Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইতি নির্ভয়পুর – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প315 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ইতি নির্ভয়পুর – ১৯

    ১৯

    “কী ব্যাপার, শুনলাম নাকি ওই ভাঙা পা নিয়েই আপনি আজ ছবি তুলতে বেরিয়েছিলেন রাস্তায়? ওষুধপত্রও নাকি ঠিক করে খাচ্ছেন না, কেন? নির্ভয়পুরের রোগীদের ওপরে রাগ করে বুঝি? এদিকে এমার্জেন্সিতে বসে দেখলাম গোটা নির্ভয়পুরবাসী তো শুধু শৌনক-ডাক্তারকেই ভরসা করে। তো শৌনক-ডাক্তার তাদের ভরসার জায়গাটা রাখছে কি?”

    নূপুরের ফোনটা দেখে ধরবে কি ধরবে না ভেবেও রিসিভ করল। সেই যে চারদিন আগে সন্ধেতে না বলে চলে গিয়েছিল, তারপর আর কোনও ফোন বা মেসেজ শৌনকও করেনি, নূপুরও করেনি। শৌনক সম্পর্কটা ওখানেই দ্য এন্ড টানতে চেয়েছিল। নূপুর কী চেয়েছিল সেটা অবশ্য শৌনকের অজানা। তবে গত চারদিনে শৌনকের ভাবনায় নূপুর এসেছিল বারবার। নূপুরের যত্নের উষ্ণ ছোঁয়াটাও পেতে ইচ্ছে করেছিল, কিন্তু ও এসব স্বপ্নীল ইচ্ছেকে ফুঁ দিয়ে দূরে সরিয়ে দিয়েছে বারবার। তবুও খুব চাইছিল, নূপুর ওকে একবার ফোন করুক। কেন চাইছিল সেটা অবশ্য শৌনকের ডাক্তারি বিদ্যায় জানা নেই! তাই নূপুরের নামটা স্ক্রিনে উঠতে একটু বোধহয় হাসির আভাস ফুটেছিল শৌনকের ঠোঁটের কোণে। তারপরে মস্তিষ্কের দ্বিধা কাটিয়ে রিসিভ করেই ফেলেছিল। নূপুর তার নিজস্ব ঢঙে শাসন করতে শুরু করেছিল শৌনককে। শুনতেই বেশি ভালো লাগছিল শৌনকের, বলতে নয়।

    নূপুর বলল, “কী হল, বললেন না তো সুস্থ হবার ইচ্ছে আছে না নেই?”

    শৌনক বলল, “আজ আপনি জয়েন করলেন তো নির্ভয়পুর হসপিটালে, আর চিন্তা কী? তবে আপনাকে ওয়েলকাম করতে পারলাম না ভেবে খারাপ লাগছে।”

    নূপুর বলল, “এসব কথা ঘুরিয়ে লাভ নেই, আগে বলুন ওষুধ খাচ্ছেন না কেন? আর বাইরেই বা বেরিয়েছিলেন কেন?”

    শৌনক বলল, “শাসন করার কেউ নেই বলে। কিন্তু প্রলয়কে তো এতদিন সাহেব টাকা দিয়েছিল আমার খবর নেওয়ার জন্য। এখন কি আপনি দিচ্ছেন?”

    নূপুর ফোনের অন্য প্রান্তে হেসে বলল, “প্রলয় ওই পাঁচশো টাকা আমায় ফেরত দিয়ে গেছে। ভুল হয়েছে বলে ক্ষমাও চেয়েছে। তখনই আমি সুযোগ নিয়েছি। বলেছি ক্ষমা আমি করতেই পারি, কিন্তু তোমার শৌনকলার সব খবর আমার লাগবে। সে ঠিক করে খাওয়া-দাওয়া করছে কি না, ওষুধ খাচ্ছে কি না, পা-কে রেস্ট দিচ্ছে কি না, সব খবর যদি ঠিক করে পাই তবেই ক্ষমা করব।”

    শৌনক বলল, “সে তো আপনি এসেও নিতে পারতেন।”

    নুপুর একটু দম নিয়ে বলল, “আমার উপস্থিতি আপনাকে অস্বস্তিতে ফেলে যে। বিরক্ত করে ফেলি হয়তো, তাই বাড়ি চলে যেতে বলেন ঘন ঘন। সেই কারণেই যাওয়া থেকে বিরত রয়েছি। আজ হসপিটালের এমার্জেন্সিতে যে ক’জন রোগী এলেন সবাই দেখলাম, আপনাকেই খুঁজছেন। তাই ভাবলাম, ডাক্তারবাবুর খোঁজটা ফোনেই নিই, তা হলে হয়তো বিরক্ত হবেন না।”

    শৌনক বলল, “নির্ভয়পুরের রোগীদের বলবেন, ডাক্তারবাবু বাড়িতে দেখবেন ওদের আগামিকাল থেকেই। আর হসপিটালে যেতে দিন দশেক আরও লাগবে মনে হচ্ছে।”

    নুপুর বলল, “আমি কিন্তু অর্থোপেডিকের সঙ্গে কথা বলে রেখেছিলাম। আপনি যদি যেতে চান তো প্রলয়কে নিয়েও চলে যেতে পারেন একটা গাড়ি করে।”

    শৌনক বলল, “আপনি তা হলে আমার খবর নিতে এসেছিলেন শুধুই একজন দায়িত্বশীল ডক্টর হিসেবে, তাই তো?”

    নূপুর কথাটা ঘুরিয়ে বলল, “কীসের ছবি তোলার জন্য রাস্তায় নেমেছিলেন বললেন না তো?”

    শৌনক স্থির গলায় বলল, “ছবি তুলতে রাস্তায় যাইনি। আমি গিয়েছিলাম বড়ো রাস্তার মোড়ে। প্রলয় ভেবেছে, আমি ছবি তুলতে গিয়েছিলাম, কারণ ক্যামেরাটা আমার গলায় ছিল।”

    নূপুর বলল, “তা হলে গিয়েছিলেন কেন?”

    শৌনক একটু থেমে বলল, “একজনকে দেখতে পাবার ইচ্ছে নিয়ে গিয়েছিলাম। কিন্তু আমি পৌঁছনোর আগেই তার গাড়ি বেরিয়ে গেল। গ্রে কালারের হুন্ডাই গাড়িটার পিছনটা দেখতে পেলাম।”

    নুপুর বলল, “ফুলমণিকে দিয়ে একটু বেশি করে চা করিয়ে রাখবেন। সন্ধেতে ওখানেই চা খেয়ে ফিরব। এখন রাখলাম।”

    কোনটা একটু তাড়াহুড়ো করেই কেটে দিল নূপুর। ফোনটা রাখার পরেই লজ্জা করছে শৌনকের। এ কী বলে দিল ও! ক্রাচে ভর দিয়ে বড়ো রাস্তার মোড়ে ও আজ সত্যিই গিয়েছিল নুপুরকে কনগ্র্যাচুলেট করবে বলে। নুপুরের জয়েনিং ডেটে ও নিজে হাসপাতালে থাকতে পারল না, সেটা যথেষ্ট পীড়া দিয়েছে ওকে। তাই গলায় ক্যামেরাটা ঝুলিয়ে প্রলয়কে বলেছিল, “এই সামনেই থাকছি। দুটো ছবি তুলব আকাশের।” আসলে শৌনক বেরিয়ে বড়ো রাস্তার মোড় অবধি গিয়েছিল কারণ, নূপুর সেদিন বলেছিল, “ঠিক নয়টায় পৌঁছব হসপিটাল।” সেই হিসেব মতোই সাড়ে আটটা নাগাদ পৌঁছেছিল শৌনক। আসলে নূপুরকে দেখতেও ইচ্ছে করছিল কেন কে জানে! শৌনক ভেবেছিল, শেষ পর্যন্ত হয়তো নূপুর ওর বাড়ির অমতে গিয়ে নির্ভয়পুরের হসপিটালে জয়েন করতেই পারবে না। হয়তো কলকাতার নামী কোনও ক্লিনিকে ঢুকবে। সেই কৌতূহল থেকেই শৌনক দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু ও একটু দূর থেকেই দেখল, মল্লিকদের গ্রে কালারের হুন্ডাই গাড়িটা হুশ করে বেরিয়ে গেল হসপিটালের দিকের রাস্তা ধরবে বলে। কিন্তু এ কথাটা তো নুপুরকে কোনওদিন জানতেও দেবে না ভেবেছিল শৌনক। নূপুরের একটা ফোনে কেন উজাড় করে ফেলল নিজের সবটুকু অনুভূতি? নূপুর সন্ধেতে এসে কী বলবে ওকে? চাঁদ ধরার ইচ্ছেটাকে পরিত্যাগ করতে বলবে? নাকি অবাস্তবের পিছনে ছুটতে বারণ করবে? কী ভাবছে নুপুর ওর সম্বন্ধে? মল্লিকদের টাকার লোভে ও নুপুরের দিকে হাত বাড়াচ্ছে? ছি ছি, কী ভাবছে নূপুর ওর সম্পর্কে! এভাবে বলাটা অত্যন্ত ভুল হল। কী যে হচ্ছে শৌনকের কে জানে! নিজের ওপরে সব কন্ট্রোল যেন নষ্ট হতে বসেছে।

    মনকে শান্ত করবে বলেই একটা বই নিয়ে বসল ও। বইয়ের পাতায় মনঃসংযোগ করতেও যথেষ্ট বেগ পেতে হচ্ছে ওকে। এই দোলাচল অবস্থার সঠিক কারণ ব্যাখ্যা করতে পারত একজনই, শৌনকের মা ডক্টর নিবেদিতা বসু। কারণ শৌনকের মনের খবর অবধি মহিলার অজানা ছিল না। অন্যমনস্ক শৌনক বারবার ভাবছে, এই অনুভূতির নাম কি প্রেম? কিন্তু কতটুকুই বা চেনে ও নুপুর মল্লিককে? ওই দু’দিনের ব্যবহারেই প্রেমে পড়ার মতো অপরিণত শৌনক কোনওদিনই ছিল না। উঁহু, এটা কিছুতেই প্রেম হতে পারে না।

    গল্পের বইয়ে মন বসছে না বলেই নিজের সাবজেক্টের একটা বই খুলে বসল ও। এই বইটা গত সপ্তাহেই কলকাতা থেকে ক্যুরিয়ারে আনিয়েছিল শৌনক। তখনই বাইরে প্রলয়ের গলার আওয়াজ পেল শৌনক। প্রলয় বেশ নালিশের সুরেই বলছে, “না নুপুর দিদিমণি ফাঁকিবাজি আমি করছি না। কিন্তু শৌনকদার মেজাজ তো আপনি জানেন না। না বললে সেটাকে হ্যাঁ করার ক্ষমতা কারও নেই।”

    নূপুর বলল, “তিনটে প্লেটে এটা ভাগ করে নাও। দুটো আমাদের দিয়ে যাও।”

    শৌনক চুপচাপ বই ঘাঁটছিল। মনের মধ্যের উথাল-পাতাল ঝড়কে আপ্রাণ চেষ্টায় আটকে রাখছিল। আগল ভেঙে যেন নূপুরের সামনে বেরিয়ে না আসে সেই চেষ্টাই করছিল ও।

    নূপুর ঘরে ঢুকেই বলল, “আচ্ছা অবাধ্য মানুষ তো আপনি, আজও ওষুধ খাননি? ভালো হবার ইচ্ছে নেই বুঝি? এমন ডক্টর আমি জীবনে দেখিনি যার ওষুধের ওপরে ভরসা নেই।”

    শৌনক বলল, “বসুন। আপনার বাবা কেমন আছেন? ফিরছেন কবে?” নূপুর বলল, “আজ স্টেন্ট বসছে। ডক্টর শোভন বসু এখন আর সার্জারি করেন না। তাই অন্য একজন ডক্টরকে রেফার করেছেন। ডক্টর বসুর নাকি গত পাঁচবছর ধরে একটু নার্ভাস ব্রেকডাউন হয় ওটিতে ঢুকলে, তাই বিদ্যুৎ রায়কে রেফার করেছেন। এই একটু আগেই দাদাভাই ফোন করে বলল, বাবা ঠিক আছে। ওহ, আপনাকে তো বলাই হয়নি দাদাভাই আপনার ওপরে ভীষণ রেগে আছে।”

    শৌনক কৌতূহলী হয়ে বলল, “কেন? আমি আবার কী করলাম? আপনার বাবার ভুল ট্রিটমেন্ট করেছি নাকি?”

    নূপুর হেসে বলল, “করলে ভালো করতেন, দাদাভাই রাগত না। কিন্তু নির্ভয়পুরের হাতুড়ে ডাক্তার যা যা মেডিসিন প্রেসক্রাইব করেছে কলকাতার বিখ্যাত কার্ডিওলজিস্টও সেগুলোই রিপিট করেছেন, শুধু ওঁর নিজস্ব প্যাডে। ব্যস, সাহেব মল্লিক খেপে গেছে। হাতুড়ে ডাক্তারের এত সাহস হয় কী করে? সে কেন পারফেক্ট ট্রিটমেন্ট করল বাবার?”

    শৌনক বলল, “তা হলে ভুল করেছি বলছেন?”

    নুপুর বলল, “তা একটু করেছেন বই-কি। সেই কারণেই তো শাস্তি দিতে ছুটে এলাম।” প্রলয় চিকেন পকোড়ার প্লেট নিয়ে ঢুকতেই নূপুর বলল, “চলুন, শাস্তির ফার্স্ট ধাপটা পেরোন আগে।”

    শৌনক হেসে বলল, “কী করে জানলেন আমি এই বস্তুটির প্রতি অনুরাগী?”

    প্রলয় চলে যেতেই নুপুর বলল, “আপনি মাঝে মাঝেই রাধাশ্যামের রেস্টুরেন্টে দাঁড়িয়ে এটাই কিনে খান যে।”

    শৌনক চমকে গিয়ে বলল, “এটা আপনাকে কে বলল? আপনার চর প্রলয়?”

    নূপুর পকোড়াতে কামড় দিয়ে বলল, “না মশাই, এসব বহুদিনের হোমওয়ার্ক। নুপুর মল্লিক নেট প্র্যাকটিস না করে মাঠে নামে না।”

    শৌনক চায়ে চুমুক দিয়ে বলল, “তো এই এত নেট প্র্যাকটিসের কারণটা জানতে পারি কি?”

    নূপুর চায়ের কাপটা নামিয়ে বলল, “সব কিছুর কি কারণ থাকতেই হয়? অকারণেও তো ঘটে কত কিছু। ক্যামেরা গলায় ঝুলিয়ে লোকজন বড়ো রাস্তার মোড়ে গ্রে হুন্ডাইয়ের ছবি তুলতেও যায়, তারই কি কোনও কারণ আছে? সব কিছুর কারণ থাকতে নেই।”

    শৌনক বলল, “আচ্ছা, এই যে আপনি আমার কোয়ার্টারে আসছেন এতে নিশ্চয়ই আপনার মা বা দাদাভাই খুবই রাগ করবে।”

    নূপুর বলল, “সে তো করবেই। আমি নির্ভয়পুরে চাকরি নিয়েছি শুনেই দাদাভাই চেঁচামেচি করছিল। বলছিল, কলকাতায় নিজস্ব বড়ো চেম্বার করে দেবে। কিন্তু আমি বলেছি, উঁহু, আগে নিজের অঞ্চলের মানুষদের সুস্থ করি, তারপর অন্য কিছু ভাবব। তবে আমার বাবা কিন্তু এমন নয় জানেন। বাবা চেয়েছিল আমি নির্ভয়পুরে অন্তত সপ্তাহে একদিনও যেন চেম্বার করি। আর এ ব্যাপারে মা তেমন কিছু বলেনি। শুধু বলেছিল, যেটা ভালো বোঝো করো। তবে হ্যাঁ এখানে আসা নিয়ে নিশ্চয়ই বকুনি খাব। কারণ আপনি তাদের বাড়ির হবু বউমাকে ভাগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন, তাই আপনার থেকে শতহস্ত দূরে থাকারই নির্দেশ আছে।”

    শৌনক বলল, “তো নির্দেশ অমান্যের কারণটা কী?”

    নুপুর হেসে বলল, “আপনি এত প্রশ্ন করেন কেন বলুন তো? প্রশ্ন কিন্তু আমারও আছে।”

    শৌনক বইটা পাশে সরিয়ে রেখে বলল, “আপনার সব প্রশ্নের উত্তর দিতে প্রস্তুত। বলুন কী জানতে চান?”

    নূপুর বলল, “ওষুধ খাচ্ছেন না কেন?”

    শৌনক সিলিং-এর দিকে তাকিয়ে বলল, “আমি জানি না কোনটা কখন খেতে হবে। আমি ডক্টর নই, পেশেন্ট। দায়িত্বশীল ডক্টরের উচিত ছিল যাবার আগে এগুলো বুঝিয়ে দেওয়া। তা না করে দায়িত্বশীল ডক্টর কিচেন থেকেই সেদিন বাড়ি পালিয়েছিল।”

    নূপুরের ঠোঁটে লজ্জা জড়ানো হাসির রেখা। বলল, “বাহ রে, রোগী যদি ডাক্তারকে তাড়ানোর জন্য ব্যস্ত হয়ে পড়ে, তা হলে সে বেচারি কী করে?”

    শৌনক বলল, “একজন দায়িত্বশীল ডাক্তারের উচিত রোগীর বাহ্যিকটুকু না দেখে তার মনকে চেনা।”

    নূপুর টেবিল থেকে ওষুধ আর জল নিয়ে এসে বলল, “প্রলয় ঠিকই বলে, আপনি বড়ো জেদি। নিন, রাতের ওষুধ দুটো খান। সকালে খালি পেটে এটা খাবেন, আমি মেসেজ করে জানতে চাইব কিন্তু খেয়েছেন কি না। আমার অভিজ্ঞতা কম ঠিকই, কিন্তু আমি বেশ কড়া ডাক্তার, ভুলে যাবেন না।”

    শৌনক ওষুধ দুটো খেয়ে বলল, “অন্যায় আবদার করছি তাই না? অবাস্তব কল্পনা তাই না? বন্ধুত্বের দাবি করা আমার মতো নগণ্য মানুষের বোধহয় সাজে না।”

    নূপুর বলল, “এত ভাবার কি খুব দরকার? জীবনটাকে এত জটিল করে ফেলছেন কেন? একাকিত্ব যাপনেও কিন্তু একঘেয়েমি আসে, জানেন তো? বন্ধুত্বের দাবিতেই তো আসছি বারবার। আপনার চাওয়ার ভরসায় তো আমি থেমে থাকিনি। আর আপনি নগণ্য কি না সেটা না হয় আপনার আশেপাশের মানুষদের বিচার করতে দিন। শুধু একটাই অনুরোধ করব, এভাবে নিজের আষ্টেপৃষ্ঠে ভেদ করা যাবে না এমন বর্মটা পরার দরকার নেই। নিজেও হাঁসফাঁস করবেন, আর বাকিদেরও দূরে ঠেলে দেবে ওই কঠিন দেখতে বৰ্মটা। সবাই তো আর নূপুর মল্লিক নয় যে, জেদ করে ওই বর্মটাকে কেটে ফালা ফালা করে ভিতরের নরম মনটার কাছে পৌঁছতে পারবে? তাই বলছি, ওটা খুলে রাখুন। প্রাণ ভরে নিশ্বাস নিন, মন খুলে বাঁচুন। সব ব্যাপারে এত হেজিটেশন কীসের? অতসী মল্লিক যখন আপনাকে একতরফা অপমান করছিল তখন কেন বললেন না, অস্মিতাই আপনাকে প্রপোজ করেছিল, আপনি লেস ইন্টারেস্টেড ওর ব্যাপারে। কীসের এত সংকোচ আপনার? আপনি যেখানে কোনও অন্যায় করেননি, সেখানে চোখে চোখ রেখে কথা বলুন। এই দুর্ভেদ্য আবরণে নিজেকে ঢেকে রাখবেন না প্লিজ।”

    শৌনক বলল, “সবাই তো নূপুর মল্লিক নয় যে, তাকে এ আবরণ খোলার অধিকার দেব।”

    নূপুর লাজুক হেসে বলল, “বেশ, কিছু অধিকার তবে একান্ত আমারই থাকুক।”

    ওদের কথার মাঝেই প্রলয় এসে বলল, “শৌনকদা অস্মিতাদি এসেছেন। একবার দেখা করতে চান। বারান্দায় দাঁড়িয়ে আছেন।”

    অস্মিতার নামটা শুনেই নূপুরের মুখটা কঠিন হয়ে গেল। কোমল শিরা-উপশিরা যেগুলোর দিকে এতক্ষণ অপলক তাকিয়েছিল শৌনক, সেগুলো যেন আচমকা নিজেদের প্রয়োজনের থেকে বেশিই কঠিন করে নিল।

    নূপুর উঠে দাঁড়িয়ে বলল, “আমি আজ আসি। আপনারা কথা বলুন।” শৌনক নূপুরের হাতটা ধরে বলল, “প্লিজ বসুন। আমি চাই না অস্মিতার সঙ্গে একলা কথা বলতে।”

    নূপুর আবার বসে প্রলয়কে বলল, “নিয়ে এসো।”

    অস্মিতা ধীর পায়ে ঢুকল ঘরে। নুপুরকে ভিতরে দেখবে এটা যে কল্পনা করেনি সেটা অস্মিতার বিস্মিত চোখের চাউনি বলে দিচ্ছে।

    অস্মিতা ঢুকেই বলল, “নূপুর তুই এখানে?

    নূপুর হেসে বলল, “ভুলে অযেয়ো না আমি সিএকজন ডক্টর। আপাতত নির্ভয়পুর হসপিটালে চাকরি করছি। সেই হসপিটালেরই আর-একজন ডক্টর অসুস্থ থাকলে যে বেসিক কর্তব্যটুকু পালন করা উচিত সেটাই করছি।”

    অস্মিতা অস্বস্তি মেশানো গলায় বলল, “শৌনক আমি আপনার সঙ্গে একটু কথা বলতে চাই।”

    শৌনক নির্লিপ্ত গলায় বলল, “বলুন কী বলতে চান?”

    অস্মিতা নুপুরের দিকে তাকাতেই নূপুর উঠে দাঁড়িয়ে বলল, “আমি এখন আসছি। আপনি মেডিসিনগুলো খাবেন মনে করে।”

    শৌনক বলল, “আর-একটু বসুন প্লিজ, কথা আছে। তাছাড়া অস্মিতার সঙ্গে আমার এমন কোনও পার্সোনাল কথা নেই যেটা ও আপনার সামনে

    বলতে পারবে না।”

    অস্মিতা একটু থেমে বলল, “আমি আপনার কাছে ক্ষমা চাইতে এসেছি। প্লিজ আমায় ক্ষমা করে দেবেন, আপনার এই অ্যাক্সিডেন্টের জন্য আমিই দায়ী। কিন্তু বিশ্বাস করুন, আমি এসব চাইনি। বাবা বোধহয় আমার মুখ দেখে কিছু আঁচ করেছিল। তাই কথায় কথায় বলে ফেলেছিলাম, আপনি আমায় ডেলিবারেটলি অপমান করেছেন। বাবা যে রেগে গিয়ে এমন একটা কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলবে সেটা আমি ঘুণাক্ষরেও টের পাইনি। আমি যেন নিজের কাছেই বড়ো ছোটো হয়ে গেছি।”

    শৌনক বলল, “আচ্ছা ম্যাডাম, সত্যিই কি আমি আপনাকে অপমান করেছিলাম?”

    অস্মিতা মাথা নিচু করে বলল, “না করেননি। আমি সেটা নুপুরকেও বলেছি। আসলে ছোটো থেকে যা চেয়েছি পেতে পেতে পাওয়াটাই অভ্যাসে পরিণত হয়ে গিয়েছিল। না শুনতে অনভ্যস্ত আমার কান তাই আপনার অসম্মতিটাকেই অপমান বলে ধরে নিয়েছিল। আমি খুবই দুঃখিত। আপনি আমাদের সকলের সুস্থতার দায়িত্ব নিয়েছেন আর আমরা কিনা আপনাকেই…. আসলে সব অপরাধের বোধহয় ক্ষমা হয় না।”

    শৌনক হেসে বলল, “কে বলল হয় না? আমাকে একজন বলেছেন একাকিত্ব যাপন থেকে বেরিয়ে আসতে। জীবনটাকে জটিল না করতে। তার কথাকে মান্যতা দিয়েই আমি আপনাকে ক্ষমা করে দিলাম। তবে হ্যাঁ, আপনার উডবি মিস্টার সাহেব মুল্লিদ বক্তিত্ব একী স্বাসত বেশ রেগে আছে। তাকে সামলানোর দায়িত্বটা আপনার। ওকে বুঝিয়ে বলবেন, আমি তার প্রেমিকার দিকে কোনও প্রলোভনের দৃষ্টিতে তাকাইনি। কারণ আমি যে কোনও সম্পর্ককে সম্মান করি।”

    শৌনকের কথা শেষ হতেই অস্মিতা বলল, “সাহেবের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। সব ভুল বোঝাবুঝির অবসান হয়েছে। আসলে ভুলটা আমার, সাহেব বরাবরই পজেসিভ, লয়্যাল।”

    নূপুর অস্মিতার হাতটা ধরে বলল, “ভুলে যাও অস্মিতাদি মাঝের এই ভাঙাগড়াটা। আবার পুরোনো সুরেই বাজাও তানপুরাটা। দেখো দাদাভাই সেই পুরোনো তোমাকেই চায়।”

    অস্মিতা বলল, “আমি কাল কলকাতা যাচ্ছি। কাকুকেও দেখে আসব, আর সাহেবের সঙ্গেও দেখা হবে। ওর ফিরতে এখনও চারদিন লাগবে বলল।”

    নূপুর মুচকি হেসে বলল, “সেই ভালো, তুমিই ঘুরে এসো।”

    অস্মিতা বলল, “আমি আসছি শৌনকদা। সুস্থ হয়ে উঠুন তাড়াতাড়ি।” অস্মিতা বেরিয়ে গেল। শৌনক আর নূপুর দুজনেই চুপ। কে আগে কী কথা বলবে বুঝতে পারছে না হয়তো। অথবা কিছু কিছু সময় চুপকথারাই দায়িত্ব নেয় অনুভূতি আদান-প্রদানের। নূপুরের চোখ ফোনের স্ক্রিনে থাকলেও ও বেশ বুঝতে পারছে, দুটো চোখের দৃষ্টি ওর ওপরেই স্থির হয়ে আছে। কেউই নিস্তব্ধতা ভাঙতে চাইছে না যেন। শৌনক নিউরোলজিস্ট নয় ঠিকই, কিন্তু এই মুহূর্তে একজনের অবয়বের প্রতিটি শিরা-উপশিরার গোপন কার্যকলাপ ওর সামনে দৃশ্যমান। দুই গালের শিরাতে অহেতুক লোহিত রক্তকণিকারা দামালপনা শুরু করেছে। সেই কারণেই গালদুটো হালকা লালচে হয়েছে। কপালের বিজবিজে ঘামের উপস্থিতি বুঝিয়ে দিচ্ছে, উষ্ণতা ছুঁয়ে রয়েছে তাকে। শৌনকের মনে হচ্ছে, তার এই ছোট্ট সরকারি কোয়ার্টারে আচমকাই যেন বসন্তের প্রবেশ ঘটেছে। পড়ন্ত বিকেলে রঙ্গিত নদীর স্বচ্ছ জলে যখন বাড়িমুখো সূর্য নিজেকে একবার দেখে নিতে চায়, তখন জলের মধ্যে যে আলপনা তৈরি হয়, সেটাই এখন দেখা যাচ্ছে নূপুরের মুখে। সুখ, আনন্দ, অভিমান, কষ্টের এক অদ্ভুত মিশেল। আবিষ্ট হয়ে সেদিকেই তাকিয়েছিল শৌনক

    নুপুর হেসে বলল, “আপনাদের বুঝি একটি সিলেছে দায়িত্ববান ডক্টররা লজ্জা পায় না? মানে কোনও পরিস্থিতিতেই তারা লজ্জিত হয় না।”

    শৌনক মুচকি হেসে বলল, “না তো, এমন কথা তো শুনিনি কখনও। বরং জানি অতি বড়ো স্মার্ট মানুষও বিশেষ একজনের সামনে এলে তার স্মার্টনেস হারিয়ে লজ্জা পেতে শুরু করে। কিন্তু সেই বিশেষ মানুষ তো সবার থাকে না। এই যেমন আপনার লজ্জার কোনও কারণ দেখি না।”

    নুপুর বলল, “বড়ো বোদ্ধা আপনি। আমি আজ চলি। ভালো ছেলে হয়ে থাকবেন। প্রলয় আমায় খবর দেবে।”

    শৌনক বলল, “সেটা তো নির্ভর করছে শিক্ষিকার ওপরে। সে যদি তার দায়িত্ব পালন করে, তা হলে ছাত্রও মনোযোগী হবে বই-কি।”

    নুপুর এক চিলতে হাসি ছড়িয়ে চলে গেল। শৌনকের ছোটো ঘরটাকে মুহূর্তে রামধনু তার রঙে রাঙিয়ে দিল যেন। বদ্ধ জানালার সামনে ঠক ঠক আওয়াজ শুনতে পেল শৌনক। জানালা খুলতেই এক মুঠো বসন্ত বাতাস এসে ঝাপটা দিল ওর মুখে। কিছু কিছু অনুভূতি বড়োই মূল্যবান। না ভাগ করতে ইচ্ছে করে, না খরচ করতে। কৃপণের মতো অঁকড়ে ধরে রাখতে ইচ্ছে করছে শৌনকের আজকের হঠাৎ পাওয়া সন্ধেটাকে। এতদিন শৌনক ভাবত, ওকে বোধহয় নিবেদিতা বসু ছাড়া আর কেউই বোঝে না এ দুনিয়ায়। কিন্তু কেন জানে না আজ মনে হচ্ছে, আর-একজনও বোঝে। নূপুরের উপস্থিতি কেন ওকে এতটা আনন্দ দিচ্ছে, ও নিজেও জানে না। এই নতুন পাওয়া অনুভূতির কারণটাও ওর অজানা। ডাক্তারি বিদ্যার অ্যাড্রিনালিন হরমোন ক্ষরণ হচ্ছে সেটা ও বেশ বুঝতে পারছে। তাই তো নুপুর মল্লিকের সঙ্গে বন্ধুত্ব করার সাহস পাচ্ছে। ধুর, এত ভাবছে কেন? নুপুর তো বলল, জীবনটাকে যেন জটিল না করে ফেলে। এই হঠাৎ আসা মুহূর্তটুকুকেই উপভোগ করতে চায় শৌনক। ইশ, অস্মিতাকে একটা থ্যাঙ্কস জানানো উচিত ছিল। ওর জন্যই এই অ্যাক্সিডেন্ট হল, তাই তো এমন দায়িত্ববান ডাক্তারের সেবা পেল শৌনক।

    ভাবনার মধ্যেই ডুবে ছিল শৌনক। হঠাৎই প্রলয় এসে বলল, “শৌনকদা সমাদ্দারের ড্রাইভার ওই জিতেন্দ্র এসেছে তার বাচ্চাকে নিয়ে। বলছে বাচ্চাটা নাকি সন্ধে থেকে বমি করতে করতে ঝিমিয়ে পড়েছে। হসপিটালে গিয়েছিল, এমার্জেন্সিতে কোনও ডক্টর নেই। নার্স বলেছে আপনি সিক লিভে আছেন, তাই বাড়ি চলে এসেছে। ভাগিয়ে দেব শৌনকলা? জিতেন্দ্রই সেদিন তোমায় ইচ্ছে করে ধাক্কা মেরেছিল। সেই কারণেই তোমার পায়ের এই অবস্থা হয়েছে। এখন এসেছে কাঁদতে, ছেলে বাঁচবে না বলে।”

    শৌনক বলল, “বাইরে চেম্বারে বসাও, দেখছি।”

    প্রলয় একটু বিরক্তি প্রকাশ করেই বলল, “আরে জিতেন্দ্র, যে তোমায় ধাক্কা মেরেছিল, সে এসেছে।”

    শৌনক ঘাড় নেড়ে বলল, “বুঝেছি। বাচ্চাটার দোষ কী?”

    শৌনক বাইরে বেরোতেই জিতেন্দ্র এসে সোজা ওর পা দুটো জড়িয়ে ধরে কাঁদতে শুরু করল। কাঁদতে কাঁদতেই বলল, “আপনি আমাদের ভগবান ডাক্তারবাবু। আমাদের কতবার জীবন দিয়েছেন, আর আমি আপনার জীবন নিতে গিয়েছিলাম। কী করব ডাক্তারবাবু, আমি নিরঞ্জন সমাদ্দারের গাড়ি চালাই। ওই মাইনেতেই সংসার চালাই। তবুও আমি বাবুর পায়ে ধরেছিলাম, বলেছিলাম, এই পাপ কাজ আমি করতে পারব না।’ বাবু বলল, ‘তা হলে ঘরে ফিরে বাচ্চাটাকে দেখতেই পাবি না।’ একবার ভাবলাম পুলিশবাবুর কাছে যাই, তারপরেই মনে পড়ল, ক্লাবের পার্টিতে পুলিশগুলো এসে বাবুর সঙ্গেই মদের গ্লাসে চুমুক দেয়। সে কেন শুনবে আমার মতো মুখ্যু মানুষের কথা? বাবু আমার নির্দেশ দিয়েছিল, ‘এমন মারবি যেন মাথাটা ফেটে যায়।’ আমি সেটা করতে পারিনি। মনে পড়ে যাচ্ছিল বউয়ের যখন ধুম জ্বর, তখন মাঝরাতে আপনি ওষুধ দিয়েছিলেন। বউ চোখ মেলে তাকিয়েছিল। এই দেখুন, প্রভুর কী ইচ্ছে দেখুন, আজ ছেলেটার শরীর খারাপ, সেই আপনার দুয়ারেই আসতে হল। এখন আপনি যদি ফিরিয়ে দেন, তা হলে ছেলেটা আমার বাঁচবে না।”

    শৌনক বলল, “বমি কখন থেকে করছে? কোথাও পড়ে যায়নি তো?” জিতেন্দ্র বলল, “না ডাক্তারবাবু, পড়ে যায়নি। তবে ইস্কুলে গিয়ে আচার খেয়েছিল বলছে ওর মা।”

    শৌনক প্রেসক্রিপশন লিখে বলল, “ওষুধগুলো এখুনি খাইয়ে দেবে। আর ORS (ওআরএস) খাওয়াবে। ঠিক হয়ে যাবে, চিন্তা নেই।

    জিতেন্দ্র আবারও প্রণাম করে ছেলেকে নিয়ে চলে গেল।

    শৌনক ঘরে ঢুকতে যাবে সেই সময়েই দেখল, প্রলয়ের ফোনটা ভাইব্রেট করছে। স্ক্রিনে নাম উঠছে নূপুরদিদি। শৌনক ইচ্ছে করেই দরজার আড়ালে দাঁড়িয়ে গেল। খুব ইচ্ছে করছিল, আড়াল থেকে ওদের দুজনের কথোপকথন শুনতে। ওদের দুজনের কথার মধ্যে নিজের নামটা নিশ্চয়ই একবার শুনতে পাবে। প্রলয় দেখল সাতকাহন করে জিতেন্দ্রর আসা, ওর ছেলের ট্রিটমেন্ট করার গল্প করছে। তারপর বলল, “হ্যাঁ, এই তো শৌনকদাকে খেতে দিয়ে আমি আমি খাব। না না গরম করেই দেব। হ্যাঁ হ্যাঁ, খাবার পরের ওষুধও দেব। খেতে না চাইলে আপনাকে ফোন করব।”

    শৌনক নিজের মনেই হাসতে হাসতে বিছানায় গিয়ে বসল। ওকে ফোন করতে লজ্জা করছে বলে প্রলয়কে নির্দেশ দিচ্ছেন ম্যাডাম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালির যৌনচর্চা : বটতলা থেকে হলুদ বই – অর্ণব সাহা
    Next Article নির্বাচিত গল্প ১ – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }