Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইগনাইটেড মাইন্ডস – এ পি জে আবদুল কালাম

    এ পি জে আবদুল কালাম এক পাতা গল্প135 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৫. দেশ প্রেম, রাজনীতি আর ধর্মের উর্ধ্বের ধর্ম

    ৫. দেশ প্রেম, রাজনীতি আর ধর্মের উর্ধ্বের ধর্ম

    I do not care for liberation, I would rather go to a hun dred thousand hells, doing good to others (silently) like the spring, this is my religion.

    –Swami Vivekananda

    নিয়মিত হাঁটা আমার জীবনের অংশ হয়ে গেছে। যেখানেই যাই না কেন প্রতিদিন ভোরে উঠে আমি অন্তত পাঁচ কিলোমিটার হাঁটি। সূর্যোদয়ের সৌন্দর্য দর্শনের সংগে আমি যেন নিজেকে বেঁধে ফেলেছি। এ গ্রহের আরেকটি সকালকে স্বাগত জানাতে পাখিগুলো যখন গেয়ে ওঠে, তখন সে সুরে যেন আমার শ্রবণেন্দ্রিয় নতুন করে সঞ্জীবিত হয়।

    প্রশান্ত বাতাস, পাখির গান, সূর্যোদয়–প্রকৃতির উপাদানগুলো প্রতিদিন উপভোগ করি আর ভাবি প্রকৃতি কী নিখুঁতভাবে এগুলোর সমন্বয় করে এমন একটি শান্তির মুহূর্ত উপহার দিয়েছে। আমি ভাবতে থাকি আর আল্লাহকে ধন্যবাদ জানাই।

    আমি খুব ভাগ্যবান এ কারণে যে আমার কাজের কারণেই আমাকে বহু জায়গায় যেতে হয়েছে। এসকল সুন্দর সুন্দর জায়গা উপভোগের অভিজ্ঞতা আমার মনের দুয়ার খুলে দিয়েছে।

    এমনই একটি মোহময়ী সুন্দর জায়গা উড়িষ্যার চন্ডিপুর। কলকাতা থেকে বালাসোরের দূরত্ব ২৩৪ কিলোমিটার আর বালাসোর থেকে মাত্র ১৬ কিলোমিটার দূরেই চন্ডিপুর।

    চন্ডিপুর মানেই হলো দুর্গা বা চন্ডিদেবীর অধিষ্ঠান ক্ষেত্র। এখানকার সমুদ্র সৈকত নিঃসন্দেহে ভারতের অন্যান্য সৈকতগুলোর চেয়ে সুন্দর। মৃদু জোয়ারের সময় তটসংলগ্ন প্রায় তিন কিলোমিটার এলাকা জোয়ার প্লাবিত হয়ে পড়ে।

    নির্জন সৈকত, সৈকতসংলগ্ন তমরীক্ষ গাছের পাতার মর্মরধ্বনি, আর মৃদুমন্দ বাতাস এক অনন্য নৈঃশব্দতার সৃষ্টি করে। সুবর্ণরেখা নদীটি সাগরের যেখানে এসে মিশেছে তার পাশের তটভূমি দিয়ে আমি বহুবার হেঁটেছি।

    বড় বড় ঢেউগুলো যখন তীরে এসে আছড়ে পড়তো তখন আমি মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে যেতাম। মনে হতো ঈশ্বরের আশীর্বাদ যেন ঝরে ঝরে পড়ছে।

    ইন্ডিয়ান স্পেস রিসার্চ অরগানাইজেশন– আইএসআরওর শ্রীহরিকোটা রেঞ্জ থেকে আমরা আমাদের ক্ষেপণাস্ত্রের উৎক্ষেপন পরীক্ষা চালানো শুরু করি। কিন্তু আমাদের আলাদা একটি স্থায়ী মিসাইল টেস্ট রেঞ্জ দরকার ছিল।

    ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপন, রকেট ও নভোযান উৎক্ষেপনের স্থায়ী পরীক্ষাক্ষেত্র আইটিআর (ইনটেরিম টেস্ট রেঞ্জ) প্রতিষ্ঠিত হয় ১৯৮৯ সালে।

    বহুমুখী ক্ষেপণাস্ত্র ত্রিশুল, একাধিক লক্ষ্যে আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র আকাশ, ট্যাংক বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র নাগ মিসাইল, ভূমি থেকে ভূমিতে আঘাত করতে সক্ষম পৃথ্বী এবং দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র অগ্নিসহ বিভিন্ন শ্রেণীর ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা হয়েছে এখানে।

    ইন্দো-রুশ যৌথ উদ্যোগে বানানো সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল ব্রাহমোস এর পরীক্ষা হয়েছে এই টেস্ট রেঞ্জে। এছাড়াও আইটিআর-এর সহায়তায় মাল্টিব্যারেল রকেট লঞ্চার পিনাকা ও পাইলটবিহীন এয়ার ক্র্যাফট লক্ষ্যর পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপন হয় এখানেই।

    সর্বাধুনিক প্রযুক্তিতে আইটিআরকে এমনভাবে সজ্জিত ও সক্ষম করে তোলা হয়েছে যে এখন সেখানে যে কোন ধরনের এয়ারবর্ণ উইপনের পরীক্ষা করা সম্ভব।

    এখানে পরীক্ষীত হয় দূরপাল্লার মিসাইল, এয়ার ডিফেন্স মিসাইল সিস্টেম, হাল্কা যুদ্ধ বিমানের সমরাস্ত্র প্রযুক্তি ও মাল্টি টার্গেট উইপনস্ সিস্টেম।

    সমুদ্র উপকূল থেকে সমুদ্রের দিকে ১৭ কিলোমিটার দূরবর্তী এলাকা জুড়ে আইটিআরের ব্যাপ্তি। এই বিশাল এলাকার বিভিন্ন জায়গায় বসানো হয়েছে ট্র্যাকিং সিস্টেম বা সমরযানের পথ চিহ্ন শণাক্তকারী প্রযুক্তি। তাছাড়া উৎক্ষেপিত নভোযানের ফ্লাইট পথ বা উডডয়ন রেখা শনাক্ত করার যন্ত্রপাতিও এখানে স্থাপন করা হয়েছে। আইটিআরে যেসব প্রয়োজনীয় যন্ত্র বসানো হয়েছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো– মোবাইল অ্যান্ড ফিক্সড ইলেক্ট্রো অপটিক্যাল ট্র্যাকিং সিস্টেম, মোবাইল এস ব্যান্ড ট্র্যাকিং রাডার, ফিক্সড সিব্যান্ড ট্র্যাকিং রাডার, রেঞ্জ কম্পিউটার, ফটো প্রসেসিং সিস্টেম, মেটিওরোলজিক্যাল সিস্টেম এবং রেঞ্জ সেফটি সিস্টেম। রকেট অথবা অন্য কোন নভোযান উৎক্ষেপনের সময় নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে সহায়তা করার জন্য সেখানে আরও আধুনিক প্রযুক্তির নিরাপত্তা যন্ত্রপাতি বসানো হচ্ছে।

    আইটিআর ধীরগতিতে হলেও নিশ্চিতভাবে বিশ্বমানের রেঞ্জ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

    ১৯৯৫ সালের জুলাই মাসের কোন এক নাতিশীতোষ্ণ রাতে ভূমি থেকে ভূমিতে আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপনাস্ত্র পৃথ্বীর সফল উৎক্ষেপনের পর সবাই খুব খোশ মেজাজে। প্রায় ১২শ টিম মেম্বারের ৩০ জন প্রতিনিধি আমরা। খুব গর্বভরে ভাবছিলাম–এর পরের প্রকল্প কী?

    আর্টিলারির মহাপরিচালক লে. জেনারেল রমেশ খোশলা জানালেন, ভূমি থেকে ভূমিতে আঘাত করতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্রের আসল পরীক্ষা করতে হবে যে পরীক্ষার মাধ্যমে চূড়ান্ত লক্ষ্যে আঘাতের পর চারপাশের ১৫০ মিটার জায়গায় কী প্রভাব পড়ে তা জানা যাবে। টেকনিক্যাল টার্ম অনুযায়ী এটাকে বলা হয়, সিইপি (সার্কুলার এরর প্রোবাবিলিটি)।

    ভূমির ওপর দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা আগে হয়নি। (ভূমি থেকে ভূমিতে আঘাত হানতে সক্ষম ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা এর আগে করা হয়েছে সমুদ্রের ওপর)।

    আমরা উপযুক্ত পরীক্ষা ক্ষেত্র খোঁজার জন্য ভারতের ভৌগলিক মানচিত্র নিয়ে বসলাম। ম্যাপে দেখলাম আইটিআরের ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটারের মধ্যে বেশ কয়েকটি বিন্দুর মত দ্বীপ দেখা যাচ্ছে। এগুলো আসলে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র দ্বীপ মিলে একটি ছোট দ্বীপপুঞ্জ। অনিবার্য কারণেই এ পরীক্ষার জন্য আমরা রাজস্থানের মরুভূমিতে যেতে পারছি না। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপও আইটিআর থেকে অনেক দূরে। রাত দুটোয় সিদ্ধান্ত নেওয়া হল এই ছোট দ্বীপপুঞ্জের কোন একটি দ্বীপেই আমাদের মিসাইল ইমপ্যাক্ট টেস্ট হবে। সবচেয়ে ভাল পরীক্ষা উপযোগী দ্বীপ খোঁজা শুরু হল।

    একটি হেলিকপ্টার পাঠানো হল এলাকা পর্যবেক্ষণের জন্য। কেউ একজন প্রস্তাব করলো জেলেদের গাইড হিসেবে নিয়ে দ্বীপগুলো সশরীরে দেখে আসা যায়।

    লোকেশন সার্ভে করার প্রাথমিক দায়িত্ব পড়লো আমার দুই সহকর্মী সরসবাত ও সালবানের ওপর। তারা দুজন উড়িষ্যার ধর্ম নামের একটি জায়গায় গাড়িতে চড়ে গেলেন। সেখান থেকে সারাদিনের জন্য আড়াইশ টাকায় মাঝিসহ নৌকা ভাড়া করে ওই দ্বীপে পৌঁছলেন। কিন্তু দ্বীপে পৌঁছতেই রাত হয়ে গেল। সালবান যাত্রাপথে খাওয়ার জন্য সংগে কিছু ফল নিয়েছিলেন। তাই দিয়েই রাতের খাবার সারতে হল। দ্বীপে রাত কাটানো ছাড়া বিকল্প কোন পথ নেই। এদিকে দুজনের কেউই সাগর অথবা মরুভূমির সংগে পূর্ব-পরিচিত নন। ফলে সারারাত ভয়ে ভয়ে নৌকোয় শুয়ে কাটিয়ে দিলেন। ভোরে উঠেই তারা ৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ও ৮শ মিটার প্রশস্ত দ্বীপটি সার্ভে করা শুরু করলেন। হঠাৎ তারা দেখলেন দ্বীপের পূর্ব পাশে একটা গাছের ওপরে বাংলাদেশের পতাকা উড়ছে। তার নিচে বেশ কয়েকটা কুঁড়ে ঘর। এটা সম্ভবত প্রতিবেশী বাংলাদেশ থেকে আসা জেলেদের কাণ্ড। আমার বন্ধুরা তাড়াতাড়ি সে পতাকা সরিয়ে ফেললেন।

    ওরা দুজন ফিরে এসে দ্বীপটিকে পরীক্ষার উপযোগী হিসেবে রিপোর্ট করার পর পরবর্তী পদক্ষেপগুলো খুব দ্রুত নেওয়া হল। বন ও পরিবেশ কর্মকর্তারাসহ জেলাকর্তৃপক্ষ দ্বীপটি পরিদর্শন করে এলেন। খুব সহজেই দ্বীপটি অধিগ্রহণের ব্যাপারে প্রতিরক্ষামন্ত্রীর অনুমোদন পাওয়া গেল।

    বাকি থাকলো উড়িষ্যা সরকার ও বন মন্ত্রণালয়ের আনুষ্ঠানিক হস্তান্তর প্রক্রিয়ার কাজ। উড়িষ্যার মুখ্যমন্ত্রীর ডেস্কে যাতে আমাদের ফাইলটি দ্রুত পাঠানো হয় সেজন্য আমি তার অফিসের কর্তব্যরত কর্মকর্তাদের সংগে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করলাম। এছাড়া আমার জবানবন্দীতে মুখ্যমন্ত্রী বরাবরে একটি চিঠি লিখে দিলাম। ডিআরডিওর কোন কোন কাজের জন্য দ্বীপগুলো আমাদের তা চিঠিতে উল্লেখ করলাম। চিঠিতে আমি খোলাখুলিভাবেই তাকে জানালাম যে ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার জন্য রেঞ্জ হিসেবে ব্যবহারের উদ্দেশ্যে আমাদের দ্বীপটি প্রয়োজন।

    মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদনের আগেই আমরা যাবতীয় প্রস্তুতিমূলক কাজ শেষ করে রেখেছিলাম। আমাদের কাজের ব্যাপারে ছোটখাটো কিছু প্রশ্ন উঠবে জানতাম। যেমন দ্বীপগুলোর পাশে মাছ ধরা হয়, সেটা রেঞ্জ হিসেবে ব্যবহৃত হলে জেলেদের মাছ ধরা বন্ধ হয়ে যাবে। এছাড়া কচ্ছপদের চলাচলেও বিঘ্ন সৃষ্টি হবে। তাছাড়া দ্বীপের মূল্য তো চাওয়া হতেই পারে। যাহোক, ১০ দিনের মাথায় মুখ্যমন্ত্রীর সংগে দেখা করার সুযোগ পাওয়া গেল। আমি ইতিপূর্বেই মুখ্যমন্ত্রী বিজু পাটনায়েক সম্পর্কে মোটামুটি জানতাম। বিশেষ করে তার পাইলট জীবন ও ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট সুকর্নের সংগে তার বন্ধুত্বের কথা আগেই শুনেছিলাম।

    মেজর জেনারেল কে, এন, সিং এবং সালবানকে সংগে নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর চেম্বারে ঢুকতেই তিনি আমাদের সাদরে অভ্যর্থনা জানালেন। তিনি প্রচ্ছন্ন উচ্ছ্বাসে বললেন, কালাম, আমার বন্ধু, ড. সারাভাই থেকে এপর্যন্ত আমি সব সময় তোমার কাজের খোঁজ খবর রাখি। তুমি যা চাইবে আমি তাই দেব।

    আমাদের সামনেই তিনি উড়িষ্যার চারটি দ্বীপই ডিআরডিও তাদের পরীক্ষার কাজের জন্য রেঞ্জ হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে–এই মর্মে সরকারী অনুমোদনপত্রে সই করে দিলেন। তিনি আমার দিকে চেয়ে বললেন, কালাম, তুমি আমার কাছে যা চাইলে তা তোমাকে দিয়েছি। আমি জানি তুমি এর সদ্ব্যবহার করবে। তোমার মিশন–এই মিসাইল প্রোগ্রাম এখন দেশের জন্য সাংঘাতিক জরুরী হয়ে পড়েছে। তোমার কাজে লাগবে উড়িষ্যার এমন সব কিছু এখন থেকে তোমার। একথা বলে তিনি গভীর আবেগে আমাকে জড়িয়ে ধরলেন। তিনি আব্দারের স্বরে বললেন, কালাম, আমাকে তোমার প্রতিশ্রুতি দিতেই হবে আর এ জাতিকে আশ্বস্ত করতেই হবে যে তুমি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ভারতকে উপহার দেবে। যেদিন ভারত নিজে আইসিবিএম তৈরী করবে সেদিন একজন ভারতীয় হিসেবে আমি নিজেকে অনেক বেশী শক্তিশালী মনে করবো।

    কয়েক মুহূর্ত আমিসহ সবাই নিশ্চুপ হয়ে গেলাম। আমি জানতাম বিজু পাটনায়েক অসাধারণ ব্যক্তিত্বসম্পন্ন এবং জনপ্রিয় একজন নেতা। দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়েই তিনি রাজনীতিতে নেমেছিলেন।

    আমি তার চোখের দিকে সরাসরি দৃষ্টি রেখে বললাম, স্যার, আপনার উদ্দেশ্য পূরণের জন্য অবশ্যই আমরা কাজ করব। আমি আপনার ইচ্ছের কথা দিল্লিকে জানাব।

    যে সময়ের কথা বলছি তখন থেকে ৪০ বছর আগে অসমসাহসী বিজু পাটনায়েক কলিঙ্গ এয়ারওয়েজের পাইলট ছিলেন। ওই সময়ে প্রেসিডেন্ট সুকর্নের সংগে তার পরিচয় হয়। সুকর্নের স্ত্রী সবেমাত্র একটি কন্যাসন্তান প্রসব করেছেন।

    সুকর্ণ পরিবার কন্যার জন্য ভালো একটি নাম খুঁজছেন। এমন সময় বিজুদা ওই পরিবারের সংগে দেখা করেন।

    সুকর্ন এই সমস্যার সমাধানের ভার দিলেন ভারতীয় নাগরিক বিজুকে। বিজু পাটনায়েক দেখলেন আকাশে ঘন মেঘ জমেছে। এই মেঘগুলো যেন নবজাতককে স্বাগত জানাবার জন্যই হাজির হয়েছে। তিনি মেঘের সংস্কৃত প্রতিশব্দের সংগে কন্যার নাম দিলেন মেঘবতী।

    সুকর্নের মেয়ের নাম মেঘবতীই স্থির হল। আর এভাবেই ১০০ভাগ মুসলিম দেশের প্রধান নেতার কন্যাশিশু একটি হিন্দু নামে পরিচিত হয়ে উঠলো। যারা মহান, যারা বড়, তাদের কাছে ধর্ম হলো বন্ধুত্ব সৃষ্টির এক মধুর পন্থা। ক্ষুদ্র মানসিকতার লোকরাই ধর্মকে হানাহানির অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে।

    বহু বছর পরে অনেক রাজনীতির চড়াই উত্রাই পেরিয়ে সেদিনের সেই মেঘবতী সুকর্ণপুত্রী প্রথমে ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং পরে ইন্দোনেশিয়ার প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন।

    আমার বন্ধুরা, আমাদের এই সকল অনন্য রাজনীতিবিদরা দেশ থেকে, সমাজ থেকে হারিয়ে যাচ্ছে দেখে আমাদের বিলাপ করা উচিত। যে ভারতের আজ বিশ্বে নেতৃত্ব দেবার কথা ছিল আজও সেই ভারত অন্ধ বিবর থেকে বেরিয়ে আসতে পারছে না। অথচ এদেশের রয়েছে ১শ কোটি মানুষের বিপুল জনশক্তি, অসংখ্য সম্ভাবনাময় শিল্প-কারখানা, রয়েছে অসংখ্য বিজ্ঞানী। এমনকি পারমাণবিক শক্তিধর দেশ হওয়া সত্ত্বেও ভারতকে যেভাবে উচিত ছিল সেভাবে উন্নত দেশগুলো বিবেচনা করছে না। আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে ভারতকে যেভাবে দমিয়ে রাখার চেষ্টা হয়েছে তা পৃথিবীর কোন দেশের ক্ষেত্রে হয়নি।

    পোখরানে দ্বিতীয় দফা পারমাণবিক পরীক্ষার পর পশ্চিমা দেশগুলো ভারত ও পাকিস্তানকে এক পাল্লায় মাপা শুরু করলো। এতে কি আমাদের জাতীয়ভাবে প্রতিবাদ করা উচিত নয়। আমাদের কি বিশ্ব সম্প্রদায়ের সামনে বিক্ষোভ করে বলা উচিত নয় যে পাকিস্তানের বাইরেও আমাদের চ্যালেঞ্জ করার ক্ষমতা রয়েছে; আমরা পাকিস্তানের চেয়ে বহুগুণে সবদিক থেকে উন্নত এবং স্বাধীনতা ও গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধাশীল?

    ২০০২ সালের মার্চ মাসে আন্না ইঞ্জিনিয়ারিং বিশ্ববিদ্যালয়ে শেষ বর্ষের প্রায় ১শ ছাত্রের মধ্যে ক্লাস নিচ্ছিলাম। প্রযুক্তি ও তার ব্যাপ্তি এ বিষয়ে পর দশদিন ক্লাস নিলাম। শেষের দিনে প্রযুক্তির দ্বিমুখী ব্যবহার বিষয়ে শিক্ষার্থীদের সংগে বিস্তারিত আলোচনা শুরু হল। ওদের মধ্য থেকে একটি ছাত্র দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করলো, স্যার, সম্প্রতি আমি ড. অমর্ত্য সেনের একটি বিবৃতি পড়েছি যাতে তিনি বলেছেন ১৯৯৮ সালের মে মাসে পারমাণবিক পরীক্ষা চালানোয় ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ হয়েছে। অমর্ত্য সেন নোবেল বিজয়ী একজন বিরাট অর্থনীতিবিদ। উন্নয়ন পরিকল্পনাকারী হিসেবে সারাবিশ্বে তাকে শ্রদ্ধার চোখে দেখা হয়। তার মত একজন ব্যক্তির এ মন্তব্য মোটেই উপেক্ষা করা যায় না। তার এ মন্তব্য সম্পর্কে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি কেমন?

    আমি বললাম, অর্থনৈতিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে আমি ড. অমর্ত্য সেনের বিশালত্বকে শ্রদ্ধা করি এবং প্রাথমিক শিক্ষাকে দ্রুত অগ্রসর করার ক্ষেত্রে তিনি সরকারকে যে পরামর্শ দিয়েছেন আমি তার অকুণ্ঠ প্রশংসা করি। ঠিক একইভাবে আমার মনে হয় ড. অমর্ত্য সেন ভারতকে দেখেছেন পশ্চিমা দৃষ্টিকোণ থেকে। তার মতে ভারতের উচিত সব দেশের সংগে সদ্ভাব বজায় রাখা যাতে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটে। আমি তার সংগে একমত, তবে একই সংগে অতীতের ভারতের পূর্ব অভিজ্ঞতাও মন থেকে মুছে ফেলতে পারি না। পণ্ডিত জওহরলাল নেহেরু জাতিসংঘে পরমাণু অস্ত্র বিস্তারের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিয়েছিলেন এবং সমস্ত দেশের পারমাণবিক অস্ত্র বিলুপ্ত করার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এর ফলাফল কি হয়েছিল আমরা তা দেখেছি। আমরা দেখেছি তার এ জানে কোন দেশ সাড়া দেয়নি। আমেরিকার মাটিতে এখন ১০ হাজার পারমাণবিক ওয়ারহেড, রাশিয়ার মাটিতে আরও ১০ হাজার। এছাড়া ব্রিটেন, চীন, ফ্রান্স, পাকিস্তানসহ আরও বহু দেশে রয়েছে হাজার হাজার ওয়ারহেড। STSART-II এবং প্রত্যেকের ২ হাজার ওয়ারহেড ধ্বংস করার ব্যাপারে রাশিয়া ও আমেরিকার মধ্যে যে চুক্তি হয়েছিল তা থেকেও তারা পিছিয়ে এসেছে।

    ওয়ারহেড হ্রাসের ব্যাপারে কেউ এখন পর্যন্ত কোন জোরালো পদক্ষেপ নেয়নি। আমাদের মনে রাখা দরকার যে আমাদের পার্শ্ববর্তী দুটি দেশ ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আছে। এসব দেখেও কি ভারত নিরব দর্শক হয়ে বসে থাকবে?

    গত ৩ হাজার বছর ধরে ব্রিটিশ, ফরাসী, ডাচ, পর্তুগীজসহ আরও বহু জাতির দ্বারা ভারত উপনিবেশিকতার শিকার হয়েছে।

    এদের কেউ এসেছে তাদের রাজ্যসীমা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে, কেউ এসেছে ধর্মীয় মতাদর্শ সম্প্রসারণের ফিকির নিয়ে, আবার কেউ এসেছে ভারতবর্ষের সম্পদ চুরি ও লুটপাট করে নিয়ে যাবার উদ্দেশ্যে। কিন্তু ভারত কেন কোনদিন অন্যদেশে উপনিবেশ গড়েনি? এর কারণ কি এটা যে আমাদের রাজ্য শাসকরা সাহসী ছিলেন না? না। এর মূলকারণ ভারতবাসী চিরকালই একটি সহিষ্ণু জাতি। তারা কোন কালেই অন্য দেশে অভিযান চালিয়ে পরভূমে উপনিবেশ গড়তে চায়নি।

    কিন্তু সুদীর্ঘ সংগ্রামের পর যখন আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি, যখন ভারতের মানুষ এক হয়েছে, যখন আমরা একটি ভৌগলিক সীমারেখা সৃষ্টি করতে পেরেছি তখন শুধুমাত্র অর্থনৈতিক উন্নয়নকেই কি আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হিসেবে স্থির করতে পারি। আমাদের এদেশের শক্তি প্রদর্শনের একটিই পথ খোলা আছে। সেটি হল আমাদের প্রমাণ করতে হবে আত্মরক্ষার পূর্ণ সামর্থ্য আমাদের রয়েছে।

    বলবান চিরকাল বলবানকেই সম্মান করে, দুর্বলকে নয়। রাষ্ট্রীয় শক্তি মানেই সামরিক সক্ষমতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সিদ্ধান্ত ও পলিসি সেই সব দেশের সেবায় নিয়োজিত যারা পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ। ইতিপূর্বে কেন আমাদের নিরাপত্তা পরিষদের আসন দেওয়া হয়নি আর কেনই বা এখন বিভিন্ন দেশ ভারতকে নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য বানানোর জন্য নিরন্তর সুপারিশ করে যাচ্ছে?

    এ প্রসংগে আরেকটা ঘটনার কথা বলি। আমার বন্ধু অ্যাডমিরাল এল, রামদাস, নৌ-বাহিনীর প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করে যিনি অবসর নিয়েছেন, তিনি তার সমর্থকদের একটি দল নিয়ে ১৯৯৮ সালের মে মাসে ভারতের পারমাণবিক পরীক্ষার বিরুদ্ধে পার্লামেন্টের সামনে বিক্ষোভ করতে চেয়েছিলেন। আমি তাকে বলেছিলাম তারা যেন ভারতীয় পার্লামেন্ট ঘেরাও করার আগে হোয়াইট হাউস এবং ক্রেমলিন ঘেরাও করেন, সেখানে বিপুল পরিমাণ পারমাণবিক ওয়ারহেড ও আইসিবিএমের পাহাড় গড়ে তোলা হয়েছে।

    আমি আমার দেশের জনগণকে জেগে উঠতে বলি। আমার এ আহ্বান সমস্ত ভারতবাসীর প্রতি। তারা যেন তাদের সর্বোচ্চ শক্তি-সামর্থ্য দিয়ে উঠে দাঁড়ায়। কোন শক্তি একটি জাতির উত্থান অথবা পতন ঘটায় এবং কোন বিষয়গুলো একটি দেশকে শক্তিশালী করে গড়ে তোলে? এটা আমাদের ভাবতে হবে।

    আমার বিবেচনায় তিনটি বিষয় একটি জাতিকে সুদৃঢ় ও সংহত করে : বিগত সাফল্যের গৌরব, একতাবদ্ধতা এবং যৌথভাবে পদক্ষেপ গ্রহণের সক্ষমতা।

    একটি জনগোষ্ঠী অথবা জাতিকে উন্নতির শীর্ষ চূড়ায় আরোহন করতে হলে অবশ্যই তাদের অতীতের মহান নায়কদের মনে রাখতে হবে; অতীতের গৌরবময় আন্দোলন ও বিজয়কে মনে রাখতে হবে। ব্রিটিশ জাতি যদি উন্নতির চরম শিখরে উঠে থাকে তাহলে তা সম্ভব হয়েছে লর্ড নেলসন অথবা ডিউক অব ওয়েলিংটনের মত নেতাদের গৌরবময় সাফল্য ধরে রাখার আকক্ষার কারণে। জাতীয়তাবোধের দৃষ্টান্ত দিতে গেলে জাপানের নাম এক নম্বরে উঠে আসে। জাপানীরা এক মানুষ, একদেশ, এক সংস্কৃতিতে বিশ্বাসী একটি জাতি। শুধু এই জাতীয়তাবোধের কারণেই তারা একটি চরম অপমানজনক সামরিক পরাজয়কে আজ অর্থনৈতিক বিজয় হিসেবে রূপ দিতে পেরেছে।

    পৃথিবীতে যত জাতিই উন্নতি লাভ করেছে তাদের সবাই একটি লক্ষ্যে সব সময় সচেতন থেকেছে। জাপানের মত জার্মানিদের মানুষও তাদের লক্ষ্যে অবিচল ছিল। মাত্র তিন দশকের মধ্যে জার্মানি দুদুবার ধ্বংস হয়েছে।

    কিন্তু জার্মানদের উন্নতির লক্ষ্য থেকে তারা সরে আসেনি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের ভস্মাবশেষ থেকে জার্মানি আবার অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক শক্তিশালী দেশ হিসেবে উত্থিত হয়েছে। জার্মানি যদি এত বিপদ কাটিয়ে উন্নত দেশ হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে তাহলে ভারত পারবে না কেন?

    ভারতের দুর্ভাগ্য, ইতিহাস ও ঐতিহ্যের শক্তি ভারতবাসীকে তাদের অতীত সহস্রাব্দের গৌরবময় ইতিহাসকে তুলে আনবার মত সুযোগ সন্ধানী চেতনা দেয়নি। গত পঞ্চাশ বছরে তাদের ভেতরে ঐতিহাসিক চেতনা কেন্দ্রীভূত করার উল্লেখযোগ্য কোন প্রচেষ্টা করা হয়নি।

    হাইস্কুলে ভর্তি হবার পর থেকে গত ৭০ বছর ধরে আমাদের দেশের বিভিন্ন ধর্মের মৌলিক শিক্ষা গ্রহণের সৌভাগ্য আমার হয়েছে। এর মাধ্যমে আমি একটা বিষয় বুঝতে পেরেছি যেকোন ধর্মেরই মূল প্রতিপাদ্য বিষয় হলো মানুষের আত্মিক উন্নয়ন সাধন করা।

    বস্তুত, আমাদের বুঝতে হবে আমাদের আধ্যাত্মিক চেতনা থেকেই ভারতে ধর্ম নিরপেক্ষতার ভিত্তি গড়তে হবে। কারণ জাতীয় লক্ষ্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে আমাদের জাতীয় চেতনা জাগ্রত করা প্রয়োজন। এজন্য ধর্মের সমন্বিত ও ধর্মীয় সহিষ্ণুতা দিয়ে ধর্ম নিরপেক্ষ এক একতাবদ্ধ সমাজ গড়তে হবে। আমরা যদি অতীতের গৌরবময় ঐতিহ্যকে ধারণ না করে ইতিহাসের দিকে না তাকাই, যদি অনিবার্য সাফল্যের বিশ্বাস নিয়ে ভবিষ্যতের দিকে না তাকাই তাহলে হতাশা, দুঃখ, অভাব আর নৈরাশ্য ছাড়া আমাদের জন্য আর কি অপেক্ষা করতে পারে?

    ভারতের মূলসংস্কৃতি সময়কে অতিক্রম করেছে। ইসলামের আবির্ভাবে এ সংস্কৃতি সমৃদ্ধ হয়েছে। খ্রিস্ট ধর্মের আগমনে এ সংস্কৃতি সমৃদ্ধ হয়েছে। কেরালায় বসবাসরত বহু পূর্বে আসা সিরিয়ার খ্রিস্টানরা অত্যন্ত সম্ভ্রমের সংগে ভারতীয় সংস্কৃতিকে গ্রহণ করেছে।

    তাদের বিবাহিত নারীরা মঙ্গলসূত্র পরার কারণে, তাদের পুরুষেরা কেরালা স্টাইলে ধুতি পরার কারণে কি তাদের খ্রিস্টানত্ত্ব খাটো হয়ে গেছে? কেরালার মুখ্যমন্ত্রী এ.কে, অ্যান্টনি নব্য তান্ত্রিক নন কারণ তিনি এবং তার সম্প্রদায়ের লোকজন এখন কেরালার সংস্কৃতির অংশ হয়ে গেছেন। খ্রিস্টান হওয়ায় তিনি সেখানে ম্লেচ্ছ হয়ে যাননি। বরং এটা তার ভারতীয়ত্বে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে। এ আর রহমান একজন মুসলমান হতে পারেন কিন্তু তিনি যখন গেয়ে ওঠেন বন্দে মাতরম্‌ তখন তার সে সংগীত ভারতের প্রত্যেকটি মানুষের মনে অনুরণনের সৃষ্টি করে, তা তিনি যে ধর্মেরই হোন না কেন।

    কিন্তু আমাদের একতাবদ্ধতার চেতনা ও লক্ষ্য অর্জনের চেতনার ক্ষেত্রে সেই সকল মতাবলম্বীরা সবচে বড় বাধা যারা মানুষের মধ্যে বিভেদ ঘটাতে চায়। প্রত্যেকটি নাগরিককে সমান নিরাপত্তার ছত্রছায়ায় রাখার অঙ্গীকার নিয়ে ভারতের সংবিধান প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। কিন্তু এখন ধর্মীয় চেতনার অপব্যবহার করে গণমানুষে বিভাজন তৈরীর যে চেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে তা সত্যিই উদ্বেগজনক। কিন্তু কেন আমরা সংস্কৃতিকে (ধর্মকে নয়) আমাদের ঐতিহ্যের খাতিরে ধারণ করে একতাবদ্ধ হচ্ছি না? বিভেদ ভুলে যাবার সময় এখন আমাদের সামনে। এখন আমাদের প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত কী করে আমরা এক হতে পারব তার উপায় খুঁজে বের করা।

    আমাদের গৌরবময় অতীত আমাদের সংগে প্রবহমান। এটি আমাদের শুদ্ধ বিশ্বাসে পরিচর্যা করতে হবে। রাজনৈতিক হীনস্বার্থ চরিতার্থ করতে গিয়ে তা ধ্বংস করলে চলবে না।

    উন্নত ভারতের লক্ষ্য শহরে শহরে এ দেশটা ছেয়ে ফেলা নয়। বরং প্রযুক্তিকেন্দ্রীক টেলিমেডিসিন, টেলিএডুকেশন আর ই-কমার্স চালুর মাধ্যমে এ গ্রামগুলোকে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির আওতায় নিয়ে আসা।

    কৃষিবিজ্ঞান ও শিল্পোন্নয়ন এবং জৈবপ্রযুক্তি ও জৈববিজ্ঞানের সমন্বয় থেকে নতুন ভারতের উদ্ভব হবে। সে ভারতে রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এই চেতনা ধারণ করে তাদের কাজ করবে যে ব্যক্তি ও রাজনৈতিক দলের স্বার্থের চেয়ে জাতীয় স্বার্থ অনেক বড়। এতে গ্রাম ও শহরের বৈষম্য হ্রাস পাবে। গ্রামে আধুনিক তথ্য ও প্রযুক্তি সুবিধা পৌঁছে গেলে শহরপ্রিয় মানুষও গ্রামের উন্নত দ্রব্য সামগ্রীর জন্য গ্রামের দিকে মনোযোগী হবে।

    এই লক্ষ্য অর্জনে এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন রাজনৈতিক নেতৃত্বে গঠনমূলক পরিবর্তন আনা এবং উন্নয়নকামী রাজনীতিক তৈরী করা যাদের ভবিষ্যত উন্নয়নের স্বপ্ন রয়েছে। ভারতে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের, বিভিন্ন ধর্মের প্রায় ১শ কোটি লোক বাস করে। বিচিত্র ভৌগলিক সমাজ কাঠামো ও বিভিন্ন দর্শনে বিশ্বাসী এখানকার মানুষ। কিন্তু এটা আমাদের জন্য নেতিবাচক নয়। এই বিভিন্ন শ্রেণীর মানুষেই এক অসাম্প্রদায়িক একতাবদ্ধ ভারত গড়ে তুলতে হবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলার্নিং হাউ টু ফ্লাই : লাইফ লেসন্‌স ফর দি ইয়ুথ – এ পি জে আবদুল কালাম
    Next Article উইংস অব ফায়ার – এ পি জে আবদুল কালাম

    Related Articles

    এ পি জে আবদুল কালাম

    উত্তরণ : শ্রেষ্ঠত্বের পথে সকলে – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    সন্ধিক্ষণ : প্রতিকূলতা জয়ের লক্ষ্যে যাত্রা – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    উইংস অব ফায়ার – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    লার্নিং হাউ টু ফ্লাই : লাইফ লেসন্‌স ফর দি ইয়ুথ – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    টার্নিং পয়েন্টস : এ জার্নি থ্র চ্যালেঞ্জেস – এ.পি.জে. আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    মাই জার্নি : স্বপ্নকে বাস্তবতা প্রদান – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }