Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইগনাইটেড মাইন্ডস – এ পি জে আবদুল কালাম

    এ পি জে আবদুল কালাম এক পাতা গল্প135 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৮. নতুনভাবে দেশগঠন

    ৮. নতুনভাবে দেশগঠন

    If I were to look over the whole world to find out the country most richly endowet with all the wealth, power and beauty that nature can bestow- is some parts a very paradise on earth–I should point to India.

    –F. Max muller

    ২০০১ সালের ঝাড়খণ্ড সফরের উল্লেখ করে এ বইয়ের লেখা শুরু করেছিলাম। যে সফরটির কথা বইয়ের শুরুতে উল্লেখ করেছি সেটা ছিল চতুর্থবারের মত আমার ঝাড়খণ্ড সফর। ঝাড়খণ্ড রাজ্যে যে প্রতিদ্বন্দ্বীতামূলক উন্নয়ন বিপ্লব চলছে, প্রথম দুই সফরেই আমি তা টের পেয়েছিলাম। এ রাজ্যের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কাউন্সিল গঠনে আমি পৃষ্ঠপোষকতা করেছিলাম।

    চতুর্থবারের মত আমার ঝাড়খণ্ড সফরের উদ্দেশ্য ছিল এ রাজ্যের পল্লী ও বনজ সম্পদসহ অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদ উন্নয়নের বিষয়ে একটি প্রকল্প চালু করা। এ কারণে আমি ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী বাবুলাল মারান্ডি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী সমরেশ সিং এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সংগে বৈঠক করি। ঝাড়খন্ডের আগে আমার সফর ছিল রাচিতে। রাঁচিতে পৌঁছানো মাত্র ছোট ছোট ছেলেমেয়েরা আমাকে ফুল দিয়ে অভিবাদন জানাল। আমার মত একজন সাধারণ তুচ্ছ বিজ্ঞানী এবং তার স্বপ্নের প্রতি তাদের এত আস্থা দেখে আমি যারপরনাই বিস্মিত হলাম।

    এছাড়া ওই সফরের সময় আমি ঝাড়খন্ডের গভর্ণর প্রভাত কুমারের সংগে দেখা করলাম। তিনি আমাকে এ এলাকার প্রাকৃতিক সম্পদ ও পরিশ্রমী মানুষদের ব্যাপারে নানা তথ্য দিলেন।

    তারও আগে আমি রাচি থেকে ৭৫ কিলোমিটার দূরবর্তী একটি পাহাড়ি গ্রামে গিয়েছিলাম। শিশুদের স্বাস্থ্য ও শিক্ষা বিষয়ক একটি প্রকল্প পরিদর্শনের জন্য প্রফেসর বসু আমাকে সেখানে নিয়ে যান। যখন আমি সেই পাহাড়ি আবাল বৃদ্ধবণিতার সংগে মাটিতে বসে কথা বলছিলাম তখন আমার পরিষ্কার মনে হচ্ছিল সেখানে আমার উপস্থিতি ছিল একেবারে ভবিতব্য। উন্নয়নের উপযোগী এক একজন সাহসী সৈনিক আমার সামনে। ওখানে প্রচুর বৃষ্টি হয়। সারা এলাকা জুড়ে আকাশ ছোঁয়া বৃক্ষরাজি আর ঊর্বর ফসলের মাঠ। সবচেয়ে বড় কথা হলো ওই মানুষগুলো সবাই কৃষির জন্য নিবেদিত প্রাণ পরিশ্রমী কৃষক।

    তাদের চোখেমুখে যে অকৃত্রিম হাসির ঝিলিক আমি দেখেছিলাম তা সচরাচর আর চোখে পড়ে না। অন্তত এই শহুরে জীবনে তো নয়ই। তবে সেই হাসির আড়ালেও ঢের বোঝা যাচ্ছিল, বেঁচে থাকার তাগিদে সহ্যক্ষমতার চেয়ে বেশী তারা পরিশ্রম করছিল।

    ওই সফরের সময়ই আমরা সেখানে উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে আয়ুর্বেদীয় ওষুধ কারখানা প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করলাম। আমাদের মূল উদ্দেশ্য ছিল হার্বাল ওষুধ ও প্রসাধনী পণ্য সেখানেই উৎপাদন করে সেখান থেকে সরাসরি বাজারজাতকরণের মাধ্যমে এলাকাবাসীর রোজগার ও জীবনযাত্রার মান বাড়ানো। আমাদের এ উদ্যোগ এলাকাবাসীর জন্য ছিল একটা নতুন পরীক্ষামূলক বিষয় এবং আমাদের জন্য ছিল নতুন পরীক্ষামূলক মিশন। কিন্তু এই মিশন পরিচালনা করতে গিয়ে দেখলাম ঝাড়খন্ডে ঔষধি দ্রব্য সামগ্রী, আয়ুর্বেদিক ওষুধ ও প্রসাধনীর সুবিশাল সম্ভাবনা।

    রাঁচির বৈঠক শেষ করে ঝাড়খন্ডের উদ্দেশ্যে রওনা হব হব করছি, এমন সময় দেখলাম আকাশে মেঘ। ফ্লাইট বাতিল করা হবে কি হবে না তা নিয়ে ইতিমধ্যে জল্পনাকল্পনা শুরু হয়ে গেছে। হলোও তাই। খবর এল খারাপ আবহাওয়ার কারণে রাচি থেকে ফ্লাইট চলাচল আপাতত বন্ধ। রাজ্য সরকার আমার যাবার জন্য একটা পবন হ্যাঁন্স হেলিকপ্টার ভাড়া করে আনল। এ আবহাওয়ায় চালানো যাবে কি না আমি পাইলটকে এ প্রশ্ন করতেই সে সহ সবাই উষ্ণ হাসিতে আমার সকল ভাগ্যবিড়ম্বনার সম্ভাবনা উড়িয়ে দিলেন। পাইলট আমাকে খুব ভাল একটি ভ্রমণের প্রতিশ্রুতি দিলেন। খুব ঝক্কিহীনভাবে আমিসহ আমার বেশকয়েকজন সাথী নিয়ে উড়ল কপ্টারটি।

    আমাকে প্রায়ই হেলিকপ্টারে চড়তে হয়। কিন্তু এ ধরনের মেঘাচ্ছন্ন আবহাওয়ায় কখনও আমাকে পড়তে হয়নি।

    কপ্টারটির পাইলটকে খুব দক্ষ মনে হল। ছন্দময়ভাবে, ঝাঁকির হাত এড়িয়ে চালানোর জন্য বেশ কয়েকবার তাকে ধন্যবাদও দিলাম। অরণ্য, পাহাড় আর নদী ছুঁই ছুঁই করে আমরা যখন এগুচ্ছিলাম সে দৃশ্য আমার কাছে এক বিরল অভিজ্ঞতা। আমি বিভোর হয়ে এই নির্মল শ্যামল শোভা দেখছিলাম আর ভাবছিলাম, সাময়িক লাভের আশায় যারা আমাদের এই বিপুল পরিমাণ প্রাকৃতিক সম্পদ ধ্বংস করছে তাদের হাত থেকে এ সম্পদরাশি আমাদের বাঁচাতেই হবে। ভাবতে ভাবতে খেয়াল হল আমরা নিচের দিকে নামা শুরু করেছি।

    হঠাৎ খেয়াল করলাম পাইলট দুজন আরপিএম পতনের বিষয় নিয়ে উত্তেজিত ভাবে কী যেন বলাবলি করছে। আমি সতর্ক হয়ে বসলাম। নিচে তাকিয়ে দেখি অসংখ্য গাড়ি। আর চারদিকে পিঁপড়েসারির মত মানুষ। ঠিক পরমুহূর্তেই ক্র্যাশ করলো কপ্টারটি। কপ্টারটি বিকটশব্দে মাটিতে আঘাত করলো। ভাঙাচোরা যন্ত্রাংশ আশপাশ দিয়ে উড়ে গেল। দেখলাম আমাদের দিকে ছুটে আসছে অগ্নি নির্বাপনী কয়েকটি গাড়ি।

    আমি স্বাভাবিকভাবেই হেলিকপ্টার থেকে নেমে এলাম। একেবারে মরা মানুষের মত ধপাস করে মাটিতে পড়েছিল কপ্টারটি।

    আমাদের ভাগ্য ভাল ল্যান্ড করার ঠিক পূর্ব মুহূর্তে কপ্টারে যান্ত্রিক জটিলতা দেখা দিয়েছিল। ভূমি থেকে সামান্য ওপরে থাকতে ইঞ্জিন বন্ধ হওয়ায় সেদিন আমরা বেঁচে গেছি।

    পাইলট দুজন অসহায়ের মত আমার দিকে তাকালো। তারাও এ ঘটনায় বড় ধরনের মানসিক ধাক্কা খেয়েছে। আমি তাদের সংগে করমর্দন করে বললাম ফ্লাইং মেশিন চালাতে গেলে এরকম দুএকটা দুর্ঘটনা তো ফেস করতেই হবে।

    সেদিন রাঁচিতে চিন্ময় বিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রীদের সংগে আমার দেখা করার কথা ছিল। তাদের সংগে যোগ দিতে কপ্টার দুর্ঘটনার আঘাত ও ভয় ফেলে ছুটলাম চিন্ময় বিদ্যালয়ে। স্কুলের প্রিন্সিপাল কৃষ্ণস্বামী আমাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানালেন এবং অডিটরিয়ামের মাঝখান দিয়ে বক্তব্য মঞ্চে যাবার সময় ছেলে মেয়েরা আমার মাথায় বৃষ্টির মত গোলাপের পাপড়ি ছড়াতে লাগলো। আমি আসার আগেই কপ্টার ক্র্যাশের খবর চলে এসেছিল। বাচ্চারা সব পিনপতন নিরবতায় আমার সামনে বসেছিল।

    পরিস্থিতি সহজ করার উদ্দেশ্যে শিশু-কিশোরদের উদ্দেশ্যে বললাম, বন্ধুরা, রাচি থেকে এখানে আসবার সময় আমি তোমাদের প্রতি ঈশ্বরের দেওয়া উপহার দেখতে দেখতে তাকে ধন্যবাদ দিচ্ছিলাম।

    তোমাদের পায়ের নিচে এবং পায়ের ওপরে ঈশ্বর তোমাদের সীমাহীন সম্পদ দিয়েছেন। ঝাড়খন্ডের উর্বর মাঠ তোমাদের শস্যের সম্পদ দিতে পারে। যখন আমি তোমাদের পাহাড়, উপত্যকা, অরণ্য আর নদীর ওপর দিয়ে হেলিকপ্টারে উড়ে উড়ে আসছিলাম তখনই ভাবছিলাম তোমাদের এ এলাকা হার্বাল সামগ্রী উৎপাদনের জন্য খুবই আশাব্যঞ্জক। তোমাদের এখানে দেখলাম পুরোমাত্রায় চলছে একটি সম্ভাবনাময় স্টীল প্ল্যান্ট। আমি আমার দিব্যদৃষ্টিতে এ এলাকাকে একটি উন্নত শিল্প এলাকা হিসেবে দেখতে পাচ্ছি। উন্নত ও সমৃদ্ধ রাজ্যের জন্য যা যা থাকা দরকার তার সবই এখানে আছে। এখানকার ভূমিগুলোকে শুধু সেই পর্যায়ে পরিবর্তন করা দরকার। আমি দেখতে পাচ্ছি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থানের ক্ষেত্রে তোমাদের গ্রামগুলো শহরের যাবতীয় সুযোগসুবিধা অর্জন করতে পারবে। আজকের এই দুর্ঘটনা আমাকে বাকি জীবনের মিশন নির্ধারণে আরও বেশী প্রেরণা দিয়েছে। তোমাদের সামনে সমৃদ্ধির অপার সম্ভাবনা। উন্নত রাজ্য হিসেবে তোমাদের রাজ্যকে গড়ে তুলতে কীভাবে তোমরা সমন্বিত প্রতিদ্বন্দ্বীতায় নামবে? এ সফলতার জন্য সবাইকে মিশন মুড নিয়ে কাজ করতে হবে।

    একদিন এই শিশুগুলোই বড় হবে। বিভিন্ন পদে আসীন হবে। এরাই সুশীল সমাজের অংশ হয়ে উঠবে। দেশের প্রতি তাদের অবদান তখন উন্নত রাষ্ট্রের চালিকাশক্তি হয়ে উঠবে। একদিন এদেরই প্রধান লক্ষ্য হবে ঝাড়খণ্ডকে মহান ও উন্নত রাজ্যে পরিণত করা।

    শিশুদের হাতে তৈরী বিভিন্ন খেলনা, আঁকা ছবির প্রদর্শনী দেখে এবং তাদের পরিবেশিত ময়ূরনাচ সহ অন্যান্য সাংস্কৃতিক পরিবেশনা দেখে আমার মনে হচ্ছিল সৃষ্টিশীলতা বিকাশ ও উন্নত শিক্ষার জন্য তাদের এ কার্যক্রম খুবই আশাবহ অবদান রাখবে। আমি মনে মনে সিদ্ধান্ত নিলাম এমন একটি সম্ভাবনাময় রাজ্যের সংগে অবশ্যই আমি কাজ করে যাবো।

    চিন্ময় বিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে যোগদান শেষে টাউন হলের একটি পূর্ব নির্ধারিত মিটিংয়ে যোগ দিতে গেলাম। অবশ্য বোকারো স্টিল প্লান্টের জেনারেল ম্যানেজারের পাঠানো একদল ডাক্তার আমাকে সেখানে না গিয়ে বারবার বিশ্রাম নেবার জন্য অনুরোধ করেছিলেন। আমি তাদের অনুরোধ উপেক্ষা করেই টাউন হলের মিটিংয়ে উপস্থিত হই। সেখানে আমার বক্তব্যের বিষয়বস্তু ছিল, ঝাড়খন্ডের সুপ্ত সামর্থ্য ও শিল্প কারখানা। পরবর্তী আলোচনা ও বাকবিনিময়ে আলোচ্য বিষয়ের গভীরতা তলিয়ে দেখা যাবে একথা বিবেচনা করেই আমি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখলাম।

    ইতিমধ্যেই ইলেক্ট্রনিক মিডিয়া যা করার করে ফেলেছে। আমাদের আগমন। উপলক্ষ্যে বাছা বাছা সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা আমাদের সংগে এসেছিলেন। ফলে হেলিকপ্টার ক্র্যাশের ঘটনা মুহূর্তের মধ্যে সারা দেশে প্রচারিত হয়ে গেছে। কিছুক্ষণ পর পর আমার মোবাইল ফোন বেজে উঠতে লাগল। আমি সুস্থ্য আছি কিনা তা জানার জন্য শুভাকাঙ্ক্ষীরা ফোন করছিলেন। আমি মিটিংয়ের আলোচনায় ব্যাঘাত না ঘটিয়ে রাচি থেকে আমার সহগামী হওয়া বন্ধু ড. বিজয় রাঘবনকে ফোনটা ধরিয়ে দিয়ে বললাম, কলগুলো রিসিভ করে তিনি যেন সবাইকে জানিয়ে দেন আমি সুস্থ্য আছি। একই সংগে রামেশ্বরমে বসবাসরত আমার ছিয়াশি বছর বয়স্ক বড়ভাইকে ফোন করে আমার সুস্থতার কথা জানাতে বললাম। দিল্লিতে অবস্থানরত আমার আরেকজন একান্ত সচিব শেরিডনকে ফোন করে জানাতে বললাম সে যেন বাইরের ফোনগুলো রিসিভ করে আমার সুস্থ্যতার খবর সবাইকে জানায়।

    আমি মিটিংয়ে কথা বলছি, এ সময় বিজয় রাঘবন আমার সামনে একটা চিরকুট রাখলেন, তাতে লেখা, আপনার ভাই কিছুতেই বিশ্বাস করতে চাইছেন না যে আপনি সুস্থ্য। তিনি আপনার সংগে কথা বলতে চাইছেন। বড় ভাইরা চিরকালই বড়ভাই থেকে গেলেন। আলোচনায় ব্যাঘাত ঘটিয়ে তার সংগে কথা বলতে হল আমাকে।

    মত বিনিময় সভায় একজন প্রশ্নকারী আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, ড. কালাম, আপনি আমাদের বলবেন কেন বিশেষ পূর্বপরিকল্পিতভাবে আমাদের বন্দরগুলো থেকে কাঁচামাল রফতানি করা হচ্ছে?

    এই ঝাড়খন্ডে প্রচুর প্রাকৃতিক সম্পদ থাকায় এবং তা বাইরের দেশে রফতানি করায় প্রশ্নটি প্রাসংগিক ও সময়োপযোগী হয়েছে। তার প্রশ্নের জবাব দিতে গিয়ে আমি গোয়াতে বন্ধুদের সংগে আলোচনার একটি বিষয় খুলে বললাম। একবার গোয়াতে বিশ্ববিদ্যালয়ে বক্তব্য রাখতে যাচ্ছিলাম, আমার সহগামী হয়েছিলেন ড. হোসে পল। তিনি গোঁয়ার মারগুয়াও বন্দরের চেয়ারম্যান।

    আমরা আমাদের ভারতের লোহা রফতানির বিষয়ে কথা বলছিলাম। আমাদের কথাবার্তার মূল বিষয় ছিল ভারতের অপরিশোধিত লৌহ আকর জাপানে রফতানি নিয়ে। পল জানালেন, প্রতি বছর ৩ কোটি টন লৌহ আকর চারটি বন্দর থেকে জাপানে রফতানি করা হয়। এর মধ্যে ১ কোটি ৭০ লাখ টন রফতানি হয় এই মারগুয়াও বন্দর থেকে। বিদেশী ক্রেতা দেশগুলো এই কাঁচা লোহাকে অত্যন্ত নিম্নমানের বিবেচনা করায় প্রতিটন লোহা মাত্র কয়েক ডলারে বিক্রি করা হয়। অথচ ওই কাঁচা লোহা রফতানি না করে যদি তা দেশে কাজে লাগানো যায় তাহলে তাকে আরও বেশী স্থানীয় আয় বাড়বে। তবে এর জন্য সঠিক মূল্য সংস্কার করা দরকার।

    এটুকু বলতেই বোকারোর মতবিনিময় সভার একজন দাঁড়িয়ে বললো, মূল্য সংস্কার বলতে আপনি কী বোঝাতে চান? একটা উদাহরণ দেবেন কি?

    আমার একটা সুন্দর উদাহরণের কথা মনে পড়লো।

    ১৯৭০ সালের স্যাটেলাইট অভিযানের জন্য আমরা যখন কাজ করছিলাম, তখন বেরিলিয়াম ডায়াফ্রাজমস নামের একটি জিনিসের দরকার পড়লো। এটি এক ধরনের তাপনিয়ন্ত্রক সাদা ধাতুতে তৈরী হয়। রকেট অথবা ক্ষেপণাস্ত্র উৎক্ষেপনের পর তার গতি এবং প্রকৃতি সম্বন্ধে তথ্য দানকারী জোরাস্কোপ ও সেন্সর মেশিনে এ বিশেষ ধাতু ব্যবহৃত হয়। যেহেতু আমাদের দেশে ওই ধাতু ছিল না সেজন্য আন্তর্জাতিক বাজার থেকে তা কিনে আনবার জন্য একটি বিশেষ দল গঠন করা হল।

    সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার টি এন সেশানের নেতৃত্বে মাধব নায়ার, ড. এস. সি. গুপ্ত এবং আমি বেরিলিয়াম কেনার জন্য নিউইয়র্কের একটি কোম্পানীর কাছ থেকে ১শ বেরিলিয়াম ডায়াফ্রামের আমদানির চুক্তি করলাম।

    তিন মাস পর ওই কোম্পানী থেকে একটি মেসেজ এল যাতে বলা হয়েছে, যেহেতু বেরিলিয়াম ধাতুটি উপমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক মিসাইলে ব্যবহৃত হয়ে থাকে, সেহেতু ভারতে তা রফতানির অনুমতি দিচ্ছে না মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। সমস্যা সমাধানে আমরা তড়িঘড়ি ব্যস্ত হয়ে পড়লাম। কোন একটা উপায় খুঁজে বের করতেই হবে।

    অবশেষে প্রযুক্তির প্রত্যাখ্যানই আমাদের প্রযুক্তি সফলতার পথ দেখাল।

    একটি খবর বেরুল ভারতে বিশ্বের সবচে বড় বেরিলিয়াম আরকের খনি রয়েছে। ভারত থেকে যে কাঁচা লোহার আরক জাপানে রফতানি হচ্ছে, তারা তা শোধন করে বেরিলিয়াম রড অথবা শীট তৈরী করছে। জাপান আবার সেই শীটগুলো বিক্রি করছে আমেরিকার কাছে। আমেরিকান কোম্পানী সেগুলো দিয়ে ডায়াফ্রাজম চোঙসহ বিভিন্ন জিনিসপত্র বানাচ্ছে।

    ঘটনা শুনে আমি তাজ্জব বনে গেলাম। চিন্তা করতে লাগলাম, ভারতের খনির বেরিলিয়াম নিম্নমানের লৌহআকর হিসেবে যাচ্ছে জাপানে, জাপান সেটা প্রসেসিং করে পাঠাচ্ছে আমেরিকায় আর সেই ভারতের কাছে প্রক্রিয়াজতকৃত দ্রব্য বেচতে অস্বীকার করেছে আমেরিকা। আমাদের চিন্তার পশ্চাৎপদতা দেখে আমি হতাশ হয়ে পড়লাম। এ বিষয় নিয়ে পত্রিকায় বিস্তর লেখালেখি শুরু হল এবং বেরিলিয়াম রফতানি বন্ধ করা হল।

    এই একই ঘটনার প্রতিফলন ঘটেছে অন্যান্য ক্ষেত্রেও। প্রচুর সম্পদ থাকার পরও ভারত অর্থনৈতিক সফলতা পাচ্ছে না এই মূল্য সংস্কার করতে না পারার কারণে।

    এটা শুধু খনিজ সম্পদের কারণে তাই নয় বরং কৃষি ও কৃষিজাত পণ্যের ক্ষেত্রেও ঘটছে একই ঘটনা। একেকটি পণ্যকে বিভিন্ন পণ্য সামগ্রীতে রূপান্তরের সংগে সংগে তার দাম কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এমনকি বেরিলিয়ামের মত তা ১শ গুণ বেশী দামেও বিক্রি হতে পারে। আমাদের প্রত্যেকটি ক্ষেত্রের মূল্য সংস্কারের উপায় জানতে হবে, নয়তো আমাদেরই জিনিস ওরা পরিবর্তন করে অর্থাৎ মূল্য সংস্কার করে আমাদের কাছে কয়েকগুণ বেশী দামে বিক্রি করবে।

    ওই একই মতবিনিময় সভায় আমাকে আরেকটি মজার প্রশ্ন করা হল, আপনি কি রাজনীতিতে স্বচ্ছতা তৈরী করা সম্ভব বলে মনে করেন? যদিও তাৎক্ষণিকভাবে আমি এ প্রশ্নের জবাব দেবার জন্য প্রস্তুত ছিলাম না, তথাপি আমার মনে একটি জবাব ভেসে উঠলো। আমি বললাম, আমাদের দেশ রাজনীতি, শিল্প, বিজ্ঞান, সাহিত্য সর্বক্ষেত্রেই কৃতিত্ব দেখিয়েছে যে কারণে আমরা স্বাধীনতা অর্জন করতে পেরেছিলাম। মহাত্মা গান্ধী, সি.ভি. রমন, জে. আর. ডি. টাটা, ফিরোজ শাহ বি. গোদরেজ, লক্ষনরাও কিরলস্কর, রামকৃষ্ণ বাজাজ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, ডি. আর. এস. রাধাকৃষ্ণন, মদনমোহন মালবী এসব মহাত্মার তালিকা অনেক দীর্ঘ।

    সে সময় এতগুলো প্রতিভা একত্রিত হওয়ায় ভারতভূমি জেগে উঠেছিল। সে সময় ভারত স্বাধীনতার মন্ত্রে উদ্দীপ্ত হয়েছিল বলেই রাজনীতি, শিল্প-সাহিত্য সবক্ষেত্রে একটি আবহ তৈরী সম্ভব হয়েছিল।

    আমি বিশ্বাস করি, স্বাধীনতার লক্ষ নিয়ে মানুষ যেভাবে জেগেছিল ঠিক সেভাবে যদি আরেকটি দ্বিতীয় গণজাগরণ সৃষ্টি করা যায় তাহলে রাজনীতিসহ সব ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনা সম্ভব।

    পরের দিন আমি বোকাবরা স্টীল প্ল্যান্ট পরিদর্শনে গেলাম। এটি ভারতের সর্ববৃহৎ স্টীল প্ল্যান্ট। প্ল্যান্টের জেনারেল ম্যানেজার মিস্টার তিওয়ারি আমার সংগে ছিলেন। প্ল্যান্টের আয়তন দেখে যে কারও ভিরমি খাওয়ার কথা। প্ল্যান্টের ভেতরে গিয়ে দেখলাম বিশাল ড্রেনের মত জায়গা দিয়ে গলিত লোহার স্রোত আগুনের নদীর মত বয়ে যাচ্ছে। কয়েক শ মানুষ সেই প্রচন্ড গরমের মধ্যে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের শরীর থেকে দর দর করে ঘাম ঝরছে।

    মিস্টার তিওয়ারি জানালেন, এখানকার খনির লোহা শেষ হতে অনেক বছর লেগে যাবে। শুনে খুব ভাল লাগল। কিন্তু যখনই জানলাম এ প্ল্যান্টের ওপর ভিত্তি করে এখানে এখনও কোন কলকারখানা গড়ে ওঠেনি তখন কেমন খারাপ লাগল। আমি আমার সঙ্গীদের কাছে জিজ্ঞেস করলাম এই লোহার ওপর ভিত্তি করে এখানে তো অনেক লৌহ ও লৌহজাতুদ্রব্যের কারখানা গড়ে ওঠার কথা ছিল, উঠছে না কেন? তারা জানালেন কেন্দ্রীয় সরকারের এখানে কারখানা গড়ার পরিকল্পনা রয়েছে তাই স্থানীয়রা এগিয়ে আসছে না।

    আমার মনে হল এটা কেন হবে? স্থানীয় কোম্পানীগুলো যদি প্ল্যান্টের আশে পাশে তাদের কারখানা গড়ে তুলতে পারে তাহলে তা সবার জন্যই মঙ্গলজনক হবার কথা।

    দিল্লি ফিরে ভাবতে লাগলাম ঝাড়খন্ডকে কীভাবে সাহায্য করা যায়। আমার মনে হল একেকটা নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দিয়ে ঝাড়খন্ডে কয়েকটি মিশন চালু করতে হবে। এই মিশনগুলো সফল করার জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য সরকার একজোট হয়ে কাজ করবে। এটা কি সম্ভব?

    ২০০১ সালের অক্টোবর মাসে দিল্লির গুরু গোবিন্দ সিং ইন্দ্রপ্রস্থ বিশ্ববিদ্যালয় সফরের সুযোগ হয় আমার। ছাত্রদের প্রতি দেওয়া আমার ভাষণের বিষয়বস্তু ছিল, দায়িত্বশীল তরুণ নাগরিক। এ বক্তব্যে আমি ভারতকে একটি নলেজ সোসাইটি বা সুশীল সমাজ হিসেবে গঠনের ওপর গুরুত্বারোপ করেছিলাম। আমার বক্তব্য শেষ হলে একটি ছাত্র জিজ্ঞেস করলো, আপনি কি বলবেন কেন ভারতীয়রা, বিশেষ করে শিক্ষিত ভারতীয়রা ইউরোপ আমেরিকায় গেলে খুব ভাল কৃতিত্ব প্রদর্শন করতে পারে? তারা কিন্তু সেসব দেশে গিয়ে ধনীও হচ্ছে।

    আমি বললাম, সম্প্রতি আমি বিদ্যানন্দ রাজঘট্টের লেখা দি হর্স দ্যাট ফ্লিউ নামে একটি বই পড়েছি। যেসব ভারতীয় বিদেশে বিশেষ করে আমেরিকায় তথ্যপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে উন্নতি লাভ করেছে এ বইটি তাদের নিয়ে লেখা।

    আমি খুব গভীরভাবে খেয়াল করে দেখেছি বইয়ে বিদেশে অবস্থানরত যেসব সফল ভারতীয়র কথা বলা হয়েছে তারা কেউ এককভাবে কাজ করে উন্নতি লাভ করতে পারেনি। তারা সবাই একটা ভিন্ন দেশে, ভিন্ন মানুষের মধ্যে কাজ করার ঝুঁকি নিতে পেরেছে শুধু যুথবদ্ধ সাহসের কারণে।

    একবার আমি বি. চন্দ্রশেখরের সংগে দেখা করেছিলাম। তিনি মাদ্রাজ ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজির প্রতিষ্ঠাতা। এখানেই প্রথম ভারতের ইন্টারনেট টেকনোলজি সেন্টার প্রতিষ্ঠিত হয়। একদিন সকালে চন্দ্রশেখর তার সমগ্র প্রতিষ্ঠান ১ হাজার কোটি ডলারে বিক্রি করে দিলেন এবং অন্য প্রতিষ্ঠান শুরু করার উদ্যোগ নিলেন। আমি তাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম নতুন প্রকল্প চালু করার জন্য কী করে তিনি এত বড় ঝুঁকি নিতে গেলেন?

    চন্দ্রশেখর আমাকে জানালেন, তিনি ঝুঁকি নিতেই ভালবাসেন। তবে সে ঝুঁকিকে অবশ্যই পরিকল্পিত হতে হবে।

    ১৯৫৫ সালে মাদ্রাজ ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজিতে আমি দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র। আমার বিষয় ছিল অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং। আমাদের পরিচালক ছিলেন ড. শ্রীনিবাস। শ্রীনিবাস নিজেও বড় অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। আমরা তার তত্ত্বাবধানে থেকে একটি ছোট যুদ্ধ বিমানের ডিজাইন করছিলাম। এর মধ্যে বিবেকানন্দ, মহাবলেশ্বর ভাট এবং আমি এই তিনজনের দায়িত্ব ছিল একটি সিস্টেম ইনটিগ্রেশনের কাজ। তিন মাসের মধ্যে আমাদের ডিজাইন জমা দিতে হবে এবং সেটা এক্সটারনাল শিক্ষকরা পরীক্ষা করবেন।

    ইঞ্জিন, কন্ট্রোল সিস্টেম এবং আরও কিছু সাব সিস্টেমের তথ্য বন্ধুরা দুই সপ্তাহ দেরীতে জমা দিল। ফলে ড্রইং জমা দিতে আমারও দেরী হয়ে গেল।

    আগস্ট মাসের এক আদ্ৰ সন্ধ্যায় আমি ড্রইং বোর্ডে কাজ করছি। ড. শ্রীনিবাস তার টেনিস কোর্টে যাবার সময় উঁকি দিয়ে আমার কাজ দেখছিলেন। তিনি বুঝতে পারলেন আমার কাজ শেষ হতে এখনও অনেক বাকি। তিনি বললেন, কালাম, তিন দিনের মধ্যে ড্রইং শেষ না হলে তোমার স্কলারশীপ বন্ধ হয়ে যাবে।

    তার এ কথায় আমি প্রচণ্ডভাবে নাড়া খেলাম। স্কলারশীপ আমার জীবনের প্রধান সাধনা। এমআইটিতে পড়ানোর সামর্থ্য আমার বাবার নেই। কাজটা তিনদিনের মধ্যে আমাকে শেষ করতেই হবে। এ চিন্তা মাথায় রেখে একটানা কাজ শুরু করলাম। শুধু খাওয়া ছাড়া ওই তিনদিন আমি রুমের বাইরে যাইনি এবং ঘুম এলে বেঞ্চিতে বসে ঘুমিয়ে নিয়েছি। এভাবে রাতদিন পরিশ্রমের পর অবশেষে আমি ড্রইং শেষ করলাম।

    তিনদিন পরে ড. শ্রীনিবাস ড্রইংবোর্ড দেখতে এলেন। এক ঘন্টা ধরে পরীক্ষানিরীক্ষা করার পর বললেন, খুব ভাল হয়েছে, যে কাজ করতে কয়েক সপ্তাহ লাগার কথা, তুমি তা কয়েক দিনে করলে। তার একথা আমার কাজের বিরাট স্বীকৃতি বলে আমি সেদিন বিবেচনা করেছি।

    সেদিনই আমি বুঝেছি প্রচন্ড মানসিক শক্তি নিয়ে কাজ শুরু করলে হাজারও ঝুঁকিপূর্ণ কাজেও সফলতা অনিবার্য। ভাল কিছু করতে হলে ঝুঁকি মোকাবেলা করতেই হবে। জন্মের প্রক্রিয়াটাই তো ঝুঁকির। জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণ দিয়ে একটা শিশু সংগ্রামের মুখোমুখি হয়ে জন্ম নেয়। নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস চালু হলে, যখন সে কান্নার মাধ্যমে স্বীয় অস্তিত্ব ঘোষণা করে তখন সবাই স্বস্তি পায়। সকলের মুখ আনন্দে ঝলমল করে ওঠে। এজন্য সাফল্যের চিন্তা মাথায় নিয়ে সর্বোচ্চ ঝুঁকিতে কাজ করলেও সফলতা অবশ্যম্ভাবী হয়ে উঠবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলার্নিং হাউ টু ফ্লাই : লাইফ লেসন্‌স ফর দি ইয়ুথ – এ পি জে আবদুল কালাম
    Next Article উইংস অব ফায়ার – এ পি জে আবদুল কালাম

    Related Articles

    এ পি জে আবদুল কালাম

    উত্তরণ : শ্রেষ্ঠত্বের পথে সকলে – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    সন্ধিক্ষণ : প্রতিকূলতা জয়ের লক্ষ্যে যাত্রা – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    উইংস অব ফায়ার – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    লার্নিং হাউ টু ফ্লাই : লাইফ লেসন্‌স ফর দি ইয়ুথ – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    টার্নিং পয়েন্টস : এ জার্নি থ্র চ্যালেঞ্জেস – এ.পি.জে. আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    এ পি জে আবদুল কালাম

    মাই জার্নি : স্বপ্নকে বাস্তবতা প্রদান – এ পি জে আবদুল কালাম

    July 15, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }