Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইহজন্ম – নবনীতা দেবসেন

    নবনীতা দেবসেন এক পাতা গল্প93 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ইহজন্ম – ৮

    | ৮ | বাঁশি

    রমলার শ্বশুর-শাশুড়ি এসেছিলেন গ্রাম থেকে। এসে ভীষণ উদ্বেগে আছেন ওঁরা।

    মেদিনীপুরের গণ্ডগ্রামের ছেলে সুজিত মণ্ডলকে বিয়ে করে সটান বিদেশে চলে এসেছে রমলা পাল। আই. টি. একসপার্ট সুজিতের গ্রামে এখনও ইলেকট্রিসিটি নেই। সুজিত জোর করে তার মা-বাবাকে আনছে—রমলার গতবারে মিসক্যারেজ হয়েছিল বলে সে চায় তার মা ওর কাছে এসে থাকুন—রমলা যেহেতু মাতৃহীন। রমলা মেয়েটার খুব মিষ্টি স্বভাব এবং পড়াশুনোতেও ভালো, কেমিষ্ট্রি অনার্স পাশ করেছে সে মেদিনীপুর কলেজ থেকে—তারপরই বিয়ে হয়ে বিদেশযাত্রা।

    সুজিতের মা-বাবা এসে অথই জলে পড়বেন এটা আগেই ভেবে নেওয়া গিয়েছিল। এলে, রমলার উপকারের চেয়ে হয়তো অপকারই বেশি হবে—এমন ভয়ও আমাদের অনেকের ছিল। কিন্তু সুজি এক নম্বরের গোঁয়ার ছেলে। কারুর কথা শোনা তার স্বভাব নয়—’দিদিভাই, আপনি কিছু ভাববেন না।—আমার বাবা-মা গ্রামের মানুষ হলে কি হবে, সব কিছু শিখে ফেলবেন। আমি শিখিনি?’

    তাঁদের তো প্লেনে উঠেই ভীতি শুরু হয়েছে, তারপরে এত বড় এয়ারপোর্ট লস এঞ্জেলস নেমে ইমিগ্রিশনে তো প্রাণান্তর যোগাড়। আজকাল সিকিউরিটির নামে যা নাকাল করে! পা থেকে জুতো খুলে নেয়, গা থেকে গহনা খুলে নেয়, শেষে আঙুল থেকে টিপছাপ নিয়ে নেয়—প্রত্যেকটি বিদেশিই যেন সম্ভাব্য টেররিস্ট!

    ওঁদের যে ভিসা জুটেছে সেটাই মস্ত কথা। ওঁদের সঙ্গে করে নিয়ে এসেছে সুজিতের এক বন্ধু শরদিন্দু। শরদিন্দুর সঙ্গে এসেছেন বলেই তাঁরা জীবিতবস্থায় বাড়ি পৌঁছেছেন, কিন্তু পৌঁছে মৃতপ্রায় হয়ে পড়েছেন। রমলাকে সাহায্য করতে সোহিনী গিয়েছে—সোহিনীর এখন ছুটি চলছে—সকাল থেকে সেই থাকে বাড়িতে, সুজিত যখন অফিসে যায়।

    সোহিনী দিল্লির মেয়ে—খুব স্মার্ট। মেয়েটি ভালো, বিয়ে হয়ে এসেছে অল্পদিন হল, পড়াশুনা করবে বলে চাকরিতে ঢোকেনি। ওর হাতে এখন সময় আছে। সোহিনীর কাছে গল্প শুনছি। হ্যাঁ, মাসিমা-মেসোমশাই কমোড ব্যবহার করতে পারছেন। কাগজও। কিন্তু বালতি-মগ দেওয়া হয়েছে, শাওয়ার কিউবিকলে শৌচের ব্যবস্থা করে দিয়েছে সুজিত। বারান্দাতে অত রোদ্দুরে যে কেন গামছা শুকোতে দেওয়া যাবে না, সেটা ওঁরা বুঝতে পারেননি বটে, কিন্তু মেনে নিয়েছেন। সমস্যা অল্প নয়। ইলেকট্রিকের সুইচ থেকে শুরু। না। শুরু মেইনগেট খোলানো থেকে। প্রথমে নম্বর টিপে হ্যালো বলতে হবে ফোনে, তারপর ‘খোলো, আমি তোমার বাবা’—বলতে হবে। সেইটে শুনে ওরা ওপরে বেল টিপবে। সেই বেল যতক্ষণ ধরে বাজবে, তার মধ্যে দৌড়ে ঠেলেঠুলে, হাতল ঘুরিয়ে, সদর দরজাটা খুলে, ঢুকে পড়তে হবে ভেতরে। ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিয়ে, দ্বিতীয় দরজা খুলে, লবিতে। সেখানে সুইচ টিপে লিফটকে নীচে ডাকতে হবে। লিফট এলে, চড়েই আগে বাইরের দরজাটা টানতে হবে, তারপরে ভেতরের দোর বন্ধ করতে হয়। নইলে লিফট নড়বে না। তারপরে দেখে দেখে সঠিক বোতামটি টিপতে হয়—B মানে বেসমেন্ট, L মানে একতলা, ওয়ান টিপে দোতলায় উঠবে। সেটাই একতলা।

    ওর বাবাকে এটা বোঝাতে ওদের প্রচুর সময় লেগেছে। তারপর লিফট থেকে নেমে পড়বার আগেই তার দরজাটা তেড়ে আসে, বন্ধ হবে বলে। একহাতে সেই দোরকে সজোরে ঠেলে রেখে, দৌড়ে নেমে পড়তে হয়। নইলে হাতটা, আঁচল, কোট, কিছু একটা লিফটের মধ্যে আটকে যাবেই।

    ওদের ফ্ল্যাট অবধি পৌঁছুতেই তো এত কসরত। তারপর ঢুকেই কি আরাম আছে?

    সারাটা বাড়ি কার্পেটে ঢাকা। মেঝে বলতে কিছু নেই। মেঝে আছে কেবল বারান্দায়। সেখানে চটি না পরে বেরুনো বারণ, মেঝেয় বসাওও বারণ। চেয়ার টেবিলে ছাড়া বসতে নেই বারান্দায়। ধুলো-ময়লায় ভরতি নাকি। কই, দেখা তো যায় না কিছুই। মুছতেও দেবে না মেঝেটা। আর ঘরের কার্পেটে বুঝি ধুলো নেই? কার্পেট মানেই তো ধুলোর সিন্দুক। ঝাঁটপাট দেওয়ার বালাই নেই, ঘর মোছা হয় না। কী মুছবে? টেবিল মোছা হয় কেবল। ওই সকড়ি টেবিলেই সবাইকে খেতে হবে। ওর শাশুড়ি বলছিলেন উনি শনিবার আর বৃহস্পতিবার ব্রত করেন, নিরামিষ খান, আমিষের ছোঁওয়াও খান না। কিন্তু সর্বস্ব থাকে তো ওই রেফ্রিজারেটারের ভাঁড়ারে—মাছ, মাংস, ডিম থেকে দুধ, ফুল, মিষ্টি পর্যন্ত। ছোঁয়াছুঁয়ির আর কোনও বাবা-মা রইল না। অন্য কোথাও যে রেখে দেবেন একটু পরিষ্কার খাবার আলাদা করে, খাটের তলায়, কি জানলার তাকে, তারও উপায় নেই, না আছে খাটের তলা, না আছে জানালায় তাক। একটা জালের আলমারি পর্যন্ত নেই গো? শিকে-টিকের কথা বাদই দিচ্ছি। শ্বশুরের অভিযোগ—ঘরের ভেতরেও আদুড়-গায়ে থাকা যাবে না, এমনকী গেঞ্জি-লুঙ্গি পরেও থাকা যাবে না। শাশুড়ি-মা যে শেমিজের ওপরে সাধারণ করে শাড়ি পরে থাকেন—সেটা অবশ্য চলবে। শ্বশুরকে কিন্তু প্যান্ট আর শার্ট পরে থাকতে হচ্ছে। দেখেশুনে সোহিনী বলেছে ওঁর ঘরে পাজামা আর হাফহাতা গেঞ্জি পরলে কিছু ক্ষতি নেই।

    সুজিতের মা-বাবা দুজনেরই প্রচণ্ড শক, কেলেংকারি কাণ্ড, এরা কাঁচা দুধ খায়। দুধ জ্বাল দেবার ব্যাপারই নেই মোটে। এমনকি দুধ গরম করেও খায় না। যে-ছেলে গরম দুধ ছাড়া মুখে তুলত না, সেই সুজিত এখন ফ্রিজ থেকে কাগজের ঠোঙা বের করে গেলাসে ঢেলে নিয়ে ঢকঢক করে কাঁচা দুধটা ঠান্ডা ঠান্ডাই খেয়ে নেয়। চোখে না দেখলে বিশ্বাস হত না, এতও বদল হয় মানুষের বিলেতে এলে? অথচ দেশে যখন যায়, তখন তো এসব করে না? দিব্যি জ্বাল দেওয়া দুধ গরম গরম জামবাটি ভরে সোনামুখ করে খায়। আগের মতনই। এখানে দেখছেন সব আলাদা। দেশে কেউ বাইর থেকে ঘুরে এলে আগে পা ধুয়ে, তবে ঘরে ঢোকে, সুজিতও তাই করে। অথচ এ-দেশে পা ধোয়াধুয়ির বালাই নেই—কলঘরের মেঝেতে মোটে জলই ফেলা চলবে না—জল ফেললেই সেই জল নাকি নীচের তলার লোকদের মাথায় পড়বে, কাঠের মেঝে লিক করে। এ একটা বাড়ি তৈরির ধরন হল? চানঘরের মেঝেতে জল ফেলতে বারণ? বাব্বা:!

    সোহিনী ওঁদের বাথরুম ব্যবহার করতে শেখাচ্ছে খুব যত্ন করে—শাওয়ার কিউবিকলে ঢুকে পরদা টেনে স্নান করতে হবে, জল যেন একফোঁটাও না বাইরে পড়ে! বাথটবে নেমে শাওয়ার নেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন শ্বশুরমশাই, ঘরময় জল ছড়িয়ে কেলোর কীর্তি। তা ছাড়া বাথটবে ঢুকতে বেরুতে বেশ ব্যালান্সের কায়দা লাগে। বুদ্ধিমতী শাশুড়ি-মা সে চেষ্টা করেননি। শ্বশুর টিভি চালানো শিখে ফেলেছেন ঝটপট—এবং টিভির পোকা হয়ে গেছেন অনতিবিলম্বে। টিভির সামনের সোফাতে আধশোয়া হয়ে, শান্ত চিত্তে টিভি দেখেন সারাদিন।

    শাশুড়ি-মা ঘুরঘুর করেন, ঘরের কাজকর্ম করেন, জামাকাপড় পাট করেন, ইস্ত্রি করেন। ওয়াশিং মেশিন ব্যবহার করতেও শিখে ফেলেছেন, এবং তাঁর বিস্ময়ের সীমা নেই। যন্তরে কী সুন্দর আছড়ে আছড়ে কাপড় কাচছে! আবার নিংড়ে নিংড়ে জল বের করে দিচ্ছে। শুধু তাই? আবার কাপড় শুকোনোর জন্যেও মেশিন আছে—গরম বাতাসের মধ্যে ঘুরপাক খেতে খেতে ভিজে তোয়ালে পর্যন্ত শুকনো খটখটে হয়ে যাচ্ছে! ম্যাজিক দেখার মতো অবাক হয়ে যায় সুজিতের মা। সবচেয়ে অবাক হয়েছেন ওদের বাসন মাজার যন্তরটা দেখে। না, ওটা উনি ব্যবহার করতে রাজি নন। অতগুলো কাচের বাসন,প্লেট, গেলাস, কাপডিশ—সব ধুয়ে মেজে সাফ করেছেন অতটুকু মেশিন, সঙ্গে সঙ্গে সিলভারের কাঁটা-চামচও মেজে ফেলছে—এ যে দৈত্যপুরীর ম্যাজিক রে! উনি অবশ্য বাধা দেন না—যদি সুজিতরা মেশিনে বাসন ঢোকাতে চায় ঢোকাক। সেটা ওদের ব্যাপার। কিন্তু বড্ড নিঘিন্নে ব্যাপার! যত্তো এঁটো বাসন, মাছ-মাংস, দুধ, মিষ্টি—সব বাসনই একসঙ্গে ধোওয়া মাজা হচ্ছে। এই দৃশ্যও অসহনীয়। ভেঙেও তো কই যায় না বাপু? এত ঠোকঠুকি হচ্ছে। কাচের বাসনের সঙ্গেই হাঁড়িকড়া, হাতাখুন্তি সর্বস্ব মাজা হচ্ছে ওই বাক্সতে পুরে। সুজিতের মা সব শিখতে রাজি, শুধু ডিশ ওয়াশারটা তাঁর ঘেন্না করে। তিনি প্রত্যেকটা ধোওয়া বাসন তাক থেকে আবার নামিয়ে, আবার সাবানে ধুয়ে, মুছে, ঝকঝকে করে তুলে রাখেন। নইলে ওতে করে খেতে দিতে পারবেন কেমন করে? রমলা হাসে। শুধু সুজিত রাগ করে—’এ কী তোমার গোঁয়ার্তুমি বল তো মা?’

    ডিশ ওয়াশারটাকে মেনে না নিলেও ওর মা-বাবা টেবিলে বসে খেতে শিখে ফেলেছেন। শনৈ: শনৈ: তাঁদের মার্কিন প্রবাস অভ্যস্ত হয়ে আসছে। রমলা থাকলেও সোহিনী রোজই এসে সাহায্য করে। কেন না রমলাকে বিশ্রামে থাকতে হবে, ডাক্তারের আদেশে। শাশুড়ি-মা তো উনুনে হাত দিতেই ভয় পাচ্ছেন, আগুনই জ্বলে না, এ কেমনধারা উনুন? তিনি দেশে গ্যাস দেখেছেন, কিন্তু এখানে ব্যাপারটা অন্য। আগুন জ্বলে না কিন্তু লোহার চাকতিগুলো গরম হয়। ছ্যÒাকা লাগে। দিব্যি ভাত ফোটে। এমনধারা অদ্ভুত চ্যাপটা, লোহার পাতের উনুন বাপু দ্যাখেননি তিনি, বাপের জন্মে, ওখানে আঁচ বুঝবেন কেমন করে, রাঁধবেনই বা কেমন করে? সোহিনী আস্তে আস্তে ওঁকে শেখাচ্ছে। শিক্ষক রমলার বদলে সোহিনী হওয়ায়, শাশুড়ি-বউমার অহংযুদ্ধের সমস্যা ঘটছে না। শাশুড়ি নাকি খুবই স্মার্ট মহিলা, কি লিফট ডাকা, কি ফোনে দোর খোলানো, সবই তিনি তাঁর কর্তার আগে আগে শিখে ফেলছেন। রান্নাঘরের সাজসরঞ্জামও আয়ত্তে আনতে তাঁকে বেশি বেগ পেতে হবে না। তিনি বিনয়ী এবং বুদ্ধিমতী। তাঁর স্বামীর ঠিক বিপরীত তিনি। এবং গ্রাম্য বঙ্গ মহিলার স্বভাব অনুযায়ী, যারপরনাই ধৈর্যশীলাও সোহিনী দেখছে তিনি শিখতে আগ্রহী। তাঁর ইংরিজি অক্ষরজ্ঞান আছে, অল্পস্বল্প পড়তে জানেন। সেটাও শিক্ষার কাজে লাগছে। রমলার শ্বশুর-শাশুড়িকে আমি একদিন ডাকব মা বাড়ি এলে। মা’র সঙ্গে দেখা হলে ওঁদের ভালো লাগবে। মা সুন্দর করে বুঝিয়ে দেবেন, এ দেশে এসে থাকার সুবিধে কী কী। অসুবিধে তো তিনিও অনুভব করেছিলেন এসে। কত সুন্দর মানিয়ে নিয়েছেন। রমলার শ্বশুর-শাশুড়িরও বিদেশ অভ্যেস হয়ে যাবে—শুধু সময়ের অপেক্ষা।

    ছেলেটা কিন্তু অসাধারণ। ওর আত্মবিশ্বাসের গভীরতা দেখে আমার ওর প্রতি সম্মান বেড়েছে। ওর হিসেবে ভুল ছিল না। শাশুড়ি এসে রমলাকে খুবই যত্ন করছেন। আর শ্বশুরমশাই টিভি দেখে মুগ্ধ। এত বড় প্লাজমা টিভি দেশের শহরেও নেই। ওঁদের গ্রামে তো বিজলিবাতিই নেই। ওঁরা ভাগচাষী, মাটির ঘরে বাস। খোলাখুলিই সব গল্প করছিলেন সেদিন। আমি যখন গিয়েছিলুম, শ্বশুরমশাই তখন দিবানিদ্রায় শুয়েছিলেন, পাশের ঘরে, শাশুড়ি-মা রমলার পাশে বসে বসে কাঁথা সেলাই করছিলেন। রমলা টিভিতে একটা হিন্দি সিরিয়াল দেখছিল, ওর রোজ সেটা দেখা চাই-ই চাই। নেশা। জি-টিভির এখানে বিশাল একটা খরিদ্দার গোষ্ঠী তৈরি হয়েছে, ওর পারিবারিক সিরিয়ালগুলোর কল্যাণে। রমলা এখন শাশুড়িকেও তার নেশার সঙ্গী করার চেষ্টা করছে। এরই মধ্যে প্রবাস জীবন অনেকটা অভ্যেস হয়ে গিয়েছে ওঁদের, ক্যালিফোর্নিয়াতে বাস করতে আর তত খারাপ লাগছে না। সোহিনীকে আসতে হয় না। আমাকে চা করে দেবার জন্যে উঠছিলেন। মাসিমাকে রমলাই বারণ করল। বলল—’বাঁশিদি অত চা খায় না। বরং এক গেলাস ফলের রস দাও খাবে। বাঁশিদিরও ঠান্ডা পছন্দ মা, তোমারই মতন।’

    ‘তাই? তাহলে একটু ঘোলের শরবত খাবে মা? আমি তৈরি করে রেখেছি। যা গরম, একটু ঘোষের শরবত খেলে দেহটা জুড়োয়। বউমাকেও খাওয়াই। শুনেছিলুম বিলেতে নাকি বরফ পড়ে—এ তো উলটো!’

    চমৎকার ঘোলের শরবত বানিয়েছেন। আমি ওঁর সঙ্গে সঙ্গে কিচেনে গিয়ে দেখি ফ্রিজ থেকে জাগ বের করে, কাচের গ্লাসে ঢেলে,প্লেটে বসিয়ে, মাসিমা আমাকে শরবত দিচ্ছেন। সোহিনীর ট্রেনিং চমৎকার।

    ‘থাক থাক থাক’—করে আমি ওঁর হাত থেকে নিয়ে নিই। এদেশে এসে সত্যি সত্যি নতুন জন্ম হয়েছে ওঁদের।

    এই যে আমি ব্লু জিনস আর টিশার্ট পরে আছি, যথেষ্ট বয়স্ক বাঙালি মেয়ে, আমার কলেজ পড়ুয়া কন্যা আছে—মাসিমা কিন্তু আমাকে দেখে চমকালেন না। সোহিনীর শর্টস আর স্যান্ডো গেঞ্জি দেখে ওঁর অভ্যেস হয়ে গেছে। রমলা কিন্তু আজকাল লম্বা স্কার্ট আর বড় টিশার্ট পরছে—পেন্টুলুন পরে এখন হয়তো অত আরাম নেই ওর।

    সোহিনীর সঙ্গে রঙিনের বেশ ভাব হয়েছে। যদিও ওরা সমবয়সী নয় এবং সোহিনী বিবাহিত—তবু, কাছাকাছি বয়েসে তো? ওরা দুজনে আজ সকাল গেছে ভুরু থ্রেডিং করাতে। মা আজই আসবেন। বড় গাড়িটা নিয়ে আমরা তিনজনেই ওঁকে আনতে যাব। ওখানে মা’র জিনিসপত্তর তো কম জমেনি এই ক’মাসে।

    মা আসবেন বলে ইন্দ্র, রঙিন দুজনেই খুব উত্তেজিত। আমি কেবলই ঈশ্বরকে বলছি—তুমি অসীম কৃপাময়। এমন ভাবে সবকিছু আবার ঠিকঠাক হয়ে যাবে, কে ভেবেছিল? এক বছর আগেও আমরা ছিলুম ছিন্নভিন্ন—রঙিন আর আমি দুজন দুজনের হাত যেন শক্ত মুঠো করে ধরেছিলুম। মেয়েটার জীবনের সেই বন্ধুর, দুর্গম, অস্থির সময়ে ওই লেট টিনসে রঙিনের বাবার সহসা অধ:পতন, আর অমন ধীর স্থির ঠাকুমার মানসিক বিপর্যয় ওকে যেন ভিতর থেকে উলটেপালটে দিচ্ছিল। হ্যাঁ, আমার খুবই ভয় করেছিল। ওর মধ্যে নিজের জন্মবৃত্তান্ত নিয়ে কোনও উদ্বেগবোধ দেখিনি কোনওদিনও। কিন্তু এই সময়ে মনে হচ্ছিল মেয়েটা কোনওভাবে নিজেকে জড়িয়ে ফেলবে না তো, আমাদের দু:সময়ের নিমিত্ত মনে করবে না তো নিজেকে? না, সেসব ভয় বৃথাই।

    রঙিন শক্ত মনের সুস্থ সবল মেয়ে। ওর বাবার জন্য আমরা সপরিবারেই কাউন্সেলিংয়ে গিয়েছি বহুবার। রঙিন তাতে আরোই শক্তি সংগ্রহ করেছে। সত্যি, আমার মেয়েই হয়েছে বটে রঙিন। আমি তো ওর চেয়েও অনেক বেশি নিরাশ্রয় ছিলুম।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleজরা হটকে এবং অন্যান্য – নবনীতা দেবসেন
    Next Article তিতলি – নবনীতা দেবসেন

    Related Articles

    নবনীতা দেবসেন

    মায়া রয়ে গেল – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    নবনীতা দেবসেনের গল্প

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    করুণা তোমার কোন পথ দিয়ে – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    হে পূর্ণ, তব চরণের কাছে – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    ভ্রমণের নবনীতা – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    নবনীতা দেবসেন

    ভ্রমণ সমগ্র ১ – নবনীতা দেবসেন

    September 1, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }