Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইসলাম ও আধুনিকতা – মরিয়ম জামিলা

    মরিয়ম জামিলা এক পাতা গল্প149 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    জিয়া গোকলপ : কামাল আতাতুর্কের অগ্রসেনা

    মৃত্যুর পাঁচ দশক পরও জিয়া গোকলপ (Ziya Gokalp) তুরস্কের আধুনিক চিন্তানায়কদের মধ্যে খুবই প্রভাবশালী রয়ে গেছেন। ১৮৭৬ সালে জন্মগ্রহণ করে তিনি ইস্তাম্বুলের বিশ্ববিদ্যালয়ে লেখাপড়া করেন এবং পরবর্তীকালে ঐ বিশ্ববিদ্যালয়েরই সমাজতত্বের অধ্যাপক হন। ১৯১১ সাল থেকে ১৯২৪ সালে মৃত্যু পূর্ববর্তী সময় পর্যন্ত তিনি তার সমস্ত রচনা লিখেন। বুদ্ধিবৃত্তিক দিক থেকে জিয়া গোকলপই ছিলেন আধুনিক তুর্কী জাতীয়তাবাদের প্রতিষ্ঠাতা। তিনি ছাড়া কামাল আতাতুর্কের আমূল সংস্কার বাস্তবায়ন সম্ভব হতো না।

    ঊনিশ শতক পর্যন্ত তুর্কীরা নিজেদেরকে প্রথমতঃ মুসলমান মনে করতো। তাদের আনুগত্য ছিল ইসলামের প্রতি, উসমানিয়া রাজ্যের প্রতি নয়। এমনকি উসমানিয়া শব্দটার অর্থ জাতীয় নয় বরং বংশানুক্রমিক বোঝায়। অতীতের ইসলামী সাম্রাজ্য উমাইয়া, আব্বাসীয়, সেলজুক এবং অন্যান্য বড় সাম্রাজ্যের মত এটাও বংশীয় সাম্রাজ্য। জাতীয় এবং দেশ প্রেমিক হিসেবে উসমানীয় জাতি এবং একটি উসমানীয় স্বদেশের ধারণা ঊনিশ শতকে ইউরোপীয় প্রভাব থেকে আসে। তা হচ্ছে সংক্ষেপে সে যে ভাষায় কথা বলে, যে অঞ্চলে বাস করে যে জাতি থেকে তার জন্ম তা ব্যক্তিগত আবেগ অথবা সামাজিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারী হতে পারে তবে রাজণৈতিক সম্পর্ক নয়। সুতরাং ইসলামের সঙ্গে পূর্ণ সংহতির ফলে তুর্কী জাতীয়তা বিলীন হয়ে গেছে। ইসলামের ভিতরে পৃথক বংশোদ্ভূত এবং সংস্কৃতির অধিকারী হিসেবে আরব এবং পারসীদের মত তাদের কোন পৃথক সত্তা ছিলনা। আরব এবং পারসীদের মত তুর্কীরা জাতীয় স্বাতন্ত্রের সামান্য পরিচয়ও প্রকাশ করেনি।

    প্রাক ইসলামী তুর্কীরা অসভ্য ছিল না বরং তাদের নিজস্ব রাষ্ট্র, ধর্ম এবং সাহিত্য ছিল। তবুও খণ্ডিত বিখণ্ডিত না হওয়ার জন্যে ইসলাম সবকিছুই ভুলিয়ে দিয়েছে এবং মুছে ফেলেছে। অমুসলিম আরবদের পৌত্তলিক বীর, ইরানের বিলুপ্ত প্রায় সম্রাটের পারসী ঐতিহ্য অথবা মিশরে ফেরাউনের ভগ্ন কিন্তু বিরাট স্মৃতিস্তম্ভের ঐতিহ্য তুর্কীদের নেই। কিছু লোক কবিতা এবং বংশানুক্রমিক পৌরনিক উপাখ্যান ছাড়া তুকীদের প্রাক ইসলামী সকল ঐতিহ্য ভুলিয়ে দিয়েছে। এমন কি তুর্ক নামটাও যা এক অর্থে ইসলামিক।… এমনকি সহস্র বছরের তুর্কী ভাষঅও ইসলামে জন্মগ্রহণ করেছে এই কারণে আজ তুর্কীদের বংশোদ্ভুত তুরস্কের অমুসলমান নাগরিকদের জন্যে তুর্কী শব্দ কখনো প্রযুক্ত হয় না। উসমানীয়দের কোন গোত্রীয় অহমিকা বা বিশেষত্ব, খাটি তুর্কী বংশোদ্ভূতের ওপর জোরাজুরি নেই। ইসলাম আলবেনিয়া, গ্রীক, শ্লাভ এবং কুর্দ ও আরবদের সত্যিকার শক্তি ও সামাজিক মর্যাদা দিয়েছে”।[The emergence of modern turkey, Bernard lewis, Oxford University press, 1961.]

    এই সৌভাগ্যজনক ঐতিহাকি অগ্রগতি তুর্কীদেরকে বিশ্বের মধ্যে সবচাইতে আগ্রহী মুসলমান এবং শতাব্দীর পর শতাব্দী ইসলামের মর্যাাদা রক্ষকে পরিণত করেছে। জাতীয়তাবাদীরা তা সহ্য করতে পারেনি। Halide edib adivar-এর ভাষায় “জিয়া গোকলপ এমন এক নতুন তুর্কী জাতি গঠন করতে চেয়েছিলেন যা উসমানীয় তুর্কী এবং পৌত্তলিক পূর্বপুরুষ তুরানীদের পার্থক্য দূর করবে। তিনি বিশ্বাস করতেন আরবদের প্রতিষ্ঠিত ইসলাম আমাদের উদ্দেশ্যের সঙ্গে কখনও খাপ খাবে না। বংশীয় সূত্র থেকে তিনি খুব সতর্কতার সঙ্গে প্রাক ইসলামী তুর্কী ইতিহাস থেকে সাংস্কৃতিক ও রাজণৈতিক সংগঠনের তথ্য সংগ্রহ করেন। তিনি চেয়েছিলেন আমাদের জাতীয় ভাবধারার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ধর্মের সংস্কার করতে”।

    জিয়া গোকলপ পশ্চিমী জাতীয়তাবাদের জন্যে মুসলিম বিশ্বের প্রথম সুবিন্যস্ত প্রচেষ্টার দাবী করতে পারেন- “এখন তুর্কীদের কাজ হচ্ছে জনগণের মধ্যে প্রাক ইসলামী যুগের যে তুর্কী ঐতিহ্য রয়েছে তা উন্মুক্ত করা এবং সামগ্রিকভাবে পশ্চিমা সভ্যতা গ্রহণ করা। ইউরোপীয়দের সঙ্গে সামিরক, বৈজ্ঞানিক ও শিল্পে সমতা অর্জনের জন্যে আমাদের একমাত্র পথ হচ্ছে পশ্চিমী সর্ভতাকে পুরোপুরি গ্রহণ করা”।

    জিয়া গোকলপ উম্মা বা ইসলামের সার্বজনীন ভ্রাতৃত্বের ধারণাকে অস্বীকার করেছেন কারণ তা পশ্চিমী জাতীয়তাবাদের বিরোধী।

    প্রাক- ইসলামী তুর্কীদের সবচাইতে বেশী দেশপ্রেম ছিল। অতীতের মত ভবিষ্যতেও তুর্কীদের নৈতিকতার ভিত্তি হওয়া উচিৎ দেশপ্রেম, কারণ জাতি এবং আত্মাই শেষ পর্যন্ত স্বকীয় সত্তার বিকাশস্থল। ধর্ম এবং পরিবারের প্রতি আনুগত্যের চাইতে জাতির প্রতি আনুগত্য আগে প্রয়োজন। জাতি এবং স্বদেশকে তুর্কীদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। আমরা প্রকৃত সভ্যতা- একটি তুর্কী সভ্যতার সৃষ্টি করব যা নতুন জীবনের সঞ্চার করবে। তুর্কীরা আর্যদের চাইতে ফর্সা এবং সুন্দর, মঙ্গোলীয়দের সাথেও তাদের সম্পর্কের কোন বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই। তুর্কী গোত্র অন্যান্য গোত্রের মত সুরাসার বা লাম্পট্য থেকে সৃষ্টি হয়নি। সমরক্ষেত্রে ঐতিহ্য নিয়ে তুর্কীরক্ত সতেজ ও পূর্ণ যৌবন নিয়ে সচল রয়েছে। তুর্কী বুদ্ধি লয়প্রাপ্ত হয়নি। তার আবেগ দুর্বল হয়নি। তুর্কি সংকল্পে ভবিষ্যৎ বিজয়ের প্রতিশ্রুতি রয়েছে”।

    (IBID পৃঃ ৩০২, ২৭১ এবং ৬০)। পশ্চিমী সভ্যতাকে সাধারণ মানুষের কাছে গ্রহণযোগ্য করার জন্যে জিয়া গোকলপ যুক্তি দিয়েছেন- পশ্চিমী সভ্যতা প্রাচীন ভূমধ্যসাগরীয় সভ্যতার পরবর্তী রূপ। তুর্কীরা ছিল ভূমধ্যসাগরীয় সভ্যতার প্রতিষ্ঠাতা। ইতিহাসে প্রাচীন যুগের আগে তুরানী যুগ ছিল। সেই দিক থেকে পশ্চিম এশিয়ার আদি বাসিন্দারা আমাদের পূর্ব পুরুষ। এইভাবে আমরা পশ্চিমী সভ্যতার অংগ এবং এতে আমাদের অবিচ্ছেদ্য অংশ রয়েছে। (IBID পৃঃ ২৬৬-৭)।

    ইতিহাসের এই বিকৃতির ফলে জাতীয়তাবাদী ঐতিহাসিকরা কামাল আতাতুর্কের শাসনকালে দাবী করলেন যে, অতীতের সকল মহান ব্যক্তি তুর্কী ছিলেন অথবা তুর্কীরা তাদের সভ্য করেছে। ফিনিশিয়রা ছিল সেমিটিক, স্কেথিয়ানরা ছিল পারসীদের জাতিভুক্ত। অপরদিকে সুমারিয়ানরা কোন গোত্র পার্থক্য মানতো না। জিয়া গোকলপ মিশরীয়দের কথা উল্লেখ করতেও ভুলে গেছেন। তিনি কি তাদেরকেও তুর্কী মনে করতেন?

    জিয়অ গোকলপ দাবী করেছেন যে, রোমান সাম্রাজ্য ধ্বংস করে তুর্কীরা ইউরোপের ইতিহাসে বিপ্লব সৃষ্টি করেছে। সকল বিপ্লবী তুর্কী জাতীয়তাবাদীর মত তিনিও আধুনিক তুর্কীদের হুন বলে আখ্যায়িত করেছেন। ফলে বহু তুর্কী অভিভাবক তাদের সন্তানদের নাম রেখেছেন “Attila’। ধ্বংসাত্মক তৎপরতা সত্ত্বেও রোমের পতনে হুনদের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ছিল না। হুন এবং আধুনিক তুকীদের সম্বন্ধ অস্পষ্ট। অন্ততঃ আমি যদি তুর্কী হতেম তাহলে তাদের বংশধর বলার মধ্যে কোন গৌরব বোধ করতাম না।

    জিয়া গোকলপ একটি স্বাধীন সভ্যতার অধিকারী হিসেবে ইসলামকে স্বীকার করে নেননি। যখন একটি জাতি বিবর্তনের সর্বোচ্চ শিখরে পৌঁছায় তখন তার সভ্যতারও পরিবর্তন প্রয়োজন হয়ে পড়ে। তুর্কীরা যখন মধ্য এশিয়ার যাযাবর উপজাতি ছিল তখন তারা দূর প্রাচ্যের সভ্যতার অধিকারী ছিল। যখন তারা সুলতানাতের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা অতিক্রম করেছে তখন বাইজেনটাইন সভ্যতায় প্রবেশ করে এবং ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র ব্যবস্থায় প্রবেশের মুখে তারা পশ্চিমা সভ্যতা গ্রহণে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ (IBID ২০৭-১)।

    পশ্চিমা সভ্যতা চালূর ব্যাপারে জিয়া গোকলপ তার সমসাময়িকদের মত ভাল মন্দ পাথ্যক্য করেননি। বরং সব ব্যাপারে অনুকরণের ওপর জোর দিয়েছেন- তানজিমাত [তানজিমাত আন্দোলন’ উনিশ শতকের প্রথমাধ্যে তুরস্কে পশ্চিমীকরণের প্রাথমিক প্রচেষ্টা।] এর নেতাদের সব চাইতে বড় ভুল হচ্ছে তারা পূর্ব পশ্চিমের মিশ্রণে মানসিক জগাখিচুড়ী সৃষ্টির চেষ্টা করেছেন। তারা বুঝতে ব্যর্থ হয়েছেন যে, সম্পূর্ণ বিপরীত নীতির দু’টি সভ্যতার আপোষ সম্ভব নয়। দু’ধরনের রাজনৈতিক সংগঠন, দু’ধরনের বিচার ব্যবস্থা, দু’ধরনের স্কুল, দু’ধরনের কর ব্যবস্থা, দু’টি বাজেট, দু’ধরনের আইন সবই এই ভুলের ফলশ্রুতি। পূর্ব পশ্চিমের আপোষের যে কোন প্রচেষ্টা মধ্য যুগকে আধুনিক যুগে টেনে আনা এবং জিইয়ে রাখার প্রচেষ্টার নামান্তর।

    আধুনিক সমর পদ্ধতির সঙ্গে জেনিসারির (Janissary) আপোষ যেমন সম্ভব নয়; আধুনিক ঔষধের সঙ্গে প্রাচীন প্রক্রিয়ার ঔষধকে সারিভুক্ত করা যেমন নিরর্থক, একইভাবে প্রাচীন আইন ও নতুন আইন এবং চিরাচরিত ঐতিহ্য ও মূল্যবোধকে পাশাপাশি ধরে রাখার প্রচেষ্টাও অবান্তর। প্রত্যেক সভ্যতার নিজস্ব যুক্তি, রুচিরোধ এবং বৈষয়িক দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। এই কারণে বিভিন্ন সভ্যতা অবাধে মিশে যেতে পারে না। আবার একই কারণে যখন কোন সমাজ বিশেষ সভ্যতাকে পুর্ণাঙ্গভাবে গ্রহণ করে না সে সমাজ তার অংশ গ্রহণেও ব্যর্থ হয। এমনকি যদি কিছু অংশ নিয়েও থাকে তবে তা হজম করতে ব্যর্থ হয়। আমাদের তানজিমাত সংস্কারকরা এদিকটা বুঝতে ব্যর্থ হয়ে সব সময় প্রত্যেক ব্যাপারে অর্ধ পদক্ষেপ নিয়েছেন। জাতীয় উৎপাদন প্রক্রিয়া আধুনিকীকরণের আগে তারা ভোগ, পরিধান, খাওয়া, নির্মাণ এবং আসবাবের পরিবর্তন করতে চেয়েছেন।

    অপরদিকে, এমনকি ইউরোপীয় মনে একটি শিল্পোন্নতির কেন্দ্রও তৈরী হয়নি কারণ তানজিমাতের নীতি নির্ধারকরা অবস্থা পর্যালোচনা না করে এবং সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য ও পরিকল্পনা না নিয়েই সংস্কারের উদ্যেগ নিয়েছেন। (IBID পৃঃ ২৭০-৭৭)। জিয়া গোকলপ ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র ব্যবস্থার প্রথম প্রবক্তাদের অন্যতম। পরে মোস্তফা কামাল তা বাস্তবায়ন করেন- আইনে তুর্কীবাদ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্য হচ্ছে তুরস্কে আধুনিক আইন চালূ করা। আধুনিক জাতিসমূহের পর্যায়ে পৌঁছার জন্যে আমাদের মৌলিক শর্ত হচ্ছে ধর্মতত্ত্ব ও যাজক সম্বন্ধীয় সকল শাখা থেকে আইন কাঠামো মুছে ফেলা।

    এই দু’টি চরিত্র বহির্ভূত মধ্যযুগীয় রাষ্ট্রকে আধুনিক রাষ্ট্র বলা হয়। প্রথমতঃ আধুনিক রাষ্ট্রে আইন প্রণয়ন এবং শাসনের ক্ষমতা জনগণের হাতে থাকে। কোন কার্যালয়, কোন ঐতিহ্য এবং কোন দাবী এই অধিকার খর্ব করতে পারে না। দ্বিতীয়তঃ আধুনিক জাতির সকল সদস্য ধর্ম পরিচয় নির্বিশেষে সকল ক্ষেত্রে সমান বিবেচিত হয়। সংক্ষেপে আমাদের আইনের স্বাধীনতা, সাম্য এবং ন্যায় বিচারের বিরোধী সকল ধারা ধর্মতত্ত্ব ও যাজক বিধানের সকল ধারা নির্মূল করতে হবে। তুর্কীবাদ একটি ধর্ম নিরপেক্ষ আন্দোলন এবং কেবলমাত্র ধর্ম নিরপেক্ষ প্রকৃতির যে কোন আন্দোলনের সঙ্গে আপোষ করতে পারে। (IBID পৃঃ ৩০৪-৫)

    ইসলাম ও পশ্চিমীবাদের মধ্যে কোন বিরোধ নেই একথা প্রমাণ করতে গিয়ে তিনি বলেছেন- কেবলমাত্র সভ্যতার দ্বারা ইউরোপ মুসলিম দেশসমূহকে পরাস্ত করতে এবং বিশ্বের প্রভু হতে পেরেছে। তবে কেন এই সফলতার সাক্ষ্যবহ সভ্যতাকে আমরা গ্রহণ করতে পারব না? আমাদের ঈমান কি সকল প্রকারের বিজ্ঞান ও শিক্ষাকে গ্রহণের দায়িত্ব বর্তায় না? আমাদের মহানবী বলেছেন- “জ্ঞান অর্জনের জন্যে প্রয়োজনে চীনেও যাও” এবং “জ্ঞান ঈমানদারদের হারানো সম্পদ যেখানেই সে পাবে তা গ্রহণ করা উচিৎ”। জাপানকে ইউরোপীয় শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা হয় কিন্তু সত্যিকার অর্থে ইউরোপীয় সভ্যতা গ্রহণ না করায় তাদেরকে এশীয় জাতি ধরা হয়।

    জাতীয়তাবাদ প্রচার করেই জিয়া গোকলপ সন্তুষ্ট হননি তিনি ইসলামেরও পরিবর্তন চেয়েছেন। কোন জাতীয়তাবাদী তার মত জাতীয়তায় এত উন্মত্ত ছিলেন না। তিনি সকল আরবী ফারসী উদ্ভূত শব্দকে তুর্কীকরণের ওপর জোর দেন। এই পরিশুদ্ধির ফলে এক শতকে আগের লিখিত ও পঠিত তুর্কী ভাষা তুর্কীদের কাছে অপরিচিত হয়ে পড়ে। পরবর্তী পর্যায়ে মূল্যবান তুর্কী পাণ্ডুলিপির সকল লাইব্রেরী ইস্তাম্বুল এবং অন্যন্য তুর্কী শহরের যাদুঘরে পঁচতে থাকে। কারণ জাতির বয়োবৃদ্ধরা পর্যন্ত এসব পড়তে বা বুঝতে পারে না। এইভাবে ভাষা সংস্কার চিরস্থায়ীভাবে ইসলামী ঐতিহ্যের ধারক প্রাচীন তুর্কীর সঙ্গে আধুনিক তুরস্কের সম্পর্ক ছিন্ন করে দেয়। জিয়া গোকলপ এবং তার অনুসারীরা চেয়েছিলেন- প্রার্থনার ভাষা তুর্কী হতে হবে। যাতে প্রার্থনাকারী তাদের ধর্মের মর্মার্থ বুঝতে পারে, কোরআন তুর্কী ভাষায় পড়তে হবে যাতে ছোট বড় প্রতিটি মানুষ খোদার আদেশ বুঝতে পারে- এমন দেশই হবে তুর্কীদের প্রকৃত স্বদেশ।

    জিয়া গোকলপ নিজেকে বড় কবি কল্পনা করতেন। তার ‘ধর্ম ও বিজ্ঞান’ কবিতার একটি অংশের ভাবার্থ নিম্নে দেয়া হলো। এতে তিনি আদর্শ নারীত্বের পরিচয় দিয়েছেন এইভাবে- নারী সে আমার মা ভগিনি বা কন্যা হোক, তার মধ্যে আমার জীবনের গভীর আবেগ নিহিত। চন্দ্র, সূর্য বা তারকার প্রতি আমার ভালবাসা সেও নারীর কারণে। নারীই আমাদের জীবনের ছন্দময় সত্তাকে বুঝতে সাহায্য করে। কিভাবে খোদার পবিত্র আইন এই সুন্দর জীবকে ঘৃণ্য বিবেচনা করতে পারে? নিশ্চয়ই বিজ্ঞরা কোরআনের ব্যাখ্যায় ভুল করেছেন। জাতি এবং রাষ্ট্রের ভিত হচ্ছে পরিবার, যতদিন নারীর প্রকৃত মর্যাদা দেয়অ না হবে ততদিন জাতীয় জীবন অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। পরিবারের লালন পালনে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হবে। অতএব তিনটি বিষয়ে সাম্য প্রয়োজন- তালাক, পৃথক হওয়া এবং উত্তরাধিকারে। যতদিন উত্তরাধিকার এবং বিবাহের ব্যাপারে নারীকে পুরুষের অর্ধেক বিবেচনা করা হবে ততদিন পরিবার বা দেশ উন্নতি করতে পারবে না। অন্যান্য অধিকারের জন্য আমরা জাতীয় বিচারালয় প্রতিষ্ঠা করেছি। কিন্তু পরিবারকে আমরা কাজী এবং ধর্মতাত্মিকদের হাতে ছেড়ে দিয়েছি। আমি জানিনা কেন আমরা নারীকে অসহায়ত্বের দিকে ঠেলে দিয়েছি। সে কি জাতির জন্যে কাজ করে না? অথবা সে কি তার সূঁচকে তীক্ষ্ম বেয়নেটে রূপান্তরিত করে বিপ্লবের মাধ্যমে আমাদের কাছ থেকে অধিকার ছিনিয়ে নেবে? (IBID পৃঃ ১৬১)

    ডঃ মোহাম্মদ ইকবাল তার ‘ইসলামী চিন্তার পুনর্গঠন’ গ্রন্হে লিখেছেন- জিয়া গোকলপের ইজতিহাদ প্রায়ই আপত্তিকর। (পৃঃ ১৬০) তুর্কী কবির দাবীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে আমি খুবই আশঙ্কিত যে তিনি ইসলামের পারিবারিক আইন সম্পর্কে খুব বেশী কিছু জানতেন না। (পৃঃ ১৬৯)

    জিয়া গোকলপের স্বাদ ছিল ইসলামকে আধুনিক বৈজ্ঞানিক ধর্মে সংস্কার করা। ধর্মের আধুনিকীকরণ ও বিজ্ঞানিকরণ দ্বারা তিনি মসজিদকে খৃষ্টীয় গীর্জার মত বানাতে চেয়েছিলেন। তার মৃত্যুর বার বছর পর ইস্তাম্বুল বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকালটি অফ ডিভাইনটি বা ঐশ্বরিক অনুষদ বিশ্ববিদ্যালয়ের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে সুপারিশ পাঠানোর জন্যে একটি কমিটি নিয়োগ করলে তার স্বপ্ন বাস্তবে রূপায়িত হয়। ১৯২৮ সালের জুনে প্রকাশিত কমিটির রিপোর্ট অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে প্রার্থনাকে ‘সুন্দর’ ‘উৎসাহব্যঞ্জক’ এবং ‘আধ্যাত্মিক’ করার জন্যে মসজিদে বসার আসন, ক্লোকরুম চালু, জুতা নিয়ে নামাজ আদায়, প্রার্থনার ভাষা হিসেবে তুর্কী ভাষা চালু, আরবী বিলোপ, প্রার্থনায় সেজদার নিয়ম বাতিল, প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত বাদ্যযন্ত্রী এবং বাদ্য যন্ত্র রাখার সুপারিশ করা হয়। পশ্চিমী আধুনিক যন্ত্র সঙ্গীত মসজিদে চালুর জন্যে বিষয়টি খুবই জরুরী।[The Emergence of Modern Turkey. Bernerd Lewis p-408.]

    তুর্কী মুসলমানরা দুনিয়ার অন্যান্য মুসলমানের মত ধর্মনিষ্ঠ হওয়ায় জিয়া গোকলপের হাতে ইসলামের এই অঙ্গহানি মেনে নিতে অস্বীকার করেন। দারুন ব্যর্থতার মধ্য দিয়ে অতঃপর এই প্রকল্প প্রত্যাহৃত হয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleধুন্ধুমার – তমোঘ্ন নস্কর
    Next Article ইসলাম ও বিজ্ঞান – প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }