Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইসলাম ও আধুনিকতা – মরিয়ম জামিলা

    মরিয়ম জামিলা এক পাতা গল্প149 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অবিশ্বাসের প্রবণতা আমীর আলীর স্পিরিট অফ ইসলামের পর্যালোচনা

    সৈয়দ আমীর আলীর Spirit of Islam একই বিষয়ে ইংরেজী ভাষীদের কাছে খুবই পরিচিত। ব্সতু তা ইংরেজী ভাষার উৎকৃষ্ট শ্রেণীর গ্রন্হের মর্যাদা লাভ করেছে। একইভাবে ইউরোপ এবং আমেরিকার ধর্মান্তরিত মুসলমানরা এই বই থেকে ইসলামের একটা বিকৃত ধারণা লাভ করেন। একজন ইংরেজ মুসলমান এই বই সম্পর্কে বৈচিত্রপূর্ণ মন্তব্য করেছেনঃ “ইসলাম সম্পর্কিত অধ্যয়নে যে বইটি আমাকে সব চাইতে প্রভাবিত করেছে সেটি হচ্ছে সৈয়দ আমীর আলীর Spirit of Islam, যদিও বইটি মুসলিম বিশ্বে সমালোচনার উর্ধে নয়। এতে বহ আচার প্রথার সংস্কারের কথা বলা হয়েছে। এতে অবশ্য মুসলমানদের সামনে ঈমানের অনুপ্রেরণামূলক বিশালতা তুলে ধরা হয়েছে যা জীবনে বাস্তবায়ন করা প্রতিটি মুসলমান ছাত্রের পড়ার চেষ্টা করা উচিৎ”।

    মুসলিম বিশ্বে এর আশাতীত সমালোচনা হয়েছে। বস্তুতঃ শুধুমাত্র সমালোচনাই যথেষ্ট নয়। উলেমারা যদি ঘুমিয়ে না থেকে দায়িত্ব সচেতন হতেন তা হলে এই বই এর বিষয়বস্তু ধর্মের বিরোধী বলে প্রত্যাখ্যান করা উচিৎ ছিল।

    ১৮৪৯ সালে শিয়া ধর্মানুসারী পরিবারে জন্মগ্রহণ করে আমীর আলী আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষা লাভ করেন এবং স্যার সৈয়দ আহমদের একনিষ্ঠ শিষ্যত্ব গ্রহণ করেন। খুব অল্প বয়স থেকেই তিনি ইংরেজী সংস্কৃতির প্রতি সীমাহীন উৎসাহী ছিরেন। স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে তিনি স্বীকার করেছেন যে, ১২ বছর বয়সের … মুগ্ধ হয়ে ছিলেন এবং বিশ বছর বয়সে তিনি শেক্সপিয়র, মিলটন, কীটস, বায়রন, রংফেলো সহ অন্যান্য কবির অধিকাংশ বই এবং Thackery ও স্কট প্রমুখের উপন্যাস শেষ করেছেন। শলীকে অন্তর দিয়ে জানতেন। পরে তিনি ওকালতি শুরু করেন এবং যৌবনের অধিকাংশ সময় ও ১৯২৮ সালের মৃত্যু পর্যন্ত তার ইংরেজ স্ত্রীর সঙ্গে লন্ডনে কাটান।

    তার বিখ্যাত Spirit of Islam এর প্রথম সংস্করণ ১৮৯১ সালে লন্ডনে প্রকাশিত হয়। ১৯২২ সালের বর্তমান রূপ গ্রহণ করার আগে আমীর আলী বইটি বহুবার সংশোধন এবং পরিবর্ধন করেছেন। তখন থেকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ইংল্যাণ্ডে বইটি বার বার ছাপা হচ্ছে। এই বই এর অংশ বিশেষ আরবী এবং তুর্কী ভাষায় অনুদিত হয় এবং সে সব এলাকার আধুনিক শিক্ষিতদের প্রশংসা লাভ করে। Spirit of Islam গ্রন্হের লক্ষ্য ছিল ইসলামকে উদার এবং যৌক্তিক ধর্ম হিসেবে প্রমাণ করা। এই কারণে বহু বিবাহ, পর্দা এবং জেহাদকে ইসলামের সত্যিকার মেজাজের বিরাধী বলে নিন্দে করা হয়েছে। এইভাবে তিনি আশা করেছিলেন যে, ইউরোপীয় নবু মুসলমানরা পশ্চিমা আদর্শের সঙ্গে ইসলামকে সমপর্যায়ে দেখবেন।

    Spirit of Islam এর প্রথম অর্ধাংশ জুড়ে হযরত মুহাম্মদ (স)-এর জীবন তুলে ধরা হয়েছে। এখানে তিনি পশ্চিমী জগতকে দেখাতে চেয়েছেন তাঁর চরিত্র ছিল মিষ্ট, কোমলতা, ভদ্রতা, ক্ষমা, দয়া এবং ভালবাসার সমষ্টি। এই ধরনের আত্মপক্ষ সমর্থনকারী সকল সাহিত্যিক হীনমন্যতাবোধ থেকে মহানবীর জেহাদকে এইভাবে ব্যাখ্যা করেছেনঃ

    “শক্রদের সঙ্গে যুদ্ধ করার জন্যে মুহাম্মদ (স) আল্লাহর নির্দেশ পাওয়ার আগেই কোরাইশ সৈন্য মাঠে এসে গেছে। জীবনে কোনদিন অস্ত্র হাতে ধরেননি। মানুষের দুঃখ কষ্ঠে যিনি বেদনাভারাক্রান্ত হতেন, যিনি ছিলেন আরব চরিত্রের বিপরীত, আপন সন্তান বা শিষ্যের মৃত্যুতে কেঁদে বুক ভাসাতেন, যার হৃদয় এতই কোমল এবং করুণ হওয়ার কারণে শক্ররাও তাকে নারীসুলভ কোমল হৃদয়ের অধিকারী বলতেন, তাঁকেই পরিস্থিতির প্রয়োজনে ইচ্ছার বিরুদ্ধে আক্রমণ শক্তির দ্বার প্রতিহত করতে হলো”। (পৃঃ ২১৪-২১৮)

    বই এর লেখক পশ্চিমা সমালোচনার মুখে নিজেকে এতই দুর্বল মনে করতেন যে, জেহাদের ধারণাকে তিনি কুলক্ষণে মনে করতেন এবং এই কারণে দেখাতে চেয়েছেন যে, আমাদের মহানবী প্রকৃতপক্ষে শক্রর সঙ্গে লড়াই করতে চাননি। কেবল মাত্র পরিস্থিতি তাকে তা করতে বাধ্য করেছ্ রাসূলুল্লাহর নির্ভরযোগ্য জীবনী গ্রন্হ- যেমন, ইবনে ইসহাক ও ইবনে হিশামের ‘সিরাতে রাসূলুল্লাহ’ আল ওয়াকিদীর ‘কিতাব আল মাঘাজী’তে এ ধরনের আচরনের সাক্ষ্য দেয় না। কোরআনের অষ্টম এবং নবম সূরার কেন্দ্রীয় আলোচ্য হচ্ছে জেহাদ। এ থেকেই আমীর আলীর আত্মপক্ষ সমর্থনকারী বক্তব্যের অসারতা প্রমাণিত হয়। আধুনিক মন মানসিকতা নিয়ে তিনি বর্তমানকে অতীতে দেখতে চেয়েছেন। “এই খ্যাতনামা শিক্ষকের মন বুদ্ধিবৃত্তি ও প্রগতির দিক থেকে ছিল আধুনিক, তার  কাছে মানবতার সেবই ছিল সর্বোচ্চ এবাদত

    ” (পৃ-১২১)।

    লেখক পরোক্ষভাবে উল্লেখ করেছেন যে, কোরআন অভ্রান্ত নয় এবং সম্পূর্ণ মানবিক ধ্যানের ফলাফল।

    “এতে কোন সন্দেহ নেই যে, ধর্মীয় সচেতনতায় মহান শিক্ষকের মন পূর্ণত্ব লাভ করার আগে মধ্যবর্তী পর্যায়ের সূরাগুলোতে জোরেয়াষ্টার, সাবিয়ান এবং ইহুদী পুরানের ভাসা ভাসা বিবরণ থেকে স্বর্গ ও নরকের বাস্তব ধারণা দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। মরুভূমির সাধারণ মানুষের জন্যে ভাষার এই চাতুর্যের প্রয়োজনও ছিল। যাতে তারা এসব দেখে ধর্মের প্রতি আকৃষ্ট হয়ে বিনয় ও ভালবাসার দ্বারা প্রার্থনা করে এবং খোদার সত্যিকার অস্তিত্ব অনুধাবন করতে পারে। জোরাষ্টরদের কাছ থেকেই স্বর্গ এবং হুরের ধারণা এসেছে আপরদিকে ইহুদী পুরানে কঠোর শাস্তির জন্যে নরকের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

    সম্ভবতঃ ধর্মীয় চেতনার প্রথম দিকে মুহাম্মদ নিজে তার চারিদিকের চিরাচরিত জিনিসে বিশ্বাস করতেন, তবে আত্মার ব্যাপক জাগৃতির ফলে বিশ্বের স্রষ্টার সঙ্গে গভীর যোগাযোগ সৃষ্টি হয় এবং যে সব চিন্তা বস্তুগত দিক থেকে অস্বাভাবিক মনে হয়েছিল তা প্রথমে আধ্যাত্মিকতায় রূপ নেয়। মহান শিক্ষকের মন শুধুমাত্র সময়ের অগ্রগতির সঙ্গে পরিবর্তিত হয়নি বরং আধ্যাত্মিক জ্ঞান লাভের ব্যাপারে তার সাহাবীদের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গেও পরিবর্তিত হয়েছে, উন্নত মনের দ্বারাই গুণাগুণ অনুধাবন করা যায়। সাধারণ বুদ্ধির লোক, অশিক্ষিত লোকদের ব্যাপক বা সংক্ষিপ্ত যে ধরনেরই হোক না কেন বিধি-নিষেদের প্রয়োজন রয়েছে”। (পৃঃ ১৯৭-১৯৮)।

    আমীর আলী পরকালের সত্যিকার অস্তিত্বের বিশ্বাস করতে পারেননি। তবে সাধারণ মানুষের উন্নতির অপরিহার্য হাতিয়ার হিসাবে তা স্বীকার করে নিয়েছেন। এই জন্যে জীবন সম্পর্কে প্রাচীন জোরাষ্ট্রানদের ধারণার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে দেখিয়েছেন এগুলো কিভাবে মুহাম্মদের বিশ্বাসে প্রভাব ফেলেছে। শিয়াদের ধর্মমতানুসারে খলিফাদের ইতিহাস রচনা করা হয়েছে। পরবর্তী পর্যায়ে অন্যায়ভাবে তিনি তৃতীয় খলিফা হযরত ওসমান (রা)-এর সমালোচনা করেছেন।

    “হযরত আবু বকরের তীক্ষ্মতা, হযরত ওমরের বুদ্ধিবৃত্তিক প্রাণোৎসাহ এবং ণৈতিক সুক্ষ্মতা হযরত ওসমানের ছিল না। Dozy সুস্পষ্টভাবে প্রতারিত ধর্ম যাজকের (?) চরিত্র অঙ্কন করেছেন। ওসমানের ব্যক্তিত্ব খলিফা হিসেবে তার নির্বাচনের যৌক্তিকতা প্রমাণ করে না। এটা সত্য যে, তিনি ধনী এবং দরদী ছিলেন, মুহাম্মদ (স) এবং ইসলামকে আর্থিক সাহায্য করেছেন এবং প্রায়ই প্রার্থনা করতেন, রোজা রাখতেন এবং তিনি অমায়িক ও দয়ার্দ হৃদয় ছিলেন। তিনি অবশ্য প্রেরণাসম্পন্ন মানুষ ছিলেন এবং বার্ধক্যজনিত দুর্বল ছিলেন। দুঃখের বিষয় এই বৃদ্ধ মানুষ তার আত্মীয়দের প্রতি অসাধারণ দুর্বল ছিলেন। তারা মক্কার ঐসব অভিজাত যারা ২০ বছর ধরে মুহাম্মদ (স)-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ করেছে, তাঁকে শাস্তি দিয়েছে, অপমান করেছে, খলিফা এসব লোকদের আনুকূল্য করেছেন। সমগ্র সাম্রাজ্য থেকে মদীনায় অভিযোগ আসতে শুরু করে। কিন্তু প্রায় অভিযোগই গালি আর কর্কশ ভাষায় বাতিল করা হয়েছে। খলিফা আবু বকরেরর ছেলে মোহাম্মদের নেতৃত্বে ১২ হাজার লোকের একটি প্রতিনিধিদল ওসমানের কাছে অভাব অভিযোগ জানাতে এবং তার প্রতিকার দাবী করতে এসেছে। ফেরার পথে খলিফার সীলমোহর সহ তার সেক্রেটারী একটি চিঠি দিয়েছেন। যাতে নীতিজ্ঞানশূন্য মুয়াবিয়াকে বলা হয়েছে তাদেরকে সদলবলে নিশ্চিহ্ন করার জন্য। তার ‘বিশ্বাসঘাতকতায়’ বিক্ষুব্ধ হয়ে তারা মদীনায় ফিরে যায় এবং বৃদ্দ খলিফার ঘরে প্রবেশ করে তাঁকে হত্যা করে। ওসমানের মৃত্যুর পর উমায়াদের দীর্ঘ প্রতিক্ষিত ইসলাম বিরোধী, ইসলামের গণতন্ত্র সাম্য এবং নেতিকতার কঠোর নিয়মকানুনের বিরুদ্ধে বিক্ষোভের সুযোগ সৃষ্টি হয়”।

    আমাদের প্রিয় নবীর বিশ্বস্ততম সাহাবীর বিরুদ্ধে ইতিহাসের এই নিন্দাকারী ভাষা। ওসমান বিশ্বাসঘাতকতা করেননি। উল্লেখিত চিঠিগুলি ছিল জাল যাতে ওসমানের কিছুই করণীয় ছিল না। লেখক যেভাবে চিত্রিত করেছেন, খোদা না করুক ওসমান যদি সত্যিই সেরূপ হতেন তাহলে আমাদের মহানবী কখনো তাকে তার বিশ্বস্ত সহচরদের অন্তর্ভুক্ত এবং সরাসরি বেহেশতে গমনকারী দশজনের একজন বলে ঘোষণা করতেন না। আমাদের মহানবী ঘোষণা করেছেন ওসমান বেহেশতে তার নিত্য সহচর থাকবেন। অনেক নির্ভরযোগ্য হাদীসেই ওসমানের গুণাবলীর স্বীকৃতি রয়েছে। ওসমানের সঙ্গে বিশ বছরেরও অধিক সময় কাছাকাছি থেকে আমাদের প্রিয় নবী ওসমানের চরিত্র সম্পর্কে আধুনিকতাবাদী এবং এবং শিয়া প্রভাবিতদের চাইতে অনেক বেশী প্রাজ্ঞ ছিলেন।

    একই ভাবে এই লেখক মুসলিম বিশ্বের পরবর্তি অধঃপতনের জন্যে ইমাম এবং মুজাদ্দিদদের দোষারোপ করেছেন। ইমাম আহমদ বিন হাম্বলকে তিনি কিভাবে চিহ্নিত করেছেন তার নমুনা- চতুর্থ গুরুত্বপূর্ণ ‘সুন্নী গীর্জা সম্প্রদায়ের’ সৃষ্টি হয় ইবনে হাম্বলের হাতে। তিনি মামুন এবং তার উত্তরাধিকারী মুতাসীম বিল্লাহর সময় উন্নতি লাভ করেন। এই দুইজন খলিফা ছিলেন ‘মতাজিলা পন্হী’ ইবনে হাম্বলের চরম গোঁড়ামী এবং জেদ, যার দ্বারা তিনি ধর্মান্ধতা দিয়ে ক্ষমতাসীনদের বিরুদ্ধে জনগণকে উত্তেজিত করতে চেয়েছিলেন, তা শাসকদের সঙ্গে তার মনোমালিন্যের সৃষ্টি করে। ইবনে হাম্বল এবং তার হিতৈষীরা মুতাজিলা প্রচারে মানুষের অসৎ সাফল্যের জন্যে এবং ঘন ঘন মুসলিম হত্যা অভিযানের জন্যে দায়। এই হত্যাভিযান মুসলিম ইতিহাসে কলঙ্ক লেপন করেছে”। (পৃঃ ৩৫২)

    “অতি শুদ্ধাচারী ব্যক্তি ইবনে হাম্বল তার মতবিরোধীদের চির অবলুপ্তি কামনা করতেন। তিনি হানাফীবাদের উদারতায় মনক্ষুন্ন, মালেকীবাদের নিরঙ্কুশ সংকীর্ণতায় হাতশ এবং শাফেয়ীবাদের সাধারণ চরিত্রে সুখী হতে না পেরে চিরাচরিত প্রথার ভিত্তিতে সমগ্র সাম্রাজ্যের জন্যে একটি নতুন পদ্ধতি চালূ করেন। আবু হানিফা চিরাচরিত প্রথার অধিকাংশ প্রত্যাখ্যান করেছেন, (ইহা ঠিক নয়)। ইবনে হাম্বলের পদ্ধতি অসঙ্গত, অযৌক্তিক এবং হতবুদ্ধিকারী গল্পের সমষ্টি যার অধিকাংশই পরষ্পরের সঙ্গে অসঙ্গতিপূর্ণ এবং মনগড়া। তিনি বিদ্যা অর্জন ও বিজ্ঞানের নিন্দে করেছেন এবং যুক্তিবাদের বিরুদ্ধে পবিত্র যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন।

    জনসাধারণের মধ্যে তার বাগ্মীতা অথবা প্রচন্ডতা ধর্ম প্রচারের মঞ্চ থেকে বিজ্ঞান ও যুক্তিবাদীদের বিরুদ্ধে আগুন ছড়াতে শুরু করলো। বাগদাদের রাস্তায় ঘন ঘন দাঙ্গা এবং রক্তপাত শুরু হল। গোলযোগের প্রধান উদগাতাকে জেলে পাঠানো হয় এবং সেখানেই তিনি প্রাণ ত্যাগ করেন (খৃঃ ৪৩৮-৪৩৯)। ইবনে হাম্বলের প্রধান অনুসারী ধর্মতত্বের ছাত্ররা দুবর্ল আব্বাসীয় খলিফাদের জন্যে বাগদাদে বিরাট সমস্যার কারণ হয়ে পড়ে। তারা নিজেদের নিয়ে দায়িত্বহীন ছিদ্রান্বেষী সমালোচকদল গড়ে তুলল। তারা জোর করে মানুষের বাড়ীতে ঢুকে বাদ্যযন্ত্র ভেঙ্গে দিত এবং এ ধরনের বর্বরতা চালাতো (পৃঃ ৪৮৭)।

    এইভাবে লেখক শরিয়তের বিধানকে সেকেলে এবং প্রগতির বিরোধী বলে আখ্যায়িত করেন। মুসলমানদের বর্তমান জড়ত্বের কারণ হচ্ছে মুসলমানদের সাধারণ বিশ্বাস। এই বিশ্বাস চিন্তার স্বাধীনতা ও বিচার বিচক্ষণ ক্ষমতা হরণ করে কিছু জিনিস মনের মধ্যে বদ্ধমূল করে দিয়েছে। নবী যুক্তিকেই মানব মনীসার সর্বোচ্চ এবং আদর্শ অবদান বলে আখ্যায়িত করেছেন। আমাদের মধ্যযুগের পণ্ডিত এবং তাদের অনুসারীরা এর প্রয়োগকে সবচাইতে পাপ এবং অপরাধ বলে গণ্য করেছেন। আজকের মুসলমানেরা সেই মেজাজ হারিয়ে ফেলেছেন। শিক্ষকের প্রতি শ্রদ্ধা এবং প্রশংসা প্রকাশ করতে গিয়ে তার প্রাথমিক যুগের অনুসারীরা তখনকার জন্যে প্রযোজ্য আদেশ এবং নিয়মকানুনকে সর্বকালের করে দিয়েছেন। বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ সংস্কারকের প্রচলিত এবং একটি আধা সভ্য জাতির জন্যে প্রযোজ্য বিধানকে এখন পর্যন্ত চালূ করা নবীল প্রতিই অবিচারের সামিল। সমাজ ও নৈতিকতার ক্রম পরিবর্তনশীল ধারণা নিয়ে কারও পক্ষেই চিরকালের বিধান দিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। মানবতার প্রগতিশীল দাবীর সঙ্গে সামঞ্চস্যপূর্ণ কোন ধর্মই এত বিরাট প্রতিশ্রুতি দেয়নি (পৃঃ ১৮২-৮৩)। গীর্জার জনক যা দিয়েছেন তা অপরিবর্তনীয় এবং আলোচনার আওতা বহির্ভূত। (পৃঃ ৩৫৩)।

    আমীর আলীর মতে মুতাজিলাদের পথই ইসলামের সত্যিকার পথ। তার অনুসারী আলকিন্দী, আল ফারাবী, ইবনে সিনা এবং রুশদ ইসলামের ভেতর গ্রীক দর্শনের অনুপ্রবেশ ঘটাতে চেষ্টিত হয়েছিলেন। আমীর আলী মুতাজিলাদেরকে অগ্রপথিক হিসেবে আখ্যায়িত করেন। জীবনের মূল সূত্রে না হলেও আধুনিক পশ্চিমা সভ্যতার দিক থেকে। যে সব মুজাদ্দিস বাইরের ধ্যান ধারণাকে বাতিল করে সত্যিকার ইসলাম রক্ষা করেছিলেন তিনি তাদেরকে মুসলিম বিশ্বের ক্ষতির জন্যে দায়ী করেন। এটা সুস্পষ্ট যে, লেখক যার পক্ষে ওকালতি করেছেন তা ইসলাম ছিল না বরং তা চিল মুসলিম নামের ছদ্মাবরণে পশ্চিমা ধ্যান ধারণা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleধুন্ধুমার – তমোঘ্ন নস্কর
    Next Article ইসলাম ও বিজ্ঞান – প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }