Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইবনে বতুতার সফরনামা – এইচ. এ. আর. গিব

    মোহাম্মদ নাসির আলী এক পাতা গল্প469 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ১৩. মায়ের কবর জেয়ারত

    তেরো

    এ মহান সম্রাটের দর্শন ও তার সময় দয়া-দাক্ষিণ্য লাভের সুযোগ গ্রহণ করে আমি মায়ের কবর জেয়ারতের জন্য রওয়ানা হলাম। আমার বাসস্থান তাজিয়ার শহরে পৌঁছে সেখান থেকে সাবটা (সেউটা) গিয়ে কয়েকমাস কাটালাম। সেখানে এক অসুখে পড়ে আমাকে তিন মাস ভুগতে হয়। খোদ পরে আমাকে সুস্থ করেন। পরে আমি জেহাদে এবং সীমান্ত রক্ষার কাজে যোগদান করবো বলে প্রস্তাব করি। কাজেই, আসিলার বাসিন্দাদের একটি ছোট জাহাজে উঠে সেউটা থেকে সমুদ্র পাড়ি দিয়ে আন্দালুসিয়ায় গিয়ে পৌঁছলাম (খোদা এদেশকে রক্ষা করুন)। দশমাস কাল জেবেল (জিব্রাল্টার) অবরোধ করে অত্যাচারী খৃষ্টান আদফুনা তখন মৃত্যু বরণ করেছেন। তার ইচ্ছা ছিল তখনও মুসলমানদের আন্দালুসিয়ায় যা-কিছু অবশিষ্ট আছে তার সবই তিনি গ্রাস করবেন। কিন্তু খোদা তাকে হিসাব-নিকাশের বাইরে নিয়ে গেলেন। তিনি ভয়াবহ প্লেগ রোগে আক্রান্ত হয়ে প্রাণত্যাগ করলেন। যে আন্দালুসিয়া আমি দেখেছি তার প্রথম অংশ মাউন্ট অব কংকোয়েষ্ট (জিব্রালটার)। পাহাড়ের চারদিক পজে প্রদক্ষিণ করে আমি মরক্কোর ভূতপূর্ব সুলতান আবুল হাসানের কীর্তি এবং তাঁর সঞ্চিত যুদ্ধোপকরণ দেখতে লাগলাম, সে সঙ্গে দেখলাম আমাদের অধিনায়ক পরে যা-কিছু অর্জন করেছেন। খোদা তাকে শক্তিশালি করুন। আমি এদেশ রক্ষাকারীদের একজন হয়ে বাকী জীবন কাটাইতে চাই।

    ইব্‌নে জুজায়ী বলেছেন, “মাউন্ট অব কঙ্কোয়েষ্ট ইসলামের একটি দূর্গ স্বরূপ। পৌত্তলিকদের গলায় এটি যেনো একটি হাড়ের মতো বিধে আছে। এখান থেকেই আরবদের দ্বারা বিখ্যাত স্পেন বিজয়ের আরম্ভ। মুসা ইনবে নুসাইর দ্বারা আজাদীপ্রাপ্ত তারিক ইব্‌নে জিয়াদ এখানেই অবতরণ করে ৭১১ হিজরীতে প্রণালী অতিক্রম করেন। তার নামানুসারেই এর নাম হয়েছে জেবেল তারিক (তারিকের পর্বত শৃঙ্গ)। এ জায়গাকে বিজয় শৃঙ্গ বা মাউন্ট অব কঙ্কোয়েষ্টও বলা হয়, কারণ বিজয় এখান থেকেই আরম্ভ হয়। তারিকের নির্মিত প্রাচীরের এবং তার সেনাদলের স্মৃতিচিহ্ন এখনও এখানে বিদ্যমান আছে তা আরবদের প্রাচীর বলে পরিচিত। আলজেসিরাস অবরোধের সময় আমি নিজেও তা দেখেছি।

    বিশ বৎসরেরও অধিককাল খ্রীষ্টানদের দখলে থাকবার পরে আমাদের ভূতপূর্ব অধিপতি আবুল হাসান জিব্রাল্টার পূর্নদখল করেন। বিপুল অর্থ ও শক্তিশালি সেনাদলসহ তিনি তাঁর পুত্র শাহজাদা আবু মালিককে পাঠান জিব্রাল্টার অবরোধের জন্য। ছ’মাস অবরোধের পর ৭৩৩ হিজরী (খৃঃ পৃঃ ১৩৩৩) জিব্রাল্টার দখল করা হয়। জিব্রাল্টার তখন বর্তমান অবস্থায় ছিল না। আমাদের ভূতপূর্ব অধিপতি আবুল হাসান। দূর্গশীর্ষে প্রকাণ্ড একটি সুরক্ষিত গৃহ নির্মাণ করেন। পূর্বে এখানে ছিল ছোট একটি মিনার মাত্র এবং তাও ক্ষেপণযন্ত্রের সাহায্যে নিক্ষিপ্ত প্রস্তরের আঘাতে ধ্বংস প্রাপ্ত হয়। সে-ধ্বংসপ্রাপ্ত স্থানেই তৈরী হয় এ নূতন সুরক্ষিত এমারত। এখানকার আয়ুধাগারটিও ‘তার তৈরী। কারণ এখানে আগে কোন আয়ুধাগার ছিল না। এ ছাড়া, লাল পাহাড় আবেষ্টনকারী প্রকাণ্ড প্রাচীরটি, যা আয়ুধাগার থেকে টালির উঠান অবধি বিস্তৃত, তিনিই তৈরী করান। পরবর্তী কালে আমাদের খলিফা আবু ইনান (রাঃ) পুনরায় এর সুরক্ষণ ও শোভাবর্ধনের কাজ নিজ হাতে গ্রহণ করেন ও পাহাড় পর্যন্ত প্রসারিত প্রাচীরটি সুদৃঢ় করেন। এ প্রাচীরটিই সবচেয়ে সুদৃঢ় এবং প্রয়োজনীয়। তিনি সেখানে বিপুল পরিমাণ যুদ্ধোপকরণ ও খাদ্য সামগ্রীও সরবরাহ করেন। তিনি এভাবে তার কর্তব্য সম্পাদন করে খোদার প্রতি তার অসীম আনুগত্যের পরিচয় দান করেন। জেবেলের ব্যাপারে তার এতদূর আগ্রহ ছিল যে, তিনি জেবেল তারিক বা জেবেল পর্বত শৃঙ্গের একটি মডেলে তৈরী করতে হুকুম দেন। সেই মডেলে জেবেলের প্রাচীর, মিনার, কিল্লা, প্রবেশদ্বার, আয়ুধাগার, মসজিদ, বারুদাগার, শস্যভাণ্ডার প্রভৃতি সবই হুবহু দেখানো হয়। তার আকৃতিও লেবেলের মতোই করা হয়। এবং তাতে রেল মাউণ্ড বা লাল পাহাড়টিও দেখানো হয়। মডেলটি প্রাসাদের এক প্রান্তে অবস্থিত। এটি একটি অবিকল অনুকরণ ও নিখুঁত শিল্পনৈপুণ্যের নিদর্শন। জেবেল দেখে এলে যে ব্যক্তি এ মডেলটি দেখেছে সেই শুধু এর মূল্য বুঝতে পারে। জেবেলে কখন কি ঘটছে না-ঘটছে তা জানবার এবং জেবেলকে শক্তিশালি করা ও প্রতিরক্ষার ব্যবস্থা করার আগ্রহেই তিনি এ মডেলটি এভাবে তৈরী করান। সর্বশক্তিমান খোদা তার অছিলায় পশ্চিম উপদ্বীপে (স্পেন) ইসলামকে বিজয়ী করুণ এবং তাঁর যে আদেশ ছিল, তিনি বিধর্মীদের দেশ অধিকার এবং ক্রুশ পূজারীদের শক্তি হ্রাস করবেন, সে আশাও ফলবতী হোক।”

    আমাদের শেখের বিবৃতি আবার শুরু হল। জিব্রাল্টারের বাইরে আমি রন্ডা শহরে এলাম। রপ্তা অতি সুন্দর জায়গায় অবস্থিত মুসলমানদের একটি সুদৃঢ় কেল্লা। এখানকার কাজী ডাক্তার আবুল কাসিম মোহাম্মদ বিন এয়াহিয়া ইব্‌নে বতুতা আমার খুল্লতাত ভাই। রাস্তায় পাঁচ দিন কাটিয়ে আমি এলাম মারবালা (মারবেল্লা) শহরে। এই দুটি শহরের মধ্যবর্তী চলাচলের রাস্তাটি অত্যন্ত বন্ধুর ও দুর্গম। একটি উর্বর জেলায় অবস্থিত মারবালা সুন্দর ছোট শহর। সেখানে গিয়ে একদল ঘোড় সওয়ারকে পোলাম মালাকা যাওয়ার জন্য তৈরি। আমিও তাদের সঙ্গেই রওয়ানা হবার ইচ্ছা করেছিলাম কিন্তু খোদা সে যাত্রা আমাকে রক্ষা করলেন। তারা আমার আগেই রওয়ানা হয়ে গিয়েছিল এবং পথে শক্রর হাতে বন্দী হয়েছিল। সে বিবরণ পরে বলছি।

    ঘোড় সওয়ারদের পরে রওয়ানা হয়ে আমি যখন মারবালা জেলা ছাড়িয়ে সুহাইল ২ জেলার সীমান্তে গিয়ে পৌচেছি তখন দেখতে পেলাম রাস্তার পাশের একটি গর্তে একটা ঘোড়ার মৃতদেহ। আরও কিছুদূর এগিয়ে দেখলাম এক ঝাঁকা মাছ রাস্তায় ছড়িয়ে আছে। আমার মনে কেমন সন্দেহের উদ্রেক হল। সামনেই ছিল একটা উঁচু মিনার যার উপর থেকে পাহারাদাররা চারদিকে নজর রাখত। আমি আপন মনেই বলে উঠলাম, “যদি কোনো শত্রুর আক্রমণের ভয় থাকে এখানে তাহলে মিনারের পাহারাওয়ালা আমাকে হুঁশিয়ার করে দেবে।” তারপর কাছেই একটা বাড়ীতে গিয়ে দেখলাম একটা ঘোড়াকে মেরে রাখা হয়েছে সেখানে। আমি যখন সেখানে আছি তখন একটা চীৎকার শুনতে পেলাম আমার পেছনে (আমি দলের লোকদের ছেড়ে তখন অনেক দূর এগিয়ে গেছি)। পিছন ফিরে দেখতে পেলাম, তাদের সঙ্গে রয়েছেন সুহাইল দূর্গের সেনাপতি। তিনি। আমাকে জানালেন, শত্রুপক্ষের চারখানা ক্ষুদ্র জাহাজ সেখানে পৌচেছে। মিনারে যখন। পাহারাদার ছিল না তখন কিছু সংখ্যক লোকও জাহাজ থেকে নেমেছে। মারবালা থেকে যে বারো জন ঘোড়সওয়ার এসেছিলো তাদের সঙ্গে মোকাবেলা করেছে এই আক্রমণকারীরা। খৃষ্টানরা একজনকে হত্যা করেছে, একজন গেছে পালিয়ে। বাকি দশজন হয়েছে বন্দী। সে সঙ্গে তারা একজন জেলেকেও হত্যা করে। সেই জেলের। মাছের চুপড়ীই আমি পথের পাশে পড়ে থাকতে দেখেছি।

    অফিসারটি তার বাসায় আমাকে রাত কাটাতে পরামর্শ দিলেন। তাহলে তিনি পরে আমাকে মালাকা পৌঁছে দেবার ব্যবস্থা করবেন। ঘোড়সওয়ার সীমান্ত রক্ষীদের কেল্লায় আমি রাত কাটালাম। তারা সুহাইল বাহিনী নামে পরিচিত। যে ক্ষুদ্র জাহাজগুলির কথা বলেছি সেগুলো তখনও ওখানেই ছিল। পরের দিন তিনি ঘোড়ায় চড়ে আমার সঙ্গে রওয়ানা হলেন এবং আমরা যথাসময়ে মালাকা গিয়ে পৌঁছলাম। মালাকা আন্দালুসিয়ার অন্যতম সুন্দর ও বড় শহর। সমুদ্রের এবং স্থলভাগের উভয় প্রকার সুবিধাই এ শহরটির রয়েছে। তাছাড়া ফলমূল ও খাদ্য সম্ভারও এখানে প্রায় পাওয়া যায়। আমি দেখলাম এখানকার বাজারে একটি ছোট দেরহামের বিনিময়ে আট পাউণ্ড আঙ্গুর বিক্রি হচ্ছে। এখানকার পদ্মরাগ সদৃশ লাল মার্সিয়ান আনারের তুলনা দুনিয়ায় বিরল। তা ছাড়া ডুমুর জাতীয় ফল ও বাদাম মালাকা এবং মালাকার উপকণ্ঠ থেকে প্রাচ্য ও পাশ্চাত্য দেশসমূহে প্রচুর চালান হয়ে যায়। মালাকায় গিল্টি করা প্রচুর। হাঁড়ি-বাসন তৈরি হয় এবং সে সবও দূর-দূরাঞ্চলে চালান হয়। বিস্তৃত পরিধি বিশিষ্ট এর মসজিদটির পবিত্রতার যথেষ্ট সুনাম আছে। মসজিদের চত্বরটি সৌন্দর্যে অতুলনীয়। চত্বরে কমলা লেবুর কয়েকটি সুউচ্চ গাছ রয়েছে।

    মালাকায় পৌঁছে কাজীকে দেখলাম মসজিদে বসে আছেন কিছু সংখ্যক আইনজীবি ও শহরের গণ্যমান্য লোকজন নিয়ে। তারা সবাই পূর্বোক্ত বন্দীদের মুক্তিপণ দিবার জন্য অর্থ সংগ্রহ করছেন। আমি তাকে বললাম, “খোদাকে অশেষ ধন্যবাদ যিনি আমাকে বন্দীদের দশা থেকে রক্ষা করেছেন। ঘোড়সওয়াররা রওয়ানা হয়ে আসবার পর যা-কিছু ঘটেছে তাকে বললাম। সব শুনে তিনি খুব বিস্ময়-বোধ করলেন। তিনি এবং শহরের ইমাম আমাকে অতিথ্য-উপঢৌকন পাঠিয়েছিলেন।

    মালাকার পর আমি চব্বিশ মাইল দূরে বাল্লাশ (ভেলেজ) শহরে এলাম। বাল্লাশও সুন্দর শহর। এখানে চমৎকার একটি মসজিদ আছে। মালাকার মত এখানেও প্রচুর আঙ্গুর, ডুমুর জাতীয় ফল ও অন্যান্য ফল-মূল পাওয়া যায়। সেখান থেকে আমরা এলাম আল্ হামমা (আলহামা) শহরটি ছোট হলেও এখানকার মসজিদটি মনোরম একটি জায়গায় অবস্থিত। শহরের কাছেই, প্রায় মাইল খানেক দূরে নদীর পারে আছে একটি উষ্ণ প্রস্রবণ (তার থেকেই এ শহরের নাম করণ হয়েছে আল হাম্মা)। এখানে পুরুষদের জন্যে একটি এবং মেয়েদের জন্যে একটি গোসলখানা আছে।

    সেখান থেকে আমরা পৌঁছলাম গারণাটা (গ্রানাডা)। আন্দালুসিয়ার প্রধান নগর গ্রানাডা সব শহরের রাণী। গ্রানাডার শহরতলীও এত সুন্দর যে দুনিয়ার কোনো দেশের সঙ্গে তুলনা হয় না। প্রায় চল্লিশ মাইল বিস্তৃত এ শহরতলীর ভেতর দিয়ে বয়ে গেছে বিখ্যাত সান্নিল (জেনিল) নদী এবং আরও বহু শহর। শহরের চারদিক ঘিরে রয়েছে ফুলফলের বাগান শস্যশ্যামল মাঠ, সুরম্য অট্টালিকা ও আঙ্গুর ক্ষেত। সবচেয়ে সুন্দর যে সব জায়গা তার ভেতর উল্লেখযোগ্য হলো আইন-আদ-দামা (অশ্রু ঝরণা) –ফলফুলের বাগানে ঘেরা একটি পাহাড়। অন্য কোনো দেশে তার সমতূল্য জায়গা দেখা যায় না। আমি যখন গারণাটায় যাই তখন সুলতান ছিলেন আবদুল হাজ্জাজ ইউসুফ। তিনি তখন অসুখে ভুগছিলেন বলে আমি তার সঙ্গে দেখা করিনি ৫। তার মহীয়সী পুণ্যবতী মাতা আমাকে কিছু স্বর্ণ দিনার উপহার দিয়েছিলেন। আমি তার সদ্ব্যবহার করেছি।

    গারণাটায় কিছু সংখ্যক বিখ্যাত পণ্ডিত ব্যক্তি ও প্রধান শেখের সঙ্গে দেখা করার সুযোগ আমার হয়েছিল। প্রধান শেখ সেখানকার সুফী সম্প্রদায়ের প্রধান। গারণাটা শহরের বাইরে তার আস্তানায় আমি কয়েকদিন তার সহবাসে কাটাই। তিনি আমাকে বিশেষ সমাদর করেন এবং আমার সঙ্গে বিখ্যাত অতিথিশালায় আল্-আকাব (ঈগল পাখী)ঘাটী দেখতে যান। আল-আকাব একটি পাহাড়। শহর থেকে আট মাইল দূরে এ পাহাড়ের উপর থেকে গারণাটার আশপাশ দেখা যায়। আল-আকাবের কাছেই রয়েছে আল্-বেরা শহরের ধ্বংসাবশেষ। পারস্য-সূফী মতাবলম্বী একজন দরবেশও গারণাটায় রয়েছেন। তাদের নিজ-নিজ দেশের সঙ্গে সাদৃশ্য আছে বলে তারা এখানে ঘর বাড়ী তৈরি করে বসবাস করেছেন। একজন এসেছেন সমরখন্দ থেকে, আরেকজন তাব্রিজ ও তৃতীয় জন কুনিয়া (কনিয়া) আরেক জন খোরাশান, দু’জন হিন্দুস্তান ইত্যাদি।

    গারণাটা থেকে ফেরবার পথে আবার আল-হামা বাব্বাশ ও মালাকা হয়ে ঢাকওয়ান কেল্লায় এলাম। প্রচুর পানি গাছপালা ও ফলমূলে সমৃদ্ধ চমৎকার জায়গা ঢাকওয়ান। ঢাকওয়ান ছেড়ে এলাম রন্ডা, রন্ডা থেকে জিব্রালটার। জিব্রালটারে একটি জাহাজে উঠলাম। এ জাহাজটির সাহায্যে আগেও আমি পার হয়েছিলাম। আর্সিলার (আরজিলা) অধিবাসীরা এ জাহাজের মালিক। আমি সাবটা (সিউটা) হয়ে এলাম আসিলা। আসিলায় কয়েক মাস কাটালাম। সেখান থেকে রওয়ানা হয়ে এলাম সালা (সালি)। সালা থেকে এলাম মারাকুশ শহরে। বিশালায়তন মারাকুশ একটি সুন্দর শহর। এখানে কয়েকটি মনোরম মসজিদ রয়েছে। প্রধান মসজিদটি কুতুবাইন মসজিদ বা পুস্তক-বিক্রেতাদের মসজিদ নামে পরিচিত। এখানে একটি সুউচ্চ মিনার রয়েছে। সেই মিনারে আরোহন করায় সারা শহরটি আমার দৃষ্টি গোচর হল। শহরের বেশী অংশই এমনভাবে ধ্বংসের কবলে পড়েছে যে বাগদাদের সঙ্গে এর তুলনা চলে। অবশ্য বাগদাদের বাজারগুলো অপেক্ষাকৃত ভাল ৮। মারাকুশেও সুবৃহৎ একটি কলেজ আছে। সুন্দর পরিবেশে সুদৃঢ়ভাবে গঠিত এ কলেজটি। আমাদের খলিফা আমির-উল-মোমেনিন আবুল হাসান (মরক্কোর ভূতপূর্ব সুলতান) এ কলেজের স্থাপয়িতা।

    ***

    টিকা

    পরিচ্ছেদ ১৩

    ১। একাদশ আলফন্সস এবং জিব্রন্টারের অবরোধ সম্বন্ধে ১২ পরিচ্ছেদ এবং ৪ টীকা দ্রষ্টব্য। এ পরিচ্ছেদের অস্বাভাবিক তিক্ত সুরে প্রতিবিম্বিত হয়েছে মুর এবং স্টেনিয়ার্ডদের সে সময়ে মেজাজ ও মনোবৃত্তি যা তাদেরকে উদ্ধৃদ্ধ করেছিল আন্দালোসিয়া পুনরায় জয় করার সময়ে। এবং পরবর্তী শতাব্দী কালে।

    ২। ইদ্রিসিতে সুহেইল নামক স্থানের উল্লেখ নেই। মাকারি’তে একে বর্ণনা করা হয়েছে মালাকার পশ্চিমে অসংখ্য গ্রাম নিয়ে গঠিত একটি বৃহৎ জেলা রূপে (১ম খণ্ড, ১০৩)। এর ভিতরে রয়েছে সুহেইল পর্বত এবং এটাই আন্দালুসের একমাত্র পর্বত। এখান থেকে দেখা যায় সুহেইলের কনাষ্টিলেশন (Conopus)। ইব্‌নে বতুতার বর্ণনা থেকে স্পষ্ট বোঝা যায় যে স্থানটি হচ্ছে মারবেলা এবং মালাগারের মধ্যভাগে উপকূলের বিস্তৃতি।

    ৩। আল-হাম্ম, অর্থাৎ উষ্ণপ্রস্রবণ, কিম্বা থার্মা। এটা একটি স্থানের নাম। সমস্ত আরব দেশগুলিতে প্রায়ই এ নামের ব্যবহার দেখা যায়। ইব্‌নে বতুতার একজন সমসাময়িক ব্যক্তি এ শহর সম্পর্কে বলেছেনঃ “আলহাম্মার বুর্গ অবস্থিত রয়েছে একটি পর্বতের চূড়ায়। যারা সমস্ত পৃথিবী ভ্রমন করেছেন তারা বলছেন এ শহরের নির্মাণ কার্যের দৃঢ়তা এবং এর পানির উষ্ণতার সঙ্গে পৃথিবীর অন্য কোনো স্থানের তুলনা হয় না। সমস্ত অঞ্চল থেকে রোগীগণ এখানে আসে এবং রোগ নিরাময় না হওয়া পর্যন্ত তারা এখানেই অবস্থান করে। বসন্তকালে আল্ মেরিয়ার অধিবাসীগণ সেখানে যান তাদের স্ত্রী এবং পরিজনদের নিয়ে এবং খাদ্য ও পানীয় দ্রব্যের উপরে যথেষ্ট ব্যয় করে থাকেন।” (মাসালিক আল্-আবসার)।

    ৪। স্থানটি এখনো তার বিকৃত আরবী নাম দিনামার কিম্বা আদিনামার রক্ষা করে চলেছে। স্থানটি বেশ সুন্দর এবং লোক-সমাগমে মুখর। এটা গ্রানাডার নিকটবর্তী (স্পেনে মুসলিম রাজত্বের ইতিহাস, ১ম খণ্ড, ৩৪৯)।

    ৫। সুলতান আবুল হাজাজ ইউসুফ প্রথম ইনি ছিলেন গ্রানাডার নারিদ রাজত্বের সপ্তম শাসক। এর রাজত্ব কাল ১৩৩৩ থেকে ১৩৫৪ পর্যন্ত। অন্য সব লেখকের গ্রন্থে তার রোগের প্রকৃতি বৃিত হয়েছে বলে দেখা যায় না। যেহেতু ইব্‌নে বতুতা তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেননি, সেজন্য মনে হয় তিনি আল হামরার অভ্যন্তর ভাগ দেখেননি। অন্য সব সমকালীন প্রাসাদের তুলনায় আহামরার গাঠনিক বৈশিষ্ট সম্বন্ধে তার মতামত জানতে পারলে সেটা খুব উপাদেয় হতো।

    ৬। একটি পাণ্ডুলিপিতে যে বিরা নামক স্থানটি পরিদৃষ্ট হচ্ছে সেটা মুদ্রিত গ্রন্থের টিরা অপেক্ষা অধিক গ্রহনীয়। টিরা নামক কোনো স্থানের উল্লেখ কোনো স্পেনীয় আরবী গ্রন্থে দেখা যায় না। আল্-বিরা হচ্ছে পুরাকালের এবিরা-মুরদের যুগে এর স্থান দখল করেছিল গ্রানাডা। বর্তমানে এটা গ্রানাডা থেকে পনেরো মাইল পশ্চিমে। ইব্‌নে বতুতা স্থানটিকে দেখলেন ধ্বংসাবস্থায়। এ ধ্বংসের কারণ ছিল বোধহয় এবিরার যুদ্ধ। এ যুদ্ধে মুসলিমগণ। ক্যাষ্টিলিয়ানদেরকে ১৩১৯ খ্রীস্টাব্দে পরাস্ত করেন। সম্ভবতঃ শহরটি পরবর্তীকালে পুনঃ নির্মিত হয়েছিল। কেন না গ্রানাডার বিরুদ্ধে ফার্ডিনাণ্ডের শেষ অভিযানের ইতিহাসে এটার উল্লেখ দেখা যায়। ১৪৮৬ খ্রীষ্টাব্দে এ শহরটি তিনি অধিকার করেন (প্যাসকুয়াল দ্য গেয়াংগোস, ২য় খণ্ড, ৩৫০-১, ৩৭৭; মাক্কারি, ২য় খণ্ড, ৮০৫; আল ওমারি, দেমোমবাইন্দ অনুদিত, ২৪৫ পৃঃ)।

    ৭। ধাওয়ান কিম্বা আওয়ানকে একটি গ্রাম বলে বর্ণনা করেছেন একজন প্রথম যুগের লেখক। এ স্থানটি হচ্ছে মালাকার পশ্চিমে এবং ১৪৮৫ খ্রীস্টাব্দে ফার্ডিনাও কর্তৃক স্থানটি অধিকৃত হওয়ার সময়ে এর বর্ণনা দেওয়া হয়েছে একটি বৃহৎ জনবহুল দূর্গবেষ্টিত শহর রূপে (ইব্‌নে আল্-আবার, তামিলা, ৩৪৮; পি দ্যা গেয়াঙ্গোস, ২য় খণ্ড, ৩৭৪; মাক্কারি, ২য় খণ্ড, ৮০৩)।

    ৮। মারকুশের প্রতিষ্টা হয়েছিল ১০৭৭ খ্রীস্টাব্দে আমুরভিদ রাজত্বের রাজধানী রূপে। ইদ্রিসির বিবরণ অনুসারে শহরটির দৈর্ঘ্য ছিল এক মাইল এবং তার প্রস্থও ছিল প্রায় অনুরূপ। শহরের যে প্রাচীর এখনো বর্তমানে রয়েছে তার দৈর্ঘ্য প্রায় সাত মাইল। ম্যারিনিদৃগণ কর্তৃক এর অবরোধ এবং অধিকারের এবং রাজধানী ফেজে স্থানান্তরিত হওয়ার ফলে শহরটি ধ্বংসমুখে পতিত হয়। এখানকার কুতুবিয়া মজিদের মিনার এখনো বর্তমান রয়েছে এবং মুর-শিল্পের শ্রেষ্ঠ কীর্তি রূপে এটা এখনো প্রশংসিত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleবিলেতে সাড়ে সাতশ দিন – মুহম্মদ আবদুল হাই
    Next Article পরিবার, ব্যক্তিগত সম্পত্তি ও রাষ্ট্রের উৎপত্তি – ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস (অনুবাদক : মন্মথ সরকার)
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }