Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইতি নির্ভয়পুর – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প315 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ইতি নির্ভয়পুর – ১৭

    ১৭

    “কীসের বিপদের কথা বলছ সুনীল? জলের মতো টাকা খরচ করছি কি তোমার ভ্রুর ভাঁজে দুশ্চিন্তার ছায়া দেখব বলে? কালকে ফুটবল টুর্নামেন্টটার অ্যারেঞ্জ করেছ তো?”

    সুনীল সেনগুপ্ত গম্ভীরভাবে বলল, “সেটা নিয়ে চিন্তা নেই। সে সব হয়ে যাবে। কিন্তু একটা খবর আছে। কনকলতা ঘোষাল হঠাৎ সুজয় হাঁসদার পক্ষ নিয়েছে। ইলেকশনের জন্য কনকলতাও অর্থসাহায্য করছে সুজয়কে।”

    পামেলা চেয়ার ছেড়ে উঠে পড়ে বলল, “মানে? কিন্তু কেন? মিসেস ঘোষালের আবার কীসের স্বার্থ? ঘোষাল তো আমার সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। আর মিসেস ঘোষালের বিশাল কোনও প্রতিবাদী সত্তা আছে বলে তো শুনিনি 1 ওই তো শাড়ি জড়ানো পুঁটলি। স্বামীর কথাতে পরিচালিত জীববিশেষ। ও নিয়ে তুমি চিন্তা কোরো না সুনীল। আমি আজকেই ঘোষালের সঙ্গে বসে কথা বলে নেব। তুমি আমার পিঠে একটু ক্রিম ম্যাসেজ করে দাও প্লিজ।”

    অন্যদিন হলে সুনীল পামেলার ঘনিষ্ঠ হবার ছুতো খোঁজে, কিন্তু আজ যেন ওর ভ্রুর ভাঁজ মেলাতেই চাইছে না।

    সুনীল বলল, “আর-একটা খবর তোমায় দেবার আছে। নীহার কিন্তু ওই আদিবাসী মেয়েটার সঙ্গে গ্রিনভ্যালির রুমেও যাচ্ছে।”

    পামেলা হেসে বলল, “আচ্ছা সুনীল তোমার কী মনে হয় আমায়? আমার কোনও সোর্স নেই? সব আছে। নীহারের যা বয়েস তাতে এসব একটু-আধটু তো করবেই। এখন যদি তুমি কুত্তলী নামের মেয়েটাকে আমার ভাইয়ের বউ করে নিতে বলো, তা হলে আমি অপারগ। ভোটে জেতার জন্য এতটা স্যাক্রিফাইস করা সম্ভব নয়।”

    সুনীল বলল, “কিন্তু এটাকে যদি তোমার বিরুদ্ধে প্রচারে কাজে লাগায় তখন?”

    পামেলা ক্রিমটা ড্রেসিং টেবিলে রেখে বলল, “মানে?”

    সুনীল বলল, “আদিবাসী মেয়ের সঙ্গে ভালোবাসা করেছে পামেলা মিত্রর ভাই। এভাবে একটা মেয়ের সঙ্গে মেলামেশা করার পরে নীহারকেই বিয়ে করতে হবে বলে দাবি তোলে, তখন কীভাবে সামাল দেবে?”

    পামেলার গ্লসি স্কিনেও এক চিলতে দুশ্চিন্তা হানা দিল যেন।

    সুনীল বলল, “তাছাড়া নীহার আদিবাসীদের বাড়ি বাড়ি ঘোরে। এখানে ও বেশ পরিচিত। ওর পপুলারিটিও যথেষ্ট। আমি তোমাকে বলছি পামেলা, কুত্তলীর সঙ্গে নীহার বিয়ে করবে বলে মনস্থ করেছে।”

    পামেলা ছিটকে ঘর থেকে বেরিয়ে গেল। মিনিট দুয়েক পরে জুসের দুটো গ্লাস নিয়ে টেবিলে রেখে বলল, “নীহারকে ফোন করে বলো, এখনই যেন বাড়ি চলে আসে। দিদি খুব অসুস্থ।”

    সুনীল জুসের গ্লাসটা হাত তুলেছিল, কিন্তু চুমুক দেবার আগেই টেবিলে ঠক করে রেখে দিয়ে বলল, “মানে? করতে কী চাইছ সেটা তো ক্লিয়ার করো। আমি এসব মিথ্যে বলতে পারব না নীহারকে। ও আমায় ভালোবাসে, সম্মান করে।”

    পামেলা সুনীলের চওড়া বুকে আলতো করে হাত বুলিয়ে বলল, “তুমি বুড়ো হয়ে যাচ্ছ না আমি?”

    সুনীল ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে বলল, “পামেলা মিত্র পলাশবনার মতো এভারগ্রিন, সেটা সবাই জানে।”

    পামেলা বর্ষার ভরা জলের রঙ্গিত নদীর মতো খিলখিল করে হেসে বলল, “তা হলে তুমিই চার্চটার মতো বুড়ো হচ্ছ। আমি আর আকর্ষণ করছি না তোমায়। এসব কেজো কথায় সন্ধেটা কাটিয়ে দিলে। সেই সুনীল কোথায়, যার হাতের ছোঁয়ায় আমার শরীরে আগুন ধরে যায়। প্লিজ সুনীল, হারিয়ে যেয়ো না। তুমি তো জানো, আমি তোমায় কতটা ভালোবাসি।”

    ঘোষালের সঙ্গে পামেলার ঘনিষ্ঠ হয়ে বসার ছবিটা দেখার পর থেকেই সুনীলের মনে বিন্দু বিন্দু অভিমান জমেছিল। পামেলার বলা ভালোবাসি কথাটাতে সেই অভিমানের প্রাচীরে গিয়ে উষ্ণতার বাতাস বইয়ে দিল মুহূর্তে।

    পামেলা সুনীলের কাঁধে মাথা রেখে বলল, “আমি কাউকে বিশ্বাস করি না সুনীল। নিরঞ্জন, ঘোষাল, মল্লিক কাউকে নয়। এরা সবাই ধান্দাবাজ। আমি শুধু তোমায় বিশ্বাস করি। এই বিশ্বাসটা কোথা থেকে এসেছে জানো? ভালোবাসা, অধিকারবোধ এগুলো থেকে। তোমার হয়তো মনে হচ্ছে আগাপাশতলা যান্ত্রিক, স্বার্থপর মহিলার মুখে এসব কী কথা? কিন্তু সুনীল, আমার এই মোম সাদা চামড়ার নিচে রক্ত-মাংসই তো আছে, তাই না? সে-ও তো একটা ভরসাযোগ্য কাঁধ চায় যেখানে পরিশ্রান্ত হয়ে মাথা রাখা যায় নিশ্চিন্তে। এই যে সেদিন ক্লাবে ঘোষাল আমার হাত ধরে আবেগ জানাতে এসেছিল, আমি তো জানি ও কী চায়? আমায় বিজনেস পার্টনার করতে চায়। না সুনীল ঘোষাল, সমাদ্দার কাউকেই আমি বিজনেস পার্টনার করব না। আমি আমার ভাই-বোনকে পার্টনার করিনি। যদি বিজনেস পার্টনার করতেই হয়, তা হলে আমি যাকে সব থেকে বিশ্বাস করি, যার নিজস্ব কোনও স্বার্থ নেই, যে আমার জন্য এনে দিতে পারে একশো আটটা নীল পদ্ম, তাকেই করব। তুমি হবে আমার বিজনেস পার্টনার। জানি তুমি না বলবে। কারণ, তুমি পামেলা মিত্রকে ভালোবাসো আর বাসো তোমার ফুটবল ক্লাবকে। তাই তোমার এসব সম্পত্তির দরকার নেই, তাই তো? কিন্তু আমি দিতে চাইলে অস্বীকার করার ক্ষমতাও তোমার নেই সুনীল। এটুকু আমি তোমায় চিনি।”

    সুনীলের কাঁধ থেকে মাথা তুলে দেখল পামেলা, ওর চোখে বর্ষার মেঘ থই থই করছে। আর-একটু হলেই বৃষ্টি নামবে। সত্যি পুরুষমানুষগুলো বড়ো বেশি বিশ্বাস করে ওকে। ভাগ্যিস করে, তাই পামেলার কাজ এত সহজ হয়।

    সুনীল ওকে জড়িয়ে ধরে বলল, “আমি তোমায় হারতে দেব না পামেলা, নিজের সবটুকু দিয়েও তোমায় জয়ী করব।”

    পামেলা বলল, “হার-জিতের লড়াই আমি জীবনে অনেক করেছি সুনীল। আমি শুধু তোমায় একটাই কথা বলতে চাই, তুমি আমার ছিলে, আছ আর থাকবে। আমি তোমার হাত ধরে বুড়ো হতে চাই। আমার চোখের নিচের ভাঁজ, কুঁচকে যাওয়া চামড়া, ঝুঁকে যাওয়া শিরদাঁড়া, চুল কমে যাওয়া সিঁথির অধিকার শুধু তুমিই নিয়ো প্লিজ। কারণ আমি জানি, তখন আমার পাশের ভিড় হালকা হয়ে গেলেও তুমি থেকেই যাবে।”

    সুনীল বলল, “আমি না হয় নীহারকে ফোন করলামও, কিন্তু তারপর? কী বলবে তুমি ওকে?”

    পামেলা বলল, “ওকে কলকাতা পাঠিয়ে দেব ভোট হওয়া পর্যন্ত। মায়ের শরীরটা খারাপ, বোন একা ব্যবসা সামলাবে না মাকে দেখবে?”

    সুনীল বলল, “হ্যাঁ, এটা ভালো প্ল্যান।”

    পামেলার কথা শেষ হবার আগেই বাইরে একটা গন্ডগোলের আওয়াজ পেল।

    সুনীল বলল, “বাড়ির গেটে চেঁচামেচি কীসের?”

    পামেলা অবিন্যস্ত পোশাকটা ঠিক করতে করতে বলল, “দেখো হয়তো ভিখারিরা এখন থেকেই লাইন দিয়েছে পঞ্চায়েত প্রধানের কাছে দাবি নিয়ে।” ব্যালকনি দিয়ে তাকাতেই দেখতে পেল বিশাল মিছিল বেরিয়েছে। সুজয় মাইকে বলতে বলতে চলছে। পিছনে নির্ভয়পুরের মানুষজন গলা মেলাচ্ছে। এই মিছিলে একজনকে দেখে চমকে উঠল পামেলা। সুজয়ের পাশে হাঁটছে কনকলতা ঘোষাল। কুত্তলীর গায়ের পোশাকটা পামেলাকে দ্বিতীয়বার চমকানোর সুযোগ করে দিল। এ ড্রেস তো ওর কলকাতার শো-রুমের ড্রেসটার দাম চোদ্দো হাজার টাকা। ওর নিজের একটা সেম সালোয়ার-স্যুট আছে। মাত্র তিনপিস ডিজাইন করে দিয়েছিল ওর নিজস্ব ডিজাইনার। ওরা দুই বোন দুটো নিয়েছিল। আর একটাই পড়ে ছিল পিঙ্ক কালারের। সেটাই পরে আছে কুন্তলী। অসহ্য রাগে মাথাটা গরম হয়ে গেল পামেলার।

    ব্যালকনি থেকেই দেখল, নীহারের গাড়িটা ঢুকছে গ্যারেজে। তার মানে, সুনীলের ফোন পেয়েই চলে এসেছে। এখন মাথা গরম করলে চলবে না। মাথা ঠান্ডা করে পুরো বিষয়টা হ্যান্ডেল করতে হবে। নীহার বাড়িতে ঢোকার আগেই ছুটে গিয়ে বিছানায় শুয়ে পড়ল পামেলা। সুনীলকে ইশারায় বলল, “বলবে খবরটা শোনার পর থেকেই টেনশন করে অসুস্থ হয়ে পড়েছে পামেলা।”

    নীহার ঘরে ঢুকেই বলল, “কী হয়েছে বড়দি?”

    পামেলা মাথাটা তুলে বলল, “মায়ের শরীর খারাপ হয়েছে রে। তুই কালকের ফ্লাইট ধরে কলকাতা চলে যা। বোন একা পারছে না।”

    নীহার যেন একটু চমকেই বলল, “কিন্তু কখন হল? আমার সঙ্গে তো কাল রাতেই মায়ের কথা হল। তখন তো ঠিক ছিল।”

    পামেলা বলল, “প্রেশার হাই হয়ে গেছে তোর চিন্তায়। ছেলে ছেলে করে মায়ের এই হাল। তোর ছোটদিই বলল, নিরুকে না দেখলে মায়ের প্রেশার কমবে না।”

    নীহার বলল, “বেশ, আমি টিকিট বুক করে নিচ্ছি তৎকালে। কিন্তু এস্টেটের কিছু কাজ পেন্ডিং আছে তো।”

    পামেলা বলল, “ওসব আমি দেখে নেব ভাই। দেখ না, তোর সুনীলদাকে তাই বলছিলাম, ভোট ভোট করে এস্টেটের কাজ দেখাই হয়নি কতদিন। ভাইটা আমার ছিল বলে, এ যাত্রা সব সামলে দিল।”

    নীহার বলল, “দিদি, আমি তোকে একটা কথা বলব ভেবেছিলাম। সুনীলদাও আছে তোদের দুজনকেই বলি। আমি একটা মেয়েকে ভালোবাসি।”

    পামেলা নীহারের কথা শেষ করতে না দিয়েই বলল, “দেখ ভাই, তুই আমার বড়ো আদরের। তাই তুই যাকে ভালোবাসিস, তাকে মেনে নিতে আমার কোনও আপত্তি নেই। তবে আজ মনটা ভালো নেই রে। তুই কলকাতা থেকে ঘুরে আয়, তারপর শুনব আমার ভাই কাকে পছন্দ করে রেখেছে।” নীহার লজ্জিত মুখে বলল, “বেশ তাই হবে। তুই যখন মেনে নিয়েছিস, আমার আর চিন্তা নেই।”

    নীহার ঘর থেকে বেরিয়ে যেতেই পামেলা বলল, “কাল ফুটবল টুর্নামেন্টের অনুষ্ঠানে ভাবছি লাল-সাদা একটা ব্যাঙ্গালোর সিল্ক পরব। সঙ্গে ডিজাইনার ব্লাউজ। চুলে একটা এলো খোঁপা। কেমন লাগবে সুনীল আমায়? যাও যাও তুমি কেন বসে রইলে এখনও? কালকের প্রস্তুতি নাও।”

    সুনীল ঘাড় নেড়ে বলল, “হ্যাঁ, আমি এখন আসছি।”

    সুনীল বেরিয়ে যেতেই নিজের ঘরে লক করে দিল পামেলা। ঘোষালকে ফোন করে বলল, “কী ব্যাপার ডার্লিং, কী সব দেখছি! এটা কিন্তু দারুণ উদ্যোগ। আরে তোমাদের মতো উদারমনস্ক ব্যবসাদারই তো সমাজের ভাবনাকে বদলে দেবে। আমি তোমায় স্যালুট জানাই।”

    কনকলতার এই দুর্বিনীত ব্যবহারের কারণে যথেষ্ট বিরক্ত হয়ে আছে ঘোষাল। তার মধ্যে পামেলার হেঁয়ালি আরও বিষাক্ত করে দিল মনটাকে।

    ঘোষাল রেগে গিয়ে বলল, “মেয়েমানুষের মতো জটিল প্রাণী এ পৃথিবীতে খুব কমই আছে। তোমাদের স্বয়ং ব্রহ্মা বুঝতে পারেন না, আমি তো কোনও ছার। যা বলার ঘুরিয়ে না বলে সোজাসুজি বলো।”

    পামেলা খিল খিল করে হেসে বলল, “আরে নির্ভয়পুরের বাতাসেও খবর উড়ছে, মিসেস ঘোষাল সুজয় হাঁসদাকেই জামাই হিসেবে পছন্দ করেছে। সেই কারণেই তার সঙ্গে মিছিলে হাঁটছে। কনগ্র্যাচুলেশন ঘোষাল। আমরা নিমন্ত্রণ পাব তো তোমার মেয়ের বিয়েতে? নাকি উচ্চঘর বলে বাতিল করে দেবে তোমার বউ?”

    ঘোষালের মাথাটা গরম হয়েই ছিল। কনকলতার এ হেন আচরণে সে অত্যন্ত লজ্জিত। আবার পামেলার এমন ব্যঙ্গাত্মক কথায় মেজাজ হারিয়ে বলেই ফেলল, “আরে পামেলা, তুমিই তো আমার পথপ্রদর্শক। আমার স্ত্রী সুজয়ের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে ঠিক করেছে কি না, এটা এখনও বাতাসে ওড়া কথা, কিন্তু তোমার ভাই যে মৃত বিজন মুর্মুর মেয়েকে বিয়ে করছেই, সে খবরে কিন্তু সিলমোহর পড়ে গেছে। তো বিয়েটা কি ভোটের আগেই দেবে? না পরে? যেভাবে ক্লাবের ওপরের একটা ঘর তোমার ভাই প্রতি সন্ধেতেই বুক করে রাখছে, তাতে গ্রিনভ্যালিতে তোমার মেম্বারশিপের চার্জ আরও বেশি হওয়া উচিত কিন্তু।”

    পামেলা বুঝল, নীহারের কীর্তির কথা মোটামুটি এ চত্বরের সবাই জানে। দিদির টাকায় গাড়ি চড়ে ঘুরছে, আর দিদির সম্মান নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে। আবার ওই আদিবাসী মেয়েটাকে পামেলার মতো ভিজাইনার ড্রেস গিফট করাও হচ্ছে। নিজের মুরোদ তো ওই সাদা কাগজে আঁকিবুকি কাটা। নির্ভয়পুরে এতদিন ধরে পামেলা যে ভাবমূর্তিটা তৈরি করেছিল, সেটা নিমেষে মাটিতে মিশিয়ে দিল নীহার। এই ঘোষাল, মল্লিক, সমাদ্দার, রায় এরা চোখে চোখ রেখে কথা বলতে ভয় পেত পামেলার সঙ্গে। সবাই এক কথায় স্বীকার করত, পারফেক্ট বিজনেস ওম্যান। যার সঙ্গে টেক্কা দিতে সাহস লাগে। নীহার নিজের পছন্দ দিয়ে বুঝিয়ে দিল, ওদের ছোটোবেলাটা কেটেছে বস্তির ঘুপচি ঘরে। রুচিটা কিছুতেই উন্নত করতে পারেনি ও। সেই কারণেই কুণ্ডলীর মতো একটা মেয়েকে বিয়ে করতে চাইছে। ছোটো থেকে নামী স্কুল-কলেজে পড়িয়েছে নীহারকে, যা চেয়েছে তার বেশিই দিয়েছে। তার পরেও যে চূড়ান্ত নিম্নমধ্যবিত্ত মানসিকতাটা ও বহন করে চলেছে, এটা ভাবতেই ঘৃণা হচ্ছে পামেলার। কী করে ভুলে গেল নীহার যে, ও দ্য পামেলা মিত্রর ভাই! ছি ছি, এভাবে ওর সম্মানকে মাটিতে মিশিয়ে দেবার আগে ওর একবার মনে হল না? হোয়াটসঅ্যাপে বেশ কিছু মেসেজ ঢুকেছে আননোন নম্বর থেকে। হোয়াটসঅ্যাপ ওপেন করতেই চমকে উঠল পামেলা, এসব কী? নীহার আর কুন্তলীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ কিছু ছবি। কিন্তু কে পাঠাল এই ছবি? নম্বরটাতে কল করতেই বুঝল, সুইচড অফ। এই ছবি ভাইরাল হলে নীহারের সঙ্গে কুন্তলীর বিয়ে দিতে বাধ্য হবে পামেলা। আর তা হলে একদিনে ও মালিকপক্ষ থেকে নেমে আসবে। কুত্তলীর মা পামেলার টি-এস্টেটের একটা মজুর মাত্র। রোজ এসে চা পাতা তোলা, আর বাছাইয়ের জন্য দৈনিক মজুরির মজুর। কুন্তলী ওদের গ্রিনভ্যালি ক্লাবে ড্রিঙ্ক সার্ভ করে। সে হবে পামেলা মিত্রর ঘরের বউ? এর থেকে মৃত্যু শ্রেয়। ভাবনার মধ্যেই দরজায় নক করছে নীহার। পামেলার মনে হচ্ছে, ভাই নয়, সাক্ষাৎ শত্রু। পামেলার উচিত এখনই দমবন্ধ করে ওকে মেরে দেওয়া। পামেলার কাছে এ খবরও আছে, নীহার নির্ভয়পুরের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পামেলার নামে অপপ্রচার করছে। লোককে বলছে, আমার দিদি আপনাদের জন্য কিছুই করবে না। এরপরেও নীহারকে বাড়ি থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে তাড়িয়ে না দিলে ও আরও বড়ো সর্বনাশের খেলায় নামবে

    দরজা খুলতেই নীহার বলল, “দিদি আমি কাল ভোরের ফ্লাইট পেয়েছি। চারটের সময় বেরোতে হবে বাড়ি থেকে। তুই হয়তো তখন ঘুমাবি। তাই কয়েকটা কথা তোকে বলতে চাই।”

    পামেলা জানে, নীহার কী বলবে। কুণ্ডলীকে বিয়ে করার কথাই বলতে এসেছে হয়তো।

    কিন্তু পামেলাকে অবাক করে দিয়ে নীহার বলল, “আমি তোর কোম্পানি ছাড়তে চাই। নিরঞ্জন সমদ্দার আমায় অফার করেছে, আমি ওখানে জয়েন করতে চাই। দেখ দিদি, সারাটা জীবন তো তোর রোজগারের টাকাতেই খেলাম। নিজে কিছু উপার্জনের সুযোগ যখন পেয়েছি, তখন ছাড়ব কেন? ম্যানেজিং ডিরেক্টরের পোস্ট হোল্ড করে অস্মিতা, আমি ওরই সেক্রেটারি হয়ে জয়েন করছি। মাইনে পঞ্চাশ হাজার। আমায় মূলত রপ্তানির দিকটা দেখতে হবে। আমি জানি তোর একটা আংটির দাম একলাখ। তাই তোর কাছে এটা হাস্যাস্পদ। কিন্তু আমি এবারে পামেলা মিত্রর ছত্রছায়া থেকে বেরোতে চাই। প্লিজ, তুই রাগ করিস না। যদি অসুবিধা হয়, তুই তো রইলি। সামনের মাস থেকেই আমি ওখানে জয়েন করছি। তার আগে কলকাতা থেকে ফিরে তোর কোম্পানির পেন্ডিং কাজগুলো কমপ্লিট করে দেব।”

    পামেলার উত্তরের অপেক্ষা না করেই চলে গেল নীহার। বিছানায় ধপ করে বসে পড়ল পামেলা, সহ্যের একটা সীমা আছে। নিরঞ্জন সমাদ্দার কম্পিটিশনে না জিততে পেরে এই চালটা চেলেছে। নীহার কোম্পানি জয়েন করার পরে পামেলার এক্সপোর্ট বেড়ে গেছে। সেটা খবর পেয়েই নীহারকে তুলে নিতে চাইছে সমাদ্দার। নির্ভয়পুরের লোকজন দেখবে, পামেলা মিত্রর সহোদর ভাই, মিত্র টি-এস্টেটের মালিক নীহার, মিত্র সমাদ্দারের মেয়ের সেক্রেটারির চাকরি করছে মাত্র পঞ্চাশ হাজারের বিনিময়ে। পুরোটাই চক্রান্ত। আর-একদিকে সমাদ্দার রটিয়ে দেবে, পামেলা নিজের ভাইকে তাড়িয়ে দিয়েছে, সে নির্ভয়পুরের মানুষের কী উপকার করবে? আর নিরঞ্জন দয়ার সাগর হয়ে অসহায় নীহার মিত্রকে আশ্রয় দিয়েছে। উফ কী তুখড় প্ল্যান! কিন্তু এরা ওর শত্রু হল কবে থেকে? ও ভোটে দাঁড়ানোর পর থেকে কি? রাজনৈতিক ক্ষমতা পাবে বলে? ঘোষাল একবার পামেলার সিটে দাঁড়িয়েই গো হারা হেরেছিল। তাই কি এদের এত হিংসা? কিন্তু পামেলাকে এভাবে শেষ করা যাবে না। পথের সব কাঁটাকে নির্মম হাতে তুলে ফেলেই ও আজকে এই জায়গায় রয়েছে। তাই আরও দু’-চারটে কাঁটাকে তুলে ফেলতে ওর বেশিক্ষণ লাগবে না। পামেলার বিশ্বস্ত দু’-চারজন আছে ওর বাড়িতেই। এমনিতে তারা ওর বাগানের মালি, ড্রাইভার, রাঁধুনি, সিকিউরিটি। কিন্তু এদের আর-একটা পরিচয় কেউ জানে না, এরাই পামেলাকে যাবতীয় গোপন খবর সরবরাহ করে অতি সাবধানে। আর পামেলা বললে এরা জীবন দিতেও পারে আবার নিতেও পারে এক নিমেষে।

    কিষান পামেলার ঘরের দিকে এগিয়ে আসছে দেখেই বুঝল, খবর কিছু আছে।

    কিষান কাছে এসে বলল, “ম্যাডাম, ওই কুত্তলী মেয়েটা পোয়াতি। আমায় মালতি বলল। কুত্তলী নাকি ওকে বলেছে, এ মাসেই নীহার দাদাবাবু ওকে বিয়ে করবে। মালতীকে নগদ একশো দিয়ে খবরটা বের করেছি। কুম্ভলী আর মালতী দুজনেই গ্রিনভ্যালিতে কাজ করে, এক সঙ্গেই বাড়ি ফেরে। মালতী বলছিল, দাদাবাবু রোজই অফিসের পরে ক্লাবের ঘরে যায় কুত্তলীকে নিয়ে।” পামেলা কিষানের হাতে দশ হাজার টাকা দিয়ে বলল, “আর-একটা কাজ তোকে করতে হবে। কাকপক্ষীও যেন টের না পায়।”

    কিষান শুনে চমকে উঠে বলল, “খতম করে দেব? কিন্তু…

    পামেলা বলল, “আমি ‘কিন্তু’, ‘না’ এসব শব্দগুলো শুনতে পছন্দ করি না। এখন যা। যেভাবে বললাম ওইভাবেই করো।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালির যৌনচর্চা : বটতলা থেকে হলুদ বই – অর্ণব সাহা
    Next Article নির্বাচিত গল্প ১ – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }