Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইতি নির্ভয়পুর – অর্পিতা সরকার

    লেখক এক পাতা গল্প315 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ইতি নির্ভয়পুর – ৭

    ৭

    “এতে এত বিস্মিত হবার মতো কী হল মল্লিকবাবু? সেই স্কুল লাইফ থেকেই তো পেটরোগা মানুষ ছিলে। কয়েতবেলের আচার খেয়ে মনে নেই তিনদিন বমি করে স্কুলে আসোনি? একটু দৌড়ালেও হাঁপিয়ে একশা হতে। বয়েস বেড়েছে তাই হৃদয় দুর্বল হয়েছে। এত চিন্তার কিছু নেই। নিয়মে থাকো, সব ঠিক হয়ে যাবে।”

    অরুণাংশু একটু করুণ হেসে বলল, “তোমার সব মনে আছে তাই না অতসী?

    সব মনে থাকা সত্ত্বেও আমায় ক্ষমা করে দিলে কী করে, এটা ভেবেই আজও অবাক হই। জানো হসপিটালের বেডে একা শুয়ে শুয়ে অনেকদিন পরে এমন নিশ্ছিদ্র অবসরযাপন করছি। মৃত্যুর দোরগোড়া থেকে ঘুরে এলাম তো তাই আরও যেন জীবনটাকে অনুভব করলাম।”

    অতসী বলল, “আমি রাতে থাকতে চেয়েছিলাম তো, সাহেব বলল, একজনকে রেখেছে।”

    অরুণাংশু যেন অন্য মানুষ এখন। সেই সদা ব্যবসা চিন্তায় মগ্ন, বাড়ির নিয়মে একটু এদিক-ওদিক হলে চলবে না সেই মানুষটাই যেন নয়। এ যেন জাগতিক জগৎ থেকে সম্পূর্ণ উদাসীন একটা মানুষ। কথায় সেই ঝাঁজটুকু অবধি নেই। অতসীর হাতের ওপরে হাত রেখে বলল, “ভাবছি, বাড়ি ফিরে সম্পত্তির ভাগ করে দেব। তিনটি ভাগে সমান ভাগ করব।”

    অতসী হেসে বলল, “সে তো হচ্ছে না মল্লিকমশাই, আমার ভাগে বেশি চাই। তারপর তোমার দুই ছেলেমেয়েদের দিয়ো। আমি যেটা চাইব সেটা দেবে তারপর ও ভাগ আমি মানব।”

    অতসীকে অরুণাংশু মল্লিক ঠিক কত বছর ধরে চেনে সেটা হিসেব করতেও সময় লাগবে। সহজ হিসেবে বলা যায়, নিজেকে যতদিন চেনে ততদিনই চেনে। কখনও কোনও জিনিস নিজের জন্য দাবি করেনি অতসী। আবদারও করেনি কোনওদিন। অদ্ভুত সংযমী মেয়ে ছিল, এখন কঠিন মহিলা যতদূর মনে পড়ছে ক্লাস সেভেনে একবার ওর কাছে ঘুড়ি কেনার বায়না করেছিল অতসী। অরুণাংশু বলেছিল, “মেয়েদের অমন ঘুড়ি ওড়াতে নেই।” তারপর আর কোনওদিন কোনও বায়না করেনি অতসী। অতসীর অভিমান বড়ো ভয়ঙ্কর। পাথর গলে গেলেও সে অভিমান গলবে না। অরুণাংশু বড্ড ভয় করে সেই জেদি অভিমানকে।

    মল্লিক হেসে বলল, “যা চাইবে এই বেলা চেয়ে নাও। সব মঞ্জুর হবে।”

    অতসী উদাস গলায় বলল, “কথার খেলাপ আমি পছন্দ করি না। তাই ভেবেচিন্তে কথা দাও। পরে আর কথা ঘোরানো চলবে না।”

    মল্লিক নিজের একটা হাত তুলে বলল, “তথাস্তু।”

    অতসী শান্ত হয়েই বলল, “একবার কথা দিয়েও রাখোনি, ক্ষমা করে দিয়েছি। বারবার দেব না কিন্তু। তোমার সম্পত্তি তুমি দুই ভাগে ভাগ করবে, তোমার ছেলে আর মেয়ের নামে। আর আমার ভাগে রাখবে তুমি নিজেকে আর তোমার দুই সন্তানকে। উঁহু, এখন আর কথা বদলাতে পারবে না।”

    মল্লিক বলল, “এটা ভুল হবে গো। আমি চোখ বুজলে, যদি এরা তোমায় না দেখে তখন?”

    অতসী হেসে বলল, “তা হলে বুঝব আমি কিছু পাওয়ার যোগ্যই নই। সন্তান মানুষেই অক্ষম হয়েছি। আর-একটা কথা মল্লিকমশাই, একবার আমায় ছেড়ে চলে এসেছিলে, আবার আমায় ছেড়ে যাব বললে কিন্তু রক্ষে রাখব না। আমার মুখ গৌরীপুরের সবাই জানে, আশা করি তোমার অজানা নয়। যা-ই হোক, এসব বোঝাপড়া করার সময় অনেক পাব। আমরা কলকাতা যাব।”

    মল্লিক অবাক হয়ে বলল, “হঠাৎ কলকাতা কেন অতসী?”

    অতসী গর্বিত গলায় বলল, “আমার সাহেব তার বাবাকে আরও বড়ো ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে চায়। সঙ্গে আমারও কী সব টেস্ট করাবে বলে বায়না জুড়েছে।”

    মল্লিক বুঝল, সাহেব আর অতসীর দূরত্ব ঘুচেছে, মনে মনে এ দিনের অপেক্ষায় থাকত অতসী। অপেক্ষায় কি শুধু অতসী থাকত? অরুণাংশুও ভাবত, সাহেব কবে বুঝবে, অতসী কোন ধাতুতে গড়া। এসব সম্পত্তি, টাকা-পয়সার অনেক ঊর্ধ্বে ওর ভাবনা। সাহেবের অবশ্য দোষ নেই। ছোটো থেকেই ওকে অতসীর বিরুদ্ধে বোঝানো হয়েছে। সাহেবের মামাবাড়ি লোকজন থেকে অরুণাংশুর বোন অবধি ওকে বুঝিয়েছিল, অতসী ওর ক্ষতি করতে চায়।

    অতসী বলল, “অত আকাশকুসুম ভাবার কী আছে? মা-ছেলের ভাবে কি মন্নিকদের হিংসা হচ্ছে নাকি? যা-ই হোক, সাহেব গেছে ডাক্তারের সঙ্গে কথা বলতে। আর তোমার মেয়েও আজ ফিরছে। না, দোষ দেবে না। আমরা কেউ তাকে বলিনি। সে তার দাদাভাইয়ের গলা শুনে বুঝে গেছে, বাড়িতে কিছু একটা হয়েছে। তাই বিতানকে কল করে সব জেনেছে। এবার তোমার হোটেলের ম্যানেজারকে তো আর বারণ করা হয়নি। নূপুর কারওর কথাই শুনবে না, সে আসছে।”

    অরুণাংশু চোখটা বন্ধ করল, ঠোঁটে তৃপ্তির হাসি। বলল, “মাঝে মাঝে অসুস্থ হওয়া তা হলে ভালো, কী বলো?”

    অতসী আর সাহেব চলে গেছে। অরুণাংশ একাই শুয়ে আছে। আকাশ-পাতাল ভাবছে। আজ বড়ো গ্রামের বাড়ির স্মৃতি ঘাঁটতে মন চাইছে। চূড়ান্ত ব্যস্ততার কাটে ওর প্রতিটা মুহূর্ত। স্মৃতির পাতাগুলো তাই ক্রমশ হলদে হচ্ছে। না ওল্টানোর কারণে গুঁড়ো গুঁড়ো ধুলোও বুঝি জমছে পাতায় পাতায়। চোখ বন্ধ করে অরুণাংশু আজ ডুব দিল সেই স্কুলবেলায়।

    তখন ও দশম শ্রেণির ছাত্র। গৌরীপুরের জমিদার বংশ ওদের। জমিদারি প্রথা তো কবেই শেষ হয়েছে, তবুও গ্রামের মানুষরা ওদের বড়োবাবু, ছোটোবাবু বলেই সম্বোধন করত। স্কুল থেকে ফিরে বিকেলের দিকে বাড়ির উঠোনে ইজি চেয়ারে বসে শরৎ সাহিত্য পড়ছিল অরুণাংশু।

    হঠাৎই বাবা এসে বলল, “তারকনাথের মেয়েটা আজ থেকে আমাদের বাড়িতেই থাকবে। তারকের স্ত্রী গত হয়েছে, তারক তো আমাদের বাড়িতেই দিনের অধিকাংশ সময় কাটায়, ছোটো মেয়ে, দেখার তো কেউ নেই। নিচেরতলার একটা ঘরে ওদের বাপ-মেয়ের থাকার ব্যবস্থা করে দিয়ো।”

    মল্লিক-বাড়িতে অয়নাংশু মল্লিকের কথার বিরুদ্ধাচরণ করবে এমন সাহস কারওর ছিল না। কিন্তু পিসিমণি, কাকুদের যে বিষয়টা পছন্দ হয়নি সেটা ওদের আড়ালের আলোচনা শুনেই বোঝা গিয়েছিল। আড়ালে বলেছিল, “ম্যানেজারকে বেতন দেবে এটাই তো যথেষ্ট, বাড়িতে নিয়ে এসে কে তোলে? দাদার সবেতে বাড়াবাড়ি।” দাদু মারা যাবার পরে এই বিশাল বাড়ি, জমি জায়গা সবই বাবা সামলেছে একা হাতে। তাই ভাই-বোনেরা কেউই মুখের ওপরে কিছু বলতে পারত না। তবে তারকনাথকাকা ওদের বাড়িতে সব সময় থাকবে জেনে অরুণাংশুর খুব আনন্দ হয়েছিল। আসলে তারকনাথকাকা অরুণকে খুব ভালোবাসত। গৌরী নদীতে নৌকা চড়তে ইচ্ছে হলেও ও তারকনাথকাকার কাছেই আবদার করত। এমন কত ছোটো ছোটো ইচ্ছে পূরণ করত কাকা। কখনও মনে হয়নি সে ওদের জমি-জায়গা-পুকুরের লাভ-ক্ষতির হিসেব রাখা মাস মাইনের কর্মচারী। অতসী তখন ছোটো হলেও নিজেদের পজিশনটা ঠিক বুঝত। তাই অরুণ খেলতে ডাকলেও সে কখনও দোতলায় উঠতে চাইত না। অরুণের পিসি, পিসেমশাই, কাকা যে ওদের তেমন পছন্দ করত না সেটা তখন থেকেই জানত। তবে অরুণের মায়ের খুব পছন্দের মেয়ে ছিল অতসী। রোজ সকালে উঠে মায়ের পুজোর ফুল তুলে রাখত ও। মা যখন যা বলত হাসিমুখে করে দিত। মা ওকে না দিয়ে কোনও খাবার নিজে খেত না। সেটাও বাড়ির অনেকেরই পছন্দ ছিল না। বাবা তখন কলকাতায় ব্যবসা ফাঁদতে ব্যস্ত। কলকাতায় নাকি বিশাল হোটেল বানাচ্ছে বাবা। গৌরীপুরের জমি-জায়গা অনেকটাই বিক্রি করে দিচ্ছিল বাবা নিজের ভাগের থেকে। কাকা পরিষ্কার জানিয়েছিল, গৌরীপুর ছেড়ে সে কোথাও যাবে না। পিসিমণিও শ্বশুরবাড়িতে পোষায়নি বলেই পিসেমশাইকে নিয়ে এখানেই থাকত। পিসেমশাই ছিল নাম করা উকিল। পসার মন্দ ছিল না। শ্বশুরবাড়ি থেকে রোজ খাওয়া-দাওয়া করে একটা গাড়ি হাঁকিয়ে কোর্টে যেত। আর কাকা ওদের গৌরীপুরের পুকুরে মাছ চাষ করার তোড়জোড় শুরু করেছিল। মোট কথা বাবা বলত, কুবেরের সম্পত্তিও বসে খেলে ফুরিয়ে যায়, তাই সেটা বাড়াতে হয়। ব্যবসা করতে হয়, সেই ব্যবসা যেটায় লাভ বেশি। কলকাতায় সারা বছর প্রচুর ট্যুরিস্ট আসে। ওখানে হোটেলের ব্যবসা ভালো চলবে। সেই শুরু মল্লিকদের হোটেলের ব্যবসার। ফুডিং অ্যান্ড লজিং দিয়েই শুরু করেছিল বাবা।

    অরুণাংশুর অবশ্য ব্যবসায় তত ইন্টারেস্ট ছিল না। ওর ইচ্ছে ছিল চাকরি করার। সাহেবের মতো কোট-টাই এঁটে অফিস যাবে। ঠিক সিনেমার উত্তম কুমারের মতো। অতসীই ছিল একমাত্র বিশ্বস্ত সঙ্গী এসব মনের গোপন কথা বলার। স্কুলে বা খেলার মাঠে বললে বন্ধুরা লেগপুল করত। তাই মুখচোরা অরুণাংশু বন্ধুদের সামনে কখনও উত্তম কুমারের মতো হেঁটে দেখায়নি। মল্লিক-বাড়ির উঠোনের দক্ষিণ কোণে ঝাঁকড়া আম গাছটার নিচে একমাত্র দর্শক অতসীর সামনে উত্তম কুমার সাজত প্ৰায়ই।

    অতসী অবাক হয়ে বলত, “তুমি পুরো নায়কের মতো কথা বলছ!”

    বাধ্য দর্শক পেয়ে অরুণাংশু খুবই খুশি হয়েছিল। তাছাড়া ওর ছোটোখাট ফাইফরমায়েশও খেটে দিত। রান্নাঘর থেকে মুড়ির বাটিটা এনে দেওয়া, ওর বইপত্রগুলো সব গুছিয়ে রাখা এসব ধীরে ধীরে অতসীর কাঁধে নিশ্চিন্তে ছেড়ে দিয়েছিল ও। মেয়েটা পড়াশোনায় মন্দ ছিল না। এক চান্সে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিক পাশ করেছিল। অরুণাংশু কলকাতার কলেজে ভর্তি হয়েছিল তখন। বাড়ি যেত ছুটিতে। গিয়ে দেখত অতসীর মধ্যে অদ্ভুত এক পরিবর্তন ঘটেছে। সেই ছোটোবেলার মতো আর যখন তখন ওর ঘরে আসে না। ওর সঙ্গে হুটোপুটি করে না। ওর জন্য খেলার মাঠে গিয়ে বেপাড়ার ছেলেদের সঙ্গে গলার শিরা ফুলিয়ে ঝগড়াও করে না। কেমন যেন আচমকা বড়ো হয়ে গিয়েছিল মেয়েটা। দেখতেও ভারি মিষ্টি হয়েছিল। নিজের যত্ন নিতে শিখেছিল। তারকনাথকাকা বলেছিল, ভালো পাত্র পেলেই বিয়ে দিয়ে দেব। অতসীর বিয়ে হয়ে যাবে অন্যত্র ভেবেই প্রথম ওর বুকটা কেমন ফাঁকা হয়ে গিয়েছিল। অতসী ওর একান্ত নিজের। ওকে অতসীর মতো করে কেউ চেনে না। ওর আনন্দ, দুঃখ, রাগ সবটুকুর প্রকাশ জানে অতসী, সে কেন অন্যের হবে? সেই প্রথম অরুণাংশু বুঝেছিল, ও অতসীকে ভালোবাসে।

    সেদিনই বিকেলে অতসীকে একটা পাত্রপক্ষ দেখতে এসেছিল। তারা অতসীকে পছন্দও করে গিয়েছিল। কিন্তু অরুণাংশু বুঝেছিল, ছেলেকে অতসীর পছন্দ নয়। ও জিজ্ঞাসা করেছিল, “ছেলে পছন্দ হয়নি বুঝি?”

    অতসী ওর চোখের দিকে তাকিয়ে বলেছিল, “না, তোমার মতো নয়।”

    অরুণাংশু বলেছিল, “আমি তোমায় বিয়ে করব, কিন্তু এখনও একটা বছর সময় দিতে হবে আমায়।”

    অতসী কোনও কথা বলেনি সেদিন। ওর প্রচার শুধু জলে ভরে গিয়েছিল।

    তারপর তারকনাথকাকা যত সম্বন্ধই এনেছিল, সব ভেঙে গিয়েছিল। অতসী অপেক্ষায় ছিল কবে অরুণ সকলকে বলবে ওদের সম্পর্কের কথা। না কাউকে বলার সুযোগই দেওয়া হয়নি অরুণকে। ও গ্র্যাজুয়েশন করার পরেই বাবা আচমকা তার বন্ধুর মেয়ের সঙ্গে বিয়ে ঠিক করে ফেলেছিল অরুণাংশুর। মাকে অরুণ বলেছিল অতসীর কথা, মা বোধহয় বলেছিল বাবাকে। এসব শুনে রাতারাতি তারকনাথকাকার কাজটা চলে গিয়েছিল। অতসীরাও আশ্রয়হারা হয়ে ফিরে গিয়েছিল ওদের নিজেদের ভাঙা বাড়িতে। তারকনাথকাকা নিজের জমানো টাকায় বাড়িতেই একটা ছোটো দোকান দিয়েছিল। বাবা আর মেয়ে মিলে সেই দোকান চালাচ্ছিল। ওদিকে কলকাতার বাড়িতেই মহা ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল অরুণাংশুর। গৌরীপুর থেকে আত্মীয়রা এসেছিল কলকাতায়। নিরুপমাও উচ্চবিত্ত বাড়ির মেয়ে। অহংকারী আর মেজাজি হওয়া সত্ত্বেও বাবার তাকে পছন্দের কারণ বোধহয় নিরুপমার বংশ পরিচয়। লজ্জা আর অপরাধবোধের কারণেই অরুণাংশু আর কখনও যায়নি অতসীদের বাড়ির সামনে দিয়ে। ইনফ্যাক্ট গৌরীপুরেও যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছিল ও। ততদিনে বাবাও ওখানের দায়িত্ব কাকা আর পিসির ওপরে দিয়ে মাকে নিয়ে কলকাতার বাড়িতে এসে উঠেছিল। তারপর বাবা-ই কোথা থেকে খবর নিয়ে এসে বলেছিল, নির্ভয়পুরে হোটেল বানাতে হবে। পাহাড়ি এলাকা, এখনও জায়গার দাম কম। বাকিটা যদিও অরুণাংশুই করেছিল। বাবা মারা যাবার এক বছরের মাথায় সাহেব পেটে এসেছিল নিরুপমার। বাবার মতোই ধবধবে ফরসা হয়েছিল সাহেব। সকলের রীতিমতো বিশ্বাস তৈরি হয়েছিল যে, অয়নাংশু মল্লিক ব্যবসা সামলাতে আবার চলে এসেছে।

    নিরুপমার উদ্ধত আচরণে মা প্রায়ই লুকিয়ে আফসোস করত, আর বলত, “সে কত যত্ন করত আমার, কত বুঝদার ছিল। আমার কপালে ছিল না তাই।”

    অরুণাংশু অদ্ভুত একটা অপরাধবোধে ভুগত। লুকিয়ে দেখতে গিয়েছিল অতসীকে একদিন, কিন্তু চোখাচোখি হয়ে যেতেই অতসীই এগিয়ে এসে বলেছিল, “বাবা চলে গেল অরুণদা। যাবার আগে তোমার সঙ্গে একবার দেখা করতে চেয়েছিল। আমিই খবর দিইনি। যদি আবার আকাশ-কুসুম কিছু আবদার করে বসে তোমার কাছে, লজ্জার শেষ থাকবে না। তাই আর দেখা করানো হল না। তোমার ছেলেকে নিয়ে তোমার পিসি সারা পাড়া ঘোরাতে এনেছিল, তখনই দেখলাম। জেঠুর মতো দেখতে হয়েছে। তোমার হাতের আংটিটা বহুদিন আগে থেকে গচ্ছিত ছিল আমার কাছে। সাহেবের মুখ দেখে ওটাই ফেরত দিলাম। তোমার পিসি দেখে বলল, ‘অরুণের আংটি চুরি করেছিলি হতচ্ছাড়ি?’ তুমি আমায় চোর বদনামটুকুও দিয়ে দিলে অরুণদা। তোমার পিসিকে বলা হল না, মল্লিকবাড়ির ছেলেই এটা হতচ্ছাড়ির আঙুলে পরিয়ে দিয়েছিল একদিন। থাক গে, চুরির বদনাম মন্দ কী? দুশ্চরিত্রার বদনাম তো আগেই পেয়েছিলাম, এবারে পেলাম চোর।”

    অরুণাংশু বলেছিল, “বিয়ে করলে না কেন?”

    অতসী হেসে বলেছিল, “সারা পাড়া জানে, আমি আশ্রিতা হয়ে মল্লিক বাড়ির ছেলের দিকে হাত বাড়িয়েছিলাম। আমি লোভী, দুশ্চরিত্রা, তারপর আর কে বিয়ে করবে আমায় বলো দেখি?”

    অরুণাংশু বলেছিল, “বাজে কথা। অনেক ছেলেরই তোমায় পছন্দ হয়েছিল আমি জানি। বিয়েটা তুমিই ভেঙেছিলে।”

    অতসী হাতের কাজ সারতে সারতে বলেছিল, “ভালোবাসায় বিশ্বাস হারিয়েছি, তাই করিনি। তুমি এখন এসো অরুণদা, না হলে আবার আমি বদনাম কুড়াব। দোকানটুকু চালিয়ে চলে যাচ্ছে, বন্ধ হলে মুশকিলে পড়ব।” অরুণাংশু ভয়ে ভয়েই বলেছিল, “তোমায় কিছু টাকা দিতে পারি আমি? নেবে?”

    অতসী হেসে বলেছিল, “হঠাৎ টাকা কেন? মুখ বন্ধ রাখার জন্য? কই মুখ তো আমি খুলিনি কোনওদিন। তোমার পিসি চোর বলল, তখনও খুলিনি। তা হলে আবার অকারণ অপচয় কেন?” আর দাঁড়ায়নি অতসী।

    অরুণাংশু ওকে যতটুকু চিনেছিল তাতে বেশ জানত, আর কোনওদিনই কিছু হাত পেতে নেবে না ও। একদিন ও অরুণের কাছে ঘুড়ি কেনার বায়না ধরেছিল, অরুণ বলেছিল, মেয়েরা ঘুড়ি ওড়ায় না। সেই অভিমানে আর কোনওদিন কোনওকিছুর বায়না করেনি অতসী। আর এখন তো অতসীকে প্রবঞ্চিত করেছে ও, তাই যত অভাবেই কাটুক, ওর কাছ থেকে হাত পেতে কিছু নেবে না। ফিরে এসেছিল অরুণাংশু।

    কাকা মারা যাবার পরে গৌরীপুরের সঙ্গে সম্পর্কেও ছেদ পড়েছিল। সাহেব যখন মাত্র বছর দুই তখন মা-ও চলে গেল। নিরুপমার অহংকারে অরুণাংশুর জীবন প্রায় ওষ্ঠাগত। মা থাকতে তাও নিজের কথা বলার একটা মানুষ ছিল। নিরুপমার তো শুধুই অভিযোগ ওকে ঘিরে। হাজার চেষ্টা করেও নিরুপমার মন পেল না অরুণাংশু। নির্ভয়পুরের ব্যবসাটা তখন সবে দাঁড় করানোর চেষ্টা করছিল, তাই বেশিরভাগ সময় নির্ভয়পুরেই কাটাচ্ছিল। কলকাতার ব্যবসা দেখার জন্য বাবার আমল থেকেই দুজন বিশ্বস্ত লোক ছিলই, তাই অরুণাংশু বেশিরভাগ সময়ই নির্ভয়পুরের চা-পাতা দিয়ে ঘেরা জনপদে কাটাতে পারছিল। কলকাতার বাড়ির সদাসর্বদা কোলাহল থেকে বেরিয়ে একমুঠো শান্তি। নিরুপমার রোজকার অসন্তোষের তাপ থেকে পালিয়ে এসে একটু শীতলতা পাওয়া। নিরুপমার দিদি, জামাইবাবুও ওদের কলকাতার বাড়িতে প্রায়ই আসত। বোনের অভিযোগ শুনে অরুণাংশুকে শাসন করতে আসত। কখনও নিরুপমার বড়দা এসে বলে যেত, “বোনকে আমরা বড়ো আদরে মানুষ করেছি অরুণ, অবহেলা করার জন্য নয়।” অরুণাংশুর বলা হয়ে ওঠেনি, নিরুপমাকে সে কোনওদিনই অবহেলা করেনি, বরং অবহেলিত হয়েছে বিয়ের পর থেকেই। ভেবেছিল সাহেব হবার পরে নিরুপমার স্বভাবে পরিবর্তন হবে, কিন্তু সেটা তো হলই না, বরং তার মেজাজ আরও তীব্র হল। অরুণাংশু চেষ্টা করত, কাজের অতিরিক্ত সময়ে নিরুপমার মন জুগিয়ে চলতে, কিন্তু কীসে যে মানুষটা খুশি হবে বুঝতেই পারল না গোটা বিবাহিত জীবনে।

    কলকাতা থেকে তারপর ছোটো সাহেবকে নিয়ে ওরা গিয়েছিল নির্ভয়পুরের নতুন বাংলোতে। নতুন পরিবেশে এসে নিরুপমার বিরক্তি তিনগুণ বেড়ে গেল। এমন পাহাড়ি পরিবেশও তাকে শাস্তি দিতে পারল না। লোকজন জেনে গেল, অরুণাংশু মল্লিক তার স্ত্রীর কাছে রোজ অপমানিত হন। ছোটো জনপদে কথা হওয়ায় ভাসে। বাধ্য হয়েই কলকাতা ফিরে গিয়েছিল অরুণাংশু। সাহেবকে স্কুলে ভর্তি করা হল, এদিকে নিরুপমা প্রায়ই অসুস্থ হতে লাগল। কলকাতার বড়ো ডাক্তার দেখিয়ে ধরা পড়ল লিভার ক্যানসার। মাথায় আকাশ ভেঙে পড়েছিল সেদিন অরুণাংশুর। ছোটো সাহেবকে নিয়ে কী করবে ও! নিরুপমার বাড়ির লোকজন প্রায় জোর করেই মেয়েকে নিয়ে চলে গেল। হাজার ট্রিটমেন্ট করিয়েও বাঁচিয়ে রাখা গেল না নিরুপমাকে। হাজার অভিযোগ নিয়েই সে চলে গেল। অরুণাংশুর সুযোগ হল না সেসব অভিযোগ খণ্ডন করার। তাই স্ত্রীর চোখে দোষী হয়েই রয়ে গেল। আত্মীয়-স্বজন সকলেই বলতে শুরু করল, “এই বয়সে স্ত্রী বিয়োগ হল, ছেলেটাকে দেখবে কে?” সাহেবের তখন বছর দশেক।

    বিয়ে করে সংসার করার ইচ্ছেটুকু ততদিনে চলে গিয়েছিল ওর। নিরুপমাকে খুশি করতে পারেনি, অতসীর চোখে অপরাধী হয়েছিল আগেই। প্রেমিক হিসেবে চূড়ান্ত ব্যর্থ, স্বামী হিসেবেও ব্যর্থ মানুষ অরুণাংশু, এটাই মেনে নিয়েছিল মনে মনে। আবারও আর-একটা মেয়ের জীবন নষ্ট করার কোনও ইচ্ছে ছিল না। কিন্তু অরুণাংশুর দুই পিসতুতো বোন উঠে-পড়ে লেগে গেল। পিসি আর কাকা মারা যাবার পরে গৌরীপুরের বাড়িতে ওরাই আসা-যাওয়া করত। অরুণাংশু কখনও ওদের পিসতুতো বোন ভাবেওনি। নিজের বোনের মতোই সম্পর্ক ছিল ছোটো থেকে। প্রতি ভাইফোঁটায় ওরাই ফোঁটা দিয়েছে ওকে। দুই বোনই পিসির জেরক্স কপি যেন।

    প্রায়ই পাত্রীর ছবি নিয়ে হাজির হচ্ছিল। সে এক বিড়ম্বনা।

    আচমকাই অরুণাংশ অতসীর সামনে গিয়ে দাঁড়িয়েছিল। হাত জোড় করে বলেছিল, “তুমি তো জানো আমি চিরকালের স্বার্থপর। নিজের ছাড়া কিছু‍ই বুঝি না। নিরুপমা চলে যাবার পর থেকে বড়দি রোজই পাত্রীর ছবি নিয়ে হাজির হচ্ছে। তুমি তো জানো, আমায় কেউ বুঝতেই পারে না তুমি ছাড়া। নিরুপমার মতো আর-একটা মেয়ের অভিযোগের দায় কাঁধে নিতে পাচ্ছি না। আর-একবার ভেবে দেখবে অতসী?”

    অতসী হেসে বলেছিল, “সেদিনও বাড়ির বাধ্য ছেলে ছিলে, আজও তাই থাকো। কেন অকারণ এই বয়সে এসে আমায় নিয়ে টানাটানি করছ মল্লিকবাবু?”

    হঠাৎই অরুণদা বদলে গিয়ে মল্লিকবাবু হয়েছিল ওর ঠোঁটে। অনেক সাধ্য-সাধনা করে দুই বছরের চেষ্টায় অতসীকে রাজি করানো গিয়েছিল। তাও অরুণাংশু অসুস্থ ছিল বলেই এটা সম্ভব হয়েছিল। ম্যালিগন্যান্ট ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছিল অরুণাংশু। প্রায় যায় যায় অবস্থা। কলকাতার এক নামী নার্সিংহোমে ভর্তি ছিল দীর্ঘদিন। কার কাছ থেকে যেন খবর পেয়ে অতসী এসে হাজির হয়েছিল। সেরে ওঠার পরে অরুণাংশু আর অতসী রেজিস্ট্রি ম্যারেজ করেছিল। তখনও বড়দি খুবই রাগ করেছিল। নিরুপমার বাপের বাড়ির লোকজন বলেছিল, সাহেবকে তারা এই পরিবেশে রাখবে না। বাধ্য হয়েই হস্টেলে ভর্তি করেছিল ছেলেকে।

    অতসী মাঝে মাঝেই বলত, “মল্লিক-বাড়ির সম্পত্তির লোভেই এই বিয়ে করেছি এমন কথাই রটিয়েছে তোমার বড়দি আর বোন। না, সে সব রটনা নিয়ে এই বয়সে আর ভাবি না, কিন্তু সাহেবকে বোঝানো হয়েছে, তাকে আমি মেরে ফেলব, দিয়ে তোমার সম্পত্তি দখল করব। ছেলেটা কেমন আতঙ্কের চোখে তাকায় আমার দিকে। সাহেবের ওই চাউনিটাই আমার বুকে ক্ষতর কারণ।”

    অরুণাংশু বুঝেছিল, সাহেব অতসীকে কিছুতেই স্বাভাবিকভাবে নিতে পারছে না, আর অতসীও সাহেবের উপস্থিতিতে কেমন একটা আড়ষ্ট হয়ে থাকছে। সাহেব যখন হস্টেল থেকে ফিরত তখন অতসীকে কয়েকদিনের জন্য নির্ভয়পুরে রেখে যেত অরুণাংশু। এভাবেই চলছিল। জীবন কোনওদিনই অরুণাংশুকে একচ্ছত্র সুখ দেয়নি।

    অতসী প্রায়ই বলত, “মল্লিকবাবু, জীবনে মানুষ বোধহয় একবারই ভালোবাসে, দ্বিতীয়বার যেটা আসে সে সমঝোতা।”

    অরুণাংশু বুঝত, অতসী কোনওদিনই ওকে ক্ষমা করেনি। নূপুর হবার পরে অতসী বলেছিল, “দেখো মল্লিকমশাই, মেয়ের কপাল যেন মায়ের মতো না হয়। কেউ যেন তাকে না বলে সম্পত্তির ভাগিদার হবে বলে এ পৃথিবীতে এসেছে।”

    অরুণাংশু বুঝত, অতসী তাকে যতু করত, সমস্ত কর্তব্যও করত কিন্তু কোথাও গিয়ে যেন একরাশ ক্ষোভ পুষে রেখেছিল।

    বাড়িতে কেউ এলেই তার কাছে গল্প করত, “আসলে আমি তো মল্লিক-বাড়ির আশ্রিত ছিলাম, আপনাদের মল্লিকমশাই আমায় দয়া করে উদ্ধার করেছেন। ওঁর বড়ো মন, তাই এ বাড়ির কর্ত্রী হতে পেরেছি।”

    অরুণাংশু পুরুষ, সফল ব্যবসাদার তাই তার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হতে নেই। বলতে নেই, এ জীবনে শান্তি সে খুব কমই পেয়েছে। অতসী হয়তো পারত সব ভুলে ওকে আপন করে নিতে। কিন্তু অতীতে বাস করা অতসী সেটা পারেনি। কিছুতেই ভুলতে পারেনি, ওদের একদিন তাড়িয়ে দিয়েছিল মল্লিকবাড়ি। কিছুতেই ভুলতে পারেনি, তার একান্ত কাছের মানুষটাই অন্যের সিঁথিতে সিঁদুর দিয়েছিল। ভুলতে পারেনি, তাকে ওই বাড়ির সবাই দুশ্চরিত্র, চোর বলেছিল। তার বাবাকে বলেছিল, মেয়েকে টোপ হিসেবে ব্যবহার করেছে তারকনাথ। এত, এত কথার ভিড়ে অরুণাংশুর নিষ্পাপ ভালোবাসাটা কবেই যেন পদপিষ্ট হয়ে গিয়েছিল। তাই অতসী নুপুরের মা হয়েছে, অরুণাংশুর স্ত্রী হয়েছে, সাহেবের আন্টিও হয়েছে কিন্তু অরুণদার সেই অতসী হয়ে উঠতে চায়নি আর। চেষ্টা করার সাহসও ছিল না ওর। অতসীর শীতল অভিমানকে আজও ভয় পায় অরুণাংশু। কোথা থেকে যে এত সাহস পায় মেয়েটা কে জানে! পকেটে দশ টাকা নিয়েও রাস্তায় বেরিয়ে যেতে পারে এক কাপড়ে, খেতে না পেলেও কারওর কাছে মুখ ফুটে না বলে কাটিয়ে দেবে, এসব কারণেই স্ত্রীকে নয়, অতসী মল্লিককে বেশ সমঝে চলেও। বলা যায় না কখন আবার অভিমানের ঠান্ডা পর্দায় নিজেকে ঢেকে ফেলবে অতসী, সেই পর্দা ছেঁড়ার ক্ষমতা অরুণের নেই। অতসীর ঠোঁটের হাসিটা বড়ো মূল্যবান ওর কাছে। কদাচ সেই প্রাণখোলা হাসি দেখতে পেয়েছে অরুণ ওর ঠোঁটে বিয়ের পর থেকে। আজও তেমনই একটা মূল্যবান দিন ওর কাছে, আজ অতসীর ঠোঁটে হাসি, চোখের পাতায় তৃপ্তির ছোঁয়া। আনমনেই সিলিং-এর দিকে তাকিয়েছিল অরুণাংশু, খেয়াল করেনি, কখন শৌনক এসে পাশে দাঁড়িয়েছে।

    “কী ব্যাপার মল্লিকবাবু? আজ বেশ ফুরফুরে লাগছে দেখছি আপনাকে শরীরে এই মুহূর্তে কোনও সমস্যা নেই, তবে সাহেব চাইছে একজন বেস্ট কার্ডিওলজিস্ট দেখিয়ে নিতে কলকাতা গিয়ে। আমি আগামিকাল রিলিজ করে দেব। ঘুরে আসুন তিলোত্তমা থেকে।”

    অরুণাংশু একটু কুণ্ঠিত হয়েই বলল, “আসলে শৌনক, সাহেব বোধহয় একটু ভয় পেয়েছে। তাই হঠাৎ কলকাতা নিয়ে যেতে চাইছে। আমি কিন্তু বেশ আছি। মানে তোমাদের ট্রিটমেন্টে সেরে উঠেছি।”

    শৌনক বিনীতভাবে বলল, “ভুল করছেন মল্লিকবাবু, চিকিৎসা এখন অনেক উন্নত হয়ে গেছে। কলকাতার হসপিটালে বা নার্সিংহোমে যে সব ইনস্ট্রুমেন্ট ইউজ করেন ডাক্তাররা, সে সব আমরা পাব কোথায়? তাই ইচ্ছে থাকলেও আমরা ওই ট্রিটমেন্ট রোগীকে দিতে পারব না। বিশেষত হার্টের ব্যাপারে অবশ্যই দেখিয়ে নেওয়া উচিত।”

    অরুণাংশু বুঝল, শৌনক পরিমার্জিত শিক্ষায় মানুষ। তাই সাহেবের মতো ব্যবহার সে করবে না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবাঙালির যৌনচর্চা : বটতলা থেকে হলুদ বই – অর্ণব সাহা
    Next Article নির্বাচিত গল্প ১ – অর্পিতা সরকার

    Related Articles

    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    শর্ম্মিষ্ঠা নাটক – মাইকেল মধুসূদন দত্ত

    November 11, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026
    Our Picks

    মৃত কৈটভ ৩ (হলাহল বিষভাণ্ড) – সৌরভ চক্রবর্তী

    February 19, 2026

    রক্ত পাথার – অনুবাদ : ঋজু গাঙ্গুলী

    February 19, 2026

    পেত্নি সমগ্র – অমিতাভ চক্রবর্তী

    February 18, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }