Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আল আকসা মসজিদের ইতিকথা – এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম

    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম এক পাতা গল্প129 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আল আকসা মসজিদের ইসলাম পরবর্তী ইতিহাস

    ১. রাসূলুল্লাহর (সাঃ) যুগ আকাশে ওঠার জন্য সম্ভবতঃ মসজিদে আকসা ছাড়া আর কোন কেন্দ্র বা পথ নেই। তাই মেরাজের রাত্রে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) মসজিদে আকসার পথে উর্ধজগত ভ্রমণ করেছেন। মক্কা কিংবা মদীনাহ অথবা অন্য কোন স্থান থেকে সরাসরি উর্ধ- জগত ভ্রমণ করেননি। পূর্বে বর্ণিত এক হাদীসে জানা গেছে, সেখান থেকে হাশর-নশর হবে এবং লোকেরা বেহেশত ও দোযখে যাবে। মেরাজে গিয়ে তিনি এসব জিনিস স্বচক্ষে দেখে এসেছেন। রাসূলুল্লাহ (সাঃ) ৰাইতুল মাকদিসকে শিরকমুক্ত করার জন্য রোমান সম্রাট হিরাক্লিয়াসের কাছে ইসলামের দাওয়াত পাঠান। এরপর রোমান বাহিনীর মুকাবিলা করার জন্য তিন হাজার সাহাবী মুতা নামক স্থানে জড়াে হন। সেই যুদ্ধে তিনজন প্রখ্যাত সাহাবী শহীদ হন। তারা হলেন, যায়েদ বিন হারিসা, জাফর বিন আবু তালিব ও আবদুল্লাহ বিন রাওয়াহা। দুইপক্ষের মধ্যে কঠিন যুদ্ধ হয়। শেষ পর্যন্ত খালিদ সাইফুল্লাহর নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী নিরাপদে প্রত্যাবর্তন করে। এরপর রোম বাহিনী বাইতুল মাকদিসের উপর মুসলমানদের সাম্ভাব্য বিজয়ের আশংকায় মদীনার মুসলিম রাষ্ট্রটির উপর আক্রমণের প্রস্তুতি গ্রহণ করে। কেননা, রোমান সম্রাট বাইতুল মাকদিস-কেন্দ্রিক খৃস্টান বিশ্বের নেতৃত্ব হাতছাড়া করতে রাজী ছিল না। ৯ম হিজরীতে মুসলমানগণ খৃস্টানদের উক্ত আক্রমণের খবর পেয়ে ৩০ হাজার সৈন্য নিয়ে সিরিয়ার উদ্দেশ্যে রওনা করেন। মুসলিম বাহিনী তাবুক পর্যন্ত পৌঁছার পর খৃস্টানদের কোন যুদ্ধ তৎপরতা না দেখে পুনরায় মদীনায় ফিরে আসেন। আসলে, নোম বাহিনী মুসলমানদের খবর পেয়ে ভেঙ্গে পড়ে। বিদায় হজ্জ থেকে মদীনায় ফিরে এসে রাসূলুল্লাহ (সাঃ) সিরিয়ায় রোমান বাহিনীর মূল দুর্গে আক্রমণ করার উদ্দেশ্যে মুসমানদেরকে প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ দিন। তিনি উসামা বিন যায়েদকে ঐ বাহিনীর সেনাপতি নিযুক্ত করেন। তখন উসামা ১৮ বছরের যুবক। উসামার নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী মদীনা থেকে বের হন এবং জোরাফে যাত্রাবিরতি করেন। সেই সময় রাসূলুল্লাহ (সাঃ) মৃত্যু পীড়ায় আক্রান্ত হন ও মহান আল্লাহর সান্নিধ্যে যাওয়ার জন্য ইন্তিকাল করেন। মুসলিম বাহিনী সেখানে পরবর্তী নির্দেশের অপেক্ষা করতে থাকে।

    ২. হযরত আবু বারের যুগ রাসূলুল্লাৱ (সাঃ) ইন্তিকালের পর হযরত আবু বাকর রাদিয়াল্লাহু আনহু ইসলামের ১ম খলীফা নির্বাচিত হন। তিনি উসামা বাহিনীর অগ্রযাত্রার নির্দেশ দেন। তিনি মুরতাদ বা ধর্মত্যাগীদের বিরুদ্ধেও অভিযান পরিচালনা করেন এবং তাদের উপর বিজয় লাভ করেন। উসামা বাহিনী প্রেরণের লক্ষ্য অর্জিত হয়। তারপর তিনি সিরিয়া জয় করে তাকে ইসলামী রাষ্ট্রের অন্তর্ভুক্ত করার জন্য ১২ হাজার মুসলিম সেনার এক বিরাট বাহিনী গঠন করে খালিদ বিন ওয়ালিদকে এর আমীর নিযুক্ত করেন। সিরিয়ায় রোমান বাহিনীর বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য ঐ বাহিনীতে বড় বড় সাহাবায়ে কেরাম শরীক ছিলেন। ঐ অভিযানের ফলে ফিলিস্তিনের কয়েকটি শহর মুসলমানদের দখলে আসে। মূলতঃ হযরত আবু বারের আমলেই জেরুসালেম জয়ের সূচনা হিসেবে ফিলিস্তিনের নিকটবর্তী শহরগুলো মুসলমানদের দখলে আসে। জেরুসালেম জয় করার আগেই হযরত আবু ৰারের রাদিয়াল্লাহু আনহু ইন্তিকাল হয়।

    ৩. হযরত উমার ফারুকের যুগ সিরিয়া জয়ের পর হযরত উমার ফারুক রাদিয়াল্লাহু আনহু বাইতুল মাকদিস জয় করার প্রস্তুতি গ্রহণ করেন। তিনি জেরুসালেম শহরে হযরত আবু ওবায়দাহ ইবন জাররাহর নেতৃত্বে ৫ হাজরে অশ্বারোহী সৈন্য পাঠান। তারপর ইয়াযিদ বিন আবী সুফিয়ানের নেতৃত্বে ৫ হাজার এবং শোরাহবিল বিন হাসানাহর নেতৃত্বে আরো ৫ হাজার সৈন্য পাঠান। সম্মিলিত বাহিনী জেরুসালেম শহর অবরোধ করে এবং তা দীর্ঘ ৪ মাস পর্যন্ত অব্যাহত থাকে। শহরবাসী লোকেরা প্রথম দিকে মোকাবিলা করলেও পরে পরাজিত হয় এবং সন্ধির প্রস্তাব দেয়। তারা খলীফাতুল মুসলেমীন হযরত উমারের উপস্থিতি দাবী করে। আবু ওবায়দাহ হযরত উমারকে জেরুসালেম যাওয়ার জন্য আহ্বান জানান। সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে তিনি ১৮ হিজরীর রজব মাসে জেরুসালেম পৌছেন। এটা রাসূলুল্লাহ (সাঃ) মেরাজেরও মাস। তিনি মোকাব্বের পাহাড়ের পথ দিয়ে জেরুসালেম পৌঁছেন। তাকবীর থেকে মোকাব্বের শব্দের উৎপত্তি। হযরত উমার তাকবীর দিতে দিতে শহরে পৌঁছার কারণে ঐ পাহাড়কে মোকাব্বের পাহাড়, বলা হয়। শহরে পৌছার পর পরই তিনি মসজিদে আকসা থেকে খৃস্টানদের সকল আবর্জনা ও অপবিত্রতা দূর করেন। তারা ইহুদীদের প্রতি বিদ্বেষের কারণে সাখরায় ময়লা-আবর্জনা নিক্ষেপ করত। তিনি সাখরার সামনে মসজিদ নির্মাণ করেন এবং সাখরাকে মসজিদের পেছনে রাখেন। মসজিদ তৈরির আগে তিনি কাব আহবারকে জিজ্ঞেস করেন, কোথায় মসজিদ তৈরি করা যায়? কাব বলেন, সাখরাকে সামনে রেখে পেছনে মসজিদ তৈরি করুন। উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তা ইহুদীদের মতই হয়ে যায়। তাই তিনি সাখরার সামনেই মসজিদে তৈরি করেন। উল্লেখ্য যে, সেখানে মসজিদে আকসা নামে কোন মসজিদ ছিল না। বরং কুরআন মসজিদে আকসা’ শব্দের উল্লেখ করায় একদিকে তা সেজদা ও ইবাদতের জায়গার প্রতি ইঙ্গিত এবং অন্যদিকে, অদূর ভবিষ্যতে নির্মিতব্য মসজিদের বিষয়ে ভষ্যিদ্বাণী করা হয়েছে। মসজিদে সাখরাকে মসজিদে উমারও বলা হয়।

    ৪. উমাইয়া শাসনামলে উমাইয়া খলীফাহ আবদুল মালেক বিন মারওয়ান দামেস্কের সাথে সাথে জেরুসালেমেও খেলাফতের বাইয়াত নেন এবং জেরুসালেম শহর পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেন। তিনি ৬৮৫-৮৯ খৃঃ অর্থাৎ ৭৩ থেকে ৮৬ হিজরীর মধ্যে মসজিদে সাখরাকে সুন্দর করে পুনঃনির্মাণ করেন এবং নতুন করে মসজিদে আকসা তৈরির জন্য মসজিদে আকসার দেয়ালঘেরা সকল অংশ অন্তর্ভুক্ত করেন। আবদুল মালেক বিন মারওয়ান মসজিদে আকসার পুরো সীমানার উপর এই মসজিদ দুটি তৈরির উদ্যোগ নেন। তার ছেলে ওয়ালিদের আমলে মসজিদে আকসার নির্মাণ কাজ শেষ হয়। উমাইয়া আমলেই মসজিদের মেহরাব ও মিনারা তৈরির প্রথা শুরু হয় এবং তারা মসজিদে আকসার মেহরাব ও মিনারা তৈরি করেন। শেষ পর্যন্ত ওয়ালিদ মসজিদের দেয়ালঘেরা অংশবিশেষের উপর মসজিদ দুটি তৈরি করেন। আবদুল মালেক মসজিদে আকসা ও মসজিদে সাখরার পুনঃনির্মাণের ব্যয় নির্বাহের উদ্দেশ্যে মিসরের ৭ বছরের খাজনা নির্দিষ্ট করেন। উমাইয়া খলীফা উমার বিন আবদুল আযীয সকল অঞ্চলের গভর্নরদের প্রতি মসজিদে আকসা যেয়ারত এবং আনুগত্য ও লোকদের মধ্যে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার শপথ গ্রহণের আহ্বান জানান।

    ৫. আব্বাসী শাসনামলে ১৩২ হিঃ থেকে ৬৫৬ পর্যন্ত আব্বাসী শাসকরা মসজিদে আকসার সংরক্ষণ ও সেবা আঞ্জাম দেন। একবার ভূমিকম্পে মসজিদের কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় আব্বাসীয় খলীফা আবু জাফর মনসুর তার সাম্রাজ্যের সকল গভর্নরদের প্রতি মসজিদের একটি একটি অংশ নির্মাণ করার নির্দেশ দেন। ফলে, মসজিদকে আগের চাইতেও আরো বেশী মজবুত করে নির্মাণ করা হয়। ১৫৮ হিজরীতে খলীফা মাহদী মসজিদে আকসার সংস্কার করেন এবং মসজিদ সম্প্রসারণ করেন। পরে আব্বাসী খলীফা মামুনও মসজিদের অনুরূপ সংস্কারও সম্প্রসারণ করেন।

    ৬. তুলুন, এখশিদিন ও ফাতেমী শাসনামলে তুলুন ও এখশিদিন শাসনামলে মসজিদে আকসার প্রয়োজনীয় সেবা অব্যাহত থাকে। তারপর জেরুসালেম ফাতেমী শাসক মোয়েজ লি-দিনিল্লার সময় ওবায়দীর শাসনে আসে। ৯৬৯ হিঃ তাঁর প্রধান সেনাপতি জাওহার আস সাকাল্লি ফিলিস্তিন দখল করেন। ফাতেমী শাসকেরা বাহ্যতঃ শিয়া মাজহাবের অনুসারী ছিল। কিন্তু তারা ফিলিস্তিনে ইহুদী ও খৃস্টানদেরকে নিকটতর করার চেষ্টা চালায়। তারা ইহুদী-খৃস্টানদের সাথে বিয়ে-শাদীর সম্পর্ক স্থাপন করে এবং বাইজানটাইনের খৃস্টান শাসকের সাথে সন্ধিচুক্তি স্বাক্ষর করে। এর ফলে, জেরুসালেমে খৃস্টানদের বসবাস শুরু হয়।

    ৭. সেলজুকী শাসনামলে সেলজুকী শাসকরা কিছুদিন পর্যন্ত জেরুসালেম শহরের উপর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখে। তারা তাদের শত্রু ফাতেমী শাসকদের কবজা থেকে ৪৬৫ হিজরী, মোতাবেক ১০৭১ খৃঃ জেরুসালেম শহর দখল করে। পরবর্তীতে ফাতেমী শাসকরা সেলজুকীদের কাছ থেকে জেরুসালেম শহর পুনরুদ্ধার করতে সক্ষম হয়। কিন্তু ফাতেমীদের খৃস্টান-প্রীতির কারণে শেষ পর্যন্ত খৃস্টানরা তাদের কাছ থেকে জেরুসালেম শহর দখল করে নেয়।

    ৮. খৃস্টান ক্রুসেডারদের হাতে জেরুসালেমের পতন ও মুসলিম নিধন জেরুসালেম শহর ১০৯৯ খৃঃ পর্যন্ত দীর্ঘ ৫শ’ বছর মুসলমানদের শাসনাধীন ছিল। কিন্তু ফাতেমীদের বিরুদ্ধে জেরুসালেমের খৃস্টান পাদ্রী ২য় সোমন খৃস্টান বিশ্বের প্রতি সাহায্যের আহ্বান জানান। ১০৯৫ খৃঃ পোপ খৃস্টান বিশ্বের প্রতি পবিত্র জেরুসালেম শহর উদ্ধারের উদ্দেশ্যে মুসলমানেরকে সেখান থেকে বের করে দেয়ার জন্য ধর্মযুদ্ধের (ক্রুসেডের ডাক) দেন। মধ্য ও পশ্চিম ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলো পোপের আহ্বানে সাড়া দেয়। কেননা, মুসলমানদের হাতে রোমান সাম্রাজ্যের পতনের পর খৃস্টান বিশ্ব পুনরায় প্রাচ্যে তাদের নতুন সাম্রাজ্য বিস্তারের স্বপ্ন দেখছিল।

    ১০৯৯ খৃস্টাব্দের ১৫ই জুলাই, মোতাবেক ২৩শে শাবান ৪৯২ হিঃ, খৃস্টান, সেনাপতি গডফ্রে ডিবো ইউনের নেতৃত্বে ক্রুসেড বাহিনী জেরুসালেমের বাব আস সাহেরা দিয়ে শহরে প্রবেশ করে এবং ৪০ দিন পর্যন্ত শহর অবরোধ করে রাখে। শিয়া নেতা ইফতেখারুদ্দৌলা তার বাহিনীসহ পালিয়ে যায় এবং ফাতেমীয় খলীফা মোস্তালী বিল্লাহ ও মোসতাজহের বিল্লার শাসনামলে খৃস্টানদের হাতে জেরুসালেম শহরের পতন ঘটে। খৃস্টান ক্রুসেডারগণ প্রচণ্ড উন্মত্ততা সহকারে জেরুসালেমে প্রবেশ করে এবং জনগণের মধ্যে বিরাট ত্রাসের সৃষ্টি করে। তারা পাশবিক অত্যাচার-নির্যাতনে মেতে ওঠে এবং যাকে সামনে পায় তাকেই নির্বিচারে হত্যা করে। তাদের হাত থেকে বৃদ্ধ-যুবক এবং শিশু-নারী কেউ রক্ষা পায়নি। গোটা শহরে তারা পাইকারী মুসলিম হত্যা চালায় ও রক্তের বন্যা প্রবাহিত করে। পরের দিন সকালে তারা মসজিদে আকসায় প্রবেশ করে এবং মসজিদের মুসল্পী ও নেক লোদের রক্তে মসজিদের আঙিনা রঞ্জিত করে তোলে। ক্রুসেডারদের সেনাধ্যক্ষ রেমন্ড দুপুরের সূর্য হেলার আগে এক হাঁটু রক্ত ও লাশের উপর দিয়ে মসজিদে আকসায় প্রবেশ করে। তিনদিন ব্যাপী তারা মুসলিম হত্যাকাণ্ড চালায় এবং ৯০ হাজার মুসলমান হত্যা করে। তারা মসজিদে সাখরাকে গীর্জায় রূপান্তরিত করে। মসজিদের এক অংশকে ঘোড়ার আঁস্তাবল বানায় এবং অন্য অংশে নিজেদের থাকার ব্যবস্থা করে। ১৭ই জুলাই তারা রাস্তা থেকে মুসলমানদের লাশ সরানোর কাজ শুরু করে এবং মিসরের সম্ভাব্য পাল্টা আক্রমণের প্রহর গুনতে থাকে। এইভাবে খৃস্টান শাসকরা দীর্ঘ ৯১ বছর পর্যন্ত জেরুসালেম শহর শাসন করে এবং ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে ইতিহাসের জঘন্যতম অপরাধ সংঘটিত করে।

    ৯. হিত্তিনের যুদ্ধে জেরুসালেম পুনরুদ্ধার ১১৭১ খৃঃ মোতাবেক ৫৬৭ হিজরীতে, মিসরের সুলতান সালাহউদ্দীন ইউসুফ বিন আইউব খৃস্টানদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু করেন এবং সিরিয়ার উদ্দেশ্যে ১১৭৭ খৃঃ মিসরের আরীস ত্যাগ করে। সিরিয়ার বিভিন্ন স্থানে খৃস্টানদের বিরুদ্ধে জয়লাভ করার পর তিনি ১১৮৭ খৃস্টাব্দে জেরুসালেম দখলের লক্ষ্যে হিত্তিনের ময়দানে পৌঁছেন এবং খৃস্টান বাহিনীর ১ লাখ ৬৩ হাজার অশ্বারোহীকে পরাজিত করেন। মুসলমানদের পেছনে ছিল জর্দান নদী আর সামনে ছিল শত্রুবাহিনী। মুসলিম বাহিনী জেরুসালেমের খৃস্টান রাজাকে আটক করে এবং যুদ্ধে ৩০ হাজার খৃস্টান সৈন্যকে হত্যা ও অন্য ৩০ হাজারকে আটক করে। সালাহউদ্দীনের নেতৃত্বে মুসলিম বাহিনী ৫৮৩ হিজরীর ২৭শে রজব শুক্রবার মোতাবেক ১২ই অক্টোবর ১১৮৭ খৃঃ, জেরুসালেম শহরে বিজয়ীর বেশে প্রবেশ করে। রাসূলুল্লাহর (সাঃ) মেরাজের দিবসের সাথে বিজয় দিবস একাকার হয়ে গেল। তিনি প্রথম শুক্রবার মসজিদে সাখরায় জুমার নামায পড়তে পারেননি। কেননা, তাতে খৃস্টানদের টয়লেট, ঘর ও ময়লা আবর্জনা ছিল। তিনি নিজ হাতে সেগুলো ঝাড়ু দেন ও পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করে। ৫৮৩ হিঃ ৪ঠা শাবান, ২য় শুক্রবার, তিনি তাতে জুমার নামায আদায় করেন। সালাহউদ্দীন জেরুসালেমের খৃস্টান নাগরিকদের প্রতি ক্ষমা ও সহানুভূতি প্রদর্শন করেন এবং তাদের দুশমনীর কোন বিচার করেননি। খৃস্টানদের বিজয় ও মুসলমানদের বিজয়ের মধ্যে বিরাট পার্থক্য ফুটে ওঠে। সালাহউদ্দীন জেরুসালেম শহর পুনঃনির্মাণ করেন। মসজিদে আকসায় একটা মিম্বার প্রতিষ্ঠা করেন। তিনি মসজিদের সম্প্রসারণ করেন এবং মসজিদের কারুকার্য আরো বৃদ্ধি করেন। এছাড়াও তিনি মসজিদে কিতাব ও কুরআনের ব্যবস্থা করেন। তিনি মসজিদে আকসার বাইরে অবস্থিত মেহরাবে দাউদের জন্য ২ জন ইমাম, ২ জন মুয়াযিন ও একজন মোতাওয়াল্লী নির্ধারণ করেন। এটি একটি উঁচু স্থানে সুরক্ষিত ছিল। মেহরাবে দাউদ শহরের প্রবেশ পথে বিদ্যমান ছিল।

    ১০. তাতারী আক্রমণ ও দ্বিতীয় ক্রুসেড ৬৫৮ হিজরীর ৪ঠা সফর, তাতারের নেতা হালাকু খার হাতে বাগদাদের ইসলামী খেলাফতের পতন ঘটে। তাতারীরা গোটা ইরাক ও সিরিয়া দখল করার পর মিসর অভিযানের উদ্যোগ নেয়। তাতারীরা দুর্ধর্ষ জালেম ও বর্বর। যে শহরেই তারা ঢুকেছে সে শহরের সকল কিছু ধ্বংস ও সেখানকার অধিবাসীদেরকে হত্যা করেছে। মিসরীয় বাহিনী তাতারীদের মোকাবিলার জন্য বেরিয়ে আসে এবং ফিলিস্তিনের নাবলুস ও সিরিয়ার বিমানের মাঝে অবস্থিত ‘আইনে জালুত’ নামক স্থানে ৬৫৮ হিজরীর ২৫শে রমজান, মোতাবেক ১২৬২ খৃঃ তাতারীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হয়। ১৪ হাজার মিসরীয় মুসলিম সেনার হাতে ১ লাখ তাতারী সেনা পরাজিত হয়। মিসরের জাহের বাইবারসের বাহিনী সেদিন ইতিহাসের গতি পরিবর্তন করে দেয় এবং মিসরের সুলতান কোজের ক্ষমতা টিকিয়ে রাখে। জাহের বাইবারস জেরুসালেমের উপর তাতারী আক্রমণ প্রতিহত করে মসজিদে আকসার হেফাজত করেন এবং পরবর্তীতে মসজিদের প্রয়োজনীয় মেরামত কাজ করেন। মিসরের শাসকরা ছিলেন সুলতান সালাহউদ্দীনের বংশধর। পারিবারিক কোন্দলের কারণে তাদের শাসন দুর্বল হয়ে পড়ে। তাই ৭২৫ হিজরী মোতাবেক ১৩২৯ খৃঃ খৃস্টান ক্রুসেডারদের হাতে পুনরায় জেরুসালেমের পতন হয়। ১৭শ খৃস্টাব্দ মোতাবেক হিজরী ১০ম শতাব্দীর মাঝামাঝি, তুরস্কের ওসমানী সুলতান ১ম সেলিমের হাতে জেরুসালেম পুনরুদ্ধার হয় এবং ১৯২২ খৃঃ প্রথম মহাযুদ্ধের পর বৃটেনের অসিগিরীতে যাওয়ার আগ পর্যন্ত তা মুসলমানদের শাসনাধীন থাকে।

    ১১. ওসমানী শাসনামলে ১৫২০ খৃঃ থেকে ১৫৬০ খৃঃ পর্যন্ত তুর্কী সুলতান সুলাইমান কানুনী মসজিদে আকসার চার দেয়াল সংস্কার করেন। মসজিদের পার্শ্বে অবস্থিত দুর্গ, কৃপ ও হারাম শরীফের দরজা ও দেয়াল পুনঃনির্মাণ করেন এবং মাকামে দাউদ সংস্কার করেন। ওসমানী শাসন দুর্বল হয়ে পড়লে বিদেশী সাম্রাজ্যবাদীরা জেরুসালেমের প্রতি শ্যেন দৃষ্টি নিক্ষেপ করে। ১৯১৭ সালে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়। তুর্কী সুলতান জার্মানীর পক্ষে এবং বৃটিশের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেন। ফলে বিজয়ী বৃটেন তুর্কী শাসনের অবসান ঘটায় এবং জেরুসালেম দখল করে নেয়। পাঁচ বছর পর ১৯২২ খৃঃ জাতিসংঘ জেরুসালেমের উপর বৃটেনকে ম্যান্ডেট দেয় এবং বৃটেন জেরুসালেমের উপর অসি নিযুক্ত হয়। তখন জেরুসালেমে মুসলিম শাসনের অবসান হয়।

    ১২. বৃটিশ শাসনামলে ২রা নবেম্বর, ১৯১৭ খৃঃ, বৃটিশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী আর্থার বেলফোর কুখ্যাত ‘বেলফোর ঘোষণায়’ ইহুদী নেতা লর্ড রথচাইল্ডকে জানান যে, বৃটেন ফিলিস্তি নে ইহুদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সাহায্য করবে। ১৯২২ খৃঃ জাতিসংঘ ফিলিস্তিনে পৃথক ইহুদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনীয়তার কথা স্বীকার করে। ১৯২২ খৃঃ থেকে ১৯৬৭ খৃঃ পর্যন্ত বিশ্ব ইহুদী সংস্থা বিভিন্ন দেশ থেকে ইহুদীদেরকে ফিলিস্তিনে এনে পুনর্বাসন করে। জার্মানীর নাৎসী নির্যাতনের ফলে বহু ইহুদী ফিলিস্তিনে চলে আসে। ১৯৪৭ খৃঃ জাতিসংঘ ফিলিস্তিনকে ২ ভাগ করে একভাগে আরব রাষ্ট্র এবং অন্যভাগে ইহুদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব গ্রহণ করে। ১৯৪৮ সালের ১৫ই মে বৃটেন ফিলিস্তিন এবং জেরুসালেম থেকে নিজ শাসনের অবসান এবং পৃথক ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেয়। বৃটেন, ১৯৪৮ সালের ২৬শে মে গাজ্জাকে আনুষ্ঠানিকভাবে মিসরের কাছে এবং ১৯শে মে জর্দান নদীর পশ্চিম তীর ও জেরুসালেমকে জর্দানের কাছে হস্তান্তর করে।

    ১৩. জর্দানের মুসলিম শাসনামলে

    দীর্ঘ ৩১ বছর বৃটিশ শাসনে থাকার পর জেরুসালেম পুনরায় জর্দানের আরব মুসলমানদের শাসনে ফিরে আসে। জেরুসালেম ১৯৬৭ খৃঃ পর্যন্ত জর্দানী শাসনাধীন থাকে। ১৪. ইসরাইলী শাসনামলে ১৯৬৭ খৃঃ জুন মাসে ইসরাইল একযোগে মিসর, সিরিয়া এবং জর্দানের উপর আক্রমণ করে। ৬ দিনের যুদ্ধে ইসরাইল, জর্দানের মুসলিম শাসন থেকে জেরুসালেম দখল করে নেয়। এছাড়া ইসরাইল মিসরের সিনাই উপত্যকা এবং সিরিয়ার গোলান হাইট দখল করে। এরপর জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ ২৪২ নং প্রস্তাব গ্রহণ করে এতদঞ্চলের সকল রাষ্ট্রের প্রতি স্বীকৃতি এবং অধিকৃত আরব এলাকা থেকে ইসরাইলী বাহিনী প্রত্যাহারের আহ্বান জানায়। কিন্তু সেই প্রস্তাব আজও কার্যকর হয়নি। তাই জেরুসালেম এখন পর্যন্ত ইসরাইলী জবরদখলে রয়েছে। ইসরাইল জেরুসালেমকে তার স্থায়ী রাজধানী ঘোষণা করে বলেছে, সে কখনও জেরুসালেম হাতছাড়া করবে না। এখন মধ্যপ্রাচ্য শান্তি সম্মেলন চলছে। বিশ্বের দুই পরাশক্তি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়ন ঐ সম্মেলন আহ্বান করেছে। সম্মেলনের লক্ষ্য হল, ফিলিস্তিন সমস্যাসহ মধ্যপ্রাচ্য সমস্যার সমাধান করা এবং আরব এলাকা থেকে ইসরাইলী জবরদখলের অবসান ঘটানো।

    লক্ষণীয় বিষয়

    জেরুসালেম বিগত ১৪শ’ বছরের মধ্যে প্রায় ১ হাজার বছর যাবত মুসলমানদের শাসনাধীন ছিল। মাত্র ২বার খৃস্টান শাসন ও সর্বশেষবার ইহুদী শাসনের যাঁতাকলে ঐ মুসলিম শহরটি নিষ্পেষিত হয়। আজ দীর্ঘ ২৫ বছর যাবত জেরুসালেম ইসরাইলের জবরদখলে রয়েছে। ইসরাইলের মাত্র ৫০ লাখ ইহুদীর কাছে আজ জেরুসালেম বন্দী। পক্ষান্তরে, ইসরাইলের পার্শ্ববর্তী আরব দেশসমূহের মুসলিম জনসংখ্যা হচ্ছে ১৭ কোটি এবং গোটা দুনিয়ায় মুসলমানদের সংখ্যা হচ্ছে ১শ’ কোটি।

    আজ মুসলমানদের এই অসহায়ত্ব দূর করার জন্য জেরুসালেম বিজয়ী আবু ওবায়দাহ বিন জাররাহ ও সালাহউদ্দীন আইউবীর মত নেতৃত্ব ও ব্যক্তিত্ব দরকার।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকবিতাসংগ্রহ – উৎপলকুমার বসু
    Next Article মাই জার্নি : স্বপ্নকে বাস্তবতা প্রদান – এ পি জে আবদুল কালাম
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }