওদিকে জমিদারের পাইক। যদি বিকি ভালো হয় তবে তাহদিগের দুই বেলা দুই মুঠা আহার চলিতে পারে নতুবা মাছটা, শাকটা ও জনখাটা ভরসা। ডেঙাতে কেবল হৈমন্তী বুনন হয় –আউস প্রায় বাদাতেই জন্মে। বঙ্গদেশে ধান্য অনায়াসে উৎপন্ন হয় বটে কিন্তু হাজা, শুকা, পোকা, কাঁকড়া ও কার্তিকে ঝড়ে ফসলের বিলক্ষণ ব্যাঘাত হয়; আর ধানের পাইটও আছে, তদারক না করিলে কলা ধরিতে পারে। বাহুল্য প্রাতঃকালে আপন জোতের জমি তদারক করিয়া আপন বাটীর দাওয়াতে বসিয়া তামাক খাইতেছেন; সম্মুখে একটা কাগজের দপ্তর, নিকটে দুই-চারিজন হারামজাদা প্রজা ও আদালতের লোক বসিয়ে আছে –হাকিমের আইনের ও মামলার কথাবার্তা হইতেছে ও কেহ কেহ নূতন দস্তাবেজ তৈয়ার ও সাক্ষী তালিম করিবার ইশারা করিতেছে –কেহ কেহ টাকা টেঁক থেকে খুলিয়া দিতেছে ও আপন আপন মতলব হাঁসিল জন্য নানা প্রকার স্তুতি করিতেছে। বাহুল্য কিছু যেন অন্যমনস্ক –এদিকে ওদিকে দেখিতেছেন –এক একবার আপন কৃষাণকে ফাল্‌তো ফরমাইশ করিতেছেন, “ওরে ঐ কদুর ডগাটা মাচার উপর তুলে দে, ঐ খেড়ের আঁটিটা বিছিয়ে ধুপে দে,” ও এক এক বার ছমছমে ভাবে চারিদিকে দেখিতেছেন। নিকটস্থ এক ব্যক্তি জিজ্ঞাসা করিল –মৌলুবী সাহেব! ঠকচাচার কিছু মন্দ খবর শুনিতে পাই –কোনো পেঁচ নাই তো ? বাহুল্য কথা ভাঙিতে চান না, দাড়ি নেড়ে –হাত তুলে অতি বিজ্ঞরূপে বলিতেছেন –মরদের উপর হরেক আপদ গেরে, তার ডর করলে চলবে কেন ? অন্য একজন বলিতেছে –এ তো কথাই আছে কিন্তু সে ব্যক্তি বারেঁহা, আপন বুদ্ধির জোরে বিপদ থেকে উদ্ধার হইবে। সে যাহা হউক আপনার উপর কোনো দায় না পড়িলে আমরা বাঁচি –এই ডেঙা ভবানীপুরে আপনি বৈ আমাদের সহায় সম্পত্তি আর নাই –আমাদের বল বলুন, বুদ্ধি বলুন সকলই আপনি। আপনি না থাকলে আমাদের এখান হইতে বাস উঠাইতে হইত। ভাগ্যে আপনি আমাকে কয়েকখানা কবজ বানিয়ে দিয়েছিলেন তাই জমিদার বেটাকে জব্দ করিয়াছি, আমার উপর সেই অবধি কিছু দৌরাত্ম্য করে না –সে ভালো জানে যে আপনি আমার পাল্লায় আছেন। বাহুল্য আহ্লাদে গুড়গুড়িটা ভড় ভড় করিয়া চোক মুখ দিয়া ধুঁয়া নির্গত করত একটু মৃদু মৃদু হাস্য করিলেন। অন্য একজন বলিল –মফস্বলে জমি-জমা শিরে লইতে গেলে জমিদার ও নীলকরদের জব্দ করিবার জন্য দুই উপায় আছে –প্রথমত মৌলুবী সাহেবের মতন লোকের আশ্রয় লওয়া –দ্বিতীয়ত খ্রীষ্টিয়ান হওয়া। আমি দেখিয়াছি অনেক প্রজা পাদরীর দোহাই দিয়া গোকুলের ষাড়েঁর ন্যায় বেড়ায় ! পাদরী সাহেব কড়িতে বলো –সহিতে বলো –সুপারিসে বলো “ভাই লোকদের” সর্বদা রক্ষা করেন। সকল প্রজা যে মনের সহিত খ্রীষ্টিয়ান হয় তা নয় কিন্তু যে পাদরীর মণ্ডলীতে যায় সে নানা উপকার পায়। মাল মকদ্দমায় পাদরীর চিঠি বড়ো কর্মে লাগে। বাহুল্য বলিলেন, সে সচ্‌ বটে –লেকেন আদমির আপনার দীন খোয়ানা বহুত বুরা। অমনি সকলে বলিল –তা বটে তো, তা বটে তো ; আমরা এই কারণে পাদরীর নিকটে যাই না। এইরূপ খোশ গল্প হইতেছে ইতিমধ্যে দারোগা, জন কয়েক জমাদার ও পুলিসের সার্‌জন হুড়মুড় করিয়া বাহুল্যের হাত ধরিয়া বলিল –তোম ঠকচাচা কো সাত জাল কিয়া –তোমার উপর গেরেপ্তারি হেয়। এই কথা শুনিবামাত্র নিকটস্থ লোক সকলে ভয় পাইয়া সট্‌ সট্‌ করিয়া প্রস্থান করিল। বাহুল্য দারোগা ও সার্‌জনকে ধন লোভ দেখাইল কিন্তু তাহারা পাছে চাকরি যায় এই ভয়ে ওকথা আমলে আনিল না, তাহার হাত ধরিয়া লইয়া চলিল। ডেঙ্গা ভবানীপুরে এই কথা শুনিয়া লোকারণ্য হইল ও ভদ্র ভদ্র লোকে বলিতে লাগিল দুষ্কর্মের শাস্তি বিলম্বে বা শীঘ্রে অবশ্যি হইবে। যদি লোকে পাপ করিয়া সুখে কাটাইয়া যায় তবে সৃষ্টিই মিথ্যা হইবে, এমন কখনই হইতে পারে না। বাহুল্য ঘাড় হেঁট করিয়া চলিয়াছেন –অনেকের সহিত দেখা হইতেছে কিন্তু কাহাকে দেখেও দেখেন না। দুই-এক ব্যক্তি যাহারা কখন না কখন তাহার দ্বারা অপকৃত হইয়াছিল, তাহারা এই অবকাশে কিঞ্চিৎ ভরসা পাইয়া নিকটে আসিয়া বলিল –মৌলবী সাহেব ! একি ব্রজের ভাব না-কি ? আপনার কি কোনো ভারি বিষয় কর্ম হইয়াছে ? না রাম না গঙ্গা কিছুই না বলিয়া বাহুল্য বংশদ্রোণীর ঘাট পার হইয়া শাগঞ্জে আসিয়া পড়িলেন। সেখানে দুই-একজন টেপুবংশীয় শাজাদা তাঁহাকে দেখিয়া বলিল –কেউঁ তু গেরেপ্তার হোয়া –আচ্ছা হুয়া –এয়সা বদ্‌জাত আদমিকো সাজা মিলনা বহুত বেহতর। এই সকল কথা বাহুল্যের প্রতি মড়ার উপর খাঁড়ার ঘা লাগিতে লাগিল। ঘোরতর অপমানে অপমানিত হইয়া ভবানীপুরে পৌঁছিলেন –কিঞ্চিৎদূরে থেকে বোধ হইল রাস্তার বামদিকে কতকগুলি লোক দাঁড়াইয়া গোল করিতেছে, নিকটে আসিয়া সার্‌জন বাহুল্যকে লইয়া দাঁড়াইয়া জিজ্ঞাসা করিল, এখানে এত লোক কেন ? পরে লোক ঠেলিয়া গোলের ভিতর যাইয়া দেখিল, একজন ভদ্রলোক এক আঘাতিত ব্যক্তিকে ক্রোড়ে করিয়া বসিয়া আছেন –আঘাতিত ব্যক্তির মস্তক দিয়া অবিশ্রান্ত রুধির নির্গত হইতেছে, ঐ রক্তে উক্ত ভদ্রলোকের বস্ত্র ভাসিয়া যাইতেছে; সার্‌জন জিজ্ঞসা করিল, আপনি কে ও এ লোকটি কি প্রকারে জখম হইল? ভদ্রলোক বলিলেন –আমার নাম বরদাপ্রসাদ বিশ্বাস –আমি এখানে কোনো কর্ম অনুরোধে আসিয়াছিলাম দৈবাৎ এই লোক গাড়ি চাপা পড়িয়া আঘাতিত হইয়াছে, এই জন্য আমি আগুলিয়া বসিয়া আছি –শীঘ্র হাসপাতালে লইয়া যাইব তাহার উদ্‌যোগ পাইতেছি –একখানা পালকি আনিতে পাঠাইয়াছিলাম কিন্তু বেহারা ইহাকে কোনো মতে লইয়া যাইতে চাহে না, কারণ এই ব্যক্তি জেতে হাড়ি। আমার সঙ্গে গাড়ি আছে বটে কিন্তু এ ব্যক্তি গাড়িতে উঠিতে অক্ষম, পাল্‌কি কিংবা ডুলি পাইলে যত ভাড়া লাগে তাহা আমি দিতে প্রস্তুত আছি। সততার এমনি গুণ যে ইহাতে অধমেরও মন ভেজে। বরদাবাবুর এই ব্যবহার দেখিয়া বাহুল্যের আশ্চর্য জন্মিয়া আপন মনে ধিক্‌কার হইতে লাগিল ! সার্‌জন বলিল –বাবু, বাঙালীরা হাড়িকে স্পর্শ করে না, বাঙালী হইয়া তোমার এত দূর করা বড়ো সহজ কথা নহে। বোধ হয় তুমি বড়ো অসাধারণ ব্যক্তি, এই বলিয়া আসামীকে পেয়াদার হাওয়ালে রাখিয়া সার্‌জন আপনি আড়ার নিকট যাইয়া ভয়মৈত্রতা প্রদর্শনপূর্বক পালকি আনিয়া বরদাবাবুর সহিত উক্ত হাড়িকে হাসপাতালে পাঠাইয়া দিল।

    পূর্বে বড়ো আদালতে ফৌজদারী মকদ্দমা বৎসরে তিন তিন মাস অন্তর হইত এক্ষণে কিছু ঘন ঘন হইয়া থাকে। ফৌজদারী মকদ্দমা নিষ্পত্তি করণার্থে তথায় দুই প্রকার জুরি মকরর হয়, প্রথমত গ্রাঞ্জুরি, যাহারা পুলিশ-চালানি ও অন্যান্য লোক যে ইণ্ডাইটমেণ্ড করে তাহা বিচারযোগ্য কি-না বিবেচনা করিয়া আদালতকে জানান –দ্বিতীয়ত পেটিজুরি, যাহারা গ্রাঞ্জুরি বিবেচনা অনুসারে বিচারযোগ্য মকদ্দমা জজের সহিত বিচার করিয়া আসামিদিগকে দোষী বা নির্দোষ করেন। এক এক সেশনে অর্থাৎ ফৌজদারী আদালতে ১৪ জন গ্রাঞ্জুরি মকরর হয়, যে সকল লোকের দুই লক্ষ টাকার বিষয় বা যাহারা সৌদাগরি করে তাহারাই গ্রাঞ্জুরি হইতে পারে। সেশনে পেটিজুরি প্রায় প্রতিদিন মকরর হয়, তাহাদিগের নাম ডাকিবার কালীন আসামী বা ফৈরাদি স্বেচ্ছানুসারে আপত্তি করিতে পারে অর্থাৎ যাহার প্রতি সন্দেহ হয় তাহাকে না লইয়া অন্য আর একজনকে নিযুক্ত করাইতে পারে কিন্তু বারোজন পেটিজুরি শপথ করিয়া বসিলে আর বদল হয় না। সেকশনের প্রথম দিবসে তিনজন জজ বসেন, যখন যাঁহার পালা তিনি গ্রাঞ্জুরি মকরর হইলে তাঁহাদিগাকে চার্জ অর্থাৎ সেশনীয় মকদ্দমার হালাৎ সকল বুঝাইয়া দেন। চার্জ দিলে পর অন্য দুইজন জজ যাঁহাদের পালা নয় তাঁহারা উঠিয়া যান ও গ্রাঞ্জুরিরা এক কামরার ভিতর যাইয়া প্রত্যেক ইণ্ডাইটমেণ্ডের উপর আপন বিবেচনানুসারে যথার্থ বা অযথার্থ লিখিয়া পাঠাইয়া দেন, তাহার পর বিচার আরম্ভ হয়।

    রজনী প্রায় অবসান হয় –মন্দ মন্দ সমীরণ বহিতেছে, এই সুশীতল সময়ে ঠকচাচা মুখ হাঁ করিয়া বেতর নাক ডাকাইয়া নিদ্রা যাইতেছেন। অন্যান্য কয়েদীরা উঠিয়া তামাক খাইতেছে ও কেহ কেহ ঐ শব্দ শুনিয়া “মোস পোড়া খা, মোস পোড়া খা” বলিতেছে কিন্তু ঠকচাচা কুম্ভকর্ণের ন্যায় নিদ্রা যাইতেছেন –”নাসা গর্জন শুনি পরান শিহরে”। কিয়ৎকাল পরে জেলরক্ষক সাহেব আসিয়া কয়েদীদের বলিলেন –তোমরা শীঘ্র প্রস্তুত হও, অদ্য সকলকে আদালতে যাইতে হইবে।

    এদিকে সেশন খুলিবামাত্রে দশ ঘণ্টার অগ্রেই বড়ো আদালতের বারান্দা লোকে পরিপূর্ণ হইল –উকিল, কৌন্‌সুলি, ফৈরাদি, আসামী, সাক্ষী, উকিলের মুৎসুদ্দি, জুরি, সার্‌জন, জমদার, পেয়াদা –নানা প্রকার লোক থৈ থৈ করিতে লাগিল। বাঞ্ছারাম বটলর সাহেবকে লইয়া ফিরিতেছেন ও ধনী লোক দেখিলে তাঁহাকে জানুন না জানুন আপনার বামনাই ফলাইবার জন্য হাত তুলিয়া আশীর্বাদ করিতেছেন, কিন্তু যিনি তাঁহাকে ভালো জানেন তিনি তাঁহার শিষ্টাচারিতে ভুলেন না –তিনি এক লহমা কথা কহিয়াই একটা-না-একটা মিথ্যা বরাত অনুরোধে তাঁহার হাত হইতে উদ্ধার হইতেছেন। দেখতে দেখতে জেলখানার গাড়ি আসিল –আগু পিছু দুই দিকে সিপাই। গাড়ি খাড়া হইবামাত্রে সকলে বারান্দা থেকে দেখিতে লাগিল –গাড়ির ভিতর থেকে সকল কয়েদীকে লইয়া আদালতের নীচেকার ঘরের কাঠগড়ার ভিতর রাখিল। বাঞ্ছারাম হন হন করিয়া নীচে আসিয়া ঠকচাচা ও বাহুল্যের সহিত সাক্ষাৎ করিয়া বলিলেন –তোমরা ভীমার্জুন –ভয় পেও না –এ কি ছেলের হাতের পিটে ?

    দুই প্রহর হইবামাত্রে বারান্দার মধ্যস্থল খালি হইল –লোক সকল দুইদিকে দাঁড়াইল –আদালতের পেয়াদা “চুপ্‌ চুপ্‌” করিতে লাগিল –জজেরা আসিতেছেন বলিয়া যাবতীয় লোক নিরীক্ষণ করিতেছে এমন সময়ে সার্‌জন পেয়াদা ও চোপদারেরা বল্লম, বর্শা, আশাসোঁটা, তলোয়ার ও বাদশাহ্‌র রৌপ্যময় মটুকাকৃতি সজ্জা হস্তে করিয়া দেখা দিল –তাহার পর সরিফ ও ডিপুটি সরিফ ছড়ি হাতে করিয়া দেখা দিল –তাহার পর তিনজন জজ লাল কোর্তা পরা গম্ভীরবদনে মৃদু মৃদু গতিতে বেঞ্চের উপর উঠিয়া কৌন্‌সুলিদের সেলাম করত উপবেশন করিলেন। কৌন্‌সুলিরা অমনি দাঁড়াইয়া সম্মানপূর্বক অভিবাদন করিল –চৌকির নাড়ানাড়ি ও লোকের বিজ্‌বিজিনি এবং ফুসফুসানি বৃদ্ধি হইতে লাগিল –পেয়াদারা মধ্যে মধ্যে “চুপ্‌ চুপ্‌ চুপ্‌” করিতেছে –সার্‌জনেরা “হিশ হিশ” করিতেছে –ক্রায়র “ওইস –ওইস” বলিয়া সেশন খুলিল। অনন্তর গ্রাঞ্জুরিদিগের নাম ডাকা হইয়া তাহারা মকরর হইল ও আপনাদিগের ফোরম্যান অর্থাৎ প্রধান গ্রাঞ্জুরি নিযুক্ত করিল। এবার রস্‌ল্‌ সাহেবের পালা, তিনি গ্রাঞ্জুরির প্রতি অবলোকন করিয়া বলিলেন –মকদ্দমার তালিকা দৃষ্টে বোধ হইতেছে যে, কলিকাতায় জাল করা বৃদ্ধি হইয়াছে কারণ ঐ কালেবের পাঁচ-ছয়টা মকদ্দমা দেখিতে পাই –তাহার মধ্যে ঠকচাচা ও বাহুল্যের প্রতি যে নালিশ তৎসম্পর্কীয় জবানবন্দিতে প্রকাশ পাইতেছে যে, তাহারা শিয়ালদাতে জাল কোম্পানির কাগজ তৈয়ার করিয়া কয়েক বৎসরাবধি এই শহরে বিক্রয় করিতেছে –এ মকদ্দমা বিচারযোগ্য কি-না তাহা আমাকে আগ্রে জানাইবেন –অন্যান্য মকদ্দমার দস্তাবেজ দেখিয়া যাহা কর্তব্য তাহা করিবেন তদ্বিষয়ে আমার কিছু বলা-বাহুল্য। এই চার্জ পাইয়া গ্রাঞ্জুরি কামরার ভিতর গমন করিল –বাঞ্ছারাম বিষন্ন ভাবে বটলর সাহেবের প্রতি দেখিতে লাগিলেন। দশ-পনের মিনিটের মধ্যে ঠকচাচা ও বাহুল্যের প্রতি ইণ্ডাইটমেণ্ড যথার্থ বলিয়া আদালতে প্রেরিত হইল। অমনি জেলের প্রহরী ঠকচাচা ও বাহুল্যকে আনিয়া জজের সম্মুখে কাঠরার ভিতর খাড়া করিয়া দিল ও পেটিজুরি নিযুক্ত হওন কালীন কোর্টের ইণ্টারপ্রিটার চিৎকার করিয়া বলিলেন –মোকাজান ওরফে ঠকচাচা ও বাহুল্য ! তোমলোক্‌কা উপর জাল কোম্পানির কাগজ বানানেকা নালেশ হুয়া –তোমলোক এ কাম কিয়া কি নেহি ? আসামীরা বলিল –জাল বি কাকে বলে আর কোম্পানির কাগজ বি কাকে বলে মোরা কিছুই জানি না, মোরা সেরেফ মাছ ধরবার জাল জানি। মোরা চাষবাস করি মোদের এ কাম নয় –এ কাম সাহেব সুভদের। ইণ্টারপ্রিটার ত্যক্ত হইয়া বলিল তোমলোক বহুত লম্বা লম্বা বাত কহতা হেয় –তোমলোক এ কাম কিয়া কি নেহি ? আসামীরা বলিল – মোদের বাপ-দাদারাও কখন করে নাই। ইণ্টারপ্রিটার অত্যন্ত বিরক্ত হইয়া মেজ চাপড়িয়া বলিল –হামারি বাতকো জবাব দেও –এ কাম কিয়া কি নেহি ? নেহি নেহি এ হামলোক কাভি কিয়া নেহি –এই উত্তর আসামীরা অবশেষে দিল। উক্ত প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করিবার তাৎপর্য এই যে আসামী যদি আপন দোষ স্বীকার করে তবে তাহার বিচার আর হয় না –একেবারে সাজা হয়। অনন্তর ইণ্টারপ্রিটার বলিলেন –শুন –এই বারো ভালা আদমি বয়েট করকে তোমলোক কো বিচার করেগা –কিসিকা উপর আগর ওজর রহে তব আবি কহ –ওন্‌কো উঠায় করকে দুসরা আদমিকো ওন্‌কো জাগেমে বটলা যায়েগি। আসামীরা এ কথার ভালো-মন্দ কিছু না বুঝিয়া চুপ করিয়া থাকিল। এদিকে বিচার আরম্ভ হইয়া ফৈরাদির ও সাক্ষীর জবানবন্দীর দ্বারা সরকারের তরফ কৌন্‌সুলি স্পষ্টরূপে জাল প্রমাণ করিল, পরে আসামিদের কৌন্‌সুলি আপন তরফ সাক্ষী না তুলিয়া জেরার মারপেছি কথা ও আইনের বিতণ্ডা করত পেটিজুরিকে ভুলাইয়া দিতে চেষ্টা করিতে লাগিলেন। তাহার বত্তৃতা শেষ হইলে পর রস্‌ল্‌ সাহেব মকদ্দমা প্রমাণের খোলসা ও জালের লক্ষণ জুরিকে বুঝাইয়া বলিলেন –পেটিজুরি এই চার্জ পাইয়া পরামর্শ করিতে কামরার ভিতর গমন করিল –জুরিরা সকলে ঐক্য না হইলে আপন অভিপ্রায় ব্যক্ত করিতে পারে না। এই অবকাশে বাঞ্ছারাম আসামীদের নিকট আসিয়া ভরসা দিতে লাগিলেন, দুই-চারিটা ভালো-মন্দ কথা হইতেছে ইতিমধ্যে জুরিদের আগমনের গোল পড়ে গেল। তাহারা আসিয়া আপন আপন স্থানে বসিলে ফোরম্যান দাঁড়াইয়া খাড়া হইলেন –আদালত একেবারে নিস্তব্ধ –সকলেই ঘাড় বাড়াইয়া কান পেতে রহিল –কোর্টের ফৌজদারী মমলার প্রধান কর্মচারী ক্লার্ক অব্‌দি ক্রৌন জিজ্ঞাসা করিল, –জুরি মহাশয়েরা ! ঠকচাচা ও বাহুল্য গিল্টি কি নাট গিল্টি ? ফোরম্যান বলিলেন –গিল্টি –এই কথা শুনিবামাত্র আসামীদের একেবারে ধড় থেকে প্রাণ উড়ে গেল –বাঞ্ছারাম আস্তে-ব্যস্তে আসিয়া বলিলেন –আরে ও ফুল গিল্টি ! এ কি ছেলের হাতের পিটে ? এখুনি নিউ ট্রায়েল অর্থাৎ পুনর্বিচারের জন্য প্রার্থনা করিব। ঠকচাচা দাড়ি নাড়িয়া বলিলেন –মোশাই ! মোদের নসিবে যা আছে তাই হবে মোরা আর টাকাকড়ি সরবরাহ করিতে পারিব না। বাঞ্ছারাম কিঞ্চিৎ চটে উঠিয়া বলিলেন –সুদু হাঁড়িতে পাত বাঁধিয়া কত করিব –এসব কর্মে কেবল কেঁদে কি মাটি ভিজানো যায় ?

    এদিকে রস্‌ল্‌ সাহেব উল্টে-পাল্টে দেখিয়া আসামীদিগের প্রতি দৃষ্টি করত এই হুকুম দিলেন – “ঠকচাচা ও বাহুল্য ! তোমাদের দোষ বিলক্ষণ সপ্রমাণ হইল – যে সকল লোক এমন দোষ করে তাহাদের গুরুতর দণ্ড হওয়া উচিৎ, এ কারণে তোমরা পুলিপালমে গিয়া যাবজ্জীবন থাক।” এই হুকুম হইবামাত্র আদালতের প্রহরীরা আসামীদের হাত ধরিয়া নীচে লইয়া গেল। বাঞ্ছারাম পিচ কাটিয়া একপার্শ্বে দাঁড়াইয়া আছেন –কেহ কেহ তাঁহাকে বলিল –এ কি –আপনার মকদ্দমাটা যে ফেঁসে গেল ? তিনি উত্তর করিলেন –এ তো জানাই ছিল –আর এমন সব গলতি মামলায় আমি হাত দি না –আমি এমতো সকল মকদ্দমা কখনই ক্যার করি না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleদ্য টাইগার’স প্রে – উইলবার স্মিথ / টম হারপার
    Next Article সুবৰ্ণ সমাধি – ডিউক জন
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }