Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইহুদি প্রশ্নে – কার্ল মার্কস

    জাভেদ হুসেন এক পাতা গল্প116 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ২. ব্রুনো বাউয়ের, “বর্তমান দিনের ইহুদি এবং খ্রিষ্টানের স্বাধীন হওয়ার সামর্থ্য।” (পৃষ্ঠা-৫৬-৭১)

    বাউয়ের এমনি আঙ্গিকে ইহুদি আর খ্রিষ্টান ধর্ম এবং একই সাথে সমালোচনার সঙ্গে তাদের সম্পর্ক নিয়ে কারবার করেন। সমালোচনার সঙ্গে তাদের সম্পর্ক হলো “মুক্ত হওয়ার সামর্থ্যের সঙ্গে” সম্পর্ক।

    এ থেকে ফলাফল যেখানে উপনীত হয়:

    মুক্ত হতে গেলে ‘ধর্মকে একেবারে ত্যাগ করবার জন্য খ্রিষ্টানদের কেবল একটা বাধাই টপকাতে হবে, তা হলো তাদের ধর্ম’। ‘অপরদিকে ইহুদিদের কেবল তার ইহুদিয়ানা স্বভাব ছেড়ে আসলেই হবে না, একই সাথে তার ধর্মকে সম্পূর্ণ করবার দিকে তার বিকাশ, যে বিকাশ তার কাছে বিজাতীয় তাও ছেড়ে আসতে হবে।’ (পৃষ্ঠা-৭১ )

    এভাবে বাউয়ের ইহুদি মুক্তির সমস্যাটিকে আগাগোড়া ধর্মীয় সমস্যা বানিয়ে ফেলেন। ইহুদি আর খ্রিষ্টানের মাঝে কার নাজাত পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি—এই পুরাতন ধর্মতাত্ত্বিক প্রশ্নটিকেই আলোকিত রূপে আবার পেশ করা হলো: তাদের মধ্যে কে মুক্ত হতে বেশি সক্ষম। প্রশ্নটি আর এই নয় যে, ইহুদি কিংবা খ্রিষ্টান ধর্মই কি মানুষকে মুক্তি দেয়? প্রশ্নটি বরং এখন এরকম হয়ে গেল: ইহুদিয়ানা অথবা খ্রিষ্টানত্ব— কোনটির অস্বীকৃতি মানুষকে বেশি মুক্ত করে?

    “ইহুদি’রা যদি মুক্ত হতে চায়, তবে তাদের খ্রিষ্টানত্বে বিশ্বাস ঘোষণা করলে চলবে না, ঘোষণা করতে হবে খ্রিষ্টানত্ব এবং সাধারণভাবে ধর্মের অবলোপনে, মানে আলোকায়নে ও সমালোচনায় বিশ্বাস। যার ফল হচ্ছে মুক্ত মানবতার বিশ্বাস।” (পৃষ্ঠা-৭০)

    ইহুদিদের জন্য এখনো তা এক বিশ্বাস কবুল করবার বিষয়, কিন্তু তা আর খ্রিষ্টানত্ব কবুল করবার নয়, খ্রিষ্টানত্ব’র অবলোপনে বিশ্বাস।

    বাউয়ের ইহুদিদের কাছে খ্রিষ্টান ধর্মের সারসত্ত্বা ছেড়ে আসার দাবি জানান, যে দাবি তার নিজের মতেই ইহুদিবাদের বিকাশ হতে জন্মায়নি।

    যেহেতু বাউয়ের তার ইহুদি প্রশ্ন রচনার শেষে ইহুদিবাদকে খ্রিষ্টানত্বের নিছক এক আকাট ধর্মীয় সমালোচনা হিসেবে বুঝেছেন, ফলত তার কাছে শুধু এর ধর্মীয় বৈশিষ্ট্যই বিদ্যমান, কাজে কাজেই বোঝাই যায়, ইহুদিদের মুক্তির ব্যাপারটিকেও তিনি দার্শনিক-ধর্মতাত্ত্বিক এক কাজ বানিয়ে ছাড়বেন। বাউয়ের মনে করেন, ইহুদিদের অমূর্ত, আদর্শ স্বভাব, তাদের ধর্মই তাদের সমগ্র বৈশিষ্ট্য। তাই তিনি সঠিকভাবেই উপসংহার টানেন যে:

    “ইহুদিরা যদি তাদের সংকীর্ণ আইন, সমগ্র ইহুদিবাদকে নিশ্চিহ্ন করে দেয় তবু তাতে মানবজাতির সামান্য কিছুও পাওয়া হয় না।” (পৃষ্ঠা-৬৫)

    একইভাবে ইহুদি আর খ্রিষ্টানদের মাঝের সম্পর্ক যা দাঁড়ায় তা হলো: ইহুদিদের মুক্তিতে খ্রিষ্টানদের একমাত্র স্বার্থ হলো সাধারণ মানবিক এক তাত্ত্বিক স্বার্থ। ইহুদিবাদ এমন এক ব্যাপার, যা খ্রিষ্টানদের ধার্মিক চোখে বালির মতো যন্ত্রণা দেয়। তাদের চোখ আর ধার্মিক না থাকলে ব্যাপারটাও আর ঝামেলাজনক থাকে না। মোদ্দা কথা, ইহুদিদের মুক্তিতে খ্রিষ্টানদের কিছু করবার নেই।

    অপরদিকে নিজেদের মুক্ত করবার খাতিরে ইহুদিদের শুধু নিজের কাজটা সারলেই চলবে না। তার সঙ্গে খ্রিষ্টানদের কাজও শেষ করতে হবে (মানে যীশুর জীবন এবং সিনোপেটিক ইতিহাসের পর্যালোচনা, ইত্যাদি)। “এটা তাদের নিজেদেরই মোকাবেলা করতে হবে, তাদের ভাগ্য তাদেরই নির্ধারণ করতে হবে; কিন্তু ইতিহাস নিয়ে তো ছেলেখেলা করা যায় না।” (পৃষ্ঠা ৭১)

    আমরা চেষ্টা করছি সমস্যাটির ধর্মতাত্ত্বিক সূত্রায়নটা ভেঙে বের হয়ে আসতে। আমাদের জন্য ইহুদিদের মুক্তি অর্জনের সামর্থ্যের প্রশ্নটা যে প্রশ্নে রূপান্তরিত হয়েছে তা হলো: ইহুদিবাদ নিশ্চিহ্ন করতে হলে কোন বিশেষ সামাজিক উপাদান অতিক্রম করতে হবে? কারণ মুক্তির জন্য আজকের দিনের ইহুদিদের সামর্থ্য হলো আজকের দুনিয়ার মুক্তির সঙ্গে ইহুদিবাদের সম্পর্ক। এই সম্পর্ক অনিবার্যভাবেই প্রবাহিত হয় আজকের শৃঙ্খলিত দুনিয়ার মাঝে ইহুদিদের নির্দিষ্ট অবস্থান হতে।

    বাউয়ের-এর মতো কাঠমোল্লা ইহুদিদের না নিয়ে জাগতিক, প্রতিদিনের ইহুদি নিয়ে আলোচনা চালানো যাক।

    ইহুদিদের রহস্য তার ধর্মের মাঝে না খুঁজে বরং বাস্তব ইহুদিদের মাঝে তার ধর্মের রহস্য খোঁজা যাক।

    ইহুদিবাদের জাগতিক ভিত্তি কি? ব্যবহারিক প্রয়োজন, আত্মস্বার্থ।

    ইহুদিদের জাগতিক ধর্ম কি? ফেরিবাজি। তার জাগতিক ঈশ্বর কে? টাকা।

    বেশ! তাহলে ফেরিবাজি আর টাকা হতে মুক্তি, ফলে ব্যবহারিক, বাস্তব ইহুদিবাদ হতে মুক্তিই হবে আমাদের কালের আত্মমুক্তি।

    ফেরিবাজি, ফেরিবাজির সম্ভাবনা যে ভিত্তির ওপর টিকে থাকে – সেই ভিত্তি নিশ্চিহ্ন করতে পারে এমন সামাজিক গঠন তৈরি করলে ইহুদি হওয়া অসম্ভব হয়ে যাবে। তার ধর্মীয় চৈতন্য এক অরুচিকর আবরণের মতো সমাজের স্বাস্থ্যকর হাওয়ায় মিলিয়ে যাবে। অন্যদিকে, যদি ইহুদিরা বুঝতে পারে যে তার এই ব্যবহারিক স্বভাব চরিত্র অকাজের, এবং তা নিশ্চিহ্ন করতে সে কাজ করে, তাহলে সে তার আগের বিকাশের ধারা হতে সরে এসে প্রকৃত অর্থে মানব মুক্তির পক্ষে কাজ করবে, মানব আত্ম-বিচ্ছিন্নতার চূড়ান্ত ব্যবহারিক প্রকাশের বিরুদ্ধে ঘুরে দাঁড়াবে।

    আমরা তাই ইহুদিবাদের মাঝে বর্তমান কালের এক সার্বিক ও সাধারণ সমাজবিরোধী উপাদান চিহ্নিত করি, যে ক্ষতিকর উপাদানকে ঐতিহাসিক বিকাশের মাঝ দিয়ে যেখানে ইহুদিরাও আগ্রহভরে অবদান রেখেছে, তার বর্তমান চূড়ায় নিয়ে আসা হয়েছে, অবশ্যই তা এখন ছিন্ন-বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়া শুরু হওয়া দরকার।

    শেষ বিচারে ইহুদিদের মুক্তি হচ্ছে ইহুদিবাদ হতে মানবজাতির মুক্তি। ইহুদিরা ইতোমধ্যেই ইহুদিয়ানা তরিকায় নিজেকে মুক্ত করে ফেলেছে।

    “যে ইহুদিদের ভিয়েনাতে একমাত্র সহ্য করা হয়, তারা গোটা সাম্রাজ্যের ভাগ্য নির্ধারণ করে তার আর্থিক ক্ষমতা দিয়ে। যে ইহুদির হয়তো জার্মানির সবচেয়ে ছোট রাজ্যেও কোনো অধিকার নেই সে ভাগ্য নির্ধারণ করে ইউরোপের। গিল্ড বা কর্পোরেশনগুলো যখন তাকে গ্রহণ করতে অস্বীকার করে বা তখনও পর্যন্ত সুনজরে দেখে না, তখন শিল্পকারখানার চিতিয়ে রাখা বুক মধ্যযুগীয় সংগঠনগুলোর একগুয়েমিকে পরিহাস করে। (ইহুদি প্রশ্ন, পৃষ্ঠা-১১৪)

    ঘটনাটা বিচ্ছিন্ন কিছু নয়। ইহুদিরা ইহুদিয়ানা তরিকায় নিজেকে মুক্ত করে ফেলেছে তা শুধু আর্থিক ক্ষমতা অর্জন করেই নয়, একই সাথে এর কারণ হচ্ছে – তার মাধ্যমে তো বটেই, তার বাইরেও টাকা এখন বিশ্বশক্তি হয়ে গেছে, আর ব্যবহারিক ইহুদির মরম হয়ে গেছে খ্রিষ্টান জনগণের ব্যবহারিক মরম। খ্রিষ্টানরা যতটুকু ইহুদি হয়েছে ইহুদিরাও ততটুকু নিজেকে মুক্ত করতে পেরেছে।

    যেমন, কাপ্তান হ্যামিলটন জানান:

    “ধর্মভীরু এবং রাজনৈতিকভাবে মুক্ত নিউ ইংল্যান্ডের অধিবাসীরা যেন সাপের চোখে তাকিয়ে সম্মোহিত হয়ে আছে। যে সাপ তাদের পিষে ফেলছে তার থেকে ছাড়া পেতে তাদের বিন্দুমাত্র চেষ্টা নেই। কুবের তার দেবতা, যাকে সে কেবল তার মুখ দিয়ে নয়, তার দেহ-মনের সর্বশক্তি দিয়ে উপাসনা করে। দুনিয়া তার কাছে স্টক এক্সচেঞ্জ ছাড়া আর কিছু নয়, প্রতিবেশীর চাইতে বেশি ধনী হওয়া ছাড়া দুনিয়াতে তার আর কোনো উদ্দেশ্য নেই। বাণিজ্যের ভূত তাকে এমনভাবে আছর করেছে যে, সে লেনদেন করা ছাড়া বিশ্রাম পায় না। বেড়াতে গেলে সে যেন দোকান, ক্যাশ বাক্স কাঁধে নিয়ে বের হয়, লাভ-মুনাফা ছাড়া তার আর কোনো কথা নেই। যদি সে ক্ষণিকের জন্যও নিজের ব্যবসা থেকে চোখ সরায় তার একমাত্র কারণ অন্যের ব্যবসায় নাক গলানো। (বিউম, প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা-১৮৫-১৮৬)

    আদতেই উত্তর আমেরিকায় খ্রিষ্টান জগতের ওপর ইহুদিবাদের দাপটের চেহারা এত সোজাসাপ্টা পরিষ্কার, এত স্বাভাবিক যে, খ্রিষ্টীয় মন্ত্রণালয় এবং খোদ সুসমাচারের ওয়াজ নসিহতই হয়ে গেছে বাণিজ্যের বিষয়। দেউলিয়া ব্যবসায়ী গিয়ে চার্চের পুরুত হয়, যেমন সফল পুরুত গিয়ে ঢোকে ব্যবসায়।

    “যে সম্মানিত পুরোহিতকে দেখতে পাচ্ছো একেবারে সামনে, তিনি শুরুতে ছিলেন ব্যবসায়ী। তার ব্যবসায় লালবাতি জ্বললো, তিনি হয়ে গেলেন পুরুত। অন্যরা ছিলেন পুরোহিত। কিছু টাকা হাতে জমতেই সব ছেড়ে তিনি ব্যবসা শুরু করলেন। ধর্মীয় মন্ত্রণালয় বহু লোকের কাছেই বেশ ভালো একটা পেশা।” (বিউমঁ, প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ১৮৫-১৮৬)

    বাউয়ের দৃষ্টিতে এ এক :

    “আজগুবি কায়-কারবার। তত্ত্বে ইহুদিরা রাজনৈতিক অধিকার বঞ্চিত, কিন্তু বাস্তবে তার ক্ষমতা বিশাল। বৃহত্তর বলয়ে যে তাকে ব্যক্তি বলে মানে না তার ওপরেই সে রাজনৈতিক প্রভাব খাটায়। (বাউয়ের, ইহুদি প্রশ্ন, পৃষ্ঠা ১১৪ )

    ইহুদিদের ব্যবহারিক রাজনৈতিক ক্ষমতা আর তার রাজনৈতিক অধিকারের দ্বন্দ্ব হলো রাজনীতি আর সাধারণ আর্থিক ক্ষমতার মাঝের দ্বন্দ্ব। যদিও তাত্ত্বিকভাবে রাজনীতি আর্থিক ক্ষমতার চাইতে শ্রেষ্ঠ, কিন্তু বাস্তবে সে তার দাস।

    ইহুদিবাদ শুধু খ্রিষ্টানত্বের পর্যালোচনা আর তার উৎস সম্পর্কে সন্দেহের এক মূর্ত রূপ হিসেবেই তার পাশাপাশি চলেছে এমন নয়। তার আরো কারণ হচ্ছে ব্যবহারিক ইহুদি মরম—মানে ইহুদিবাদ খ্রিষ্টান সমাজেই টিকে থেকেছে, এমন কি সেখানেই তার বিকাশের চূড়ান্ত সীমা স্পর্শ করেছে। সিভিল সমাজের বিচ্ছিন্ন সদস্য যে ইহুদি, সে কেবল সিভিল সমাজের নির্দিষ্ট ইহুদিয়ানারই প্রকাশ।

    ইহুদিবাদ ইতিহাসের বিরোধ হিসেবে নয় বরং ইতিহাসকে অবলম্বন করেই টিকে আছে।

    সিভিল সমাজ তার নাড়িভুড়ি হতেই বিরামহীনভাবে ইহুদি জন্ম দেয়।

    ইহুদি ধর্মের নিজের ভিত্তি কি ছিল? ব্যবহারিক প্রয়োজন, আত্মপরায়ণতা।

    ইহুদি একত্ববাদ তাই বাস্তবে বহু প্রয়োজনের বহুত্ববাদ, যে বহুত্ববাদ এমন কি হাতমুখ ধোয়ার জায়গাকেও শরিয়তের বিষয় করে ফেলে। ব্যবহারিক প্রয়োজন, আত্মপরায়ণতা সিভিল সমাজেরই নীতি, আর তা নিখাদভাবে স্পষ্ট হয়ে যায় যখন সিভিল সমাজ সম্পূর্ণভাবে রাজনৈতিক রাষ্ট্রের জন্ম দেয়। ব্যবহারিক প্রয়োজন আর আত্ম-স্বার্থের দেবতা হলো টাকা।

    টাকা হলো ইসরাইলের হিংসুক ঈশ্বর, সে আর কোনো দেবতাকে সহ্য করে না। টাকা মানুষের আর সব দেবতার জাত নষ্ট করে তাকে বাজারের মাল বানিয়ে ছাড়ে। টাকা হলো সব জিনিসের সার্বিক, স্বপ্রতিষ্ঠিত মূল্য। ফলে সে মানুষ আর প্রকৃতি, উভয় জগতেরই বিশেষ মূল্য লুট করে নিয়েছে। টাকা হলো মানুষের কাজ আর অস্তিত্বের বিচ্ছিন্নকৃত সারসত্ত্বা। এই বিজাতীয় সারসত্ত্বা তাকে শাসন করে, আর সে তারই পূজা করে যায়।

    ইহুদিদের দেবতা ইহজাগতিক হয়ে গেছে, বনে গেছে পৃথিবীর ঈশ্বর। বিনিময় বিল হচ্ছে ইহুদিদের সত্যিকারের দেবতা। তার দেবতা এক মায়াবী বিনিময় বিল ছাড়া আর কিছু নয়।

    ব্যক্তিসম্পত্তি আর টাকার রাজত্বে প্রকৃতি নিয়ে যে ধারণা দাঁড়িয়েছে তাতে প্রকৃতির অবমাননা আর দুর্গতির শেষ নেই! ইহুদি ধর্মে প্রকৃতি আছে, তবে তা কেবল কল্পনায় বিরাজ করে।

    এই জায়গা থেকেই (১৫২৪ সালের একটি পুস্তিকায়) টমাস ম্যুনৎসেরের কাছে অসহ্য বোধ হয়েছিল যে,

    “সমস্ত জীবজন্তুও সম্পত্তিতে পরিণত হয়েছে, জলের মাছ, আকাশের পাখি, মাটির ওপর গাছ; সমস্ত প্রাণশীল অস্তিত্বকেও অবশ্যই মুক্ত হতে হবে।”

    ইহুদি ধর্মে যা অমূর্ত রূপে উপস্থিত (তত্ত্ব, শিল্প, ইতিহাস, মানুষের জন্য মানুষ—এসবের প্রতি বিতৃষ্ণা) তাই টাকাওয়ালা মানুষের বাস্তব, সচেতন অবস্থান, তার গুণ। খোদ প্রজাতি সম্পর্ক, নর-নারীর মাঝের সম্পর্কও বাণিজ্যের বিষয় হয়ে যায়! ফলে নারীও পরিণত হয় বেচা-কেনার সামগ্রীতে।

    ইহুদিদের কিম্ভূত জাতীয়তা বেনিয়াদের, সাধারণভাবে টাকাওয়ালাদের জাতীয়তা।

    ইহুদিদের ভিত্তিহীন আইন কেবল আত্মস্বার্থে নিজেকে ঘিরে রাখা নিখুঁত কেতাবি আচার-অনুষ্ঠানের, সাধারণভাবে ভিত্তিহীন নৈতিকতা আর অধিকারের ধর্মীয় সঙ মাত্ৰ।

    এখানেও মানুষের চূড়ান্ত সম্পর্ক আইনি ব্যাপার মাত্র, আর এই আইনের সাথে তার সম্পর্কের গ্রাহ্যতা আইনগুলো তার নিজ ইচ্ছা আর স্বভাবের সাথে যায় বলে মোটেই তা নয়, বরং এই কারণে যে এগুলো দাপুটে আইন, আর তার বাইরে গেলে প্রতিশোধের শিকার হতে হবে।

    বাউয়ের তালমুদে যে ইহুদি যেসুইট’পনা খুঁজে পান, সেই ব্যবহারিক যেসুইট’পনাই আসলে দুনিয়াকে দাবিয়ে রাখা আইনের সাথে খোদ-গরজি দুনিয়ার সম্পর্ক, যেসব আইনকে ধূর্ততার সাথে লঙ্ঘন করাই এই জগতের সবচেয়ে বড় শিল্প।

    আদতেই এই আইনি ছকের মাঝে এই দুনিয়ার চলাফেরা মানে ক্রমাগত ঐ আইনকেই বুড়ো আঙ্গুল দেখানো।

    ইহুদিবাদ ধর্ম হিসেবে, তাত্ত্বিকভাবে আর বিকাশ লাভ করতে পারেনি, কারণ ব্যবহারিক প্রয়োজনের বিশ্ববীক্ষা সীমাবদ্ধ হতে বাধ্য, দু’চার ঝাপটাতেই তা শেষ হয়ে যায়।

    ব্যবহারিক প্রয়োজনের ধর্ম স্বভাববশেই তত্ত্বে নয়, প্রয়োগে তার পূর্ণতা পায়, এর কারণ সোজা কথায় প্রয়োগই হলো তার আসল সত্য।

    ইহুদিবাদ নতুন দুনিয়া সৃষ্টি করতে পারে নি; সে কেবল তার নিজ ক্রিয়াকর্মের চৌহদ্দিতে জগতের নতুন সৃষ্টি এবং শর্তসমূহকেই জড়ো করতে পারতো। কারণ আত্মস্বার্থই যার যুক্তি সেই ব্যবহারিক প্রয়োজন হচ্ছে আসলে পরোক্ষ এক ব্যাপার, সে নিজ পছন্দমতো দিকে নিজেকে বাড়াতে অক্ষম, কিন্তু খোদ সমাজ শর্তের ক্রমাগত বিকাশের দাগ ধরেই তা বাড়তে থাকে। সিভিল সমাজের সম্পূর্ণতার সাথেই ইহুদিবাদ তার শিখরে পৌঁছে, কিন্তু কেবলমাত্র খ্রিষ্টান জগতেই সিভিল সমাজ নিখুঁত হয়েছে। আসলে কেবল খ্রিষ্টানত্বের আধিপত্যেরকালেই (যা সব জাতিগত, স্বভাবগত, নীতিগত এবং তত্ত্বগত শর্তগুলোকে মানুষের কাছে বাহ্যিক করে দেয়) সিভিল সমাজ রাষ্ট্রজীবন হতে পুরোপুরি নিজেকে মুক্ত করে, মানুষের সমস্ত প্রজাতি বন্ধন ছিন্ন করে তার জায়গায় এনেছে অহংবাদ আর স্বার্থপর প্রয়োজনকে এবং মানব জগতকে অবলুপ্ত করেছে একে অপরের সাথে দুশমনের মতো লড়তে থাকা টুকরো মানুষের জগতে।

    খ্রিষ্টানত্ব জন্ম নিলো ইহুদিবাদ হতে। সে আবার ইহুদিবাদেই মিলিয়ে গেল।

    শুরু থেকে খ্রিষ্টানরা ছিল তত্ত্ব করা ইহুদি, ইহুদিরা তাই ছিল হাতে- কলমের খ্রিষ্টান আর হাতে-কলমের খ্রিষ্টান আর একবার ইহুদি হয়ে গেল। খ্রিষ্টানত্ব বাস্তব ইহুদিবাদ অতিক্রম করেছে কেবল ছায়ায়। সে এতই মহৎ, এতই মরমী যে ব্যবহারিক প্রয়োজনের স্থূলতা বিনাশ করতে গিয়ে সেই প্রয়োজন আসমানে তুলে দেয়া ছাড়া তার করবার কিছু ছিল না।

    খ্রিষ্টানত্ব হচ্ছে ইহুদিবাদের মহিমান্বিত চিন্তা, আর ইহুদিবাদ হচ্ছে খ্রিষ্টানত্বের সাধারণ ব্যবহারিক প্রয়োগ, কিন্তু এই প্রয়োগ সার্বিক হয়ে উঠতে পেরেছে কেবলমাত্র তখনই যখন একটি বিকশিত ধর্ম হিসেবে খ্রিষ্টানত্ব প্রকৃতি এবং খোদ নিজের কাছ থেকে মানুষের বিচ্ছিন্নতাকে তত্ত্বগতভাবে সম্পন্ন করেছে।

    একমাত্র তখনই ইহুদিবাদ সার্বিক আধিপত্য অর্জন করতে পারল, আর পাল্টে ফেললো বিজাতীয়কৃত মানুষ ও প্রকৃতিকে বিজাতীয়যোগ্য, বিক্রয়যোগ্য বিষয়ে, যা কিনা আসলে অহংবাদী প্রয়োজন আর বাজারেরই দাস।

    বেচা-বিক্রি হলো বিজাতীয়তার ব্যবহারিক দিক। যেমন মানুষ যতক্ষণ ধর্মের খপ্পরে থাকে, ততক্ষণ সে তার আবশ্যিক স্বভাবকে বিষয়কৃত করতে পারে শুধুমাত্র সেটিকে এক বিজাতীয়, কাল্পনিক সত্ত্বায় পর্যবসিত করে। একইভাবে, অহংবাদী প্রয়োজনের অধীনে থাকলে সে তার কাজ, তার উৎপন্নকে এক বিজাতীয় সত্ত্বার অধীনে এনে, তার ওপর এক বিজাতীয় অস্তিত্বের তাৎপর্য আরোপ করেই কেবল নিজে বাস্তবে সক্রিয় হতে পারে। সেই বিজাতীয় সত্ত্বার নামই টাকা।

    তার সর্বাধিক নিখুঁত চর্চায় বেহেশতি আশিষের খ্রিষ্টান অহংবাদ অবশ্যম্ভাবী রূপেই ইহুদিদের বস্তুগত আত্মসর্বস্বতায় পাল্টে যায়, বেহেশতি বাসনা বদলায় দুনিয়াবি অভাবে, বিষয়ীবাদ হয়ে যায় আত্মস্বার্থ। আমরা ইহুদিদের একগুঁয়েমি তার ধর্ম দিয়ে ব্যাখ্যা করি না, ব্যাখ্যা করি তার ধর্মের মানব ভিত্তি (বাস্তব প্রয়োজন, আত্ম-সর্বস্বতা) দিয়ে।

    যেহেতু ইহুদিদের সত্যিকারের স্বভাব সার্বিকভাবে সিভিল সমাজে বাস্ত বায়িত ও ইহজাগতিককৃত হয়েছে, ফলে সিভিল সমাজের পক্ষে তাকে তার ধর্মীয় স্বভাবের অবাস্তবতা বোঝানো সম্ভব নয় যে অবাস্তবতা আসলে কেবল বাস্তব প্রয়োজনেরই ভাবগত দিক। ফলে কেবল তাওরাত আর তালমুদেই নয়, হাল আমলের সমাজেও কোন বিমূর্ততা ছাড়াই একেবারে সর্বোচ্চ মাত্রার অভিজ্ঞতায় আধুনিক ইহুদির যে স্বভাব খুঁজে পাওয়া যায়, তা কেবল ইহুদিদের সংকীর্ণতা হিসেবে নয়, একই সাথে সমাজের ইহুদিয়ানা সংকীর্ণতা হিসেবেও।

    একবার সমাজ ইহুদিবাদের প্রয়োগবাদী সারসত্ত্বা বিনাশ করতে সমর্থ হলে (মানে ফেরিবাজি ও তার পূর্বশর্তসমূহ) তখন ইহুদি হয়ে থাকাই হবে অসম্ভব। কারণ তার চৈতন্যের আর কোনো বিষয় থাকবে না, ইহুদিবাদের বিষয়ীগত ভিত্তি, বাস্তব প্রয়োজনগুলো তখন মানবিক হয়ে যাবে, ব্যক্তিক সংবেদনগত অস্তিত্ব এবং তার প্রজাতি-অস্তিত্বের দ্বন্দ্ব নির্মূল হয়ে যাবে।

    ইহুদিদের সামাজিক মুক্তি হলো সমাজের ইহুদিবাদ হতে মুক্তি।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleলাভ ক্যান্ডি – জাফর বিপি
    Next Article নয় এ মধুর খেলা – জাহানারা ইমাম
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }