Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইতিহাসের গল্প – প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত

    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত এক পাতা গল্প111 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৬. নানারকম নানাসাহেব

    নানারকম নানাসাহেব

    সিপাহি-যুদ্ধ প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। ১৮৫৮ সালের ডিসেম্বর মাস। তখন নানাসাহেব, তাঁর ভাই বালাসাহেব, অযোধ্যার বেগম হজরতমহল ও আরও কয়েকজন নেতা নানা জায়গায় পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। ইস্ট ইণ্ডিয়া কোম্পানির প্রধান সেনাপতি ক্লাইডের সৈন্যরা রাপ্তি নদীর কাছে নানাসাহেবকে তাড়িয়ে নিয়ে এলেন। ইচ্ছা ছিল ধরে নিয়ে আসবেন। কিন্তু কোম্পানির সৈন্যের তাড়া খেয়ে নানাসাহেব, তাঁর সঙ্গীরা ও কয়েক হাজার লোক নেপালে ঢুকে পড়লেন। নানাসাহবের সঙ্গে আটটি হাতি ধনরত্নে বোঝাই।

    নেপালে ঢুকে যাবার পরে নানার কী হল? বলা খুব মুশকিল। নেপালের মন্ত্রী রানা জঙ্গবাহাদুর নাকি নানাকে বললেন, তোমাকে আমি ধরিয়ে দেব না। কিন্তু তোমার স্ত্রী কাশীবাঈকে, ও যা গয়নাগাঁটি এনেছ, সব আমার কাছে রেখে যেতে হবে। নানাসাহেব প্রথমটায় ইতস্তত করছিলেন। তারপর দেখলেন, তাঁর রাজি হওয়া ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। নানাসাহেব যত ধনরত্ন, গহনা ইত্যাদি নিয়ে এসেছিলেন তার মধ্যে সবচেয়ে দামি ও বিখ্যাত ছিল ‘নওলখা হার’; খুব দামী হীরে, মণি, মুক্তো, পান্না এইসব দিয়ে তৈরি। তার বদলে রানা কাশীবাঈকে একটা বাড়ি তৈরি করিয়ে দিলেন। কিছু সম্পত্তিও দিয়েছিলেন।

    বছরখানেক আর বিশেষ কিছু শোনা যায়নি। নেপালের তরাই অঞ্চলে খুব ম্যালেরিয়া। ইংরেজরা খবর পেতে লাগলেন, নানাসাহেবের ভাই বালাসাহেব ম্যালেরিয়া জ্বরে ভুগে মারা গেছেন, তার মাসখানেকের মধ্যে নানাসাহেবও গত হয়েছেন। এ-রকম হওয়া অসম্ভব ছিল না। ব্যাপারটা কিন্তু অত সহজে মিটল না। মাঝে-মাঝে খবর আসতে লাগল, নানাসাহেব অথবা নানাসাহেবের মতো একটি লোককে নেপালের এখানে-ওখানে দেখা যাচ্ছে। নানারকম খবর। কেউ বলছে, নানাসাহেবের তখন খুব দুরবস্থা, সঙ্গে মাত্র একটি লোক। কেউ বলেছে, নানাসাহেবকে দেখলাম, সঙ্গে ত্রিশ-চল্লিশ জন গেরুয়া-পরা লোক, তারা কিন্তু আসলে সন্ন্যাসী নাও হতে পারে। আর একজন বলেছিল, সে নানাসাহেবকে দেখেছে, সঙ্গে কয়েক হাজার লোক, কয়েকটি হাতি আর ত্রিশটি কামান। আর একজন বলেছিল, লোকটি খুব দানধ্যান করেন। দিনে কয়েকবার পুজো-আচ্চা করেন। তাঁর পুজোর বাসন সোনা তার রুপো দিয়ে তৈরি। এইসব গল্প কতটা সত্যি কতটা মিথ্যে, বুঝে ওঠা মুশকিল। নেপালের রানা জঙ্গবাহাদুর প্রথম-প্রথম বলতেন, নানাসাহেব বেঁচে নেই। পরে তাঁরও মত বদলে গেল। তিনি ইংরেজদের বলে পাঠালেন যে, নানার ভাই যে মারা গিয়েছে, তাতে তাঁর কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু নানা সম্বন্ধে তিনি জানেন না কী হয়েছে। হয়তো বেঁচে আছেন, অন্য কোথাও চলে গিয়েছেন।

    ১৮৬২ সাল থেকে নানারকম গোলমেলে খবর শোনা যেতে লাগল। হরজি ব্রহ্মচারী নামে একজন করাচিতে ধরা পড়লেন। সঙ্গে তাঁর এক বন্ধু, নাম ব্রজদাস। কারও কারও ধারণা হল, হরজি ব্রহ্মচারী আর কেউ নন, নানাসাহেব স্বয়ং। ছদ্মবেশে ঘুরছিলেন হরজি ব্রহ্মচারীর শরীরের অবস্থা তখন খুব খারাপ। তাঁকে জাহাজে করে কলকাতায় নিয়ে এসে মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হল। হরজি ব্রহ্মচারী কয়েকদিন ভুগে সেখানে মারা গেলেন। এটা যে ইংরেজ পুলিশের মারাত্মক ভুল, সে-বিষয়ে সন্দেহ নেই। পরে জানা গেল, হরজি ব্রহ্মচারী ধর্মীয় বই লিখতেন। হরজি ব্রহ্মচারীর বন্ধু ছাড়া পেয়ে গেলেন।

    এরপরে যে ঘটনা ঘটল, সে আরও বেশি চমকপ্রদ। আজমিঢ়ে আবার আর-এক ‘নানাসাহেব’ ধরা পড়লেন। সেখানকার ডেপুটি কমিশনার মেজর ডেভিডসন সাহেবের কাছে খবর এল যে, নানাসাহেব আজমিঢ়ে এসে আশ্রয় নিয়েছেন। তাঁর সঙ্গে কয়েকদিন আগে পর্যন্ত এক হাজার সৈন্য ছিল। তারা অন্যত্র চলে গিয়েছে। আজমিঢ় থেকে একটি লোককে নানা মনে করে ধরে নিয়ে আসা হল। নানাসাহেবকে গ্রেপ্তার করবার জন্য যে হুলিয়া বের করা হয়েছিল, তার সঙ্গে লোকটির চেহারা মিলিয়ে নিয়ে ডেভিডসন ও আজমিঢ়ের সিভিল সার্জন দু’জনেরই বিশ্বাস হল, এ ব্যক্তি নানাসাহেব না হয়ে যায় না। চেহারায় কিছু গরমিল আছে বটে, কিন্তু এতদিন ধরে নেপালের পাহাড়ে জঙ্গলে ঘুরলে ওরকম তো হতেই পারে। আগে বেশ মোটাসোটা ছিলেন, এখন রোগা হয়ে গিয়েছেন। নানাসাহেবের ফোটোগ্রাফ তুলে তিনজনের কাছে পাঠানো হল। তাঁরা আগে নানাকে ভাল করে চিনতেন। একজন হলেন বারাণসীর ডঃ চিক্ আর দু’জন হলেন মিরাট ও ফৈজাবাদের সামরিক কর্মচারী। ডঃ চিক্ নানাকে অনেকবার দেখেছেন, তিনি ফোটোগ্রাফ দেখে বললেন, এ কখনও নানাসাহেব হতে পারে না। তারপর বন্দীকে যখন কানপুরে তাঁর কাছে নিয়ে যাওয়া হল, তখন বললেন, এঁর গলার স্বর আলাদা, নানার চেয়ে গায়ের রং কালো, এবং নানার তখন যে বয়স হওয়া উচিত ছিল, এঁর বয়স তার চেয়ে বছর-পনেরো বেশি। কানপুরের আগেকার সিভিল সার্জন নানাসাহেবকে এক সময় চিকিৎসা করেছিলেন। তিনি বললেন, নানার সঙ্গে এঁর চেহারার কিছু মিল থাকতে পারে, কিন্তু এই লোক নানাসাহেব নন। খবরের কাগজে কিছুদিন উত্তেজিত আলোচনা চলবার পর ব্যাপারটা চাপা পড়ে গেল।

    আবার শোনা গেল, মেবারে একজন নানাসাহেবকে পাওয়া গিয়েছে। কিছুদিন পর শোনা গেল, কানপুরে। সেখানে তিনি নাকি সিন্ধিয়ার সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন। সিন্ধিয়া তাঁকে নিজের প্রাসাদে নিয়ে এলেন। তাঁর সঙ্গে কথা বলে সিন্ধিয়ার বিশ্বাস হল, তিনি নানাসাহেব। তিনি তাঁকে ইংরেজদের হাতে ধরিয়ে দিলেন। আবার কানপুরে নিয়ে এসে নানাকে পরীক্ষা করা হল। সেখানে একজন ইংরেজ ডাক্তার বললেন যে, যদিও তিনি নানাকে আগে চিকিৎসা করেছেন, তাহলেও ঠিক চিনতে পারছেন না। আসল নানাসাহেবের চেয়ে এঁর বয়স তো অনেক কম মনে হচ্ছে।

    মওব্রে টমসন নামে কানপুরে একজন অ্যাংলো ইণ্ডিয়ান ভদ্রলোক নানাকে বার দুয়েক দেখেছিলেন। আগেকার আর-এক ইংরেজ সাক্ষীর সঙ্গে তাঁর মতের মিল হল। তিনিও বললেন, এঁর গলার স্বর অন্যরকম। নানাসাহেবের সুখের দিনে তিনি যাঁকে নানাসাহেব বলে জানতেন, তাঁর চেয়ে এঁর চেহারা তো অন্য রকম। তার উপর এঁর মুখে বড় দাড়িগোঁফ, কামিয়ে ফেললে বোধহয় চেনার সুবিধা হবে। নাপিত ডেকে দাড়ি কামিয়ে ফেলা হল, তারপরে মহারাষ্ট্রীয় পোশাকও পরিয়ে দেখা হল। মওব্রে টমসন নিজের মন বুঝতে পারেননি। কামাবার পর বললেন, চেহারার তো বেশ কিছু মিল আছে দেখছি, একটা কাটা দাগও মিলে যাচ্ছে, কিন্তু একথা কী করে বলব যে, এই লোক নানাসাহেব? অনেকেই সিন্ধিয়ার প্রাসাদে এসে বন্দীকে দেখেছিলেন। একজন বললেন, “আরে, এঁকে আমরা চিনি, এঁর নাম তো যমুনা দাস। যমুনা দাস আবার কী করে নানাসাহেব হবেন?”

    অন্য উদাহরণও আছে। আপ্টে পরিবারের সঙ্গে নানাসাহেবের পরিবারের কুটুম্বিতা ছিল। সম্পর্কে বাবা আপ্টের ছেলে ছিলেন নানাসাহেবের জামাই। তাঁরও তখন বয়স হয়েছে। তাঁকে নানাসাহেবের কাছে নিয়ে আসা হল। তিনি পকেট থেকে চশমা বার করে পরলেন ; তারপর কিছুক্ষণ বন্দীর দিকে তাকিয়ে বললেন, “আরে, তুমিই তো নানাসাহেব!” ব্যাপারটা খুব নাটকীয়। পরে আপ্টেই বলেছিলেন, লোকটি নানাসাহেব হতে পারেন না। তাঁর বুঝবার ভুল হয়েছিল।

    এ-গল্পের এখানেই শেষ হয়ে যাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু এর পরেও আর একটি ছোট কাহিনী আছে। ল্যানডন নামে এক সাহেব সিপাহি-বিদ্রোহের পঞ্চাশ বছর পরে নেপালের একটি ইতিহাস লেখেন। নেপাল সরকার তাঁকে নানাভাবে সাহায্য করেছিলেন। তাঁর লেখা বইয়ে একটি উপসংহার আছে। সেটি বলে এ-কাহিনী শেষ করব। ল্যানডন লিখছেন, রাজকোট থেকে মাইল-ত্রিশ দূরে একটি ছোট শহরে এক ভিখিরি ঘুরে বেড়াচ্ছিল। তার বেশ বয়স হয়েছে। গায়ের পোশাক জীর্ণ। বিড়বিড় করে বলছে, “আমি নানাসাহেব। নেপালের জঙ্গবাহাদুর আমার সব কেড়ে নিয়েছে। এর বিচার চাই।” তার পিছনে একদল ছেলে। কেউ কেউ চলতে চলতে তার গায়ে ঢিল ছুঁড়ছে। আরও নানা রকমে তাকে উত্ত্যক্ত করছে। এই অবস্থা দেখে একজন পুলিশের দয়া হল। ছেলেদের অত্যাচার আরও বাড়তে পারে এই মনে করে তাকে রাত্তিরের মতো গারখানায় রেখে দেওয়া হল। রাত্রে ভিখিরিটির খুব জ্বর এল। জ্বরের মধ্যে সে বলতে থাকে, “আমি নানাসাহেব, বিঠুরের নানাসাহেব।” ১৮৫৭-৫৮ সালে যেসব ঘটনা সিপাহি-যুদ্ধের সময় হয়েছিল, তার টুকরো টুকরো বিবরণ সে জ্বরের ঝোঁকে বলতে লাগল। এই যদি সত্যি নানাসাহেব হয়, এই কথা ভেবে প্রহরীরা তাদের উপরওলাকে ডেকে নিয়ে এল। উপরওলা একজন অল্পবয়সের ইংরেজ। তিনি কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে ভিখিরির কথাবার্তা শুনতে লাগলেন। শুনে বিশ্বাস হল, এতদিন পরে সত্যিকারের নানাসাহেব ধরা পড়লেন। কলকাতায় ভারত সরকারের কাছে টেলিগ্রাম করা হল। কর্মচারীটির মনে অনেক আশা: পুরস্কার খ্যাতি চাকরির উন্নতি। কলকাতায় পাঠানো টেলিগ্রামে ছিল, “নানাসাহেবকে গ্রেপ্তার করেছি, এখন কী করব?” পরদিন টেলিগ্রামে যে জবাব এল, তাতে তিনি মুষড়ে পড়লেন। জবাবে লেখা, “তাকে ছেড়ে দাও।”

    এই হচ্ছে নানাসাহেব সম্বন্ধে বোধহয় শেষ কাহিনী। সরকার অনেকদিন থেকেই নানাসাহেবের গ্রেপ্তারের ভুল খবরে তিতিবিরক্ত হয়ে উঠেছিলেন। নানাসাহেব সম্বন্ধে অনেক ভুল খবর পেতে পেতে এক উঁচুতলার কর্মচারী বলেছিলেন, “ইচ্ছা হয় নানাসাহেবের হাতে সব ছেড়ে দিয়ে এদেশ থেকে চলে যাই!”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমহাভারতের মহারণ্যে – প্রতিভা বসু
    Next Article আকাশের নিচে মানুষ – প্রফুল্ল রায়
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }