Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আলো হাতে সেই মেয়েটি – তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

    তপন বন্দ্যোপাধ্যায় এক পাতা গল্প228 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    প্লাস্টিক তালুকদার

    পাড়ার বিরুপাক্ষবাবু ফিরছিলেন দোকানের কেনাকাটা সেরে। ঠোঁটের কোণে বেশ কায়দা করে ধরানো একটা লম্বা সিগারেট। ভুক ভুক করে ধোঁয়া ওড়াচ্ছেন। হঠাৎ পথের মোড়ে প্র‌তীক তালুকদারকে দেখে বললেন, আরে প্র‌তীকবাবু যে! বড়ো রাস্তার উপর একটা নতুন দোকান উদ্বোধন হল তো!

    তাই নাকি! ওখান থেকেই কেনাকাটা করলেন?

    হ্যাঁ। ভালো সরবত খাওয়াচ্ছে। আর কিছু একটা কিনলেই একটা সিগারেট ফ্রি।

    প্র‌তীকবাবু জানেন বিরুপাক্ষবাবু সিগারেট খান না। আজ সিগারেট ফ্রি পেয়ে তাই কায়দা করে টানতে টানতে আসছেন!

    আপনিও যান।

    ছুটির দিন। আজ প্র‌তীকবাবুর অফিস ছিল না, ভাবলেন, যাই দেখে আসি রগড়টা। ফির‌তে যখন পাওয়া যাচ্ছে সরবত আর সিগারেট।

    প্র‌তীক তালুকদারের অনেক বিচিত্র স্বভাবের একটি হল কোথাও যদি কোনও কিছু ফির‌তে পাওয়া যায় তবে খুব দ্রুত সেটি সংগ্র‌হ করে নেওয়া। যেমন নববর্ষের দিন যে কটা হালখাতার চিঠি বাড়িতে আসে, সেগুলো জমিয়ে রাখেন, দিনের দিন সন্ধের পর ইস্ত্রি করা ধুতি-পাঞ্জাবি পরে প্র‌তিটি দোকানে যান, মিষ্টি বা সরবত যা পাওয়া যায় তা গলাধঃকরণ করে, যে কটা মিষ্টির প্যাকেট পাওয়া যায় তা একটা প্লাস্টিকের প্যাকেটে ভরে ফেলেন। রাতের বেলা যখন ঘরে ফেরেন, তাঁর হাতের প্লাস্টিক উপচে পড়ে রকমারকম প্যাকেটে।

    শুধু নববর্ষের দিনেই নয়, অফিসের অ্যানুয়াল ফাংশন হলে প্র‌ত্যেক দর্শকের জন্য একটা করে ভারী প্যাকেট বরাদ্দ। কিন্তু প্র‌তীক তালুকদার যখন বাড়ির পথ ধরেন তখন তাঁর ব্যাগে একাধিক প্যাকেট। কী করে, কাকে ধরে অতিরিক্ত প্যাকেট সংগ্র‌হ করলেন তা কেউ জানে না। সবাই দেখল প্র‌তীক তালুকদারের হাতে ঝুলছে একটা বড়ো প্লাস্টিক, তার ভিতর শোভা পাচ্ছে তিন-তিনটে প্যাকেট।

    প্লাস্টিক তাঁর নিত্যসঙ্গী বলে অফিসেও যেমন, পাড়াতেও, তাঁর প্র‌তীক তালুকদার নামটা একটু রদবদল করে সবাই ডাকে প্লাস্টিক তালুকদার। অবশ্যই তাঁর আড়ালে।

    বড়ো রাস্তায় পৌঁছে দেখলেন নতুন দোকানের নাম দিয়েছে ‘হরেকরমবা’। নানা রঙিন কাগজের মালা উড়ছে দোকানের চারপাশে। ছাদের উপরে একটা মাইক টাঙিয়ে তার ভিতর দিয়ে গাঁক গাঁক করে বেরচ্ছে হিন্দি গানের সুর।

    প্র‌তীকবাবু দেখলেন বেশ ভিড় জমেছে দোকানের সামনে। সবার হাতে-হাতে একটা করে গেলাস। তাতে লাল-নীল-সবুজ সরবত।

    প্র‌তীকবাবু একটু দমে গেলেন। একটা কমলা রঙের সরবতের গেলাসে চুমুক দিয়ে ভাবলেন, সরবত তো প্লাস্টিকে নেওয়া যাবে না! এদিক ওদিক তাকিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, মিষ্টির প্যাকেট নেই?

    দোকানের ভুঁড়েল মালিক একটু দূরে বসে। চার-পাঁচজন কর্মচারী সরবতের ট্রে নিয়ে ঘোরাঘুরি করছে, তাদেরই একজন বলল, না, প্যাকেট নেই। তবে সিগারেট আছে।

    সিগারেট! প্র‌তীকবাবু জানেন খবরটা।

    হ্যাঁ, যা কিছু কিনবেন, সঙ্গে একটা সিগারেট ফির‌।

    শুধু আজ, না রোজ?

    প্র‌তিমাসে যতগুলো প্যাকেট নেবেন, ততগুলো সিগারেট ফির‌।

    প্র‌তীকবাবুর মনের ভিতরটা আনচান করে উঠল। মাসকাবারি বাজার যা করেন তাতে অন্তত তিরিশ রকম কেনাকাটা। তাহলে তিরিশটা সিগারেট ফির‌। এখন সিগারেটের অনেক দাম! ভাবা যায়! কিন্তু সমস্যা হচ্ছে প্র‌তীকবাবু সিগারেট খান না!

    কিন্তু খান না তাতে কী হয়েছে! তিনি ফির‌ গিফট কিছুতেই ছাড়বেন না। একবার জিজ্ঞাসা করলেন, আচ্ছা, যদি কেউ সিগারেট না খায়, তাহলে কী হবে?

    লোকটি ভেবেচিন্তে বলল, তাহলে একটা করে টফি।

    টফি! প্র‌তীকবাবু হিসেব করলেন টফির চেয়ে সিগারেট দামি। সিগারেট নেওয়াই ভালো। তিনি নিজে খান না তাতে কী হবে! যারা খায় তাদের একটু কমে বিক্রি করে দিলে কিছু লাভ হবে।

    সেদিনই পনেরো রকম কেনাকাটা করে পনেরোটা সিগারেট একটা প্লাস্টিকে ঝুলিয়ে বাড়ি ফিরলেন বীরবিক্রমে।

    সামনেই একটা বড়ো বিয়ের নিমন্ত্রণ। সেদিন একটা বড়ো প্লাস্টিক লাগবে।

    ২.

    নান পরোটা, কাশমীরি আলুর দম, বাটার ফিস, ফ্রায়েড রাইস, ফিস কারি, চিলি চিকেন, মাটন কারি…

    অফিসের অ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার দুর্লভ রায়ের বিয়ে। আজ তার রিসেপশন। সম্প্রতি একটা প্র‌মোশনও হয়েছে দুর্লভের। তার জন্য কোনও নামী হোটেলে খাওয়াবে-খাওয়াবে বলেও খাওয়াতে পারল না হঠাৎ বিয়েটা লেগে গেল বলে। তখন বলল, প্র‌তীকদা, বিয়েতে খুব ভালো ক্যাটারার ঠিক করেছি। ছশো পঁচিশ টাকা প্লেট। কবজি ডুবিয়ে খাবেন। ব্যাঙ্কোয়েট হল বুক করেছি।

    ব্যাঙ্কোয়েট হল এদিককার খুব দামি ও নামি বিয়েবাড়ি। তার ভিতরে ঢুকলে ধাঁধিয়ে যায় চোখ। ভালো পরিবেশে খেতে বসলে খাওয়াটাও খুব তৃপ্তির হয় তাতে সন্দেহ নেই। ভুরিভোজে বসেও কিন্তু প্র‌তীকবাবুর মন পড়ে আছে পকেটের প্লাস্টিকের উপর। নিমন্ত্রণবাড়িতে তিনি একাই খাবেন তা তো নয়, তাঁর পকেটে সর্বদাই মজুত থাকে এক বা একাধিক প্লাস্টিক, সেই প্লাস্টিক তাঁর টাইগারের জন্য। বিয়ে বাড়ির মেনুকার্ডে লম্বা খাদ্যতালিকা দেখতে দেখতে মাটন কারিতে এসে থেমে গেলেন প্র‌তীক তালুকদার। নীচে আরও অনেক দফা আইটেম। কিন্তু প্র‌তীকবাবুর কাছে মাটনটাই আসল। তিনি নিজে যেমন মাটনপ্রি‌য়, তেমনি তাঁর টাইগার।

    টাইগার তাঁর বাড়ির অ্যালসেশিয়ানটার নাম। অফিসের সবাই জেনে গেছে তাঁর এই লেটেস্ট বিলাসিতার কথা। সবাইকে বারে বারে শোনাতে থাকেন অ্যালসেশিয়ানটাকে যখন কিনেছিলেন তখনও ভাবতে পারেননি দিনে-দিনে সেটা সত্যিই বাঘের মতো চেহারা হবে! প্র‌ায় পাঁচ ফুট উচ্চতা এখন। লম্বায় অন্তত ছ’ফুট।

    খাওয়ার টেবিলে বসে আজও টাইগারের চেহারার বর্ণনা দিতে অফিসের পল্টন রায় সমীহ সহকারে মাথা দোলায়, উফ, প্র‌তীকদা, কিনেছেন বটে একটা কুকুর!

    কুকুর বললে অবশ্য মোটেই খুশি হন না প্র‌তীকবাবু। খেঁকিয়ে উঠে বললেন, কুকুর বলছো কী! অ্যালসেশিয়ানকে কুকুর বললে অ্যালসেশিয়ানের অপমান।

    কিন্তু বিষয়টা ওখানেই থেমে গেল কেন না তখন প্লেটে নান পরোটা পড়ছে।

    ‘ব্যাঙ্কোয়েট হল’ নামে ম্যারেজ হলটা বেশ পেল্লাই। চারদিকে ঝলমলে আলো। জেল্লা দেওয়া পোশাক পরে চারদিকে প্র‌চুর অতিথি। রাজরানির সাজে বসে থাকা কনের হাতে উপহারের প্যাকেটটা দিয়েই খাবার টেবিলে বসে গেছেন প্র‌তীক তালুকদার। খাওয়ার ব্যাপারটা তাঁর কাছে খুব ইমপর্ট্যান্ট।

    এখন আর নো-টক।

    কিন্তু তিনি নো-টক করতে চাইলে কী হবে? পাশে বসা পল্টন রায় নাটক করেই চলে, গলা নীচু করে খোঁচাতে থাকে, আজ ক’টা প্লাস্টিক এনেছেন, প্র‌তীকদা?

    প্র‌তীকবাবু নান পরোটা ছিঁড়তে ছিঁড়তে বললেন, খাওয়ার সময় মন দিয়ে খাও। ডোন্ট ভ্যাজভ্যাজ। কাশমীরি আলুর দমটার কী টেস্ট হয়েছে দেখেছ? কত করে প্লেট জানো?

    কাশমীরি আলুর দমের সঙ্গে নান পরোটা ভালোই জমল, কিন্তু প্র‌তীক তালুকদার প্র‌থম দিকের খাবার বেশি খেয়ে পেট ভরাতে রাজি নন। তাঁর আসল লক্ষ্য মাটন। চিকেনের দাম অনেক কম বলে অনেক নিমন্ত্রণবাড়িতে আজকাল চিকেন দিয়েই চালিয়ে দেয়। সেসব নিমন্ত্রণে গিয়ে জিবের ও পেটের তেমন তৃপ্তি হয় না। তাই দু-একটা আইটেম ডিঙিয়ে সোজা পৌঁছে গেলেন মাটনে। যে-ছোকরা মাটনের বালতি নিয়ে ঘুরছে, তাকে ডেকে বললেন, মাটনের বেলায় কখনও হাতটান করবে না। হাতা ডুবিয়ে দেবে, কবজি ডুবিয়ে খাব। বুঝলে?

    ওই একটা কথায় কাজ হল। তিন-চার হাতা পাতের উপর জড়ো হতে আশপাশে যারা খাচ্ছিল তারা অনেকেই টেরিয়ে দেখল প্র‌তীক তালুকদারের পাতে মাংসের পাহাড়।

    প্র‌তীক তালুকদারের অবশ্য তাতে কিছু যায় আসে না। আগেকার দিনের নিমন্ত্রণকর্তারা খাউন্তে লোকদের আলাদা করে বসিয়ে প্র‌াণ ভরে খাওয়াত। সে রামও নাই, অযোধ্যাও অস্ত। এখন ক্যাটারার ছোকরাগুলোর বড্ড হাতটান। যতটা পারে বাঁচাতে চায় মালিকের। কিন্তু বাঁচিয়ে তাদের কী লাভ হয় কে জানে। তাদের মাইনে নিশ্চয় বাড়ে না!

    হাঁত হাঁত করে খাওয়ার মধ্যে ফুট কাটল অন্য পাশে বসা তাদের অফিসের ক্যাশিয়ার অমলেশ ঠাকুর, প্র‌তীকদা, পল্টন কী যেন প্লাস্টিকের কথা বলল?

    আলোচনার খেই পেয়ে প্র‌তীকবাবুর বড়ো আহ্লাদ, বললেন, আমার তো আবার একা খেলে হয় না। টাইগারকে নিয়ে কী সমস্যা বলো। সেটা আড়ে-দৈর্ঘে্য যা বেড়েছে, একখানা আস্ত বাঘ!

    কথা চালিয়ে যাওয়ার জন্য অমলেশবাবু বললেন, তাই নাকি?

    হ্যাঁ। হঠাৎ না-বলে যদি কেউ আমাদের বাড়িতে এসে পড়ে, তাহলে খুব মুশকিল। বাঘের মতো চেহারা। নতুন লোক দেখলে ছুটে এসে তার দুই কাঁধের উপর দুটো থাবা তুলে দিয়ে জিব বার করে এমন হাঁই হাঁই করে শ্বাস নেবে যে, তার অবস্থা টাইট।

    অমলেশবাবুর হাত প্লেটের উপর স্থির হয়ে গেল, বলল, বলেন কী! তাহলে তো আপনার বাড়ি যাওয়াই মুশকিল।

    না, কোনও মুশকিল নেই! শুধু যাওয়ার আগে আমাকে একটা খবর দিতে হবে ফোনে, ব্যাস। আমি সময়মতো বাবাজির কলারে একটা চেন পরিয়ে ঢুকিয়ে দিই ভিতরের ঘরে। এক ধমক দিয়ে বলি, ‘টাইগার টুঁ শব্দটি যদি শুনি’— আর কোনও প্র‌বলেম নেই।

    অমলেশবাবুর পরবর্তী প্রশ্ন, তাহলে আপনার খুব মুশকিল! এত বড়ো অ্যালসেশিয়ান, তার খাইখরচ তো অনেক!

    এতক্ষণে একটা খাঁটি কথা বলেছেন। তার খাইখরচ শুনলে ভিরমি খেয়ে যাবেন! রোজ—

    অমলেশবাবু খাওয়া থামিয়ে বললেন, না, প্র‌তীকদা, তার খাওয়ার ফিরিস্তি শুনলে যদি আমি ভিরমি খাই, তাহলে আর এমন সাধের নেমন্তন্নটা খাওয়া হবে না। পরে কোনও একসময় শুনে নেব।

    বরং তাই হবে, অমলেশ। বলে প্র‌তীকবাবু চেঁচালেন, কই, মাটন কে দিচ্ছে?

    অমলেশবাবু আঁতকে উঠে বললেন, আবার মাটন নেবেন?

    না, না, আমার কোটা শেষ। এবার—

    বেশ কয়েক হাতা মাটন খেয়ে পরিতৃপ্তির ঢেকুর তুলে হাত ধুয়ে প্র‌তীক তালুকদার ব্যস্ত হলেন তাঁর পোষ্যর খোরাকি নিতে। বাঁ-পকেট থেকে একটা মস্ত প্লাস্টিকের প্যাকেট বের করে সেটি এগিয়ে দিলেন মাটনের বালতির দিকে, ছোকরাটিকে বললেন, একটা অ্যালসেশিয়ান পুষতে আমার কালঘাম ছুটে যাচ্ছে। রোজ বাজারে কেজি-কেজি মাংস কিনতে গিয়ে আমি একদম ফতুর। তুমি চার-পাঁচ হাতা মাংস এই প্লাস্টিকটার মধ্যে একটু ভরে দাও তো। নিজে পেট পুরে খাচ্ছি, আর আমার মন পড়ে আছে বাড়িতে। আমি বাড়ি ফিরলেই সে-বেচারি আমার গা শুঁকে বুঝে যাবে আমি মাটন খেয়ে এসেছি, অমনি আমার গায়ের উপর লাপিয়ে-ঝাঁপিয়ে একশা করবে। ঘরে ঢুকতেই দেবে না।

    মাটন-বয় সব শুনেটুনে প্লাস্টিকটা ভরে দিল অনেকগুলি মাংসখণ্ডে। কিন্তু প্র‌তীক তালুকদারের তাতেও মন ভরল না, বললেন, একটু কষাও দাও। টাইগার আবার কষা খেতে খুব পছন্দ করে।

    প্লাস্টিক ভর্তি কষা মাংস নিয়ে বাড়ি ফেরার পথে প্র‌তীক তালুকদারের কী আনন্দ। বললেন, যা চাকরি করি তাতে কি টাইগারের পেট ভর্তি করতে পারি? আজ যা নিয়ে যাচ্ছি তাতে টাইগারের দুটো দিন আরামসে কেটে যাবে।

    ৩.

    এক বিশাল অকারের অ্যালসেশিয়ান পুষে তিনি যে বেশ বিড়ম্বনায় পড়েছেন তা জনে জনে বোঝাতে থাকেন প্র‌তীক তালুকদার। কেউ কেউ উপদেশ দেন, প্র‌তীকদা, এর নাম গরিবলোকের ঘোড়ারোগ। আমরা যা চাকরি করি তাতে কি এত বড়ো একটা বাঘ পোষা পোষায়!

    প্র‌তীক তালুকদার বড়ো করে ঘাড় নেড়ে বলেন, সে কি আর আমি বুঝি না! কিন্তু আমার যে কী মায়া পড়ে গেছে টাইগারের উপর তা কী বলব! সে তো সারাক্ষণ আমার গায়ে-গায়ে লেপ্টে থাকে। রাতে শোয়ার সময় গুটিগুটি এসে শোবে আমার গা ঘেঁষে। তোমার বউদি তো ক্ষেপে লাল! কিন্তু কী করব বলো! এর নাম মায়া।

    প্র‌তীক তালুকদারের অ্যালসেশিয়ানের গল্প তখন এক মুখ থেকে শত মুখে ঘুরছে প্র‌বাদের মতো। এত বড়ো একটা বাঘ পুষতে গিয়ে তিনি প্র‌ায় ফতুর হওয়ার উপক্রম, তাই তাঁর এই নিত্য প্লাস্টিক অভিযান। যে কোনও নিমন্ত্রণবাড়িতে যাওয়ার সময় তাঁর পকেটে থাকে একাধি প্লাস্টিক। কখনও খাওয়ার টেবিলে বসে বাড়িয়ে দেন প্লাস্টিক, তখন না পারলে খাওয়ার পর সোজা ঢুকে যান নিমন্ত্রণবাড়ির কিচেনে, সেখানে গিয়ে পকেট থেকে বার করেন প্লাস্টিকগুচ্ছ, সেগুলো ভরে নিয়ে বেশ তৃপ্ত মুখে রওনা দেন বাড়ির দিকে, আর বলতে থাকেন যাক, আজ টাইগারের একটা সুখের দিন।

    ডেসপাচ-ক্লার্ক বিমলেন্দুবাবু অন্য এক কলিগ নিশীথবাবুকে ফিসফিসিয়ে বললেন, ছি, ছি, আমি এরকম প্লাস্টি পকেটে করে যেতে পারতাম না নিমন্ত্রণবাড়িতে। কে কী বলবে তার ঠিক আছে?

    প্র‌তীকবাবুর কানে যথাসময়ে পৌঁছে গেল সেকথা, তিনিও জনান্তিকে বললেন, অ্যালশেসিয়ানটা তো আমার বাড়ির সদস্য, তার জন্য মাংস নিয়ে যাই তাও চোখ টাটায় ওদের! টাইগারকে যদি একদিন দেখে ওরা, তাহলে আর বলতে পারত না কথাটা!

    প্র‌তীকবাবুর এমন চাওয়া-স্বভাব ক্রমে আরও ঊধর্বমুখী। তা এমন শিল্পের পর্যায়ে উন্নীত হল যে, এই প্লাস্টিকবৃত্তান্ত নিয়ে সারাক্ষণ আলোচনা, গুজগুজ, ফিসফিস অফিসের মধ্যে।

    ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার অসীম বিশ্বাস প্রোমোশন নিয়ে জেনারেল ম্যানেজার অর্গানাইজেশন হলেন, সবাই তাঁকে চেপে ধরলেন, স্যার, এত বড়ো প্রোমোশন, আপনাকে খাওয়াতে হবে।

    ডিজিএম হাসি-হাসি মুখে বললেন, বলুন, কী খাবেন?

    কেউ কিছু বলার আগে প্র‌তীক তালুকদার বললেন, স্যার, রুটির সঙ্গে কষা মাংস।

    ডিজিএম হা হা করে হেসে বললেন, এই খাওয়া! ঠিক আছে, তাই হবে।

    তাঁর ঘর থেকে বেরিয়ে আসতেই অফিসের অন্যরা ঝাঁপিয়ে পড়লেন প্র‌তীকবাবুর উপর, আপনি রুটি-মাংস চাইলেন? আমরা কোথায় ভেবেছিলাম ফাইভ কোর্স ডিনার খাব ভালো হোটেলে গিয়ে!

    প্র‌তীকবাবু হ্যা হ্যা করে হেসে বললেন, আমি কি শুধু আমার জন্য রুটি মাংস খেতে চেয়েছি! আমার টাইগারটাও তা হলে ক’পিস মাংস খেতে পাবে। টাইগারকে তো এরকম দামি হোটেলে ঢুকতে দেবে না!

    —বাহ, আপনার টাইগারের জন্য মাংস নেবেন বলে আমাদের ভালো খাওয়াটা নষ্ট করলেন। রুটি মাংস তো বাড়ির খাওয়া! ডিজিএম সাহেবের কাছে এরকম সহজ খাওয়া চাওয়ার কোনও মানে হয়!

    সেই রুটি-মাংস পর্বের পরের ঘটনা আরও ঘটনাবহুল। অফিস থেকে একটা জমজমাটি পিকনিকের আয়োজন হল ফুলেশ্বরে, গঙ্গার ধারে একটা বাংলোয়। সেখানে সারা দুপুর আড্ডা, তাস খেলা, বিছানায় শুয়ে-বসে জিরোনো। বাইরে কিচেনে রাঁধুনিরা ব্যস্ত একের পর এক আইটেম রাঁধতে।

    প্র‌তীক তালুকদারের কিন্তু আরাম করার সময় নেই, আজ তার সঙ্গে অনেকগুলো প্লাস্টিক। তারই কয়েকটা দিয়ে এলেন যেখানে গুচ্ছের মুরগির জীবনান্ত হচ্ছে। বললেন, চিকেন পিস-পিস করার সময় যা ছাঁট বেরবে, হাড়গোড় যা ফেলে দেবে, সেগুলো এই প্লাস্টিকগুলোয় ভরে রাখবে, বুঝলে? বাড়ি গিয়ে রেঁধে টাইগারকে দেব। খুব খুশি হবে টাইগার।

    তাঁর চাওয়া ওখানেই শেষ হল না, পিকনিকের খাওয়াদাওয়া শেষ হলে আরও কয়েকটা প্লাস্টিক দিলেন রাঁধুনিকে, মাটনের গামলায় যে কটা পিস বেশি হবে, কষাটসা মিশিয়ে এই প্লাস্টিকগুলোয় ভরে দিও তো।

    ঘরের ফেরার সময় দেখা গেল প্র‌তীকবাবুর দুই হাতে ঝুলানো প্লাস্টিকগুচ্ছ। ডান হাতে রান্না করা চিকেন, বাঁ-হাতে কাঁচা চিকেনের ছাঁট। দুই হাতেই বেশ ওজন। পল্টন সেই দৃশ্য দেখে বলল, নাহ, এবার আপনার টাইগারকে দেখতে যেতেই হচ্ছে প্র‌তীকদা।

    প্র‌তীকবাবু থতমত খেয়ে বললেন, আগে থেকে টেলিফোন করে যেও কিন্তু, নইলে যা রাগ টাইগারের, নতুন লোক দেখলেই ঝাঁপিয়ে পড়বে গায়ের উপর।

    ঠিক আছে, প্র‌তীকদা তাই যাব।

    তার দিন তিন-চার পরে পল্টন অফিসে এসে খুব উত্তেজিত, বলল, অমলেশদা, গিয়েছিলাম প্র‌তীকদার বাড়ি।

    অমলেশবাবু বললেন, টেলিফোন করে গিয়েছিলে নিশ্চয়ই! শুনেছি যা বাঘের মতো চেহারা অ্যালসেশিয়ানটার!

    পল্টন হাসছিল হা হা করে, বলল, সত্যিই বাঘের মতো. আমি সঙ্গে করে একটা হাই পাওয়ারের লেন্স নিয়ে গিয়েছিলাম, যাতে ছোটো জিনিসকে বড়ো দেখায়।

    তাই নাকি? অফিসের আরও অনেকে এসেছে পল্টনের অভিজ্ঞতা শুনতে, কত বড়ো দেখলে?

    পল্টন আরও জোরে হাসল, টেলিফোন না করেই গিয়েছিলাম কাল, গিয়ে দেখি তাজ্জব দৃশ্য!

    কী দৃশ্য?

    দেখি বারান্দায় বসে সার সার প্লাস্টিক শুকোতে দিচ্ছে প্র‌তীকদা। আমাকে দেখে চমকে উঠে বললেন, এ কী তুমি? টেলিফোন না করেই চলে এলে? আমি বললাম, আপনার সঙ্গে খুবই জরুরি একটা আলোচনা করার দরকার, তাই সোজা চলে এলাম। প্র‌তীক বললেন, কী আলোচনা? টাইগার কিন্তু বাঁধা নেই। যে কোনও মুহূর্তে এসে পড়তে পারে! বললাম, প্র‌তীকদা, আমিও একটা অ্যালসেশিয়ান কিনব। তাই আপনার অ্যালসেশিয়ানটা দেখতে এলাম কতটা ভয়ঙ্কর! কই, নিয়ে আসুন দেখি আপনার টাইগারকে। প্র‌তীকদা বললেন, ও হো, ভুলে গিয়েছিলাম। তোমার বউদি ভীষণ রাগারাগি করছিল টাইগারের দুরন্তপনার জন্য। আমার এক বন্ধু টাইগারকে নিয়ে গেছে কয়েকদিনের জন্য। বললাম, তাই নাকি? তাহলে কোথায় ছিল টাইগার, সেই জায়গাটা দেখি! ব্যস, প্র‌তীকদা চুপ। বুঝলেন অমলেশদা, আমি বুঝতে পেরেছিলাম আদৌ টাইগার বলে কেউ নেই। সবই প্র‌তীকদার বানানো গল্প। প্লাস্টিকের ব্যাগে মাংস নিয়ে গিয়ে নিজেরাই দু-তিন দিন ধরে খায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগোয়েন্দা গার্গী সমগ্র – তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    Next Article রাজমালা বা ত্রিপুরার ইতিহাস – শ্রী কৈলাসচন্দ্ৰ সিংহ প্রণীত

    Related Articles

    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

    গোয়েন্দা গার্গী সমগ্র – তপন বন্দ্যোপাধ্যায়

    August 20, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }