Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইসলাম বিতর্ক – এম. এ. খান

    এম. এ. খান এক পাতা গল্প160 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ০৪. মুসলিম মানসের যৌন বিকৃতি

    অধ্যায়- ৪
    মুসলিম মানসের যৌন বিকৃতি
    লেখক: এম,এ খান

    মুসলমান পুরুষের যৌন দৃষ্টিভঙ্গি এতটাই বিকৃত যে, তারা মনে করে যে এমনকী শুধু চোখের দৃষ্টি দিয়েও তারা নারীকে ধর্ষণ করতে পারে। এটা কীভাবে সম্ভব তা আমরা ধারণা করতে পারি না। তবে কেন তারা এ ধরনের বিকৃত চিন্তা লালন করে তার কারণ খোঁজার চেষ্টা করা যায়।

    অনেক সময় আমি মুসলমানদের কাছ থেকে ইমেইল পেয়ে থাকি। মনে হয় তারা উচ্চ শিক্ষিত। তারা পশ্চিমা দেশগুলোতে থাকেন এবং ভাল ইংরেজি লিখেন। তারা বোরখা পড়ার ইসলামি রীতির পক্ষে যুক্তি দিতে গিয়ে বলেন যে, এতে নারীরা বেগানা পুরুষ কর্তৃক ‘দৃষ্টি দ্বারা ধর্ষিত’ হবার হাত থেকে রক্ষা পায়। নীচে ফাররুখ আবিদি নামের তেমন এক ব্যক্তির একটি চিঠি তুলে ধরা হল। সম্ভবত তিনি সাম্প্রতিক ‘এঙ্গাস রিড জরিপ’-এর ফলাফল দেখে চিঠিটা লিখতে উদ্বুদ্ধ হয়েছেন। ওই জরিপে দেখা গেছে কুইবেগ এবং কানাডার অধিকাংশ উত্তরদাতা মনে করেন, বোরখা বা নেকাব পড়া মহিলাদের সরকারি সেবা, হাসপাতালের পরিচর্যা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সুযোগ দেওয়া উচিত নয়। আবিদি লিখেছেনঃ

    ” আসসালামু আইলাইকুম,

    অমুসলিম দেশগুলো যদি হিজাব অথবা নিকাব নিষিদ্ধ করে তবে তাতে অবাক হওয়ার কিছু নাই। কারণ তারা অমুসলিম। তারা ইসলামি মূল্যবোধের পরোয়া করে না। কিন্তু যখন অধিকাংশ মুসলিম নারী নিকাব অথবা হিজাব পরিধান করে না, এবং অধিকাংশ মুসলিম পুরুষ তাদের স্ত্রীরা আল্লাহর এই গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ মানলো কী মানলো না, সে ব্যাপারে নির্লীপ্ত থাকে তখন সত্যিই অবাক হতে হয়। এমন শত শত মুসলিম পরিবার আছে যেখানে নিকাব অথবা হিজাব পড়ে এমন মহিলা একজনও পাওয়া যাবে না।

    শুধু তাই নয়, মুসলিম নারীরা এখন অনাবৃত থাকার শিক্ষাও বেশ ভালোভাবে নিয়েছে। মহিলারা এখন হাতাকাটা জামা পড়ছে। অনেক মুসলিম নারী এমনভাবে শাড়ী পড়েন (বিশেষ করে ভারত ও পাকিস্তানে ), তাদেরকে অর্ধনগ্ন দেখায়। অনেক নারী এখন বুকে কাপড় না দিয়ে তা অনাবৃত রাখে।

    আশ্চর্যের ব্যাপার হল, মুসলমান পুরুষরা বুঝে না যে তাদের স্ত্রীরা এভাবে বের হলে বহু মানুষ তাদের শরীরের অনাবৃত অংশ দেখে উত্তেজিত হয়ে পড়ে। বিশেষ করে অমুসলিম দেশগুলোতে খ্রিস্টান, ইহুদি, হিন্দু, শিখ, ধর্ষণকারী, মদ্যপ ,গুণ্ডাপাণ্ডা, রাস্তার বখাটে ছোকড়া, সমকামী ইত্যাদি হরেক রকমের মানুষ আছে। তারা লোলুপ দৃষ্টিতে এ ধরনের মুসলিম যুবতী ও কিশোরীদের দিকে তাকায়, উত্তেজিত হয়; এদের নিয়ে দিবাস্বপ্ন দেখে।

    এই মুসলমান পুরুষদের আক্কেলজ্ঞান কতটুকু তা আপনি কল্পনা করতে পারেন? অধিকাংশ মুসলমান পুরুষ তাদের স্ত্রীদের হিজাব না পড়ার অনুমতি দিয়ে এবং শরীর উন্মুক্তকারী পোশাক পরার স্বাধীনতা দিয়ে নিজেদের অজান্তে সব ধরনের মানুষকে উত্তেজিত হওয়ার এবং সুখানুভূতি পাওয়ার সুযোগ করে দিচ্ছে।

    মহিলারা আসলে পুরুষদের চরিত্র বোঝে না। তাই তারা শরীর উন্মুক্তকারী পোশাক পরে। জানে না যে এতে করে সব ধরনের মানুষ তাদের কাছ থেকে মজা লুটছে। আমি জানি তাদের কেউ কেউ হিজাব পড়ে না পুরুষদের আকৃষ্ট করার জন্য। কিন্তু বাস্তবতা হচ্ছে মহিলারা স্বামীর কথা মানে। যদি স্বামীরা নিজ নিজ স্ত্রীকে উদ্বুদ্ধ করে তবে আমি নিশ্চিত যে ৯০% বিবাহিত নারী হিজাব পড়া শুরু করবে।

    যেসব মুসলিম নারী হিজাব পড়ে না তাদের জীবনের মর্যাদা নাই। শুধু তাদের স্বামীদেরকে সন্তুষ্ট করার জন্য তারা অমর্যাদাকর জীবন বেছে নিয়েছে। তাহলে তাদের স্বামীরা সন্তুষ্ট হলে তারা কেন মর্যাদাকর জীবন বেছে নিবে না?

    মুসলমান পুরুষরা তাদের স্ত্রীদের এই বিব্রতকর অবস্থা কীভাবে সহ্য করে তা চিন্তা করে আমি সত্যিই অবাক হই।

    এ পরিস্থিতিতে মুসলিম জাহানের সর্বত্র মুসলমানরা বিস্মিত হয়ে অভিযোগ করে, ‘অমুসলিম দেশগুলো কেন আমাদের সঙ্গে ভাল ব্যবহার করছে না?’

    কেন তারা করবে? আমরা কি ইসলামী মূল্যবোধকে কোনরকম গুরুত্ব দিচ্ছি?

    জাযাকাল্লাহ্‌

    ফাররুখ আবিদি। ”

     

    আমি শুধু একটা বিষয় নিয়ে আলোচনা করব। আপাদমস্তক কালো কাপড়ে আবৃত না থাকলে কীভাবে একজন নারী চোখের দেখায় ধর্ষিত হতে পারে, অর্থাৎ একজন বেগানা বা বাইরের পুরুষ কেবলমাত্র চোখ দিয়ে দেখে কীভাবে তাকে সম্ভোগ করতে পারে!

    যদিও মুসলমানরা অভিযোগ করে, (আবিদি যেমন করেছেন) অমুসলমানদের এমন বিকৃত যৌন দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে, এটা আসলে তাদের অন্তরের এই চিন্তাকেই প্রকাশ করে, কোন নারীর অনাবৃত মুখ, হাত, পা, অথবা বুকের অংশবিশেষের দিকে তাকিয়ে চোখ দ্বারা তাকে ধর্ষণ করা সম্ভব। আমি ৩৫ বছর মুসলমান ছিলাম, তাই আমি এতে অবাক হই না।

    একজন সিরিয় আরব এবং সাবেক মুসলমান মুমিন সালিহ্‌ মুসলমানদের যৌন দৃষ্টিভঙ্গি সঠিকভাবে বর্ণনা করে লিখেছেনঃ

    উপসাগরীয় দেশগুলোতে এবং আরো কয়েকটি মুসলিম দেশে চালু থাকা কঠোর যৌন বিচ্ছিন্নতার ফলে কতিপয় মুসলমান যৌনতা তাড়িত পশুর মত আচরণ করে। উদাহরণস্বরূপ সৌদি আরবে কালেভদ্রে কোন নারীর অনাবৃত পা দেখে ফেললে পুরুষদের মনে যৌন উত্তেজনা জাগতে পারে। অস্ট্রেলিয় ইমাম তাজ-আল-হিলালী আংশিক অনাবৃত মহিলাকে অনাবৃত মাংসের সঙ্গে তুলনা করেছেন, যা দেখলে খাওয়ার জন্য জিহ্বায় পানি এসে যায়।

    আমি জানি ইসলামী দেশগুলোর তরুণ মুসলমানরা হঠাৎ করে কোন নারীর ব্রেসিয়ারের ফিতা দেখে ফেললে তাদের শরীর কীভাবে গরম হয়ে উঠে। এতে বোঝা যায় অনাবৃত উরু অথবা স্তনের অংশ দেখলে মুসলমানদের কী দশা হতে পারে। আমার অভিজ্ঞতা থেকে আমি বলতে পারি, সাধুতার মুখোশের আড়ালে মুসলমানরা উন্মাদের মত পর্নোগ্রাফি উপভোগ করে।

    এটা স্বাভাবিক যে রক্ষণশীল সামাজিক পটভূমির পুরুষরা, যেখানে নারী-পুরুষের মেলামেশা মুসলিম দেশগুলোর অনুসৃত নিয়ম অনুযায়ী তুলনামূলকভাবে সীমিত, কোন মেয়ের শরীরের অংশবিশেষ কিছুটা অনাবৃত দেখলেও সহজেই যৌন উত্তেজনা বোধ করে। তবে কোন সমাজ অথবা এর ধর্মীয় বিশ্বাস যৌনতা ও নারীকে কী দৃষ্টিতে দেখে তার ভিত্তিতেও বিকারগ্রস্ত যৌন মানসিকতা গড়ে উঠতে পারে। মানুষ হিসাবে আমরা কিংবদন্তীতূল্য দানবীর হাতেম তাইয়ের মত হয়ে উঠতে পারি, আবার তার সময়কার নবি মুহাম্মদের মত লুটেরা এবং ডাকাতও হয়ে উঠতে পারি (উল্লেখ্য, মুহাম্মদ হাতেম তাইয়ের গোষ্ঠীর উপর আক্রমণ চালিয়ে লুটপাট এবং হাতেমের সন্তানদের ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করেছিলেন)। জীবনের বিভিন্ন দিক ও বিষয় সম্পর্কে আমাদের মনোভাব গড়ে ওঠে আমাদের সামাজিক ও নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গির ভিত্তিতে আমরা এগুলোকে কীভাবে পরিচর্যা করি তার নিরিখে।

    মুসলমানরা সর্বোত্তমভাবে বড়জোর তাদের নবির মতো হতে পারে। সর্বকালে জীবনের সব দিক থেকে অনুসরণযোগ্য আদর্শ মানুষের দৃষ্টান্ত হিসাবে মুহাম্মদকে মুসলমানরা দেখে থাকে। এই লেখায় নবির একটি সুন্নতের উল্লেখ করছি। এতে বোঝা যাবে মুসলমানরা কেন নারী এবং যৌনতার ব্যাপারে এমন বিকৃতমনস্ক।

    নবি একদিন তার পালকপুত্র যায়িদের বাড়িতে গেলেন। যায়িদ তখন বাইরে ছিলেন। তিনি যখন যায়িদকে নাম ধরে ডাকলেন তখন তার নব বিবাহিত স্ত্রী যয়নব ভিতর থেকে জানালেন যে যায়িদ বাড়ীতে নাই। কিন্তু মুহাম্মদ তার কৌতূহল দমন করতে পারলেন না। সঙ্গে সঙ্গে ফিরে না গিয়ে তিনি যায়িদের বাড়ীর ভিতরে উঁকি দিলেন। সেখানে তিনি তার পুত্রবধূ যয়নবকে দেখলেন। আরবের গ্রীষ্মকালীন গরমের দিনে যয়নব তখন ফিনফিনে পোশাক পরা অবস্থায় ছিলেন। মুহাম্মদ সুন্দরী যয়নবের আকর্ষণীয় প্রায় নগ্ন শরীর দেখে মোহিত হয়ে পড়লেন। তিনি এ কথা বলতে বলতে চলে গেলেন, “সকল প্রশংসা আল্লাহ্‌র প্রাপ্য, যিনি হৃদয়ের অনুভূতি পরিবর্তন করতে পারেন।”

    এরপর যা ঘটেছিল তাতে যে কোন সুন্দর মনের মানুষ বিষণ্ন বোধ করবেন, যদিও মুসলমানরা এটাকে নবির চির অনুসরণযোগ্য পবিত্র ঐতিহ্য বলে গণ্য করেন। সুন্দর মনের কোন শ্বশুর হলে পুত্রবধূর ঘরের ভিতর উঁকি দেওয়ার মতো ভুল করার জন্য লজ্জা পেয়ে ফিরে যেতেন। তার পরিবর্তে মুহাম্মদ সম্ভবত সুন্দরী যয়নবের যৌনাবেদনময়ী শরীর দেখে নিজের শরীরের ভিতর যৌনতার মহাপ্লাবন অনুভব করেছিলেন। এবং কীভাবে তিনি জীবনে একবার আসা যৌন উত্তেজনাকে বশে এনেছিলেন? এখানে সম্ভবত সে কাহিনীই বলা হয়েছেঃ

    সহি মুসলিম ৮নং পুস্তক, সংখ্যা ৩২৪০

    জাবির জানিয়েছেন যে, “আল্লাহর নবী (সঃ) একজন মহিলাকে দেখেছিলেন, এবং তাই তিনি যয়নবের কাছে ফিরে এসেছিলেন। যয়নব তখন একটি চামড়া পাকা করছিলেন, তিনি তার সঙ্গে রতিক্রিয়া করলেন। তিনি তখন তার সাথীদের কাছে গেলেন এবং তাদেরকে বললেন, নারী শয়তানের আকৃতিতে আসে এবং চলে যায়। সুতরাং তোমাদের কেউ কোন মহিলাকে দেখলে নিজের স্ত্রীর কাছে ফিরে যাবে; কারণ এতে তার চিত্ত চাঞ্চল্য দূর হবে”।

    ইসলামী সাহিত্যে সম্ভবত এই কাহিনীর সঙ্গে যয়নবের বিষয়ে তেমন কিছু উল্লেখ নেই। তবে এ কথা নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে, এ ঘটনার সময় হচ্ছে নবীর সঙ্গে জয়নাবের প্রথম সাক্ষাতের পর। সে সময় নবির অভ্যাস ছিল মদীনার বিভিন্ন ঘরের ভিতর মহিলারা কী অবস্থায় আছে তা উঁকি দিয়ে দেখা (এতে যে তিনি আরও নিকৃষ্ট বিকৃতমনা মানুষে পরিণত হন তা নয় কি?)। মজার ব্যাপার হচ্ছে অর্ধনগ্ন যয়নবকে দেখার পর তার মধ্যে যে যৌন উত্তেজনা হয়েছিল সেটা মেটানোর জন্য তিনি একই নামের স্ত্রীকে নিয়ে বিছানায় গিয়েছিলেন। এ সময় কী তার মনে হচ্ছিলো যে তিনি তার পুত্রবধু যয়নবের সঙ্গে যৌনক্রিয়া করছেন?

    এছাড়া আমরা নবির চরম যৌন বিকৃতি সম্পর্কেও জানি। তাঁর অনিয়ন্ত্রিত বহুগামিতা,ছোট বালিকা আয়িশাকে পাওয়ার জন্য তাঁর লালসা এবং ৯ বছর বয়সে যৌনাঙ্গে পুরুষাঙ্গ প্রবেশের উপযুক্ত হবার পূর্ব পর্যন্ত আয়িশার পিছনে লেগে থাকা এবং তার সঙ্গে উরু মৈথুন করা, যুদ্ধে বন্দী করে ‘কাফের’ মহিলাদের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দরীকে সে রাতেই নিজের বিছানায় নিয়ে যাওয়া,বাবা খবর পাঠিয়েছে এই মিথ্যা কথা বলে নিজের স্ত্রী আসমাকে তাঁর বাবা ওমরের বাড়ীতে পাঠিয়ে তাঁরই বিছানায় তরুণী দাসী মারিয়াকে নিয়ে রাত্রিযাপন ইত্যাদি সুস্থ মানসিকতার লক্ষণ নয়।

    এবং আলোচ্য ক্ষেত্রে মুহাম্মদের সঙ্গে যয়নবের মুলাকাত সেখানেই শেষ হয় নি। তিনি সব ধরনের কৌশল খাটিয়েছেন; এমনকী তাঁর পালক পুত্রের স্ত্রী যয়নবকে নিজের স্ত্রী বানানোর জন্য আরব ঐতিহ্যের ব্যত্যয় ঘটিয়ে আল্লাহর সাহায্য নিয়েছেন। তৎকালীন আরব সমাজের দৃষ্টিকোণ থেকে এটা অত্যন্ত অনৈতিক কাজ ছিল।

    যখন মুসলিম মানসে এই নবি সর্বকালের জন্য যৌন কার্যকলাপ ও দৃষ্টিভঙ্গির ব্যাপারে শুদ্ধতার ভাবমূর্তি নিয়ে অবস্থান করেন, তখন এটা বুঝতে সহজ হয় যে, কেন মুসলিম পুরুষরা উদার পোশাক পরা মহিলাদের দৃষ্টির মাধ্যমে ধর্ষণ করা সম্ভব বলে মনে করে। যেন কোন মহিলার পা,হাত,মুখ,অথবা বুকের কিছু অংশ দেখে তারা চরম যৌনতৃপ্তি লাভ করে।

    উপরোল্লিখিত হাদীসে নবীর যৌন বিকৃতির ব্যাখ্যা পাওয়া যায়। এতে পরিস্কারভাবে দেখানো হয়েছে, ইসলামে একজন স্ত্রী তার স্বামীর কাছে কী? তিনি নিকটবর্তী এক বাড়ীতে এক অর্ধনগ্ন মহিলাকে দেখে যৌন উত্তেজনায় কাতর হয়ে পড়লেন এবং বাড়ীতে তাঁর স্ত্রীকে কোন রকম প্রশ্ন না তুলে আকস্মিকভাবে তার যৌন উত্তেজনা প্রশমিত করতে হয়েছে। এবং এ ক্ষেত্রে আমরা কাফেররা স্ত্রীর ইচ্ছা-অনিচ্ছার প্রতি মনোযোগ দিয়ে থাকি। প্রায়ই সে ক্লান্ত থাকে, তার মন ভাল থাকে না, ইত্যাদি, ইত্যাদি। এবং এই একই পরিস্থিতিতে আমরা যদি যৌনকর্মের জন্য চাপাচাপি করি তবে নিশ্চিতভাবে আমাদের চিরদিনের জন্য ছুঁড়ে ফেলা হবে।

    যখন একটি সমাজ অথবা জনগোষ্ঠীর যৌন নৈতিকতার ভিত্তি গড়ে উঠে এই থেকে যে, মহিলারা পুরুষের যৌন ক্ষুধা মেটানোর হাতিয়ার ছাড়া আর কিছু নয়, তখন এটা বুঝতে কষ্ট হয় না যে, কেন মুসলমানরা মহিলার শরীরের উন্মুক্ত অংশের দিকে তাকিয়ে দৃষ্টি দিয়ে তাকে ধর্ষণ করা যায় বলে মনে করে। এই বিকৃত যৌনভাবনা থেকে আরও ব্যাখ্যা পাওয়া যায় কেন পশ্চিমা দেশগুলোতে গিয়েও মুসলমানরা অন্যান্য অভিবাসীদের মত (যেমন ভারত থেকে আগত হিন্দু) উদার সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়া সত্ত্বেও যৌনতা ও নারী সম্পর্কে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি ও আচরণ পাল্টাতে পারেন না।

    এটা বাস্তব সত্য যে, মুসলমানদের বিকৃত যৌন দৃষ্টিভঙ্গির কারণে মহিলারা মুসলিম দেশগুলোতে বাজারে, রাস্তায়, শপিংমলগুলোতে এবং যে কোন জনাকীর্ণ স্থানে যৌন হয়রানীর শিকার হয়। এবং তারা পশ্চিমা দেশগুলোতে আসার পরও পবিত্র ঐতিহ্য দ্বারা লালিত হওয়ার কারণে মহিলাদের প্রতি তাদের এই মনোভাব পাল্টাতে পারে না। সুযোগ পেলেই তারা মহিলাদের ধর্ষণ এবং হিংসাত্মক আক্রমণের মত একই ধরনের যৌন আচরণ করে থাকে। সিডনী,মালমো (সুইডেন)-এর মুসলমান প্রধান মহল্লাগুলোতে এবং পশ্চিমা দেশগুলোর অন্যান্য মুসলমান অধ্যুষিত এলাকায় শ্বেতাঙ্গ নারীদের ধর্ষণ করার হার যে অনেক বেশী এ প্রসঙ্গে সে কথা স্মরণ করা যায়। কতিপয় মুসলমান মোল্লা এমনকী ওইসব ধর্ষণের ঘটনাকে গর্বের সঙ্গে সমর্থনও করেন। তারা উদার পোশাক পড়া মহিলাদের মাংসের সঙ্গে তুলনা করে বলেন যে, তারাই প্রকৃত অপরাধী। এবং আপনি যদি মুসলমান হন এবং মুসলমান পুরুষদের আলাপচারিতা শুনে থাকেন তবে দেখবেন, তাদের মধ্যে ব্যাপকভাবে এমন এক ধারণা রয়েছে যে- পাতলা পোশাক পরা কাফের নারীরা বেশ্যা এবং তাদের ধর্ষণ করা উচিত।

    কেন মুসলমান পুরুষরা মনে করেন তারা কোন নারীর শরীরের অনাবৃত অংশের দিকে তাকিয়ে তাকে ধর্ষণ করতে পারে, আশাকরি এখন আর তার কারণ খুঁজে পেতে পাঠকদের কষ্ট হবে না।

    (নিবন্ধটি M. A. Khan -এর Sexual Perversity of the Muslim Mind -এর বাংলায় ভাষান্তর। মূল ইংরেজি লেখাটি ইসলাম ওয়াচ ( www.islam-watch.org )-এ ১৫ জুন ২০১০ তারিখে প্রকাশিত হয়। লেখক ওয়েব সাইট ‘ইসলাম ওয়াচ’-এর সম্পাদক এবং Islamic Jihad: A Legacy of Forced Conversion, Imperialism, and Slavery নামক গ্রন্থের লেখক)

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleকোলকাতা কেন্দ্রিক বুদ্ধিজীবী – এম আর আখতার মুকুল
    Next Article দিমেন্তিয়া – এম. জে. বাবু
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }