Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইতিহাস কথা বলে – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    বিশ্বরূপ মজুমদার এক পাতা গল্প149 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জাতিস্মর – অন্তরা বিশ্বাস

    জাতিস্মর – অন্তরা বিশ্বাস

    গতকাল রাতে আমরা এলাহাবাদ স্টেশন থেকে হাওড়ার উদ্দেশে ট্রেনে চেপেছি। অনেক দিন কাজের চাপে কোথাও ঠিক বেড়ানোর সুযোগ হয় না। তবু আমি, ঐশিক আর দ্যুতি বেরিয়ে পড়েছিলাম। তিন জনেই আমরা যে যার কাজের জগতে ব্যস্ত। আমরা একসঙ্গে কলকাতার একটা স্কুলে পড়াশোনা করেছি। সে প্রায় বহুকাল আগের কথা। কিন্তু এলাহাবাদে যে অভিজ্ঞতা হল তা অবর্ণনীয়। মনের ভিতর অজস্র প্রশ্নের ঝড় উঠেছে। আমি উত্তর খুঁজছি। ইহজগতের পর পরজগতের দুনিয়া সত্যি কি বাস্তব? সেই দুনিয়ার অস্তিত্ব কি আদপেই আছে? আরও কত কী! এইসব প্রশ্নের উত্তর আমার জানা নাই। কিন্তু এই জীবনের অভিজ্ঞতার ভান্ডার নিদারুণ এক দুঃস্বপ্নের মতো সমৃদ্ধ হল।

    এলাহাবাদ শহরটা ইতিহাসের পাতায় সুবিখ্যাত অঞ্চল রূপেই পরিচিত। এলাহাবাদের কাছেই রয়েছে ত্রিবেণী সঙ্গমের তিন নদীর মিলন — গঙ্গা, যমুনা আর সরস্বতী নদী। এটি একটি কেন্দ্রীয় ভূমিকা পালন করে হিন্দু ধর্মগ্রন্থে। একে পবিত্র শহর হিসাবে পুজো করার কথা উল্লেখ করা রয়েছে প্রাচীন বেদে। এলাহাবাদ কোসাম্বি দেবী বৈদিক কালের নাম কুরু শাসকরা রেখেছেন হস্তিনাপুর যারা একে রাজধানী হিসাবে গড়ে তুলেছিল। সতেরোশো শতকের গোড়ার দিকে মুঘল সাম্রাজ্যের অধীনে রাজধানী হিসাবে শহরটা ছিল জাহাঙ্গীরের আয়ত্তে।

    যাই হোক, অনেক ইতিহাসের পাতা ঘেঁটে ফেললাম। আমরা পাঁচদিন আগে এলাহাবাদ পৌঁছে গেছিলাম। একটা থাকার মতো মোটামুটি হোটেল পেয়েই গেছিলাম। সেখানে বাঙালি রান্না মন্দ হয় না। আমার ঠিক করলাম সকলে মিলে খুশরু বাগানে যাব। সেখানে ইতিহাসের বিখ্যাত মানুষের কবরস্থানও রয়েছে। একটা টাঙ্গায় চেপে তিনজনে সকালেই উঠে পড়লাম। গাড়ির চালাককে যখন কথাটা বললাম, বেশ অবাক হয়ে আমাদের দিকে তাকালেন। হিন্দিতে বললেন, “কঁহা যানা চাহতে হ্যায়। উধর পে ব্যুউরিয়াল গ্রাউন্ড। লেকিন!”

    “লেকিন ক্যায়?”

    লোকটার মুখে কোনও কথা নেই। ঐশিক আমার দিকে চেয়ে বলল, “এত হেঁয়ালি করছে কেন লোকটা?”

    খানিক বাদে লোকটা বলল, “মুঝে জলদি লটনা হ্যয়। ইয়ে জাগা থোড়া ডরাবনি অউর খতরনাক ভি হ্যয়।”

    “কিঁউ? ক্যায় হ্যয় ইঁহা পর?”

    “ক্যায় হ্যয় কুছ লোগ কহতে হ্যয় কুছ তো উস জগা পর হ্যয়। পর ক্যায় হ্যয় মালুম নেহি। আপ লোগ কলকত্তা সে আয়ে হ্যয়। মেহেমান হ্যয়। ইসলিয়ে চকিত করনা মেরা কাম হ্যয়!”

    আরও দেখুন
    বাইশে শ্রাবণ
    Library
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা সাহিত্য
    বই
    বইয়ের
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ

    “কী বলছে রে? কোনও ভয়ের ব্যপার আছে নাকি?” দ্যুতির উদ্বিগ্ন প্রশ্নে বলে উঠলাম, “দেখা যাক।”

    আমরা টাঙ্গা থেকে নামতেই একজন স্থানীয় মানুষ এগিয়ে এলেন, “আপনারা শেষে কবর স্থানে ঘুরতে এসেছেন?”

    এই কথা শুনে আমরা চমকে গেলাম। বাঙালি ভদ্রলোক এখানে! আমি বলে উঠলাম, “হ্যাঁ আমরা ঘুরতে এসেছি। আপনি এখানেই থাকেন? আপনি বাংলা বলতে পারেন?”

    “আমি এখানে প্রায় অনেক বছর আছি। কলকাতা থেকেই এসেছিলাম কাজের সন্ধানে। তারপর কাছেই একটা হোটেলে রান্নার কাজ করি। কেন জানি মনে হল আপনারা কলকাতা থেকে এসেছেন। তাই এলাম আলাপ করতে। গোরস্থানের আশপাশ দেখতেই পারেন। তবে সাবধানে ঘুরবেন।” লোকটা বলল।

    আমি কেন জানি খুশরু বাগানের একদিকে নিজে থেকেই খানিকটা ভিতরে ঢুকে গেলাম। ওরা দু’জন ওই লোকটার সঙ্গেই কথা বলতে ব্যস্ত।

    আরও দেখুন
    বাংলা বই
    ডিকশনারি
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা কৌতুক বই
    বই ডাউনলোড
    বুক শেল্ফ
    কৌতুক সংগ্রহ
    ই-বই পড়ুন

    একটা বহু পুরানো সমাধির কাছে এগিয়ে এলাম। হঠাৎ মনে হল একটা তীব্র ঠান্ডা বাতাস চারপাশে বইছে। কেন এমন হল? কিছুই বুঝছি না। হৃদয়ের অলিন্দে একটা খামোকা আশঙ্কা ছুঁয়ে গেল। কী একটা অশুভ কিছু হবে! খালি মনে হতে থাকল। তারপর খানিক বাদে দ্যুতি আর ঐশিক আমার কাছে এগিয়ে আসতেই মনে হল যাক চারপাশে ঠান্ডা বাতাসটা আর নেই! আমি ওদের জিজ্ঞাসা করলাম, “হঠাৎ ঠান্ডা হাওয়া বইছিল না?”

    “কই কখন?” দ্যুতির কথায় আমি বুঝলাম এটা আমারই খালি মনে হয়েছে।

    আমরা তিনজনে নিজেদের হোটেলের রুমে ফিরে এলাম। সবাই গরম ভাত, মুরগির মাংসের ঝোল খেয়ে বিশ্রাম নিচ্ছি। এমন সময় হোটেলের একজন কর্মচারী ঘরে ঢুকে জিজ্ঞাসা করল, “আপনারা রাতে কী খাবেন? খুশরু বাগানে আবার ঘুরতে যাবেন নাকি? রাতের বেলা ওই দিকে না যাওয়াই ভালো। জায়গাটা ভালো না।”

    লোকটা মাঝবয়সী হবে। এলাহাবাদে বহু বাঙালি নিজের মতো করে জীবিকা অর্জন করে। নিজের মতো করে থেকে গেছে। আমি অনুমান করলাম এই লোকটিও তাই হবে। কিন্তু আমরা খুশরু বাগানে গেছি। সেটা এই লোকটা জানল কী করে? এই প্রশ্নটা ঐশিক জিজ্ঞাসা করল। লোকটা বলে উঠল, “না, টাঙ্গাওয়ালা ওই দিকেই আপনাদের নিয়ে যাচ্ছে। তাই আন্দাজে মনে হয়েছিল।” এই বলে লোকটা বেরিয়ে গেল। দ্যুতি আর ঐশিক রুমে ঘুমিয়ে নিল। ঐশিক পাশের রুমে থাকছে। আমি আর দ্যুতি একসঙ্গে রুম শেয়ার করছি। দুই জন মেয়ে। আলাদা রুম নেইনি। সন্ধ্যা ঘনিয়ে এল। সারাক্ষণ মনের কোণে খচ খচ করতে লাগল আমার। ওই কবরস্থানে কেন আমার ওমন অস্বস্তিকর অনুভব হল। যাই হোক তিনজনে খাওয়া দাওয়া পর্ব তাড়াতাড়ি রাত ন’টার পর সেরে নিলাম। কী মনে হল জানি না। দ্যুতি শহরের একটা ম্যাপ জোগাড় করে আগামী দুই দিন কোথায় কোথায় ঘোরা হবে ঠিক করল। কিন্তু আমার নিজের কেন জানি ওই খুশরু বাগানে আবার যাওয়ার ইচ্ছে জাগল। কোন এক আকর্ষণ আমাকে বার বার বশীভূত করে ওই বাগানে টানছে। আমি পরের দিন সকাল থেকেই দ্যুতি আর ঐশিককে সঙ্গে নিয়ে চারপাশের আরও দর্শনীয় স্থান ঘুরে দেখলাম। কিন্তু আমার কেন জানি মনটা ছটফট করছে খুশরু বাগানে যেতে। দ্বিতীয় দিন সকাল বেলা ব্রেকফাস্ট করার পর আমি দ্যুতি আর ঐশিককে বললাম, “তোরা কোথাও ঘুরে আয়। আমি রুমেই থাকছি। শরীরটা ভালো নেই।” ওরাও রাজি হয়ে গেল। দুই জনে বেরিয়ে পড়ল। আমি নিজেকে ঘরে আটকে আর রাখতে পারলাম না। হাঁটা লাগালাম। বেলা গড়িয়েছে অনেকটা। প্রায় দুপুর হবে। একটা টাঙ্গা নিয়ে খুশরু বাগানের সামনে নামলাম। খুশরু বাগানে অনুমতি নিয়েই ওই সমাধি ক্ষেত্রের দিকে এগিয়ে চললাম। মনে হল কবরস্থানের প্রহরী আমাকে অনুসরণ করছে। খানিক বাদে আমি পিছন ঘুরতেই চোখাচোখি হয়ে গেল।

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    গল্প, কবিতা
    বইয়ের তালিকা
    লাইব্রেরি
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    অনলাইনে বই
    বইয়ের
    স্বাস্থ্য টিপস
    রেসিপি বই
    বইয়ের

    “ওই সমাধিটা জাহাঙ্গীরের সময়ের। মুঘল সাম্রাজ্যের সময়ের। কিন্তু আপনি ওইখানে বার বার আসছেন কেন? আপনি একজন একাকী মেয়ে এত সাহস দেখাচ্ছেন যে বড়! ওটা মান বাঈয়ের সমাধি। জাহাঙ্গীরের প্রথম পত্নীর। বহু পুরানো। ভর দুপুরে এখানে থাকবেন না। চলে যান।” প্রহরী বলে উঠল।

    আমার কেন জানি জেদ চেপে গেছিল। লোকটার কথা শোনার পর বললাম, “এক ইতিহাসের সামনে দাঁড়িয়ে আমি!” লোকটা চুপ। ভয়ানক ক্রূর দৃষ্টিতে দেখছে। কিছুটা বিকেল হতে আমি খুশরু বাগানের বাইরে বেরিয়ে গেলাম। খানিকটা এগিয়ে কোনও টাঙ্গা আর আমি পেলাম না। সন্ধ্যা গড়াতে যায়। খুব জল তেষ্টা পেয়েছিল। সামনে একটা পুরনো ঐতিহাসিক সামগ্রীর অকশান হাউস পড়ল। বাইরে নোটিশ বোর্ডে লেখা সন্ধ্যা আটটা পর্যন্ত খোলা। সেখানে ঢুকলাম। একজন বয়স্ক মানুষ এগিয়ে এলেন।

    “কী চাই?”

    “একটু জল হবে? বড় তেষ্টা পেয়েছে? মোবাইলে চার্জ প্রায় নেই। একটু চার্জ দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিতে পারেন? আমি কলকাতা থেকে আসছি। আমার বন্ধুরা হোটেলে ফিরবে। ওরা ঘুরতে গেছে। আমাকে রুমে না দেখতে পেলে চিন্তা করবে। ওদের একটা ফোন করে দিতাম। তাই বললাম।” আমার বক্তব্য শুনে লোকটা ভদ্রভাবে সম্মত হল। আমাকে একটা পুরানো ভাঙা চেয়ারে বসতে দিল। মোবাইলে ব্যাটারি চার্জের ব্যবস্থা করে দিল। তারপর ভিতরে জল আনতে গেল। আমি তার অকশান হাউসটা ভালো করে দেখতে লাগলাম। কত রাজা রাজরা, সম্রাট সম্রাজ্ঞীর ছবি, বহু পুরানো কালের মুদ্রা, ব্যবহৃত জিনিসপত্র, শিকারের যন্ত্র, পশুর ছাল, আরও কত কী! আমি ভালো করে দেখছিলাম খুঁটিয়ে। খানিক পর লোকটা ভিতর থেকে জল নিয়ে এল। আমি একটা মহিলার হাতে আঁকা পেইন্টিংয়ের সামনে এসে দাঁড়ালাম। কেন জানি আমার ভিতরে ঝড় উঠেছে। কে ইনি? কোথায় দেখেছি? আমি দেখলাম ভদ্রলোক আমার হাতে জলের গ্লাস ধরিয়ে অবাক হয়ে আমাকে দেখছেন। কী দেখছেন বুঝলাম না। আমি বেশ কয়েকবার জিজ্ঞাসা করলাম, “এই ধূসর ছবিটা কার?”

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বই ডাউনলোড
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    পিডিএফ
    বাংলা বই
    বইয়ের তালিকা
    বই
    কৌতুক সংগ্রহ

    লোকটা হতবাক হয়ে চুপ করে আমাকেই দেখছে। কিন্তু কেন বুঝলাম না। খানিক পর তার সম্বিৎ ফিরল। বলল, “জাহাঙ্গীরের প্রথম স্ত্রী মান বাঈ! তখনকার সময়ে এক চিত্রকর হাতে এঁকেছিলেন। আমার অকশান হাউসে বহু ঐতিহাসিক মুঘল সাম্রাজ্যের সময়ের জিনিস, ছবি রয়েছে। যেগুলো বহু মূল্যেই আমি বিক্রি করতে পারি। আপাতত এইগুলো সংগ্রহে রয়েছে। আচ্ছা একটা কথা, আপনি কে?”

    লোকটার এমন প্রশ্নে থতমত খেয়ে গেলাম। অপ্রস্তুত হয়েই বললাম, “কেন বলুন তো? আমি সুলোচনা। বর্তমানে একটা কলেজে ইতিহাসের অধ্যাপনার কাজ করি। কলকাতা থেকে আরও দুই বন্ধু সহ এসেছি। ঐতিহাসিক স্থান ঘুরতে যাওয়া আমার একটা প্যাশন বলতে পারেন।” তারপর লোকটার দেওয়া গ্লাসের জল শেষ করলাম। তারপর থেকেই সারা শরীর কেঁপে উঠল। কেমন চারিদিকে নেশাময় ধূসর মনে হতে লাগল। ঘড়ির দিকে নজর পড়তে বুঝলাম রাত আটটা বাজে। কেন জানি পা টলমল করছে। কী খেলাম! কে জানে! কীসের আকর্ষণে খুশরু বাগানের দিকে হাঁটা লাগালাম। আমার ঠিক জানা নাই। চারিদিক প্রায় অন্ধকার। টুকটাক কয়েকটা বাতি নজরে পড়লেও আমি কোনও দিকে না তাকিয়ে বাগানের গেটের কাছে উপস্থিত হলাম। সেই সময়ে কোনও প্রহরী উপস্থিত ছিল না। সোজা অন্ধকারেই বড় বড় পা ফেলে সেই সমাধি স্থানে উপস্থিত হলাম। তারপর আমার মনে হতে লাগল চারপাশে যেন ঝড় উঠেছে। কোনও এক নারী চরিত্র চোখের সামনে ছায়ার মতো ধীরে ধীরে উপস্থিত হল। আমি বার বার চোখ কচলাতে লাগলাম। হাতে চিমটি কাটলাম। বুঝলাম ভুল কিছু দেখছি। এ কী! এ যে আমি! আমার মূর্তি আমার সামনে! আমার কী মাথা খারাপ হয়েছে! তারপর একটা দৃশ্য নজরে এলে। সেই নারী মূর্তি একটা গ্লাসে কিছু খেল। তারপর চিৎকার করতে লাগল — “সেলিম তুমি মমতাজকে ভালোবাসো। আমি তোমার কেউ নই! কেন কেন! কেন এমন করলে আমার সঙ্গে?”

    আরও দেখুন
    বইয়ের তালিকা
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    বাংলা বই
    পিডিএফ
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    Books
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    ডিকশনারি
    বাইশে শ্রাবণ

    তারপর আবার একটা দৃশ্য হাওয়ায় বার বার আমাকে ঘিরে অন্ধকারে ঘুরতে লাগল। তারপর হাওয়ায় মিলিয়ে যাচ্ছে। আমি দেখলাম এক পুরুষকে আমি মানে আমার মতো দেখতে ওই নারীর মূর্তি বার বার বলছে, “খুসারাউ তুমি আব্বার প্রতি বিশ্বস্ত হও। এই সাম্রাজ্যের মালিক হবে তুমি। কেন আব্বার বিরোধীতা করছ?” তারপরেই দেখলাম আমি নিজের হাতে নিজেকেই একটা লোহার কিছু দিয়ে হত্যা করলাম!”

    তারপরই মনে হল সেই ঝড়ের ধুলোকণা আমাকে ঘিরে ঊর্ধ্ব আকাশে বয়ে চলেছে। আমি সেই ধুলোকণায় বন্দি এক পাখির মতো ছটপট করতে করতে মাটিতে লুটিয়ে পড়লাম। পরের দিন আমার যখন জ্ঞান ফিরল তখন দেখি আমি স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি। মাথার কাছে দ্যুতি আর ঐশিক বসা। দুই জনেই আমার চোখ খুলতে বলে উঠল, “কেমন আছিস? কী করতে ওই খুশরু বাগানে গেছিলি? আমরা সারা সন্ধ্যা তোকে খুঁজে খুঁজেও পেলাম না।” সারা শরীর আমার অবশ লাগছে। সবটা আমার মনে পড়ল। তারপরই আমি উঠে বসলাম। চিৎকার করে উঠলাম, “আমি কে? আমি কে? আমি কে?” তারপরই অজ্ঞান হয়ে গেলাম। অজ্ঞান হওয়ার আগের মুহূর্তে সেই অকশান হাউসের ভদ্রলোক আর খুশরু বাগানের সেই প্রহরীকে যেন দূরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখলাম। গতকালও আমার শরীরটা খারাপ ছিল। খানিকটা ধাতস্থ হয়েছি। দ্যুতির কাছে যেইটুকু জানলাম যে সারা সন্ধ্যা ওই সমাধির ক্ষেত্রের পাশে আমি মাথা ঘুরে জ্ঞান হারিয়ে পড়েছিলাম। ওরা আমায় বহুবার ফোন করে। রাত সাড়ে আটটা নাগাদ ওই অকশান হাউসের ভদ্রলোক ওদের ফোন ধরে তার অকশান হাউসে ডাকেন। তারপর আমার সেখানে যাওয়ার কথা বলেন। ওই সম্রাজ্ঞীর চিত্রটাও ওদের দেখায়। তাতে ওরা নাকি বিস্মিত! ওরা দ্রুত খুশরু বাগানে ছুটে আসে। সেই প্রহরীর সাহায্যে আমাকে ওই বাগান থেকে অজ্ঞান অবস্থায় উদ্ধার করে। আমি ধীরে ধীরে ওদের নিজের ছায়ামূর্তির আর ধুলো ঝড়ের হাতে বন্দি হওয়ার সবটা বলি। তারপর ঐশিক আমাকে ধীরে ধীরে সেই অকশান হাউসে বেলার দিকে আবার নিয়ে গেল। ওই সেই সম্রাজ্ঞীর ছবির সামনে দাঁড় করাল। বলে উঠল, “এটা জাহাঙ্গীরের প্রথম স্ত্রী আর তার প্রথম সন্তান খুসারাউ মির্জার মা শাহ বেগমের ছবি। ছবির দিকে ভালো করে দ্যাখ! এটা তো তোর চেহারাটাই পুরোপুরি বসানো!”

    আরও দেখুন
    লাইব্রেরি
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    Library
    PDF বই
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    লেখকের বই
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

    দ্যুতি বলে উঠল, “মানে জাতিস্মর!” অকশান হাউসের ভদ্রলোক বলে উঠলেন, “সুলোচনা ম্যাডামের সঙ্গে শাহ বেগমের এমন অদ্ভুত মিল দেখে সেই দিনই আমি চমকে যাই! এত এত যুগের পর জাতিস্মর রূপে জন্ম!”

    অকশান হাউসের ভদ্রলোক বলতে লাগলেন, “মান বাঈ আমেরের রাজা ভগবন্ত দাসের কন্যা ছিলেন। ভারমল রাজার নাতনী। খুসারাউ মির্জার জন্মের পর সেলিম তাকে শাহ বেগম উপাধি দেন। পনেরো বছর বয়সেই সেলিম মান বাঈকে বিয়ে করেন। দুই কোটি টঙ্কায় বিয়ে ঠিক হয়েছিল। আকবর নিজে দাঁড়িয়ে এই বিবাহ দেন। ১৩ই ফেব্রুয়ারি ১৫৮৫ সালে মুসলিম কাজীদের উপস্থিতিতে এই বিবাহ সম্পন্ন হয়েছিল। ভগবন্ত দাস যৌতুকে একশো হাতি, ঘোড়া, মূল্যবান পাথর, সোনা রূপার পাত্র, বিভিন্ন ধরনের জিনিসপত্র দিয়েছিলেন। তার কিছু নমুনা আমার অকশান হাউসে আছে বটে। গণ্যমান্যদের জন্য পার্সিয়ান, তুর্কি আরবীয় ঘোড়ায় সোনার জিন দেওয়া হয়। সেই দিনের দুটো আমার সংগ্রহ শালায় আছে। এই দম্পতির প্রথম সন্তান ছিলেন সুলতান উন নিসা বেগম। দ্বিতীয় সন্তান খুসারাউ মির্জা ১৫৮৭ সালে ৬ই আগস্ট জন্মায়। শোনা যায় জাহাঙ্গীরের প্রতি তাঁর বিশ্বস্ততা ও আন্তরিক নিষ্ঠা বিশেষ ভাবে সম্রাটের মনে জায়গা করে নিয়ে ছিল। তবে তিনি স্নায়বিক রোগী ছিলেন। সহজেই কল্পনা করে অপমানিত বোধ করতেন। জাহাঙ্গীর নিজে বলেছিলেন উনি অপ্রকৃতস্থ। শাহ বেগম খুসারাউ মির্জা আর ভাইয়েদের জাহাঙ্গীরের প্রতি বিশ্বস্ত থাকতে অনুরোধ করতেন। কিন্তু তা না হওয়ায় তিনি মর্মাহত হন। আফিম খেয়ে নিজেই নিজেকে হত্যা করেন। তার সমাধি এই খুশরু বাগানে করা হয়। তাঁর সমাধি নির্মাণ করেন এলাহাবাদ দরবারের প্রধান শিল্পী আকা রেজা। দুর্ভাগ্যবশত শাহ বেগমের চেহারা পুরোটাই সুলোচনার মতো!”

    আরও দেখুন
    বাইশে শ্রাবণ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স
    বাংলা বই
    অনলাইনে বই
    বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন

    আমি চিৎকার করে বলে উঠলাম, “ধুর এইসব জাতিস্মর অবিশ্বাস্য ব্যপার। কোনও মানে নেই। ফালতু। তার মানে আমি কোন আগের জন্মের শাহ বেগম ছিলাম! ধুস!”

    কিন্তু কলকাতায় ফেরার ট্রেনে বার বার কয়েকটা প্রশ্ন আমাকে ভাবিয়ে তুলল। যার উত্তর আমার কাছে নাই। খুশরু বাগানে আমি কেন বার বার কীসের আকর্ষণে ছুটে গেলাম? ওই টাঙ্গাওয়ালা আর কবরস্থানের প্রহরী কেন সন্ধ্যায় থাকতে বারণ করছিল? আমিই কেন ওই ধুলোকণায় আটকে গেলাম? আমিই বা কেন ওই ছায়ামূর্তি দেখলাম? দ্যুতি বা ঐশিক ওরা কেন কিছু ছায়া মূর্তি বা দৃশ্য দেখতে পেল না? সবটাই কি আমার মনের ভুল? ওই কবরস্থানে কেনই বা সন্ধ্যায় জ্ঞান হারালাম! আমি তো শাহ বেগমের মতো অপ্রকৃতস্থ নই। জাতিস্মর বলে কিছু হয় নাকি!

    মনে মনে ঠিক করলাম মুঘল সাম্রাজ্যের ইতিহাস আবার পড়ব। আর জাতিস্মর ব্যপারটা সত্যি হয় নাকি? জানতেই হবে। তাও আবার এত বছর পর!

    .

    অন্তরা বিশ্বাস

    আরও দেখুন
    বই
    অনলাইন বুকস্টোর
    লেখকের বই
    নতুন বই
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বই ডাউনলোড
    বাইশে শ্রাবণ
    স্বাস্থ্য টিপস

    হাওড়ার বালিতে জন্ম হলেও লেখিকা অন্তরা বিশ্বাস বর্তমানে কলকাতার বাসিন্দা। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রথম শ্রেণীতে এম.এস.সি এবং  বি.এড পাশ করেন।  এখন তিনি একটি সরকারি বিদ্যালয়ে শিক্ষিকা পদে কর্মরত। বর্তমানে একটি নিউজ পোর্টালে কলকাতার ইতিহাস এবং ঐতিহ্য বিষয়ে নিয়মিত কলাম লেখেন। সাহিত্যের প্রতি তাঁর আসক্তি চিরকালের। “নভোরজ”
    , “স্বদেশ টাইমস”, “রা অভয়া”, “বঙ্গদেশ”, “বাণিজ্যিক পত্রিকা প্রসাদ”, “সাহিত্য আর সংবাদ” ইত্যাদি পত্র-পত্রিকায় তাঁর লেখা গল্প নিয়মিত প্রকাশিত হয়। বিগত কয়েকটি কলকাতা বইমেলায় তাঁর  বই ‘রিপুসংহার’
    , ‘গল্প ডট কম’, ‘গল্প ক্যাফে’ প্রকাশিত হয়। আর ‘গল্পের গল্প’ বইটি তাঁর ভিন্ন স্বাদের একটি ছোট একক গল্পের সংকলন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরহস্য রোমাঞ্চ : সম্পাদনা – বিশ্বরূপ মজুমদার
    Next Article ভৌতিক অলৌকিক ২ – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    Related Articles

    বিশ্বরূপ মজুমদার

    ভৌতিক অলৌকিক ১ – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    November 4, 2025
    বিশ্বরূপ মজুমদার

    ভৌতিক অলৌকিক ২ – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    November 4, 2025
    বিশ্বরূপ মজুমদার

    রহস্য রোমাঞ্চ : সম্পাদনা – বিশ্বরূপ মজুমদার

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }