Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আল আকসা মসজিদের ইতিকথা – এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম

    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম এক পাতা গল্প129 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মসজিদে আকসা ও সাখরায় ইহুদী হামলার বিবরণ

    ১৯৬৭ সালের ৫ই জুনের যুদ্ধে জেরুসালেম জবরদখল করার পর থেকে আজ পর্যন্ত অধিকৃত ফিলিস্তিনের পবিত্র স্থানসমূহের উপর ইসরাইলী আক্রমণ অব্যাহত রয়েছে। তাদের আচরণ দ্বারা বুঝা যায়, বাইতুল মাকদিসের ইসলামী চরিত্র পরিবর্তন করে ইহুদীকরণের আগ পর্যন্ত তারা ক্ষান্ত হবার নয়। আর তাদের সেই ইচ্ছা মসজিদে আকসা ও সাখরার চিরস্থায়ী ধ্বংস করার আগ পর্যন্ত পূরণ হতে পারে না। মসজিদে আকসা ও সাখরার উপর বার বার ইহুদী হামলার কারণ বিশ্লেষণ করলে যে মারাত্মক চিত্র ফুটে ওঠে, তা হচ্ছে, ১. পরিকল্পিত উপায়ে বিভিন্নভাবে জোরদার আক্রমণ চলছে। ২. ষড়যন্ত্রের সাথে জড়িত পক্ষসমূহের সংখ্যা এবং শাখা-প্রশাখা বৃদ্ধি পাচ্ছে। ৩. ঐ সকল আক্রমণ কিংবা ষড়যন্ত্রের মোকাবিলায় আরব ও মুসলিম বিশ্বের ব্যক্ত প্রতিক্রিয়া উপযুক্ত নয়। এর কারণ দুটোর যে কোন একটি হতে পারে। হয় তারা এ বিষয়ে অজ্ঞ, কিংবা বিষয়টিকে হালকাভাবে দেখছেন। ৪. ইসরাইল সরকার মসজিদে আকসার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রকারী দল ও সংস্থাসমূহের জন্য আড়াল হিসেবে কাজ করে। যদি তারা কোন দুর্ঘটনা ঘটায় তখন সরকার বলে, এটা চরমপন্থীদলের কাজ কিংবা প্রত্যাখ্যাত সন্ত্রাস। তখন লোক দেখানোর উদ্দেশ্যে অপরাধীদের ২ /১ জনকে আটক করে এবং পর্দার অন্তরালে তাদেরকে জাতীয় বীরের মর্যাদা দান করে। সময় সময় বিশেষ কোন শাস্তির ঘোষণা দিয়েও তাদেরকে জাতীয় বীরের মর্যাদা দেয়। ৫. আল্লাহর নিজ কুদরতের বদৌলতে এ যাবত বহু ইহুদী ষড়যন্ত্র ব্যর্থ করে দিয়েছেন। মসজিদে আকসা ও সাখরার হেফাজতকারী শুধু জেরুসালেমের নিরস্ত্র ফিলিস্তিনীরা নয়, বরং গোটা বিশ্ব মুসলিম এর হেফাজতকারী। বাস্তবে ফিলিস্তিনী জনগণ ছাড়া মুসলিম মিল্লাতের অবশিষ্টাংশ ঘুমিয়ে আছে ও নিজ দায়িত্ব পালনে এগিয়ে আসছে না। ৬. এ ব্যাপারে ইসরাইল রাষ্ট্রের সরকারী নীতি খুবই পরিষ্কার। সরকার দুঃখজনক কোন ঘটনার মাধ্যমে মসজিদে আকসা ও সাখরাকে ধ্বংসের ষড়যন্ত্রের বাস্তবায়ন কামনা করে, অথবা দায়িত্বহীন কোন দল কিংবা মাতাল দ্বারা অথবা ভূমিকম্পসহ এ জাতীয় কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগের মাধ্যমে মসজিদে আকসা ও সাখরার ধ্বংসনীতিকে অগ্রাধিকার দেয়। এ সকল কারণে ইসরাইলী সরকার মসজিদে আকসার আশেপাশে খনন কার্য অব্যাহত রেখেছে এবং সরকার সরাসরি তা ধ্বংস করতে চায় না বরং ভিন্নভাবে এর ধ্বংস কামনা করে। খনন তৎপরতা ইহুদী রাষ্ট্র ইসরাইল ১৯৬৭ সালের জুন যুদ্ধের জেরুসালেম জবরদখল করার পর থেকে আজ পর্যন্ত হাইকালে সুলাইমানী সংক্রান্ত এমন একটি নিদর্শন খুঁজে বেড়াচ্ছে, যার মাধ্যমে তারা প্রমাণ করতে চায় যে, মসজিদে আকসা ও সাখরা হাইকালে সুলাইমানীর উপর প্রতিষ্ঠিত। যেন তারা এই অযুহাত দেখিয়ে তা ভাঙ্গার ষড়যন্ত্র বাস্তবায়ন করতে পারে। এটা তাদের ঘোষিত উদ্দেশ্য হলেও এটাই সব নয়। বরং তাদের অন্যান্য অঘোষিত উদ্দেশ্য রয়েছে। ইহুদী জাতি হচ্ছে ষড়যন্ত্র, বিশ্বাসঘাতকতা ও ধোকাবাজ জাতি। তাই আমরা তাদের খনন ষড়যন্ত্রের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করবো। ১৯৬৭ সালের যুদ্ধের পর এ পর্যন্ত ১০ পর্যায়ে খননকার্য চালানো হয়েছে।

    ১ম পর্যায়ঃ জুন যুদ্ধের পর ইসরাইল মাগারেবা এলাকার বসতি উচ্ছেদ করেছে এবং দীর্ঘ ১ বছর যাবত পুরা এলাকায় খননকার্য পরিচালনা করেছে। তারা ১৪ মিটার গভীর পর্যন্ত খননকার্য চালিয়েছে। বাবুল মাগারেব মসজিদে আকসার নিকটবর্তী।

    ২য় পর্যায়: মসজিদে আকসার পার্শ্ববর্তী মুসলিম অধ্যুষিত এলাকার মুসলমানদেরকে উৎখাত করা হয়েছে এবং এই পর্যায়ে ১৯৬৯ খৃঃ মসজিদে আকসায় অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে। মুসলিম বসতিগুলোতে ইহুদী ধর্মীয় স্কুল, ইনস্টিটিউট, পার্ক ও হোটেল নির্মাণ করা হয়েছে এবং মসজিদে আকসার বেষ্টনী দেয়ালের ৮০ মিটার দূরে খালি করা মুসলিম এলাকায় ব্যাপক খনন কাজ পরিচালনা করা হয়েছে।

    ৩য় পর্যায়ঃ ১৯৭০ খৃঃ থেকে ১৯৭২ খৃঃ পর্যন্ত সময়ে মসজিদে আকসার বেষ্টনী দেয়ালের নীচে দক্ষিণ ও পশ্চিম দিকে খনন করা হয় এবং মসজিরে আঙিনার নীচ পর্যন্ত ঐ খননকাজ চলতে থাকে। এই পর্যায়ে ইসলামী শরীআহ কোর্টসহ বহু মুসলিম বাড়ী-ঘর দখল করা হয়।

    ৪র্থ পর্যায়ঃ ১৯৭৩ খৃঃ মসজিদে আকসার পশ্চিম দেয়ালের কাছে খনন কাজ চালানো হয় এবং দেয়ালের নীচে দীর্ঘ গর্ত খনন করা হয়। গর্তের গভীরতা ছিল ১৩ মিটার।

    ৫ম পর্যায়ঃ ১৯৭৪ সালে পশ্চিম দেয়ালের নীচে গর্তকে সম্প্রসারিত করা হয়।

    ৬ষ্ঠ পর্যায় ১৯৭৫-৭৬ খৃঃ ইহুদী সরকার পশ্চিম দেয়ালের নীচের গর্ত আরো সম্প্রসারিত করে এবং ঐ সময় রাসূলুল্লাহর (সাঃ) প্রখ্যাত সাহাবীদ্বয় উবাদাহ বিন সামেত এবং শাদ্দাদ বিন আওসের রাদিয়াল্লাহু আনহু কবর থেকে তাদের হাড়গোড় সরিয়ে ফেলে।

    ৭ম পর্যায়ঃ ১৯৭৭ খৃঃ মসজিদে আকসার আঙিনায় অবস্থিত মহিলাদের মসজিদের নীচ পর্যন্ত খনন করা হয়। তারা ৯ মিটার গভীরে খনন করে। মসজিদের আঙিনার পার্শ্ববর্তী অন্যান্য মুসলিম বাড়ী-ঘরগুলো ভেঙে সেখানেও খনন কাজ চালানো হয়।

    ৮ম পর্যায়ঃ ১৯৭৯ খৃঃ মসজিদে আকসার পশ্চিম দেয়ালের নীচে বোরাক দেয়ালের পাশে খনন করা হয়। ইহুদী সরকার সুদীর্ঘ সুড়ঙ্গ খনন করে এবং খননকার্য আরো অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নেয়। যাতে করে পশ্চিম থেকে পূর্বদিক পর্যন্ত মসজিদের পুরো এলাকাব্যাপী উক্ত সুড়ঙ্গ সম্পন্ন হয়। পরে ইহুদীরা সুড়ঙ্গটিকে স্থায়ী করার উদ্দেশ্যে সিমেন্ট দিয়ে পাকা করে এবং তাতে ছোট একটি ইহুদী উপাসনালয় নির্মাণ করে। ইসরাইলের তদানীন্তন প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী তাকে ইহুদীদের অস্থায়ী ইবাদতগাহ হিসেবে উদ্বোধন করেন।

    ৯ম পর্যায়ঃ ১৯৮৬ খৃঃ মসজিদে আকসার চারদিকে খননকাজ করা হয় এবং পুরাতন জেরুসালেম শহর থেকে বিরাটসংখ্যক মুসলিম নাগরিককে উচ্ছেদ করা হয়। সেখানকার ফিলিস্তিনী হাসপাতালটি বন্ধ করে দেয়া হয়।

    ১০ম পর্যায়ঃ এই পর্যায়ে মারাত্মক খননকাজ চালানো হয়। ইহুদীরা মসজিদে আকসার আঙিনা ও পার্শ্ববর্তী এলাকার নীচে খনন করতে চাইলে মসজিদের নিরস্ত্র মুসলিম রক্ষীরা তাতে বাধা দেয়। তখন তারা মসজিদের বেষ্টনী দেয়ালের বাইর থেকে খনন কাজ শুরু করে। উল্লেখ্য যে, বেষ্টনী দেয়ালের বাইরের মুসলিম এলাকাগুলো আগেই খালি করা হয়েছে এবং সেগুলো ইসরাইলী সামরিক বাহিনীর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সেখান থেকে তাদের খনন কাজ শুরু করতে বাধা নেই। ১৯৮৮ সালের আগস্ট মাসে, ইহুদীরা মসজিদ সংলগ্ন ওয়াদী এলাকা থেকে মসজিদ আকসাগামী রাস্তার মাঝাবাঝি খনন শুরু করে। মসজিদের মুসলিম রক্ষীরা তাতে বাধা দেয়। কিন্তু খননকারীরা খনন অব্যাহত রাখে। খননকারীদের উক্ত খনন কাজের উদ্দেশ্য ছিল মসজিদে সাখার নীচের মূল ভিত্তি পর্যন্ত পৌছা। তারপর মসজিদে আকসার পূর্ব দেয়ালের নীচে আরেকটা সুড়ঙ্গ খনন করা। জেরুসালেমের ইসলামী ওয়াকফ বিভাগ ষড়যন্ত্রটি বুঝতে পেরে খনন কাজ বন্ধ করার উদ্দেশ্যে মসজিদের পূর্ব দেয়াল সংলগ্ন বাইরের যমীনের উপর একটা বেড়া নির্মাণ করে। ইসরাইল সরকার বেড়া দেখে তা সরিয়ে ফেলার হুমকি দেয় এবং অজুহাত দেখায় যে, তা বিনা অনুমতিতে নির্মাণ করা হয়েছে। ইসলামী ওয়াকফ বিভাগের পরিচালক এর জবাবে বলেন, এটা যেহেতু ওয়াকফ বিভাগের সম্পত্তি, সেহেতু তাতে বেড়া দেয়ার জন্য কোন অনুমতির প্রয়োজন নেই। ওয়াকফ বিভাগের ঐ জবাবের প্রেক্ষিতে ইসরাইল সরকার তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করে এবং সেই মামলা ১৯৮৮ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত চলতে থাকে। ১০ম পর্যায়ের খনন কাজ হচ্ছে সবচাইতে মারাত্মক কাজ। কেননা, এর উদ্দেশ্য হল মসজিদে আকসা ও সাখরার নীচ থেকে সকল মাটি ও পাথর সরিয়ে ফেলা। যাতে করে মসজিদ ২টা কোন রকম দাঁড়িয়ে থাকলেও যে কোন সময় ভূমিকম্প বা অন্য কোন কারণে ধসে পড়ে। এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ইহুদীরা হাইকালে সুলাইমানীর নিদর্শন খুঁজে পাওয়ার জন্য মসজিদে আকসায় যে খননকার্য পরিচালনা করছে, তা কতটুকু যুক্তিসংগত? ইহুদী প্রত্নতত্ত্ববিদরা বলছে, মসজিদে আকসা ও সাখরা এবং এই দুইটির আঙিনার নীচে হাইকালে সুলাইমানীর প্রত্নতাত্ত্বিক কোন নিদর্শনের অস্তিত্ব নেই। কোন কোন ইহুদী প্রত্নতবিদ বলেছে, হাইকাল আছে, তবে কোথায় আছে, তারা তা জানে না। তাহলে, উক্ত খননকার্যের উদ্দেশ্য মসজিদে আকসা ও সাখরা ধ্বংস করা ছাড়া আর কি হতে পারে?

    .

    অন্যান্য অগ্রসন

    ‘৬৭-এর জুন মাসে যুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ইহুদীরা মসজিদে আকসার কয়েকটি জানালা ভেঙে ফেলে মসজিদের ক্ষতিসাধন করে। ১১ /৬/ ১৯৬৭ খৃঃ ইহুদীরা বোরাক দেয়ালের সামনের মুসলিম বসতি ভেঙে ফেলে এবং তা মাটির সাথে মিশিয়ে দেয়। ২৭/ ৬/ ৬৭ খৃঃ জেরুসালেমে হাখাম ইহুদীদের এক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয় এবং তারা জেরুসালেম ও হাইকালে সুলাইমানীর বিষয়ে আলোচনা করে। সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীরা শীঘ ৩য় হাইকাল নির্মাণের উপর জোর দেয়।

    ১৫/৮/৬৭ সালে, ইসরাইলের বড় হাখাম এবং ইসরাইলী সেনাবাহিনীর হাখাম শ্লোমোগোরিন ২০ জন সামরিক অফিসারকে সাথে করে সামরিক পোষাকে মসজিদে আকসার আঙিনায় প্রবেশ করে এলোপাথাড়ি গুলী ছুড়ে আতংক সৃষ্টি করে এবং পরে ইহুদী প্রার্থনা আদায় করে। প্রায় প্রত্যেক বছর আগস্ট মাসে ইহুদীরা মসজিদে আকসায় আক্রমণ করে। কেননা, ৭০ খৃস্টাব্দের ২১শে আগস্ট, তাইতুস ২য় হাইকাল ধ্বংস করে। ইহুদীরা সেই দুঃখজনক স্মৃতির কারণে আগস্ট মাসে বেশী আক্রমণ চালায়। ১৯৬৭ সালের ৩১শে আগস্ট ইহুদীরা জোর করে মসজিদে আকসার প্রধান গেইট বাবুল মাগরেবার চাবি নিয়ে যায়, যেন তারা যে কোন সময় বোরাক দেয়ালের কাছে যেতে পারে। তারা এটাকে মাবকী দেয়াল’ বলে। ইহুদীরা ইসরাইলী সেনাবাহিনীর বড় হাখাম শ্রোমোগোরিনের সহায়তায় ঐ চাবি জোর করে হস্তগত করে। এইভাবে তারা মসজিদে আকসার অপবিত্রতা সাধন করে। ১৯৬৯ সালের ২১শে আগস্ট ডেনিস মাইকেল নামক জনৈক অক্টেলিয়ান খৃস্টান মসজিদে আকসায় অগ্নিসংযোগ করে। অন্য এক বর্ণনায় মিখাইল রোহান নামক একজন ইহুদী অগ্নি সংযোগ করে। অগ্নিকাত্রে ফলে মসজিদের আসবাবপত্র, দেয়াল, সালাহউদ্দিনের মিম্বার এবং মসজিদের দক্ষিণাংশ পুড়ে যায়। ইসরাইলী প্রশাসন দ্রুত বিচারের ব্যবস্থা করে। আদালত তার রায়ে বলে যে, যা ঘটেছে তা আল্লাহর পক্ষ থেকে একজন প্রেরিত ব্যক্তির কাজ ও হযরত যাকারিয়ার ভবিষ্যদ্বাণীর প্রতিফলন মাত্র। অগ্নিসংযোগকারী ব্যক্তি পাগল, তাই তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধি কার্যকর করা যায় না। এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইসলামী সম্মেলন সংস্থা গঠিত হয়। ১৯৭১ সালের ১১ই মার্চ আল-হারহাশেম দলের নেতা জরশন স্যালমন, গোড়া একজন ইহুদী ছাত্রকে সাথে করে মসজিদে আকসায় ইহুদী প্রার্থনা আদায় করে। এর ফলে জেরুসালেমে গো ১৯৭৬ সালের ৩০ শে জানুয়ারী একটি ইসরাইল আদালত মসজিদে আকসার আঙিনায় দিনের যে কোন সময় ইহুদী প্রার্থনা অনুমতি দেয়। এর আগে ৪০ জন ইহুদী জোর করে মসজিদে আকসায় প্রবেশ করে ইহুদী গান গায় ও মুসলমানদের ইবাদতে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। এর ফলে মসজিদের আঙিনায় মুসলমানদের সাথে ইহুদীদের সংঘর্ষ হয়। ‘১৯৭৮ সালের ১৪ই আগস্ট আল-হারহাশেম দলের নেতা জরশন স্যাশমনের নেতৃত্বে একদল ইহুদী মসজিদে আকসায় প্রার্থনা জানায়। এতে মসজিদের প্রহরীরা বাধা দেয়। ১৯৮০ সালের ১লা মে ইহুদীরা বিস্ফোরণের মাধ্যমে মসজিদে আকসাকে ধ্বংস করার উদ্যোগ নেয়। তারা মসজিদের নিকটবর্তী একটি ইহুদী গীর্জার ছাদের উপর এক টনেরও বেশী বিস্ফোরক দ্রব্য রেখে দেয়। ইহুদী স্কুল বাশিফায়ও একই উদ্দেশ্যে তারা আকেবার বিস্ফোরক দ্রব্য রেখে যায়। মুসলমানদের সতর্কতার কারণে সেই প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়। এই অপরাধে সন্ত্রাসবাদী মায়ের কাহানাকে অভিযুক্ত করা হয়। ১৯৮১ সালের ৯ই আগস্ট ইহুদী সংস্থা জোশ ইমুনিয়ামের ৩ শত সদস্য মসজিদের বাবুল হাদীদের তালা ভেঙে তাতে প্রবেশ করে ও মুসলামানদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করে ইহুদী প্রার্থনা আদায় করে। ১৯৮১ সালের ২৫শে আগস্ট একটি ইহুদী ধর্মীয় সংস্থা বোরাক দেয়াল থেকে মসজিদের আঙিনা পর্যন্ত একটি সুড়ঙ্গ আবিষ্কারের কথা ঘোষণা করে এবং দাবী করে যে, এর সাথে ২য় হাইকালের সম্পর্ক রয়েছে। এর ভিত্তিতে তারা খননকাজ শুরু করায় মসজিদের দেয়াল ধসে পড়ার উপক্রম হয়। ১৯৮২ সালের ২রা মার্চ হাইকাল পাহাড় সচিবালয় সংস্থার ১৫ জন ব্যক্তি মসজিদে আকসার বাবুস সিলসিলাহ গেইটে সশস্ত্র আক্রমণ করে। তারা ভেতরের রক্ষীদের উপর আক্রমণ চালায় এবং সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। একজন মুসলিম রক্ষী পেটের বাম পার্শ্বে ছুরিকাহত হন। পরের দিন মুসলমানগণ এই উত্তেজনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ স্বরূপ পুরো জেরুসালেম, অধিকৃত পশ্চিম তীর, গাজ্জা, নাবলুস এবং বেথেলহেমে ধর্মঘট আহবান করে। ১৯৮২ সালের ৩রা মার্চ বাবুল গাওয়ানেমা দিয়ে একদল ইহুদী যুবক মসজিদে আকসায় হামলা চালায় এবং মসজিদের রক্ষীদের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষে একজন মুসলিম রক্ষী আহত হয়। ইসরাইলী পুলিশ আক্রমণকারী ইহুদী যুবকদেরকে আটক না করে আহত রক্ষীকে আটক করে এবং অন্যান্য রক্ষীদের কাছ থেকে উল্টা কৈফিয়ত তলব করে। ১৯৮২ সালের ৮ই এপ্রিল মুসলমানগণ মসজিদের একটি প্রধান গেইটের পেছনে সন্দেহজনক একটি প্যাকেট দেখতে পায়। প্যাকেট খোলার পর তাতে বৈদ্যুতিক তার ও রিমোট কন্ট্রোল যন্ত্র পাওয়া যায়। তা থেকে মসজিদের ওয়াকফ কাউন্সিলের উদ্দেশ্যে একটি চিঠিও উদ্ধার করা হয়।

    চিঠিতে লেখা ছিল, “তোমাদের বিরুদ্ধে আমাদের অধিকতর তৎপরতার অপেক্ষা কর।” পরেদিন মুসলমানগণ জুমুআর নামায আদায় করে এবং ঐ হুমকির কারণে তারা মসজিদে অবস্থান করে। ১৯৮২ সালের ১১ই এপ্রিল, এলান গডম্যান নামক একজন ইসরাইলী সৈন্য বাবুল গাওয়ানেমায় এসে রক্ষীর উপর গুলী ছুড়ে তাকে আহত করে। তারপর মসজিদে সাখরার দিকে দৌড়ে যায় ও এলোপাথাড়ি গুলী ছুড়তে থাকে। ফলে, কয়েকজন মুসল্লী আহত হয় ও মসজিদের একজন রক্ষী শহীদ হন। মসজিদের পার্শ্ববর্তী ঘরসমূহের উপর অবস্থান গ্রহণকারী ইহুদী সৈন্যরা মসজিদে সাখরার দিকে লক্ষ্য করে গুলী ছুড়তে থাকে। মসজিদের মুআযিন মসজিদের মাইক্রোফোনে মুসলমানদের প্রতি মসজিদের প্রতিরক্ষার জন্য এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। মুসলমানগণ দ্রুত প্রতিরক্ষার জন্য এগিয়ে আসে। মসজিদের পার্শ্ববর্তী বাড়ীসমূহের ছাদ থেকে ইসরাইলী সৈন্যরা গুলী ছোড়ে। ফলে প্রায় ১শ’ ব্যক্তি আহত হয়। জেরুসালেমের মুফতী শেখ সাদউদ্দিন এলমী ঐ ঘটনার জন্য ইসরাইল সরকারকে দায়ী করেন। তখন তদানীন্তন প্রধানমন্ত্রী মানাচেম বেগিনের অফিস থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, মুফতীর যুগ শেষ হয়ে গেছে এবং সেই যুগ আর ফিরে আসবে না। বিশ্বব্যাপী এই ঘটনার বিরুদ্ধে নিন্দা প্রকাশ করা হয়। ২০/৪/১ ৯৮২ সালে বিষয়টি নিরাপত্তা পরিষদে আলোচনা হয় এবং ইসরাইলের বিরুদ্ধে খসড়া নিন্দা প্রস্তাবের উপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ভেটো প্রয়োগের কারণে তা নাকচ হয়ে যায়। ১৯৮২ সালের ২৭শে এপ্রিল ইহুদী কাখ আন্দোলনের নেতা হাখাম মায়ের কাহানার নেতৃত্বে ১শ’ ব্যক্তি মসজিদে আকসা আক্রমণ করে এবং ফিলিস্তিনী মুসলমানদেরকে তাদের জন্মভূমি থেকে বহিষ্কার করার শ্লোগান দেয়। ১৯৮২ সালের ২৯শে এপ্রিল, ৩০ জন সশস্ত্র ইহুদী মসজিদে আকসায় জোর করে প্রবেশ করতে চেষ্টা করে। কিন্তু মসজিদের প্রহরীরা বাধা দেয়ায় তারা ভেতরে প্রবেশ করতে সক্ষম হয়নি। ১৯৮২ সালের ৬ই মে, অজ্ঞাত ব্যক্তিরা মসজিদে সাখরার গম্বুজের প্রতি গুলী ছুড়তে থাকে। রক্ষীরা মসজিদের দরজা বন্ধ করে দেন। জানা গেছে যে, নব প্রতিষ্ঠিত ইহুদী বসতির একজন ইহুদী নাগরিক মসজিদের নিকটবর্তী স্কুলের উপর থেকে মসজিদের প্রতি গুলী ছছাড়ে। ১৯৮২ সালে ইহুদী কাখ আন্দোলনের সদস্য ইয়াসরাইল লারনার তার গোপন সংস্থার কয়েকজন যুবককে নিয়ে মসজিদে সাখরা বিস্ফোরিত করতে চেয়েছিল। এছাড়াও তারা জেরুসালেমের অন্যান্য মসজিদগুলোও ধ্বংস করে দিতে চেয়েছিল। একই সালে রবি আর্নেল তার ২০ জন ছাত্র নিয়ে মসজিদে আকসা ধ্বংস করার চক্রান্ত করে।

    ১৯৮৩ সালে রাবী সালমান কোরনের শিষ্যরা মসজিদে আকসা আক্রমণ করে। তাদের বিরুদ্ধে অনুষ্ঠিত বিচারে ইহুদী বিচারপতি তাদেরকে বেকসুর খালাস দেয় এবং তাদেরকে আটক করার দায়ে পুলিশকে অভিযুক্ত করে। ১২ /৩/ ১৯৮৩ সালে হাখাম মায়ের কাহানার দলের ৪২ ব্যক্তি মসজিদে আকসা পুড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা চালায়। মুসলমানদের প্রতিরোধের মুখে তারা ব্যর্থ হয়। ১৯৮৩ সালের আগস্ট মাসে ওমানা হাইকাল সংস্থার একদল ইহুদী মসজিদে আকসার বোরাক দেয়ালের কাছে প্রার্থনা জানায় ও মুসলমানদের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি করে। ১৯৮৪ সালের ১লা জানুয়ারী সন্ত্রাসবাদী ইহুদীচক্র ২৯ কেজি বিস্ফোরক দ্রব্যের মাধ্যমে মসজিদটি ধ্বংস করার উদ্যোগ নেয়। একই সালের ২৭শে জুলাই পুনরায় তারা মসজিদ ধ্বংসের অনুরূপ উদ্যোগ নেয়। কিন্তু মসজিদের রক্ষীদের সতর্কতার কারণে ব্যর্থ হয়ে যায়। ১৯৮৫ সালের ১২ মার্চ ইহুদী চরমপন্থী দলগুলোর কিছু লোক নতুন ইহুদী বসতি এবং ইহুদী স্কুল স্থাপনের উদ্দেশ্যে মসজিদে আকসার পার্শ্ববর্তী এলাকার মুসলমানদের উপর হামলা চালায়। ১৯৮৪ সালের জুলাই মাসে একজন চরমপন্থী ইহুদী মসজিদের দিকে নিজ গাড়ী চালিয়ে তার ক্ষতি করতে চেয়েছিল। ১৯৮৪ সালের আগস্ট মাসে মসজিদে আকসার রক্ষীরা মসজিদের আঙিনায় কিছু সংখ্যক সন্ত্রাসবাদী ইহুদীকে দেখতে পায় যে তারা মসজিদটি পুরোপুরি ধ্বংসের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাদের সাথে ছিল ১২০ কেজি টিএনটি বিস্ফোরক দ্রব্য। মুসলমানগণ সেই প্রচেষ্টা বানচাল করে দেয়। জেরুসালেমের মুফতি শেখ সাদউদ্দিন এলমী বলেছেন, আল্লাহর রহমত না হলে মসজিদের একটি পাথরও অবশিষ্ট থাকত ১৯৮৪ সালের আগস্ট মাসে অন্য একদিন ইহুদীরা তদানীন্তন ইসরাইলী স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইউসুফ বোজের প্রস্তাব বাস্তবায়ন করার উদ্দেশ্যে মসজিদের আঙিনায় ইসরাইলী পতাকা উত্তোলন করে। এর তিন সপ্তাহ আগেও তারা একবার পতাকা উত্তোলন করেছিল। কিন্তু জেরুসালেমের ইসলামী কাউন্সিলের প্রতিবাদের মুখে তারা তা নামাতে বাধ্য হয়। ১৯৮৪ সালের ৭ই আগস্ট ইহুদী হাখাম আন্দোলনের নেতা মায়ের কাহানা মসজিদে আকসাকে অপবিত্র করার চেষ্টা করে। সে মসজিদের একটি দরজায় ইসরাইলী পতাকা উত্তোলন করে। দ্বিতীয় হাইকাল ধ্বংসের স্মরণে সেদিন হাজার হাজার ইহুদী প্রার্থনা জানায়। ১৯৮৪ সালের ৯ই আগস্ট ইসরাইল কর্তৃক মসজিদে আকসার কাছে একটি জেলখানা তৈরির খবর প্রকাশিত হয়।

    মসজিদের কাছে জেলখানা তৈরির উদ্দেশ্য পরিষ্কার। আর সেটা হল, মসজিদের মুসলিম মুসল্লীদেরকে তাতে আটক রাখা। ১৯৮৪ সালের ২৭শে আগস্ট জেরুসালেমের একটি গর্তে বিপুল পরিমাণ গোপন অস্ত্রের সন্ধান পাওয়া যায়। পূর্বে জেরুসালেমের একটি স্থানে চরমপন্থী এক দল ইহুদী ঐ সকল অস্ত্র গোপন রাখে। একজন মুসলিম পথচারী তা দেখতে পান। মুসলমানদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করার জন্য ঐ গোপন অস্ত্রের মওজুদ গড়ে তোলা হয়। ১৯৮৪ সালের ২৮শে আগস্ট বিস্ফোরণের মাধ্যমে মসজিদে আকসা ধ্বংসের চেষ্টার দায়ে একজন ইসরাইলী ছাত্রকে কারাদণ্ড দেয়া হয়। পরে তাকে মুক্ত করার চেষ্টা চলতে থাকে। ১৯৮৪ সালের ১৮ই ডিসেম্বর একদল সশস্ত্র ইহুদী মসজিদে আকসার আঙিনায় বোমা রাখে। মসজিদ রক্ষীরা তা দেখতে পেয়ে তার কার্যকারিতা নষ্ট করে দেয়। পরের দিন এর প্রতিবাদে গোটা জেরুসালেম হরতাল পালন করা হয়। ১৯৮৫ সালের ২৯শে ডিসেম্বর ইসরাইলী নেসেটের ২০ জন সদস্য হাখাম ইলিআজের ফালদামের নেতৃত্বে মসজিদে আকসায় প্রবেশ করে মসজিদের অপবিত্রতা সাধন করে। ১৯৮৬ সালের ৯ই জানুয়ারী ইসরাইলী সেনাবাহিনীর সীমান্ত রক্ষীবাহিনী মসজিদে আকসা এলাকায় সান্ধ্য আইন জারী করে। ইসরাইলী নেসেটের আভ্যন্তরীণ কমিটির ৮ সদস্যসহ আরো কিছু নেসেট সদস্য এবং টেলিভিশনের ফটোগ্রাফার মসজিদে আকসায় প্রবেশ করে। মসজিদের রক্ষীরা বাধা দিলে তাদেরকেসহ কিছু মুসল্লীকে আটক করে এবং ইসরাইলী বাহিনী মুসল্লীদের উপর কাঁদানে গ্যাস ও গোলা নিক্ষেপ করে। ফলে ১৬ জন মুসল্পী আহত হয়। মসজিদে আকসায় প্রবেশের জন্য এটাই হচ্ছে সরকারীভাবে প্রথম প্রচেষ্টা। ১৯৮৬ সালের ৩রা এপ্রিল ইসরাইলী পুলিশ জোরপূর্বক মসজিদের একটি দরজা তুলে ফেলে। মসজিদ-রক্ষীরা রাত্রে ইহুদীদের অনুপ্রবেশ বন্ধের উদ্দেশ্যে এ দরজাটি নির্মাণ করেছিলেন।

    ১৯৮৬ সালের ২শে এপ্রিল ওমানা জাবাল আল-বাইত’ ইহুদী সংস্থার একদল লোক মসজিদে আকসায় অনুপ্রবেশ করে এবং জরশন স্যালমনের নেতৃত্বে। প্রার্থনা করে। ১৯৮৬ সালের ৬ই জুন জোশ ইমুনিয়ামের ৩ জন সদস্য মসজিদে আকসায় অনুপ্রবেশ করে। ১৯৮৬ সালের ২১শে আগস্ট ওমানা জাবাল আল-বাইত এবং হাতহিয়া সংস্থার লোকেরা ইসরাইলী পুলিশের সহায়তায় মসজিদে প্রবেশ করে এবং মুসলমানদের ঈদুল আযহা উদ্যাপন উপলক্ষে ইহুদী প্রার্থনা জানায়।

    ১৯৮৭ সালের ৪ঠা আগস্ট ৩ জন ইহুদী মসজিদে আকসায় বিস্ফোরণ ঘটানোর ব্যর্থ চেষ্টা চালায়। ১৯৮৮ সালের ১৫ই জানুয়ারী ইসরাইলী বাহিনী মসজিদে আকসায় গুলী চালিয়ে ২৮ জন মুসল্পীকে হত্যা করে এবং ১১৫ ব্যক্তিকে আহত করে।

    ১৯৮৯ সালের ১৭ই মার্চ মুসলিম রক্ষীরা মসজিদের ভেতর কতগুলো বোমা দেখতে পায়। একটি ইহুদী সংস্থা মসজিদ ধ্বংসের জন্য ঐ বোমাগুলোকে ভেতরে রেখে দেয়। ১৯৮৯ সালের ১৭ই অক্টোবর ওমানা হাইকাল সংস্থার লোকেরা মসজিদের গেইটের কাছে ৩য় হাইকালের ভিত্তি স্থাপন করে এবং ভিত্তিতে ৩.৫ টন ওজনের পাথর লাগায়। দলের নেতা জরশন স্যালমন বলেন, “হাইকালের ভিত্তি স্থাপনের মাধ্যমে ইতিহাসের নতুন অধ্যায়ের সূচনা হল। আজ ইসলামের জবরদখলের অবসান হল এবং ইহুদীদের মুক্তির নতুন যুগের সূচনা হল।”

    ১৯৯০ সালের ৮ই অক্টোবর মসজিদের মুসলিম মুসল্লীরা ইহুদীদেরকে প্রবেশে বাধা দিলে ইসরাইলী সেনাবাহিনী তাদের উপর গুলী চালায়। ফলে ২০ জন মুসলমান শহীদ ও ১০০ জন আহত হয়।

    ১৯৯১ সালে শেষার্ধে পূর্ব জেরুসালেমের সালওয়ান এলাকায় ৬টি মুসলিম পরিবারকে বিতাড়িত করা হয় এবং সেগুলোতে পরে বিদেশাগত ইহুদীদেরকে পুনর্বাসন করা হয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকবিতাসংগ্রহ – উৎপলকুমার বসু
    Next Article মাই জার্নি : স্বপ্নকে বাস্তবতা প্রদান – এ পি জে আবদুল কালাম
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }