Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    আহা টুনটুনি উহু ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল এক পাতা গল্প132 Mins Read0
    ⤷

    মার্ডার কেস

    আহা টুনটুনি উহু ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    প্রথম প্রকাশ : ফেব্রুয়ারি ২০২২

    উৎসর্গ

    শাহজালাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেমেয়েদের যারা আমাদের অনুরোধে অনশন ভাঙতে রাজি হয়েছিল।

    ভূমিকা

    আমাকে দেখে একটা দশ এগারো বছরের মেয়ে ছুটে এসেছে, কাছে এসে বলল, “স্যার আপনাকে একটা কথা বলি?”

    আমি বললাম, “আমি বলব তুমি আমাকে কী বলবে?”

    সে অবাক হয়ে বলল, “আপনি জানেন আমি কী বলব?”

    আমি বললাম, “হ্যাঁ। আমি জানি। তুমি আমাকে আরেকটা টুনটুনি আর ছোটাচ্চুর বই লিখতে বলবে।”

    মেয়েটি অবাক হয়ে বলল, “আপনি কেমন করে বুঝতে পারলেন?”

    সেজন্য আমার আরও একটা টুনটুনি আর ছোটাচ্চুর বই লিখতে হয়েছে!

    টুথ পেস্ট শেষ হবার পর টিপে টিপে যেভাবে আরো একটু পেস্ট বের করে ফেলা যায়, ঠিক সেভাবে আরো একটা টুনটুনির বই বের করা হয়েছে!

    কিন্তু আর কতদিন?

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    ৩০.০১.২০২২

    মার্ডার কেস

    নানি (কিংবা দাদি) তার ছোট সোফায় বসে টেলিভিশন দেখছেন। ঝুমু খালা তার পায়ের কাছে বসে একই রকম উৎসাহে এই সিরিয়ালটি দেখছে। অত্যন্ত নাটকীয় একটা দৃশ্যের পর বাসন ধোয়ার সাবানের বিজ্ঞাপন বিরতি, তখন ঝুমু খালা মাথা নেড়ে নানি (কিংবা দাদি) কে বলল, “বুঝলেন খালা, এই বউরে বিশ্বাস করা যাবে না।”

    সিরিয়ালটিতে এইমাত্র বাড়ির ছোট ছেলে বিয়ে করে নৃতন বউ ঘরে এনেছে, তাকে কেন বিশ্বাস করা যাবে না নানি বুঝতে পারলেন না। জিজ্ঞেস করলেন, “কেন? আমার তো মেয়েটাকে ভালোই মনে হচ্ছে।”

    ঝুমু খালা প্রায় আর্তনাদ করে বলল, “না, খালা না। দেখছেন না বউয়ের বিলাইয়ের মতো চোখ? বিলাইয়ের মতো চোখ মানেই উপরে মধু ভেতরে বিষ!”

    বাচ্চারা ছবি আঁকার একটা খেলা আবিষ্কার করেছে, কাগজটা অনেকগুলো ভাজ করে একেকজন একেক ভঁজে তার ইচ্ছামতো একটা জন্তুর ছবি আঁকে। অন্যরা সেটা দেখতে পারে না, তাই ছবি আঁকা শেষ হওয়ার পর কাগজটা খুলে সেই বিদঘুঁটে জন্তুর ছবি দেখে সবাই হাসিতে গড়িয়ে পড়ে। টুনি তার সুযোগের জন্য অপেক্ষা করতে করতে নানি আর ঝুমু খালার কথা শুনছিল। সে ঝুমু খালার ব্যাখ্যাটাতে আপত্তি করে বলল, “ঝুমু খালা, মানুষের চোখ কখনো বিড়ালের চোখের মতো হতে পারবে না মানুষের পিউপিল গোল, বিড়ালের লম্বা।”

    ঝুমু খালা ঝংকার দিয়ে বলল, “ফালাও তোমার গোল আর লম্বা। তুমি আমারে বিলাই শিখাবা! তুমি জীবনে বিলাই চোখা কয়টা দেখছ?”

    টুনি আর আলোচনায় গেল না, বিড়াল চোখা মানে কী সেটাই সে জানে না! ঠিক এই সময় টুম্পা এসে বলল, “ছোটাচ্চু, তোমার একজন গেস্ট এসেছে।”

    ছোটাচ্চু তার কেনে আঙুল দিয়ে প্রবল বেগে কান চুলকাচ্ছিল বলে টুম্পার কথা শুনতে পায় নাই। বলল, “এ্যা, কে এসেছে?”

    “গেস্ট। তোমার কাছে একজন গেস্ট এসেছে।”

    শান্ত জিজ্ঞেস করল, “মহল না মহিলা?”

    ছোটাচ্চু চেয়ার থেকে নেমে ভুরু কুঁচকে শান্তর দিকে তাকিয়ে বলল, “কী বললি? মহল না মহিলা? মহল আবার কী রকম বাংলা?”

    শান্ত গম্ভীর মুখে বলল, “বাংলা ভাষায় অনেক সমস্যা। মহল শব্দটা থাকা উচিত ছিল। শব্দটা ডিকশনারিতে ঢুকাতে হবে। আস্তে আস্তে ভাষাটাকে ঠিক করতে হবে।”

    ছোটাচ্চু ঘর থেকে বের হতে হতে বলল, “সেই দায়িত্বটা তোকে দেওয়া হয়েছে? কে দিয়েছে?”

    ছোটাচ্চু প্রশ্নটার উত্তরের জন্য অপেক্ষা করল না, তার গেস্টের সাথে দেখা করার জন্য বের হয়ে গেল। শান্ত গলা উঁচিয়ে বলল, “দায়িত্ব দিতে হয় না। দায়িত্ব নিজের থেকে নিতে হয়!”

    শান্তর কথা শুনে সবাই হি হি করে হাসতে থাকে। শান্ত বাংলা ভাষা ঠিক করার দায়িত্ব নিয়েছে শুনে হাসাহাসি করা যেতেই পারে। শান্ত মুখ গম্ভীর করে টুম্পাকে জিজ্ঞেস করল, “টুম্পা, তুই এখনো বলিসনি কে এসেছে, মহল না মহিলা?”

    প্রমি হাসি গোপন করে বলল, “টুম্পা তুই ইচ্ছা করলে অন্যভাবেও উত্তর দিতে পারিস।”

    টুম্পা বলল, “কীভাবে?”

    “বলতে পারিস গেস্ট কি পুরুষ নাকি পুরিষা।”

    আরেকজন বলল, “কিংবা লোক নাকি লুকিয়া।”

    আরেকজন বলল, “কিংবা ছেলে নাকি ছেলিয়া।”

    মুনিয়া তার কিনকিনে গলায় বলল, “কিংবা গরল নাকি গরিলা।”

    মুনিয়ার কথা শুনে সবাই হেসে গড়াগড়ি খেতে থাকে। চিৎকার করে বলতে থাকে, “গরিলা-গরিলা-”

    শান্ত রেগে দাঁত কটমট করে বলল, “বাসায় গরিলা আসবে কেমন করে? বেকুবের মতো কথা বলিস না।”

    ঝুমু খালা উঠে দাঁড়িয়ে বলল, “তোমাগো যন্ত্রণায় শান্তিমতো একদিন টেলিভিশন পর্যন্ত দেখতে পারি না। খালি চিল্লাপাল্লা চিল্লাপাল্লা।”

    তারপর নানির (কিংবা দাদির) দিকে তাকিয়ে বলল, “খালা, গেস্টের জন্য একটু চা নাশতা দিয়া আসি।”

    টুম্পা মাথা নেড়ে বলল, “দরকার নাই ঝম খালা। মহিলার খুবই আলুথালু চেহারা। মনে হয় না চা নাশতা খাবে।”

    সবাই চোখ বড় বড় করে তাকালো, বলল, “আলুথালু?”

    তারপর একসাথে সবাই ঘর থেকে বের হয়ে গেল। বাইরের ঘরের জানালার নিচে বসে তারা উঁকি দিয়ে আলুথালু মহিলাকে দেখবে। ঝুমু খালা পর্যন্ত পেছনে পেছনে আলুথালু মহিলাকে দেখতে গেল।

    বাইরের ঘরের জানালার নিচে বসে উঁকি দিয়ে সবাই দেখল যে মহিলার সত্যিই খুবই আলুথালু চেহারা এবং শাড়ির আঁচল দিয়ে মুখ ঢেকে ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদছে। শোনা গেল মহিলা বলছে, “আপনি কেমন করে আমাকে শান্ত হতে বলছেন? কেউ যদি আপনার সন্তানকে হত্যা করত আপনি কি শান্ত থাকতে পারতেন? মিঠুন আমার সন্তান না?”

    জানালার নিচে বসে থাকা সবাই চমকে উঠল। শুধু শান্ত তার সবগুলো দাঁত বের করে আনন্দে হাতে কিল দিয়ে দিয়ে ফিসফিস করে বলল, “ইয়েস, মার্ডার কেস।”

    সবাই শুনল ছোটাচ্চু বলছে, “আপনি কি আমাকে ঠিক করে বলবেন, ঠিক কী হয়েছিল? মানে মিঠুন কে, ঠিক কীভাবে–”

    আলুথালু মহিলা বলল, “আগে আপনি কথা দেন এই কেসটা আপনি নিবেন?”

    ছোটাচ্চু মাথা চুলকে বলল, “একটু ডিটেলস না জানলে-”

    “আপনাকে আমি সব বলব। কিন্তু আগে আমাকে কথা দেন–প্লিজ-মিঠুনের আত্মা শান্তি পাবে”

    ছোটাচ্চু বলল, “আপনি যেভাবে বলছেন তাতে তো মনে হচ্ছে এটা পুলিশ কেস হওয়ার কথা–”

    “পুলিশ?”

    আলুথালু মহিলা মুখে একটা বিচিত্র হাসির ভঙ্গি করে বলল, “আপনি কি ভাবেন পুলিশ এই কেস নিতে আসবে? যেখানে আমার নিজের বাসার মানুষজন এটাকে শুরুত্ব দেয় না সেখানে পুলিশ গুরুত্ব দেবে?”

    ছোটাচ্চু মাথা চুলকে বলল, “একটা মার্ডার কেসকে গুরুত্ব দেয় না ঠিক বুঝতে পারলাম না–”

    ছোটাচ্চুকে থামিয়ে দিয়ে আলুথালু মহিলা গলা উঁচিয়ে বলল, “আপনিও আমার কথা বিশ্বাস করছেন না?”

    ছোটাচ্চু বলল, “না-না-না আমি মোটেও আপনাকে অবিশ্বাস করছি না। শুধু বলছি যে এটা খুবই অস্বাভাবিক লাগছে যে–”

    আলুথালু মহিলা আবার ছোটাচ্চুকে থামাল, বলল, “আপনি এই পৃথিবীর কোনো খোঁজখবর রাখেন না। মানুষের হৃদয় এখন পাষাণ-কারো জন্য এখন কোনো মায়া নাই।”

    ছোটাচ্চু বলল, “তারপরেও—”

    মহিলা আবার ছোটাচ্চুকে থামাল, বলল, “আপনি আমার বাসায় আসেন। নিজের চোখে সবকিছু দেখেন, তারপর বের করে দেন কে মিঠুনকে মার্ডার করেছে। আর কেউ পারবে না। আপনি পারবেন। শুধু আপনি–”

    ছোটাচ্চু কেমন যেন ফ্যাকাশে মুখে তার মাথা চুলকাতে থাকে। তাকে দেখে মনে হয় খুব বিপদে পড়ে গেছে।

    টুম্পার কথা সত্যি, চা নাশতা দেওয়ার পরও আলুথালু মহিলা সেগুলো ছুঁয়ে দেখল না। ছোটাচ্চু অনেক আপত্তি করার পরও একটা মোটা টাকার বান্ডিল টেবিলের ওপর রেখে আঁচল দিয়ে চোখ মুখ ঢেকে কাঁদো কাঁদো হয়ে ঘর থেকে বের হয়ে গেল। যাওয়ার আগে ছোটাচ্চুর কাছ থেকে কথা আদায় করে নিয়ে গেল যে ছোটাচ্চু পরেরদিন বিকেলেই তার বাসায় গিয়ে মিঠুন মার্ডার কেসের তদন্ত শুরু করে দেবে।

    আলুথালু মহিলা চলে যাবার পর ছোটাচ্চু তার গাল চুলকাতে চুলকাতে নিজের ঘরে যাচ্ছিল, সব বাচ্চারা সারি বেঁধে তার পেছনে পেছনে গেল। শান্ত তার সবগুলো দাঁত বের করে আনন্দে হাসতে হাসতে বলল, “ছোটাচ্চু, এতদিন পর তুমি সত্যিকারের ডিটেকটিভ হয়েছ। তুমি শেষ পর্যন্ত একটা মার্ডার কেস পেয়েছ।”

    প্রমি বলল, “একটা মার্ডার হয়েছে আর তুই খাটাসের মতো আনন্দে দাঁত বের করে হাসছিস?”

    টুম্পা জিজ্ঞেস করল, “খাটাস দাঁত বের করে হাসে?”

    মুনিয়া বলল, “খাটাস কী?”

    শাহানা বলল, “শান্তর মতো মানুষকে বলে খাটাস।”

    শান্ত বলল, “ভালো হবে না কিন্তু।”

    তারপর ছোটাচ্চুর দিকে হাত বাড়িয়ে বলল, “ছোটাচ্চু, টাকার বান্ডিলটা দিবে?”

    ছোটাচ্চু বলল, “কেন?”

    “তোমাকে গুনে দেই।”

    “তোকে কেন গুনে দিতে হবে? আমি গুনতে পারি না?”

    “তোমাকে একটু সাহায্য করি।”

    প্রমি বলল, “ছোটাচ্চু ভুলেও শান্তর হাতে টাকা দিবে না।”

    টুনি তখন একটু এগিয়ে এসে বলল, “ছোটাচ্চু—”

    “উঁ।”

    “তুমি কালকে যাবে তো?”

    শান্ত বলল, “যাবে না কেন? একশবার যাবে। এই প্রথম একটা মার্ডার কেস পাওয়া গেছে যেতে তো হবেই।”

    টুনি শান্তর কথাকে বিশেষ গুরুত্ব দিল না, ছোটাচ্চুকে আবার জিজ্ঞেস করল, “যাবে?”

    ছোটাচ্চু মাথা চুলকালো, বলল, “জোর করে টাকার বান্ডিলটা দিয়ে একটু ঝামেলায় ফেলে দিল। আমি কেসটা নিতে চাচ্ছিলাম না।”

    শান্ত গলা উঁচিয়ে বলল, “কেন নিবে না? একশবার নিবে। এটা হচ্ছে অ্যাডভান্স। মার্ডারারকে ধরার পর বাকি পেমেন্ট। তাই না ছোটাচ্চু?”

    ছোটাচ্চু শান্তর কথার উত্তর দিল না, তখন শান্ত আবার জিজ্ঞেস করল, “কত দিয়েছে ছোটাচ্চু? নোটগুলো পাঁচশ টাকার নাকি হাজার টাকার?”

    ছোটাচ্চু ভুরু কুঁচকে বলল, “তোর এত খবরের দরকার কী?”

    “না, মানে, কম দিল কিনা জানতে চাইছিলাম।”

    টুনি বলল, “তুমি কখন যাবে ছোটাচ্চু?”

    ছোটাচ্চু বলল, “কেন? তুই যেতে চাস?”

    টুনি বলল, “না—মানে–”

    তখন শান্ত এসে টুনিকে ঠেলে সরিয়ে দিয়ে গলার স্বর খুবই গম্ভীর করে বলল, “ছোটাচ্চু, তোমার সাথে আমার কথা আছে।”

    “কী কথা?”

    “সিরিয়াস কথা।”

    ছোটাচ্চু বলল, “শুনি তোর সিরিয়াস কথা।”

    “যখনই তোমার কোনো ডিটেকটিভ কেস আসে তখনই তুমি সব সময় টুনিকে নিয়ে যাও। সে তোমার সাথে থাকে।”

    টুম্পা বলল, “টুনি আপুকেই তো নিবে? টুনি আপুই তো সব কেস সলভ করে। টুনি আপুকে না নিলে কাকে নিবে? তোমাকে?”

    শান্তকে ডিটেকটিভ কাজে নেওয়ার ব্যাপারটা এতই অবাস্তব যে মুনিয়া সেটা চিন্তা করে খিক খিক করে হেসে ফেলল।

    শান্ত মুনিয়ার হাসিটা না শোনার ভান করে তার মুখ আরও গম্ভীর করে বলল, “একশবার আমাকে।”

    এবারে শুধু মুনিয়া না অন্যরাও একটু হাসল। প্রমি বলল, “তুই ছোটাচ্চুর কেস সলভ করবি?”

    শান্ত বলল, “হ্যাঁ। আমি সলভ করব। তোমরা কী মনে করো? আমি পারব না?”

    প্রমি বলল, “না–মানে ইয়ে–”

    শান্ত বলল, “আমাকে কখনো সুযোগ দেওয়া হয় নাই। কিছু হলেই টুনি টুনি টুনি–এখানে যে শান্ত বলেও একজন মানুষ আছে তার মাথাতেও যে বুদ্ধি আছে সেইটা তোমাদের কারও চোখে পড়ে না?”

    টুম্পা বলল, “তার মানে এখন থেকে টুনি আপুর বদলে তুমি ছোটাচ্চুর অ্যাসিস্ট্যান্ট?”

    শান্ত বলল, “না। আমি কারো অ্যাসিস্ট্যান্ট না। আমি সব সময় নিজের জন্য কাজ করি।”

    টুম্পা বলল, “কিন্তু এইটা তো ছোটাচ্চুর কাজ। আলুথালু মহিলা তো তোমার কাছে আসে নাই। ছোটাচ্চুর কাছে এসেছে!”

    ছোটাচ্চু বিরক্ত হয়ে বলল, “ব্যস, ব্যস, ব্যস। অনেক হয়েছে। এখন তোরা বিদায় হ এখান থেকে। আমারে কাউকেই নিতে হবে না। আমি নিজে নিজেই যাব।”

    টুনি বলল, “ছোটাচ্চু, তুমি শান্ত ভাইকেই নিয়ে যাও।”

    “কেন? শান্তকে কেন নিতে হবে?”

    “শান্ত ভাইয়ার এত ইচ্ছা সেই জন্য।”

    শান্ত বলল, “শুধু ইচ্ছা তোকে কে বলেছে? তুই মনে করিস এই সব কেস আমি সলভ করতে পারব না। তুই গিয়েছিস আলতু ফালতু কেসে। এইটা আলতু ফালতু কেস না। এইটা হচ্ছে মার্ডার কেস। মার্ডার কেসে তুই বাচ্চা মেয়ে কী করবি?”

    শাহানা বলল, “টুনি বাচ্চা মেয়ে আর তুই বড় মানুষ?”

    “আমি টিনএজার। টিনএজার বড় মানুষ থেকেও ইম্পরট্যান্ট। সবাই টিনএজারদের ভয় পায়।”

    “তুই এই কেস সলভ করে ফেলবি? আগে করেছিস?”

    “আমাকে যদি সুযোগ দেওয়া না হয় আমি কেমন করে দেখাব যে আমি পারি?”

    শাহানা ছোটাচ্চুর দিকে তকিয়ে বলল, “ছোটাচ্চু–তুমি এবারে শান্তকেই নিয়ে যাও দেখি সে কী করে!”

    টুম্পা বলল, “তাহলে এর পরেরবার আমাকে।”

    মুনিয়া বলল, “এর পরেরবার আমাকে।”

    ছোটাচ্চু হুংকার দিয়ে বলল, “আমার কাউকে নিয়ে যাওয়ার দরকার নাই। সবাই বিদায় হ এখান থেকে। তোদের যন্ত্রণায় আমার জীবন শেষ।”

    পরেরদিন বিকালবেলা দেখা গেল শান্ত ছোটাচ্চুর সাথে যাওয়ার জন্য রেডি। ছোটাচ্চু মোটেই শান্তকে সাথে নেবে না কিন্তু সবাই মিলে তাকে রাজি করিয়ে ফেলল। ঘর থেকে বের হওয়ার সময় টুনি শান্তর হাতে একটা অ্যাডভেঞ্চারের বই ধরিয়ে দিয়ে বলল, “এটা নিয়ে যাও।”

    “কেন? এই ফালতু বই কেন নিতে হবে?”

    “যখন ছোটাচ্চু কথাবার্তা বলবে তখন তুমি এই বই পড়ার ভান করবে। বড়দের কাজের মাঝে ছোটরা থাকলে সবাই খুব বিরক্ত হয়।”

    “কিন্তু তুই যখন যাস–”

    “আমি সব সময় ভান করি কোনো একটা অন্য কাজে ছোটাচ্চুর সাথে চলে গেছি। ছোটাচ্চু আমাকে কোথাও নামিয়ে দেবে। এই রকম কিছু।”

    শান্ত কিছু না বলে বইটা নিল। টুনি বলল, “আরও একটা কথা।”

    “কী কথা?”

    “তুমি ভুলেও মুখ খুলবে না। বড়দের কথার মাঝখানে কথা বলবে না। কোনো প্রশ্ন করবে না।”

    শান্ত অবাক হয়ে বলল, “কোনো কথা বলব না?”

    “না।”

    “হিস্যু চাপলে?”

    “চেপে রাখবে।”

    “চেপে রাখব?”

    “হ্যাঁ।”

    “কী আজব।”

    টুনি বলল, “মোটেও আজব না। বড়রা কখনো ছোটদের সিরিয়াসলি নেয় না। তুমি যে ওখানে আছ সেটা যেন কেউ বুঝতেই না পারে।”

    “কী যন্ত্রণা।”

    টুনি মাথা নাড়ল, বলল, “হ্যাঁ, ছোটদের ডিটেকটিভ হওয়া অনেক যন্ত্রণা!”

    টুনির আরও কিছু উপদেশ দেওয়ার ছিল কিন্তু ছোটাচ্চু তার আগেই বের হয়ে যাচ্ছিল, তাই শান্তকেও চলে যেতে হলো।

    .

    সবাই এক ধরনের আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করতে তাকে। ধরেই নিয়েছিল তাদের ফিরে আসতে অনেক সময় নেবে। কিন্তু দেখা গেল কিছুক্ষণের মাঝেই তারা ফিরে চলে এসেছে। ছোটাচ্চুর হাতে একটা ঠোঙ্গা এবং শান্তর মুখ বাড়াবাড়ি গম্ভীর।

    সবাই ছোটাচ্চু আর শান্তর কাছে ছুটে গেল। টুম্পা জিজ্ঞেস করল, “কী হয়েছে ছোটাচ্চ? শান্ত ভাইয়া? মার্ডারারকে ধরেছ?”

    শান্ত দাঁত কিড়মিড় করে বলল, “যদি কেউ আমার সাথে এই মার্ডার কেস নিয়ে কথা বলে তাহলে আমি একটা ঘুষি দিয়ে তার নাকটা চ্যাপ্টা করে দিব।”

    সবাই অবাক হয়ে শান্তর দিকে তাকিয়ে রইল। টুম্পা হাত দিয়ে নিজের নাকটাকে রক্ষা করে দুই পা পিছিয়ে গিয়ে বলল, “কেন? কেন ঘুষি মেরে নাক চ্যাপ্টা করে দিবে?”

    শান্ত এবারে গর্জন করে উঠল, “আবার? আবার প্রশ্ন করিস?”

    টুনি বলল, “কিন্তু শান্ত ভাইয়া, তুমি কিছু বলবে না–”

    শান্ত হুংকার দিয়ে বলল, “না। বলব না। খালি এটা নিয়ে কথা বলব না তা না। কেউ যদি ডিটেকটিভ হওয়া নিয়ে কথা বলে তাহলেও ঘুষি মেরে নাকটা মাথার পেছন দিকে পাঠিয়ে দেব।”

    মুনিয়া এবারে ছোটাচ্চুর পিছে গিয়ে লুকাল। টুনি ছোটাচ্চুকে জিজ্ঞেস করল, “কী হয়েছে ছোটাচ্চু।”

    ছোটাচ্চু  শান্তর মতো রেগে গেল না। মুখটা হাসি হাসি করে বলল, “এ লিটল মিস আন্ডারস্ট্যান্ডিং। ভুল বোঝাবুঝি।”

    “ভুল বোঝাবুঝি? কার সাথে কার?”

    শান্ত আবার হুংকার দিল, “খবরদার কেউ কিছু জিজ্ঞেস করবি না।”

    টুনি বলল “কী আশ্চর্য। আমি তো তোমাকে জিজ্ঞেস করছি না। ছোটাচ্চুকে জিজ্ঞেস করছি।”

    “না। আমার সামনে ছোটাচ্চুকেও জিজ্ঞেস করতে পারবি না।”

    সবাই অবাক হয়ে একজন আরেকজনের মুখের দিকে তাকালো। প্রমি বলল, “ঠিক আছে শান্ত। তুই তাহলে যা। আমরা ছোটাচ্চুর কাছ থেকে শুনি কী হয়েছে।”

    সবাই ভেবেছিল শান্ত বুঝি চলে যেতেও অস্বীকার করবে। কিন্তু অস্বীকার করল না। চলে যেতে যেতে আবার ফিরে এসে বলল, “পরেও কেউ আমার সাথে এটা নিয়ে কথা বলতে পারবে না।”

    মুনিয়া বলল, “বললে কী করবে?”

    শান্ত বলল, “একবার খালি বলে দেখ–”

    টুনি বলল, “কী আশ্চর্য! তোমার সাথে পরেও মিঠুন মার্ডার কেস নিয়ে কথা বলা যাবে না?”

    শান্ত গর্জন করে বলল, “মিঠুন নামটাও যেন আর কেউ উচ্চারণ করে।”

    “মিঠুন নামটাও বলা যাবে না?”

    শান্ত চিৎকার করে বলল, “না, না, না।”

    তারপর জোরে জোরে পা ফেলে চলে গেল।

    সবাই শান্তর পা দাপিয়ে চলে যাওয়া দেখল, তারপর ছোটাচ্চুর দিকে তাকালো। টুনি বলল, “ছোটাচ্চু, কী হয়েছে বলবে? মিঠুন মার্ডার কেস থেকেও বড় রহস্য শান্ত ভাইয়ার কেস।”

    ছোটাচ্চু বলল, “ওই যে বললাম, একটা ভুল বোঝাবুঝি! কালকে ওই মহিলা বলতে ভুলে গিয়েছিলেন যে মিঠুন তার গোল্ড ফিশ।”

    একসাথে সবাই চিৎকার করে উঠল, “গোল্ড ফিশ!”

    “হ্যাঁ। এই যে মরা মাছটাকে নিয়ে এসেছি।”

    ছোটাচ্চু তার ঠোঙ্গাটা দেখাল, “ফ্রিজে রাখা ছিল আমার জন্য।”

    “কেন এনেছ?”

    “পোস্টমর্টেম করে একটা রিপোের্ট দিতে হবে।”

    চোখ কপালে তুলে শাহানা বলল, “গোল্ড ফিশের পোস্টমর্টেম? কে করবে?”

    “কে আবার। ঝুমু।”

    সবাই একজন আরেকজনের মুখের দিকে তাকালো, তারপর মাথা নাড়ল, টুনি বলল, “হ্যাঁ। ঝুমু খালা পারবে। ঝুমু খালা ছাড়া আর কেউ পারবে না।”

    .

    ঝুমু খালার অবশ্য পোস্টমর্টেমও করতে হলো না। পেট মোটা মরা গোল্ড ফিশটা হাতে নিয়ে একটু এঁকে নাক কুঁচকে বলল, “বুঝছি।”

    “কী বুঝেছ।”

    “মাছে ফিনাইলের গন্ধ। মাছের ঘর, পাথর মাথর সবকিছু নিশ্চয়ই ফিনাইল সাবুন দিয়ে ধুইছে বুঝে নাই–ব্যস পানির মাঝে বিষ। মাছ পটপটাং-পেট ভাসাইয়া ডেড।”

    ছোটাচ্চু মাথা নাড়ল, বলল, “ঠিক বলেছ। কাঁচের একটা বোলে রাখত, নিচে পাথরও ছিল সেখানে নাকি শ্যাওলা পড়েছিল, সেই জন্য নাকি সবকিছু খুব ভালো করে ধুয়েছে হার্পিক দিয়ে।”

    টুনি বলল, “কে ধুয়েছে?”

    ছোটাচ্চু বলল, “বাসার কাজের মানুষ।”

    টুনি বলল, “অস্বাভাবিক মৃত্যু। কিন্তু মার্ডার কেস না। অবহেলাজনিত কারণে দুর্ঘটনায় মৃত্যু বলা যায়।”

    ছোটাচ্চু মাথা চুলকালো, বলল, “এখন তাহলে কী করি?”

    শাহানা বলল, “ঝুমু খালার পোস্টমর্টেমের সাথে একটা রিপোর্ট লিখে দিয়ে দাও।”

    টুনি বলল, “সাথে এ রকম আরেকটা গোল্ড ফিশ।”

    টুম্পা বলল, “এইবারে একটা মেয়ে গোল্ড ফিশ দিও, তার নাম হবে মিঠুনি!”

    ছোটাচ্চু বলল, “তোরা সবাই মিলে একটা সুন্দর রিপোর্ট লিখে দিতে পারবি? টাকার বান্ডিলটা তাহলে তোদের দিয়ে দেব।”

    সবাই মিলে একটা আনন্দের চিৎকার করে উঠল।

    মুনিয়া রিনরিনে গলায় বলল, “শান্ত ভাইয়া কি এই টাকার ভাগ পাবে?”

    উত্তর না দিয়ে সবাই হি হি করে হাসতে থাকে।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleআমার ডেঞ্জারাস মামী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    Next Article যেটুকু টুনটুনি সেটুকু ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    Related Articles

    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    ছোটগল্প – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সাদাসিধে কথা – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    মেকু কাহিনী – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    আমার বন্ধু রাশেদ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    সায়েন্স ফিকশান সমগ্র ১ – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    টুনটুনি ও ছোটাচ্চু – মুহম্মদ জাফর ইকবাল

    November 19, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }