Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইতিহাস কথা বলে – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    বিশ্বরূপ মজুমদার এক পাতা গল্প149 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিধ্বংসী – কেয়া চ্যাটার্জী

    বিধ্বংসী – কেয়া চ্যাটার্জী

    যখন গোধূলির আকাশ লাল আবিরে ভরে ওঠে, যখন দূরে ভেসে ওঠে আজানের সুর, মন্দিরের ঘণ্টা যে মুহূর্তে টঙ্কার দিয়ে গগন বিদীর্ণ করে—ঠিক সেই মুহূর্তে বিপ্লবের চোখে ভেসে ওঠে সহস্র ছেঁড়া ছেঁড়া দৃশ্য, বিচ্ছিন্ন। মাথার ভেতর তালগোল পাকিয়ে গিয়ে সব যেন এলোমেলো হয়ে যায়। কর্ণকুহরে ভেসে আসে কলরব, অম্বর বিদারী চিৎকার, কোলাহল। বিপ্লব দু’হাতে তার কান চেপে ধরে। চোখ দু’টি বন্ধ করে ফিরে আসতে চায় নিজের জগতে। মুহূর্তে সমস্ত শব্দ থেমে যায়। সব দৃশ্য মুছে যায়। বিপ্লবের মনে হয় ঘটনাগুলো তার সঙ্গে এর আগেও ঘটেছে। কিন্তু কখন, কবে সে স্পষ্টভাবে মনে করতে পারে না।

    “ব্যাপারটা আপাত দৃষ্টিতে খুবই নর্মাল বলে মনে হলেও। আপনার ব্যাপারটা আমার একটু অদ্ভুত লাগছে। দেজা ভ্যু আমাদের সকলের সঙ্গেই ঘটে। তবে তা কয়েক সেকেন্ডের বেশি স্থায়ী হয় না। আপনার সঙ্গেও সেরকমই কিছু হচ্ছে কিন্তু তার স্থায়িত্ব একটু বেশি। তাই আপনার কষ্টটাও বেশি।” কথাগুলো বললেন মনোবিদ সুব্রত মিত্র। বন্ধু অজিতের কথা মেনে বিপ্লব অবশেষে মনোবিদের কাছে যেতে রাজি হল। আসলে বেশ কয়েকদিন ধরেই তার এই সমস্যা হচ্ছে কিন্তু এর সুরাহা কী হবে, ভেবে পাচ্ছে না। নিজের সঙ্গে অনেক টানাপোড়েনের পরে সে একাই হাজির হল ডাক্তার মিত্রর অফিসে। ডাক্তার মিত্র সবটা শুনে গম্ভীর হয়ে গেলেন। বেশ কয়েক রকমের বিশ্লেষণ আছে এই ‘দেজা ভ্যু’-এর। কেউ বলেন, পূর্ব জন্মের স্মৃতি ফিরে আসে, কেউ বা অতি জাগতিক বা পরাবাস্তবের অবতারণা টেনে আনেন। কিন্তু এই অনুভূতির সঠিক ব্যাখ্যা কেউ দিতে পারেননি আজও। তবে বিপ্লবের ব্যাপারটা একটু জটিল। এভাবে একের পর বিচ্ছিন্ন চিত্রের খেলা, শব্দ শোনার ঘটনা নিজের কেরিয়ারে এই প্রথম পেলেন উনি। হ্যালুসিনেশনের আওতায় কি ফেলা যায় ঘটনাকে? নাকি আরেকটু এগিয়ে গিয়ে… জাতিস্মরবাদ?

    * * * * *

    মেঠো পথ ধরে এগিয়ে চলেছেন কালাচাঁদ রায়। শিক্ত বস্ত্র, সৌম্যকান্তি, গলায় শোভা পাচ্ছে পবিত্র উপবীত। দ্রুত ও দৃঢ় ভাবে বলিষ্ঠ পা ফেলে এগিয়ে আসছেন মন্দিরের দিকে। সকাল ও সন্ধ্যায় আহ্নিক করেই তিনি খাবার মুখে তোলেন। কিছুক্ষণ আগেই গুরুদেবের সঙ্গে দেখা করে এসেছেন তিনি। সপ্তাহের শুরুতেই গুরুদেবের আশীর্বাদ নিয়ে আসা তার অভ্যাস। এমন সময় চারজন অশ্বরোহী এসে দাঁড়াল তার সামনে। কালাচাঁদ যারপরনাই অবাক হলেন। বাদশাহ তাকে মহলে ডেকেছেন? বরকন্দাজের হাত থেকে পরোয়ানাটি নিয়ে মন দিয়ে পড়লেন কালাচাঁদ। তারপর তাদের সঙ্গেই রওনা হলেন।

    আরও দেখুন
    PDF
    পিডিএফ
    বাংলা লেখকদের সাক্ষাৎকার
    বই
    বইয়ের
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    অনলাইন বুকস্টোর
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বই ডাউনলোড

    * * * * *

    “বিপ্লব লাহিড়ী?” একজন মহিলার ডাকে চমকে উঠল বিপ্লব। কয়েক মুহূর্তের জন্য সে যেন কোথায় হারিয়ে গেছিল। মনে হচ্ছিল এইরকম পরিস্থিতির এর আগেও মুখোমুখি হয়েছে সে। সুসজ্জিতা মহিলাটি তার দিকে একদৃষ্টে চেয়ে রয়েছেন। তার কপালে ভাঁজ। বিপ্লব লজ্জিত হল মনে মনে। কী জানি, কতক্ষণ ধরে ডেকে চলেছেন মানুষটি। প্রথম ধাপেই হয়তো রিজেক্ট করে দেবে। ইন্টারভিউয়ার হয়তো বলবে, এত অন্যমনস্ক? তাহলে কাজ করবে কীভাবে? বিপ্লব তখন তাদের বোঝাতে পারবে না কিছুই। কেউ কিছুই বুঝবে না বিপ্লব জানে। অতএব সাত নম্বর ইন্টারভিউতেও লাথি খেয়ে বেরোতে হবে। বিপ্লব ধীর পায়ে ঘরের ভেতর প্রবেশ করল। চকিতে মাথার ভেতরে একটা দৃশ্য পাক দিয়ে উঠল। চোখের সামনে ভেসে উঠল সুসজ্জিত প্রাসাদ। মসনদে বসে আছেন বাদশাহ স্বয়ং। তার পাশের সিংহাসনে বসে আছেন উজির। তার উভয়েই তার দিকে চেয়ে হাসলেন। বিপ্লব মৃদু মাথা নাড়িয়ে বসে পড়ল সামনের চেয়ারে। “গুড মর্নিং মিস্টার লাহিড়ী।” বিপ্লবের চমক ভাঙল। মনে মনে জিভ কাটল, ইস্ এই সম্ভাষণ তো তারই আগে দেওয়ার কথা। গেল, এবারের চাকরিটাও গেল। ইন্টারভিউ শুরু হল। বিপ্লব বিফল মনোরথ হয়েই প্রশ্নের উত্তর দিতে শুরু করল। বাইরে এসে একটা সিগারেট ধরাল বিপ্লব। নাহ, আর ভাল লাগছে না। এভাবে আর কত দিন? কী যে হচ্ছে তার সঙ্গে তা সে বুঝতে পারছে না। ডাক্তারের ওষুধ খেয়ে রাত্রে ঘুমটা ভালো হয় ঠিকই কিন্তু দিনের বেলার কাজের কাজ কিছুই হচ্ছে না। সেই দৃশ্যপটের ভেসে ওঠা। পরিবেশ, পরিস্থিতি গুলিয়ে ফেলা, সেই দেজা ভ্যু। বিপ্লব মনে মনে স্থির করে নেয় সামনের মাসেই ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলতে হবে।

    আরও দেখুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    PDF বই
    বইয়ের তালিকা
    অনলাইনে বই
    Books
    ডিজিটাল বই
    রেসিপি বই
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বই
    ই-বই পড়ুন

    পার্কের একটা বেঞ্চে বসে এক মনে একটা বই পড়ছে সুমনা। বিপ্লব ভূঁইফোড়ের মতো উদয় হয়ে সেটি কেড়ে নিতেই সুমনা চমকে উঠল। তারপর বিপ্লবকে দেখে একগাল হেসে ফেলে তার অবিন্যস্ত চুলগুলো আরেকটু ঘেঁটে দিয়ে তাকে পাশে টেনে বসাল। এই একটি জায়গায় এসেই বিপ্লবের ভারি ভালো লাগে। তার মনের ভেতরের সব দোলাচলতা শান্ত হয়ে যায়। তখন আর ফিরে আসে না কোনও দেজা ভ্যু। মনে হয় না, এই মুহূর্তটা তার জীবনে আগেও এসেছে। সুমনার গভীর চোখের দিকে তাকিয়ে এক চিলতে আশ্রয় খুঁজে পায় বিপ্লব। সুমনা ব্যাগ থেকে একটা টিফিন বক্স বের করে নিজের হাতে বানানো খাবার বিপ্লবের মুখে পুড়ে দিয়ে জিজ্ঞাসা করে, “কেমন হল আজ?” বিপ্লব মাথা নাড়ে। ধীরে ধীরে সব বলে। সুমনা ব্যথাতুর চোখে তাকায়। “ওষুধে কাজ দিচ্ছে না, না?” বিপ্লব ধীরে ধীরে মাথা নাড়ে, আবার। সুমনার চোখের এই ব্যথার মানে সে জানে। এই ব্যথা শুধুমাত্র তার জন্য নয়। এরমধ্যে লুকিয়ে আছে একটা অনিশ্চিত ভবিষ্যতের আশঙ্কা। এখনও পর্যন্ত সবক’টা ইন্টারভিউতেই পুনরায় ডাকার প্রতিশ্রুতি দিয়েও আর ডাক পায়নি। এবারেও হয়তো তাই হবে। আর প্রত্যেক চাকরির রিজেকশানের সঙ্গে সঙ্গে বেড়ে যায় তাদের সম্পর্কের সামাজিক পরিণতির পূর্ণতার মেয়াদ। সুমনা ঝড় সামলে সব ভাঙন ধরে রেখেছে। এদিকে বিপ্লব এখনও শ্রোতের টান খুঁজে পেল না।

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    গ্রন্থাগার
    বই
    অনলাইন বুকস্টোর
    স্বাস্থ্য টিপস
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    ই-বই পড়ুন
    বইয়ের

    * * * * *

    মসনদে বসে আছেন গৌড়ের শাসক বাদশাহ সোলেমান। তার পাশের সিংহাসনেই আসীন উজির করিম খাঁ। কালাচাঁদকে দেখেই তারা প্রসন্ন হলেন। কালাচাঁদ সাষ্টাঙ্গে প্রণাম করে সেলাম ঠুকলেন। একসময়, তার পিতা নঞান রায় ছিলেন সরকারের একনিষ্ঠ কর্মী। সেই সূত্রে তার ডাক পড়েছে। বাদশাহ তাকে মাস মাইনে দিয়ে কাজে বহাল করতে চান। তবে সাধারণ কর্মচারী হিসেবে নয়। ফৌজদার হিসেবে। কালাচাঁদের শক্তি, বুদ্ধি ও জ্ঞান সম্পর্কে অবগত নয়, এমন মানুষ বাংলায় একটা খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। কালার শরীরে বিশ মানুষের বল। সংস্কৃত ও পারসি ভাষা তার নখদর্পণে। তার শরীরে নঞান রায়ের রক্ত। যে রক্ত কখনও কোনও পারিস্থিতিতে বেইমানি করতে শেখায়নি তাকে। কালাচাঁদের শরীর শোভিত হল চাপকান, চোগা, পাগড়িতে। পায়ে শোভা পেল নাগড়াই। কালাচাঁদ রায় হল বাদশাহের ফৌজদার।

    প্রাসাদের পাশ দিয়েই মহানন্দায় যাওয়ার পথ। কালাচাঁদ ভোর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নদী বক্ষে। স্পষ্ট সংস্কৃত উচ্চারণে আহ্বান করেন দিনমণিকে। তার গৌরবর্ণ সদ্য প্রস্ফুটিত রবির আলোয় ঝকঝক করে ওঠে। তার সুগম্ভীর, সুরেলা মন্ত্রোচ্চারণে চারিদিক সুলোলিত হয়ে ওঠে। কিন্তু কালাচাঁদ তার কৃতকর্ম সম্বন্ধে উদাসীন। তার জীবন শুধুই কর্মবহুল। দেব সেবা ও অন্নদাতার সেবা ব্যতিরেকে, তার জীবনে আর কিছুই যেন নেই। তাই সে বুঝতেও পারে না তার এক ঝলক দর্শনের জন্য কাতর দু’টি চোখ রোজ সকালে গুটিগুটি পায়ে জানলায় এসে দাঁড়ায়। তৃষ্ণার্ত দু’টি নয়ন মেলে আকণ্ঠ পান ওঠে তার দেহ সৌষ্ঠব। মন দিয়ে শোনে তার বাণী। তার প্রতিটি পদক্ষেপে বিদীর্ণ হয় সেই অদৃশ্য মানবীর হৃদয়। অজানা আশঙ্কায় যার মনের ভেতর বইতে থাকে হাজার ঝড়। কালাচাঁদ সেই মানবী সম্বন্ধে উদাসীন, অনবগত।

    আরও দেখুন
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    ই-বই পড়ুন
    রেসিপি বই
    নতুন বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কালি
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা কৌতুক বই

    * * * * *

    “দ্যাখো বিপ্লব দশ-বারো হাজার মাইনে নিয়ে তো আর বিয়ে করা যায় না। আর আমরাও মেয়ে দিতে পারি না। তাছাড়া, আমার মেয়েই তো তোমার থেকে বেশি কামায়। তোমার কেরিয়ার ওর কাছাকাছিও নয়। এরপর তোমাদের দু’জনের মধ্যেই সমস্যা দেখা দেবে। আমি তোমাদের ডিসকারেজ করছি না। যেটা সত্যি, সেটাই বোঝাচ্ছি।” সুমনা বাবার এহেন কথোপকথনে অস্বস্তি বোধ করছে। বিপ্লবকে সে চাপ দেয়নি বিয়ের জন্য। বরং সে নিজেই কথা বলতে এসেছে। বলা যায়, সময় চাইতে এসেছে। সুমনাকে যেন বিয়ের জন্য চাপ দেওয়া না হয়। যেন ওদের দু’জনকে আরও কিছুদিন সময় দেওয়া হয়। বিপ্লব মাথা নেড়ে উঠে দাঁড়াল। তার যা বলার ও বোঝার তা সবই শেষ। এবার সবকিছুই নিয়তির হাতে ন্যস্ত। সুমনার দিকে শূন্য দৃষ্টিতে একবার চেয়ে সে মিশে গেল শহরের কোলাহলে। জীবন বড় জটিল হয়ে যাচ্ছে ধীরে ধীরে।

    * * * * *

    আরও দেখুন
    বই পড়ুন
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    বাংলা কৌতুক বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা সাহিত্যের ওয়ার্কশপ
    বাংলা সাহিত্য
    Books
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    লাইব্রেরি
    স্বাস্থ্য টিপস

    বাদশাহের প্রস্তাবে কালাচাঁদ চমকে উঠলেন। বাদশাহের হুকুম অমান্য করা তার কাছে যেমন দূরূহ, তেমনি তা মেনে নেওয়াও তার পক্ষে কঠিন। জাতি, ধর্ম, সমাজ, পরিবার বিসর্জন দিয়ে সে শুধুমাত্র নিজের লাভালাভের কথা ভেবে এগিয়ে যেতে পারল না। বুকের ভেতর দামামা বেজে উঠল। কালাচাঁদ বললেন, “ভৃত্যকে মাফ করবেন হুজুর। এ প্রস্তাবে আমি রাজি হতে পারলাম না। অর্থ, সুখ, বৈভবের আগে আমার ধর্ম, আমার সমাজ। সমাজচ্যুত মানুষ জলবিহীন মাছের মতো। আপনার প্রস্তাব মেনে নিলে আপনার সম্মান রক্ষা হলেও, আমার সংস্কৃতির অবমাননা হবে।” বাদশাহ ফৌজদারের এহেন স্পর্ধায় বিস্মিত হলেন। তার কপালের শিরা ফুলে উঠেছে। ঘন ঘন নিশ্বাসের ওঠা নামায় কালাচাঁদ বুঝতে পারলেন তার নিয়তির পরিণতি। বাদশাহ বিকৃত স্বরে ডেকে উঠলেন পাহারাদারকে। হুকুম দিলেন ফৌজদারকে বন্দি করার। পাহারাদার হতবাক। ফৌজদার সাহেবের মতো সজ্জন সে খুবই কম দেখেছে। বাদশাহের সঙ্গে তার সুসম্পর্ক। তবু বাদশাহ তাকে আটক করতে বলছেন! কিন্তু বাদশাহের আদেশ অমান্য করার সাহস গৌড়ে কারুর নেই। অগত্যা কালাচাঁদ চললেন কুঠুরির উদ্দেশে।

    কুঠুরির অন্ধকারে প্রবেশ করে কালাচাঁদ মনে মনে হাসলেন। অন্ধকার যেমন অপ্রিয়, তেমনি মাঝে মাঝে তা ভীষণ প্রিয় হয়ে যায়। অন্ধকারে মানুষ নিজেকে চিনতে পারে। বুঝতে পারে। জটিল ভাবনায় অনায়াসে ডুবে যেতে পারে। কালাচাঁদ অবাক হয়ে ভাবতে বসলেন, বাদশাহের দেওয়া প্রস্তাবের ব্যাপারে। তিনি কালাচাঁদকে নিজের জামাতা হিসেবে পেতে চেয়েছেন। তার কন্যা নাকি কালাচাঁদকে মনে মনে স্বামী হিসেবে বরণ করেছেন। কিন্তু যে মানুষটিকে সে চোখে দেখেইনি। শুধুমাত্র নামটুকু শুনেছে। যার সম্বন্ধে বিস্তারিত কোনও তথ্য তার কাছে নেই। সেই মানুষটিকে শুধুমাত্র বাদশাহের মুখের কথায় জীবনসঙ্গী হিসেবে কীভাবে মেনে নেবেন? তার থেকেও বড় বাধা হল ধর্ম। হিন্দু ধর্মে বিজাতির সঙ্গে বিবাহের নিয়ম নেই। বাদশাহের কন্যাকে বিবাহ করলে তাকে ছাড়তে হবে পরিবার, সমাজ। যা তার পক্ষে অসম্ভব। ভাবতে ভাবতে ক্লান্ত কালাচাঁদের চোখে ঘুম নেমে এল।

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    ই-বই পড়ুন
    Books
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা সাহিত্য
    বই
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    PDF
    Library
    রেসিপি বই

    ভোরের সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই কারাগারের দরজা খুলে গেল। কালাচাঁদ অবাক হয়ে দেখল তাকে প্রহরী চলে যাওয়ার নির্দেশ দিল। কালাচাঁদ বিস্মিত হয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, “এটা কি বাদশাহের নির্দেশ?” প্রহরী নিস্তব্ধ। কালাচাঁদ বিরক্ত হলেন। হলেন অবাক। তবু কৌতূহল বশে কারাগার থেকে বেরিয়ে এসে দেখলেন একজন সুন্দরী রূপসী দন্ডায়মান। কালাচাঁদকে দেখেই সে কুর্নিশ করে জানাল, সে শাহজাদীর সখী। শাহজাদীই তাকে নির্দেশ দিয়েছেন কালাকে মুক্তি করানোর। কালাচাঁদ আবারও বিরক্ত হলেন। কে এই নারী, যার জন্য তাকে একবার কারাগারে নিক্ষেপ করা হল, আবার তারই কথায় তাকে মুক্তি দেওয়া হল? কালাচাঁদ অপমানিত বোধ করলেন। কারুর বদান্যতা তার পছন্দ নয়। তিনি বলে উঠলেন, “স্বয়ং বাদশাহের হুকুম ছাড়া আমি এই কারাগার ত্যাগ করব না। কালাচাঁদ রায় পলায়ন করতে শেখেনি।” উপস্থিত সকলকে অবাক করে কালাচাঁদ আবার কারাগারে প্রবেশ করলেন। প্রতিদিন প্রাতঃস্নানের পরে সূর্যপ্রণাম করা তার অভ্যাস। আজ করাগারের ক্ষুদ্র প্রকোষ্ঠ থেকে নির্গত অল্প সূর্যালোকেই তিনি স্তব পাঠ শুরু করলেন। বাদী অবাক ও ক্ষুব্ধ হয়ে ফিরে গেলেন।

    লোকারণ্য রাজপথ। কালাচাঁদকে শূলে চড়ানোর দিন। সজ্জন বীর হিসেবেই কালাচাঁদের খ্যাতি। সকল অধিবাসী এমন মানুষের মৃত্যুদণ্ডের কথা শুনে অবাক। কেউ কেউ অবশ্য নানান খবর রটাতেও খামতি দেয়নি। কালাচাঁদ উপস্থিত হলেন শূল মঞ্চে। উপস্থিত কারুর চোখে কৌতূহল, কারুর চোখ বেদনাতুর। কালাচাঁদ অবিচল সত্যের পথে। হঠাৎ সকলকে চমকে দিয়ে মঞ্চে উঠে এলেন একজন মহিলা। স্বর্নালংকারে ভূষিতা, সুন্দরী, মার্জিতা এক কন্যা। প্রজাদের গুঞ্জরণে কালাচাঁদ বুঝল কন্যাটি আর কেউ নয়, স্বয়ং বাদশাহ দুহিতা। কালাচাঁদের বুকের ভেতর কী এক আলোড়ন তৈরী হল। মেয়েটির বহিরঙ্গ পেলব হলেও, তার অন্তরমহল যে সাংঘাতিক দৃঢ় ও অচল তা সে এক নজরেই বুঝতে পেরেছে। শাহজাদি ঘাতকের সামনে এসে দাঁড়ায়। দৃপ্ত কণ্ঠে ঘোষণা করেন, যেহেতু তার দোষে কালাচাঁদ রায়ের মতো সজ্জনকে শূলে নিক্ষেপ করার মতো পাপ তার পিতা করছেন তাই সেই একই শাস্তির ভাগিদার তিনি নিজেও। সে হুকুম দেয়, দু’জনকে যেন একই সঙ্গে শূল বিদ্ধ করা হয়। যদি তা না হয় তবে ঘাতকেরও প্রাণ সংশয়। সকল মন্ত্রী, উজির পড়ল মহা সমস্যায়। সঙ্গে সঙ্গে খবর ছুটল বাদশাহের কাছে। তিনি সব শুনে সোজা হয়ে বসলেন। একবার নিজের কন্যার উপর তার প্রচণ্ড রাগ হল। আবার ভীষণ করুণাও হল। কিছুক্ষণ ভেবে নিয়ে তিনি আদেশ দিলেন কালাচাঁদকে মুক্তি দেওয়ার।

    আরও দেখুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বইয়ের
    কৌতুক সংগ্রহ
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কাগজ
    PDF
    বই পড়ুন
    ই-বই সাবস্ক্রিপশন
    অনলাইনে বই
    Books

    * * * * *

    “আমি কী করব বিপ্লব? তুমিই বলে দাও।” সুমনার প্রশ্নে বিপ্লবের হৃদয়ে একটা ঢেউ উঠল। কিন্তু সেই ঢেউয়ের তরঙ্গ ও দোলা সে একাই অনুভব করতে পারল। সুমনাকে সে কিছুই বুঝতে দিল না। অস্তমিত সূর্যের দিকে চেয়ে রইল সে একপলকে। সুমনা এমনিতে ধৈর্যশীলা। কিন্তু আজ তার অন্তরে বিষম ঝড় উঠেছে। বিপ্লবের উদাসীনতা, নৈঃশব্দ তার বেদনা আরও বাড়িয়ে তুলল। সুমনা অধৈর্য হয়ে উঠে দাঁড়াল। গঙ্গা ঘাটের সিঁড়িতে কিছুক্ষণ অস্থিরভাবে পায়চারি করে আবার ফিরে তাকাল বিপ্লবের দিকে। বিপ্লব তখনও চুপ। কোনও উত্তর খোঁজার তাগিদও যেন নেই তার। সুমনা আর পারল না। ব্যাগের চেন খুলে একটা সুদৃশ্য বিয়ের কার্ড বের করে বিপ্লবের দিকে ছুঁড়ে দিয়ে শ্লেষাত্মকভাবে বলল, “দামী উপহার দেওয়ার ক্ষমতা তো তোমার নেই। তাই এক কাজ করো, দু’বেলা পেট ভরে খেয়ে যেও। আমার হবু বর বিরাট ডাক্তার তো। একটা এক্সট্রা প্লেট আশা করি আমার বাবা সেই আনন্দে অ্যাফোর্ড করতে পারবে।” বিপ্লব তাকাল সুমনার দিকে। না, তার চোখে কোনও গ্লানি নেই, ব্যথা নেই। সে শুধু তাকাল সুমনার অন্তর বোঝার জন্য। তার কণ্ঠের কম্পন আর হৃদয়ের যন্ত্রনা অনুভব করার জন্য। কিন্তু ততক্ষণে সুমনা অনেক অনেক দূরে চলে গেছে। কনে দেখা আলোয় আজ পৃথিবী বড়ই সাদা-কালো বিপ্লবের কাছে।

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য
    অনলাইন বুকস্টোর
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    রেসিপি বই
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    নতুন বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বই ডাউনলোড
    গল্প, কবিতা

    বেকারত্ব, দলাদলি আর স্বজন পোষণের এই যুগে বিপ্লব বিয়ের যোগ্য চাকরি জোটাতে পারল না। এদিকে সুমনার বাড়ি থেকেও মানতে নারাজ। মধ্যবিত্ত বাড়ির মেয়েদের বয়স পঁচিশ পেরোলেই বাবা-মায়ের কপালে ভাঁজ পড়ে। কারুর কারুর তার আগে থেকেই। সুমনার ক্ষেত্রেও তার ব্যতিক্রম হল না। অতএব তার মর্জির বিরুদ্ধেই বিয়ের দিন ঠিক হল। কার্ড ছাপা হল। আসলে সুমনাও যে খুব বাধা দিয়েছিল তা নয়। কার ভরসায় বা কীসের জোরেই বা সে বাধা দেবে? মাঝে মাঝে, জীবনে নিজের ও অপরের ভালোর জন্য কঠোরতম সিদ্ধান্ত নিতেই হয়। সুমনার ক্ষেত্রেই সেটাই হল। নিজের এবং বাবা মা, কিছুটা বিপ্লবের খাতিরেও সে বিয়েতে রাজি হয়ে গেল। তবু শেষবারের মতো বিপ্লবের কাছে আঁচল পাততে গিয়েছিল সে। শূন্য হাতে ফেরার আশা ছিল প্রবল কিন্তু উদাসীনতা বড্ড বেশি অপমানজনক।

    বিপ্লব সুমনার চলে যাওয়া দেখল এক মনে। কেউ দেখল না তার গাল গড়িয়ে কয়েক ফোঁটা জল তার হৃদয় পর্যন্ত রাস্তা বানিয়ে ফেলল। অসহায়তা বড় নিষ্ঠুর করে তোলে মানুষকে। সুমনাও তাকে পাষান, অযোগ্য, প্রতারক ভেবেই কাটিয়ে দেবে সারাটা জীবন। তাই দিক তবে ও যেন সুখে থাকে। মনে মনে ঈশ্বরের কাছে সুমনার মঙ্গল প্রার্থনা করে সে উঠে দাঁড়াল। আর তখনিই তার মনে হল এই বেদনার মুহূর্ত, এই অপ্রাপ্তির যন্ত্রণা সে আগেও পেয়েছে।

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের উপহার কার্ড
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    ই-বই পড়ুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা ডিকশনারি অ্যাপ
    গ্রন্থাগার
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা হস্তলিপি কুইল
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি টিউটোরিয়াল
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স

    * * * * *

    কালাচাঁদ ও শাহজাদির বিবাহ সম্পন্ন হলেও, কালাচাঁদ অবধারিতভাবে সমাজচ্যুৎ হলেন। যে সমাজ তাকে একসময় মাথায় তুলে রাখত। যে সমাজ তাকে সৎ, চরিত্রবান আখ্যা দিয়েছিল সেই সমাজই তাকে এখন পায়ে ঠেলছে। কালাচাঁদ নিজ ধর্ম অপরিবর্তিত রেখেই বিবাহ করলেন। নিঃস্বার্থ, নির্ভীক প্রেমের কাছে কোনও যুক্তি তর্কই টিকতে পারল না সেদিন। কালাচাঁদ রায়, পাঠান সেনার ফৌজদার, দোর্দণ্ডপ্রতাপ, বীর কালাচাঁদ রায় নির্দ্বিধায় নত হলেন শাহজাদির পায়ে। কিন্তু প্রেমের গভীরতা বোঝা সকলের সাধ্য নয়। কালাচাঁদ গ্রামে ফিরে গেলেন। ফৌজদার কালচাঁদ এখন সেনাপতি। তার প্রতি সরাসরি বিক্ষোভ হল না ঠিকই, বরং তাকে পরামর্শ দেওয়া হল প্রায়শ্চিত্তের। কালাচাঁদ বিনাবাক্যে সেই আদেশ মাথা পেতে নিলেন। যতই হোক, মনে মনে সে তো এই সমাজ, এই ধর্মের অংশ হতেই চেয়েছে। একটি প্রায়শ্চিত্ত যদি সে’সব ফিরিয়ে দেয় তবে মন্দ কী?

    পরামর্শ মতো তিনি হাজির হলেন শ্রীক্ষেত্র জগন্নাথ ধামে। কিন্তু ভাগ্য সঙ্গ দিল না। বিধর্মী কাউকে মন্দিরের গর্ভ গৃহে প্রবেশের অনুমতিই দিলেন না পুরোহিত মন্ডলী। কালাচাঁদ অনাহারে পড়ে রইলেন দরজায় তবু তাকে ঢুকতে দেওয়া হল না। অপমানিত, যন্ত্রণাক্লিষ্ট, পরাজিত পাঠান সেনাপতি গৌড়ে ফিরে এলেন। তবে চুপ করে রইলেন না। কিছুদিন পরেই পাঠান সেনা নিয়ে আক্রমণ করলেন উড়িষ্যা রাজ্য। প্রবল পরাক্রমী পাঠান সেনার কাছে টিকতে পারল না মুকুন্দদেবের সেনাবাহিনী। কালাচাঁদ আবার এসে পৌঁছলেন শ্রীক্ষেত্রে। গম্ভীরা থেকে বের করে আনলেন বিগ্রহ। সমুদ্র তীরে নিয়ে এসে আগুনে নিক্ষেপ করলেন জগন্নাথ বিগ্রহ। সকলে রে রে করে উঠলেও বাধা দেওয়ার সাহস পেল না। কালাচাঁদ বক্র হেসে মনে মনে ভাবলেন, এই বিগ্রহ, এই মূর্তি নাকি সকলের রক্ষাকর্তা? তার নিজের রক্ষাকবচ কোথায়? কে রক্ষা করছে তাকে? কালাচাঁদের রোষানল থেকে মুক্তি পেল না অন্যান্য পীঠস্থানও। তিনি হানা দিলেন, কামরূপ। সেখানে মন্দির ও বিগ্রহ ধ্বংস করে তিনি তার শিবির নিয়ে হাজির হলেন বারানসীর তীরে। সেনাদের প্রতি আদেশ হল মন্দির ধ্বংসের। তৎক্ষণাৎ মুক্ত কৃপান পাঠান সেনার পদশব্দে কাঁপতে শুরু করল গোটা বারানসী। ধূলিস্যাৎ হল সুপ্রাচীন মন্দির ও বিগ্রহ। কালাচাঁদের অন্তরের জ্বালা জুড়ালো। জাত, ধর্ম, গোত্র, উচ্চ-নীচ ভেদাভেদের ধামাধারী ধর্ম ব্যবসায়ীদের চরম শাস্তি দিয়ে তার ভেতরের অপমানের জ্বালা ধীরে ধীরে প্রশমিত হল। যে মন্দিরের দ্বারের সামনে তাকে দিনের পর দিন পড়ে থাকতে হয়েছে শুধুমাত্র এক ঝলক দর্শনের আশায়, সেই মন্দির, সেই বিগ্রহ আজ তার কাছে পরাজিত। আত্মতৃপ্তিতে ভরে গেল তার হৃদয়। পরমুহূর্তেই গ্লানি আর অবসাদের মেঘ ঘনিয়ে এল তার চোখে। এ কী করে ফেললেন তিনি! রাগ, অপমান ও প্রত্যাখানের জ্বালায় পুড়তে পুড়তে কত দূর এগিয়ে এলেন তিনি? প্রজাদের হাহাকার তার কর্ণকুহরে প্রবেশ করে হৃদয়কে বিদীর্ণ করে তুলল। চন্দ্রালোকে ভেসে যাচ্ছে গঙ্গাবক্ষ। রূপালি আলোয় প্রকৃতি মোহময়ী। এই প্রকৃতির পূজারীকে অহংকার ও ক্রোধের মোহজাল সংহারক করে তুলেছে। কালাচাঁদ ধীর পায়ে শিবির ছেড়ে ঘাটের সিঁড়িতে এসে দাঁড়ায়। তার কপোল বেয়ে নেমে আসে নোনতা জল। নদীর কাছে, আরও কাছে এগিয়ে যান তিনি। তার গলা পর্যন্ত গঙ্গার শীতল, স্বচ্ছ জল। ধীরে ধীরে সেই শীতল স্বচ্ছতা তাকে গ্রাস করল। পরদিন সকালে লোকমুখে প্রচারিত হল, কালাচাঁদ, পাহাড় প্রমাণ পাঠানসেনার সেনাপতি কালাচাঁদ রায় অন্তর্হিত হয়েছেন।

    আরও দেখুন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    উপন্যাস সংগ্রহ
    অনলাইন বুকস্টোর
    গ্রন্থাগার
    বাংলা ফন্ট সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা বইয়ের আলোচনা ফোরাম
    স্বাস্থ্য টিপস
    বইয়ের
    Books
    PDF বই

    * * * * *

    বিপ্লবের এখন আর অসুবিধা হয় না। একটা অজানা, রহস্যময় অতীতের সঙ্গে তার বোঝাপড়া হয়ে গেছে। সেই অতীত মাঝে মাঝেই ফিরে আসে তার বর্তমানে। তাকে ব্যতিব্যস্ত করে তোলে। আবার সময়মতো ফিরে যায় নিজের জায়গায়। তবে বিপ্লব এটা বুঝতে পারে যে তার অতীত ও বর্তমানের মধ্যে খুব বেশ তফাত নেই।

    এ.সি সিদান গাড়িটির পিছনের দরজা খুলে বেড়িয়ে এলো বিপ্লব। একটি বড় কোম্পানির খুব দামী কর্মচারী সে। মালিকপক্ষ বেশ খাতির যত্ন করে। তার নখদর্পনে বিরোধী পক্ষের সমস্ত হালচাল। সূচ হয়ে ঢুকে ফাল হয়ে বেরোতে বিপ্লব লাহিড়ী খুব ভাল করে জানে। সহজ পথের জীবন যাপন বিপ্লবের কপালে জোটেনি আসলে। তাই বাঁকা পথে চোরা হীরা মাফিয়াদের সঙ্গে ঘর বেঁধেছে সে। টাকা? নাহ, অভাব নেই এখন। যে টাকার অভাবে অপমানিত হতে হয়েছে, যে টাকার অভাবে সুমনাকে ছেড়ে দিতে হয়েছে আজীবনের জন্য সেই টাকা আজ তার হাতের ময়লা। কিন্তু অগাধ টাকার সমুদ্রে হারিয়ে যায় তার নিজস্ব সত্তা। দিনের শেষে চুলে বিলি কাটার কেউ থাকে না। অথবা দিন থেকে রাত নামাও বুঝে উঠতে পারে না। বিপ্লব সমাজের এক বিরাট অংশের কাছে জিতে গেছে। যারা অর্থ উপার্জনের মাপকাঠি দিয়ে সম্মানের দাঁড়িপাল্লার মান বিচার করে। মনের গহীনে প্রথিত করে এক অলীক ধারণা—সঙ্গেই সকলকে হারিয়ে দিয়েছে বিপ্লব। তবু কোথায় যেন নিঃশেষিত হয়ে গেছে।

    আরও দেখুন
    বাংলা বইয়ের প্রিন্ট কপি
    নতুন বই
    লাইব্রেরি
    বাংলা ই-বুক রিডার
    Library
    বাংলা সাহিত্য
    বইয়ের তালিকা
    ডিজিটাল বই
    PDF
    বাংলা সাহিত্যের কোর্স

    আসলে সমাজের সঙ্গে লড়াই করতে করতে আমরা প্রত্যেকেই কখন যেন একেকজন কালাপাহাড় হয়ে উঠি। সমাজ নির্ধারিত মাপকাঠি অনুযায়ী নিজেদের উত্তীর্ণ করতে করতে কখন যেন নিজেদেরই হারিয়ে ফেলি। তবু জিতে যাওয়ার নেশা ছাড়তে পারি না। প্রত্যাখ্যানের জ্বালা জুড়াতে আমরা যখন মরিয়া হয়ে উঠি তখন ঠিক ভুল বিচার করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে আমরা সকলেই একেকজন প্রতিষ্ঠান বিরোধী ‘কালাপাহাড়’ হয়ে উঠি।

    .

    কেয়া চ্যাটার্জী

    জন্ম ও বেড়ে ওঠা কলকাতায়। আপাদমস্তক বাংলা মিডিয়ামের শিক্ষার্থী। অনেক বাধা পাওয়া সত্ত্বেও ইংরেজি সাহিত্য নিয়ে পড়াশুনা করেছেন। কয়েক বছর শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তবে বর্তমানে এক পুত্র সন্তানের জননী হওয়ায় কর্মজীবন স্থগিত রয়েছে। লেখালেখির থেকেও পড়তে বেশি ভালোবাসেন। মানুষের মনের কথা ও ছোটদের রঙিন জীবন নিয়ে লিখতে বেশি পছন্দ করেন। ভালো লেখিকা হওয়ার স্বপ্ন দেখেন প্রতি মুহূর্তে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleরহস্য রোমাঞ্চ : সম্পাদনা – বিশ্বরূপ মজুমদার
    Next Article ভৌতিক অলৌকিক ২ – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    Related Articles

    বিশ্বরূপ মজুমদার

    ভৌতিক অলৌকিক ১ – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    November 4, 2025
    বিশ্বরূপ মজুমদার

    ভৌতিক অলৌকিক ২ – সম্পাদনা : বিশ্বরূপ মজুমদার

    November 4, 2025
    বিশ্বরূপ মজুমদার

    রহস্য রোমাঞ্চ : সম্পাদনা – বিশ্বরূপ মজুমদার

    November 4, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }