Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইসলাম ও বিজ্ঞান – প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান

    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান এক পাতা গল্প52 Mins Read0
    ⤷

    ইসলাম ও বিজ্ঞান – ১

    আজকে আমি আপনাদের সামনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে আলোচনা পেশ করতে চাই। সংক্ষিপ্তভাবে আমি এর নাম করণ করেছি ‘ইসলাম ও বিজ্ঞান’। আমি আমার আলোচনায় কেন এই বিষয়টিকে নির্বাচন করলাম ইনশাল্লাহ আশা করি আমরা সকলেই উক্ত আলোচনা হতে বুঝতে পারব। এরকম একটি বিষয়ে আলোচনা করা আজকে সময়ের একটি দাবি। কেননা একজন মুসলিম হিসাবে দুনিয়ার অতীত ও বর্তমান সম্পর্কে চিন্তা ভাবনা করা আজ সময়ের একটি দাবি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য যে, আমাদের সোনালী অতীতের চিন্তা চেতনাকে লালন করতে না পারার কারণে আমাদেরকে সর্বদাই ভিত্তিহীন কিছু চিন্তাধারার ও চিন্তা চেতনার মুখোমুখি হতে হয়েছে। তবে এটা সত্য যে, ভিত্তিহীন চিন্তার সাথে আমাদের চিন্তার এই সংগ্রাম আমাদের মুসলমানদের সম্মান ও মান মর্যাদাকে বৃদ্ধি করেছে। অপরদিকে পশ্চাত্যের এই ভিত্তিহীন চিন্ত ধারা আমাদের দেশে আমাদের ধর্ম আমাদের সংস্কৃতিকে জানার ক্ষেত্রে একটি বড় বাধা হিসাবে দাঁড়িয়েছে। আজ জ্ঞান ও বিজ্ঞান প্রসারের ক্ষেত্রে ইসলামের ভূমিকা কি ছিলো এবং ইসলাম জ্ঞান ও বিজ্ঞানে কি অবদান রেখেছে সে সম্পর্কে আলোকপাত করব। আমি কেন আজ এই বিজ্ঞান কে বেছে নিলাম? আমি নিশ্চিত যে, আমাদের মধ্যে যারা উপস্থিত তাদের অধিকাংশই এই সম্পর্কে জানি না। কেন আমরা জানি না? কারণ আমরা এই সম্পর্কে জানার ও শেখার সুযোগ পাইনি। আমাদের মূল বিষয়ে যাওয়ার পূর্বে, একটি বিষয়কে ব্যাখ্যা করে আমরা আমাদের মূল বিষয়ের গুরুত্বকে জোর দিয়ে বুঝাতে চাই। ইসলামী চিন্তা ও চেতনায় কিন্তু কোনো প্রকারের ঘাটতি নেই। কিন্তু ভুল পদ্ধতির কারণে আমরা ভুল পথে পরিচালিত হতে পারি। আর সেটা হলো ইসলাম এখনো তার পূর্ণ স্বতন্ত্র সত্তা নিয়ে আমাদের মাঝে বিরাজমান। ইসলাম আমাদেরকে আখিরাতের জীবনের ওহির জ্ঞান, নৈতিক চরিত্র গঠন, মানসিক উন্নয়ন ও জ্ঞানের সকল ক্ষেত্রে ও বিভাগের ব্যাপারে আমাদেরকে যে মূলনীতি সমূহ দিয়েছে আমরা সেগুলো জানি। কিন্তু আমরা ভাবি কি, ইসলাম প্রদত্ত মূলনীতি সমূহের বাহিরেও নীতি পদ্ধতি রয়েছে । কি আছে ইসলামের বাহিরে? আমেরিকা ও ইউরোপের বিজ্ঞানীরা নতুন নতুন আবিষ্কার নিয়ে আমাদের মাঝে উপস্থিত হচ্ছে। মঙ্গল গ্রহ ও চাদে যাচ্ছে। এগুলো যে মানুষ করছে তাদের এই সকল কর্মকান্ড কি কুরআনে প্রদত্ত আলোকে হচ্ছে? নাকি হচ্ছে না? আমি মনে করি আমরা এটা দাবি করি না অর্থাৎ কুরআনে প্রদত্ত জ্ঞানের আলোকে হচ্ছে না বলে আমরা মনে। করি। আমরা বলে থাকি যে, তারা সৌরজগৎ-এর প্রতিটি সেকেন্ডকে হিসাব। করে এটা বের করে থাকেন যে, চাদে যাব এই সময়ে, মঙ্গলে যাব এই সময়ে এমনকি তারা তাদের বের করা সময়ে পৌঁছতে ঠিকই সক্ষম হচ্ছে। তাদের এই গবেষণা বা কর্মতৎপরতার দ্বারা এটা প্রতীয়মান হয় যে, তাদেরও একটা জ্ঞানের উৎস আছে বা সত্যের উৎস আছে। আর এর মাধ্যমে আমরা ইউরোপীয় ও আমেরিকানদেরকে একটি মূল্যায়ন দিয়ে থাকি যে, ইসলামের বাহিরেও চিন্তা ও সত্যের উৎস রয়েছে, না হলে তারা এই সকল কাজ করতে সমর্থ হয় কিভাবে? এখন আমরা আমাদের এই বক্তব্যে যুক্তির আলোকে এই কথা প্রমাণ করার চেষ্টা করব যে, ইসলামের বাহিরে সত্যের কোনো উৎস নেই’ ইসলাম ছাড়া আর কোনো সত্য নেই । আচ্ছা তাহলে ইউরোপের বিজ্ঞানীরা অতি আশ্চার্য যে কাজগুলো করতেছে তাহলে সেগুলো কি? এ গুলো কোথা থেকে জনসমক্ষে আসছে? তাদের এই সকল কার্যক্রমের উৎস বা ভিত্তিমূলে কি আছে? ইউরোপীয় বিজ্ঞানীদের আবিষ্কার ও তাদের চিন্তাধারা ও ইসলামী মূলনীতির মধ্যে কি সম্পর্ক বিদ্যমান সেটাকে বের করার চেষ্টা করব। আমি আমার কথাকে এইভাবে শুরু করতে চাই যে, আমরা যদি এখন বের হয়ে দুনিয়ার বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন করি, যখন বাহির থেকে দেখি তখন আমরা বলে থাকি ‘উ আউ কত বড় বিল্ডিং! কত বিশাল সেতু! এগুলো কিভাবে বানালো? তারা কিভাবে তাদের তৈরি এই সকল বিমানে করে চাঁদে যায়? মঙ্গলে যায়? এই সকল বড় বড় বিজ্ঞানাগারে তারা কিভাবে কাজ করে থাকে?এই সকল কথা বলতে বলতে আমরা এই সকল জিনিসকে পর্যবেক্ষণ করে থাকি। আমেরিকা থেকে চাদে গমনকারী যে কোনো রকেট এর নিয়ন্ত্রণকারী কোনো অফিসে যদি গিয়ে সেখানে কর্মরত একজনের সাথে কথা বলি এবং সে ব্যক্তির জ্ঞানের গভীরতা কতটুকু তা যদি পরীক্ষা করতে শুরু করি আমরা সহজেই সেই ব্যক্তিকে খুব শ্রদ্ধার সাথে দেখতে থাকব। চলুন দেখা যাক আমাদের দৃষ্টিতে সেই বড় ব্যক্তিটিকে একটু পরখ করি । যে সকল বিজ্ঞানীরা সেখানে কাজ করেন ও সেই সকল বিজ্ঞানাগারকে রক্ষণাবেক্ষন করেন তার কাছে বসে যদি তাকে প্রশ্ন করি আপনি এখানে কি করেন? সে নিশ্চয় বলবে: “আমি অমুক রকেট এর অমুক গতি পথকে নিয়ন্ত্রণ করি’ কিভাবে নিয়ন্ত্রণ করেন? সে উত্তর দিবে যে আমি শুধু মাত্র এই যন্ত্র বা যন্ত্রাংশটুকুকে নিয়ন্ত্রণ করি। আমরা যদি তাকে প্রশ্ন করি যে এই যন্ত্র বা যন্ত্রাংশটি কিভাবে তৈরি হলো? সে হয়ত কিছু সূত্রের কথা বলবে বা কিছু সূত্র লিখে দিবে । সে হয়ত এই সূত্রগুলোর আগে কিছু সংখ্যা অথবা সাংকেতিক চিহ্ন ব্যবহার করবে ।

    তখন আমরা আমাদের নিজেদের অজান্তেই বলে উঠব যে, আমরা যা কোনো দিন বুঝি না বা জানি নাই সেরকম একটি বিষয় সম্পর্কে উনি আমাদের অবহিত করছেন । তথাপি, একজন মুসলিম হিসাবে আমরা যখন এরকম একটি ব্যাপারকে মোকাবেলা করব, তখন আমাদের উচিত হবে না যে, এর প্রতি খুব বেশি গুরুত্বারোপ করা। বিজ্ঞানাগারে কর্মরত ব্যক্তিকে যখন আমরা প্রশ্ন করব তিনিও তখন আমাদের সাথে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক সূত্রাবলী নিয়ে আলোচনা করবেন । চলুন এখন আমরা তার প্রদর্শিত সেই সূত্রাবলী নিয়ে আলোচনা করি । দেখুন, সেই বিজ্ঞানী আমাদের যে সূত্র থেকে কথা বলেন বা দেখান না কেন সে সূত্রের গঠন ও সেই সূত্রটি আমাদের কাছে গুরুত্বপূর্ণ নয়। সত্যিকার অর্থে তাদের তৈরি উদ্ভাবিত সে সকল সূত্র ও সূত্রাবলী শুধুমাত্র তাদের চিন্তার একটি ব্যাখ্যামাত্র । উদাহরণ স্বরূপ সেই বিজ্ঞানীর চাঁদে রকেট প্রেরণের হিসাবের সাথে সাধারণ একটি পাথরের একই উচ্চতা থেকে মাটিতে পড়ার যে হিসাব তার থেকে ভিন্ন নয় । যারা শুধু মাত্র পদার্থ বিজ্ঞান পড়ছে অথবা শুধু মাত্র কলেজের গন্ডিকে পেরিয়েছে তারাও এই সময়টাকে হিসাব করতে পারে। আমরা যদি উচ্চ মাধ্যমিক পাস অথবা উচ্চ মাধ্যমিকে অধ্যয়নরত একজন ছাত্রকে প্রশ্ন করি যে, দশ মিটার। উচ্চতা থেকে একটি পাথর মাটিতে পড়তে কতটুকু সময় লাগবে? এই একই প্রশ্ন যদি আমরা কোনো মেকানিকেল ইঞ্জিনিয়ারকে করি তারা দুইজনেই একই পদ্ধতিতে এই প্রশ্নের সমাধান করবে। তারা একটি সূত্রকে ব্যবহার করবে আর সেটা হলো : H= 1/2G তাই সূত্রে যেখানে S হলো সময় এবং আমরা এটাকে বর্গ 2H /G এইভাবে লিখতে পারি। যেহেতু H হলো ১০ মিটার, এবং আমরা G কেও ১০ ধরতে পারি যেখানে S সময় ১.৪১। ফলাফল হিসাব করে দেখা গেল ১০ মিটার উচ্চতা থেকে একটি পাথরকে ফেলে দিলে ১.৪১ সেকেন্ড পর এটি মাটিতে পৌঁছে। সত্যিকার অর্থে আমরা একটি পাথরকে ১০ মিটার উচ্চতায় জানালা থেকে মাটিতে নিক্ষেপ করলে আর আমরা যদি টাইম ওয়াচ দিয়ে হিসাব করি তাহলে একই সময় দেখতে পাই।

    এখানে কি এমন বিশেষত্ব আছে যে, বিজ্ঞানী সেটা জানে? এটা খুবই সহজ একটা ব্যাপার যে, আমরা যদি এটাকে বিশ্লেষণ করি তাহলে যা পাই তাহলো এই হিসাব করার সময় আমরা যদি প্রশ্ন করি, এই হিসাব আপনি কিভাবে করলেন? এই ফর্মুলাটাকে কোথায় পেলেন? সে আমাদেরকে বলবে কি এই পাথরটি এখান থেকে নিচে পড়ার সময় ভূমি এটাকে আকর্ষণ করে। আর এখানে মূল বিষয় হলো মধ্যাকর্ষণ শক্তি। একটি শক্তি এটাকে তার দিকে আকর্ষণ করে। পাথরটি মাটিতে পড়ার সময় এটা তরঙ্গায়িত হয়। আর এই গতি তরঙ্গের কারণেই এটাতে একটা গতির সৃষ্টি। আর এর গতিবেগের আকর্ষণ (Magnitucle) উপর এবং নীচ উভয় দিকেই সমান। এই শক্তি (Force) উভয় দিকেই সমান কেন? এর কারণ হলো ক্রিয়া এবং প্রতিক্রিয়া। সত্যিকার অর্থেই কি এটা? সম্ভবত সে আমাদেরকে আরও অন্যান্য বিভিন্ন উদাহরণ দিবে। তিনি বলবেন যে, প্রতিটি ক্রিয়ার-ই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রয়া আছে। এই সূত্রটি প্রতিটি পদার্থের ও প্রতিটি ঘটনার ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। আর এই সূত্রটি পৃথিবীর সব জায়গায় গ্রহণযোগ্য আর বিভিন্ন ক্ষেত্র অভিজ্ঞতার আলোকে আমরা এর সত্যতা পাই । আর এটা গোটা দুনিয়াতেই ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার সূত্র নামে পরিচিত, যে প্রতিটি ক্রিয়ারই একটি সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে। আমরা যখন এমন কোনো সমস্যাই পড়ি যেটা পদার্থ বিদ্যার সাথে সম্পৃক্ত তখন আমরা পদার্থ বিজ্ঞানের সূত্রাবলীকে ব্যবহার করে থাকি। অন্যান্য হিসাবের ক্ষেত্রেও আমরা অন্যান্য সূত্রাবলিকে ব্যবহার করে থাকি। এগুলোর মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হলো ‘পদার্থকে সৃষ্টি করা যায় না বা ধ্বংস করা যায় না, এক অবস্থা হতে অন্য অবস্থায় রূপান্তর করা যায় মাত্র। এটা হলো ভরের নিত্যতা সূত্র । আর অপরটা হলো শক্তির সৃষ্টির বা বিনাশ নেই শুধুমাত্র এক রূপ হতে অন্য রূপে রূপান্তর করা যায় মাত্র। এটাকে বলে শক্তির নিত্যতা সূত্র। আজকের পৃথিবীতে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে যতো কিছুই আবিষ্কার হচ্ছে ও যতো মৌলিক ধারণার উৎপত্তি হয়েছে এর মূলে হলো এই সূত্রগুলো। পদার্থ, রসায়ন ও যান্ত্রিক সকল ক্ষেত্রেই এ সূত্রগুলোকে ব্যবহার করা হচ্ছে। এ সূত্র তিনটির বাহিরে অন্য কোনো সূত্র নেই যা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উন্নয়নে এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণার কাজ ব্যবহৃত হচ্ছে। এই তিনটি সূত্রই হলো বিজ্ঞানের মূল । এই অবস্থায় পাশ্চাত্যের যে কোনো বিজ্ঞানী যখন হিসাব করে আমাদেরকে তার প্রতিভা বা কেরামতি প্রদর্শন করে জেনে রাখবেন যে যতো কিছুরই হিসাব করুন।

    কেন যতো উদ্ভাবনী শক্তিই প্রদর্শন করেন না কেন সকল কিছুর পেছনেই তার সেই তিনটি সূত্রই বিরাজমান। সেগুলোর মধ্যে প্রথমটি হলো ভরের নিত্যতা সূত্র (Conservation of mass) দ্বিতীয়টি হলো শক্তির নিত্যতা সূত্র (Conservation of Energy) আর তৃতীয়টি হলো ক্রিয়া ও প্রতিক্রিয়ার সূত্র (Action Reaction)। এখন সকল হিসাব নিকাশ ও তার ফলাফল পাওয়ার পর যে বিজ্ঞানী এটার হিসাব নিকাশ করেছেন ও এই সমস্যা সমাধান করেছেন তাকে যদি প্রশ্ন করা হয় যে, আপনি যখন এই সমস্যাগুলির সমাধান করেন তখন আপনি কিছু টার্ম ব্যবহার করেন, যেমন: শক্তি, গতি, পদার্থ এগুলোর দ্বারা আপনি কি বুঝাতে চান? যে নিখুতভাবে তার হিসাব সম্পাদন করতে পারবে কিন্তু সে এই টার্মগুলোর সঠিক ব্যাখ্যা কখনোই দিতে পারবে না। সে এগুলোকে ব্যবহার করছে, এগুলোর দ্বারা তার সমস্যার সমাধান করছে কিন্তু অতীব আশ্চার্যের বিষয় হলো যে এগুলো সন্তোষজনক কোনো ব্যাখ্যা দিতে পারছে না। সে কেন দেখাতে পারে না? দেখুন-উদাহরণ স্বরূপ আমরা যখন পদার্থের কথা বলি এটা কি করে হয় যে মানুষ পদার্থ দেখাতে পারবে না? তাহলে পদার্থ কি? এখানে। টেবিল, চেয়ার ইত্যাদি যেগুলো দেখা যাচ্ছে এগুলোই তো পদার্থ। কিন্তু আমরা যখন এটাকে বৈজ্ঞানিক দৃষ্টিকোন থেকে দেখি তখন এটা ততোটা সহজ নয়। একটা টেবিলকে যখন পদার্থের উদাহরণ হিসাবে দেখানো হলো তখন আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে এই টেবিলটা কি? এইভাবে যখন আমরা প্রশ্ন করতে শুরু করি আর টেবিলকে ঘিরে বড় একটি মাইক্রোস্কোপ যন্ত্র দিয়ে যদি পরীক্ষা করতে শুরু করি যে, পদার্থ আসলে কি? পদার্থ কি এটা জানার জন্য যখন আমরা মাইক্রোস্কোপ দিয়ে দেখতে শুরু করি তখন টেবিলের উপর আমরা বিভিন্ন ধরনের কাঠিন্যতা দেখতে পাই। যখন আমরা এর কাঠিন্যতাকে ভেদ করে এর ভেতরে প্রবেশ করি তখন কাষ্ঠ বা কাষ্ঠ খন্ডের তৈরি এই টেবিলের কাঠগুলোতে আমরা বিভিন্ন কোষ দেখতে পাই। এই কোষগুলোর অভ্যন্তরে যখন আমরা ধীরে ধীরে প্রবেশ করি এই কোষগুলোর মধ্যে বিভিন্ন জৈব পদার্থকে দেখতে পাই এবং জৈব পদার্থগুলোর ভেতরেও রয়েছে বিভিন্ন অণু পরমাণু ।

    যদি আমরা এই সকল অণুগুলোকে মাইক্রোস্কোপ যন্ত্র দিয়ে নিরিক্ষণ শুরু করি তাহলে আমরা দেখতে পাই যে, পদার্থের অভ্যন্তরে যে অণুগুলো রয়েছে সেগুলো আবার পরমাণু থেকে তৈরি । পরমাণু কি? এই প্রশ্নের উত্তর খুজে বের করার জন্য যখন আমরা পরমাণুর ভেতরে প্রবেশ করি তাহলে দেখতে পাই যে, পরমাণুর গঠন প্রণালী ও এর কার্যবিধি সূর্য এবং তার চতুষ্পর্শ্বে আবর্তিত ঘূর্ণায়মান বিভিন্ন নক্ষত্র সমূহের মতই। সূর্য যেমনিভাবে কেন্দ্র তেমনিভাবে এরও একটি কেন্দ্র রয়েছে। আর একে বলা হয় প্রোটন। এই প্রোটনকে কেন্দ্র করে এর চতুপার্শ্বে আবর্তিত হয়। নিউট্রন যেমনিভাবে সূর্যকে কেন্দ্র করে অন্যান্য গ্রহ উপগ্রহ আবর্তিত হয় । সূর্যের চারপাশে যেমনিভাবে পৃথিবী নামক গ্রহ ও অন্যান্য গ্রহ উপগ্রহ আবর্তিত হয় তেমনিভাবে টেবিলের অভ্যন্তরে প্রতিটি পরমাণুর কার্যপ্রণালী একই নিয়মে চলে । আচ্ছা এই পরমাণু আসলে কি? যখন আমরা মাইক্রোস্কোপ দিয়ে এটাকে পর্যবেক্ষণ করি, তখন আমরা দেখতে পাই যে, ইলেকট্রন এবং প্রোটনের মধ্যে রয়েছে একটি বিশাল দূরত্ব এই একই কার্যপ্রণালী আমরা সৌরজগত এর ক্ষেত্রেও দেখতে পাই। সূর্য এবং তারকা সমূহের মধ্যেও রয়েছে বিশাল এক দূরত্ব। যখন আমরা টেবিলের অভ্যন্তরে প্রবেশ করি তখন আমরা এখানে ফাকা জায়গা দেখতে পাই। আমরা খোলা চোখে দেখি যে এটি কোনো বস্তু দ্বারা পরিপূর্ণ কিন্তু বাস্তবিক অর্থে এটি বস্তু দ্বারা পরিপূর্ণ নয়। এর ভেতরে রয়েছে ফাকা। এখানে রয়েছে শুধু মাত্র ইলেকট্রন প্রোটন । নিউক্লিয়াস ও ইলেকট্রন এর মধ্যকার দূরত্ব সূর্য এবং তারকাদের মধ্যে অবস্থিত দূরত্বের দশগুণ । আমরা এটাকে পরিপূর্ণ ভাবতাম । হ্যা যখন আমরা বাহির থেকে দেখি তখন এটাকে পরিপূর্ণই (fiul) দেখতে পাই। কেননা আমরা এর ভেতরে দেখতে সক্ষম নই। আমাদের চর্ম চক্ষু এটাকে দেখতে সক্ষম নয় যে এর ভেতরে পুরোটাই ফাকা (empty) এখন যখন আমরা আমেরিকার সেই বিজ্ঞানাগারে গবেষণারত বিজ্ঞানীটিকে নিয়ে এসে ও একটি মাইক্রোস্কোপ হাতে দিয়ে এই ফাকা জায়গা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করি যে, জনাব আমাদেরকে হিসাব দেখানোর সময় পদার্থ সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন, এখন সেই ( ) গুলো কোথায়? সে এর কোনো উত্তর দিতে সক্ষম হবে না। কেননা এই ইলেকট্রন ও প্রোটনগুলো হলো পরমাণুর সাধারণ উপাদান, এদের কোনো ওজন ও উল্লেখযোগ্য কোনো আয়তন নেই (do not have important weights and Voluame)। উদাহরণ স্বরূপ যদি আমরা দুনিয়ার সকল স্বর্ণের কথাই ধরি, যদি আমরা স্বর্ণের পরমাণু গুলোর অভ্যন্তরে ফাকা জায়গা গুলোকে পরিপূর্ণ করার জন্য পরমাণুগুলোকে সংকোচিত করতে পারি তাহলে সকল স্বর্ণ শুধুমাত্র একটি আঙ্গুল (thimble)-এর মাথাকে ডুকাতে যে ফাকা জায়গা প্রয়োজন সেটাকে পরিপূর্ণ করতে পারে কিন্তু এটা আমাদের সকলেরই জানা যে, দুনিয়াতে যে পরিমাণ স্বর্ণ রয়েছে এটা লিবসন ও সাইবেরিয়ার মধ্যবর্তী জায়গাকে পরিপূর্ণ করতে পারবে। চিন্তা করুন এটা গোটা ইউরোপকে পূর্ণ করে দিতে পারবে । যখন আমরা নিউক্লিয়াস ও ইলেকট্রন এর মধ্যকার এই দূরত্বকে কমিয়ে নিয়ে আসি তখন গোটা দুনিয়ার স্বর্ণ নামক এই বস্তুকে একটি অঙ্গুলিস্তান (thimble) এ জমা করতে পারি। এটা আমাদেরকে দেখিয়ে দেয় যে, শুধু মাত্র হালকা বা সহজ পদার্থ সমূহ নয় বরং স্বর্ণের মতো ভারি বস্তুকেও শূন্যতা থেকে গঠন করা হয়েছে। যদিও বিজ্ঞানীরা বলে থাকেন যে, বাস্তবিকভাবে ইলেকট্রন কোনো একটি নির্দিষ্ট স্থানে অবস্থান করে না। তাহলে তারা কোথায় অবস্থান করে? দাবি করা হয়ে থাকে যে, যেখানে ইলেকট্রন এর কোনো অস্তিত্ব নেই আছে শুধু মাত্র তরঙ্গ (wave), তরঙ্গ (wave) নিউক্লিয়াস এর চতুষ্পর্শে আবর্তিত হয়। আধুনিক বিজ্ঞানের মতে সেখানে কোনো বস্তুর/পদার্থের (meter) এর অস্তিত্ব নেই। তাহলে এটা কোন্ প্রকারের তরঙ্গ? যদি আমরা এই অডিটরিয়ামের একপাশ থেকে অপরপাশ পর্যন্ত রশি টানিয়ে দেই এবং এর একপাশ থেকে এটিকে তরঙ্গায়িত করি তাহলে এটি অন্য প্রান্তে গিয়ে পৌঁছে। এখানে আপনারা গ্রহণ করেন যে ইলেকট্রন আবর্তিত হয়, কিন্তু না ইলেকট্রন ও আবর্তিত হয়না। তাহলে কি আবর্তিত হয়? আবর্তিত হয় মূলত এই তরঙ্গ। এখানে পদার্থ বলতে কিছু নেই। তথাপি আজকের পাশ্চাত্য বিশ্ব কিছু পরিকল্পনা গ্রহণ করে ও মনে হয় যে তারা কিছু কাজের প্রজেক্ট ও গ্রহণ করেছে। কিন্তু তারা এটা অনুধাবন করে না যে, তা কি ব্যবহার করছে। এমন কি তারা এটাও উপলব্ধি করেনা যে, তারা কিসের উপর ভিত্তি করে তাদের কার্যকলাপ পরিচালিত হচ্ছে। আজকে পাশ্চাত্যের একজন মানুষের পদার্থ (meterial) শক্তি (energy) ও বল (Force) সম্পর্কে ধারণা নেই। আমরা কেন আজকে এর উপর এতো দৃষ্টিপাত করছি? এই মুহুর্তে কি এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ কোনো বিষয়? আমি এখন অন্য একটি ব্যাপারকে তুলে ধরতে চাই। যখন আমাদের মুসলিম ভায়েরা পাশ্চাত্যের কোনো ব্যক্তির সাথে সাক্ষাত করে বা পাশ্চাত্যের সাথে কোনো ব্যাপারে আলোচনায় আসে তখন তাদেরকে পাশ্চাত্যের আচরণকে সহ্য করতে হয়। তারা মুসলিমদেরকে তাদের তুলনায় পাশ্চাদমুখী ও নিকৃষ্টভাবে। অথচ তারা যে নিজেরাই ছোট (inferior) এটা তারা জানে না। আজকের এই বক্তব্যে আমি এটা প্রমাণ করব যে, মুসলিমদেরকে যারা নিকৃষ্টছোট (inferior) ভাবে তারাই বরং ছোট, মুসলিমরা ছোট নয়। তারা নিজেদেরকে না চিনেই, নিজেদের অবস্থানকে দৃষ্টিপাত না করেই, তার অবস্থান কি? এটাকে উপলব্ধি না করেই তারা বলে থাকে যে, বিজ্ঞান হলো জ্ঞানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শাখা । তাদের মতে বিজ্ঞান কি? দেখুন তারা চাঁদে যায়, তারা মঙ্গলসহ মহাকাশে গিয়ে থাকে। কিন্তু কোন পথে, কিভাবে, কোন উপায় অবলম্বন করে থাকে, তারা এ সম্পর্কে জানে না । যখন আপনি তাদেরকে এই সকল হিসাবের উৎস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করবেন সে এর জবাব দিতে পারবে না। যদিও তারা দিতে পারে তবে তারা বলবে যে, এ সকল কিছুর উৎস হলো কিছু সূত্রমালা। এই সূত্রগুলো থেকেই তারা তাদের ধারণা ও অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। তারা বলে যে, এটা আমাদের বদ্ধমূল বিশ্বাস যে, এই সূত্রগুলোর উপর ভিত্তি করেই আমরা সকল কিছুই উদ্ভাবন করে থাকি। এই সূত্রগুলো কি? এই সূত্রগুলো হলো

    ১. প্রত্যেকটি ক্রিয়ার-ই সমান ও বিপরীত প্রতিক্রিয়া আছে ।

    ২. কোনো পদার্থ ও শক্তিকে সৃষ্টি ও ধ্বংস করা যায় না শুধুমাত্র এক অবস্থায় রূপান্তর করা যায় মাত্র। আচ্ছা আপনার মতে যে পদার্থের কথা বলছেন এই পদার্থ বলতে কি বুঝায়? শক্তি (energy) ও বল (force) বলতে কি বুঝায়? যখন আমরা এই সকল প্রশ্ন তাদের সামনে পেশ করি তারা এর সঠিক কোনো জবাব সংক্ষিপ্ত ও সঠিকভাবে পেশ করতে পারে না। কেন পারে না তারা? কারণ হলো সত্যিকারের জ্ঞান বলতে কি বুঝায় তারা তা জানে না। তারা এই ছোট ব্যাপার গুলোকেই সবচেয়ে বড় জ্ঞান বলে ধারণা করে থাকে সত্যিকার অর্থে বিজ্ঞান শুরু হয় মূলত এখান থেকে। যেখানে এসে তারা থেমে যায় সেখান থেকেই আসল জ্ঞান ও বিজ্ঞান শুরু হয়। তারা কিভাবে আমাদেরকে বিজ্ঞান শিক্ষা দেবে যেখানে তারা পদার্থ বস্তু সম্পর্কেই অবগত নয়। তেমনিভাবে সে জানে না যে, শক্তি কি (energy), বল (force existence) কি ও ভর (mass) কি? পদার্থ বা বস্তু (Subtance metarial) নামে কোনো কিছু আছে না কি নাই? তাহলে তোমরা আমাদেরকে শিক্ষা দিতে পার না। দেখুন আপনাদের কেউ বলে এভাবে, কেউ বলে সেভাবে আবার কেউ বলে হ্যা পদার্থ (Subtance metarial) আছে। আবার কেউ বলে না পদার্থের (Subtance) এর কোনো অস্তিত্ব নেই। আবার কেউ বলে এটা হলো তরঙ্গ। এটা ওটা নানান কিছু। আপনারা জেনে থাকবেন যে, এদের মধ্যে অন্যতম হলো আইনস্টাইন (Einstein) যে হলো একজন ইয়াহুদী বিজ্ঞানী যে তার সারা জীবন এই সকল গবেষণায় কাটিয়েছে । সে তার জীবনের শেষ প্রান্তে এসে বলেছিল আমি প্রায় সারা জীবন বিজ্ঞান গবেষণায় কাটিয়েছি। আমি শক্তি (energy) বল, (force) এবং পরমাণু (Atom) সম্পর্কে অধ্যায়ন করেছি এগুলো নিয়ে হিসাব নিকাশ করেছি। কিন্তু জীবনের শেষ প্রান্তে এসেও এগুলো সম্পর্কে আমি পুরোপুরি অবগত হতে পারলাম না। তথাপি আমি আপনাদেরকে একটা বিষয়ে অবগত করতে চাই। যদি আমরা শক্তি (energy), বল (force), পদার্থ (Substance) এর জায়গায় অন্য কোনো বৈজ্ঞানিক ধারণাকে গ্রহণ করতাম তাহলে কি আমরা একই ফলাফল পেতাম? নাকি সহজ কোনো হিসাব বের করতে পারতাম? এটা আমরা জানি না। কিন্তু আমি ধারণা করি যে, পদার্থ (Substance) শক্তি (energy) বল (force) এগুলো একে অপরের থেকে ভিন্ন নয় ।

    আমি এগুলোকে একই ব্যাপার মনে করে থাকি। আমি মনে করি যে, এগুলো একই জিনিস আর সেটা হলো শক্তি (energy) আর এটি কখনো পরিণত হয়। পদার্থে (Substance) আবার কখনো বা বলে (force)। আমি এটা ধারণা করতে পারি যে, এটা কি? কিন্তু আমি এটাকে বিশ্লেষণ করতে পারি না। যেমনিভাবে আমরা যখন পরমাণু (Atom) কে বিভিন্ন খণ্ডে বিভক্ত করি তখন এটা শক্তিতে রূপান্তরিত হয় তেমনিভাবে শক্তিকে (energy)কে যখন একত্রিত করা হয় তখন এটা পদার্থে (Substance) পরিণত হয় । তথাপি পদার্থের ক্ষেত্রে কি ঘটে? শক্তি কি? এগুলোর আসল কোনটি? আজ আমরা এই সকল প্রশ্নের উত্তর জানার জন্য যদি পাশ্চাত্যের জ্ঞানে পরিপূর্ণ পান্ডিত্য অর্জনকারী আইনস্টাইনকে জিজ্ঞাসা করি তিনিও এসকল প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেন না । অবশেষে তাদের জ্ঞানের অপূর্ণতা স্বীকার করতে বাধ্য হন। মুসলিমদেরকে নীচু (inferior) ভাবে দেখার পূর্বে তাদের নিজেদের এই হীনতাকে পর্যালোচনা করা উচিত । তারা সর্বদাই একটি কঠিন সমস্যা মোকাবেলা করে থাকে। আর তাদের এই সমস্যার (Complexity) এর মূল কারণ হলো সঠিক জ্ঞানের অভাব। পাশ্চাত্যের বিজ্ঞানীগণ বিভিন্ন সূত্রকে অবলম্বন করে তাদের হিসাব নিকাশ করে থাকে কিন্তু আজকে তারা তাদের হিসাব নিকাশের বিভিন্ন ক্ষেত্রেই ব্যার্থতার পরিচয় দিচ্ছে। এজন্য আজ আমরা তাদের মুখে বিভিন্ন হতাশার বাণী শুনতে পাই, কিন্তু তারা প্রকৃতপক্ষে এর মূল কারণ অনুসন্ধান করেন না। আমরা বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে আমাদের ছাত্রদেরকে ডক্টরেট করিয়ে থাকি। পাশ্চাত্যের বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতেও ডক্টরেট (PHD) করার দিকে উৎসাহিত করা হয়ে থাকে। গবেষণার সময় বা গবেষণার বিষয়ে আমাদের এমন অনেক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় যেটার সমাধান আমরা কেউ দিতে পারি না। কিন্তু প্রায় সময়ই আমরা ব্যাপারটাকে এড়িয়ে যাই কিংবা গোপন রাখি। কিন্তু এটা আমাদের বলা একান্ত প্রয়োজনীয় এবং সে সাথে মানুষের অক্ষমতাটাও তুলে ধরা। এখন পাশ্চাত্যের নাম করা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করেছে এমন কারো সাথে যদি এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করি আর আপনারা যদি আমাদের বিচারক থাকেন। আর আমি যদি বলি “পাশ্চাত্যের করা বিভিন্ন হিসাব নিকাশ, তাদের ব্যবহৃত সূত্রাবলী সম্পর্কে পুরোপুরিভাবে তারা অবহিত নয়, দ্বিতীয়ত, তারা তাদের এই সকল হিসাব নিকাশ গবেষণার সময় সর্বদাই একটি জটিলতায় (Complexity) থাকে। তারা এই সকল জটিলতার সমাধানে মোটেও সক্ষম নয়। আচ্ছা তাহলে তারা তাদের ডক্টরেটে (PHD) গবেষণায় কি করে থাকে? আমি আপনাদেরকে বুঝাবো তারা বা আমরা কি করে থাকি। উদাহরণ স্বরূপ আমার গবেষণার বিষয় হলো সাগরে জাহাজ চালনা পদ্ধতি বা গতিবিধি এরথেকে তরঙ্গগুলো কিভাবে গঠিত হবে বা কিভাবে এর তরঙ্গগুলো সাগরে মিশে যাবে? আমাদের প্রচলিত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডক্টরেট ডিগ্রি গ্রহণ করা বা আমরা যেটাকে জ্ঞান বলে অবিহিত করে থাকি সে ব্যাখ্যা মতে, আমরা জাহাজকে সাগরে চালনা করি, জাহাজের পেছনের ঢেউগুলোর ছবিগুলো সংগ্রহ করার পর সকলেই টেবিলে বসে পর্যালোচনা করি যে, জাহাজ পরিচালনার পর তরঙ্গগুলোর এইভাবে প্রবাহিত হয়েছে। আমাদের এই হিসাবকে পূর্ণ করার জন্য সেই সূত্র তিনটিকে যদি লিখি এবং লেখার পর যদি সমস্যাটিকে সমাধান করার জন্য চেষ্টা করি। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য আমরা এর কোনো সমাধান দিতে পারি না। কেননা আমাদের মাথায় এর যুক্তি বুঝে আসে না। আমরা এর নিখুঁত তথ্য ও তত্ত্ব নির্ভুলভাবে না জানার কারণেই আমরা এর সঠিক কোনো উত্তর খুঁজে পেতে সক্ষম নই। এরপর আমরা সহজ রাস্তা বের করার চেষ্টা করি কিন্তু সত্যিকার অর্থ বের করতে ব্যর্থ হয়ে সহজভাবে সমাধান করার চেষ্টা করার নাম জ্ঞান নয়। নিজে নিজেই সহজতর পথ বেছে নেওয়া অনেকটা চিত্রাকরের ছবি আকার মতো যে তার মনের মাধুরী মিশিয়ে তার ছবিকে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করে ছবির কোনো অংশ আঁকতে সক্ষম না হলে সে অন্য কোনো ভাবে এটাকে আঁকার চেষ্টা করে থাকে। আমরা চাই যে, আসল ছবিটি আমার অংকনকৃত ছবির আলোকে দর্শকদের সামনে আনতে। আমরা কেন এরকম কাজের দিকে এগিয়ে যাই? কেননা আমাদের ব্যবহৃত সূত্র ও পদ্ধতিসমূহকে সমাধান করার জন্য পর্যাপ্ত গাণিতিক জ্ঞান আমাদের নেই। আমরা যে পথে সকল গাণিতিক ও বৈজ্ঞানিক সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করি সেটা হলো সীমাবদ্ধ একটি পথ। পাশ্চাত্যের যে প্রযুক্তি ও জ্ঞানকে ব্যবহার করে রকেট এর মাধ্যমে চাঁদে যাবে, এটাকে আপনারা জ্ঞানের সর্বোচ্চ চূড়া হিসাবে ধরবেন না। পাশ্চাত্যের জ্ঞান ও বিজ্ঞান এমন একটি অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে যে, এখান থেকে তারা আর খুব বেশিদূর এগুতে পারবে না। আমার এই সকল উদাহরণ এর মূল উদ্দেশ্য হলো পাশ্চাত্যের অসরতা প্রমাণ করা। যারা নিজের বড়ত্বকে প্রকাশ করে মুসলিমদেরকে খাটো করে। কিন্তু সত্যিকার অর্থে তারাই মুসলিমদের কাছে চিরঋণী। যদিও বা তারা নিজেদেরকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির ধারক ও বাহক করে পেছন থেকে বলে যে মুসলিমরা নীচু, তারা কিছু জানে না সত্যিকার অর্থে তারা জানে না যে, তারা কি করছে। এটা তাদের জন্য খুবই দুর্ভাগ্যজনক। তাদের এই অহংকার তাদের জন্য এমন একটা পথ যেখান থেকে তারা বের হতে পারবেনা। এর ফলাফল কি হবে তাহলে? বন্ধ পথের সন্ধান দেওয়ার জন্য মুসলিমরা জ্ঞান বিজ্ঞানের ব্যাপারে কি মতামত পোষণ করে সেটাকে বিশ্লেষণ করা প্রয়োজন। মুসলিমগণ এই সূত্রবলী ও হিসাব নিকাশের পদ্ধতিতে কিভাবে দেখে থাকে? এই প্রশ্নের উত্তর পেতে হলে আমাদেরকে জানতে হবে যে, পাশ্চাত্যের বিজ্ঞানীদের দ্বারা ব্যবহৃত আশ্চার্য জনক সূত্রাবলী কাদের দ্বারা অবিস্তৃত। প্রথমেই এটা আমাদের অনুসন্ধান করা উচিত। যদি পাশ্চাত্যের কোনো বিজ্ঞানী বলে যে, সে সকল বিষয়ে জ্ঞান রাখে তাহলে আমাদেরকে বুঝতে হবে যে তার জ্ঞানের স্বল্পতা আছে। আমরা সকলেই জানি যে, পৃথিবীর সকল মানুষের জ্ঞানকে যদি একত্রিত করা হয়, তাহলেও মহান আল্লাহ তায়ালার যে জ্ঞান তার সাথে তুলনা করলে সাগরের এক বিন্দু পানির সমান ও হবে না। এই জন্য সামান্য জ্ঞানের অধিকারী মানুষের অহমিকা করা কখনো শোভা পায় না।

    ⤷
    1 2 3
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইসলাম ও আধুনিকতা – মরিয়ম জামিলা
    Next Article আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া – ১
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }