Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইতি নির্ভয়পুর – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প315 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ইতি নির্ভয়পুর – ২১

    ২১

    চার্চের মাঠে বিশাল প্যান্ডেল বাঁধা হয়েছে। বিরাট আয়োজন। একদিকে বড়ো বড়ো হাঁড়ি, কড়াইয়ে রান্না হচ্ছে। আর-একদিকে গান চলছে। মাঠের ফাঁকা জায়গায় বাচ্চারা ছুটোছুটি করে খেলা করছে। বিশাল পিকনিক চলছে যেন। গোটা নির্ভয়পুর হাজির হয়েছে এই উৎসবে।

    সুনীল বলল, “এবারে বুঝলাম পামেলা, কার টাকায় সুজয় বড়োলোকি করছে।”

    পামেলা বলল, “কার?”

    সুনীল আঙুল তুলে বলল, “দেখো খাওয়ার তদারকি কে করছে! কনকলতা ঘোষাল। আচ্ছা, হঠাৎ মৃণালদা আমাদের পিছনে কেন লাগল সেটাই তো বুঝলাম না!”

    পামেলা বলল, “ভরা মঞ্চ, আর দেরি করা ঠিক নয়। এবারে বোমাটা ফাটাই। বাকিটা তুমি বুঝে নেবে। হল্লা করে দেবে সুনীল। সবাই যেন ছি ছি করে সুজয়কে।”

    সুনীল ইশারায় বলল, “চিন্তা নেই।”

    গাড়ি থেকে নেমেই সুনীল মাইক হাতে বলল, “আমি আজ এখানে যারা উপস্থিত, তাদের একটা কথা বলতে চাই।”

    সকলেই চমকে উঠেছে। হঠাৎ এই পিকনিকে সুনীল-মাস্টার কী করছে? চমকানোর পরিমাণ আরও বাড়ানোর জন্যই গাড়ি থেকে কুন্তলীর হাত ধরে নামল পামেলা। কুত্তলী পামেলা মিত্রর গাড়িতে কী করছিল? এমন অনেক প্রশ্নই চার্চের মাঠে উপস্থিত থাকা অনেকের মনে এসেছিল। কিন্তু সুজয় ভাবার চেষ্টা করছে, ফুটবল ম্যাচ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় পামেলার মারাত্মক রাগ জমেছে সুজয়ের ওপরেই। তাই নিশ্চয়ই কোনও ছক কষেই এসেছে ওদের পিকনিক নষ্ট করতে। এটা পামেলাকে কিছুতেই করতে দেবে না সুজয়।

    সুজয় এগিয়ে এসে বলল, “ম্যাডাম, আপনি মালিকপক্ষ, বিরোধীপক্ষের এই পিকনিকে আপনার ঠিক কীসের প্রয়োজন?”

    পামেলা মিষ্টি হেসে বলল, “উঁহু, শুধু এটুকু পরিচয়ে তো আমি খুশি হলাম না মিস্টার সুজয় হাঁসদা। আমিও নির্ভয়পুরবাসী। নির্ভয়পুরের সমস্ত বাসিদা যখন এই পিকনিকে অংশ নিতে পেরেছে, তখন আমি ব্রাত্য কেন? -ই হোক, আমি আজ একজনের মুখপাত্র হিসেবে এসেছি। বলতে পারো, তার আমন্ত্রণে। কুণ্ডলী আমায় ডেকে এনেছে। কারণটা কুত্তলীই বলবে।”

    কুত্তলীর চোখের দিকে তাকাতেই মুখটা নামিয়ে নিল কুত্তলী। চোখে কান্নামিশ্রিত ভয়। সুজয় কিছুতেই বুঝতে পারছে না। কুত্তলী ওকে কিছু বলবে বলে হঠাৎ পামেলা মিত্রর কাছে গেল কেন? সুজয়কে সোজাসুজি বলতে পারত। নির্ভয়পুরের লোকজন হাঁ করে তাকিয়ে আছে। বেসামাল হাওয়ায় কষা মাংসের গন্ধ এসে ঝাপটা দিচ্ছে নাকে। চনমনে খিদে আরও দাপাদাপি করছে গন্ধ পেয়ে। সুনীল-স্যারের মুখও থম থম করছে।

    সুজয় বলল, “বলো কুত্তলী, কী বলতে চাও তুমি?”

    পামেলা মোলায়েম গলায় বলল, “মাইকটা ওর হাতে দাও সুজয়। মাইক ছাড়া বললে পাড়ার সব লোক শুনতে পাবে কী করে?”

    সুজয় অবাক হয়ে বলল, “মাইক? মাইক নিয়ে ও কী বলবে? এই কুত্তলী, তুমি কী বলতে চাও?”

    পামেলা আবার বলল, “মাইকটা দাও ওকে।”

    মাইকটা ওর হাতে ধরিয়ে দিয়ে অন্য গ্রামবাসীদের মতো সুজয়ও অপেক্ষা করছিল কুন্তলীর কথা শুনবে বলে। কুন্তলী মাইক হাতে কাঁপছিল।

    পামেলা সযত্নে ওর পিঠে হাত রেখে বলল, “বলো, আমি আছি, ভয় নেই।”

    কনকলতা শৌনকের কানের কাছে মুখ এনে বলল, “কী বলবে মনে হয় ডাক্তারবাবু?”

    শৌনক ফিসফিস করে বলল, “মহিলা বড়ো কিছু একটা ছকে এসেছে ম্যাডাম। আমাদের তৈরি থাকতে হবে।”

    নুপুর বলল, “শৌনক, আপনি কিছুই বলবেন না সর্বসমক্ষে। ভুলে যাবেন না, আপনি সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার। ওপেন ফোরামে রাজনীতি নিয়ে বক্তব্য রাখা শোভা পায় না। আন্টি বলবেন, আপনি আন্টিকে বলবেন যা বলার।”

    কনকলতা বলল, “বলতে তো হবেই। পামেলা মিত্রর হাতে নির্ভয়পুরের ভবিষ্যৎ তুলে দেওয়ার থেকে রঙ্গিত নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া ভালো।”

    কুত্তলী মাইক হাতে ফুঁপিয়ে চলছে, খুব চেষ্টা করছে নিজেকে সামলানোর। অবশেষে ভাঙা গলায় বলল, “আমি গর্ভবতী। সুজয় হাঁসদা এই সন্তানের বাবা। এবারে আপনারাই ঠিক করুন, আমার কী করা উচিত।”

    নির্ভয়পুরের মানুষজন চমকে গিয়েই চুপ করে আছে হয়তো। কারও মুখে কোনও কথা নেই। এ সমাজে অবিবাহিত মেয়েরা গর্ভবতী হয় না।

    সুনীল সময়মতো মাইকটা কুন্তলীর হাত থেকে নিয়ে বলতে শুরু করল, “কুত্তলী আমাদের ঘরের মেয়ে। ওর ওপরে এমন অবিচার সহ্য করবেন না ম্যাডাম পামেলা মিত্র। অসহায় মেয়েদের পাশে দাঁড়াবেন বলেই উনি রাজনীতিতে এসেছেন। কুন্তলীর যাবতীয় দায়িত্ব আজ থেকে আমরা নিলাম। কিন্তু যাকে আপনারা জনপ্রতিনিধি হিসেবে নিজের মূল্যবান ভোটটি দিতে চলেছেন, তার চরিত্র সম্পর্কে আগে অবগত হোন। একটি অসহায়, নিরীহ মেয়েকে চাকরি দেবার কৃতজ্ঞতাস্বরূপ তাকে ভোগ করার মানসিকতা অত্যন্ত ঘৃণ্য। এই যদি নির্ভয়পুরের জনপ্রতিনিধির আসল চেহারা হয়, তা হলে অসহায় ভাইবোনেরা যাবে কোথায়? বিচার আপনাদের হাতে। আপনাদের ঘরের মেয়ের পাশে দাঁড়িয়ে আছেন মিত্র টি-এস্টেটের মালকিন। আপনারা কেউ দায়িত্ব না নিলেও উনি আজ থেকে কুত্তলীর খাওয়া-পরার সব দায়িত্ব নেবেন। কিন্তু গর্ভের সন্তান তার পিতৃপরিচয় পাবে কীভাবে?”

    সুজয় কুন্তলীর দিকে ভর্ৎসনার চোখে তাকিয়ে বলল, “ছিঃ!” শৌনককে বলল, “ডাক্তারবাবু এ সন্তান আমার নয়, ডিএনএ টেস্ট করলেই প্রমাণ হবে।”

    শৌনক উত্তর দেবার আগেই কনকলতা বলল, সুজয় ওসব কথা নির্ভয়পুরের লোকজন মানবে না। কুন্তলী যদি আত্মহত্যা করে, দায় তোমার ওপরে পড়বে। পামেলা সব সাজিয়ে-গুছিয়ে এনেছে।

    নূপুর বলল, “হ্যাঁ, আমি জানি কুন্তলী প্রেগন্যান্ট। আমি দেখেছি ওর রিপোর্ট।”

    কনকলতা বলল, “আমি যেটা বলছি আপাতত করো। ওই দেখো জনতা চিৎকার শুরু করেছে।”

    সুজয় ভাঙা গলায় বলল, “কী করতে বলছেন জেঠিমা? ওরা আমায় শেষ করে দিতে চাইছে যে!”

    কনকলতা বলল, “জেঠিমা বলে যখন ডেকেছ, তখন তোমায় বাঁচানো আমার দায়িত্ব।”

    কনকলতা সুনীল-মাস্টারের হাত থেকে মাইকটা প্রায় ছিনিয়ে নিয়ে বলল, “হ্যাঁ, সুজয় আর কুন্তলী দুজনেই একটা অন্যায় করেছে। অন্যায়ের ভাগীদার একা সুজয় নয়। কুত্তলীর সম্মতিতেই সবটুকু হয়েছে। তবে আমরা হলাম গুরুজন, আমরাই তো সন্তানদের ক্ষমা করব। আমাদের একমাত্র কাজ সুজয় আর কুম্ভলীর বিয়ে দিয়ে দেওয়া। ওরা দুজন-দুজনকে ভালোবাসে। বিয়ে করতে তো আপত্তি করেনি সুজয়। সে সানন্দে কুণ্ডলীকে বিয়ে করবে। চার্চের ফাদার রয়েছেন আমাদের মধ্যেই। চার্চের মাঠেই আজকের পিকনিক। সঙ্গে আর-একটা উৎসব যোগ হল, সুজয়-কুন্তলীর বিয়ে। কুত্তলীর মা আর সুজয়ের বাবাও এখানে উপস্থিত আছে। আশা করি, তাদের কোনও আপত্তি হবে না।” পামেলা আর সুনীল চোখ চাওয়া-চওয়ি করতে শুরু করল। খেলাটা অন্য দিকে ঘুরিয়ে দিতে চাইছে কনকলতা।

    সুনীল ফিসফিস করে বলল, “পামেলা এখন কী হবে?”

    পামেলা কিছু বলার আগেই সুজয় মাইকটা নিয়ে বলল, “কুত্তলীকে আমি বহু বছর ধরেই ভালোবাসি। তাই বিয়ে করলে ওকেই করব সিদ্ধান্ত নিয়েই নিয়েছিলাম। হ্যাঁ, এ সন্তান আমার, আজ থেকে কুম্ভলীর সব দায়িত্বও আমার।”

    কুন্তলীর মা ছুটে এসে সুজয়কে বুকে জড়িয়ে ধরে বলল, “আমার কিছুই দেবার নেই তোমায়। শুধু নিজের পরমায়ুটুকু ছাড়া। সেটা তোমায় দিলাম।”

    গোটা নির্ভয়পুরের লোকজন সুজয়ের নামে জয়ধ্বনি দিতে ব্যস্ত। বুকের পাটা একেই বলে’ এসব বলেও চেঁচাচ্ছে সুজয়ের সঙ্গীরা। কুত্তলী কী করবে বুঝতে পারছে না। ওকে তো পামেলা বুঝিয়েছিল, সুজয় কিছুতেই বিয়ে করতে চাইবে না তখনই নীহারের সঙ্গে বিয়ের ঘোষণা করবে। কিন্তু সুজয়দা এত বড়ো একটা মিথ্যার দায় নিজের কাঁধে চাপিয়ে নিল কেন হঠাৎ? এত লোকের সামনে বলল, এ সন্তান ওর! এখন যদি কুত্তলী বলে, ও সুজয়কে বিয়ে করবে না, তা হলে গোটা নির্ভয়পুরবাসী তো ওর মুখেই থুতু দেবে। তাছাড়া নীহার ওর ফোন ধরছে না। হয়তো অস্বীকারই করে বসল ওদের সম্পর্কটাকে। তখন কুত্তলী যাবে কোথায়? ওর মায়ের মুখে হাসি ধরছে না। একদিন তো কুম্ভলী অপেক্ষা করত, কখন সুজয় ওকে বলবে ভালোবাসি। আজ তো সুজয় মাইকে দাঁড়িয়ে গোটা গ্রামের সামনে এ কথা বলল, তার পরেও কেন কুন্তলীর মনে হচ্ছে ও অন্যায় করছে? সুজয়ের চোখের ওই ভর্ৎসনাটাই সত্যি, বাকি সব সাজানো।

    কুত্তলী বলল, “পামেলা-ম্যাম, আপনি যে বলেছিলেন, এটা বলার পরে আপনি নিজে দাঁড়িয়ে থেকে নীহারের সঙ্গে আমার বিয়ে দেবেন?”

    পামেলা হেসে বলল, “নীহার? সে এল কোথা থেকে? সুজয় নিজে স্বীকার করছে ও এই সন্তানের বাবা। তার মানে, তুমি আমাদের পরিবারের বদনাম করবে বলেই নীহারের নামে দুর্নাম ছড়াতে এসেছিলে, তাই তো? সরল মুখের আড়ালে বেশ জটিল ষড়যন্ত্র করেছিলে তো? চলো সুনীল, তুমি যেহেতু বরকর্তা নও, তাই দাঁড়িয়ে থাকার কোনও প্রশ্নই ওঠে না।”

    সুনীল সারা রাস্তাটা গাড়িতে চুপ করে থাকল। জেতা ম্যাচ হেরে যাওয়ার পর যে অনুভূতি হয়, ওর সেটাই হচ্ছে এখন। ০-১-এ জিতে বেরিয়ে গেল সুজয়। অতীব চালাক ছেলে সুজয়।

    পামেলা বলল, “সুনীল কী একটা কেচ্ছা শুনেছিলাম না একবার মৃণাল ঘোষালের নামে? কেচ্ছাটার সত্যতা প্রমাণ-সহ আমার চাই। তারপর কনকলতা ঘোষালের রাজনীতি করা আমি বের করছি। মৃণাল ঘোষালের কেচ্ছাটা ভালো করে প্রচার করতে হবে, খোঁজো খোঁজো সুনীল।”

    সুনীল বলল, “পামেলা, খেলাটা হাতের মুঠো থেকে বেরিয়ে গেল আজকে, ওই কনকলতার জন্য। ঘোষাল আর তোমার কী একটা জয়েন্ট বিজনেসের প্ল্যান আছে না? ওটা বাতিল করে দাও।”

    পামেলা সুনীলের ক্লিন শেভড গালে হাত বুলিয়ে বলল, “ধুর, শুধু অভিমান! আরে এটা কি রাগ করার সময়? এটা আরও ঘনিষ্ঠ হবার সময় সুনীল। ঘোষালকে ডিনারে ডাকি, গল্পসল্প করি। তারপর আমাদের দলের প্রচারে ঘোষাল মাইক ধরুক আমাদের জন্য। নির্ভয়পুরে লোকজন এখনও মৃণাল ঘোষালকেই মালিক বলে জানে, তাই কনকলতার মতো একজন আটপৌরের কথায় কতটা আর প্রভাবিত হবে বলো তো? আর মল্লিকের মেয়েটা মনে হচ্ছে একটু বেশিই উড়ছে আজকাল? সমাদ্দারের মেয়ে সাহেবের বউ হতে যাচ্ছে না? নিরঞ্জনদাকে বলছি, আত্মীয়কে একটু সাবধান করতে।”

    সুনীলের ঠোঁটে হাসি নেই। কেমন যেন বোধশূন্য হয়ে বসে আছে।

    পামেলার ফোনে রিং বাজছে, ফোনটা ধরেই ককিয়ে উঠল পামেলা, “কখন হল? বেঁচে আছে?”

    পামেলার হাত থেকে ফোনটা সুনীল নিয়ে কানে লাগিয়ে বলল, “অ্যাক্সিডেন্ট? আমরা আসছি।”

    পামেলা সুনীলের কাঁধে মাথা রেখে প্রায় জ্ঞানশূন্য অবস্থায় বলল, “নীহারের বডি নির্ভয়পুরে আনার ব্যবস্থা করো সুনীল। ভাইটা আমার পাহাড় বড়ো ভালোবাসত।”

    সুনীল জানে, পামেলা একমাত্র ভাইয়ের প্রতিই দুর্বল ছিল। নীহার হাজার অন্যায় করলেও, ক্ষমা করে দিত পামেলা। পামেলা এই ধাক্কাটা সামলাবে কী করে কে জানে। চোখ বন্ধ করে আছে পামেলা। নীরুর মুখটা ভেসে উঠছে বারবার। সেই ছোট্ট নীরু বড়দির পায়ে পায়ে ঘুরে বেড়ানো ছোটো ভাইটা।

    যত আবদার সব ওর কাছে, আবার ভয়ও পেত যমের মতো। কবে যে ওর নাগালের বাইরে চলে গেল, বুঝতেই পারল না পামেলা। নাগালের বাইরে গেল বলেই জীবনটা হারাতে হল। ডিএনএ টেস্টের উপায় রইল না, পামেলার অতীত লোককে বলে দেবার মানুষটাও রইল না। পামেলার বিশ্বাসের সুযোগ নিয়ে ওর রেপুটেশন নষ্ট করার মানুষটা চলে গেল। নীহারকে খুন করাতে চায়নি পামেলা। বড্ড ভালোবাসত নীরুকে। বলতে গেলে ওর একমাত্র দুর্বলতা ছিল নীহার। সেই নীহারকে সরাতে হবে, কল্পনাও করতে পারেনি ও। মিত্র এস্টেটের এমডি-র পদে বসেও পামেলার বদনাম করে গেছে নীরু। নিজের উপার্জিত সবটুকু ভাইয়ের হাতে দিতে দ্বিতীয়বার ভাবেনি পামেলা, তারপরেও এই বেইমানি মেনে নিতে অক্ষম বলেই আজ অকালে নীরুকে হারাল পামেলা।

    নীহারকে নির্ভয়পুরের মানুষ বড্ড আপন করে নিয়েছিল। সেই কারণেই বডি এখানে আনতে বলল পামেলা। ভাই হারা অসহায় দিদির পাশে আশা করা যায় নির্ভয়পুরবাসী থাকবে। ভাইয়ের মৃতদেহ নিয়ে সহানুভূতি আদায় করতে হবে কোনওদিনই ভাবেনি পামেলা, কিন্তু আপাতত নীহার যখন নেই, ওকে যখন আর ফিরে পাওয়া যাবেই না, তখন এটুকুকে পামেলা দোষ ভাবতে নারাজ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালির যৌনচর্চা : বটতলা থেকে হলুদ বই – অর্ণব সাহা
    Next Article নির্বাচিত গল্প ১ – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }