Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইতি নির্ভয়পুর – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প315 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ইতি নির্ভয়পুর – ১০

    ১০

    “আচ্ছা পামেলা, এই যে আমি তোমার দুয়ারে ভিখিরির মতো আসি, তুমি কখনও অবচেতন মনেও আমার কথা ভাবো?”

    প্রাক্তন ফুটবলার সুনীল সেনগুপ্তর চোখ দুটো ছল ছল করছে। পুরুষ মানুষদের কাঁদাতে পামেলার ভীষণ আনন্দ হয়। ওর সামনে মৃণাল ঘোষালের মতো জাঁদরেল লোকও কাঁদতে শুরু করে। বলে, “পালো, তুমি কেন আমার হলে না?”

    পামেলা ওর মাখনের মতো হাত দুটো দিয়ে ঘোষালের চোখের জল মুছিয়ে দিয়ে বলে, “কে বলল হইনি? তোমাকেই আমি সব থেকে কাছের বন্ধু ভাবি মৃণাল। আমার কাছে আসার চেষ্টা তো সমাদ্দারও কম করেনি। ঘেঁষতে দিয়েছি কখনও?”

    মৃণাল উত্তেজিত হয়ে বলে, “শুয়োর একটা, ধান্দাবাজ। ওটাকে একেবারেই ঘেঁষতে দেবে না।”

    সুনীল সেনগুপ্তর সামনে ফরেন লিকারের গ্লাসটা তুলে দিয়ে পামেলা বলে, “আহা সুনীল, তুমি এমন ছিঁচকাঁদুনে কেন বলো তো? স্পোর্টসম্যান স্পিরিট কই? সামনে ইলেকশন, এখন কি এসব কান্নাকাটির সময় আছে? ভোটে জিতলে আমি প্রধান আর তুমি উপপ্রধান হবে সুনীল। দেখো, এতদিন রাঘব সান্যালের অনেক অত্যাচার সহ্য করেছে নির্ভয়পুরের লোকজন। রাঘব থাকে জলপাইগুড়িতে। আর নির্ভয়পুর নাকি ওর জন্মভূমি, তাই ইলেকশন লড়ে এখান থেকে। নির্ভয়পুরের কোনও প্রয়োজনে আসে রাঘবরা? জল থেকে পাওয়ার প্রতিটা বাড়িতে পৌঁছে দেব আমরা। এটাই প্রচার করো।”

    সুনীল পামেলার ডান হাতটা খপ করে ধরে বলল, “আমি শুধু আমার প্রাণটাই দিতে বাকি রেখেছি তোমার জন্য। বলো তো সেটাও দিই।”

    পামেলা ওর ঘায়েল করা রহস্যময় হাসিটা হেসে বলল, “আমি জানি সুনীল, নির্ভয়পুরের লোকজন তোমায় ঘরের ছেলে মনে করে। সেটাই কাজে লাগাও।”

    সুনীল নেশা লাগা গলায় বলল, “তোমার সিট সিকিওর পামি। রংবুলে আমার সিট নিয়ে একটু চিন্তায় আছি। রংবুলে রাঘব যাকে দাঁড় করিয়েছে সে একজন সমাজসেবী মহিলা। কারও কিছু হলে সকলেই সবিতা দস্তিদারের কাছেই ছোটে। মহিলার বিশাল ইমেজ। নির্ভয়পুর পঞ্চায়েত ছোট হলে কী হবে তিনটে পার্টিই স্ট্রং। খুব কম মার্জিন থাকে একে অপরের থেকে। দু চারজন ভোটার এদিক-ওদিক করলেই হেরে যাবার চান্স।”

    পামেলা হেসে বলল, “মহিলার হাজবেন্ড কী করে খোঁজ নাও। মহিলা রাজনীতি করে বেড়াচ্ছে, স্বামী নিশ্চয়ই বাড়িতে অবহেলিত হচ্ছে। খোঁজ নাও সুনীল। একদিন ক্লাবে ভেকে ড্রিঙ্ক করাও, টাকাপয়সা লাগলে দাও। তোমায় নিয়ে আর পারি না। আর ওই শৌনক বসুকেও একদিন ভিনারে ডাকো। নির্ভয়পুর হসপিটালে কী কী লাগবে তার একটা লিস্ট দরকার আমার।”

    সুনীল পামেলার গালে নিজের রুক্ষ হাতটা বুলিয়ে বলল, “তোমার মধ্যে আমি শুধুই সম্ভাবনা দেখতে পাই পামি। ইউ আর রিয়েলি ব্রিলিয়ান্ট।”

    সুনীল যখন একটু বেশিই আবেগপ্রবণ হয়ে ওঠে তখন পালোকে পামি বলে ডাকে। এক্স ফুটবলার বলেই শরীরচর্চাটা এখনও বজায় রেখেছে সুনীল। আর ওর এই টান টান চাবুকের মতো শরীরটাই বেশি পছন্দের পামেলার। সরাসরি না বললেও ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দেয় পামেলা।

    পামেলা পরিষ্কার বলে, “সুনীল আমি বেডরুমের কথা বেডরুমে রাখতেই পছন্দ করি। যদি কোনওদিন পাঁচকান হয়, জানবে সেদিন থেকে তুমি আমার বেডরুমে ঢোকার অধিকার হারালে।”

    সুনীল অনুভব করে, বিছানায় পামেলা যেন একুশের তন্বী। সুনীল হাঁপিয়ে যায় ওকে খুশি করতে গিয়ে। কিন্তু যখনই ওয়াশরুম থেকে ফিরে পোশাক বদলে নেয় পামেলা, তখনই ওর গলার স্বর আবার সেই সাবধানি বিজনেস ওম্যানের মতো। পামেলার ওই যত্ন করে গড়ে তোলা শরীরটার অধিকার সুনীল মাসে দু’বারের বেশি পায় না।

    পামেলা বলে, “বয়েস হচ্ছে সুনীল, সংযম দরকার।”

    সংযমের সেই জীবনই তো পালন করছিল সুনীল। অবিবাহিত জীবনই কাটাচ্ছিল। কোনওদিন কেউ বলতে পারবে না সুনীলের কোনও মহিলাঘটিত দুর্নাম আছে। কিন্তু ওর ব্রহ্মচারী জীবন ভাঙল তো পামেলা। পামেলাকেও ও সম্মানের চোখেই দেখেছিল।

    ওর ফুটবল ক্লাবের জন্য মোটা অঙ্কের অর্থ ডোনেট করার পরেই পামেলা একদিন ওকে বাড়িতে ডেকে এনেছিল। না ড্রয়িংরুমে নয়, সোজা বেডরুমে নিয়ে গিয়েছিল। স্বচ্ছ পোশাক পরে ওর সামনেই বিছানায় শুয়ে বলেছিল, “পরখ করছি নিজের সৌন্দর্য, তোমার মতো সুপুরুষকে যদি আকৃষ্ট করতে না পারি তা হলে কাল থেকে ছেড়েই দেব রূপচর্চা।”

    এ ইঙ্গিতে যে কোনও কেউ ঘায়েল হবেই। সাড়া দিতে বাধ্য হয়েছিল সুনীল। ঠিক যেন সম্মোহনী ডাক।

    রতিক্লান্ত পামেলা বলেছিল, “সুনীল, আমি যে তোমার ভার্জিনিটি নষ্ট করে ফেললাম, দুঃখ হচ্ছে নাকি?”

    সুনীল বলেছিল, “স্বপ্ন মনে হচ্ছে।”

    সেই শুরু ওদের গোপন সম্পর্কের। বাইরে ওরা বিজনেস পার্টনার, সোশ্যাল ওয়ার্কার, কিন্তু বেডরুমের নীল আলোর ওরা বেড পার্টনার 1

    সুনীল বলেছিল, “পামেলা, আমরা বিয়ে করতে পারি না?”

    পামেলা হেসে বলেছিল, “আমি মিস পামেলা মিত্ৰতেই অভ্যস্ত। ভবিষ্যতে আর এসব সম্পর্ক পাতানোর কথা বলবে না।”

    পামেলা রহস্যময়ী। ঠিক শীতকালে চার্চের মাঠে জমে থাকা ভোরের কুয়াশার মতোই। মনে হয়, বুঝি একটু এগোলেই গোটা মাঠ দেখা যাবে, কিন্তু যত এগিয়ে যায় ততই যেন চাপ চাপ কুয়াশা আরও অন্ধকার করে দেয়। সুনীল ভয় পায় পামেলাকে। হারানোর ভয়। ইদানীং আর-একটা ভয় যোগ হয়েছে, কোনও কারণে যদি ইলেকশনে পামেলা হেরে যায়, তা হলে হয়তো সুনীলকে আর চিনতেই পারবে না পামেলা। নির্ভয়পুরে সুনীলের ইমেজটাকে কাজে লাগিয়েই ভোটে জয়ী হতে চাইছে পামেলা। কিন্তু সুনীলের অবজারভেশন বলছে, সুজয় হাঁসদার পপুলারিটি অনেক বেশি। নির্ভয়পুরের লোকজন পামেলাকে মালিকপক্ষই ভাবে। নিজেদের ঘরের লোক কেউ মনে করে না। সুজয়ের সামনে দাঁড়ানো মুশকিল। এছাড়াও এখানের বর্তমান জয়ী দলের রাঘব তো আছেই। পামেলার এই ক্ষমতার প্রতি আসক্তিকে বড়ো ভয় করে সুনীলের। কিছুতেই যেন তৃপ্ত হয় না পামেলা। টাকার গদিতে শুয়ে আরও টাকার স্বপ্নই দেখে ও। পাওয়ার, পজিশন, মানি আর গ্ল্যামারের প্রতি অদ্ভুত নেশা পামেলার। জীবনের একটা দিনও বোধহয় ও নির্ভেজাল আনন্দ উপভোগ করতে পারেনি, কারণ ওর মাথায় চব্বিশঘণ্টা ঘুরছে, কেউ ওর থেকে এগিয়ে গেল না তো!

    নিজের মুখে ব্র্যান্ডেড একটা ক্রিম ঘষতে ঘষতে পামেলা বলল, “এই সুনীল, আমায় বয়স্ক লাগে নাকি আজকাল? হাঁপিয়ে যাই নাকি?”

    সুনীল অন্যমনস্কভাবে বলল, “তুমি হলে গ্ল্যামার কুইন। আর এনার্জি নিয়ে কোনও কথা হবে না।”

    পামেলা সুনীলের হাতটা ধরে বলল, “কী গো, এত অন্যমনস্ক হয়ে ভাবছটা কী?”

    সুনীল বলল, না ভাবছি, এবারের ইলেকশনে বেশ লড়াই হবে। প্রতিবার তো প্রায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রাঘব জিতে যায়। মৃণাল ঘোষাল যেবার দাঁড়িয়েছিল সেবারেও গোহারা হেরেছিল। আসলে নির্ভয়পুরের লোকজনের মাথায় ঢুকেই গেছে, তোমরা হলে বাইরের লোক।”

    পামেলা ক্রিম মাসাজ বন্ধ করে সোজাসুজি সুনীলের দিকে তাকিয়ে বলল, “তুমি বোধহয় এতদিনে জানো, আমি পরাজয় শব্দটাকে অত্যন্ত ঘৃণা করি। তাই আমার সামনে এসব নেগেটিভ কথা বলবে না। টাকা নাও, প্রচার করো। এনি কস্ট আমার পোস্ট চাই। নির্ভয়পুর ছোটো জায়গা। রংবুল ইদানীং আয়তনে বাড়ছে, কিন্তু নির্ভয়পুরের প্রতিটা ঘর তুমি চেনো। প্রতিটা ঘর ঘুরতে তোমার সময় লাগবে বড়োজোর তিন দিন। ওদের ঘরে গিয়ে ওদের সমস্যার কথা শোনো। ওদের বোঝাও, পামেলা-ম্যাম এলেই ওদের এই ভিখিরি অবস্থার উন্নতি হবে। সুজয় হাঁসদা ওদের কোনও স্বর্গ দর্শন করাবে না। এটা বোঝাও সুনীল। আর শোনো, তোমার ক্লাবে একটা ফুটবল টুর্নামেন্ট অ্যারেঞ্জ করো। নির্ভয়পুরের বাচ্চাদের মাংস-ভাত খাওয়াও। পুরস্কার আমি দেব। খাওয়ার টাকাও আমি দেব। তাড়াতাড়ি করো।”

    সুনীল বলল, “এটাতে লাভ হবে?”

    পামেলা হেসে বলল, “কীসের লাভ সুনীল? বাচ্চাগুলোকে একদিন খাওয়াব, সেখানেও লাভ-লোকসান হিসেব করব? তুমি কি আমায় চামার সমাদ্দার পেলে নাকি? আর শোনো সুজয়ের দুর্বলতা কী, সেটা খুঁজে বের করো।”

    সুনীল একটা দীর্ঘশ্বাস গোপন করে উঠে পড়ল। এত দিনে ও জেনে গেছে, পামেলার চাওয়া মানে আবদার নয়, আদেশ। সুনীলের খারাপ লাগছে, নির্ভয়পুরের মানুষগুলো ওকে বিশ্বাস করে, ভালোবেসে তাদের ঘরের ছেলেদের ওর কাছে পাঠায়। সেটুকুও স্বার্থের কাজে লাগাতে হচ্ছে বলেই অন্তর্দ্বন্দ্বে ভুগছে ও। একদিকে পামেলার আকর্ষণ, বিলাসবহুল জীবনের হাতছানি, অন্যদিকে নির্ভয়পুরের ফুটবলপ্রেমী ছেলেগুলোকে জীবনে প্রতিষ্ঠিত করে নিজের স্বপ্নটুকু বাঁচিয়ে রাখার চেষ্টা। এমন দ্বন্দ্বে পড়ে হাঁসফাঁস করছে সুনীল। প্লেয়ার বানাতে গেলে টাকা লাগে, তার জোগান দেবে পামেলা। কিন্তু যদি হেরে যায় তা হলে তো আর ফুটো কড়ি দাম থাকবে না সুনীলের ওর কাছে। ব্যবহার করা টয়লেট পেপারের মতো ওকে ছুড়ে ফেলে দিতে দু’বার ভাববে না পামেলা মিত্র। বড্ড নিষ্ঠুর মহিলা। সেন্টিমেন্টের কোনও মূল্য নেই ওর কাছে।

    সুনীল ওকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিল, “নির্ভয়পুরের মতো ছোটো জায়গার পঞ্চায়েত প্রধান হয়ে কী হবে পামেলা? তুমি কলকাতায় দাঁড়িয়ে রাজনীতি করতে পারতে। তাছাড়া নির্ভয়পুর পঞ্চায়েতের আন্ডারে বুরগুন্দি, রংবুল, নিশান, দক্ষিণপাড়ার ক্যান্ডিডেটদের মধ্যে থেকে যে কাউকে প্রধান করবে না তার কি গ্যারেন্টি আছে?”

    পামেলা নিজের কোম্পানির গোল্ডেন কালারের চায়ে চুমুক দিয়ে বলেছিল, “কলকাতায় চেষ্টা করিনি, সেটা তোমায় কে বলল? টাকাও ঢেলেছিলাম। কিন্তু টিকিট পাইনি। ওটা বড়ো মাঠ সুনীল। ওখানে শুধু ব্যবসাদার হলে টিকিট পাওয়া যায় না। পরিচিত ফেস হতে হবে। নির্ভয়পুর দিয়েই আমি আমার রাজনীতির কেরিয়ার শুরু করতে চাই। পঞ্চায়েত প্রধান থেকে একদিন মন্ত্রী হব। এটাই আমার চ্যালেঞ্জ। তখন আমার রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড আছে কি না, সেটা নিয়ে প্রশ্ন করার লোক থাকবে না। আরেকটা কথা হিমসাগর পেলে কেউ পেয়ারাফুলি খাবে? বীরেনদা আমায় কথা দিয়েছে, আমি জিতলে প্রধান হিসেবে আমাকেই সিলেক্ট করবে পার্টি।”

    সুনীল বুঝেছিল, পামেলা ছক কষেই নেমেছে। সিঁড়ি বেয়ে উঠবে। সুনীল হচ্ছে সেই সিঁড়ির একটা ধাপ মাত্র।

    পামেলার বাড়ি থেকে বেরোনোর সময়ই নীহারের সঙ্গে দেখা। দেখে তো মনে হল না অফিস থেকে এল, মনে হল, ছবি আঁকার জন্য মডেল খুঁজতে গিয়েছিল। সমুদ্রনীল রঙের টি-শার্টের ওপরে সাদা পাতার প্রিন্ট আর কার্গো প্যান্ট পরে নিশ্চয়ই মিত্র এস্টেটের মালিক অফিসে যাবে না। সেটা পামেলার মতো নিখুঁত মহিলা মেনেও নেবে না। সে যতই ভাই হোক।

    দামি গাড়ি থেকে নামল নীহার, পিঠে ওর আঁকার সরঞ্জাম। সুনীলের দিকে তাকিয়ে মুচকি হেসে বলল, “ম্যাডামের মুড এখন কেমন সুনীলদা?”

    নীহার ছেলেটা দিদির মতো নাক উঁচু নয়। ডাউন টু আর্থ বলেই এই ক’মাসেই নির্ভয়পুরের মানুষদের কাছে বেশ আপন হয়ে উঠেছে। সেদিন সুনীল দেখেছে, ফুলমণিকে সামনে বসিয়ে ছবি আঁকছিল। মাটির ওপরে চাটা বিছিয়ে বসেছিল নীহার। সুনীলের বেশ পছন্দ নীহারকে। পামেলার আওতায় থাকলেও নীহার বেশ স্বতন্ত্র। অর্থ ছাড়াও পৃথিবীর অন্য রূপ নজরে পড়ে ওর। নির্ভয়পুরের ঘরে ঘরে ঘুরে বেড়ায় ছেলেটা। এখানের বাসিন্দাদের সঙ্গে বেশ ভাব হয়ে গেছে। এদিকে ওর দিদি মনে করছে, এসি ঘরে বসে ইলেকশন জিতবে শুধু সুনীলের ইমেজের জোরে। নিজে একদিনও নির্ভয়পুরের মানুষদের বাড়ির উঠোনে অবধি পা রাখেনি পামেলা। সুনীল প্রস্তাব দেওয়ায় হেসে বলেছিল, “দুঃখিত সুনীল, আমি ওই ভিখারিদের বাড়ি বাড়ি ঘুরে ভোট চাইতে পারব না। একটা জনসভা অ্যারেঞ্জ করো, সেখানে এদের জড়ো করো, তখন না হয় একটা জ্বালাময়ী বক্তৃতা দিয়ে দেব।” সুনীল বোঝানোর চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছিল।

    নীহার বলল, “সুনীলদা একটা কথা বলুন, আপনি যদি নির্ভয়পুরের মানুষ হতেন, তা হলে পামেলা মিত্রকে ভোট দিতেন? দিলে কেন দিতেন?”

    সুনীল মাথা নিচু করতেই নীহার বলল, “নিজেই যখন বিশ্বাস করেন না, তখন তার হয়ে প্রচার করছেন কেন? ভায়? শুনুন, পামেলা মিত্রকে যত ভয় পাবেন, তত ভয় দেখাবে ও। আমিও ঘুরি এই অসহায় মানুষগুলোর বাড়িতে বাড়িতে। দেখি এদের জীবনযাত্রা। কতটা কষ্টে আছে এরা। বর্তমান প্রধান রাঘব এদের জন্য কিছুই করেনি বলতে গেলে। পামেলাও করবে না। আর এমএলএ তো জলপাইগুড়ি শহরে বাড়ি হাঁকিয়ে আছে। ওই রাঘবের কাছ থেকেই শুনে নেয় এখানের লোকজন কত সুখে আছে। নিজে এসে তো

    দেখার প্রয়োজনও মনে করেন না গ্রামের মানুষগুলো কেমন আছে? পামেলা এখানে অনেকটা জায়গা কিনে রেখেছে। সেখানে দুটো হ্যান্ডলুম কারখানা খুলতে চায়। পুরো উত্তরবঙ্গকে ওর কারখানার তৈরি চা আর কাপড় বেচতে চায়। মুশকিল হচ্ছে, রাঘব কী সব গ্যাঁড়াকল করে ওই হ্যান্ডলুম কারখানার পারমিশন বাতিল করিয়ে দিয়েছে। তাই দিদি এখন রাঘবের জায়গায় বসতে চাইছে। খুব সিম্পল হিসেব। না হলে পঞ্চায়েত প্রধানের মতো সামান্য পদে বসার জন্য দিদি এত মাথা খারাপ করত না।”

    সুনীল বলল, “আমি জানি। রাঘব অন্যায় কিছু করেনি। পলাশবনার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে যাবে ওখানে যদি হ্যান্ডলুম কারখানা হয়। পাকা সড়কের সঙ্গে মেশাতে হবে পলাশবনার পাশের রাস্তাটা। সেই কারণ দেখিয়েই রাঘব পারমিট বাতিল করিয়ে দিয়েছে ওপর মহল থেকে। এই থেকেই রাঘবকে সরানোর জন্য উঠেপড়ে লেগেছে পামেলা।”

    নীহার বলল, “আমার দিদি তো, তাই জানি সুনীলদা, স্বার্থ ছাড়া এক পা-ও হাঁটে না। নির্ভয়পুরে যদি পামেলা মিত্র জয়ী হয়, তা হলে এদের আরও দুর্দশা হবে। অথচ এরা বুঝতেও পারবে না, ঠিক কী ঘটে চলেছে এদের সঙ্গে। আপনাকে এরা বিশ্বাস করে সুনীলদা, আপনি এদের এত বড়ো ক্ষতি করবেন?”

    সুনীল ভীত গলায় বলল, “না হলে যে তোমার দিদি আমায় শেষ করে দেবে নীহার। পামেলার সাজানো চক্রব্যূহের মধ্যে যেদিন পা রেখেছিলাম, সেদিন ওর এই নিখুঁত প্ল্যানের খবর আমার কাছে অজানা ছিল। যখন জানলাম, তখন আমার আর কিছু করার নেই। স্রোতের টানে ভেসে যাওয়া ছাড়া আর কোনও উপায় নেই।”

    নীহার দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, “জানি সুনীলদা। আমিও দিদির দাবার একটা ঘুঁটি। জানি না দিদি হঠাৎ নির্ভয়পুরের মিত্র এস্টেটের দায়িত্ব আমায় কেন দিতে চাইছে। এ ধাঁধার হদিশ এখনও আমি পাইনি। পামেলা মিত্র কাউকে এক চুল জায়গা ছাড়ে না, যদি সে দিদির কেনা গোলাম না হয়। মেজদি, জামাইবাবু দিদির দাসত্ব স্বীকার করেছে বলেই দিদি দরাজ হাতে ওদের দায়িত্ব ছেড়েছে। কিন্তু আমি তো এখনও দিদির ক্রীতদাসে পরিণত করিনি নিজেকে, তাও কেন দিদি আমায় এত যত্ন করে এখানের কোম্পানির এমডি করে দিল, বুঝলাম না। যদিও প্রতিটা কাগজে সাইন করার জন্য পিয়নের মতো আমায় ফাইল বয়ে পামেলা মিত্রর কাছেই নিয়ে আসতে হচ্ছে, কিন্তু তবুও আমার রুমের সামনে যে নেমপ্লেটটা লাগানো হয়েছে তাতে আমায় এমডি বলেই উল্লেখ করা হয়েছে। এ রহস্য আমি এখনও ভেদ করতে পারিনি। তবে আমি এটুকু বলতে পারি সুনীলদা, পামেলা মিত্র এখন যতই বড়ো বড়ো কথা বলুক, নির্ভয়পুরের লোকেদের জন্য কিছুই করবে না ভবিষ্যতে।”

    সুনীল বিমর্ষ মুখে বলল, “এটা আমি জানি নীহার। আসলে গরিব মানুষদের নিয়ে আর্টিকেল লিখলে লেখকের নাম হয়, কিন্তু তাদের একটা পাঁচ টাকার কেক কিনে দেবার লোক খুঁজে পাওয়া যায় না। যদি বা পাওয়া যায়, সেটাও কেক হাতে ছবি পোস্ট করার জন্য। আসলে এদের দুঃখ বিক্রি করে নাম কিনতে চায় অনেকেই, কিন্তু এদের দুঃখ কমানোর ব্যাপারে সবাই বড়ো উদাসীন।”

    নীহার বলল, “আমার খুব খারাপ লাগে সুনীলদা আপনার জন্য, আমার জন্য। আমরা যারা পামেলা মিত্রর কাছের লোক, তাদের জন্য খারাপ লাগে।”

    সুনীল মাথা নিচু করে চলে এল। খারাপ লেগে তো লাভ নেই। টার্গেট ফুলফিল না করতে পারলে পামেলা ওই খাদের ধার থেকে ছুড়ে ফেলে দেবে সুনীলকে। না, ওর হাত কাঁপবে না। তাই বিবেকের কথা শোনার সময় এখন নেই সুনীলের। একটা ফুলবল টুর্নামেন্ট, একটা জনসভা আর রংবুলের প্রার্থী সবিতার হাজবেন্ডকে কবজা করার লক্ষ্যে দৌড়াতে হবে সুনীলকে। সবিতা যাতে হারে সেই চেষ্টা করতে হবে, এদিকে সুজয়কে হারাতে হবে। আজকাল বড়ো ক্লান্ত লাগে সুনীলের। বয়েসকালে এসে কেন যে লোভ ওকে গ্রাস করল কে জানে! ওর স্বাভাবিক জীবনটাই হারিয়ে ফেলেছে ও।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালির যৌনচর্চা : বটতলা থেকে হলুদ বই – অর্ণব সাহা
    Next Article নির্বাচিত গল্প ১ – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }