Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইহজন্ম – নবনীতা দেবসেন

    নবনীতা দেবসেন এক পাতা গল্প93 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ইহজন্ম – ৭

    | ৭ | কুমুদিনী

    আমার এই প্রবাস আজ সাঙ্গ হবে। ওরা আজ আমাকে নিতে আসবে।

    আমি সুটকেস গুছিয়ে ফেলেছি।

    সানড্রা, লিন্ডা আর সুজানও একে একে ঘরে ফিরবে।

    সুজানকে ওর স্বামী নিতে আসবে এই রবিবারেই। লিন্ডা সামনের সপ্তাহে ওর মা-বাবার কাছে ফিরবে। শুধু সানড্রা ফিরে যাচ্ছে একলা ঘরে—ওর মেয়ে এসে ওকে নিয়ে যাবে, তারপর বাড়ি পৌঁছে দেবে। মেয়ে তো থাকে না এ-দেশে। মেয়ে ফিরে যাবে তার নিজের কর্মস্থলে। সানড্রার জন্যেই আমার ভাবনা।

    এখানে আমাদের অনেকদিন কাটল। হাসপাতালে একরকম ছিলুম। পরনির্ভর। ওষুধে, চিকিৎসায়, নিয়মে। ঈশ্বরের করুণার শেষ নেই, তাই আজ রোগ নিরাময় হয়ে আমরা এসেছি এ শুশ্রূষালয়ে, নিজেরা নিজেদের ভার নিতে শিখছি নতুন করে। ওষুধ খাওয়া, রান্নাবান্না করে নেওয়া, বিছানা করা, ঘর পরিষ্কার করা, নিত্য নৈমিত্তিক সাংসারিক কাজকর্মের অভেসগুলো আবার ফিরে আসছে আমাদের। বাড়ি ফিরে যাতে জীবনযাপনে অসুবিধে না হয়। মুদির দোকানেও যাচ্ছি, হিসেব করে জিনিসপত্তর কিনছি। নতুন করে পুরোনো জীবনে ফিরিয়ে দিচ্ছেন এঁরা আমাদের। সুজানকে তো গাড়ি চালানোও অভ্যেস করানো হচ্ছে—ও যেখানে থাকে, গাড়ি না চালালে ওর একদিনও চলবে না।

    আমাদের মধ্যে আমিই বয়েসে জ্যেষ্ঠতমা এবং একমাত্র বিদেশি। কিন্তু এদের সযত্ন চিকিৎসায় আমি আবার সুস্থ হয়ে উঠেছি। মনেরও তো অসুখবিসুখ করতেই পারে, শরীরের মতোই। কিন্তু দেশে থাকলে আমাকে কি এভাবে—? কী জানি? মনের অসুখ হওয়া মানেই ওখানে পাগল হওয়া—তার চিকিৎসা মানেই পাগলাগারদ। এই ভয়েই মানুষ খুলে বলে না অসুস্থতার কথা। যতক্ষণ না কেউ সত্যি সত্যি পাগল হয়ে যাচ্ছে এই দেশে তত দিন তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয় না।

    বাঁশি বলে, আমার খুকুও পাগল হয়নি। ঠিক সময়ে একটু যত্ন পেলেই আজ ও বেঁচে থাকত—প্রসূতি-পাগল আসলে পাগলই নয়, একটা সাময়িক রোগ। অথচ ওর শ্বশুরবাড়ি থেকে তো ওকে ছাড়লই না। আমার কাছে থাকলে কক্ষনো অমনটা ঘটত না। অযত্ন হয়েছিল। অবহেলা হয়েছিল। ওরা সতর্ক থাকেনি।

    কিন্তু ডাক্তার আমাকে বলেছেন এসব নেগেটিভ চিন্তাগুলোকে আমার মাথা থেকে দূর করে দিতে। মনে তো আসবেই, কিন্তু বেশি প্রশ্রয় দেওয়া উচিত নয়। দুর্ঘটনা বলেই মেনে নেওয়া উচিত, তাতেই মনের শান্তি। খুকুর মৃত্যুর জন্য আমার কোনওমতেই নিজেকে দায়ী করা উচিত নয়। অথবা, ওর শ্বশুরবাড়িকে কেন শাস্তি দেওয়া হল না, এটা ভেবেও অযথা নিজেকে অপরাধী করা উচিত নয়। অপরাধবোধ থেকেই অনেক ধরনের মানসিক অসুস্থতা তৈরি হয়—আমাকে এখন নিজের দেহ-মনের যত্ন নিতে হবে সচেতনভাবে। এটা আমারই দায়িত্ব। ডাক্তার বলেছেন আমার কোনও স্থায়ী মানসিক রোগ নেই।

    যা হয়েছিল, সেটা অবসাদ। গভীর বিষাদ রোগে আচ্ছন্ন হয়ে ছিলুম। এখন সেটা সেরে গিয়েছে। আমি সম্পূর্ণ সুস্থ।

    ইন্দ্রও এখন একেবারেই সুস্থ জীবনে ফিরে এসেছে। ছবি আঁকছে। আজ গাড়ি চালিয়ে আমাকে সে নিজেই নিতে আসবে। নতুন করে ওর ড্রাইভিং লাইসেন্স হয়েছে।

    মা-ছেলে দুজনেই আবার নতুন করে জীবন শুরু করতে চলেছি আমরা। একটা পর্ব শেষ হল।

    আমার এই ওপরের ঘরটা থেকে বহুদূর পর্যন্ত দেখা যায়। এই যে ঢেউ খেলানো সবুজ সব্জিক্ষেত (ক্যালিফোর্নিয়াকে নাকি নর্থ আমেরিকার সবজির ভাণ্ডার বলা হয়), এদিকে চেয়ে থাকতে থাকতেই তো মনটা জুড়িয়ে যায়।—তার শেষে ওই ধূসর পাহাড়ের সারি—কখনও নীল, কখনও সবুজ, আকাশের আলোর ওপরে নির্ভর করে ওদের রং—কখনও দৃশ্য, কখনও আবার অদৃশ্যও হয়ে যায় কুয়াশার আড়ালে। আবার খুব ভালো ঝকঝকে দিন হলে তুষার শিখরও দেখা যায়। পাহাড়, ক্ষেত, আকাশ—আরও একটুখানি এগোলেই সমুদ্র। প্রশান্ত মহাসাগরের ঢেউ এসে লুটিয়ে পড়ছে বালিতে, পাথরের গায়ে আছড়ে পড়ছে, সী-গাল পাখিরা উড়ছে। সেদিন আমাদের গাড়িতে করে বিচে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। সুজান আর লিন্ডা জলে পা ভিজিয়ে এল। আমি আর অতখানি বালি পেরিয়ে যেতে পারিনি রোদের মধ্যে। আর সানড্রা আমাকে সাহচর্য দেবে বলেই গেল না।

    আসলে সানড্রার খুব মন কেমন করছিল বোধহয়। সাউথ ক্যারোলিনাতে যে ছোট দ্বীপে ওর বাড়ি, সে বাড়ির উঠোনটা গড়িয়ে নেমে গিয়েছে সমুদ্রে। আটলান্টিকের ঢেউ ওর খিড়কি দোরে বাঁধা। সানড্রা ফিরে গিয়ে আর ওই বাড়িতে থাকবে না। ডাক্তাররা ওকে মত দেননি একদম একা একা অত বড় বাড়িতে বসবাস করতে। ওর মেয়ে ওর জন্যে ফ্লোরিডাতে একটি বৃদ্ধাবাসে ব্যবস্থা করেছে—সেইখানেই নিয়ে যাবে সানড্রাকে। সমুদ্র সেই শহরেও আছে, তবে বাড়ির উঠোনে নয়। সানড্রা কখনও ভাবেনি বৃদ্ধবাসে থাকার কথা।—বৃদ্ধবয়সে বসবাস করবার জন্যেই ওই বাড়িটা কিনেছিল। সাজিয়ে-গুছিয়ে নিয়েছিল নিজের মনের মতো করে। এভাবে অসুস্থ হয়ে পড়বে, সেটা কে ভাবতে পেরেছিল তখন? সানড্রার স্বামী ওর চেয়ে বেশ কিছুটা বয়েসে ছোট ছিল। সেই আগে মারা যাবে, এটাও হিসেবের মধ্যে ধরেনি ওরা। স্বামীর মৃত্যুর পরে সানড্রার আস্তে আস্তে মস্তিষ্কবিকৃতির লক্ষণ দেখা দিয়েছিল। এখানে বেশ অনেকদিন লেগেছে তার সেরে উঠতে। সানড্রা কৃষ্ণাঙ্গী, কিন্তু শিক্ষিত বিত্তবান ঘরের মেয়ে। চট করে বড় একটা দেখা যায় না এমনটা। ওর মেয়েটি ওয়াশিংটন ডি.সি-তে সরকারি চাকরি করছে কিন্তু মাকে কাছে নিয়ে রাখা সম্ভব না তার পক্ষে।

    সে অবিবাহিতা, ঠিকমতো সংসার পাতেনি। একটা হোটেলে থাকে সুইট নিয়ে মাকে রাখবে কোথায়?

    এদিক থেকে আমি কত সৌভাগ্যবতী। আমার পুত্রবধূ আমাকে মেয়ের মতোই (কি তার চেয়েও বেশি?) ভালোবাসে, কত যত্ন করে, আদর করে। সম্মান করে নিজের বাড়িতে ফিরিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

    বাঁশিই আমার মা।

    বাঁশির কাছে এসে আমার নতুন জন্ম হয়েছিল—ভবানীপুরের বাড়ির কুমুদিনীকে ভবানীপুরেই রেখে এসেছিলুম আমি, বাঁশির হাত ধরে যখন সাগরপারে পাড়ি দিই। ইন্দ্র? না, ইন্দ্রর অত ক্ষমতা কোথায় সে আরেকটা মানুষের ভার নেবে? তার তো নিজেরই ভার সইবার শক্তি নেই। আমিই ঠিকমতো গড়ে তুলতে পারিনি আমার ছেলেকে। আমি নিজেও পরিপূর্ণ মানুষ ছিলুম না বোধহয় তখনও—ওর বাবার চাপে নতিস্বীকার করতে করতে নিজেকে কোথায় হারিয়ে ফেলেছিলুম আমি। ছেলেকে আমি সেই মুক্তিটাই দিতে চেয়েছিলুম, আমি নিজে যেটার স্বাদ পাইনি। কিন্তু ছোট ছেলে তার সদ্ব্যবহার হয়তো করতে পারেনি। উপকারের চেয়ে অপকারই বেশি হয়েছিল হয়তো সেই স্বাধীনতায়। সবাই তো সব কিছুর যোগ্য হয় না।

    আচ্ছা, ইন্দ্র বাঁশির ভালোবাসার যোগ্য কি? আমি বুঝব না। আমি তার মা, আমি সঠিক বিচার করতে পারব না নিশ্চয়ই। অবশ্য আমার সঙ্গে বাঁশিরও এখন যে সম্পর্ক, ওর কাছে আমি যে সীমাহীন ভালোবাসা পেয়েছি, আমি নিজেই তার যোগ্য কিনা আমার তা নিয়েও সন্দেহ আছে। ইন্দ্রর যোগ্যতার কথা হিসেব করবার আমি কে?

    এখানে এসে এদের দেশের বাবা-মা আর সন্তানদের দেখছি, স্বামী-স্ত্রীকে দেখছি, আর অবাক হয়ে ভাবছি আমাদের কত সৌভাগ্য।

    আমাদের মধ্যে জটিলতা কত কম, যা কিছু হয় সব খোলাখুলি।

    লিন্ডাকে তার মা-বাবা নিতে আসছেন বটে, কিন্তু লিন্ডা তার মা-বাবার কাছে থাকবে না। লিন্ডা থাকে তার প্রণয়িনী চন্দ্রা সুব্রহ্মণ্যমের সঙ্গে। চন্দ্রা পড়ত লিন্ডার সঙ্গে একই বিশ্ববিদ্যালয়ে, বহুদিন তারা দুজনে পার্টনার। চন্দ্রারই ওকে নিতে আসবার কথা ছিল। কিন্তু হঠাৎ ওকে বাঙ্গালোরে চলে যেতে হয়েছে, ওর বাবার স্ট্রোক হওয়ার খবর পেয়ে। চন্দ্রা চেয়েছিল নিজে এসে লিন্ডাকে ফিরিয়ে নিয়ে যাবে—কিন্তু সেটা সম্ভব হল না, কবে যে এ-দেশে ফিরতে পারবে তারও স্থিরতা নেই। অনিশ্চিত সময়ের জন্য লিন্ডাকে সুস্থ হবার পরেও শুশ্রূষালয়ে রেখে দেওয়াটা কারুরই মনোমতো নয়।

    লিন্ডার মা-বাবার সঙ্গে চন্দ্রার অবশেষে একটা সামাজিক সম্পর্ক অবশ্য তৈরি হয়েছে। বিশেষত অসুস্থতার সময়ে ওঁরা খুব কাছাকাছি এসেছেন। সকলের সর্বাঙ্গীন চেষ্টাতেই লিন্ডা সেরে উঠেছে। ছোটবেলাতেও একবার এরকম হয়েছিল লিন্ডার, নিয়মিত কাউন্সেলিং নেয় সে। চাকরির জায়গায় ক্রমাগত প্রচণ্ড চাপ সৃষ্টি হয়ে চলেছিল বেচারির, সেই অশান্তির ফলেই লিন্ডার হঠাৎ এই ব্রেকডাউনটা ঘটেছিল। এখন সে সুস্থ। এবার আবার চাকরি করার যোগ্য হয়ে উঠেছে সে, কিন্তু পুরোনো চাকরিতে ফিরবে না। এখান থেকেই বসে বসে অ্যাপ্লিকেশন করেছে, ফিরে গিয়ে ইন্টারভিউ দেবে। লিন্ডার বয়েস অল্প, সামনে পুরো জীবন পড়ে রয়েছে। চন্দ্রা এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করছে, আর লিন্ডা কমার্শিয়াল ফার্মে চাকরি করে। লিন্ডা বলছিল, ওরা ভাবছে, একটি কন্যাসন্তান দত্তক নেবে। আমি তাকে খুবই উৎসাহ দিয়েছি। একটি শিশু না এলে সংসার যেন অসম্পূর্ণ থেকে যায়। আর শিশুটিকে যে তোমার নিজের শরীর দিয়ে উৎপন্ন করতেই হবে এমন কোনও কথা নেই। জগতে কত শিশুর নিজস্ব ঘর নেই ভাবো তো? তুমি যদি তাদের ঘর দাও, স্নেহ দাও, বাবা-মা দাও, তোমারই সন্তান হবে সে। আমাদের দেশে এখনও দত্তক গ্রহণে মানসিক বাধা আছে দেখেছি—কার-না-কার রক্ত আসবে বংশে’—আরে, তুমি কি জানো তোমার শরীরে কার রক্ত বইছে? কতটুকু আর জানি আমরা নিজেদের বিষয়ে? নিজেদের পিতৃমাতৃ পরিচয় বিষয়ে? যা জানি, সেটাই সত্য কিনা তাও তো জানি না।

    আমার অবাক লাগে ভাবতে এত বড় বড় যৌথ পরিবার ছিল, সেখানে কত যথেচ্ছাচার চলত, কত গোপন কেচ্ছা-কেলেংকারি—কে জানে সত্যি সত্যি কোন শিশুর পিতা কে? শুধু তো জরায়ুর ঠিকানাটাই নিশ্চিত জানা। ভৃত্য থেকে পুরুতমশাই, দেওর থেকে শ্বশুরমশাই—সকলেরই সম্ভাবনা থেকে যায় বংশধরের জন্ম দেওয়ার গৌরবের অংশভাক হবার। কেন যে আমরা বংশগৌরব নিয়ে ভাবি? কেন যে পিতৃত্ব নিয়ে এত আমাদের চিন্তা? শাস্ত্র থেকে পুরাণের কাহিনি থেকে কিছুই কি শিখিনি আমরা? এই যে রঙিন, আমাদের রঙিন স্বপ্ন, যদি সে জন্ম নিত বাঁশির গর্ভে, তাহলে কি এখনকার চেয়ে বেশি আপনার হত? বেশি ভালোবাসতুম আমরা তাকে? বাঁশি যখন রঙিনকে আনবে বলে ঠিক করল, আমার স্বামী ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছিলেন। বংশে ছাই দিচ্ছে এরা। ওর শৈশবে আমাকে উনি আসতে দেননি বাঁশিকে সাহায্য করতে। একলাটি, ওই আমার পাগলা ছেলেকে সামলে, বাঁশিই বাচ্চা মানুষ করেছে, চাকরি বজায় রেখে। রঙিন বড় চমৎকার মেয়ে হয়েছে। ইন্দ্রর সন্তান হয়েই যদি ও ভূমিষ্ঠ হত, এর চেয়ে ভালো হতে পারত বলে আমি মনে করি না।

    মানুষ করছ কীভাবে, ভালোবাসা আর শাসন, দুটোর সামঞ্জস্য রাখছ কতটা, এর ওপরেই বাচ্চার গড়ে ওঠা নির্ভর করে। যখন থেকে আমি এসেছি রঙিনের কাছে, আমি খুব সতর্ক থেকেছি যাতে কখনও ওর মায়ের ওপরে খবরদারি না করি। ওর বিষয়ে শেষ কথা বলবার অধিকার সর্বদা ওর মায়ের। এটা জানা থাকলে বাচ্চার বিগড়ে যাবার সম্ভাবনাটা কিঞ্চিৎ কমে। সে জানে, অন্যেরাও ওই একই মত দেবে—মায়ের কথার ওপর আর কথা নেই।

    সেই অধিকার অবশ্য কেউ কাউকে দিতে পারে না—সেটা মানুষ অর্জন করে নেয়। বাঁশি তার স্বভাবগুণে এই জায়গায় পৌঁছেছে। এই পরিবারের প্রত্যেকেরই গার্জেন সে। এবং গার্জেন মানেই গুরুজনও। রঙিন জানে কথাটা। তার বাবাও জানে। এবং ঠাকুমাও। আমরা লতার মতো জড়িয়ে ধরে আছি বাঁশিকে। বাঁশি সকলেরই ভার সইতে পারে।

    লিন্ডার সঙ্গে বাঁশির কথাবার্তা হয়েছে অ্যাডপশন বিষয়ে। এখান থেকে বেরিয়ে, চাকরি শুরু করার পরে, এবং চন্দ্রা ফিরে এলে, ওরা এই নিয়ে এগোবে ভেবেছে। চন্দ্রা হয়তো দেশ থেকে কোনও মেয়েকে দত্তক নেবার কথা ভাবছে। ওখানেও তো কত অনাথ শিশু বাবা-মায়ের স্নেহের আশ্রয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।

    আজ আমাকে নিতে আসছে ওরা। আমার নিজের ঘরটা পরিষ্কার করে গুছিয়ে রেখেছে রঙিন নিজে। রঙিনেরও গ্রীষ্মের ছুটি শুরু হল, এটা মস্ত আহ্লাদের ব্যাপার। সবাই মিলে আনন্দ করতে পারব কয়েকটা দিন। ইন্দ্রর সুস্থতা, আমার সুস্থতা, রঙিনের ছুটি—সব মিলিয়ে উৎসবের আবহাওয়া তৈরি হবে বাড়িতে। আর বাঁশি তো নিজেই উৎসব। জয় গুরু। হে ঠাকুর, তুমিই তো আসল। আমাদের রক্ষা করো, বাঁাশিকে আমরা যেন আর কষ্ট না দিই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজরা হটকে এবং অন্যান্য – নবনীতা দেবসেন
    Next Article তিতলি – নবনীতা দেবসেন

    Related Articles

    নবনীতা দেবসেন

    মায়া রয়ে গেল – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    নবনীতা দেবসেনের গল্প

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    করুণা তোমার কোন পথ দিয়ে – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    হে পূর্ণ, তব চরণের কাছে – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    ভ্রমণের নবনীতা – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    ভ্রমণ সমগ্র ১ – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }