Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আশাপূর্ণা দেবী – সাহিত্যের সেরা গল্প

    লেখক এক পাতা গল্প213 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    এক প্রেমিক পুরুষের ইতিবৃত্ত – আশাপূর্ণা দেবী

    এক প্রেমিক পুরুষের ইতিবৃত্ত

    এন্তার প্রেম করেছে নন্তু তার এই বেয়াল্লিশ বছরের জীবনে।

    জীবনভোরই নন্তু প্রেমে পড়ছে।

    ওর প্রেমের প্রথম ইতিহাস খুঁজতে গেলে চলে যেতে হবে ওর আট বছর বয়সে।

    হ্যাঁ, ঠিক আট বছর, তখন নন্তু প্রেমে পড়ল। মোক্ষমভাবেই পড়ে গেল।

    প্রেমপাত্রী তার সদ্য-বিবাহিত মাসতুতো বৌদি রাকা।

    নন্তু সেই নববধূর ঢলঢলে মুখ দেখে মোহিত হলো, কাজলপরা কালো চোখের চাউনি দেখে মুগ্ধ হলো, আলতাপরা পায়ের লাবণ্য দেখে বিভোর হলো, আর ঝকমকে গহনায় মোড়া হাত গলা কান দেখতে জগৎ বিস্মৃত হলো।

    নন্তু ওই লাবণ্যবতীর দিকে হাঁ করে তাকিয়ে থেকে ভাবে, স্বর্গের পরীরা নিশ্চয় এই রকমই হয়। ভাবে সোনার কাঠি রুপোর কাঠি গল্পের রাজকুমারী কী আর এর থেকে সুন্দর? নতুন বৌ ওর সঙ্গে কথা কইলে নন্তুর বুকের মধ্যে যেন একটা অজানা সুখের বাঁশি বেজে ওঠে, নতুন বৌ ওর হাত ধরলে, নন্তুর মনে হয় সে এক্ষুনি মরে যাবে।

    বিয়ে-বাড়িতে কত লোক, কত ছোট ছেলেমেয়ে, কত হৈ-চৈ, কত খাওয়া-দাওয়া, সে সব দৃশ্যের মধ্যে নন্তু নেই। নন্তু ওই একটি জায়গাতেই পড়ে আছে। নতুন কনের কাছে।

    নতুন কনের গতিবিধির সঙ্গে নন্তুর গতিবিধি গ্রন্থিত। নতুন কনের পায়ে পায়ে ঘোরে, ওর একটু কিছু কাজ করতে পেলে কৃতার্থ হয়ে যায়। নতুন কনের আর কাজ কী? হয়তো একটু জল চাইল, হয়তো কোনো একটা বই চাইল। একদিন বললো, এ বাড়িতে খবরের কাগজ আসে না নন্তু?

    নন্তুর মনে হলো জীবন ধন্য হয়ে গেল তার। নন্তু একেবারে সোজা দাঁড়িয়ে উঠলো।

    হ্যাঁ তো। দুটো কাগজ আসে তো, ইংরিজি বাংলা।

    এখন কেউ পড়ছে?

    জিগ্যেস করলো নতুন বৌ। তার মানে ওটা ওর এখন পেলে ভালো হয়।

    নন্তু তীরবেগে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল, আর মুহূর্তে দু’খানা কাগজই হাতে নিয়ে চলে এলো।…যেন কোথাও কোনো বামনবুড়ো অথবা দৈত্যরাজকে পরাজিত করে রাজকুমারীর প্রাণভোমরা উদ্ধার করে নিয়ে এলো।

    মুখের চেহারায় তেমনি দীপ্তি।

    রাকা বললো, আরে, দুটোই নিয়ে এলে? আর কেউ যদি পড়তে চায়?

    বিয়ে-বাড়িতে কে পড়ছে? বড় মেসোমশাই শুধু সকালে একবার—

    নন্তুর তখনো বুক তোলপাড় করছে, নন্তুর কথার ভঙ্গিতে সেটা ধরা পড়ে যায়।

    নতুন বৌ হেসে ফেলে বলে, এতো ছুটতে আছে? এই দ্যাখো হাঁপাচ্ছে।

    নন্তু কৃতার্থমন্যের হাসি হেসে বলে, না তো।

    এ বিয়েতে নন্তুই হয়েছিল নিতবর।

    কারণ ওর বয়সের যে সব ছেলে আছে এদিক-ওদিক, নন্তুর তাদের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর সুকান্তি। তাছাড়া নন্তু সব থেকে আদরণীয়ও বটে। বরের মা-র ছোট বোনের ছোট ছেলে।

    সেই যে নন্তু কোঁচানো ধুতি আর গিলে-করা পাঞ্জাবি পরে, কপালে চন্দনের ছাপ এঁকে আর গলায় ফুলের মালা দুলিয়ে বরের সঙ্গে গেল, আর ছাঁদনাতলায় বৌকে দেখল, সেই ওর রোমাঞ্চের শুরু।

    বিয়ের সত্যি বর ছলছুতোয় এঘরে এসে হেসে হেসে বলে, নিতবরটিই দেখছি সবটা দখল করে নিচ্ছে, আসলের জন্যে কিছু রাখছে না! বৌ মুখ টিপে হেসে বলে, ও তো দস্তুরমতো আমার প্রেমে পড়ে গেছে।

    ও পড়লে ক্ষতি নেই, তুমি না পড়লেই হলো।

    বৌ বলে, আমিই বা নয় কেন? প্রতিদান বলে একটা কথা আছে তো?

    নন্তু অবশ্য এসব শুনতে পায় না। ওর কান বাঁচিয়েই বলা হয়, আর রাশুদা ঘরে ঢুকলে তো নন্তু ব্যাজার মুখে উঠে গিয়ে বারান্দায় দাঁড়িয়ে থাকে। রাশুদাকে আজ-কাল আর দু’চক্ষে দেখতে পারে না নন্তু।

    তবু রাশুদা যখন ডাকে, কী রে নন্তু চলে গেলি কেন? আর, না এসে উপায় থাকে না বেচারার। কিন্তু ভালো লাগে না একদম।

    রাশুদা ঘরে ঢুকলেই যেন বিশ্বপৃথিবী ভুলে যায় বৌদি। নন্তু নামের একটা ছেলে যে এখানে উপস্থিত আছে তা যেন মনেই থাকে না।

    তবু এই নিষ্ঠুরার সঙ্গই নন্তুর কাছে প্রাণ।

    নন্তুর মা বলে, ভালো এক নেশায় পড়েছে ছেলে। খেতে ডাকলে আসে না গো। কাল থেকে ওই নতুন বৌয়ের সঙ্গেই খেতে দিতে হবে দেখছি।

    বড়মাসি বলেন, তার চেয়ে একটা উচিত মতো কনে যোগাড় করে ফেল, তোর বাড়িতেও একটা ঘটা লাগুক।

    হাসির রোল উঠলো বাড়িতে।

    কিন্তু ও রোল বেশীদিন থাকল না।

    অবশ্য নন্তুরাও তো বেশীদিন থাকল না। নেহাত গরমের ছুটির মধ্যে এই বিয়েটা হলো বলেই এতোদিন থাকতে পাওয়া।

    যেতে তো হবেই একদিন। কিন্তু শেষ-রক্ষা আর হলো না। যাবার দিন নন্তু এমন এক কাণ্ড করে বসলো যে, সবাই নন্তুর এ ক’দিনের ব্যবহারের আসল মানে খুঁজে পেয়ে হাঁ হয়ে গেল। আর ভাবতে লাগলো, যত সরল শিশু ভাবা যাচ্ছিলো, ততো তো নয় বাপু!

    চলে আসার দিন নন্তু এক ফাঁকে একটি ‘প্রণয়-কাব্য’ লিখে রাকার হাতে গুঁজে দিয়ে পালালো, বলে গেল, কাউকে দেখাবে না কিন্তু। কিন্তু অবিশ্বাসিনী নারী নন্তুর এই নিষেধের মর্যাদা রাখল না। ফলে বাড়ি-সুদ্ধ সকলের হাতে হাতেই ফিরতে লাগল সেই কবিতা-পত্র।

    হাসির স্রোতেই ভাসমান হয়ে পড়ল সবাই, কিন্তু মনে মনে না ভেবে পারল না, ও খোকা, তলে তলে তো বেশ পেকেছ দেখছি। সেই কাব্য-পত্রটি এই—

    ‘রাকা, রাকা রাকা!

    তোমায় ছেড়ে চলে যেতে প্রাণ হচ্ছে ফাঁকা।

    তুমি এত সুন্দর তাই তো এত ভালবাসি,

    তোমার সবই সুন্দর, কথা আর হাসি।

    স্কুলে গিয়েও তোমার কথা মনে পড়বে,

    লেখা পড়া সব কিছু মাথায় চড়বে।

    ইতি নন্তু।

    শেষ লাইন দুটোই মারাত্মক।

    এর মধ্যেই পাকামির আভাস। যাক, বাড়ি ফিরে বাবার হাতের একটি কড়া কানমলা ব্যতীত আর কোনো খেসারত দিতে হয় নি নন্তুকে তার প্রথম প্রেম বাবদ।

    সেটা দিতে হলো দ্বিতীয়বারের বার! দ্বিতীয়বার প্রেমে পড়েছিল নন্তু তার তেরো বছর বয়সে। …এবার প্রেমপাত্রী তাদের পাশের ফ্ল্যাটে নতুন আসা ভাড়াটেদের বারো বছরের মেয়ে দীপা। মেয়ে নয়, যেন পাকা আপেল, ফোটা গোলাপ। নন্তু জানলা দিয়ে নতুন ভাড়াটেদের আসা দেখছিল, খাট আলমারি আয়না দেরাজ নামানো দেখতে দেখতে হঠাৎ ওই মেয়েকে দেখলো। এবং দেখলো আর মরলো।

    নন্তুর থেকে একটু বড় একটা ছেলেও ছিল ওদের বাড়ি, নন্তু হঠাৎ তার দারুণ ভক্ত হয়ে গেল। নন্তু ওদের বাড়িতেই পড়ে থাকতে শুরু করলো।

    মা কিছু বললে, তেজের গলায় বলে, দীপকদার কাছে পড়া বুঝে নিতে গিয়েছিলাম।

    মা সন্দেহের গলায় বলে, ওর এতো সময় আছে যে, এতক্ষণ তোকে পড়ায়?

    নন্তু আরও জোর গলায় বলে, এতক্ষণ পড়াবে কেন? দীপকদা বলে, সর্বদা পড়া পড়া করলে মাথা খারাপ হয়ে যায়। ক্যারাম খ্যাল। খেলাটা মিথ্যে নয়। নন্তু গেলেই দীপা ক্যারামবোর্ড পেড়ে বসে।

    দাদার নাম দীপক, বোনের নাম দীপা। শব্দটার সঙ্গে কোনো মিল খুঁজে না পাওয়ার জন্যেই হোক, আর পূর্ব-অভিজ্ঞতার তিক্ত স্বাদের স্মরণেই হোক, এবার আর নন্তু কবিতার দিক দিয়ে গেল না।

    নন্তু সোজাসুজি দীপার হাত ধরে বলে বসলো, আমি তোকে ভালবাসি।

    দীপা যে সত্যি একেবারে অবোধ, তা মনে করবার হেতু নেই, আপন রূপ সম্পর্কে দিব্যি সচেতন এই দ্বাদশী, ছলা-কলাও শিখেছে কম নয়।

    ক্যারাম খেলায় হেরে গিয়ে যখন হৈ চৈ করে অথবা ‘আর খেলব না’ বলে ঘুঁটি ছড়িয়ে উঠে যায়, তখন ভঙ্গিমা করে অনেক, এবং খাটো ফ্রকের আঁটো কাটের বাহারটি কিসে ভালো মতো উদঘাটিত হয়, তা ভালোই জানে।

    কিন্তু এখন, নন্তুর ওই প্রেম-নিবেদন, স্রেফ এইমাত্র পৃথিবীতে পড়া মুখে, বললো, ওমা, সেকথা এতো ঘটা করে বলার কী আছে রে? বন্ধু হোস, ভালবাসবি না? আমিও তো তোকে কত ভালবাসি!

    তেরো বছরের নন্তু তার থেকে এক বছর দু’মাসের ছোটো এই অবোধ বালিকার মধুর সরলতায় মুগ্ধ হলো, আবার করুণাও বোধ করলো। তাই করুণার গলাতেই তাকে জ্ঞান দেবার মহৎ উদ্দেশ্য দিয়ে বললো, তুই এমন বুদ্ধু। বন্ধুর মতো নয় মোটেই। তোর জামাইবাবু তোর দিদিকে যেমন ভালবাসে, তেমনি।

    এমা! কী অসভ্য! বলে দেব দিদিকে, চল তোকে দিদির কাছে নিয়ে যাই, বলে দীপা ওকে এমন ভাবে সাট্টে পাট্টে ধরে নিয়ে চললো, তেমন ধরা একমাত্র চোরকেই ধরে লোকে, চোর পালিয়ে যাবার ভয়ে।

    কিন্তু এখানে, চোর কী পালিয়ে যাবার?

    নন্তুর মনে হলো ধরা পড়ার মতো সুখ কি ইহ-পৃথিবীতে আর আছে?

    নন্তু সেই সুখটা তারিয়ে তারিয়ে উপভোগ করতে চোখ বুঝলো।

    কিন্তু নন্তুর সময় নির্বাচনটা বড় ভুল হয়েছিল, দীপার দিদি-জামাইবাবুর উপস্থিতিতে দীপার সঙ্গে প্রেমের রকমফেরের ব্যাখ্যা করাটা সমীচীন হয় নি তার।

    তবে সেটা বুঝলো নন্তু একটু লেট-এ।

    লেট-এ।

    চোখ বোজা অবস্থাতেই দিদির গলা শুনতে পেলো—এর মানে?

    কণ্ঠস্বর কুলিশ-কঠোর।

    সঙ্গে সঙ্গেই দীপার শিশুকণ্ঠের আদুরে কথা যেন কানের ওপর বাজ ফেললো। দেখ না দিদি এই পাজিটা এমন অসভ্য কথা বলছে। তাই তোমার কাছে ধরে নিয়ে যাচ্ছি।

    আর নিয়ে যেতে হবে না, বাচাল বেহায়া মেয়ে কোথাকার! ছাড় ওকে।

    মুহূর্তে স্বর্গসুখ বিলুপ্ত। পায়ের তলায় কী মাটি আছে? থাকলে নন্তু নামক প্রেমিক বালকটি তলিয়ে যাচ্ছে কেন?

    কেন?

    দিদি নন্তুকে জিগ্যেস করলো না, কী বলেছিস তুই দীপাকে?

    দীপাকেই জিগ্যেস করলো, কী বলেছে?

    দীপা অবলীলায় বললো, বলেছে জামাইবাবু তোমায় যেমন ভালবাসে, ও আমায় তেমনি—হি হি, এমন অসভ্য না!

    নন্তু তখনো লোকচরিত বিশ্লেষণ করতে শেখে নি। কিন্তু তখন নন্তুর মনের মধ্যে যে ঝড় বইছিল তা ভাষার ছাঁচে ফেললে এই দাঁড়ায়, উঃ মেয়েমানুষ কী সর্বনেশে জাত। ফোটা গোলাপের মধ্যে এমন কাঁটা? পাকা আপেলের ভিতরটা এমন পচা?

    দিদির মুখ দিয়েই বা এসব কথা বেরুচ্ছে কী করে?

    নন্তু ভিজে বেড়াল?

    নন্তু ন্যাকা বদমাইশ?

    নন্তু বোকা বজ্জাত?

    নন্তু মনে মনে ঠিক করলো, জীবনে আর এই মেয়েমানুষ জাতটার কাউকে ভালবাসা নয়। এরা হাসতে হাসতে লোকের গলা কাটতে পারে।

    আসুক কোনোদিন ওই পাজি মেয়েটা ‘এই নন্তু ক্যারম খেলবি?’ বলে ডাকতে। মজা দেখিয়ে দেবে নন্তু।

    কিন্তু ইহজীবনে আর তাকে মজা দেখাবার সুযোগ পেল না নন্তু, মেয়েটা কোনোদিন ডাকা তো দূরের কথা, নন্তুর দিকে তাকিয়েও দেখলো না।…নন্তুর সামনে দিয়ে দিয়ে স্কুলে গেল এলো, স্কুলে গেল এলো করতে করতে শরীরটাকে এমন বাড়বাড়ন্ত করে তুললো যে, চৌদ্দতেই আঠারো মনে হতে লাগলো।

    অবশেষে সত্যি আঠারো হতে না হতে দীপুকে শ্বশুরবাড়ি পাঠিয়ে দিলো ওরা। ওই বিয়েটাকে ঘিরে অনেক স্বপ্ন দেখেছিল নন্তু। বিরোধ ভুলে ওরা নেমন্তন্ন করবে, বাড়ির আর কেউ যেতে না চাওয়ায়, ছাই ফেলতে ভাঙা কুলো নন্তুকেই যেতে হবে নেমন্তন্ন রক্ষা করতে।

    তারপর বিয়ের কনেকে জানিয়ে আসা যাবে—তোমার জন্যেই আজ আমার এই দশা, তোমার জন্যেই আজ আমি মরতে বসেছি।

    কিন্তু কথাগুলো বলবার সুযোগ আর পেল না নন্তু। দীপুর চোখের চামড়াহীন বাপটা পড়শী হিসেবেও নন্তুদের একখানা নেমন্তন্নর চিঠি দিলো না। সেই পুরনো রাগ পুষে রেখেছে। চিঠিটা বুকপকেটে না থাকলে কিসের বলে বলীয়ান হয়ে এরকম গোলমেলে জায়গায় যাওয়া যাবে?

    তবে ঢুকতে পেলেও এবং বলতে পেলেও, সত্যি কথা তো আর বলা হতো না। সত্যি কী আর দীপুর দুর্ব্যবহারে বুক-ভাঙা হয়ে নন্তু চুপ করে বসে ছিল? নাকি তেরো থেকে উনিশ এই ছ’ ছটা বছর রমণীহীন পৃথিবীতে বাস করে এলো নন্তু? এই ছ’বছরে কম করেও তিন ছয়ে আঠারো বার প্রেমে পড়েছে নন্তু।

    অতএব আঠারো বার বুক-ভাঙা মন নিয়ে ঘুরে ঘুরে আবার ভাঙা বুক জোড়া দেবার ওষুধ খুঁজে বেড়িয়েছে।

    বুকের মধ্যে একখানা তাজা চকচকে প্রেম নেই, সর্বদা স্মরণ করবার মতো একখানা মুখ নেই, এ অবস্থা নন্তুর ধারণার বাইরে।

    তবে নন্তু এর ফাঁকে ফাঁকে পাস-টাস গুলোও চালিয়ে গেছে ঠিক মতো। এই যা বাঁচোয়া।

    নন্তুর এইসব প্রেমের পাত্রীরা বিচিত্র! এর মধ্যে নন্তুর থেকে বয়েসে অনেকটা বড়ও থেকেছে দু’একজন।

    যেমন চারুলতাদি।…মনীষা খুড়িমা। তাছাড়া পাশের বাড়ির মেয়ে, দাদার শ্বশুরবাড়ির মেয়ে, বামুনদির মেয়ে, রজনী স্যাকরার মেয়ে, লন্ড্রীর সুবোধদার মেয়ে, মিল্ক সেন্টারের দুগ্ধদাত্রী মেয়ে, আরো কত কত!

    কিন্তু এমনি ভাগ্য নন্তুর যে, নন্তুই শুধু প্রেমে বিহ্বল হয়। তার প্রেমাস্পদারা ফিরেও তাকায় না। আর যদি বা তাকায়, সেটা নন্তুকে শাসাতে। …আর বড়দের বলে দিতে।

    একটা প্রেমেও নন্তু সাকসেসফুল হতে পারলো না, সব বিশ্বাসঘাতিনীর দল। অথচ নন্তু সুন্দর সুকান্তি পুরুষ। দেখলেই তো ভালবাসতে ইচ্ছে হবার কথা।

    তা সে ইচ্ছে নন্তুর কলেজের মেয়েদের মধ্যে দেখা দিলো। তাই নন্তুকে কলেজসুদ্ধ মেয়ের প্রেমে পড়তে হলো। যাতে নন্তুকে নিরপেক্ষ বলে ধরা যায়, নন্তুকে তাই কখনো বেলার সঙ্গে বেড়াতে যেতে দেখতে পাওয়া যায়, কখনো কণার সঙ্গে গঙ্গার ধারে ঘুরতে দেখা যায়, কখনো মঞ্জুরীর সঙ্গে কফি হাউসে, কখনো হৈমন্তীর সঙ্গে দক্ষিণেশ্বরে।

    মোটের মাথায় প্রেমশূন্য অবস্থা একবারও থাকে নি নন্তুর জীবনে। কিন্তু এই প্রেমের জন্যে নন্তু তার জীবনে কী কম লাঞ্ছিত হয়েছে? কম তিরস্কৃত? কখনো নিজের গার্জেনদের কাছে। কখনো অপর পক্ষের গার্জেনদের কাছে।

    কখনো প্রেমপাত্রী নিজেই ঠিকরে সরে গেছে।

    যেমন কেতকী হালদার।

    ওর পিরিয়ডে একদিন নন্তুকে রাখী বোসের সঙ্গে চায়ের দোকানে বসে চা খেতে দেখেই ওর মাথায় রক্ত চড়ে উঠেছিল। ফট ফট করে চায়ের দোকানে ঢুকে এসে নন্তুকে যাচ্ছেতাই করে বেরিয়ে পড়েছিল বাড়ির উল্টোমুখো।

    তারপর কেতকী কলেজসুদ্ধ সবাইকে নন্তুর বিশ্বাসঘাতকতার কথা বলে বেড়িয়েছে, এবং নিজের রুমাল ভিজিয়েছে।

    স্বভাবতই এতে লোকের নন্তুর প্রতি সমবেদনার মনোভাব চলে যায়, বরং তার উপর তীব্র একটা বিরুদ্ধভাব এসে যায়।

    কিন্তু চরম করলো সেকেন্ড ইয়ারের ছেলেরা। সবাই মিলে নন্তুকে আচমকা ঘিরে ফেলে আচ্ছা করে ধোলাই দিলো। বললো, চাঁদ, তুমি ভেবেছ কি? চাঁদমুখটি দেখিয়ে তুমি গাছেরও খাবে, তলারও কুড়োবে? তোমার প্রেম-রোগ সারাচ্ছি জন্মের শোধ।

    বাড়ি ফিরতে মা চমকে উঠে, শিউরে বললেন, এ কী সর্বনাশ! এ কী চেহারা?

    কী হয়েছে?

    নন্তু বললো, দারুণ পড়ে গিয়েছি।

    কোথায়? কী ভাবে?

    তখন আবার দারুণ একটা গল্প বানাতে হলো নন্তুকে। …অতঃপর ওষুধ এলো, মলম এলো, বেশ রাজকীয় সেবাই হলো নন্তুর।

    কাজেই নন্তু আবার মনে মনে কানমলা খাওয়াটা ভুললো।

    তবে এবার নন্তু একনিষ্ঠ হলো।

    নন্তুর বড় ভাইঝিকে বাড়িতে পড়াবার জন্যে যে দিদিমণিটি বহাল হলেন, প্রথম দিনেই তার প্রতি অনুরক্ত হয়ে পড়লো নন্তু। সূত্রটা এই তাঁর পাড়াটা ভালো নয়, আর সন্ধেটা লোডশেডিংয়ের ছিল বলে ভদ্রমহিলা একটা টর্চ চেয়েছিলেন, নন্তু ‘বেণীর সঙ্গে মাথা’ দিলো, টর্চটা ধরে একেবারে বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে দিয়ে এলো।

    ব্যস।

    তদবধি রোজই দেখা যেতে লাগলো, দিদিমণি ঠিক ফেরার সময়ই নন্তু বাড়ি ফেরার পথে। অতএব নন্তুর সৌজন্যবোধ জাগরিত হয়ে ওঠে, নন্তু বলে, চলুন আপনাকে পৌঁছেই দিয়ে আসি।

    মহিলাটি অবশ্য আপত্তি করেন, আবার কেন কষ্ট করবেন? বলেন, কিন্তু পৌঁছে দেবার পর বেশ সকৃতজ্ঞ ভাষণেই বলেন, যাই বলুন, এই রাস্তাটা রাত্তিরের দিকে একা আসতে ভয় ভয় করেই। ভাগ্যিস আপনি—। এই ভাগ্যিসের খেলাটা চলছিল বেশ। কিন্তু নন্তু চিরদিনই ধৈর্যের পরীক্ষায় ফেল। নন্তু বরাবর যা করে তাই করলো।

    ওই খেলাটা তলিয়ে ভেবে জমিয়ে তোলার আগেই দুম করে একদিন রাস্তাতেই একখানা খোলাখুলি প্রেম-নিবেদন করে বসল। আর আশ্চর্য! এতোদিনের সৌজন্যময়ী ভদ্রমহিলা মুহূর্তে একেবারে ফণা-তোলা ফণিনী হয়ে বলে উঠলো, আপনি কি পাগল নাকি?…ইস! আপনার ভদ্রতার মুখোশের তলায় এই ছিল? ছিঃ!

    পরদিন এই নিয়ে চাপা গুঞ্জনে বাড়ি মুখরিত। দিদিমণি কাজ ছেড়ে দিতে চাইছেন। কারণ?

    কারণ তাঁর ছাত্রীর কাকা।

    নন্তুর বৌদি এমন দিদিমণিটি হাতছাড়ার আশঙ্কায় ঝাঁজালো হলেন, লেখাপড়া তো শিখলে অনেক, জ্ঞানবুদ্ধির বালাই হল না কেন? সুন্দরী মেয়ে দেখলেই আর চোখে কানে দেখতে পাবে না এ রোগ কবে যাবে তোমার? সুধা বিশ্বাসের সিঁথিতে যে সিঁদুর তাও চোখে পড়েনি? আর তো তোমায় ছাড়া গরু করে রাখা যায় না, এবার গোয়ালে পুরতে হবে।

    অতএব তোড়জোড় করে মহাসমারোহে গোয়ালজাত করা হল নন্তুকে।

    বাড়ির ছোটছেলে, সমারোহ ভালোই হল, আনাচকানাচ থেকে পর্যন্ত আত্মীয়জন এসে ভিড় করলো, তাদের মধ্যে সুন্দরী সুন্দরী মেয়েও ছিল অনেক, কিন্তু নন্তুর নবপরিণীতার কাছে সবাই নিষ্প্রভ।

    নন্তুর মা খোট ধরেছিলেন, ও আমার সুন্দর মুখ ভালবাসে, সেটি এনে দিতে হবে। তা ভাগ্যক্রমে এসে গেলও।

    না এসে যাবারও কারণ নেই, নন্তুর ভালো নাম নন্দিতকুমার, নন্তু ইতিহাসে এম. এ., নন্তু দেখতে রূপবান, এবং নন্তু এখন একটা নামী কলেজের লেকচারার।

    তাছাড়া নন্তু বাড়ির ছোট ছেলে, এখনো মা-বাপ বর্তমান, এবং তিন দাদাই কেষ্টবিষ্টু। সম্প্রতি নন্তুর মেজদা গাড়ি কিনেছেন, আর নন্তুর ঠাকুর্দা এমন একখানি রাস্তার ওপর এমন একখানি জাঁদরেল তিনতলা বাড়ি হাঁকড়ে রেখে গেছেন যে, আরো এক পুরুষের বংশধরদেরও কুলিয়ে যাবে, অতএব সুন্দরী সুগায়িকা, সুপাত্রী জুটবে নন্তুর, এটা আশ্চর্যের নয়।

    সবাই নিশ্বাস ফেলে বাঁচলো।

    এতোদিনে নন্তু একটা বৈধ প্রেমপাত্রী পেল। আর নন্তুকে নিয়ে দিশেহারা হতে হবে না। বাড়ির লোকের, পাড়ার লোকের, আত্মীয়-জনের, বন্ধুমহলের।

    এযাবৎকাল তো সবাইকে হতে হয়েছে দিশেহারা।

    কাকের মুখ থেকে মাছের মতো, বেড়ালের মুখ থেকে দুধের মতো, সিঁড়ির মুখ থেকে হামা-দেওয়া শিশুর মতো, ‘ধর ধর’ করতে হয়েছে তো চিরকাল নন্তুকে নন্তুরই মুখ থেকে।

    আর কারো দায়িত্ব নেই।

    এখন ভাবনা নন্তু বৌ নিয়ে কতটা মাতামাতি করে, কতটা বেহায়াপনা করে।

    অষ্টমঙ্গলার মধ্যেই তো হনিমুনে যাবার জন্যে উদ্দাম হচ্ছে দেখা গেল।

    আমি নন্তুদের পাড়ার চিরকালের বাসিন্দা। নন্তুর বিয়ে পর্যন্তও তাই ছিলাম, কর্মচক্রে তারপরেই হঠাৎ দেশছাড়া হতে হল।…তারপর যা হয়—

    প্রথম প্রথম ঘন ঘন চিঠিপত্রে খবরের লেনদেন, ক্রমশ কমতে কমতে একেবারে শূন্যের অঙ্ক।

    দশ বছর পরে আবার দেশে ফিরলাম। এবং সেই পুরনো পাড়াতেই ফিরতে হলো, কারণ বাড়িটা বসতবাড়ি, পৈত্রিক বাড়ি।

    বাড়িতে যারা ছিল, তাদের কাছে পাড়ার খবর নিই। এ কেমন আছে? ও কেমন আছে?

    ভালো মন্দয় মেশানো খবর।

    কিন্তু নন্তু!

    নন্তু খবর অদ্ভুত।

    হনিমুন থেকে ফিরে এসেই নাকি নন্তুর প্রেম-রোগ এমন সেরে গেল যে, নন্তু তার বৈধ প্রেমপাত্রীটিকেও একেবারে ভুলে গেল। নন্তু খিটখিটে হলো, এবং ছোটলোক হলো।

    নন্তুর স্ত্রীর প্রতি যা তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করে, যা দুর্ব্যবহার করে, যা নিষ্ঠুরতা করে, তা নাকি বাসনমাজা ঝিয়েদের বরেও করে না!

    উঠতে বসতে খিঁচোয় বৌটাকে।

    শুনে তাজ্জব লাগলো বৈকি!

    গেলাম ওদের বাড়ি।

    বৌ দেখে অবাক!

    সেই রং কোথা? সেই গড়ন কোথা? সেই মুখ কোথা? বিষণ্ণ বিষণ্ণ মুখে যে হাসিটুকু সেও যেন করুণ। বিয়ের সময় বাইশ বছর বয়েস ছিল বৌয়ের, দশ বছর পরে অঙ্কশাস্ত্রের নিয়মে এখন বত্রিশ। কিন্তু এই কি বত্রিশ বছরের চেহারা, বৌ যেন বাহান্ন বছরের এক বুড়ি। নন্তু ঘর থেকে বেরিয়ে এলো আমার সাড়া পেয়ে, প্রথম নম্বরেই বৌকে একটা তাড়া দিয়ে—সঙের মতন দাঁড়িয়ে আছ কেন? চায়ের জল-টল চড়াও তো একটু।

    বললো শুধু তাড়া দিয়েই নয়, খিঁচিয়েও।

    কিন্তু এই নন্তুই কি সেই নন্তু?

    এরই বা কী চেহারা হয়েছে?

    জেল্লাহীন হলদেটে রং, গাল ভাঙা, চোখ কোটরে, মাথার মাঝখানে টাকের আভাস।

    না বলে পারলাম না, চেহারার এ কী হাল করেছ নন্তু?

    নন্তু অবজ্ঞায় চোখ উল্টে বললো, বয়েস হচ্ছে না?

    নন্তুর বৌ চা নিয়ে এল। খুব ভালো চা। সঙ্গে সিঙাড়া। তবু নন্তু বৌকে আরও দুবার খিঁচিয়ে নিল চা দেওয়ার ছিরির জন্যে, তারপর খিঁচোলো বাড়িতে কিছু করে না দিয়ে বাজারের খাবার আনিয়ে দেওয়ার জন্যে।

    বৌ সরে যেতে দুঃখিতভাবে বললাম, বৌকে অত ধমক-টমক দিচ্ছ কেন নন্তু?

    নন্তু বিরক্তিতে মুখ বাঁকিয়ে বললো, তবে কি মাথায় করে নাচতে হবে?

    ফেরার পথে ভাবতে ভাবতে আসছি নন্তুর এ মনস্তত্বের কারণ কী?…বিয়ে হয়ে নন্তুর সব সম্ভাবনা ফুরিয়ে যাওয়ার হতাশায়? না, সারা জীবন নন্তু নারীজাতির কাছে যে দাগা পেয়েছে, হাতের মুঠোয় তাদের একজনকে পেয়ে হিংস্র প্রতিশোধ নেওয়া?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসেপিয়েন্স: এ ব্রিফ হিস্টোরি অফ হিউম্যানকাইন্ড – ইউভাল নোয়া হারারি
    Next Article ১০টি কিশোর উপন্যাস – আশাপূর্ণা দেবী

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }