Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইসলাম ও বিজ্ঞান – প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান

    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান এক পাতা গল্প52 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ইসলাম ও বিজ্ঞান – ২

    যদি পাশ্চাত্যের বিজ্ঞানীগণ মহান রবের প্রতি কৃতজ্ঞ হত এবং তার জ্ঞানের বিশালতা সম্পর্কে জানত তারা এতো অহমিকায় মত্ত হতনা। সে তার নাফরমানীর বদলে আল্লাহ তায়ালার কাছে আরও জ্ঞানের প্রার্থনা করত। আমরা যদি সকল জ্ঞান বিজ্ঞানকে একত্রিত করে হিসাব করা শুরু করি যে, পথিবীতে আজ পর্যন্ত যতো জ্ঞান এসেছে এগুলো কোথা থেকে এসেছে এগুলোর মালিক। কে? এ জ্ঞান কিভাবে কোথা থেকে আসল? এটাকে অনুসন্ধান করা একান্ত প্রয়োজন। আমরা একথা জানি যে, আজকের পৃথিবীতে যতো জ্ঞান রয়েছে। এগুলো মানুষ ক্রমে ক্রমে উন্নতি করেছে। আজকে আমরা শুধুমাত্র ৫০০০বছরের জ্ঞান বিজ্ঞান সম্পর্কে জানি। কিন্তু ৫ হাজার বছর পূর্বেও মানুষের অস্তিত্ব ছিলো ৫ হাজার বছর পূর্বে লেখা অবিকৃত হয়েছিল বলে ৫০০০ বছরের জ্ঞান বিজ্ঞানের ডকুমেন্ট আমাদের কাছে রয়েছে। কিন্তু লেখা আবিস্কৃত হওয়ার পূর্বে মানুষ কি জানত তাদের জ্ঞান কতটুকু ছিলো তা আমাদের হাতে নেই। এইজন্যে আমরা ৫০০০ বছর আগে ফিরে যাব এবং দেখব যে, এই ৫০০০ বছরে জ্ঞান বিজ্ঞান কিভাবে উন্নতি লাভ করেছে । আমরা যদি ধরে নেই যে, প্রথম মানুষ জ্ঞান বিজ্ঞান সম্পর্কে সম্পূর্ণ অজ্ঞ ছিলো। তাহলে মানুষ কিভাবে জ্ঞান ও বিজ্ঞানকে দিন দিন উন্নতির দিকে ধাবিত করেছে? ৫ হাজার বছর আগের একজন মানুষ যে-কিনা প্রস্তর যুগে বসবাস করত তার আবাস ছিলো পাহাড়ের গুহা। সে জানত না আগুন কি? আল্লাহ রব্বল আলামীন আস্তে আস্তে মানুষকে মেধা ও যোগ্যতা দান করেছেন এবং তার নিয়ামত দান করেছেন। মানুষ সকল সৃষ্টি থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক সৃষ্টি। অন্যান্য প্রাণী যেমন, বাঘ, সিংহ ও বানর এদেরকে আলাহ তায়ালা কিছু সক্ষমতা দিয়ে সৃষ্টি করেছেন কিন্তু মানুষের মতো তাদেরকে জ্ঞান বুদ্ধি দান করা হয়নি। উদাহরণস্বরূপ একজন মানুষ যখন একটি পশুকে ঘায়েল করতে চায় পশুটিকে কিভাবে ঘায়েল করতে হবে এটা সে জানে । কিন্তু পশু এই পদ্ধতিটি জানে না বা রপ্ত করতে পারে না। মহান আলাহ মানুষকে বুদ্ধি দান করেছেন, বিভিন্ন নিয়ামতে তার চলার পথ সহজ করে দিয়েছেন। তার নিয়ামতের কারণেই মানুষ বিভিন্ন পথের সন্ধান পেয়েছে নতুন নতুন উদ্ভাবনী শক্তি আবিষ্কার করছে। মানব সভ্যতার ইতিহাসে আগুন আবিষ্কারকে সবচেয়ে বড় আবিষ্কার হিসাবে ধরা হয়। যে সকল মানুষ আগুন আবিষ্কার করেছে তারা হয়ত আগ্নেয়গিরির লাভার উদগীরণ দেখে বিভিন্ন পাতা ও কাষ্ট খন্ডকে একত্রিত করে আগুন জ্বালাতে শিখেছে। কিন্তু প্রাচীনকালে মানুষ কিভাবে এটার সম্প্রসারণ ঘটিয়েছে সেটা আমরা জানি না। কিন্তু আমরা এটা ধারণা করতে পারি যে এই পদ্ধতিটি আস্তে আস্তে উন্নতি লাভ করেছে। এর পর অন্যান্য জ্ঞান গুলোও মানুষ আস্তে আস্তে রপ্ত করেছে। শিখে শিখেই মানুষ তার আজকের অবস্থানে পদার্পন করেছে। সর্ব প্রথম মানুষ এবং প্রথম যুগের মানুষের জ্ঞান সম্পর্কে বর্ণনা আমি করতে পারব কেননা, হযরত আদম আ.-এর জ্ঞান কতটুকু ছিলো সেটা আমরা জানি না। শুধু মাত্র প্রস্তর যুগের মানুষের জ্ঞান কতটুকু ছিলো সেটাই আমরা জানি। সবচেয়ে আশ্চার্যজনক ব্যাপার হলো ৫০০০ বছরের মানব সভ্যতার ইতিহাসে। আমাদের সময় পর্যন্ত মানুষের জ্ঞান কিভাবে মানুষ রপ্ত করতে পেরেছে? এর সবচেয়ে সহজ-সরল ব্যাখ্যা হলো মানুষের আজকের এই জ্ঞান বিভিন্ন তারিখ ও সালের সাথে রপ্ত করেছে এই ভাবে তারা আজকের জ্ঞান বিজ্ঞান পর্যন্ত আসতে পেরেছে। কিন্তু জ্ঞান বিজ্ঞানের ইতিহাস আমাদেরকে বলে ভিন্ন কথা, ইতিহাস থেকে আমরা শিখতে পারি যে, মানুষের জ্ঞান এইভাবে কোনো নিয়মিত প্রক্রিয়ায় (regular process) আসেনি। তাহলে কিভাবে উন্নতি লাভ করেছে? আমরা যখন অনুসন্ধান করি তখন দেখতে পাই যে প্রাথমিক দিকে মানুষ আস্তে আস্তে ক্রমধারায় (gradually) জ্ঞান লাভ করতে পেরেছে এই পদ্ধতিটি ছিলো একটি সময় পর্যন্ত কিন্তু এর পর এটা পর্যায়ক্রমে উন্নীত হয়েছে। তার পর এটা আবার মন্থর হয়ে পড়েছিল, কিন্তু জ্ঞান বিজ্ঞানের চরম উন্নতি ও অগ্রগতি হয়েছিল কোন সময়ে? জ্ঞান ও বিজ্ঞানের এই চরম উন্নতি ঘটেছিল মূলত ইসলামের সোনালী যুগ ৭ম শতাব্দীতে আর এই ধারা অব্যাহত ছিলো ১৪ থেকে ১৫ শতাব্দী পর্যন্ত । ইতিহাস স্বাক্ষী জ্ঞান বিজ্ঞান এইভাবে তার উন্নতির উচ্চ শিখরে পৌঁছেছিল । ৭ম শতাব্দী থেকে জ্ঞান বিজ্ঞানের এই বিপ্লব মূলত হয়েছিল মুসলিমদের হাতে কিন্তু পরবর্তীতে ইউরোপীয়ানরা মুসলিমদের কাছ থেকে ১৫শ শতাব্দী থেকে দখল করা শুরু করে। এটা শুরু হয় ইউরোপের রেনেসার মাধ্যমে এবং ক্রসেডের পর এটা পুরোপুরি তাদের হাতে চলে যায় এবং তারা এর উন্নতিতে ভূমিকা রাখতে শুরু করে । প্রকৃত পক্ষে ইসলামের সোনালী যুগ থেকে রেনেঁসা (৭-১৪) শতাব্দী পর্যন্ত ৭ শত বছর জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল শাখায় একচ্ছত্রভাবে মুসলিমদের বিচরণ ক্ষেত্র ছিলো। তারাই মূলত এই ৭শত বছর জ্ঞান বিজ্ঞানের লালন করত। গবেষণায় এটা প্রমাণিত যে, আজকে মানুষের কাছে যে জ্ঞান রয়েছে এর ৬০-৭০% ই এসেছে মুসলিমদের কাছ থেকে। মুসলিম মনিষীরাই জ্ঞানের উন্নতি অগ্রগতিতে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছিল। এটা দ্বারা কি বুঝায়? যারা আমাদের সাথে অহমিকা প্রদর্শন করে আমাদের মুসলিম জাতিকে হীন ও নীচু দৃষ্টিতে দেখে তারা জানে

    যে তাদের জ্ঞানের ৭০ ভাগেরও বেশি এসেছে মুসলিমদের কাছ থেকে।

    এমন অহমিকার মূল কারণ হলো জ্ঞান বিজ্ঞানের ইতিহাস সম্পর্কে অজ্ঞতা। সত্যিকার অর্থেই কি এমন? অর্থাৎ মুসলিম শাসনামলে জ্ঞান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে কি এতটাই উন্নতি হয়েছিল? আমি এই কথার ব্যাখ্যা বিশ্লেষণে যাওয়ার পূর্বে যে দুটি সময়ে জ্ঞান বিজ্ঞান উৎকর্ষ লাভ করেছিল সে সম্পর্কে তাৎপর্যপূর্ণ ৩টি বিষয় বলতে চাই। দেখুন ইসলামের সোনালী যুগে মুসলিমদের দ্বারা জ্ঞান বিজ্ঞানে যে। উৎকর্ষতা সাধিত হয়েছিল সে জ্ঞান মানব কল্যাণে কতটক ভূমিকা রেখেছিল। অপর পক্ষে ইউরোপীয় রেনেসার সময়ে মুসলিমদের কাছ থেকে যে জ্ঞান তারা আহরণ করেছিল সেটা কিভাবে হয়েছিল। যারা আমাদের বিরুদ্ধে কথা বলে তারা বলে থাকে যে, শুধুমাত্র পাশ্চাত্যেই জ্ঞান বিজ্ঞানের উৎকর্ষতা সাধিত হয়েছে। তোমরা এই সকল ব্যাপারে অজ্ঞতার অন্ধকারে রয়েছ। এই কথা বলেই তারা থেমে থাকেনি। পাশ্চাত্যে যারা ইসলাম বিদ্বেষী, ইসলামকে খাট করে প্রকাশ করা যাদের কাজ তারা মানুষের মাঝে ইসলাম সম্পর্কে ভুল ও ভ্রান্ত ধারণা দেওয়ার চেষ্টা করেছে এবং তারা কি বলে জানেন? পাশ্চাত্যবাদীরা তাদের কথাগুলোকে বারবার পুনরাবৃত্তি করে থাকে এই বলে “আপনারা জ্ঞান ও বিজ্ঞানের যতটুকু উৎকর্ষ সাধন করেছেন মুসলিমরা তা করতে পারেনি। তারা প্রাচীন গ্রীক, প্রাচীন ভারত ও প্রাচীন মিশরের জ্ঞানকে নেওয়ার পর সেখান থেকে কিছুটা শিক্ষা গ্রহণ করে এবং মৌলিক মানবীয় যোগ্যতার বলে সেখানে কিছু উন্নতি করার চেষ্টা করে কিন্তু পরবর্তীতে জ্ঞানের আসল ধারক বাহক ইউরোপীয়ানদের কাছে এটা সমর্পণ করে দেয়। তাদের এই প্রচার সম্পূর্ণ ভাবেই মিথ্যা। সত্যিকার অর্থে মুসলিমগণ প্রাচীন গ্রীক, ভারতীয় ও মিশরীয়দের কাছ থেকে জ্ঞান বিজ্ঞান নিয়েছিল অনেক পরীক্ষা নিরীক্ষার পর কিন্তু এই জ্ঞান নেওয়ার ক্ষেত্রে তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় ছিলো।

    ১. এই তথ্য উপাত্ত্ব কার কোন্ বই থেকে নেওয়া হয়েছে সেটা উল্লেখ করত এবং বলত যে, “(Batlamyus) বাতলামুইসের এই বইটি পড়েছি সেখান থেকে এই তথ্য পেয়েছি। আমরা অকলিড (Oklid) এর এই এই বই কয়টি থেকে একথা জানতে পেরেছি, আমরা পিথাগরাসোর এই বই থেকে এ পেয়েছি” এইভাবে সর্বদাই তথ্যসূত্র দেওয়া থাকত।

    ২. ইসলামী পন্ডিতগণ প্রাচীন সভ্যতার সাথে সম্পৃক্ত বইগুলোকে পড়ে সেখান থেকে তথ্য উপাত্ত নেওয়ার সময় মুখস্ত করার মাধ্যমে গ্রহণ করেন নাই তারা এটাকে সঠিকভাবে বিশ্লেষণ করার আগ পর্যন্ত গ্রহণ করেননি।

    ৩. ইসলামী পন্ডিতগণ যখন প্রাচীন গ্রীক, মিশরীয় ও ভারতীয়দের কাছ থেকে তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করছিল তখন তারা নিজেরাই জ্ঞান বিজ্ঞানে অন্যদের তুলনায় উচ্চে অবস্থান করছিল এবং গ্রীক, মিশর ও ভারতীয় জ্ঞান বিজ্ঞান ছিলো অনেক নিতে । তারা জ্ঞান বিজ্ঞানকে পরিপূর্ণ করার মানসে উন্নত অনুন্নত ভেদাভেদ না করে সকলের কাছ থেকেই জ্ঞান অর্জনে ব্রত ছিলো। এটার দ্বারা কি বুঝায়? এখন আমি আপনাদেরকে এই সম্পর্কে বলতে চাই। ৩য় স্তরে আমরা দেখতে পাই যে, মুসলিমগণ অন্যদের কাছ থেকে জ্ঞান আনয়নের ক্ষেত্রে সকলের জ্ঞানকেই গ্রহণ করেছেন। কিন্তু অপরপক্ষে ক্রুসেড ছড়িয়ে যাওয়ার পর ইউরোপীয়গণ যখন মুসলিমের সাথে উঠাবসা শুরু করে তখনই মূলত তারা। মুসলিমদের কাছ থেকে জ্ঞান লাভ করতে থাকে। কিন্তু এক্ষেত্রে তিনটি বিষয় বিশেষভাবে প্রনিধানযোগ্য। ক. ইউরোপীয়গণ এই তথ্য উপাত্ত জ্ঞান কোথা থেকে সংগ্রহ করেছে এর উৎস সম্পর্কে কখনো বলেনি। মুসলিমদের লেখা বইগুলো পড়েছে কিন্তু কার কোন পুস্তক থেকে তথ্য নেওয়া হয়েছে এটা উল্লেখ করেন নাই। অন্যান্য ইউরোপীয়গণ যখন এই সকল বই-পুস্তক পড়েছে তখন তারা ভেবেছে এগুলো ইউরোপীয়ান লেখকদের লেখা পুস্তক । এইভাবে তথ্য বিভ্রাট ছড়িয়ে পড়েছে পুরো ইউরোপ জুড়ে। আমাদের বই পুস্তকগুলোতেও আজ ইউরোপীয় বিজ্ঞানীদের তথ্য উপাত্তকেই পড়ানো হয়। আমরাও মনে করি যে, বিজ্ঞানে ব্যবহৃত সূত্রগুলো তারাই আবিষ্কার করেছে। কিন্তু বাস্তবিক অর্থে সত্য কথা হলো তারা এগুলো মুসলিমদের লেখা বই থেকেই পড়ে নিজেদের নামে চালিয়ে দিতো। সত্যিই কি তাই? আমি এগুলোকে প্রমাণ করার জন্য আপনাদের সামনে উদাহরণ পেশ করব। খ. ইউরোপীয়নরা মুসলিমদের কাছ থেকে জ্ঞান নেওয়ার সময় তারা এটাকে না বুঝেই গ্রহণ করেছিল । আজকের এতো উন্নত চোখ ধাধানো ইউরোপ কিভাবে এগুলো না বুঝে গ্রহণ করেছে? এটা হয় কিভাবে? হয়ত এই প্রশ্ন আপনারা আমাকে করবেন । আমি এখন আপনাদেরকে উদাহরণ দিব। আমরা দেখতে পাব তাদের না বুঝা বিষয়গুলো। গ, ইউরোপীয়গণ যখন এই জ্ঞান বিজ্ঞানগুলো মুসলিমদের কাছ থেকে গ্রহণ করেছিল তখন তাদের যোগ্যতা এই জ্ঞানগুলো গ্রহণ করার ক্ষেত্রে উপযুক্ত ছিলো না। অর্থাৎ ইউরোপীয়ানরা মুসলিমদের কাছ থেকে জ্ঞান আহরণের ক্ষেত্রে উপর থেকে নীচে এই নীতিতে জ্ঞান আহরণ করেছে। মুসলিমরা ছিলো উপরে আর ইউরোপীয়ানরা ছিলো নীচে। কোন দৃষ্টিকোণ থেকে মুসলিমরা উন্নত ছিলো? ইউরোপীয়ানরা যখন এই জ্ঞানগুলো নিচ্ছিলো তাদের ভাষা এই জ্ঞান গ্রহণ করার ক্ষেত্রে উপযুক্ত ছিলো না। মুসলিমদের কিতাবগুলো ও কিতাবের পূর্ণ অর্থ গ্রহণে সক্ষম ছিলো না ।

    ১৪ শতাব্দীতে তারা যে সকল সূত্র ও তথ্য উপাত্ত অনুবাদ করেছিল সেগুলো তারা ১৮ শতাব্দীতে এসে বুঝতে শুরু করেছিল। অর্থাৎ ৪ শতাব্দী পর তারা এটাকে অনুধাবন করতে শুরু করেছিল। কিছু কিছু জ্ঞান তার ৫ শতাব্দী পর তারা বুঝতে শুরু করেছিল । সম্মানিত ভাইয়েরা, সংক্ষিপ্তভাবে বলতে গেলে, মুসলিমগণ অন্যদের নিকট থেকে জ্ঞান আহরণের সময় এটা কার কাছ থেকে কিভাবে গ্রহণ করছে সেটার তথ্য সূত্রকে উল্লেখ করত। এই সকল জ্ঞান যেমন ছিলো সেভাবেই গ্রহণ করেছিল, ভুলগুলোকে সংশোধন করে গ্রহণ করেছিল, বিচার বিশ্লেষণের মাধ্যমে সেগুলোকে উপযোগী করে তুলেছিল। যে সকল জাতি থেকে জ্ঞান নিয়েছিল তাদের থেকে মুসলিমরা ছিলো অনেক উন্নত ও অগ্রগামী। কার কাছ থেকে কি এনেছিল সেটা উল্লেখ করেছিল। তারা এগুলোকে বুঝার জন্য শতাব্দীর পর শতাব্দী ব্যয় করেছিল। আমরা এখানে এগুলো কোনো প্রকার দ্বিধাদ্বন্দ ছাড়াই তুলে ধরতে পারছি। কিন্তু আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব হলো এগুলোকে ইসলামের শত্রু ও পাশ্চাত্যবাদীদের সামনে তুলে ধরে ইসলামের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করা। আমরা যে ব্যাপারগুলো নিয়ে কথা বল্লাম এর সত্যতা বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরার দায়িত্ব আমাদের। এই দৃষ্টি ভঙ্গির সাথে সম্পৃক্ত কিছু উদাহরণ আমি আপনাদের সামনে তুলে ধরতে চাই। আমি বলতে চাই যে, আজকে আমরা যেভাবে পাশ্চাত্যের জ্ঞান বলে অভিহিত করে থাকি, যেমন পদার্থ, রাসায়ন, গণিতশাস্ত্র, জ্যোতির্বিদ্যা, চিকিৎসাবিদ্যা, ইতিহাস, ভূগোল এমনকি আজকের জ্ঞান বিজ্ঞানের সকল কিছুই মুসলিমদের উদ্ভাবিত। মুসলিমরাই এগুলোর সূচনা করেছে। অবশ্যই ৩টি অনেক বড় একটি দাবি কিন্তু আমি এই দাবিকে প্রমাণ করার জন্যে উপস্থিত । দেখুন উদাহরণস্বরূপ আজকের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো চাদে এবং মহাকাশে যাওয়া। মহাকাশ ও চাঁদে যাওয়ার যে বিষয় সেটি জ্যোতিবিদ্যার সাথে সম্পৃক্ত একটি জ্ঞান এবং আমরা জানি যে, জ্যোর্তিবিদ্যার জ্ঞান মূলত উদ্ভাবিত হয়েছিল মুসলিমদের মাধ্যমে। যে মুসলিম এই জ্ঞানের জনক কে তিনি? আমি আপনাদেরকে এগুলো থেকে শুধুমাত্র কয়েকটি বিষয়ের আলোচনা করব । ইসলামের শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের মধ্যে অন্যতম হলেন আল বানী ইসমাইলি। তিনি হলেন অন্যতম শ্রেষ্ঠ একজন জ্যোতিবিজ্ঞানী। আল-বাত্তানী কে? আপনারা কি জানেন কে তিনি? হয়ত আমাদের মধ্যে কেউ কেউ জেনে থাকবেন । দু:খ জনক হলেও সত্য যে, আমরা আমাদের বিজ্ঞানীদের সম্পর্কে জানি না, আমাদেরকে আমাদের প্রেরণার উৎস মুসলিম বিজ্ঞান সম্পর্কে শেখানো হয় না। আমাদের মধ্যে হয়ত অনেকেই বাতলামাউস (Batlamyus) এর নাম জানেন। তাকে অনেকেই পতলেমে (Ptoleme) নামে চিনে। কেন? কেননা আমাদের বই পুস্তকে তাদের সম্পর্কে লেখা হয়, তাদেরকে নিয়ে আলোচনা করা হয় । কিন্তু আল-বাত্তানীর নাম পর্যন্ত উচ্চারণ করা হয় না। কেন? এর পেছনে মূল কারণ হলো আমাদের বই পুস্ত কগুলোর অধিকাংশই পাশ্চাত্যের বই পুস্তকগুলো থেকে অনুবাদ করা হয়েছে। তথাপি বাতলামাউস (Batlamyus) এর অবস্থান কোথায় আর আল-বাত্তানী কোথায়? বিজ্ঞানে এই ২জনের মধ্যে কার অবস্থান কত উপরে সেটা আপনাদের সামনে প্রকাশ করব। আল বাত্তানীর পূর্বে মিশরীয় বিজ্ঞানী বাতলামাউস (Batlamvus) মহাকাশে সূর্যের প্রদক্ষিণ সম্পর্কে একটি ধারণা পেশ করেছিলেন সেটা হলো মহাকাশে সূর্য তার নিজস্ব জায়গায় ফিরে আসতে ২৬০ দিন লাগে অর্থ বছরে ২৬০ দিন। কিন্তু আল বাত্তানী তার এই কথাকে ভুল প্রমাণ করে বলেন যে সূর্য তার একই অবস্থানে ফিরে আসতে ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৬ মিনিট ২২ সেকেন্ড লাগে । অর্থাৎ এক বছর মানে হল ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৬ মিনিট ২২ সেকেন্ড। এখন পাশ্চাত্য কি আমাদেরকে এটা বলতে পারবে যে, আল বাত্তানী এবং বাতলামাউস এর গবেষণার মাঝে খুব সামান্য পার্থক্য রয়েছে । আল-বাত্তানী যে হিসাব আমাদের সামনে পেশ করেছেন আজকের সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে যে হিসাব বের করা হয়েছে তার সাথে মাত্র ২ মিনিট ২৪ সেকেন্ড এর পার্থক্য রয়েছে। আল বাত্তানী এতো বছর পূর্বে আমাদের সামনে এতো নিখুত একটি হিসাব করে দেখিয়েছেন। আচ্ছা যে ব্যক্তি হিসাব করে দেখিয়েছেন যে ২৬০ দিনে এক বছর আর যিনি বলেছেন যে ৩৬৫ দিন ৫ ঘন্টা ৪৬ মিনিট ২২ সেকেন্ড ২জনের অবস্থান কি একই? আমরা এরকম পার্থক্য অন্যান্য ক্ষেত্রেও দেখতে পাই। কেন? কারণ হলো মুসলিমগণ জ্ঞান বিজ্ঞানে উৎকর্ষ সাধন করার পর (Batlamyus) বাতলামাউস এর মতো বিজ্ঞানেও ইতিহাসের পেছনে পড়ে থাকবেন। প্রাচীন মিশরীয়রা ভূমধ্যসাগরের দৈর্ঘ্য অর্থাৎ মেরসিন থেকে ইসকেনদেরীয়া এর দূরত্ব তারা মেপেছিল আজকের দূরত্ব থেকে ২০ ভাগের ১ ভাগ অর্থাৎ আনকারা থেকে কনিয়ার দূরত্ব ২৬০ কিলোমিটার কিন্তু তারা ভাবত যে ১৩ কিলোমিটার কিন্তু যখন মুসলিমরা ক্ষমতা পায় তখন তারা ভূমধ্য সাগরের সঠিক দৈর্ঘ্য বের করতে সক্ষম হয়। কিভাবে তারা পরিমাপ করেছিল? আব্বাসীয় খলিফা মামুন নির্দেশ প্রদান করেন যে,“ভূমধ্যসাগরের তীরে অবস্থিত মুসলিম জনগণের ভূমির তফসিলভূক্ত জরিপ ও সেখানে অবস্থিত মুসলিম জনগণের অধিকার নিরূপন করতে চাই। ভূমধ্য সাগরের তীরে অবস্থানরত মুসলিম জনগন ও তীরের দৈর্ঘ্য সঠিকভাবে নির্ণয় করে আমার কাছে নিয়ে আসবে”। এই কাজটি সঠিকভাবে সম্পন্ন করার জন্য তিনি একদল ভূগোল বিজ্ঞানীকে দায়িত্ব প্রদান করেন । মুসলিম বিজ্ঞানীগণ সেই সময়ের সকল প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে ভূমধ্য সাগরের প্রস্থ মাপার জন্য একটি পথ অনুসরণ করেন : তারা ভূমধ্য সাগরের তীরে গড়ে উঠা একটি শহর থেকে পরিমাপ করার কাজ শুরু করে। তারা উচু পাহাড়ের চূড়ায় উঠে সেই চূড়া থেকে যতটুকু দেখতে পারে ততটুকু পর্যন্ত তারা দেখে । এরপর তারা সাগরের উচ্চতায় পাহাড়ের চূড়ার উচ্চতাকে পরিমাপ করে । সূর্য ডোবার সময় পাহাড়ের চূড়া থেকে সেই সময়ের যন্ত্রপাতি দিয়ে এর মধ্যকার কোনকে পরিমাপ করে। যদি আরও সহজভাবে একটি উদাহরণ পেশ করি তাহলে যেমন ধরুন কনিয়াতে একটি পাহাড়ের চূড়ায় উঠলাম, দেখি কি কুলের ওখানে সূর্য অস্ত হচ্ছে। সূর্য সেখানে কত ডিগ্রী সেন্টিগ্রেডে ডুবছে সেটার একটা পরিমাপ করি । যে পাহাড়ের চূড়ায় উঠেছি তার উচ্চতা মেপে নেই । পাহাড়ের উচ্চতা মাপার পরও সূর্য কত ডিগ্রী কোনে ডুবলো সেটা জানার পর পাহাড় থেকে কুলের (একটি জায়গার নাম) দূরত্ব জেনে নেই। অর্থাৎ কুলে , থেকে কনিয়ার দূরত্ব হিসাব করছি । কিভাবে? হিসাব করি? শুধুমাত্র এটাকে হিসাব করার জন্য আজকে যে আমরা (sine) সাইন, (cosine)কোসাইন, (tangent)টেনজেন্ট ব্যবহার করি এই ত্রিকোনমিতির ধারণা আবিষ্কার করে হিসাব করা হলো। ত্রিকোনমিতির এই ধারণা সর্বপ্রথম খলিফা মামুনের সময়ে মুসলিম বিজ্ঞানীগণ আবিষ্কার করেন। তারা এই দূরত্ব হিসাব করার সময় বিপরীত কোনের সাইন (sine) ও কোসাইন (cosine) হিসাব করে এবং এই হিসাবের দ্বারা তারা দূরত্ব পরিমাপ করতে সক্ষম হয়। আমরা সাইন (sine) সম্পর্কে পরবর্তীতে আলোচনা করব । শুধুমাত্র ভূমধ্য সাগরের প্রস্থ কিভাবে মেপেছিল সে সম্পর্কে বলতে চাই। এখান থেকে যাওয়ার কুলুর পাহাড়ের চূড়ায় উঠার পর সেখান থেকে আনকারার দিকে তাকায়। এরপর দুই পাহাড়ের মাঝখানের দূরত্ব মেপে এইভাবে পাহাড়ের চূড়ায় উঠে উঠে শহরের মাঝখানের সকল দূরত্বকে মেপে মেপে ভূমধ্য সাগরের সম্পূর্ণ দৈর্ঘ্যকে পরিমাপ করে । প্রাচীন মিসরীয়রা ভূমধ্য সাগরের দৈর্ঘ্য আজকের দৈর্ঘ্য থেকে ২০ ভাগের ১ ভাগ ভাবত। কিন্তু মুসলিমরা সকল অসম্ভাবনাকে সম্ভব করে সত্যিকারের দূরত্ব মাপতে পেরেছিল। এখন আসি সাইন (sine) এর কথায়। যে সকল ভাইয়েরা তুলনামূলকভাবে আগে ত্রিকোনমিতি পড়েছেন তারা জানেন যে, আগে ত্রিকোনমিতি পড়ার সময় sine, cosine এ সকল শব্দের জায়গায় zeyp, শব্দ ব্যবহৃত হত । Zeyp শব্দটি একটি আরবি শব্দ। খলিফা মামুনের সময় সর্বপ্রথম মুসলিম বিজ্ঞানীগণ দূরত্ব পরিমাপ করার ক্ষেত্রে এই শব্দগুলোর ব্যবহার করেছিলেন। সে সময়ের মানুষগণ দৈর্ঘ্য পরিমাপ করার জন্য দৈর্ঘ্যকে জেপ (Zeyp) এর সাথে তুলনা করেছিলেন। এই জেপ (zeyp) আমাদের তারকিশ ভাষায় ব্যবহৃত জেপ (zeyp) জেপ (zeyp) নয় । হিসাব করার সময় বই পুস্তকে “zeyp down, zeyp above” এরকম অনেক হিসাব করা হতো। ক্রসেড এরপর ইউরোপীয়ানরা এই সকল বই পুস্তক পেতে শুরু করে এবং দেখে এরা ভূমধ্যসাগরের প্রস্থ অসাধারণ সঠিকভাবে পরিমাপ করেছে। গাণিতিক হিসাব গুলোতে zeyp এর মতো শব্দ থাকায় এ হিসাব তারা ধরতে ও বুঝতে পারেনি।

    এ হিসাবগুলোকে বুঝার জন্য অভিধানের সাহায্য নিয়েছে, আরবিতে জেপ (zeyp) শব্দের ল্যাটিন হলো সাইন (sine) তারা এই ল্যাটিন শব্দকে ব্যবহার করেছে। ইউরোপীয়ানরা এটাকে sine (সাইন) বলার কারণে আমরাও যেহেতু ইউরোপ থেকে সবকিছু আমদানি করছি, সেহেতু আমাদের উদ্ভাবিত শব্দকে তারা না বুঝার কারণে তারা তাদের বুঝার স্বার্থে যে শব্দ ব্যবহার করেছে আমরাও আমাদের পাঠ্য পুস্তকে তাদের অভিহিত করা নামে আমরাও পড়ছি ও পড়াচ্ছি। এই জন্যই sine, cosine এই শব্দগুলি ব্যবহার করছি। শুধু কি তাই এগুলো যারা পড়ছেন পড়াচ্ছেন তারা সবাই মুসলিম। সম্পদের আসল মালিক হলো মুসলিম, ইউরোপীয়ানরা আমাদের কাছ থেকে না বুঝে নিয়েছিল আমরাও বুঝে ইউরোপীয়ানদের নিকট থেকে আনছি। মুসলিমদের ইতিহাস এ রকম আবিষ্কারে পরিপূর্ণ। শুধু এগুলোই নয়, মুসলিমরা আজকের ভূগোলের যে পরিমাপ এটারও আবিষ্কারক। খলিফা মামুনের সময়ে হাররান এলাকা আমাদের তুরস্ক থেকে ইরাক এর বিভিন্ন শহর পর্যন্ত দূরত্বের পরিমাপ করেছিলেন। আজকে আমরা জানি যে, ভূমধ্যসাগরের কেন্দ্র থেকে এর দূরত্ব ১১১,০০০ কিলোমিটার। সেটা খলিফা মামুনের সময়েই মুসলিমরা পরিমাপ করেছিল। আর তারা যে পরিমাপ করেছিল সেটাও ছিলো ১১১,০০০ কিলোমিটার।

    এখানেই শেষ নয়, মুসলিমরা সাইনাস টেবিল (sinus table) ও আবিষ্কার করেছিল। এই sinus table (সাইনাস টেবিল) আজকে আমরা ব্যবহার করে থাকি। এমনকি এগুলো বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছিল । আর এগুলো ছাপা হয়েছিল ইংল্যান্ড, ফ্রান্স, জার্মানিসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে । আর আমরা খুবই হীনমন্যভাবে ধারণা করি যে, এ সকল পুস্তকের সকল হিসাব নিকাশ ও সূত্রাবলী ইউরোপীয়ানদের আবিষ্কার। অথচ সর্বপ্রথম ত্রিকোনমিতি টেবিল সর্বপ্রথম আবিষ্কার করেছিল মুসলিমগণ। গিয়াসউদ্দিন জামশেদ তিনি খোরাসানের বাসিন্দা ছিলেন। তিনিও হলেন একজন অন্যতম শ্রেষ্ঠ বিজ্ঞানী । তিনি তার গ্রন্থ রিসালাতুল-মুহিতিয়েতে সর্ব প্রথম (sinus) সাইনাস এর হিসাব নিয়ে বিশদ আলোচনা করেন। এখন চলুন পুনরায় আমরা পাশ্চাত্যের ইউরোপীয় মদদপুষ্টদের জিজ্ঞাসা করি, তোমরা যে বল মুসলিমরা গ্রীক ও মিশরীয়দের থেকে জ্ঞান বিজ্ঞান নিয়েছে। মিশরীয়দের মাঝে সাইনাস (sinus) এর ধারণা কোথায়? কোথায় তাদের মাঝে ত্রিকোনমিতির ধারণা? মিশরীয়দের মাঝে এসকল কিছুর বিন্দুমাত্রও ধারণা পাওয়া যায়না । কিন্তু দেখুন গিয়াসউদ্দিন জামশেদ কিভাবে (sinus) এর ধারণাকে বিশ্লেষণ করেছেন । D, 017452 404 437 238 371, তিনি সাইন এক ডিগ্রী এর ধারণাকে এমনভাবে তুলে ধরেছেন। যে, কমার পরে ১৬টি সংখ্যাকে তিনি সাইন (sin) এক ডিগ্রীশে গণনা করতে পেরেছেন। এই হিসাব যখন আজকে আমরা ইলেকট্রনিক ক্যালকুলেটরে করি তখন একই ফলাফল আমরা পেয়ে থাকি। গিয়াসউদ্দিন জামশেদ ত্রিকোনমিতির এই টেবিলকে/পরিমাপকে এ পদ্ধতিতে উদ্ভাবন করেছেন। কিভাবে তিনি এটা করেছেন? তারা কিভাবে একাজ এ হিসাব নিকাশগুলো করেছেন এই চিন্তা যখন করি তখন আমরা অবাক হয়ে যাই। আমরা যখন তাদের জ্ঞান গরিমার এই উপমা দেখতে পাই তখন তাদের প্রশংসায় পঞ্চমুখ হওয়া ছাড়া অন্য কোনো উপায়ন্তর দেখিনা। একইভাবে যদি আমরা ইউরোপীয়ানদেরকে যদি জিজ্ঞাসা করি যে, পাই () এর সংখ্যার ধারণার আবিষ্কারক কে? তারা নিশ্চিত করেই এটা বলবে যে এটা প্রাচীন গ্রীকদের আবিষ্কার। না, পাই (রা) এর সংখ্যার আবিষ্কারক ও এর সর্বপ্রথম ধারণা দান। করেন মুসলিমগণ। আর গিয়াসউদ্দিন জামশেদ এর রচিত বই রিসালাতুল মুহিতিয়া থেকে এর সম্পর্কে আপনাদের জানাতে চাই। গিয়াসউদ্দিন জামশেদ পাই (L) এর মান হিসাবে এই সংখ্যাগুলো উদ্ভাবন করেন: 3.141592635589743। অর্থাৎ পাই () এর মান কমার পরে ১৫টি সংখ্যার মাধ্যমে সঠিকভাবে আবিষ্কার করেছেন। আজকে আমরা যখন ইলেকট্রনিক ক্যালকুলেটর দিয়ে হিসাব করি আমরা এই সংখ্যার কোনো ব্যতিক্রম পাই না। কেননা ইসলামের সোনালী যুগে সকল জ্ঞান বিজ্ঞান মুসলিমদের হাতে উন্নতি লাভ করে এবং জ্ঞানের সত্যিকারের প্রসারণ শুরু হয়। মুসলিমরা শুধুমাত্র জ্যোতির্বিদ্যা ও ত্রিকোনমিতিই আবিষ্কার করেনি। আজকের বীজগণিতের আবিষ্কারক হলেন মুসলিমগণ। আজকে আমাদের সামনে যে গণিত শাস্ত্র রয়েছে এর মূলনীতির উদ্ভাবক হলেন মুসলিম গণিত বিশারদগণ । দেখুন যারা আমাদের পাশে এসে গর্ব অহংকার করে বলে যে, আমরা চাঁদে যাই আমরা মহাকাশ পরিভ্রমন করি। তাদেরকে যদি প্রশ্ন করি আপনারা হিসাব

    কিভাবে করেন? এই প্রশ্ন করার পর যে কিছু সংখ্যা লিখবে। আমরা যেরূপ জানি ১,২,৩,…৯ এরকম সংখ্যাগুলোই সে লিখবে । কিন্তু এ সংখ্যাগুলোর ও আবিষ্কারক মুসলিমগণ, সংখ্যাগুলোর আকৃতি মুসলিমদের দেওয়া। ইউরোপীয়ানরা এই সংখ্যাগুলোর যে আকৃতি ব্যবহার করে সে আকৃতি ইউরোপ আমেরিকাতে অবস্থানরত মুসলিমদের ব্যবহৃত সংখ্যাগুলোর ন্যয়। আরও যদি সামনের দিকে যাই তাহলেও দেখতে পাই যে, যে মানুষগুলো আমাদেরকে তাদের চোখে নীচু ও হীন দেখতে অভ্যস্ত তাদের হিসাবের পদ্ধতির ও আবিষ্কারক মুসলিমগণ । এটা কিভাবে হয়েছিল? লক্ষ্য করুন পাশ্চাত্যের পন্ডিতগণ বলে থাকে যে মুসলিমগণ প্রাচীন গ্রীক ভারতীয় ও মিশরীয়দের কাছ থেকে জ্ঞান বিজ্ঞান গ্রহণ করেন। এটা কেমন জ্ঞান আহরণ গ্রীকদের সংখ্যার ধারণায় ৬০ এর অধিক কোনো সংখ্যা ছিলো না।

    তাদের ভাষার যতগুলো হরফ ছিলো ততগুলোই ছিলো তাদের সংখ্যা অর্থাৎ হরফ শেষ হলে সংখ্যাও শেষ হতো। এরপর যখন মুসলিমদের হাতে জ্ঞান বিজ্ঞানের উৎকর্ষ সাধিত শুরু হয় তখন মুসলিমরা বলেন যে, আমাদের বিশাল বৈজ্ঞানিক গবেষণায় আপনাদের সংখ্যার সীমাবদ্ধতা যথেষ্ট নয়। অর্থাৎ আমরা নতুন সংখ্যা আবিষ্কার করব । কি আবিষ্কার করবেন? উত্তর হিসাবে বলেছিলেন যে, এমন একটি সংখ্যা আবিষ্কার করব যে সংখ্যা দিয়ে যতো বড় ইচ্ছা ততো বড় গাণিতিক সংখ্যার সমাধান করা হবে। উদাহরণ স্বরূপ এক সংখ্যাটি লিখলাম । এটাকে যদি (১) এই গঠনে গঠন করি এবং এরপর যদি দুটি শূন্য (০০) বসাই তাহলে এটি হতে শতক তিনটি শূন্য বসালে হবে (১০০০) হাজারে এভাবে যতো ইচ্ছা শূণ্য বসানো সম্ভব। এ সকল সংখ্যার মাধ্যমে যতো ইচ্ছা গাণিতিক সংখ্যা লেখা সম্ভব । শুধু এখানেই শেষ নয়। এই সংখ্যা আবিষ্কার করার পর আজকের গুণ, ভাগ, যোগ, বিয়োগ এর পদ্ধতিও আবিষ্কার করে মুসলিমরা। প্রাচীন গ্রীক ও মিশরীয়রা কিন্তু গুণ, ভাগ, যোগ, বিয়োগ এই পদ্ধতি সম্পর্কে অবগত ছিলো না। কেননা তাদের সংখ্যার পদ্ধতি এই পদ্ধতির জন্য উপযোগী ছিলো না। তারা যোগ বিয়োগ করার জন্য বিভিন্ন কাঠিকে ব্যবহার করত। মুসলিমগণ এগুলোকে বিশ্লেষণ করে দেখলেন যে এগুলো গণিতের জন্য উপযোগী নয়। তখন তা তারা নতুন সংখ্যার উদ্ভাবন। করে এই পদ্ধতিকে চালু করে। দশক সংখ্যার এই পদ্ধতির আবিষ্কার নি:সন্দেহে মানব জাতির জন্য একটি অনেক বড় খেদমত। মুসলিমরা যদি শুধুমাত্র বলে যে, তোমরা আমাদের উদ্ভাবিত সকল কিছুই ব্যবহার করতে পার শুধু আমাদের উদ্ভাবিত সংখ্যা ব্যবহার করবে না’একথা যদি বলা হয় তাহলে ইউরোপীয়ানরা তাদের উদ্ভাবন আর ধরে রাখতে পারবে না ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleইসলাম ও আধুনিকতা – মরিয়ম জামিলা
    Next Article আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া – ১
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অসম্পূর্ণ বই
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026
    Our Picks

    রুদ্রসমগ্র – রুদ্র মুহম্মদ শহিদুল্লাহ

    January 8, 2026

    রান্না খাদ্য পুষ্টি – সিদ্দিকা কবীর

    January 8, 2026

    শহর খুলনার আদি পর্ব – আবুল কালাম সামসুদ্দিন

    January 8, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }