Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া – ১

    বিদায়া ওয়ান নিহায়া এক পাতা গল্প1327 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৮. সাগর ও নদ-নদী

    সাগর ও নদ-নদী

    আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ

    وَهُوَ ٱلَّذِی سَخَّرَ ٱلۡبَحۡرَ لِتَأۡكُلُوا۟ مِنۡهُ لَحۡمࣰا طَرِیࣰّا وَتَسۡتَخۡرِجُوا۟ مِنۡهُ حِلۡیَةࣰ تَلۡبَسُونَهَاۖ وَتَرَى ٱلۡفُلۡكَ مَوَاخِرَ فِیهِ وَلِتَبۡتَغُوا۟ مِن فَضۡلِهِۦ وَلَعَلَّكُمۡ تَشۡكُرُونَ ۝ وَأَلۡقَىٰ فِی ٱلۡأَرۡضِ رَوَ ٰ⁠سِیَ أَن تَمِیدَ بِكُمۡ وَأَنۡهَـٰرࣰا وَسُبُلࣰا لَّعَلَّكُمۡ تَهۡتَدُونَ ۝ وَعَلَـٰمَـٰتࣲۚ وَبِٱلنَّجۡمِ هُمۡ یَهۡتَدُونَ ۝ أَفَمَن یَخۡلُقُ كَمَن لَّا یَخۡلُقُۚ أَفَلَا تَذَكَّرُونَ ۝ وَإِن تَعُدُّوا۟ نِعۡمَةَ ٱللَّهِ لَا تُحۡصُوهَاۤۗ إِنَّ ٱللَّهَ لَغَفُورࣱ رَّحِیمࣱ

    [Surat An-Nahl 14 – 18]

    অর্থাৎ—তিনিই সমুদ্রকে অধীন করেছেন যাতে তোমরা তা থেকে তাজা মাছ খেতে পার এবং যাতে তা থেকে আহরণ করতে পার রত্নাবলী, যা তোমরা ভূষণরূপে পরতে পার এবং তোমরা দেখতে পাও, তার বুক চিরে নৌযান চলাচল করে এবং তা এ জন্য যে, তোমরা যেন তার অনুগ্রহ সন্ধান করতে পার এবং তোমরা যেন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর;

    এবং তিনি পৃথিবীতে সুদৃঢ় পর্বত স্থাপন করেছেন, যাতে পৃথিবী তোমাদের নিয়ে আন্দোলিত না হয় এবং স্থাপন করেছেন নদ-নদী ও পথ, যাতে তোমরা তোমাদের গন্তব্য স্থলে পৌঁছুতে পার; এবং পথ নির্ণায়ক চিহ্নসমূহও। আর তারা নক্ষত্রের সাহায্যেও পথের নির্দেশ পায়।

    সুতরাং যিনি সৃষ্টি করেন, তিনি কি তারই মত, যে সৃষ্টি করে না? তবুও কি তোমরা শিক্ষা গ্রহণ করবে না? তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ গণনা করলে তার সংখ্যা নির্ণয় করতে পারবে না। আল্লাহ অবশ্যই ক্ষমাপরায়ণ, পরম দয়ালু। (১৬ঃ ১৪-১৮)

    وما يستوي البحران هذا عذب فرات ساءغ شرابه وهذا ملح أجاج ومن كل تأكلون لحما طريا وتستخرجون حلية تلبسونها وتر الفلك فيه مواخر لتبتغوا من فضله ولعلكم تشكرون.

    অর্থাৎ—সমুদ্র দুটো একরূপ নয়- একটির পানি সুমিষ্ট ও সুপেয়, অপরটির পানি লোনা, খর। প্রত্যেকটি থেকে তোমরা তাজা গোশত আহার কর এবং অলংকার যা তোমরা পরিধান কর এবং রত্নাবলী আহরণ কর এবং তোমরা দেখ তার বুক চিরে নৌযান চলাচল করে যাতে তোমরা তার অনুগ্রহ সন্ধান করতে পার এবং যাতে তোমরা কৃতজ্ঞ হও। (৩৫ঃ ১২)

    وهو الذى مرج البحرين هذا عذب فرات وهذا ملح أجاج وجعل بينهما برزخا حجرا محجورا.

    অর্থাৎ—তিনিই দু’দরিয়াকে মিলিতভাবে প্রবাহিত করেছেন, একটি মিষ্ট সুপেয় এবং অপরটি লোনা, খর; উভয়ের মধ্যে রেখে দিয়েছেন এক অন্তরায়, এক অনতিক্রম্য ব্যবধান। (২৫ঃ ৫৩)

    مرج البحرين يلتقيان بينهما برزح لا يبغيان.

    অর্থাৎ তিনি প্রবাহিত করেন দু’দরিয়া, যারা পরস্পর মিলিত হয়, কিন্তু তাদের মধ্যে রয়েছে এক অন্তরাল যা তারা অতিক্রম করতে পারে না। (৫৫ঃ ১৯, ২০)

    মোটকথা, দু’দরিয়া দ্বারা লোনা, খর দরিয়া এবং সুমিষ্ট দরিয়া বুঝানো হয়েছে। ইবন জুরায়জ প্রমুখ ইমাম বলেন, সুমিষ্ট দরিয়া হলো, সৃষ্টিকুলের স্বার্থে দেশের আনাচে-কানাচে যে সব নদ-নদী প্রবহমান রয়েছে। আল্লাহ্ তা’আলা বলেনঃ

    ومن أياته الجوار في البحر كالأعلام إن يشأ يسكن الريح فيظلن رواكد على ظهره إن في ذالك لأيات لكل صبار شكور . أو يؤبقهن بما كبوا ويعفو عن كثير.

    অর্থাৎ তার অন্যতম নিদর্শন সমুদ্রে পর্বততুল্য চলমান নৌযানসমূহ। তিনি ইচ্ছা করলে বায়ুকে স্তব্ধ করে দিতে পারেন, ফলে নৌযানসমূহ নিশ্চল হয়ে পড়বে সমুদ্রপৃষ্ঠে। নিশ্চয় তাতে নিদর্শন রয়েছে প্রত্যেক ধৈর্যশীল ও কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্য। অথবা তিনি তাদের কৃতকর্মের জন্য সেগুলোকে বিধ্বস্ত করে দিতে পারেন এবং অনেককে তিনি ক্ষমাও করেন। (৪২ঃ ৩২-৩৪)

    الم تر أن الفك تجري في البحر بنعمة الله ليريكم من أياته إن في ذاليك لأيات لكل صبار شكؤر. وإذا غشيهم موج كالظلل دعوا الله مخلصين له الدين فلما نجاهم إلى البر فمنهم مقتصد وما يجحد بآياتنا إلا كل ختال كفور.

    অর্থাৎ—তুমি কি লক্ষ্য কর না যে, আল্লাহর অনুগ্রহে নৌযানগুলো সমুদ্রে বিচরণ করে, যা দিয়ে তিনি তোমাদেরকে তার নিদর্শনাবলীর কিছুটা প্রদর্শন করেন। এতে অবশ্যই নিদর্শন রয়েছে প্রত্যেক ধৈর্যশীল কৃতজ্ঞ ব্যক্তির জন্য।

    যখন তরঙ্গ তাদেরকে আচ্ছন্ন করে মেঘের ছায়ার মত, তখন তারা আল্লাহকে ডাকে তাঁর আনুগত্যে বিশুদ্ধচিত্ত হয়ে। কিন্তু যখন তিনি তাদেরকে উদ্ধার করে স্থলে পৌঁছান, তখন তাদের কেউ কেউ সরলপথে থাকে; কেবল বিশ্বাসঘাতক, অকৃতজ্ঞ ব্যক্তিরাই তাঁর নিদর্শনাবলী অস্বীকার করে। (৩১ঃ ৩১-৩২)

    إن في خلق السموت والأرض واختلاف الليل والنهار والفلك التى تجري في البحر بما ينفع التاس. وما أنزل الله من السماء ما من ماء فأحيا به الأرض بعد موتها . وب فيها من كل دابة تصريف الرياح والسحاب المسخر بين السماء والأرض لأيات لقوم يعقلون.

    অর্থাৎ-আকাশ মণ্ডল ও পৃথিবীর সৃষ্টিতে, দিন ও রাতের পরিবর্তনে, যা মানুষের হিতসাধন করে তা সহ সমুদ্রে বিচরণশীল নৌযানসমূহে, আল্লাহ আকাশ থেকে যে বারিবর্ষণ দ্বারা পৃথিবীকে তার মৃত্যুর পর পুনর্জীবিত করেন তাতে এবং তার মধ্যে যাবতীয় জীব-জন্তুর বিস্তারণে, বায়ুর দিক পরিবর্তনে, আকাশ ও পৃথিবীর মধ্যে নিয়ন্ত্রিত মেঘমালাতে জ্ঞানবান জাতির জন্য নিদর্শন রয়েছে। (২ঃ ১৬৪)।

    এসব আয়াতে আল্লাহ্ তা’আলা বান্দাদের জন্য যে সাগরমালা ও নদ-নদী সৃষ্টি করেছেন, তার কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। মহাসাগর ও তার শাখা-প্রশাখা সবই লোনা ও খর। পরিবেশ দূষণমুক্ত রাখার ব্যাপারে এতে বিরাট হিকমত রয়েছে। কারণ যদি তা মিঠা হতো; তাহলে তাতে যে সব প্রাণী আছে তা মরে পরিবেশ দূষিত এবং আবহাওয়া কলুষিত হয়ে যেত এবং তা মানুষকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দিত। তাই পরিপক্ব প্রজ্ঞার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মানুষের স্বার্থে তা এমন হয়েছে। আর এ কারণেই রাসূলুল্লাহ (সা)-কে সমুদ্র সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেছিলেনঃ هو الطهور ماءه الحل ميتة “তার পানি পাক, তার মৃত জীব হালাল।”

    পক্ষান্তরে নদীর পানি পানকারীর জন্যে সুমিষ্ট ও সুপেয়। আল্লাহ তাকে প্রবহমান করেছেন এবং এক স্থানে তা উৎসারিত করে মানুষের জীবিকার সুবিধার্থে তা অন্যান্য স্থানে পরিচালিত করেন। মানুষের প্রয়োজন ও উপকারের চাহিদা অনুপাতে নদ-নদীর কোনটা বড়, আবার কোনটা ছোট হয়ে থাকে। জ্যোতির্বিজ্ঞানী ও তাফসীর বিশারদগণ সমুদ্র ও বড় বড় নদ-নদীর সংখ্যা, তার উৎস ও গন্তব্য সম্পর্কে বিশদ আলোচনা করেছেন, যাতে মহান সৃষ্টিকর্তার কুদরতের অনেক নিদর্শন রয়েছে এবং এ প্রমাণও রয়েছে যে, তিনি নিজ এখতিয়ার ও হিকমত মোতাবেক কাজ করেন।

    সূরা তুর-এর ষষ্ঠ আয়াতঃ والبحر المسجور (এবং শপথ উদ্বেলিত সমুদ্রের) সম্পর্কে দু’টি অভিমত রয়েছে। প্রথমত, এর দ্বারা পাহাড়ী মেষ সংক্রান্ত হাদীসে উল্লেখিত ঐ সমুদ্রই বুঝানো হয়েছে, যা আরশের নিচে অবস্থিত এবং যা সপ্ত আকাশের উপরে রয়েছে এবং যার নিচ ও উপরের মধ্যে এতটুকু ব্যবধান, যতটুকু এক আকাশ থেকে আরেক আকাশের। পুনরুত্থানের পূর্বে আল্লাহ্ তা’আলা এ সমুদ্র থেকেই বৃষ্টি বর্ষণ করবেন। তাতে দেহসমূহ কবর থেকে পুনর্জীবিত হয়ে উঠবে। রবী ইব্‌ন আনাস এ অভিমতটিই গ্রহণ করেছেন। দ্বিতীয়ত, البحر জাতিবাচক বিশেষ্য। পৃথিবীর সব সমুদ্রই এর আওতাভুক্ত। এটাই অধিকাংশ আলিমের অভিমত।

    المسجور এর অর্থ সম্পর্কে মতভেদ রয়েছে। কেউ কেউ বলেনঃ المسجور অর্থ পরিপূর্ণ। কেউ বলেন, সমুদ্রটি কিয়ামতের দিন প্রজ্বলিত আগুনে পরিণত হয়ে হাশরের ময়দানে উপস্থিত সকলকে পরিবেষ্টন করে রাখবে। যেমনটি আলী, ইবন আব্বাস, সাঈদ ইবন জুবায়র (রা) ও ইবন মুজাহিদ (র) প্রমুখ থেকে তাফসীর গ্রন্থে আমি উল্লেখ করেছি। কারো কারো মতে, المسجور দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, সংযত ও প্রহরাধীন বুঝানো হয়েছে। যাতে তা উদ্বেলিত হয়ে পৃথিবী ও তাতে বসবাসকারী প্রাণীদেরকে ডুবিয়ে মারতে না পারে। ওয়ালিবী (র) তা ইবন আব্বাস (রা) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এটাই সুদ্দী (র) প্রমুখেরও অভিমত। নিচের হাদীসটিতে এর সমর্থন মিলে।

    ইমাম আহমদ (র) উমর ইবন খাত্তাব (রা) সূত্রে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেনঃ

    ليس من ليلة الا والبحر يشرف فيها ثلاث مرات يستأذن الله عز وجل أن ينقصه عليهم فيكفه الله عز وجل –

    অর্থাৎ—“উদ্বেলিত হয়ে সবকিছু ডুবিয়ে দেয়ার জন্য সমুদ্র প্রতি রাতে তিনবার করে আল্লাহর কাছে অনুমতি প্রার্থনা করে থাকে। কিন্তু আল্লাহ তাকে সংযত করে রাখেন।”

    ইসহাক ইবন রাহওয়ে (র) এক বয়োঃবৃদ্ধ সীমান্ত প্রহরীর বরাতে বলেন, এক রাতে আমি পাহারার জন্য বের হই। তখন আমি ছাড়া আর কোন প্রহরী বের হয়নি। এক সময়ে আমি বন্দরে পৌঁছে উপরে উঠে তাকাতেই আমার কাছে মনে হচ্ছিলো সমুদ্র যেন পাহাড়ের চূড়ায় উঁচু ঢেউ রূপে এগিয়ে আসছে। কয়েকবারই এরূপ ঘটলো। আমি তখন জাগ্রত। তারপর হযরত উমর (রা)-এর আযাদকৃত গোলাম আবু সালিহ-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তিনি বললেন, উমর ইবন খাত্তাব (রা) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ

    ما من ليلة إلا والبحر يشرف ثلاث مرات يستأذن الله أن يتفصح عليهم فيكفه الله عز وجل.

    অর্থাৎ- ‘উদ্বেলিত হয়ে সব তলিয়ে দেয়ার জন্য সমুদ্র প্রতি রাতে তিন বার আল্লাহর নিকট অনুমতি প্রার্থনা করে কিন্তু আল্লাহ তাকে সংযত করে রাখেন।’ এ সনদে একজন অজ্ঞাত পরিচয় রাবী আছেন। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

    এটা বান্দার প্রতি মহান আল্লাহর বিশেষ একটি অনুগ্রহ যে, তিনি তাদেরকে সমুদ্রের অনিষ্ট থেকে রক্ষা করেছেন। তাকে তাদের বশীভূত করে দিয়েছেন, ফলে নৌযানে চড়ে তারা তার উপর দিয়ে ব্যবসায়-বাণিজ্য ইত্যাদির উদ্দেশ্যে দূর-দূরান্ত দেশে ভ্রমণ করে থাকে এবং আকাশ ও পৃথিবীতে তাঁর সৃষ্ট নক্ষত্ররাজি ও পর্বতমালা তাতে পথের দিশা লাভ করে থাকে। আরো তারা উপকৃত হয় সমুদ্রে সৃষ্ট অতি উত্তম ও মূল্যবান মণিমুক্তা দ্বারা যা তিনি সমুদ্রে সৃষ্টি করে রেখেছেন এবং মানুষের জন্য হালাল করে দিয়েছেন, এমনকি তার মৃত প্রাণীগুলো পর্যন্ত। যেমন আল্লাহ্ তা’আলা বলেনঃ احل لكم صيد البحر وطعامه

    অর্থাৎ- তোমাদের জন্য সমুদ্রের শিকার ও তা ভক্ষণ হালাল করা হয়েছে। (৫ঃ ৯৬) নবী করীম (সা) বলেছেনঃ هو الطهور ماءه الحل ميتته

    অর্থাৎ- সমুদ্রের পানি পবিত্র ও মৃত জীব হালাল।

    অন্য হাদীসে আছেঃ

    أحلت لنا ميتتان ودمان السمك والجراد والكبد والطحال.

    অর্থাৎ- আমাদের জন্য দু’টো মৃত প্রাণী ও দু’টো রক্ত হালাল করা হয়েছে। মাছ ও পঙ্গপাল এবং কলিজা ও প্লীহা।’ এটি আহমদ ও ইবন মাজাহ (র) বর্ণনা করেছেন। কিন্তু এর সনদ প্রশ্নাতীত নয়।

    হাফিজ আবু বকর বাযযার তার মুসনাদে বলেছেন যে, আমি মুহাম্মদ ইবন মু’আবিয়া আল-বাগদাদী (র) রচিত একটি কিতাবে পেয়েছি, আবু হুরায়রা (রা) বলেন যে, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ পশ্চিমের ও পূর্বের এ সমুদ্রগুলোর সঙ্গে আল্লাহ কথা বলেছেন। তিনি পশ্চিমের সমুদ্রকে বলেন, তোমাতে আমি আমার কতিপয় বান্দাকে বহন করাতে চাই, তাদের সঙ্গে তুমি কিরূপ আচরণ করবে? সমুদ্র বলল, আমি তাদেরকে ডুবিয়ে মারব। আল্লাহ বললেনঃ “তোমার অকল্যাণ হোক এবং তাকে অলংকার ও শিকার থেকে তিনি বঞ্চিত করে দেন। পক্ষান্তরে পূর্বের সমুদ্রকে যখন বললেন, “আমি তোমাতে আমার কতিপয় বান্দাকে বহন করাব, তাদের সঙ্গে তুমি কিরূপ আচরণ করবে?” তখন সে বলল, আমি তাদেরকে আমার নিজ হাতে করে বহন করব এবং সন্তানের জন্য মায়ের মত হবো। ফলে পুরস্কার হিসেবে আল্লাহ তাকে অলংকার ও শিকার সম্ভার দান করেন। তারপর বলেছেন যে, একথা কাউকে জানতে দিও না।

    এ হাদীসের সনদে এক পর্যায়ে এমন একজন রাবী এককভাবে রয়েছেন— যিনি মুনকারুল হাদীস।৬৯ (মুনকারুল হাদীস ঐ দুর্বল রাবীকে বলা হয়ে থাকে যার বর্ণনা গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হয় না।) আবদুল্লাহ ইবন আমর (রা) সূত্রেও মওকূফ পদ্ধতিতে হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। আমার মতে, এটিই অধিকতর গ্রহণযোগ্য। কেননা, তিনিই ইয়ারমুকের যুদ্ধের দিন আহলি কিতাবদের কিতাব বোঝাই দুটো বাহন পেয়েছিলেন। ফলে সেগুলো থেকে তিনি ইসরাঈলিয়াতের অনেক তথ্য বর্ণনা করতেন, যার কতকটা সাধারণভাবে জ্ঞাত ও প্রসিদ্ধ এবং কতকটা প্রক্ষিপ্ত ও প্রত্যাখ্যাত। আবদুর রহমান ইব্‌ন আবদুল্লাহ্ ইবন আমর ইবন হাফস-ইবন আসিম ইবন উমর ইবন খাত্তাব আবুল কাসিম আল-মাদানী এককভাবে তার গ্রহণযোগ্য অংশগুলো বর্ণনা করেছেন। তার সম্পর্কে ইমাম আহমদ (র) বলেছেন, লোকটি আদৌ নির্ভরযোগ্য নয়। আমি তার থেকে হাদীস শুনেছিলাম। কিন্তু পরে তা ছিড়ে টুকরো-টুকরো করে ফেলি। সে ছিল একজন ডাহা মিথুক এবং তার হাদীছসমূহ মুনকার পর্যায়ের। দ্রুপ ইবন মাঈন, আবূ যুর’আ, আবূ হাতিম, জাওয়জানী, বুখারী, আবু দাউদ ও নাসাঈ তাকে দুর্বল বলে অভিহিত করেছেন। ইবন আদী বলেছেন, তাঁর হাদীসগুলো মুনকার। তন্মধ্যে দুর্বলতম হলো সমুদ্র সংক্রান্ত হাদীসটি।

    দৈর্ঘ্য-প্রস্থ, সমুদ্র, নদী-নালা, পাহাড়-পর্বত, প্রান্তরাদি, পৃথিবীর শহর-বন্দর, বিজনভূমি ও জনবসতিপূর্ণ এলাকাসমূহ, পারিভাষিক অর্থের সাত মহাদেশ, সুবিদিত দেশসমূহ এবং বিভিন্ন দেশের প্রাকৃতিক উদ্ভিদজাত, খনিজ ও বাণিজ্যিক বিষয়াদি সম্পর্কে আলোকপাতকারী তাফসীরবিদগণ বলেন, গোটা পৃথিবীর একভাগ স্থল এবং তিনভাগ পানি। এ ভূ-ভাগের পরিমাপ হচ্ছে নব্বই ডিগ্রী। আল্লাহ তাআলা অনুগ্রহ করেই এ বিশাল পানি রাশিকে সংযত ও নিয়ন্ত্রিত রেখেছেন যাতে করে প্রাণীকুল জীবন যাপন করতে পারে এবং শস্যাদি এবং ফলমূল উৎপন্ন হতে পারে। যেমন আল্লাহ্ তা’আলা বলেনঃ

    والأرض وضعها للانام فيها فاكهة والنخل ذات الأمام. والحب ذوالعصف والريحان. فبای الاء ربكما تكذبان.

    অর্থাৎ তিনি পৃথিবীকে স্থাপন করেছেন সৃষ্ট জীবের জন্য, এতে আছে ফলমূল এবং খেজুর গাছ, যার ফল আবরণযুক্ত এবং খোসাবিশিষ্ট দানা ও সুগন্ধ গুল্ম। অতএব, তোমরা (জিন ও মানবজাতি) উভয়ে তোমাদের প্রতিপালকের কোন অনুগ্রই অস্বীকার করবে? (৫৫ঃ ১০-১৩)

    তাঁরা বলেন, পৃথিবীর স্থল ভাগের তিন ভাগের দু’ভাগ বা তদপেক্ষা একটু বেশিতে মানুষের বসবাস রয়েছে। এর পরিমাপ ৯৫ ডিগ্রী।৭০ (মূল আরবীতে ৯৫ ডিগ্রী লিখিত আছে যা সম্ভবত মুদ্রণ প্রমাদ। কেননা গোটা স্থলভাগই ৯০ ডিগ্রী বলে লেখক উল্লেখ করেছেন।)

    তারা আরো বলেন, সমুদ্রসমূহের মধ্যে একটি হলো, পশ্চিম মহাসাগর যাকে আটলান্টিক মহাসাগরও বলা হয়। এ মহাসাগরই পশ্চিমের দেশগুলোকে ঘিরে আছে। এর পশ্চিম ভাগে আছে দু’টি দ্বীপ। এ মহাসাগরও এর উপকূলের মাঝে প্রায় এক মাসের পথে দশটি ডিগ্রী রয়েছে। এটি এমন এক সাগর অধিক ঢেউ এবং আবহাওয়া ও তরঙ্গ সাংঘর্ষিক হওয়ার কারণে এতে চলাচল করা অসম্ভব প্রায়। তাতে কোন শিকারও নেই এবং তা থেকে কোন কিছু আহরণও করা হয় না এবং বাণিজ্য বা অন্য কোন উদ্দেশ্যে তাতে ভ্রমণও করা যায় না। দক্ষিণ দিক ঘেঁষে এটি কামার পর্বতমালার দিকে চলে গেছে। এ কামার পর্বতমালাই মিসরের নীল নদের উৎসস্থল। তারপর বিষুবরেখা অতিক্রম করে তা চলে গেছে পূর্ব দিকে। তারপর আরও পূর্ব দিকে মহাসাগরটি অগ্রসর হয়ে তাই পৃথিবীর সর্বদক্ষিণ এলাকায় পরিণত হয়েছে। সেখানে কয়েকটি দ্বীপ রয়েছে যা আযযাবিজ দ্বীপপুঞ্জ নামে অভিহিত হয়ে থাকে। এ মহাসাগরটির উপকূল অঞ্চলে প্রচুর অনাবাদী এলাকা রয়েছে। তারপর পূর্ব দিকে গিয়ে তা চীন সাগর ও ভারত মহাসাগরের সঙ্গে মিলিত হয়েছে। তারপর পূর্ব-উত্তর দিকে গিয়ে পৃথিবীর পূর্ব দিকের শেষ প্রান্তে গিয়ে ঠেকেছে। সেখানেই চীন সাগরের অবস্থান। তারপর চীনের পূর্বে মোড় নিয়ে তা উত্তর দিকে চলে গিয়ে চীন দেশ অতিক্রম করে চলে গেছে ইয়াজুজ-মাজুজের প্রাচীর পর্যন্ত। সেখান থেকে আবার এমন একদিকে মোড় নিয়েছে যার অবস্থা কারো জানা নেই। তারপর পৃথিবীর উত্তর-প্রান্তে পশ্চিম দিকে রাশিয়া পর্যন্ত গিয়ে পৌঁছে এবং তা অতিক্রম করে আবার পশ্চিম-দক্ষিণে মোড় নিয়ে পৃথিবী ঘুরে এসে পুনরায় সোজা পশ্চিম দিকে গিয়ে পশ্চিম থেকে প্রণালী৭১ (লেখক এখানে জিব্রালটার প্রণালীর কথা বলেছেন।) অঞ্চলের দিকে চলে যায়, যার শেষ প্রান্ত সিরিয়ার দিকে গিয়ে ঠেকেছে। তারপর রোমের পথ ধরে তা কনস্টান্টিনিপল প্রভৃতি অঞ্চলে গিয়ে মিলিত হয়েছে।

    পূর্ব মহাসাগর থেকে আরো কয়েকটি সমুদ্র প্রবাহিত হয়েছে। সেগুলোতে অনেক দ্বীপ আছে। এমনকি কথিত আছে যে, কেবল ভারত সাগরেই জনশূন্য দ্বীপসমূহের কথা বাদ দিলেও শহর-বন্দর ও অট্টালিকাদি বিশিষ্ট দ্বীপের সংখ্যা এক হাজার সাতশ’। এই সাগরসমূহকে বাহরে আখসারও বলা হয়ে থাকে। এর পূর্বাংশে চীন সাগর, পশ্চিমে ইয়ামান সাগর, উত্তরে ভারত সাগর এবং দক্ষিণে কী আছে তা অজ্ঞাত।

    বিশেষজ্ঞগণ বলেন, ভারত সাগর ও চীন সাগরের মধ্যখানে দু’য়ের মাঝে ব্যবধান সৃষ্টিকারী কয়েকটি পাহাড় আছে এবং তাতে স্থলপথের ন্যায় কয়েকটি প্রশস্ত পথ আছে যা দিয়ে নৌযানসমূহ চলাচল করতে পারে। যেমন আল্লাহ্ তা’আলা বলেনঃ

    وجعلنا في الأرض و اسی أن تميد بهم وجعلنا فيها فجاجا سبلا. لعلهم يهتدون-

    অর্থাৎ- এবং আমি পৃথিবীতে সৃষ্টি করেছি সুদৃঢ় পর্বত যাতে পৃথিবী তাদেরকে নিয়ে এদিক-ওদিক ঢলে না যায় এবং আমি তাতে করেছি প্রশস্ত পথ যাতে তারা গন্তব্যস্থলে পৌছুতে পারে। (২১ঃ ৩১)।

    ভারত উপমহাদেশের বাতলীমূস নামক জনৈক রাজা তাঁর “মিজেসতী’ নামক গ্রন্থে খলীফা মামুনের আমলে যা আরবীতে অনূদিত হয়েছিল, যা এ সংক্রান্ত বিদ্যার উৎস বলে পরিগণিত তাতে তিনি উল্লেখ করেছেন যে, পশ্চিম, পূর্ব, দক্ষিণ ও উত্তর মহাসাগর থেকে প্রবহমান সমুদ্রের সংখ্যা অনেক। এগুলোর মধ্যে এমনও রয়েছে যা আসলে একই সাগর, তবে পার্শ্ববর্তী জনপদের নামানুসারে বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন নামে অভিহিত হয়েছে। তন্মধ্যে একটি হলো, বাহরে কুলযুম বা লোহিত সাগর। কুলযুম হচ্ছে আয়লার কাছাকাছি সমুদ্রের উপকূলবর্তী একটি গ্রাম। আরো আছে পারস্য সাগর, কাস্পিয়ান সাগর, অরনক সাগর, রোম সাগর, বানতাশ সাগর ও আযরাক সাগর। আযরাক উপকূলবর্তী একটি শহরের নাম। একে কারম সাগরও বলা হয়। এটি সংকীর্ণ হয়ে দক্ষিণ কনস্টান্টিনিপলের নিকট ভূমধ্যসাগরে গিয়ে পতিত হয়েছে। এটি কনস্টান্টিনিপলের উপসাগর। আর এ কারণেই কারম সাগর থেকে ভূমধ্যসাগরে গিয়ে পতিত হয়েছে। আর এ কারণেই কারম সাগর থেকে ভূমধ্যসাগরে আসার সময় নৌযানসমূহ দ্রুত চলে কিন্তু পানির বিপরীতে প্রবাহের কারণে আলেকজান্দ্রিয়া থেকে কারমে আসার সময় চলে ধীর গতিতে। আর এটি পৃথিবীর একটি অত্যাশ্চর্য ব্যাপার। কারণ, যত প্রবহমান পানি আছে সবই মিষ্ট, কিন্তু এটি তার ব্যতিক্রম আর সকল স্থির সমুদ্রের পানি লোনা, খর। কিন্তু কাস্পিয়ান সাগর তার ব্যতিক্রম। একে জুরজান সাগর ও তাবারিস্তান সাগরও বলা হয়। পর্যটকদের বর্ণনা, এর বিরাট এক অংশের পানি সুমিষ্ট ও সুপেয়।

    জ্যোতির্বিদগণ বলেন, এ সাগরটি প্রায় গোলাকার। কেউ কেউ বলেন, তা নৌকার পালের ন্যায় ত্রিকোণা বিশিষ্ট। মহাসাগরের কোন অংশের সঙ্গে তার সংযোগ নেই বরং তা সম্পূর্ণ আলাদা। তার দৈর্ঘ্য আটশ’ মাইল ও প্রস্থ ছয়শ’ মাইল। কেউ কেউ এর বেশিও বলেছেন। আল্লাহ সর্বজ্ঞ।

    ঐ সমুদ্রগুলোর আরেকটি হলো বসরার নিকটবর্তী সাগর, যাতে জোয়ার-ভাটা হয়। সাগরের এলাকার দেশগুলোতেও৭২ (মরক্কো-তিউনিসিয়া অঞ্চল।)  এর অনুরূপ সাগর রয়েছে। চান্দ্র মাসের শুরু থেকে পানি বাড়তে শুরু করে এবং পূর্ণিমা রাতের শেষ পর্যন্ত, তা অব্যাহত থাকে। এ হলো জোয়ার। তারপর কমতে শুরু করে মাসের শেষ পর্যন্ত তা অব্যাহত থাকে। এ হলো ভাটা। বিশেষজ্ঞগণ এসব সাগরের সীমারেখা এবং এগুলোর উৎস ও মোহনাসমূহের উল্লেখ করেছেন এবং পৃথিবীর ছোট ছোট নদ-নদী এবং খাল-নালার আলোচনাও তারা করেছেন। আবার বড় বড় প্রসিদ্ধ নদ-নদী এবং সেগুলোর উৎস ও মোহনাসমূহের কথাও তারা উল্লেখ করেছেন। আমরা এসব বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করব না – আমরা কেবলমাত্র হাদীসে বর্ণিত নদীসমূহ সম্পর্কেই আলোকপাত করব।

    আল্লাহ্ তা’আলা বলেনঃ

    الله الذي خلق السموت والأرض و أنزل من السماء ماء فأخرج به من الثمرات رزقا لكم وسخر لكم الفلك لتجري في البحر بأمره وسخر لكم الأنهار وسخر لكم الشمس و القمر دائبين وسخر لكم الليل والنهار و أتاكم من كل ما سألتموه وإن تعدوا نعمة الله لا تحصوها إن الإنسان لظلوم كفار.

    অর্থাৎ তিনিই আল্লাহ যিনি আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবী সৃষ্টি করেছেন, যিনি আকাশ থেকে পানি বর্ষণ করে তা দিয়ে তোমাদের জীবিকার জন্য ফল-মূল উৎপাদন করেন, যিনি নৌযানকে তোমাদের অধীন করে দিয়েছেন যাতে তাঁর বিধানে তা সমুদ্রে বিচরণ করে এবং যিনি তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করেছেন নদীসমূহকে।

    তিনি তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করেছেন সূর্য ও চন্দ্রকে যারা অবিরাম একই নিয়মের অনুবর্তী এবং তোমাদের কল্যাণে নিয়োজিত করেছেন রাত ও দিনকে। এবং তিনি তোমাদেরকে দিয়েছেন তোমরা তার নিকট যা চেয়েছ তা থেকে। তোমরা আল্লাহর অনুগ্রহ গণনা করলে তার সংখ্যা নির্ণয় করতে পারবে না। মানুষ অবশ্যই অতিমাত্রায় জালিম, অকৃতজ্ঞ। (১৪ঃ ৩২-৩৪)

    সহীহ বুখারী ও মুসলিমে কাতাদা (র) সূত্রে আনাস ইবন মালিক ও মালিক ইবন সা’সা’আ থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সা) সিদরাতুল মুনতাহার আলোচনাকালে বলেছিলেনঃ

    فإذا يخرج من اصلها نهران باطنان ونهران ظاهران فأما الباطنان ففي الجنة واما الظاهران فالنيل والفرات.

    অর্থাৎ-আমি দেখতে পেলাম যে, তার মূলদেশ থেকে দু’টো অদৃশ্য নদী ও দু’টো দৃশ্যমান নদী বেরিয়ে যাচ্ছে। অদৃশ্য দু’টো জান্নাতে আর দৃশ্যমান দু’টো হলো নীল ও ফোরাত।

    সহীহ মুসলিমে আবূ হুরায়রা (রা) সূত্রে বর্ণিত হাদীসে আছে যে, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ

    سيحان وجيحان والفرات والنيل كل من أنهار الجنة.

    অর্থাৎ আমু দরিয়া ও শির দরিয়া ফোরাত ও নীল সব কটিই জান্নাতের নদী। ইমাম আহমদ (র) বর্ণনা করেন যে, আবু হুরায়রা (রা) বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা) বলেছেনঃ

    فجرت أربعة أنهار من الجنة الفرات والنيل وسيحان وجيحان.

    অর্থাৎ জান্নাত থেকে চারটি নদী প্রবাহিত করা হয়েছে। ফোরাত, নীল, আমু দরিয়া ও শির দরিয়া। ইমাম মুসলিমের শর্ত মোতাবেক এ হাদীসের সনদ সহীহ।

    সম্ভবত এর দ্বারা পরিচ্ছন্নতা, স্বাদ ও প্রবাহের ক্ষেত্রে এ নদীগুলো জান্নাতের নদ-নদীর সাথে সাদৃশ্য রাখে বলে বুঝানো হয়েছে। আল্লাহ সর্বজ্ঞ। এ ব্যাখ্যার যৌক্তিকতা আবু হুরায়রা সূত্রে ইমাম তিরমিযী (র) বর্ণিত ও তার দ্বারা সহীহ বলে আখ্যায়িত- হাদীসে রাসূলুল্লাহ (সা)-এর সেই হাদীসে রয়েছে যাতে তিনি বলেছেনঃ

    العجوة من الجنة وفيها شفاء من السم.

    “আজওয়া (উন্নতমানের এক প্রকার খেজুর) জান্নাতী খেজুর এবং তাতে বিষ-এর উপশম রয়েছে। অর্থাৎ-আজওয়া জান্নাতের ফল-ফলাদির সাথে সাদৃশ্য রাখে। এর অর্থ এ নয় যে, এটি জান্নাত থেকে আহরণ করে নিয়ে আসা হয়েছে। কেননা, বাস্তবে এর বিপরীতটিই পরিলক্ষিত হয়। সুতরাং এটা যে শাব্দিক অর্থে ব্যবহৃত হয়নি, তা স্পষ্ট। অনুরূপ অন্য হাদীসে তিনি বলেছেনঃ

    الحمى من فيح جهنم فأبردوها بالماء.

    অর্থাৎ জ্বর হলো জাহান্নামের তাপ। কাজেই তাকে তোমরা পানি দ্বারা ঠাণ্ডা কর। অপর একটি হাদীসে আছে।

    إذا اشتد الحمی فابردو ها بالماء فإن شدة الحر من فيح جهنم.

    অর্থাৎ- জ্বর তীব্র আকার ধারণ করলে তাকে তোমরা পানি দ্বারা ঠাণ্ডা করে নিও। কেননা গরমের তীব্রতা জাহান্নামের তাপ বিশেষ।

    তদ্রুপ এসব নদ-নদীর মূল উৎসও পৃথিবীতেই।

    নীল নদঃ স্রোতের তীব্রতা, পানির স্বচ্ছতা এবং গতিপথের দৈর্ঘ্যের দিক থেকে গোটা পৃথিবীতে এটি অতুলনীয় নদী। এর শুরু হলো জিবালুল কামার বা শুভ্র পর্বতমালা থেকে। কারো কারো মতে, জিবালুল কামার দ্বারা চন্দ্রের পাহাড় বুঝানো হয়েছে। এটি পৃথিবীর পশ্চিমাংশে বিষুবরেখার পেছনে দক্ষিণ পাশে অবস্থিত। কারো কারো মতে, তাহলো যার মধ্য থেকে উৎসারিত হয়েছে একাধিক ঝরনা। তারপর দূরে দূরে অবস্থিত দশটি স্রোতধারার সম্মিলন ঘটেছে। তারপর তার প্রতি পাঁচটি গিয়ে একত্রিত হয় একটি সাগরে। তারপর তা থেকে বেরিয়ে আসে ছ’টি নদী। তারপর তার প্রতিটি গিয়ে মিলিত হয় অন্য এক হ্রদে। তারপর তা থেকে বেরিয়ে আসে আরেকটি নদী। এটাই হলো নীল নদ। এ নদটি সুদান, নওবা ও আসওয়ান হয়ে অবশেষে মিসরে গিয়ে উপনীত হয়েছে। নওবার প্রধান শহর হচ্ছে দামকালা। হাবশার বৃষ্টির অতিরিক্ত পানি এবং তার পলিমাটি মিসরে গড়িয়ে আসে। মিসরের এ দু’টো বস্তুরই প্রয়োজন রয়েছে। কারণ মিসরে বৃষ্টি এত কম হয় যে, তা ফসলাদি ও গাছ-গাছালির জন্য যথেষ্ট নয়। আর তার মাটি হলো বালুময়। যাতে কোন ফসলই উৎপন্ন হয় না। নীল নদ হয়ে যে পানি ও মাটি আসে তা থেকেই মিসরবাসীর প্রয়োজনীয় ফসলাদি উৎপন্ন হয়।

    আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ

    الم يروا أنا نسوق الماء إلى الأرض الجز فنخرج به زر عا تأكل منه انعامهم وانفهم أفلا تبصرون

    অর্থাৎ তারা কি লক্ষ্য করে না, আমি উষর ভূমির উপর পানি প্রবাহিত করে তার সাহায্যে উদগত করি শস্য যা হতে খাদ্য গ্রহণ করে তাদের গবাদি পশু এবং তারাও? তারা কি লক্ষ্য করে না? (সাজদাঃ ২৭)

    মিসরের ক্ষেত্রেই সর্বাধিক প্রযোজ্য। তারপর মিসরের কিছু অংশ অতিক্রম করে উপকূলবর্তী শাতনূফ নামক একটি গ্রামের নিকট গিয়ে নীল নদ দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে তার পশ্চিমের শাখাটি রশীদ অঞ্চল অতিক্রম করে লোনা সমুদ্রে পড়েছে, অপরদিকে পূর্ব দিকের শাখাটি জাওজার-এর নিকট গিয়ে দুভাগ হয়ে শাখাদ্বয়ের পশ্চিম ভাগ দুমিয়াত হয়ে সাগরে গিয়ে পড়েছে। আর পূর্বভাগ আশমূনতান্নাহ হয়ে দুমিয়াতের পূর্বে অবস্থিত তান্নীস হ্রদ ও দুমিয়াত হ্রদে পড়েছে। নীল নদের উৎপত্তিস্থল ও সঙ্গম স্থলের মধ্যে এভাবে বিরাট দূরত্ব রয়েছে। আর এ কারণেই এর পানি অত্যন্ত স্বচ্ছ।

    ইবন সীনা বলেন, নীল নদের এমন কিছু বৈশিষ্ট্য আছে, যা পৃথিবীর অন্য কোন নদ-নদীর নেই। প্রথমত, উৎপত্তিস্থল থেকে শেষ প্রান্তের মাঝে এর দূরত্ব সর্বাধিক। দ্বিতীয়ত, তা প্রবাহিত হয় বড় বড় পাথর ও বালুময় প্রান্তরের উপর দিয়ে, যাতে কোন শাওলা ও ময়লা-আবর্জনা নেই। তৃতীয়ত, তার মধ্যে কোন পাথর বা কংকর সবুজ হয় না। বলা বাহুল্য যে, নদীটির পানির স্বচ্ছতার কারণেই এরূপ হয়ে থাকে। চতুর্থত, আর সব নদ-নদীর পানি যখন হ্রাস পায়, এর পানি তখন বৃদ্ধি পায় আর অন্যসব নদীর পানি যখন বৃদ্ধি পায়, এর পানি তখন হ্রাস পায়। পক্ষান্তরে কেউ কেউ বলে যে, নীল নদের উৎস হলো কোন এক উঁচু স্থান, কেউ কেউ যার সন্ধান পেয়েছেন এবং তাতে ভীষণ এক ভয়ানক বস্তু কতিপয় রূপসী নারী এবং আরো অনেক অদ্ভুত জিনিস দেখতে পেয়েছেন; এর সবই ঐতিহাসিকদের ভিত্তিহীন বর্ণনা এবং মিথ্যাচারীদের কল্পকাহিনী মাত্র।

    কায়স ইবন হাজ্জাজ সূত্রে জনৈক ব্যক্তি থেকে আবদুল্লাহ ইবন লাহীয়া বর্ণনা করেন যে, জনৈক ব্যক্তি বলেন, মিসর জয় করে আমর ইবন আস (রা) যখন অনারব কিবতী ক্যালেন্ডারের বু’না নামক মাসে তাতে প্রবেশ করেন তখন মিসরের লোকজন তাঁর নিকট এসে বলল, মাননীয় আমীর! আমাদের এ নীল নদের একটি প্রথা আছে, যা পালন না করলে তা প্রবাহিত হয় না। তিনি বললেনঃ কী সে প্রথাটি? তারা বলল, এ মাসের বার তারিখের রাত শেষ হলে আমরা বাবা-মার নিকট থেকে তাদের সম্মতিক্রমে একটি কুমারী মেয়ে নিয়ে আসি এবং উন্নতমানের অলংকারাদি ও পোশাক-পরিচ্ছদ পরিয়ে তাকে এ নীল নদে ফেলে দেই। শুনে আমর ইবন আস (রা) তাদেরকে বললেনঃ

    إن هذا لا يكون في الإسلام وإن الا سلام يهدم ما قبله.

    অর্থাৎ- ইসলামে এটা চলবে না। পূর্বের সব কুসংস্কারকে ইসলাম নির্মূল করে দেয়। অগত্যা বুনা মাসটা তারা এভাবেই কাটিয়ে দেয়। কিন্তু নীল নদে কোন পানি আসলো না। অন্য এক বর্ণনায় আছে যে, তারা বুনা, আবীব ও মাসরা এ তিন মাস অপেক্ষা করলো কিন্তু নীল আর প্রবাহিত হয় না। এমনকি শেষ পর্যন্ত তারা দেশ ত্যাগ করতে মনস্থ করে। অবশেষে আমর (রা) খলীফা উমর ইবন খাত্তাব (রা)-এর নিকট এ ব্যাপারে পত্র লিখেন। জবাবে উমর (রা) লিখে পাঠান যে, তুমি যা করেছ ঠিকই করেছ। আর তোমার নিকট একটি লিপি প্রেরণ করছি, তুমি তা নীল নদে ফেলে দিও। পত্রটি এসে পৌঁছুলে আমর (রা) লিপিটি খুলে দেখতে পেলেন যে, তাতে লিখা রয়েছে।

    من عبد الله عمر أمير المؤمنين إلى نيل مصر اما بعد- فان كنت تجري من قبلك فلا تجر وان كان الله الواحد القهار هو الذي يجريك فنسأل الله أن يجريك.

    অর্থাৎ- “আল্লাহর বান্দা আমীরুল মুমিনীন উমর-এর পক্ষ থেকে মিসরের নীল নদের প্রতি হামদ ও সালাতের পরঃ

    যদি তুমি নিজ ক্ষমতায় প্রবাহিত হয়ে থাকো, তাহলে তুমি প্রবাহিত হয়ো না। আর যদি পরাক্রমশালী এক অদ্বিতীয় আল্লাহ তোমাকে প্রবাহিত করে থাকেন, তাহলে তারই কাছে আমরা প্রার্থনা করছি যেন তিনি তোমাকে প্রবাহিত করেন।”

    আমর (রা)-এর চিঠিটি নীল নদে ফেলে দিলে শনিবার দিন সকালে দেখা গেল যে, আল্লাহ তা’আলা নীল নদকে এমনভাবে প্রবাহিত করে দিয়েছেন যে, এক রাতে ষোল হাত পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। এভাবে আল্লাহ মিসরবাসী থেকে সে কুপ্রথা চিরতরে বন্ধ করে দেন।

    ফোরাতঃ বাইজানটাইন সাম্রাজ্যের উত্তর সীমান্ত হলো এর উৎপত্তিস্থল। সেখান থেকে মালতিয়ার নিকট দিয়ে অতিক্রম করে শমীশাত ও বয়রা হয়ে তারপর পূর্ব দিকে মোড় নিয়ে বালেস ও জাবার কেল্লায় চলে গেছে। তারপর রিককা, রহবা, ’আনা, হায়ত ও কূফা হয়ে ইরাকের দিকে গিয়ে সমুদ্রে পড়েছে। এ নদীটির অনেক প্রসিদ্ধ উপনদী, শাখা নদী রয়েছে।

    সায়হান (আমু দরিয়া)ঃ একে সায়হুনও বলা হয়। বাইজানটাইন এলাকা থেকে এর উৎপত্তি। উত্তর-পশ্চিম থেকে দক্ষিণ-পূর্ব দিকে এর প্রবাহ। জায়হানের পশ্চিমে এর অবস্থান এবং আকারে তারচেয়ে ছোট। যে ভূখণ্ডে এর অবস্থান, বর্তমানে তা সীস নামে পরিচিত। ইসলামী রাজত্বের প্রথমে তা মুসলমানদের হাতে ছিল। তারপর ফাতেমীগণ যখন মিসরের ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হন এবং সিরিয়া ও তার আশপাশের অধিকার লাভ করেন, তখন তারা তাকে শত্রুদের থেকে রক্ষা করতে ব্যর্থ হয়। ফলে তিনশ’ হিজরীর গোড়ার দিকে আর্মেনিয়ার অধিবাসী তাকফুর এ সীস নগরী দখল করে নেয়। এখন পর্যন্ত তা তাদের দখলেই রয়েছে। আল্লাহর নিকট আমাদের প্রার্থনা, যেন আপন ক্ষমতাবলে তিনি আবার আমাদের হাতে তা ফিরিয়ে দেন। তারপর সায়হান ও জায়হান উযনার নিকট মিলিত হয়ে একই স্রোতধারায় পরিণত হয়েছে। অবশেষে আরাস ও তার সূস-এর মধ্যবর্তী স্থানে তা সাগরে পতিত হয়েছে।

    জায়হান (শির দরিয়া)ঃ একে জায়হুনও বলা হয়, সাধারণ্যে এর নাম হলো জাহান। এর উৎস হলো বাইজানটাইন এলাকা এবং সীস নগরীতে তা উত্তর থেকে দক্ষিণ দিকে প্রবাহিত হয়েছে। এটি আকারেও প্রায় ফোরাতের সমান। তারপর একটি সায়হান উনার নিকট মিলিত হয়ে দুটো এক স্রোতধারায় পরিণত হয়েছে। আয়াস ও তারসূস-এর মধ্যবর্তী স্থানে সাগরে গিয়ে পড়েছে। আল্লাহই সর্বজ্ঞ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইসলাম ও বিজ্ঞান – প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    Next Article নতুন বিশ রহস্য – স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }