Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আশাপূর্ণা দেবী – সাহিত্যের সেরা গল্প

    লেখক এক পাতা গল্প213 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সভ্যতার সংকট – আশাপূর্ণা দেবী

    সভ্যতার সংকট

    চায়ের টেবিলে ঝড় উঠলো। রমা দজ্জাল মেয়ে নয়, বরং ভালোমানুষই বলা যায়—তবু এক-আধ দিন এমন হয়। কারণটা খবরের কাগজ।

    জানালা দিয়ে ‘টুক’ করে ‘অমৃতবাজার’খানা পড়লেই রমাতে আর আমাতে কাড়াকাড়ি পড়ে যায়। রমা চায় কাগজের প্রথম ভাঁজ খুলবে ও, অথচ আমারও চাহিদা একই। একই জিনিস দুইজনের কাম্য হ’লে সাম্য থাকে না, এটা কে না জানে?

    বলতে পারেন—যেহেতু আমি পুরুষ, অতএব শিভালরি জ্ঞান থাকার প্রয়োজন আমারই, কিন্তু ভাবুন—বর্তমান দিনে সকালবেলা সংবাদপত্র খুলে কলকাতার কোন কোন রাস্তায় কতো ঘণ্টা করে ‘কারফিউ’ আদেশ বলবৎ আছে এবং গত কালকের আহত ও নিহতর সংখ্যা কি, সেটা না দেখেই যদি কেউ ‘চিত্রায়’ কি চলছে, ‘রূপবাণীর’ পুরনো ছবিটা উঠে গেল কিনা, ‘পূর্ণ’ আর ‘বিজলীতে’ নতুন কি আসছে ইত্যাদি তথ্যানুসন্ধান করতে বসে, কতোক্ষণ শিভালরি দেখানো যায়? কতোদিন?’

    সংবাদপত্রের ভিতর থেকে কেবলমাত্র এই সংবাদগুলি চয়ন করে নেয় রমা। শহর এবং শহরতলির সর্বত্র কি কি সিনেমা হাউস আছে, কোনদিন কোথায় কি কি ছবি দেখানো হচ্ছে, সব রমার নখদর্পণে।

    অথচ মজা এই, চাক্ষুষ প্রত্যক্ষে ক’বার বা ক’টা ছবি দেখেছে সে, বোধ হয় আঙুল গুণেই বলা যায়।

    ঝড় ওঠার কারণটাও এই।

    একে তো আমার সময়ের একান্ত অভাব, তার ওপর সিনেমা দেখাটাকে আমি সময়ের চরম অপব্যবহার বলে মনে করি।—কি নিজের, কি অপরের। …তা’ ছাড়াও আবার অপরাধ স্বীকার করছি—’তুতো ঠাকুরপো’ বা ‘পাতানো দিদির’ বরের সঙ্গে যাওয়াটা আমার রীতিমত অপছন্দ।

    কাজেই দুধের স্বাধ ঘোলে মেটানো ছাড়া উপায় কি রমার!

    ঘোল এক আধ দিন ঘুলিয়ে ওঠে।…একটা ভালো ছবি নাকের সামনে দিয়ে সপ্তাহের পর সপ্তাহ কাটিয়ে, হয়তো বা জয়ন্তী-উৎসব পর্যন্ত সেরে, যখন হঠাৎ একদিন কেটে পড়ে, সেইদিনই খবরের কাগজের ভাঁজ খুলে বিচলিত হয়ে ওঠে রমা। অনেক অভিযোগ, অনুযোগ, হতাশা বেদনা উজাড় করে রমা শেষ মন্তব্য করে—ছ’মাসে একদিন স্ত্রীকে নিয়ে সামান্য দু’ঘণ্টা সিনেমা দেখিয়ে আনার মতো সময়েরও যার অভাব, সে আবার বিয়ে করে কোন লজ্জায়? এগারো বছর আগের সেই নিদারুণ দুর্ঘটনাটি স্মরণ করে কে যে বেশি অনুতপ্ত হই কে জানে, তবু আমিই অনুতপ্তের ভান দেখাই।

    অনুতাপের প্রমাণ দিতে সিনেমার টিকিট কেটে আনি।

    আজও তাই গিয়েছিলাম, ফিরে এসে দেখি হৈ-হৈ ব্যাপার!

    সদর দরজার কাছ থেকে জিনিস ছড়ানো—ট্রাঙ্ক আর সুটকেস, বাক্স আর বিছানা, কুঁজো আর হোল্ডঅলে পা ফেলবার জো নেই।

    তারকদা এসেছেন। একলা নয় সস্ত্রীক—সপুত্রকন্যা। অপ্রত্যাশিত এই আসা।

    শুনলাম তারকদার নিজের কর্মস্থল এবং তাঁর শ্বশুরের কর্মস্থল দৈবক্রমে এমন বিপরীতমুখী হয়ে উঠেছে যে কোনো প্রকারেই একলক্ষ্যে একদমে যাওয়া চলে না। কাজেই কলকাতায় এই ব্রেকজার্নি। দশদিনের ছুটিতে বৌকে বাপের বাড়ি রেখে আসতে চলেছেন তারকদা।

    শুনে আমিও হৈ-হৈ করে উঠলাম—বলো কি, দশদিন ছুটি? আর বলছো কিনা কাল যাবে? অসম্ভব! যেতে দিলাম আর কি!

    বাল্যে বহুদৃষ্ট এবং যৌবনে বহুদিন অ-দৃষ্ট মামাতো দাদাকে নিজের বাড়িতে পেয়ে এটুকু আগ্রহ না দেখালে চলে? অবশ্য তাঁর লটবহর আর সেনাবাহিনীর বহর দেখে আগ্রহটা যে স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে উঠেছিল এমন নয়, কিন্তু করা যায় কি?

    মফঃস্বলি বোকামির বশে আমার সৌজন্যটুকু নির্জলা মনে করে তারকদা আমার পিঠ ঠুকে দিয়ে অমায়িক হাসি হেসে বলেন—জানি তুই শুনলে রসাতল করবি, ছাড়বি না।…কেমন গো বলিনি?…উনি বলছিলেন—ওঁর পিত্রালয়ে ক’টা দিন থেকে আসতে, বুঝলি মন্টু? আমি বললাম—মন্টুর বাড়ি উঠলে তোমাকে পৌঁছে দেওয়ার দিনটাও হাতে থাকে কি না দ্যাখো।

    হা হা করে হেসে ওঠেন তারকদা।

    আমিও—মানে আমাকেও হাসতে হয়।

    তিনটি ছেলে আর তিনটি মেয়ে একুনে এই ছ’টি।

    ছোটটি ঠিক দস্যিবৃত্তির উপযুক্ত হয়ে ওঠেনি, বড়টি অপেক্ষাকৃত সভ্য। বাকি চারটি? তারা যে কী চীজ আমি এই একমিনিটেই বুঝে ফেলি। আমার এই নিঃসন্তান সংসারে এক মুহূর্তে যে ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হয় সে আপনাদের ধারণার বাইরে।

    চারটি চৌকস ছেলেমেয়ের ‘চাল্লি’, আর তার সঙ্গে তারক বৌদির বাক্যস্রোত—ওমা কী করলি? তেলের বোতল ভাঙলি? কী কাণ্ড বাবা!…ঠাকুরপো, তোমরা কী অসাবধান ভাই? এতো নিচু শেলফে তেলের বোতল, শেভিং সেট রেখেছো? রাখ শিগগির। ধন্যি বলি রমা তোমাদের সাহসকে! এইখানে এতো হাতের কাছে ছুরি?…ঝড় বইতে থাকে।

    আমাদের বাড়িতে অবশ্য ওই রকমই ব্যবস্থা। রমার ভয়ে তেলের বোতল উঁচু তাকে তুলে রাখা উচিত কি না, অথবা আমার ভয়ে ছুরি আর ব্লেড ড্রয়ারে লুকানো উচিত কি না, সে প্রশ্ন করবার ফুরসৎই পাই না…ততক্ষণে বৌদি প্রসঙ্গান্তরে চলে গেলেন।

    তারকদার ‘অতাত’ শরীর। তাঁর কাছে এগুলো যে নিতান্ত স্বাভাবিক ঘটনামাত্র, মুখ দেখলেই বোঝা যায়। …সিগারেট ধরাতে ধরাতে আমার সঙ্গে মনের আনন্দে গল্প করতে করতে মাঝে মাঝে নিস্পৃহভাবে হলেন—এই বাচ্চু, আলমারীর মাথায় উঠছিস যে? ঠ্যাঙ ভাঙবি?…লতি, সোরাইয়ের জলটা সব ফেললি? দেখ, বিছানাটা ভেজেনি তো?…বাবলু কি হচ্ছে? নাঃ, তোরা আর কাকার কাছে এক ঘণ্টাও সভ্যতা দেখাতে পারলি না! দেখিস কাকা নিন্দে করবে!

    —না না, সে কি? ছেলেপিলে দুরন্ত হবে বৈকি! দুরন্ত হওয়াই তো ভালো—বলে মাখনের কৌটায় খাবল বসানো হাত-ভর্তি মাখন সমেত ছেলেটাকে সস্নেহে কোলে তুলে নিই। …তারকদা বিগলিত স্নেহে বলেন—তা যা বলেছিস, ম্যাদামারা ছেলে আমার দু’চক্ষের বিষ!

    অনেক চেষ্টায় রমাকে একবার নির্জনে পেয়ে বলি—সিনেমার টিকিট দু’টোর কি গতি হবে?

    কুটনোবাটনা, চা-জলখাবারের বিশাল অরণ্য থেকে মুখ তুলে রমা জ্বলন্ত স্বরে বলে—আঁস্তাকুড়ে ফেলে দাওগে যাও!

    নগদ আড়াই টাকার মাল! তা’ছাড়া রমার এই বিপন্ন মূর্তি দেখে মনটা কেমন করে ওঠে। সানুনয়ে বলি—মানে—খুবই বোকার মতো হচ্ছে কথাটা বুঝেও বলি—এদিকের খানিকটা গুছিয়ে রেখে যাওয়া যায় না? এসে না হয় রান্না করবে?

    —ধাষ্টামো করো না, যাও।

    এতো সংক্ষিপ্ত ও এমন প্রাঞ্জল ভাষা রমা বড় একটা ব্যবহার করে না। কিন্তু এখন সময়টা সংক্ষিপ্ত, কে কোন দিক থেকে শুনে ফেলে এই ভয়। তা’ছাড়া—মেজাজটাও ক্ষিপ্ত। কাজেই ক্ষুদ্র অথচ সারগর্ভ এই বাণীটি প্রয়োগ করেন ভদ্রমহিলা।

    —বাঃ, ঠাকুরপো বেশ—বৌদির কণ্ঠ ঝঙ্কৃত হয়ে ওঠে পিছনে—অমনি ভাঁড়ার-ঘরে এসে ঢুকেছো? বাবাঃ, একদণ্ড আর অদর্শন সয় না!

    —তা’ আপনাদেরই বা কি কম?

    এটুকু পরিহাস করতেই হয়। না করলে চলে না। পরিহাসের উত্তরে হাঁড়িমুখ করে থাকা সভ্যতা-সঙ্গত নয়।

    —আমাদের? তারক-বৌদি রুমাল দিয়ে মেঝের একাংশ ঝেড়ে নিয়ে বসে পড়ে সহাস্যে বলেন—আমাদের কথা আর বোলো না, চব্বিশ ঘণ্টা ঝগড়া!

    এমন সুরে বলেন যার মানে—জীবনেও কোনদিন উঁচু কথাটি হয় না তাঁদের।

    এদিকে আমি কিন্তু মনে মনে প্রমাদ গণি।

    রমার ভাঁড়ারে কি আছে কি নেই, রমাই জানে। যা নেই হয়তো আমাকে জানাতো, তারপর সৌষ্ঠব করে ওদের সামনে ধরে দিতো চা-জলখাবারের থালা। তারপর আয়োজন সুরু করতো রান্নাবান্নার। মাঝখানে ইনি বসলেন!

    কেটলির বদলে রমা যে একটা সসপ্যানে চায়ের জল তৈরি করে—এ সত্য এতো শিগগির প্রকাশ হয়ে যাওয়াটা রমা পছন্দ করবে কি?…কিছু বলবে না, মুখখানি আষাঢ়ের আকাশ করে রেখে দেবে হয়তো!

    কিন্তু আমাকে অবাক করে দিয়ে রমা হেসে ওঠে—তা’ আর নয়? বটঠাকুরকে দেখলে আর কেউ বিশ্বাস করবে না যে ওঁর সঙ্গে আবার ঝগড়া হয় মানুষের। তা’হলে আপনি পাড়াকুঁদুলি।

    —দেখছো ঠাকুরপো, তোমার বৌ আমাকে কি যা-তা বলছে?

    —বলবো না কেন? আপনি আমার ভাসুরের নিন্দে করছেন কেন? সত্যি দিদি, আপনাদের দেখে যে কী আনন্দ হল! কখনো তো দেখিনি, সেই যা বিয়ের সময়। এতো ইচ্ছে করতো দেখতে! এবার থেকে কিন্তু আসতে হবে মাঝে মাঝে।

    —এলেই হয়। আমারও ইচ্ছে হয় রে! তা’ছাড়া কলকাতার মুখ দেখিনি কতোদিন তার ঠিক নেই, কিন্তু ওই যে মানুষ! আঠারো মাসে বছর! ‘যাচ্ছি যাবো’ করতে করতে যুগ উল্টে যায়। নেহাৎ এবার মা বার বার লিখছিলেন তাই।…কি রে ডলি? কি? খোকা কাণ্ড করেছে?…কাকার খাটে?…ওমা তোরা কি বোকা রে, কাকার খাটে ওকে শোয়াতে আছে? এই সন্ধ্যেবেলা বিছানা ভিজিয়ে দিল?…দেখছিস তো রমা? তুই বাপু আছিস বেশ!

    অবশ্য এমন সুরে বলেন, যার মানে দাঁড়ায় ‘আহা মরে যাই, কী দুঃখী তুই!’

    কিন্তু রমার এ ভাবের অর্থ কি?

    আমার ওপর প্রতিহিংসা? কিন্তু প্রতিহিংসার বশে এত অমায়িক আর প্রসন্নতার ভান দেখাতে পারে মানুষে?

    —যান দিদি গা’টা ধুয়ে আসুন, ট্রেনের গরমে সারা হয়ে যাচ্ছেন। ছেলেদেরও মুখটুখ ধুয়ে দেবেন।

    অর্থাৎ জলখাওয়ার ওয়ার্নিং!

    —মরে যাই, ওদের আবার মুখ ধোওয়া! চব্বিশ ঘণ্টা খাচ্ছে। আমি যাই। এসব কাপড়-চোপড় কোথায় ছেড়ে রাখবো ভাই? গোসলখানার কোণে?

    আবার প্রমাদ গণি। কাপড়-চোপড় ছেড়ে রাখবার প্রথা আমাদের বাড়িতে নেই। একটি ঠিকে-ঝি, বাসন মাজা ঘর ধোওয়া করেই মনে করে মাথা কিনে নিচ্ছে, কাপড় কাচতে বললে তো তখুনি কাজ ছেড়ে দেবে।

    রমা কিন্তু ইতস্ততঃ করে না, স্বচ্ছন্দে বলে—হ্যাঁ দিদি, তাই রাখুনগে। শিগগির আসবেন কিন্তু, চা ঠাণ্ডা হয়ে যাবে।

    —আমার শিগগির? তা হ’লেই হয়েছে! বৌদি হি হি করে হেসে ওঠেন—এক ঘণ্টার কম আমার গা ধোওয়া হয় না। কি ক’রে যে লোকের শিগগির হয়!…হ্যাঁ, গোসলখানায় সাবান আছে তো? নতুন সাবান? আমি আবার ঘষা সাবান মাখতে পারিনে বাপু!

    —সাবান?…ও! এই শুনছো, আমার টেবিলের টানায় সাবান আছে, বার করে দাও তো দিদিকে। সোপকেসে আছে।

    এই সোপকেসের ইতিহাস জানি।

    পছন্দসই এই সৌখিন সোপকেসটিতে একখানি ভালো সাবান ভরে রাখা রমার সখ। সর্বদা কিছু আর দামী সাবান ব্যবহার করতে পারি না আমরা। একখানি দামী সাবান সোপকেসে আছে—সেই সাবানটি।

    বৌদি চলে যেতেই রমা কুইনিন-গেলা স্বরে বলে—ঘষা সাবান মাখতে পারেন না! লোকে নতুন সাবান কিনে চৌবাচ্চার পাড়ে রেখে এসেছে ওঁর জন্যে! ধন্যবাদ আক্কেলকে! একখানা সাবান মানুষ নিজে বার করে না?

    আমি বললাম—আর তুমি যে কাপড় ছেড়ে রাখবার কথা বললে, তোমার নন্দর-মা কাল জবাব দিয়ে বসবে না তো?

    —নন্দর মা! তা’ আর নয়! আমাকেই কাচতে হবে ভোরবেলা উঠে। আশ্বাস দিলেন কি না একঘণ্টা সময় চান করতে লাগে। কি যে করবো আমি! তুমি তো দিব্যি দু’-পাঁচ দিনের নেমন্তন্ন করে রাখলে। তোমার আর কি?

    আমার যে ‘কিছুই’ নয় তাই বা বলি কি করে? কিন্তু রমা কি গ্রাহ্য করবে? পকেটের দুরবস্থার কথা কি বৌরা বিশ্বাস করে? তাই ম্লানভাবে বলি—কি আর করি বলো, না বললেও তো ভাল দেখায় না।…কিন্তু টিকিটটার কি হবে তাই ভাবছি।

    —এই তো আগুন জ্বলছে উনুনে, দাও না ফেলে! অতো ভাবনার কি আছে?

    চা-পর্ব সমাধান হ’তেই তারকদা বললেন—চ’ল একটু বেড়িয়ে আসি।

    আবার প্রমাদ!

    এখন সখ করে বেড়াতে বেরোলে রমা রক্ষে রাখবে? আর সত্যি এতোগুলি মুখ হঠাৎ বেড়ে গেলে তার ব্যবস্থা আছে তো?

    মাছ চাই, আলু চাই, পান চাই—মাছ না পেলে ডিম চাই! তা’ছাড়া হয়তো ঠিক আজকেই তেলের টিন খালি, ঘিয়ের জার পেন্সন চাইছে—এরকম ক্ষেত্রে রমার মাথায় পাষাণভার চাপিয়ে বেড়াতে যাওয়া?

    ইতস্ততঃ করে বলি—এই কাল থেকে ট্রেনজার্নি, আবার বেড়াতে যাওয়া কেন? একটু বিশ্রাম করো না?

    —আরে দূর—তারকদা হেসে ওঠেন—ওসব বিশ্রাম-টিশ্রাম তোদের কলকাতার বাবুদের জন্যে! আমরা জঙ্গলের লোক, না হাঁটলে আমাদের ক্ষিদে হয় না।

    ক্ষিধে না হওয়ার সংবাদ পেয়েও যদি বেড়ানোর বিরুদ্ধে ওকালতি করি, সেটার উল্টো মানে হবে না তো? মরিয়া হয়ে বলি—তবে চলো—

    সঙ্গে সঙ্গে বৌদি এসে উদ্ধার করেন, ‘ওগো শুনছো? বেরিও না। সিনেমা দেখে আসি চলো।’

    —সিনেমা? —তারকদা বলেন—আরে দূর, আবার এখন এক মুঠো টাকা খরচ করে সিনেমা! এই মেয়েদের, বুঝলি মন্টু, সিনেমা হচ্ছে ইষ্টমন্দির। সিনেমায় যাবার আর বৈকুণ্ঠে যাবার দু’টো টিকিট যদি দাও ওদের, কোনটা বেছে নেবে বল দিকি? ওই সিনেমা।

    —বেশ তাইত! বৌদি লেশমাত্র অপ্রতিভ না হয়ে বলেন—এতে তোমার পয়সা লাগবে না। ঠাকুরপোরা যাবে বলে কিনেছিল—রমা বলছে ওর ভীষণ মাথা ধরেছে, যেতে পারবে না। কেন ফেলা যাবে পয়সার জিনিস? আর আমাদের তো কলকাতায় এসে থিয়েটার সিনেমা দেখার কথা রয়েছে।

    ‘কথা রয়েছে’! সিনেমা থিয়েটার দেখার কথা রয়েছে! অথচ এসেই বললেন—’কাল যাবো।’ ওটা বোধ করি লাঠি ডুবিয়ে জল মেপে দেখা।

    নিতান্তই কড়ির জিনিস ফেলা যাবার ভয়ে তারকদা রাজি হন।

    জামাজুতো প’রে প্রস্তুত হয়েছেন, হঠাৎ —ঘরের মধ্যে বোমা পড়লো। শুধু বোমা? সঙ্গে সঙ্গে সাইরেন নয়? কাচের আলমারীর মাথা থেকে কার্নিশ ভেঙে পড়ে গেছে লতি। রমার পুতুলের আলমারীর।

    লতির হাত পা ভাঙলো কি না জানি না, তবে হাত পা নাক মুখ যাদের ভাঙলো তাদের দিকে চেয়ে আমি স্তব্ধ হয়ে যাই। শব্দ শুনে রমা রান্নাঘর থেকে ছুটে আসবে এটা বিচিত্র নয়। ছুটে এসেছে সে। ওর মুখের দিকে তাকাতে পারি না। আজন্ম সঞ্চিত এই পুতুলগুলির ওপর রমার যা বাৎসল্যস্নেহ তা’ তো আমার অজানা নয়!

    —ওমা কি কাণ্ড! লক্ষ্মীছাড়া মেয়ে! ভাঙলি তো পুতুলগুলো?—বৌদি ঘোরানো শাড়ির আঁচলটা কোমরে টান করে জড়িয়ে মেয়ের দিকে তেড়ে যান—মেয়ে তো নয়, দস্যি! একরাশ পুতুল সব শেষ করলে গো! কি পাহাড়ে মেয়ে বাবা!

    এতক্ষণে মেয়ের গালে ঠাঁই করে একটা চড় পড়ে।

    আর সঙ্গে সঙ্গে কলের পুতুলের মতো এগিয়ে যায় রমা লতির দিকে। মার কবল থেকে মেয়েটাকে টেনে নিয়ে অবহেলাভরে বলে—দিদির সব বাড়াবাড়ি! ভারি তো দুটো কাচের পুতুল! তার জন্যে আবার মেয়েকে মারা! আমার যেন এখনো পুতুল খেলবার বয়েস আছে?…হ্যাঁরে বেশি লাগেনি তো? ওমা এই যে ছড়ে গেছে, কপালটা ঢিপি হয়ে উঠেছে! মরে যাই! আয় আইডিন লাগিয়ে দিই। …দিদি আপনারা বেরিয়ে পড়ুন, সময় হয়ে গেছে। অন্ধকারে হোঁচোট খেতে খেতে চেয়ার খুঁজে বেড়ানো বাপু আমার দু’চক্ষের বিষ।

    তারক-দম্পতি চলে যান। কিন্তু গলা খুলে প্রাণের কথা বলবার পথ খোলা থাকে না। বড় মেয়েটি বছর বারো, লতিও দশের কম নয়। বাঙলা কথার মানে বুঝতে পারবে না এমন মনে করবার হেতু নেই।

    যা বলাবলি গলা নামিয়ে। —বাজার যাবে, না সঙের মতো দাঁড়িয়ে থাকবে?

    চমকে উঠে বলি—কি চাই?

    কি না চাই?…মাছ, তরকারি, আদা, কাঁচালঙ্কা, দই, মিষ্টি, সরষের তেল, পাঁচফোড়ন। কুঁড়েমি করে দেরি করবে না। এখুনি এনে দিতে পার তো ভালো, নইলে দেখে নেব তোমায়।

    —আর এই যে কাচ ভাঙা পড়ে রইল—

    —থাক না, তোমার কি? তোমায় যা বলছি করো গে।

    —যাচ্ছি, যাচ্ছি, রোস না।…আচ্ছা ওঁদের খামোকা সিনেমা যেতে বললে যে?

    —কি করবো? এখানে এসেছেন, তোমার তো ওদের ভাল করে খাওয়ানো দাওয়ানো, থিয়েটার, বায়স্কোপ দেখানো উচিত। এ তবু সুবিধের হোলো।

    —তা হলে থিয়েটারটা তোলা থাকলো? তুমি অতো বাড়াবাড়ি কোরো না রমা।

    তা’ কি করবো। সাতজন্মে আসেন না—শেষে পরে তুমিই হয়তো বলবে—’আর একটু যত্ন করা উচিত ছিল, তেমন হলো না’, হ্যানো ত্যানো।

    —আমার তো ভারি! নেহাৎ ছেলেবেলায় মামারবাড়ির আদরযত্ন মনে করেই একটু বলা। কিন্তু যা শয়তানের ধাড়ি ছেলেপুলে, চার পাঁচ দিন থাকলে তো পাগল হয়ে যাবো।

    —পাগল শুধু? আমার তো মনে হচ্ছে হার্টফেল না করি।

    বাজার থেকে আসার খানিক পরে ছোট ছেলেটা এমন কান্না শুরু করলো যে আমারই হার্টফেল হবার যোগাড়। অনেকক্ষণ পরে ‘হিমশিমের’ চরম অবস্থায় পৌঁছে বাধ্য হয়ে রমার শরণাপন্ন হ’তে হল। বললাম—কি করবে? একে একটু দুধ-টুধ খাওয়াবে?

    রমা রন্ধন-সমুদ্র থেকে মুখ তুলে বলে—ও কি খায়, কি ক’রে জানবো?

    —ছোটছেলে আবার কি খাবে—দুধ ছাড়া?

    —আহা! ফুড খেতে পারে না যেন? বড়ো মেয়েটাকে জিগ্যেস করো তবে।

    —সেটা ঘুমিয়ে পড়েছে।

    —ভালো। বড়োটি ঘুমিয়েছেন, পাহাড় ক’টি জেগে আছেন তো?…ওরে বাবা, দিচ্ছি দুধ খাইয়ে, রোসো।

    সানাই তখন জগঝম্পয় পরিণত হয়েছে।

    অনভ্যস্ত হাতে চামচে করে দুধ খাওয়াতে গিয়ে মাছের ঝাল পুড়ে গেল রমার। অতঃপর এলেন তারকদা’রা।

    তারক বৌদি সবিস্ময়ে বলেন—ওমা কেঁদেছিল বুঝি? কী আশ্চর্য! ও তো এতো শান্ত, ধারণা করতে পারবে না তুমি। খালি ঘুমোয়।…বোধ হয় গরম হয়েছে, যা চাপা ঘর তোমাদের! কি করে যে ফ্যান না নিয়ে থাকতে পারো! উঃ! খোকার আবার এমন ধাত, সারারাত মাথার কাছে টেবিল ফ্যান ঘোরা চাই।…কি করলে? রাস্তায় নিয়ে গিয়ে বেড়ালে?

    বাড়ির অখ্যাতিতে অপ্রস্তুত আমি তাড়াতাড়ি বলি—না না, গরম নয়, বেজায় ক্ষিধে পেয়েছিল। দুধ খেয়েই ঘুমিয়ে পড়লো।

    —দুধ খেয়ে? বলো কি? কী দুধ খাওয়ালে? গয়লার দুধ?

    —তা ছাড়া ? তবে সত্যি গরুর দুধ…মানে, দুয়ে দিয়ে যায় সামনে।

    —ও তোমাদের সামনে দোয়ার কথা বলো না, কলকাতার দুধের কথা আর জানতে বাকি নেই আমার। ছোট বাচ্চার পক্ষে সাক্ষাৎ বিষ!…কি হবে, হ্যাঁগো?

    তারকদা বলেন—কি আর হবে! একটু নাক্স খাইয়ে দিও।

    ভাবলাম একটু মেজাজ দেখিয়ে বলি, তা’হলে আপনাদের বলে যাওয়া উচিত ছিল কি খাওয়ানো হবে। কিন্তু বললাম না। দুধের গ্লানিতেই অপরাধী ভাব দেখিয়ে বসে থাকলাম। যতোই হোক অতিথি! ভদ্রতা-সভ্যতা একটা কথা আছে তো?

    তারপর—খাওয়া শোয়ার কাণ্ড!

    সে এক মহাভারত।

    ”থলির ভিতর হাতী পোরা” শুনেছেন? যদি না শুনে থাকেন, অনুমান করুন।…আমাদের যুগল জীবনযাত্রার মতো সংসারে মাত্র আর আটজনকে স্থান দেওয়া? বিছানাটিছানা খুলতে চাইলেন না বৌদি। ক’দিন পরেই তো আবার বাঁধতে হবে। …ওঁর ছেলেমেয়েরা আবার বড়ো বড়ো থালা না হলে খায় না। ছোট ছোট লোকদের বড়ো বড়ো থালায় খাইয়ে আবার থালা মেজে নিয়ে তবে সত্যিকার বড়ো থালার দাবিদারদের খেতে দিতে হল!

    —এঃ রাতে ভাত! আরে আমরা যে পশ্চিমের মানুষ সে বুঝি খেয়াল ছিল না?

    তারকদার মন্তব্যে অপ্রস্তুত আমি লজ্জায় লাল হয়ে বলি—খেয়াল থাকবে না কেন? রমার শরীরটা তেমন—ইয়ে—একা মাখা, ‘বেলা’ ক’রে নিয়ে—

    —তা বেশ বেশ! যাক নতুনত্ব হল একদিন, কি বল গো?

    তারকদার ‘ওগো’ সহাস্যে বলেন—আমার তো বাপু ভাতই পছন্দ, ভালই খাবো।

    মনে হ’ল, সস্ত্রীক আমরা ধন্য হয়ে গেলাম।

    পরদিন সকাল থেকে কি হ’ল লিখবো? অতো কথা কি এই ক্ষুদ্র পুঁথিতে লেখা সম্ভব? ”ঝটিকা-বিক্ষুব্ধ সমুদ্র” দেখবার অভিজ্ঞতা হয়তো সকলের নেই , কিন্তু ”ষোলোই আগষ্ট” প্রমত্ত পার্ক সার্কাস, জ্যাকেরিয়া স্ট্রিট, কলুটোলা, রাজাবাজার দেখেছেন নিশ্চয়ই? সবটা না হোক, কিছু কিছু? ভুলে গেছেন কি? একেবারে ভুলে গিয়ে না থাকলে তো—হয়তো আমার সংসারের অবস্থা কিছুটা অনুমান করতে পারবেন।

    সাতদিন, না সাতবছর! এর মধ্যে আরো একদিন সাতজনের সিনেমার টিকিট, আর অপর একদিন দু’জনের থিয়েটার। …নইলে ভালো দেখাবে কেন?

    সুযোগ পেলেই আমি রমাকে বলি—রমা, আর তো সহ্য হচ্ছে না, কি করা যায়?

    সুবিধে পেলেই রমা আমাকে বলে—দেখো সাতদিন যে ফুরোচ্ছে না—যা হয় কিছু বলো ওদের!

    আমার অফিসের হঠাৎ বদলির খবর, রমার মার হঠাৎ মারাত্মক অসুখ শুনে বাপের বাড়ি চলে যাওয়া, পাড়ায় কলেরার প্রাদুর্ভাব, শহরে ডাকাতের আমদানি প্রভৃতি কতো কি-ই ভাবলাম ক’দিনে। কিন্তু বলে ফেলতে পারলাম কই?

    নৈতিক সাহসের অভাব!

    তার বদলে যখন-তখন তাই তারকদাকে বলি—কী অন্যায় করেছ তারকদা, মাত্র এই কদিন ছুটি নিয়ে! এবার যখন আসবে, মাসখানেক ছুটি নিয়ে এসো কিন্তু বলে রাখছি।

    তারকদা হেসে বললেন—তা সত্যি, অন্তত মাসখানেক না থাকলে সব হয়ও না। কিছু তো দেখাই হ’ল না কলকাতার!

    রমা বৌদিকে বলে—কী আনন্দেই যে কটা দিন কাটলো দিদি! একলাটি মুখ বুজে থাকি, সংসার করি না ভূতের ব্যাগার খাটি! আপনারা রয়েছেন, ছেলে-পুলে খেলে বেড়াচ্ছে, দেখে যেন চোখ জুড়োচ্ছে!

    বৌদিদি হেসে বলেন—সে কথা মিথ্যে নয়, বাচ্ছাদের হাসি-খুসি গোলমাল নইলে বাড়ি মানায়?

    অবশেষে যাত্রাকাল এল।

    বিষণ্ণ মুখে বিদায় দিয়ে তারকদার হাত ধরে বলে দিলাম—ভুলো না কিন্তু, পুজোর সময় আসা চাই। এক মাসের ছুটিতে।

    রমা বৌদিকে আলতা পরিয়ে দিতে দিতে কাঁদো-কাঁদো হয়ে বলে—শ্বশুরবাড়ি এসে পর্যন্ত একলা। আপনি যদি থাকতেন দিদি, কি যে ভালো লাগতো! আবার আসবেন কিন্তু, কিছুদিন থাকতে হবে।

    —আচ্ছা! মন্টু, জয় হিন্দ!

    —জয় হিন্দ! আবার এসো তারকদা!

    —দুর্গা, দুর্গা! চললাম রমা!

    —আবার আসবেন দিদি! দুর্গা, দুর্গা!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসেপিয়েন্স: এ ব্রিফ হিস্টোরি অফ হিউম্যানকাইন্ড – ইউভাল নোয়া হারারি
    Next Article ১০টি কিশোর উপন্যাস – আশাপূর্ণা দেবী

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }