Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আশাপূর্ণা দেবী – সাহিত্যের সেরা গল্প

    লেখক এক পাতা গল্প213 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জালিয়াত – আশাপূর্ণা দেবী

    জালিয়াত

    ‘ফোন করে বলেছে ফিরতে দেরি হতে পারে? কখন ফোন করেছে?’

    এই সামান্য প্রশ্নটা শক্তিনাথ কেন বাঘের মতো গর্জে উঠে করলেন, তা শক্তিনাথই জানেন। অথবা সান্ত্বনাও জানেন, কিন্তু সান্ত্বনা সেই জানাটা জানতে দিলেন না, সান্ত্বনা যেন খেয়ালই করেননি শক্তিনাথ গর্জে উঠেছেন, এমনি ভাবে সহজ আলগা গলায় বললেন, ‘এই তো একটু আগে’।

    সান্ত্বনার ঠিক এই সময়টাই যেন ফ্রীজ থেকে ঠাণ্ডা জলের বোতলটা বার করবার খুব দরকার পড়েছে, তাই মুখ না ফিরিয়েই সেটা নিয়ে টানাটানি করতে থাকেন। শক্তিনাথের গর্জনটা অতএব আর এক ধাপ ওপরে উঠলো, ‘একটু আগে মানে? আমি কোথায় ছিলাম? কটার সময় করলো?’

    আর ঠাণ্ডা জলের বোতল নিয়ে নাড়ানাড়ি চলে না, সান্ত্বনাকে এবার মুখ ফেরাতে হয়, গলার স্বরও ফেরাতে হয়।

    সেই ফেরানো গলায় বলেন, ‘ফোন আসার সঙ্গে সঙ্গে ঘণ্টা মিনিট সেকেন্ড লিখে রাখতে হবে, এটা জানা থাকলে লিখে রাখতাম।’

    হ্যাঁ, এক এক সময় এই রকম সুর বদল করতে হয় বৈ কি, গর্জনকে বাড়তে দিলে আপন প্রেসটিজটা থাকে কোথায়?

    শক্তিনাথ গুম হয়ে যান, বলেন, ‘পাশের ঘরেই বসে রয়েছি। ফোন এলো জানতে পারলাম না, একটু আশ্চর্য লাগছে বৈ কি!’

    ‘বই পড়ছিলে, অন্যমনস্ক থাকতে পারো, বাথরুমে যেতে পারো, জানতে না পারাটাও আশ্চর্য নয়।….খেতে দিতে বলি তা হলে?’

    ‘ওঃ খেতে দিতে। খেয়ে নিতে হবে?’ শক্তিনাথ বলেন, ‘রাত বারোটা বাজবে, এই কথা বলেছে বুঝি?’

    সান্ত্বনার ইচ্ছে হয় বসে পড়েন।

    ইচ্ছে হয় আর একটিও কথা না বলেন, ‘আর পারছেন না মিথ্যার জাল বুনে বুনে ঘর সামলাতে। কতদিন থেকে চলেছে এই জাল বোনা? ছেলে-মেয়েরা বড়ো হয়ে ওঠা পর্যন্তই। সত্যি কথা আর কটা বলতে পান? ছেলে-মেয়েদের মন আর মন রাখতে এবং শক্তিনাথের মেজাজের ‘পারা’ ‘নর্ম্যালে’ রাখতে, অহরহই মিথ্যার চাষ করে চলেছেন।

    বড়ো মেয়ে যখন বড়ো হয়ে উঠলো, সান্ত্বনার কী যন্ত্রণাতেই দিন গেছে।

    শক্তিনাথের হুকুম, মেয়ে তার কলেজের বাইরে একটি মিনিটও সময় বাড়ির বাইরে থাকবে না, অথচ মেয়ে সে হুকুমের প্রতিবাদে মুখর। সে কলেজ-ফেরত বান্ধবীদের বাড়িতে চলে যাবেই যে-কোনো দিন, না বলা না কওয়া। ফিরবে সন্ধ্যা করে। আর এমনই আশ্চর্য, ঠিক সেই দিনই যেন হাত গুনে গুনে শক্তিনাথ অফিস থেকে ফিরে আসবেন সাত তাড়াতাড়ি। এসেই সন্ধানী দৃষ্টি নিক্ষেপ করে বলবেন, ‘বুলিকে দেখছি না যে?’

    অতএব মিথ্যার জাল বুনতেই হতো সান্ত্বনাকে, ‘বলে গেছে ক্লাসের কোন মেয়ের বাড়িতে যাবে, একসঙ্গে খানিকটা পড়তে, সামনে একজামিন আসছে তো।’

    সত্যের জন্যে বেড়া বাঁধতে হয় না, খোলা দরজা হাট করে ফেলে রেখে দেওয়া চলে, মিথ্যার জন্যে অনেক আটঘাট, অনেক বেড়া বাঁধতে হয়। তাই সামনের একজামিনটা মনে পড়িয়ে দিতে হয়।

    অবশ্য শক্তিনাথকে সন্তুষ্ট করা অতো সহজ নয়, শক্তিনাথ ব্যঙ্গের গলায় বলতেন, ‘বান্ধবীর বাড়ি গিয়ে পড়া করতে হবে? কেন? নিজের বাড়িতে পড়বার জায়গা নেই?’

    ‘থাকবে না কেন’, সান্ত্বনার অম্লানকণ্ঠ, ‘দুজনে মিলে নাকি পড়া ভালো হয় বলে’—

    ‘দু’জনে মিলে পড়া ভালো হয়? একলা হয় না?’ শক্তিনাথ আরো ব্যঙ্গের গলায় প্রশ্ন করতেন, ‘আমরা কখনো একজামিনের পড়া করি নি, কেমন?’

    তখনো শক্তিনাথের কণ্ঠে গর্জন দেখা দেয় নি, কটুতিক্ত কথায় ব্যঙ্গই দেখা যেতো! সান্ত্বনাও অতএব কিছুটা কৌতুকের গলায় উত্তর দিতে পারতেন, ‘সে তুমি তখন কী করেছো, তুমিই জানো। আমি তো আর একজামিন দিই নি যে, মেয়ের সঙ্গে তর্কে নামবো?’

    ‘তর্কে নামবার কথা উঠছে কেন?’ শক্তিনাথ বলতেন, ‘নিষেধ করে দেবে। বলবে এ সব আদিখ্যেতার দরকার নেই।’

    সান্ত্বনা যদি তাঁর সন্তানের ‘মান বজায়’ রাখার চিন্তায় ব্যস্ত না হতেন, অনায়াসেই বলতে পারতেন, ‘নিষেধটা তুমিই করে দিও না, আসবে এখুনি।’

    কিন্তু সান্ত্বনার ভয় হতো হয়তো তাতে তাঁর বড়ো হয়ে যাওয়া মেয়েটির মান বজায় থাকা শক্ত হবে। শক্তিনাথ হয়তো ভুলে যাবেন, বুলবুল এখন আর ফ্রক পরে না, বুলবুল এখন আর স্কুলের ছাত্রী নয়।

    সান্ত্বনা ভুলে যান না।

    বুলবুল নিজে যদি ভুলে থাকতো তার সেই সদ্যলব্ধ মর্যাদার অহঙ্কার, তাহলে কতো সহজই হয়ে যেতো সান্ত্বনার জীবন। সান্ত্বনা ভেবে অবাক হতেন ওইটুকু অহঙ্কার ছাড়লেই বা কী এসে যায় ওর? বাপের কাছেই তো?

    কিন্তু তা তো হয় না। অন্তত হতো না। বুলবুল তো তার সেই বাপের মেয়ে? তাই বুলবুল আসার অগে কাঁটা হয়ে থাকতেন সান্ত্বনা। সিঁড়িতে তার পদধ্বনির জন্যে কান পেতে থাকতেন, ঠিক সেই মুহূর্তে যাতে কোনো একটা ছুতোয় নিজে তরতরিয়ে নেমে যেতে পারেন, নিচে থেকেই মেয়েকে অবহিত করিয়ে দিতে পারেন, ‘বাবা ফিরেছে, তোর দেরি দেখে চটিতং নির্ঘাৎ কষে ধমক মারবে একখানা, বুঝে-সুঝে উত্তর দিস বাবা!’

    হ্যাঁ, এই ধরনের হালকা ভাষাই ব্যবহার করতে হতো সান্ত্বনাকে। জানতেন মেয়েকে যদি বলে বসেন, ‘তোর দেরি দেখে তোর বাবা ভীষণ রেগে আছে, সাবধানে কথা কস।’ তাহলে মেয়ে তদ্দণ্ডেই প্রতিজ্ঞা করে বসবে, ‘অসাবধানই হবো।’

    কারণ ‘বাবা রেগে গেছে তার গতিবিধির অনিয়মে—’ এই খবরটুকুই তো তার মাথা জ্বলে ওঠার পক্ষে যথেষ্ট।

    আড়ালে কোনো কোনো দিন মেয়েকে বলে দেখেছেন, ‘কলেজ ফেরত এখান ওখান যাওয়া, ছুটির দুপুরে সিনেমা টিনেমা দেখতে বেরিয়ে যাওয়া, এসব যখন তোর বাবা দেখতে পারেন না, রেগে মেগে যায়, তখন করিস কেন বাপু?’

    মেয়ে বরফ ঠাণ্ডা গলায় উত্তর দিয়েছে, ‘বাবা যা চাইবে, পৃথিবীতে ঠিক সেটাই ঘটবে, এমন ভাবাটাই ভুল মা।’

    ‘পৃথিবীর কথা হচ্ছে না, ওর নিজের সংসারে ওর ইচ্ছে অনিচ্ছের মূল্য থাকবে, এটা তো ও আশা করতে পারে?’

    ‘বাবার সংসারটাও পৃথিবী ছাড়া নয় মা, আর বাবার ছেলে-মেয়েরাও পৃথিবীরই মানুষ।’

    ‘চটাচটি করে তো কেবল অশান্তির সৃষ্টি করা বাপু?’

    উনিশ বছরের বুলবুল ফট করে বলে বসেছে, ‘সে কথাটা বাবাকে বোঝালে আরও ভালো হয়।’

    সান্ত্বনা আহত হয়েছেন। অপমান বোধও করেছেন হয়তো। তবু ওই মেয়েটাকে সরাসরি তার বাপের মুখোমুখি নিক্ষেপ করতে পেরে ওঠেন নি।

    কেন পারেন নি?

    সন্তান সম্পর্কে এতোই অন্ধ স্নেহ সান্ত্বনার? নিজেই অনেক ভেবেছেন সান্ত্বনা। বিশ্লেষণ করে করে দেখেছেন নিজেকে, কই তেমন স্নেহান্ধ তো মনে হয় নি নিজেকে। শক্তিনাথের মতো অতো ত্রুদ্ধ হয়ে না উঠলেও মেয়ের আচার-আচরণে বিরক্তিবোধ করেন যথেষ্টই। মেয়ের এই অধিকার বোধকে মোটেই সমর্থনের চোখে দেখেন না, তবু সংঘর্ষেও নামতে চান না। চান না সংসারের শান্তিকে বিঘ্নিত করতে। তাই অহরহ ম্যানেজ করে ফেলতে চেষ্টা করেন।

    তার মানে সান্ত্বনা সংসার চান, চান তার শান্তি শৃঙ্খলা সভ্যতা।

    শক্তিনাথও যদি সেটুকু চাইতেন?

    যদি চাইতেন, তাহলে হয়তো সান্ত্বনাকে নিজের সঙ্গে এতো লড়াই করতে হতো না, আর এতো মিথ্যার জাল বুনে চলতে হতো না। ক্রমশই যে মাকড়সার মতো নিজের জালে নিজে আটকা পড়ে যাচ্ছেন সান্ত্বনা।

    বুলবুলকে নিয়ে শেষ পর্যন্ত চরমেই উঠেছিল।

    তবু সান্ত্বনা কতো চেষ্টাই করেছিলেন।

    শক্তিনাথ বলতেন, ‘সিনেমা দেখতে—বন্ধুর সঙ্গে যেতে হবে কেন? তোমার সঙ্গে ও তো যেতে ছাড়েন না, তাতে মন ওঠে না?’

    সান্ত্বনা আটঘাট বাঁধতে বসতেন, ‘আহা আমার সঙ্গে তো শুধুই বাংলা ছবি, ইংরিজি মিংরিজি দেখতে ভালোবাসে—’

    ‘ওঃ ভারী একেবারে ইংরিজি নবীশ মেয়ে হয়েছেন! সিনেমার ইংরিজি বুঝতে ওর বাবারও সময় লাগে বুঝলে? অতো সোজা নয়। ওসব ছুতো।’

    তখন—

    হ্যাঁ তখন, সেই সব মুহূর্তে সান্ত্বনাকে সুর ফেরাতে হতো। সান্ত্বনাকে ডাঁট দেখাতে হতো।

    ‘তার মানে? তুমি বলতে চাও কি? ছুতোটা কিসের জন্যে?’

    ‘কিসের জন্যে সেটা আর দু’দিন গেলেই বুঝবে।’ শক্তিনাথ বলে উঠতেন, ”মেয়ে যখন এসে বলবেন, ‘মা আমি লভে পড়েছি,’ তখন জলের মতো বুঝবে?”

    সান্ত্বনার বুকটা কেঁপে উঠতো।

    সান্ত্বনা তবু মনে মনে অদ্ভুত একটু হাসি হাসতেন।

    বুঝবার জন্যে আরও ‘দুদিন’ অপেক্ষা করতে হবে তাঁকে? অনেকদিন আগেই তো অনেক কিছু বোঝা হয়ে গেছে তাঁর। তবু—একেবারে উদঘাটিত হয়ে যাওয়ার ভয়ে শক্তিনাথের কাছেও যেমন অবুঝ সেজেছেন, মেয়ের কাছেও তেমন অবুঝ সেজেছেন।

    একটি ছেলে-গলা যখন ফোনের ওধার থেকে স্বচ্ছন্দ গলায় বলেছে, ‘বুলবুল আছে? একটু দিন তো—’

    সান্ত্বনা তখন আরো স্বচ্ছন্দ গলায় ডাক দিয়েছেন, ‘ওরে বুলবুল, তোর ফোন।’

    শক্তিনাথ অবশ্য সব সময় বাড়িতে থাকতেন না, অফিস তো ন’টা থেকে সাতটা মানে যাতায়াত সমেত। তবু তো অফিস থেকে গাড়ি পান, যেতে আসতে। সেই সময়ের এধার ওধার ফোন এলেই মাথা ঘুরে যেতো সান্ত্বনার। যদিও সেটা বেশি হতো না, তবু সান্ত্বনার মনে হতো, এরা এতোই বা বোকা কেন রে বাবা! এটুকু বুঝে সুঝে চলতে পারে না?

    সান্ত্বনা জীবনভোর কেবল বুঝে সুঝেই চলে এলেন বলেই বোধকরি ওঁর এই বুঝে সুঝে চলাটাই সব থেকে স্বাভাবিক মনে হতো, কিন্তু কে চায় সেই স্বাভাবিকটা হতে? কে ধার ধারে কে কি ভাবলো ভাবতে? তাছাড়া ‘জরুরি’ বলেও তো ব্যাপার থাকতে পারে ওদের?

    বুলবুল পর্বের সময় শক্তিনাথ বাড়িতে থাকাকালীন ‘টাইমে’ সান্ত্বনাকে প্রায় টেলিফোনের কাছেই বাসা বাঁধতে হতো, যাতে জিনিসটা শক্তিনাথের হাতে গিয়ে না পড়ে। মিলি আর সীতুও তো তখন নাবালকের দলে, ফোনটা এসে ধরলে হয়তো চিৎকার করে ডাকতো, ‘দিদি একটা ছেলে তোকে ফোনে ডাকছে।’

    অতএব সান্ত্বনাকে পাহারা দিতে হতো, সান্ত্বনা তেমন অবস্থায় পড়লে রিসিভারের মুখে হাত চেপে গলা তুলে ডাক দিতেন, ‘বুলু দেখ তোকে বোধ হয় নিভা ডাকছে। তাই তো মনে হলো—’

    এটা মেয়ের প্রতি ইশারা, যাতে মেয়ে বাপের কান বাঁচিয়ে প্রেমালাপ করে, যাতে পাশের লোক বুঝতে না পারে বন্ধু কি বান্ধবী। অথচ আবার মেয়েকেও জানতে দেওয়া চলে না, আমি তোমার লুকোচুরির উপদেষ্টা। তাই লাইনের শেষে যোগ করতে হয় —’তাই তো মনে হলো—’

    এই করে চলেছেন।

    এইভাবে চালিয়েছেন।

    তবু শেষরক্ষা হলো না, একদিন ঝড় উঠলো বাড়িতে, শক্তিনাথ নিজের চক্ষে দেখে এসেছেন বুলবুল একটা ছোঁড়ার সঙ্গে হাসতে হাসতে সিনেমা হল থেকে বেরিয়ে একটা রেস্তোরাঁয় ঢুকে গেল।

    শক্তিনাথ অফিসের গাড়িতে, সঙ্গে আরও দুজন সহকর্মী, অফিসের চেনা ড্রাইভার। কাজেই শক্তিনাথের তখন হাত পা বাঁধা, শক্তিনাথ বাড়ি ফিরে রসাতল করতে লাগলেন।

    সান্ত্বনা একবার ক্ষীণকণ্ঠে বলতে চেয়েছিলেন, ‘তুমি হয়তো কাকে দেখতে কাকে দেখেছো, বুলুর তো কলেজ ছুটিই হয় সাড়ে চারটেয়। ও কি করে ম্যাটিনিতে সিনেমা দেখবে? তাও অফিস পাড়ায় গিয়ে?’

    কিন্তু এ যুক্তি কি ধোপে টেকে?

    সান্ত্বনা কি এইমাত্র পৃথিবীতে ভূমিষ্ঠ হলেন? ‘কলেজ-পালানো’ বলে কোনো শব্দ শোনে নি কখনো?

    বেশ, তা যদি না শুনে থাকেন তো বলুন সাড়ে চারটের পর সাতটা বাজতে যে সময়টা লাগে, মেয়ে ততক্ষণ কী করছে তবে? প্রমাণ করুন দেখাটা শক্তিনাথের চোখের ভ্রম?

    সেদিন আর সান্ত্বনার মেয়ের জন্যে নিচে নেমে থাকা হলো না, নেমে দাঁড়িয়ে থাকলেন শক্তিনাথ নিজে। এবং চাক্ষুষ দেখলেন দুয়ার থেকে অদূরে একটা গাড়ি থেকে বুলবুল নামলো। আর অপর আরোহী সেই ছোকরা তাকে ‘টা টা’ করে গাড়ি করে বেরিয়ে গেল নিজে চালিয়ে।

    তার মানে সান্ত্বনার বুদ্ধিমতী মেয়ে বেশ একটি তালেবর বরই যোগাড় করে ফেলেছেন।

    এর জন্যে মেয়ের মা-বাপের মেয়ের কাছে কৃতজ্ঞ হওয়াই উচিত ছিল। কিন্তু সান্ত্বনার বুদ্ধিহীন স্বামী তার বদলে অতো বড়ো মেয়ের গালে ঠাস করে একটা চড় কষিয়ে দিয়ে বসলো।

    তারপর যা হওয়া উচিত, যা হওয়া সম্ভব তাই হল, মেয়ে বাপের মুখের ওপর বললো, ‘ওকে আমি বিয়ে করবো।’ এবং পরদিন বাপের নাকের সামনে টেলিফোন তুলে বললো, ‘এখুনি এসে আমাকে এখান থেকে নিয়ে যাও।’

    অর্থাৎ বাপ মেয়েকে যে ওজনের চড়টা মেরেছিলেন, মেয়ে তার চতুর্গুণ ওজনের চড় বাপকে ফিরিয়ে দিলো।

    কিন্তু সান্ত্বনা কি তখন হার মেনে তাঁর জাল বোনার কাঠি দুটো হাত থেকে নামিয়ে রেখে বলতে পারতেন, ‘ওরে পাজি মেয়ে, আমি কি এতোদিন বুঝি নি ভেবেছিস তুই যে তলে তলে উড়ছিস, সে কথা আমি তোর ওড়ার প্রথম দিন থেকেই বুঝেছি, শুধু এইটা বুঝি নি এতোটা দুঃসাহস তোর হবে! আমাকে পর্যন্ত না জানিয়ে তুই এতো দূর এগোবি! আমি তোর বাপের মতো গোঁয়ার আড়বুঝো নই, আমার কাছে ব্যক্ত করলে, তোর সাপও মরতো, লাঠিও ভাঙতো না।’

    বলতে পারলেন না, বললে বাকি জীবনটা তো ওই জাল বোনা বন্ধ করতে হতো। ধরা পড়ে যেতেন শক্তিনাথের কাছে। তাই সান্ত্বনাকে আকাশ থেকে পড়তে হলো। সান্ত্বনাকে ‘মেয়ের মুখ দেখা’ বন্ধ করতে হলো।

    সান্ত্বনাকে বলতে হল, ‘কী করে বুঝবো? কেমন করে ভাববো ও আমার সঙ্গে এতো চাল চালছে। আমি ভাবি সবই মেয়ে বন্ধু। এমন তো হরদমই দেখি গোটা কতক কমবয়সী মেয়ে দল বেঁধে সিনেমা যাচ্ছে, শাড়ি জামার দোকানে যাচ্ছে, চা খেতে দোকানে ঢুকছে, (এখানেও বেঁধে নিলেন একটু বেড়া, করে নিলেন একটু রিপুকর্ম!’ ‘হরদম দেখেন’ বলেই না সান্ত্বনার সরল মনে সন্দেহ ঢোকে নি, কাজেই সান্ত্বনা ওসবের মধ্যে কোনো দোষ দেখতে পান নি!) কেমন করে জানবো বুলুর বেলাতেই মেয়ে বন্ধু নয়, ছেলে বন্ধু।’

    পিতৃগৃহে ঢোকবার অধিকার বুলবুল আজও পায় নি, আজও শক্তিনাথ বড়ো মেয়ের মুখ আর দেখেন নি। মেয়েও অবশ্য নত হয়ে এসে তেমন চেষ্টা করে নি, তবে মাসির বাড়ির ঠিকানায় মাকে মাঝে মাঝে চিঠি দেয়। এবং আগে থেকে যোগাযোগ করে সেই মাসির বাড়িতেই মাতা-কন্যার মিলন হয়।

    মেয়ের পুজোর আর জন্মদিনের শাড়িও ওই পথেই মেয়ের হাতে পৌঁছয়। মিনি জানে, সীতুও জানতো, এখন আর জানে না সীতু। ভুলে গেছে ইহজগতে ‘দিদি’ নামের যে কোনো একটা প্রাণী ছিল, অথবা সীতুর কর্মজীবনের সঙ্গীরা ব্যতীত আর কেউ আছে এই জগতে, সে কথা মনে নেই সীতুর।

    মিলি মাঝে মাঝে মা-র সঙ্গে যায়, তবে প্রকাশ করে না। কিন্তু শক্তিনাথ আজও অন্ধকারে। শক্তিনাথ জানেন তদবধি ‘বুলবুল’ নামটাই মুছে গেছে এ সংসার থেকে।

    শক্তিনাথ কি তবে সম্পূর্ণ সুখী?

    নিজের সংসারে নিজের এই মর্যাদা বজায় থাকায় শক্তিনাথ কি অহঙ্কারে মটমটে হয়ে আছেন?

    কই আর?

    বুলবুলের ঔদ্ধত্য ভুলতে না ভুলতে সীতানাথ বা সীতু একেবারে উদ্ধতের রাজা হয়ে বসে থাকলো।

    সাংসারিক বিধি-নিষেধ নীতি-নিয়ম এ সবের ধার ধারে না সীতু। সীতুর নীতি যা ইচ্ছে করবে, কোনো কৈফিয়তের উত্তর দেবে না। জেরা করতে এলে এমন একটি মোক্ষম বুলি শুনিয়ে দেবে যে, দুবার আর জেরা করতে হবে না।

    অতএব সীতু কখন বেরোয়, কখন ফেরে, কখন খায়, কখন না খায়, কিছু ঠিকঠাক নেই। শুধু রাতের খাওয়াটা বাড়িতে খায়, আর রাতের শোওয়াটা বাড়িতে শোয় এইটুকু ভরসা। আর ওইটুকুর জোরেই সান্ত্বনা সারাদিনের সমস্ত ‘বেঠিক’ গুলোকে ‘ঠিকঠাকে’র চেহারা দিয়ে শক্তিনাথের পাতে পরিবেশন করেন।

    সীতু যদি না খেয়ে দেয়ে বেলা দশটায় বেরিয়ে গিয়ে রাত দশটা পর্যন্ত না ফেরে, সান্ত্বনা শক্তিনাথকে বলেন, ‘এই তো বিকেল বেলায় বেরোলো, তুমি আসবার একটু আগেই! কলেজ থেকে ফিরে জলটল খেয়ে—’

    সীতু আজকাল আদৌ কলেজে যায় কি না সান্ত্বনা জানেন না, তবু এখনো তাঁর ওই জালটুকুর আবরণ দিয়ে ঢেকে রেখেছেন সেই সন্দেহটিকে।

    সান্ত্বনা সীতুকেও বুঝতে দেন না সে সন্দেহ। সান্ত্বনা বোধকরি ভাবেন, একবার সন্দেহ প্রকাশ করলেই সীতু বেহেড হয়ে যাবে, সীতু নিরাবরণ হয়ে যাবে।

    তাই তিনি সীতুকেও বলেন, ‘কলেজ ফেরত এখান সেখান ঘুরিস কেন? একবার বাড়ি এসে খেয়েটেয়ে তো যেতে পারিস বাবা! আড্ডা বড়ো, না শরীর বড়ো?’

    ঠিক ওই মুখটায় সীতু বলে উঠতে পারে না, ‘কলেজ আবার যাচ্ছে কে? কলেজ-ফলেজ যাই নি।’

    সীতু গুজ গুজ করে যা বলে, তার অর্থ এ হতে পারে, খিদে পেলে কোথাও না কোথাও খেয়ে নিতে পারে সে, অতো ভাববার দরকার নেই।

    সীতু যেদিন বেশি রাত করে, সান্ত্বনা হঠাৎ বলে ওঠেন, ‘এই রে একেবারে ভুলে মরেছি, সীতু যে বলেছিল, আজ একটু রাত হবে।’

    এতোদিন শক্তিনাথের হাল ছেড়ে দেওয়া উচিত ছিল, শক্তিনাথের নখদন্তহীন বৃদ্ধ ব্যাঘ্র বনে যাওয়া উচিত ছিল, কিন্তু শক্তিনাথ সেই উচিত কর্মটি করেন নি। শক্তিনাথ যুগের দিকে তাকিয়ে দেখতে চেষ্টা করেন নি, তাই শক্তিনাথ এখনো বাঘের গর্জনে প্রশ্ন করে উঠতে পারেন, ‘খেয়ে নিতে হবে? ফিরতে রাত বারোটা বাজবে, এ কথা বলেছে বুঝি?’

    আজ আর হঠাৎ বলে ওঠবার উপায় ছিল না, ‘এইরে ভুলে মরেছি, সীতু যে বলেছিল ফিরতে দেরি হবে—’

    আজ শক্তিনাথের শরীর ভালো ছিল না, শক্তিনাথ সারাদিন বাড়িতেই আছেন। আর শক্তিনাথের চোখের সামনেই বেরিয়ে গেছে সীতু সাত সকালে ভাত খেয়ে।

    সান্ত্বনা হেঁকে বলেছিলেন, ‘আজ বুঝি তোর সাড়ে দশটায় ক্লাস?’

    সীতু কী যেন একটা বলে, অথবা হয়তো কিছুই না বলে তড়বড়িয়ে চলে গিয়েছিল। অতএব আজ রাত্রে ঘড়ির দিকে তাকাতে তাকাতে বুক যখন কেঁপে উঠলো, তখন বলতে হলো, ‘এই মাত্তর ফোন করলো।’

    শক্তিনাথ ওবেলা খান নি, এবেলা দুখানা গরম লুচি খাবেন, তাই সান্ত্বনা কাঁপা বুককে শক্ত করে বললেন, ‘খেতে দিতে বলি?’

    আর শক্তিনাথের তীব্র প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘ওকে নিয়ে তো পারা যাবেই না দেখছোই, নিজের শরীরটা আর নষ্ট করে কী হবে?’

    শক্তিনাথ ত্রুদ্ধ গলায় বলেন, ‘তোমার প্রশ্রয়ে প্রশ্রয়েই এতো বাড় বেড়েছে।’

    ‘ওকথা নতুন না—’

    বলে সান্ত্বনা বামুন ঠাকুরকে নির্দেশ দেন, ‘ঠাকুর, দাদাবাবুর খাবার ঢেকে রেখে আমাদের খেতে দাও। বাবুর লুচিকটা একসঙ্গে ভেজে ফেলো না, একখানা একখানা করে ভেজে দিও। আমাদের হয়ে গেলে তুমিও খেয়ে নিও।’

    সান্ত্বনার প্রতি ভগবানের অসীম দয়া যে শক্তিনাথ খেতে বসলেন।

    হয়তো সারাদিনের উপবাসের ফলশ্রুতি এটা। হয়তো ঠাকুরকে পর্যন্ত খেয়ে নিয়ে দাদাবাবুর প্রতি অবহেলা দেখানোর কথায় কিঞ্চিত প্রসন্ন হলেন।

    মোটকথা খেতে বসলেন তিনি, এবং মিলি আর সান্ত্বনাও।

    শক্তিনাথ তাঁর ছোটোমেয়ের পাতের দিকে তাকিয়ে বললেন, ‘মাছটা সব ফেললি যে?’ মেয়ে উত্তর দেবার আগেই সান্ত্বনা তাড়াতাড়ি বলে উঠলেন, ‘খুব ঝাল লাগছে বুঝি মাছের ডালনায়? আমারও একটু একটু—’

    ‘ঝাল আবার কোথায়?’

    বললেন শক্তিনাথ, ‘ঝাল-ফাল কিছু হয় নি।’

    ‘ও যে লঙ্কার ফোড়নটি পর্যন্ত খেতে পারে না—’

    মিলি বেঁচেছিল কারণ ‘মাছ’ নামক বস্তুটিকে সে আদৌ গলাধঃকরণ করতে পারে না। শুধু বাবার ভয়ে ভাঙে, ভেঙে ছাড়িয়ে ফেলে দেয়। ঝালের সম্বন্ধে মিলি তবু রেহাই পাচ্ছিলো, সুশৃঙ্খলেই আহার পর্বটা মিটে যেত, কিন্তু গেল না।

    শেষরক্ষা হলো না।

    শক্তিনাথ তখনও দুধের বাটিতে হাত দেন নি, ঝনঝনিয়ে উঠলো টেলিফোনটা।

    বেশি রাতে টেলিফোনের শব্দটা এইরকম জোরই লাগে। যেন এসে ধাক্কা মারলো, যেন কোনো অশুভবার্তা নিয়ে এসেছে।

    সান্ত্বনার সর্বশরীরে যেন ওই ঝনঝনানিটা একটা ধাক্কা মারলো, সান্ত্বনার হাত থেকে ভাতের গ্রাসটা পড়ে গেল। সান্ত্বনার মনে পড়লো না ঝাঁপিয়ে পড়ে গিয়ে টেলিফোনটা তাঁরই ধরা উচিত।

    সান্ত্বনার মনে পড়লো না, সেই অবসরে শক্তিনাথ ঝাঁপিয়ে পড়লেন, বাঁ হাতেই রিসিভারটা তুলে নিলেন।

    তারপরই শক্তিনাথের মুখ থেকে অদ্ভুত অদ্ভুত সব কথা বেরোতে লাগলো, মিলির মুখটা হাঁ হয়ে গেল। সান্ত্বনা আচ্ছন্নের মতো তাকিয়ে রইলেন, আর শক্তিনাথের সেই কথাগুলো যেন পরিস্থিতিটার ওপর আছড়ে আছড়ে এসে পড়তে লাগলো….’কে? সুব্রত? কী ব্যাপার? এতো রাত্রে? কোথা থেকে কথা বলছো? বেলেঘাটা থানা থেকে?’

    সুব্রত সান্ত্বনারই দিদির ছেলে সান্ত্বনার অধিকার ছিল শক্তিনাথের হাত থেকে ফোনের রিসিভারটা নিয়ে নেওয়া, কিন্তু সান্ত্বনা যেন অব্যক্ত আচ্ছন্ন হয়ে তাকিয়ে রইলেন শক্তিনাথের দিকে।

    আর বোধকরি ওইরকম আচ্ছন্ন ভাবের জন্যেই সান্ত্বনার মনে হতে লাগলো শক্তিনাথের কথার খাঁজে খাঁজে একটা উল্লাসের ঝঙ্কার ঠিকরে উঠছে। ওটা যে শক্তিনাথের উত্তেজিত চিত্তের কম্পন, সেটা বুঝতে পারছেন না সান্ত্বনা। সান্ত্বনা শুনতে পাচ্ছেন উল্লাস ঠিকরোনো গলায় বলে চলেছেন শক্তিনাথ। ‘তুমি বুঝি এখন বেলেঘাটা থানার ইনচার্জ? …….কখন বললে? বেলা তিনটের সময়?…. না না, আমি কিছু করতে চাই না। আমার ছেলে বলে ‘স্পেশাল কেস’ ভাববার দরকার নেই, সবাইয়ের যা ব্যবস্থা হবে, তাই হবে।…. নাঃ রাগ করে নয়, রাগের কি আছে? যা হবার তা তো হবেই। তুমি যে কষ্ট করে খবর দিলে এর জন্য—তোমার মাসীমা? উনি খেতে বসেছেন। ….ওঁকে আর বলার কি আছে? আমিই বলছি কিছু করার দরকার নেই। …..আচ্ছা ছাড়ছি—।’

    ছাড়বেনই তো। যে মা রাত এগারোটা পর্যন্ত ছেলে বাড়ি ফিরছে না দেখেও নিশ্চিন্ত চিত্তে খেতে বসতে পারে, তার আর বলবার কি আছে?

    সান্ত্বনা তখনও ওঠেন নি, হাত ধোন নি, শক্তিনাথ ফিরে এলেন, ঘুরে দাঁড়ালেন, বললেন, ‘বলছিলে না—সীতু একটু আগেই ফোন করেছিল? তোমার কি মনে হয়, অন্য কেউ ওর নাম করে—? কারণ ওকে তো বেলা তিনটের সময় পুলিসে এ্যারেস্ট করেছে। সুব্রতর থানাতেই নিয়ে গিয়ে ফেলেছে। সীতুর গলা বুঝতে পারলে না?’

    সান্ত্বনা উঠে দাঁড়ালেন, বললেন, ‘থাক অত কষ্ট করে জেরা করার দরকার নেই। কেউ ফোন করে নি, আমি মিথ্যে কথা বলেছি। শুধু—আজ নয়, অনেকদিন, জীবন ভোর।’

    শক্তিনাথ হঠাৎ হেসে ওঠেন, ‘তুমি বুঝি ভাবছো, আজই তুমি সে খবরটা এতো ঘটা পটা করে জানাচ্ছো? চিরদিনই জানি। তোমার প্রতিটি মিথ্যে কথা আমি ধরতে পারতাম, ধরতে পেরেছি। মাকড়সার মতো মিথ্যে ওই জালটা বুনে বুনে তুমি নিজেই জালিয়াত হয়ে গেছো।’

    সান্ত্বনা পাথরের মতো তাকিয়ে থাকেন ওই হিংস্র আর নিষ্ঠুর মুখটার দিকে।

    তারপর পাথরের মতো গলাতেই বলেন, ‘ওঃ সব জেনেছো, সব বুঝেছো? তবু এতোটুকু দয়া হয় নি তোমার? তবু কোনোদিন বলে উঠতে পারো নি; সান্ত্বনা, আর কষ্ট কোরো না তুমি, তোমার ওই জাল থেকে বেরিয়ে এসো। তোমার আমার তো একই জ্বালা, এসো দুজনে একসঙ্গে সেই জ্বালা বহন করি।….না, তা তুমি বল নি, শুধু বসে বসে আমার যন্ত্রণা দেখেছো, আর না দেখার ভান করেছো। তার মানে তুমিও একটা জালিয়াত, হ্যাঁ হিংস্র নিষ্ঠুর, পাকা একটা জালিয়াত।’

    —

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleসেপিয়েন্স: এ ব্রিফ হিস্টোরি অফ হিউম্যানকাইন্ড – ইউভাল নোয়া হারারি
    Next Article ১০টি কিশোর উপন্যাস – আশাপূর্ণা দেবী

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }