Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইসলাম বিতর্ক – এম. এ. খান

    এম. এ. খান এক পাতা গল্প160 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০২. পাকিস্তানের তালেবানীকরণ: আদিপিতাদের স্বপ্ন পূরণ

    অধ্যায়- ২
    পাকিস্তানের তালেবানীকরণ: আদিপিতাদের স্বপ্ন পূরণ
    লেখক: এম,এ খান

    সমগ্র পাকিস্তানের তালেবানীকরণ যখন অব্যাহতভাবে চলছে তখন দেখা যাচ্ছে যে, তথাকথিত প্রগতিশীল মুসলিম বুদ্ধিজীবীরা তারস্বরে বলে চলেছেন কীভাবে তালেবানরা আল্লামা মুহাম্মদ ইকবাল এবং মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ্ মত পাকিস্তানের আদিপিতাদের সেক্যুলার বা ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার স্বপ্নকে চূরমার করছে। তাদের কথা শুনে মনে হয় যেন এই আদিপিতারা সত্যিই একটা পূর্ণাঙ্গ ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্রের স্বপ্ন দেখতেন।

    দৃষ্টান্ত স্বরূপ বলা যায় নিজেদের সুবিধামত এখান সেখান থেকে বিচ্ছিন্নভাবে উদ্ধৃতি দিতে পারদর্শী বুদ্ধিজীবীরা প্রকৃত ধর্ম নিরপেক্ষ পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার জন্য জিন্নাহ্ স্বপ্ন কেমন ছিল সেটা দেখাবার জন্য জিন্নাহ্র এই কথাটা অবশ্যই উদ্ধৃত করবে, “সময়ের পরিক্রমায় আপনারা দেখতে পাবেন, রাষ্ট্রের রাজনৈতিক অর্থে নাগরিক হিসাবে হিন্দুরা হিন্দু থাকবে না এবং মুসলমানরা মুসলমান থাকবে না; আমি কথাটা ধর্মীয় অর্থে বলছি না, কারণ সেটা প্রত্যেক ব্যক্তির ব্যক্তিগত বিশ্বাসের ব্যাপার।”

    পাকিস্তান যে দ্রুত তালেবানীকরণের (বিশ্বজনীনভাবে ক্রমপ্রসারমান প্রবণতা) দিকে ধাবিত হয়ে মধ্যযুগীয় বর্বরতার মধ্যে প্রবেশ করছে, তাদের সেই আশঙ্কার প্রতি যথেষ্ট শ্রদ্ধা রেখেই বলছি যে, এই সব তথাকথিত প্রগতিশীল উদারনৈতিক বুদ্ধিজীবী আসলে হয় অর্ধশিক্ষিত, নয় ডাহা মিথ্যাবাদী। এবং এদের পক্ষে কোন ক্রমেই অজ্ঞতা পূজারী ইসলামপন্থীদের বিরুদ্ধে কোন কার্যকর লড়াই গড়ে তোলা সম্ভব নয়। এই রকম লোকেরা যখন একটা জাতির প্রগতিশীল বুদ্ধিবৃত্তির কাণ্ডারী হয় তখন সেই জাতির পরিণতি কী হতে পারে পাকিস্তানের পিছন দিকে যাত্রা দেখেই সেটা চমৎকারভাবে বুঝা যায়।

    বিশ্ব জুড়ে মুসলিম সমাজগুলি যখন সহিংস এবং অতীত বর্বরতায় প্রত্যাবর্তনকামী ইসলামপন্থীদের দিক থেকে মারাত্মক বিপদের সম্মুখীন হয়েছে তখন আমরা যদি এই ভয়ানক বিপদ থেকে আসলেই উদ্ধার পেতে চাই তবে আমাদের দরকার হচ্ছে এমন একদল বুদ্ধিজীবীর যারা হবেন ইসলাম সম্পর্কে পরিপূর্ণভাবে ওয়াকিবহাল এবং নির্মম সত্য ভাষণে হবেন দ্বিধাহীন। অসততা এবং মিথ্যা দিয়ে যেমন কোন মহৎ উদ্দেশ্য সাধিত হয় না তেমন অজ্ঞতাও কোন কাজে লাগে না। আমরা হয়ত তালেবানদের আদর্শ থেকে শিক্ষা নিতে পারি, যেই আদর্শ বা কর্মসূচী সম্পূর্ণরূপে কোরআন এবং সুন্নাহ (নবীর ঐতিহ্য)­-এর উপর প্রতিষ্ঠিত। এবং তারা এই ব্যাপারে দৃঢ়ভাবে সৎ এবং দ্বিধাহীন। তালেবানরা যেই মানুষদেরকে তাদের আদর্শে দীক্ষিত করতে চাচ্ছে তাদের ক্ষেত্রে তালেবানদের সাফল্য নজর কাড়ার মত।

    ইতিপূর্বে জিন্নাহর তথাকথিত ধর্ম নিরপেক্ষতা সংক্রান্ত উক্তি যেটা উদ্ধৃত করেছিলাম সেটা ১৯৪৭ সালের ১১ আগস্ট যখন পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার বিষয়টি চূড়ান্ত হয় এবং জিন্নাহ স্বাধীন পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন তার তখনকার একটি বক্তৃতা থেকে নেওয়া। এটা স্পষ্টতই আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোতুষ্টির জন্য প্রদান করা হয়েছিল। কারণ তখন তাদের স্বীকৃতি, সমর্থন এবং সাহায্য পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল। উক্ত কথার পরিবর্তে বরং জিন্নাহর ধর্মনিরপেক্ষতাকে দেখতে হবে পাকিস্তান সৃষ্টির আন্দোলন পরিচালনা কালে তিনি যেসব বিবৃতি দিয়েছিলেন এবং কর্মকাণ্ড করেছিলেন তার প্রেক্ষিতে।

    পাকিস্তান রাষ্ট্রের আকাঙ্ক্ষিত রাজনৈতিক শাসন ব্যবস্থা সম্পর্কে কী চিন্তা ছিল সেটা বুঝার সুবিধার জন্য জিন্নাহর বিজ্ঞ পরামর্শদাতা মুহাম্মদ ইকবালের একটা বক্তৃতার কথা উল্লেখ করা যায়। উক্ত বক্তৃতাটি ইকবাল ১৯৩০ সালে এলাহাবাদে সর্বভারতীয় মুসলিম লীগের সভায় সভাপতির ভাষণে প্রদান করেছিলেন, যার ভিতর ছিল পাকিস্তান আন্দোলনের সারবস্তু। ধর্ম নিরপেক্ষ গণতন্ত্রের সঙ্গে ইসলামী আদর্শের অসঙ্গতিকে এই বক্তৃতায় তুলে ধরা হয়েছে। ইকবালের ভয় ছিল যে, অখণ্ড ধর্ম নিরপেক্ষ ভারতে রাষ্ট্র ক্ষমতা থেকে বিচ্যুত হয়ে ইসলাম ব্যক্তিগত বিশ্বাসে পরিণত হবে ­ ধর্ম নিরপেক্ষ পাশ্চাত্যে যে জঘন্য ব্যাপারটা হয়েছে। তিনি বলেন,

    “ধর্ম যে ব্যক্তিগত বিশ্বাসের ব্যাপার এ কথাটা কেবল ইউরোপীয়দের মুখেই শোভা পায়।… কোরআনে ব্যক্ত নবীর ধর্মীয় অভিজ্ঞতার প্রকৃতি এ থেকে সম্পূর্ণরূপেই ভিন্ন।”

    সুতরাং তিনি ভারতে মুসলিম সমাজ যে সমস্যাকে মোকাবিলা করছিল সেই সমস্যাকে ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বলেন,

    “সুতরাং ইসলাম যে সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করেছে তার সঙ্গে তার ধর্মীয় আদর্শ জীবন্তভাবে সংযুক্ত। একটির অস্বীকৃতি পরিণামে আর একটির অস্বীকৃতিতে পরিণত হবে। সুতরাং ঐক্যবদ্ধ ধর্ম নিরপেক্ষ ভারত ভিত্তিক জাতিগত ধারায় রাষ্ট্র গঠনের অর্থ যদি হয় ইসলামী সংহতি থেকে বিচ্যুতি তবে সেটা একজন মুসলমানের নিকট হবে সম্পূর্ণরূপে অচিন্তনীয়। এটা এমন একটি বিষয় যেটা বর্তমান ভারতের মুসলমানদেরকে ভাবিয়ে তুলেছে।”

    এরপর ইকবাল তার বক্তব্যের জের টেনে “দ্বিজাতিতত্ত্ব”উপস্থাপন করেন।

    “আমি পাঞ্জাব, উত্তর-পশ্চিম সীমাìত প্রদেশ, সিন্ধু এবং বালুচিস্তান সমন্বয়ে গঠিত একটি একক রাষ্ট্র দেখতে চাই।”

    ইকবাল তার মৃত্যু (১৯৩৮) পর্যìত একটি পৃথক মুসলিম ভূমির জন্য এই প্রচারাভিযানকে জোরদার করেন। এবং এটাকে জিন্নাহর হাতে অর্পণ করেন। অগণিত মানুষের অপরিমেয় ক্ষয়ক্ষতি ও রক্তপাতের বিনিময়ে ১৯৪৭-এ পাকিস্তান সৃষ্টির মাধ্যমে আল্লামা ইকবালের আরব্ধ কাজকে সম্পূর্ণতা দান করলেন জিন্নাহ।

    অধিকন্তু “পাকিস্তান”শব্দের অর্থ হলো “পবিত্র ভূমি”। ইসলামে অমুসলমানরা হচ্ছে নোংরা, অপবিত্র (কোরআন ৯:২৮)। সুতরাং নোংরা, অপবিত্র অমুসলমানদের থেকে সম্পূর্ণরূপে বিচ্ছিন্নকৃত পবিত্র জনগোষ্ঠী হিসাবে কেবলমাত্র মুসলমানদের বাসভূমি হিসাবে প্রতিষ্ঠার জন্য সতর্কভাবে “পাকিস্তান”নামটি বেছে নেওয়া হল। আর এই বিশুদ্ধ ও জীবìতভাবে ইসলামী রাষ্ট্র সৃষ্টির জন্য “জিহাদ”অথবা “পবিত্র যুদ্ধ”হল জিন্নাহর হাতিয়ার। জিহাদের মধ্য দিয়ে বিধর্মীদেরকে পাইকারীভাবে হত্যা, বহিষ্কার, দাসত্বে নিক্ষেপ এবং জবরদস্তিমূলক ধর্মাìতরকরণ দ্বারা নবী মুহাম্মদ আরবে প্রথম ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার যে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন, সেই দৃষ্টাìতকেই জিন্নাহ অনুসরণ করার চেষ্টা করলেন।

    ১৯৪৬ সালের ১৬ই আগস্ট কলকাতায় ডাইরেক্ট এ্যাকশন র্যা লীর মাধ্যমে পাকিস্তান রাষ্ট্র সৃষ্টির জন্য জিন্নাহর প্রচারাভিযানের যে সূত্রপাত হয় সেটি ছিল “জিহাদ”। যে দিনটিকে বেছে নেওয়া হয়েছিল সেই দিনটি ছিল রমযানের ১৮ তারিখ; এই দিনটিতে যুগান্তকারী বদর যুদ্ধে নবীর বিস্ময়কর বিজয় অর্জিত হয়। জিন্নাহর মুসলিম লীগের যে গোপন প্রচারপত্র মুসলমানদের মধ্যে বিলি করা হয় (মসজিদে ধর্মোপদেশের সময়েও পাঠ করা হয়) সেই প্রচারপত্রে বলা হয়,

    “মুসলমানদেরকে অবশ্যই মনে রাখতে হবে যে, রমযান হচ্ছে সেই মাস যে মাসে কোরআন অবতীর্ণ হয়। রমযান হচ্ছে সেই মাস, যে মাসে জিহাদের অনুমোদন দেওয়া হয়। রমযান হচ্ছে সেই মাস, যে মাসে বদর যুদ্ধ সংগঠিত হয়, যেটা ছিল ইসলাম এবং ধর্মহীনতা (অর্থাৎ পৌত্তলিকতা, যা দিয়ে এখানে হিন্দু ধর্মকে বুঝানো হচ্ছে)-এর মধ্যে প্রথম প্রকাশ্য যুদ্ধ, যে যুদ্ধে ৩১৩ জনের মুসলিম বাহিনী জয় লাভ করে; আবার এই রমযান মাসেই পবিত্র নবী ১০,০০০ লোকের বাহিনী নিয়ে মক্কা জয় করেন এবং আরবে পরম সুখের রাজ্য এবং ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেন। মুসলিম লীগ ভাগ্যবান যে, এই পবিত্র মাসে তারা তাদের সংগ্রাম শুরু করছে।

    “আল্লাহর কৃপায় ভারতে আমরা দশ কোটি। কিন্তু দুর্ভাগ্যক্রমে আমরা হিন্দু এবং বৃটিশদের গোলামে পরিণত হয়েছি। আমরা এই পবিত্র মাসে আল্লাহর নামে জিহাদ শুরু করছি। প্রার্থনা করুন, আল্লাহ তুমি আমাদের শরীর ও মনে বলবান করো, আমাদের সকল প্রচেষ্টায় তুমি সাহায্য করো, কাফিরদের (কাফির অর্থাৎ আল্লাহর শত্রু যেমন, হিন্দুরা) উপর আমাদের জয়যুক্ত করো। আল্লাহর কৃপায় আমরা যেন ভারতে বিশ্বের সর্বশ্রেষ্ঠ ইসলামী রাজ্য গড়ে তুলতে পারি।”

    তখন মুসলিম লীগ সরকার ছিল বাংলার ক্ষমতায়। তার নির্দেশে পুলিশের প্রশ্রয়ে কলকাতায় ডাইরেক্ট এ্যাকশনের মাধ্যমে সূচিত জিহাদ দ্বারা মুসলমানরা হিন্দু এবং শিখদের উপর নির্মম হত্যাযজ্ঞ, ধংস, লুণ্ঠন, ধর্ষণ ও অগ্নিসংযোগ চালায়। দেড় দিনের ভয়ঙ্কর বর্বরতার শিকার হবার পর হিন্দু এবং শিখরা পাল্টা আঘাত হানে এবং মুসলমান দাঙ্গাকারীদেরকে সংখ্যা শক্তি দ্বারা পরাভূত ক’রে একইভাবে প্রতিশোধ নেয়। পাঁচ দিনের অব্যাহত সহিংসতা পাঁচ হাজার জীবনকে কেড়ে নেয় এবং যে কলকাতায় মুসলমানরা ছিল মোট জনসংখ্যার এক তৃতীয়াংশ সেখানে মুসলিম হতাহতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৩%।

    যে অঞ্চলগুলি পরে পাকিস্তানে পরিণত হয় ভারতের মুসলিম প্রধান সেই সব অঞ্চলে ডাইরেক্ট এ্যাকশনের পরবর্তী মাসগুলিতে প্রায়শ অনেক বেশী ভয়াবহতা এবং হিংস্রতা নিয়ে দাঙ্গা (ব্যতিক্রম হচ্ছে হিন্দু প্রধান বিহারের দাঙ্গা যা কলকাতা এবং নোয়াখালীর দাঙ্গার পর ঘটে)  ছড়িয়ে পড়ে। এইসব দাঙ্গার উদ্দেশ্য ছিল ঐ এলাকাগুলি থেকে হিন্দু, শিখ এবং অন্য অমুসলিমদেরকে উচ্ছেদ করা। সেটা গণহত্যা দিয়ে হোক, বহিষ্কারকরণ দিয়ে হোক, জবরদস্তিভাবে ধর্মাìতরকরণ দিয়ে হোক এবং এমন কি অপহরণের মাধ্যমে দাসত্ববন্ধনে আবদ্ধ করেই হোক। নোয়াখালী দাঙ্গায় (অক্টোবর, ১৯৪৬) হিসাবকৃত চার লক্ষ হিন্দুর মধ্যে ৯৫ শতাংশকে মৃত্যুর ভয় দেখিয়ে ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করা হয়।

    যখন মুসলমানরা এক অঞ্চলে অথবা অন্যত্র বিধর্মীদের বিরুদ্ধে হত্যাযজ্ঞ পরিচালনা করে চলেছিল এবং যখন হিন্দু এবং শিখরা দেখলো যে পাকিস্তান প্রতিষ্ঠা অনিবার্য হয়েছে তখন তারা ১৯৪৭ সালের আগস্টের প্রথম দিকে পাল্টা আক্রমণ করতে শুরু করে, যেটা ছিল বর্তমান পাকিস্তানভুক্ত অঞ্চলে তাদের সমধর্মাবলম্বীদের উপর অব্যাহত এবং সাম্প্রতিক সময়ে বর্ধিত সহিংসতার বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া।

    জিন্নাহ যে জিহাদের আগুন প্রজ্বলিত করলেন তা তার লক্ষ্য অর্জনে সফল হল। সেটা হল পাকিস্তান সৃষ্টি। যার জন্য মূল্য দিতে হল উভয় পক্ষে প্রায় ২০ লক্ষ পর্যìত জীবনকে। উভয় পক্ষের প্রাণহানির পরিমাণ প্রায় সমান। কয়েক মিলিয়ন হিন্দু এবং শিখকে বলপূর্বক ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করা হল, কয়েক লক্ষ হিন্দু এবং শিখ নারীকে ধর্ষণ করা হল এবং সমসংখ্যক নারীদেরকে মুসলিম গুণ্ডারা অপহরণ এবং বলপূর্বক বিবাহ করল।

    প্রায় দুই কোটি মানুষ বাড়ীঘর এবং সহায়-সম্পত্তি ত্যাগ করে সীমান্ত অতিক্রম করতে বাধ্য হল। কিন্তু নোংরা ও অপবিত্র বিশ্বাসহীনদের থেকে মুক্ত এবং মুসলমানদের জন্য একটি পবিত্র ভূমি সৃষ্টির উদ্দেশ্যে পরিচালিত জিন্নাহর অভিযান বিরাটভাবে সফল হলেও অমুসলিমদেরকে নিশ্চিহ্ন করার কাজটা তখনও কিছু সংখ্যক নাছোড়বান্দা হিন্দু এবং শিখের জন্য অসম্পূর্ণ থেকে গেল। এই নাছোড়বান্দারা না ছাড়তে চায় তাদের বাপ-দাদার ভিটা, না ছাড়তে চায় তাদের ধর্ম। তবে আগে হোক পরে হোক পাকিস্তানকে বিশুদ্ধ করার কাজটা চলতে থাকল এবং প্রায় সম্পূর্ণ হল। বর্তমান পাকিস্তানে ১৯৪৭ সালে হিন্দু জনসংখ্যা যেখানে ছিল ১০ শতাংশ সেটা এখন সেখানে এক শতাংশেরও নীচে নেমে গেছে। ১৯৪৭ সালের পর প্রায় এক কোটি দশ লক্ষ হিন্দু শুধু বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত হল। এখানে হিন্দু জনসংখ্যা ২৫-৩০ শতাংশ থেকে বর্তমানে প্রায় ১০ শতাংশে নেমে এসেছে।

    যে তালেবানরা গোটা পাকিস্তানকে দ্রুত গতিতে গ্রাস করছে স্পষ্টতই তারা ইকবাল এবং জিন্নাহর স্বপ্ন পূরণে অগ্রসর হচ্ছে, যে স্বপ্ন ছিল পাকিস্তানকে মুসলমানদের জন্য পবিত্র ভূমিতে পরিণত করা, যেখানে ইসলামী আইন হবে রাষ্ট্রের মৌল ভিত্তি।

    ইসলামের প্রতি জিন্নাহর আনুগত্যের অভাব সম্পর্কে অনেক কথা বলা হয় : যেমন, তিনি ধর্ম নিরপেক্ষ ছিলেন, তিনি সামান্যই মুসলমান ছিলেন, যিনি শুকরের মাংস এবং মদ্য পান পছন্দ করতেন, ইত্যাদি। এটা সত্য হতে পারে। তিনি এমনকি সত্যিকার অর্থেই একটি ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র চেয়ে থাকতে পারেন, কিন্তু সেটা কেবলমাত্র তার মনের ভিতরেই ছিল। তার মুসলিম লীগ পার্টি দ্বারা পরিচালিত সাধারণ মুসলমানরা, যারা তার আদর্শকে বাস্তবায়নের জন্য চরম বর্বরতা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, তারা অতশত বুঝত না। তারা সেটুকুই শুধু বুঝত যেটুকু ইকবাল এবং জিন্নাহ স্পষ্টভাবে এবং জোরালোভাবে তাদেরকে বুঝাতেন। কোন ধর্ম নিরপেক্ষ রাষ্ট্র সৃষ্টির জন্য “জিহাদ”পরিচালিত হয় না। দুইজন ভণ্ড মুসলমানের মনের ভিতরে কী ছিল না ছিল তা গুরুত্বহীন। যেই সাধারণ মুসলমানরা এই আদর্শকে এগিয়ে নিয়েছিল তাদেরকে কী বলা হয়েছিল এবং তাদের সামনে কোন আকাঙ্ক্ষা তুলে ধরা হয়েছিল কেবলমাত্র সেটাকেই হিসাবে নিতে হবে।জিন্নাহ থেকে শুরু করে পাকিস্তানের সকল শাসক একটি প্রকৃত ইসলামী রাষ্ট্র লাভের পাওনা থেকে পাকিস্তানীদেরকে বঞ্চিত রেখে তাদেরকে দীর্ঘকাল বোকা বানিয়েছিলেন। তালেবানদেরকে ধন্যবাদ যে তারা পাকিস্তানীদের “স্বপ্ন রাষ্ট্র”প্রতিষ্ঠার প্রায় দ্বারপ্রান্তে উপস্থিত হয়েছে, যে রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য তারা কঠোর সংগ্রাম এবং বিপুলভাবে আত্মদান করেছিল। এই প্রসঙ্গে জামায়াতে ইসলাম পাকিস্তান-এর চির-অকপট নেতা কাজী হোসেইন আহমদ-এর কথা সবচেয়ে শিক্ষণীয়,

    “বিপুলভাবে সংখ্যাগরিষ্ঠ পাকিস্তানীদের দীর্ঘকালের প্রাণের দাবী হচ্ছে পাকিস্তানের সম্পূর্ণরূপে ইসলামীকরণ। শুধু তাই নয়, তালেবানীকরণের ঘনায়মান বিপদকে মোকাবিলা করারও এটাই যথাযথ উপায়। রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে জনগণের প্রাণের এই দাবীকে অবদমিত করার প্রতিক্রিয়া হিসাবে এই বিপদের আশঙ্কা দিন দিন বেড়েই চলেছে।”

    বব মার্লের গানের কলির মতো করে বললে, “ . . .তুমি সব সময় সব মানুষকে বোকা বানাতে পারবে না”।

    (নিবন্ধটি M. A. Khan-Gk Talibanization of Pakistan: Realizing the Dreams of Founding Fathers-এর বাংলায় ভাষান্তর। লেখক এমএ খান Islam Watch (www.islam-watch.org)-এর সম্পাদক এবং Islamic Jihad: A Ligacy of Forced Conversion, Imperialism, and Slavery-এর লেখক। নিবন্ধটি লেখকের অনুমতিক্রমে ভাষান্তরিত এবং বঙ্গরাষ্ট্রে প্রকাশিত। ইতিপূর্বে এটির মূল ইংরাজী লেখা  Islam Watch-এ প্রকাশিত হয়।)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকোলকাতা কেন্দ্রিক বুদ্ধিজীবী – এম আর আখতার মুকুল
    Next Article দিমেন্তিয়া – এম. জে. বাবু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }