Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইহুদী জাতির ইতিহাস ২ (ইসরাইলের উত্থান-পতন) – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

    লেখক এক পাতা গল্প270 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায়-১৬ : স্পেনের খ্রিস্টান রাজত্বে

    স্পেন, পর্তুগাল আর এন্ডোরা মিলিয়ে আইবেরীয় বা ইবেরীয় উপদ্বীপ। এটি ইউরোপের দ্বিতীয় বৃহত্তম উপদ্বীপ। খ্রিস্টানরা আইবেরিয়া দখল করে নেয়ার পর স্পেনের সেফার্দি ইহুদীরা মুসলিম ভূমিতে এসে ইউরোপীয় অভ্যাসগুলোর অনেক কিছুই ধরে রাখে। ইহুদীরা নানা রকমের পেশার কাজ করত তখন। দোকানদারি, কারিগর, ওষুধপত্র, মহাজনি, ইত্যাদি। তাদের সমাজে শ্রেণীবৈষম্য ঢুকে যায়, অনেক ইহুদীই তখন বেশ গরিব। তবে একটি ছোট অংশ রাজদরবারে কাজ করতেন প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে।

    স্প্যানিশ ইহুদী আর উত্তর ইউরোপের ইহুদীদের মাঝে কিছু মিল ছিল। স্বায়ত্তশাসিত ছোট ছোট ধর্মীয় সমাজকে আরবিতে ‘আলজামা’ বলা হতো, ঠিক যেমনটা হিব্রুতে ‘ক্বাহাল’ বলা হতো। স্পেন আর পর্তুগালের পুরনো নথিপত্র ঘাঁটলে আমরা এ ‘আলজামা’-র হদিস পাই। সেখানে মুসলিমদেরকে ‘মুর’ (The Moors) বলা হতো। ইহুদী ও মুরদের সমাজকে আলজামা বলে ডাকা হতো। প্রত্যেক আলজামারই অর্থনৈতিক আর বিচারভিত্তিক স্বাধীনতা ছিল। তবে খ্রিস্টান শাসনের চেয়ে মুসলিম শাসনের অধীনে ত্রয়োদশ শতকের ইহুদীরা বেশি উন্নতি করে, সোজা কথায়, তারা বেশি আরামে ছিল। ইসলামি শাসনতন্ত্রের অধীনে, স্প্যানিশ বা আন্দালুসিয়ার ইহুদীরা নানা বিষয়ে পড়ালেখা করতে থাকে, হোক সেটা ধর্মীয় কিংবা বিজ্ঞানভিত্তিক। যে সময়টার কথা বলা হচ্ছে, তখনও ফার্দিনান্দ আর ইসাবেলার নৃশংসতা শুরু হয়নি।

    কিন্তু চতুর্দশ শতকের শেষ দিকে রাজনৈতিক অস্থিরতা বেড়ে যায়। আইবেরীয় অঞ্চলের ক্যাস্টিল (Castile) এবং অ্যারাগন (Aragon) নামের শক্তিশালী দুটো খ্রিস্টান রাজ্যে ইহুদীদেরকে পাইকারিভাবে হত্যা করা শুরু হয়। প্রাণভয়ে হাজার হাজার ইহুদী ১৩৯১ সালে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করে। দুই দশক পর, ১৪১২ সালে স্প্যানিশ শাসকেরা ক্যাস্টিলীয় আইন প্রয়োগ করতে শুরু করেন, যার ফলশ্রুতিতে খ্রিস্টানদের থেকে ইহুদীদের বসতবাড়ি আর এলাকা আলাদা করে দেয়া হয়।

    ১৪১৩-১৪১৪ সালে স্পেনের অ্যারাগনের কাতালনিয়াতে অবস্থিত তরতোসা শহরে খ্রিস্টান আর ইহুদীদের মাঝে একটি বাহাস বা বিতর্কের আয়োজন করা হয়। অবশ্য, ইহুদী সূত্রে এ বাহাসকে স্বাধীন বাহাস বলা হয় না, বরং ইহুদীদের দমন করার ষড়যন্ত্রই বলা হয়। এই বাহাসের আলোচ্য বিষয় ছিল ‘মেসায়া’ বা ‘খ্রিস্ট’। ইহুদীদের দিক থেকে অংশ নেন প্রোফিয়াত দুরান, ইয়োসেফ আলবো, আর র‍্যাবাইনিক স্কলার মোশে বেন আব্বাস এবং আসক্রক হা-লেভি, প্রমুখ; একেকজন একেক ইহুদী সমাজ থেকে আসা। অন্যদিকে খ্রিস্টানদের মধ্য থেকে যারা অংশ নিয়েছিলেন, তাদের মধ্যে বিখ্যাত ছিলেন ভিনসেন্ট ফেরার। বিতর্কের ফলাফল ঘোষণা করা হয় খ্রিস্টানদের পক্ষে। ফলে, অ্যান্টিপোপ বেনেডিক্ট আদেশ করেন যে ইহুদীদের সকল তালমুদের কপি সেন্সর করার জন্য কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দিতে হবে। ইহুদীদের ওপর ধর্মান্তরের চাপ তো চলতেই থাকে, তবে সেটা সরকারিভাবে না। তবে আগে যাদেরকে জোর করে খ্রিস্টান করা হয়েছিল, তাদেরকে স্বাধীনতা দেয়া হলো, তারা চাইলে নিজ ধর্মে ফিরে যেতে পারে এখন। খ্রিস্টান সেই বিতার্কিক ভিনসেন্ট ইহুদী সমাজে গিয়ে গিয়ে তার ধর্মীয় বক্তৃতা দিতে থাকলেন। তাকে পরবর্তীতে ক্যাথোলিক চার্চ সেইন্ট হিসেবে ঘোষণা করে- সেইন্ট ভিনসেন্ট।

    তরতোসার বাহাসের পর যারা খ্রিস্টান হয়ে গেল, তাদের অনেকেই সরকারি উচ্চপদে চাকরি পেল। ইহুদী থেকে যারা খ্রিস্টান হয়েছিল তাদেরকে ডাকা হতো ‘কনভার্সো’ (converso)। আর যারা নিজের ধর্ম ধরে রাখলো, তারা নতুন করে ইহুদী সমাজকে সংস্কার করতে লাগলো। আলজামাগুলো নতুন করে গড়া হলো, ক্যাস্টিলের নানা জায়গায় নতুন নতুন ইহুদী সমাজের উত্থান হলো।

    পঞ্চদশ শতকে ইহুদী-বিরোধী অনুভূতি আবারও জেগে উঠলো স্প্যানিশ খ্রিস্টানদের মাঝে। প্রথম দিকে এই ঘৃণা কেবল কনভার্সোদের বিরুদ্ধেই ছিল, ইহুদী থেকে খ্রিস্টান হওয়া এ লোকগুলো কর সংগ্রাহকের কাজ করত। তাদের প্রতি এ বিরুদ্ধাচারণের পেছনে যুক্তি হিসেবে বলা হতো, এরা মন থেকে খ্রিস্টান হয়নি। যারা গোপনে ইহুদী রয়ে গেছে বলে প্রমাণ পাওয়া যেত বা সন্দেহ করা হতো তাদেরকে ‘মারানো’ (marrano) বলা হতো। এটা কেবল ইহুদীদের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য না, বরং নির্যাতিত মুসলিমদের ক্ষেত্রেও একই কথা। তাদের মাঝেও যারা প্রকাশ্যে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করেছে নির্যাতনের হাত থেকে বাঁচতে, কিন্তু গোপনে ইসলাম পালন করে গিয়েছে, তাদেরকেও ‘মারানো’ ডাকা হতো।

    ১৪৭৪ সাল থেকে ক্যাস্টিলের রানী ছিলেন ইসাবেলা, আর ১৪৭৯ সাল থেকে অ্যারাগনের রাজা হন ফার্দিনান্দ। এ দুজনে স্বামী স্ত্রী হওয়াতে, ইসাবেলা যেমন একই সাথে অ্যারাগনের রানী ছিলেন, তেমনই ফার্দিনান্দ ছিলেন ক্যাস্টিলের রাজা, অন্তত ১৫০৪ সালে ইসাবেলা মারা যাওয়া পর্যন্ত। এরা দুজন খ্রিস্টান ব্যানারে একত্রিত করেন স্পেনকে, এ কারণে অনেকসময় ইসাবেলাকে স্পেনের প্রথম রানীও বলা হয়। তাদেরকে একত্রে ক্যাথোলিক মনার্ক (সম্রাট- সম্রাজ্ঞী) ডাকা হতো, পোপ চতুর্থ আলেকজান্ডার তাদেরকে এ উপাধি দেন। গত শতকে, ১৯৭৪ সালে তাদেরকে ক্যাথোলিক চার্চ ‘ঈশ্বরের সেবক’ উপাধি দেয়। তাদের কথা আনার কারণ, একটু আগে বলা সেই ‘মারানো’ ইস্যুতে তারা নাক গলাতে শুরু করেন রাজা-রানী হিসেবে। সরকারিভাবে ১৪৮০ সালে এ দুজন ‘মারানো’ হবার অভিযোগ সত্য কি না, তা যাচাইয়ের নামে ইতিহাসের কালো অধ্যায় ‘ইনকুইজিশন’-এর সূচনা করেন।

    মুসলিমদের পাশাপাশি হাজার হাজার ইহুদী থেকে খ্রিস্টান হওয়া কনভার্সোকে সন্দেহের বশেই শাস্তি দেয়া শুরু হলো। যারা অনুতপ্ত হলো না, তাদেরকে পুড়িয়ে মারা হলো। ১৪৮০-র দশকে, কয়েকজন ‘মারানো’ এক খ্রিস্টান বালককে খুন করে তার হৃৎপিণ্ড দিয়ে জাদুবিদ্যা করতে গিয়েছিল—এমন অদ্ভুত অভিযোগ এনে জোর করে ইনকুইজিশনে জবানবন্দী আদায় করা হয়েছিল।

    সাম্রাজ্য জুড়ে ইনকুইজিশন শুরুর আগেই ১৪৭৮ সালে ক্যাস্টিলীয় ইনকুইজিশন শুরু হয়ে গিয়েছিল, এবং তাতে পোপের আদেশ বা সম্মতি ছিল। এর চার বছর পর সেভিয়াতে (Seville) প্রথম ট্রাইবুনাল কাজ শুরু করে। ট্রাইবুনালের অনুরোধে, ত্রিশ দিনের ‘এডিক্ট অফ গ্রেস’ ঘোষণা করা হলো- এ ত্রিশ দিনের মধ্যে কেউ যদি নিজে এসে অপরাধ স্বীকার করে, তাহলে তাকে অত্যাচার নির্যাতন করা হবে না। তবে তাকে অন্যদের পরিচয় ফাঁস করে দিতে হবে। আর আগের পাপের প্রায়শ্চিত্ত হিসেবে তাদেরকে চাবুকের বাড়ি, লাল-হলুদ (কিংবা কালো) সাম্বেনিতো পোশাক পরে থাকতে হবে, অথবা তাদের সম্পত্তি সরকারের হাতে তুলে দিতে হবে।

    যাদেরকে ‘মারানো’ হিসেবে সন্দেহ করা হতো, এবং অত্যাচারের মুখেও স্বীকার করত না, তাদের শেষ ঠিকানা ছিল আগুনে পুড়ে মরা। অনেক খ্রিস্টানই ভূয়সী প্রশংসা করলো এ নীতির। তাতে নির্দোষ লোক মারা গেলে তাদের কী আসে যায়! ষোড়শ শতকে ফ্রাঞ্চেস্কো পেগনা ঘোষণা করলেন, যদি নির্দোষ লোক এই ইনকুইজিশনে মারাও যায়, তবে তারা খ্রিস্টান শহীদ হবেন।

    সরকারি হিসেবে, দেড় লাখ লোককে ইনকুইজিশনে ‘জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, আর মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয় ৩,০০০ থেকে ৫,০০০ ইহুদী ও মুসলিমকে। তবে আসল সংখ্যাটা ঢের বেশি হবে। যারা শাস্তি পায়, তাদের পরিবারের কেউ কোনোদিন রূপা বা সোনার অলংকার পরতে পারবে না, সরকারি চাকরিও পাবে না- এমন নির্দেশ ছিল।

    সেভিয়াতে যারা কনভার্সো ছিল। তাদের অনেকেই নিজেদের নাম থেকে সন্দেহ দূর করার জন্য তাদের খ্রিস্টীয় বিশ্বাসকে জোরসে প্রচার করতে লাগল। ধনীদের জন্য ব্যাপারটা বরং আরও সহজ ছিল। যেমন মেসা নামের একজন ধনী কনভার্সো নবীদের ভাস্কর্য বানিয়ে সাজিয়ে ফেলে, অবশ্যই একজন ইহুদী এমনটি করতে পারে না, কারণ ইহুদী ধর্মে মূর্তি বা ভাস্কর্য নির্মাণ নিষেধ। এর দ্বারা সে প্রমাণ করতে চাইলো, সে আর ইহুদী নেই।

    ইহুদীদের হিসেবে অন্তত ৭০০ জনকে ‘হেরেটিক’ আখ্যা দিয়ে আগুনে পোড়ানো হয়। এটা ১৪৮২ সাল পর্যন্ত হিসেব। ১৪৮৩ সালে পুরো স্পেনের প্রধান ইনকুইজিটর হিসেবে নিয়োগ পান টমাস দে টর্কেমাডা, তিনি সারা দেশ জুড়েই ট্রাইব্যুনাল বসান। অবশ্য অ্যারাগনে ইনকুইজিশন বিরোধী আন্দোলন দেখা দেয়, সেখানকার ইনকুইজিটরকে হত্যা করার চেষ্টাও করা হয়। ১৪৮৬ থেকে ১৪৯০ সাল পর্যন্ত ৪,৮৫০ জন ইহুদী কনভার্সো চার্চে পুরোপুরি নিজেকে বিলিয়ে দেয় এই ইনকুইজিশনের পর। আগুনে পোড়ানো হয় প্রায় ২০০ জন মানুষকে।

    ইনকুইজিটররা জনসম্মুখে ‘মারানোদের শাস্তি দিতে পছন্দ করত। এ অনুষ্ঠানগুলোকে ‘অটো দা ফে’ ডাকা হতো। এগুলো শুরু হতো একটি ধর্মীয় বক্তৃতা দিয়ে, এরপর শাস্তির পালা।

    তবে আগুনে পোড়ানোর ঘটনাগুলো দেখভাল করত আরেকটি সেকুলার কমিটি। ১৪৮১ সালে প্রথম এমন একটি পোড়ানোর ঘটনা পাওয়া যায়। ইহুদী হিসেবে মোট প্রায় ৩০,০০০ জন আগুনে পুড়ে মারা যায়। তাহলে মুসলিমসহ আসল সংখ্যাটি কত বেশি হবে, তা চিন্তার বাইরে। ইহুদী ও মুসলিমদের ওপর এ অত্যাচার থামে, যখন তারা স্পেন ত্যাগ করতে শুরু করে। এরকম সময়ের প্রেক্ষাপটেই একটি কাল্পনিক ঘটনাকে ব্যবহার করে ‘এপ্রিল ফুল’ তত্ত্ব মুসলিম সমাজে ছড়িয়ে পড়ে গত শতকের শেষ দিকে, ইতিহাসের পাতায় যার কোনো বর্ণনা নেই।

    সত্যি কথা হলো, স্পেনের মুসলমানদের পুড়িয়ে মারার সাথে এপ্রিল ফুলের কোনো সম্পর্ক নেই। যতই মুখরোচক আর আবেগী ঘটনা মনে হোক না কেন, সেটি ছড়ানো একটি মিথ্যাচার প্রচারেরই শামিল। বরং পাঠকের দায়িত্ব সত্যটাকে জানান দেওয়া। আগুনে পুড়িয়ে মারার ঘটনা এমনিতেই হতো, আর সেটা ইনকুইজিশনের শাস্তি হিসেবে। তবে এমনিতে গণ পোড়ানোর সেই ঘটনা অসত্য।

    ১৪৯২ সালের পহেলা এপ্রিল এমন কিছুই হয়নি। বরং এর তিন মাস আগে, জানুয়ারির ২ তারিখ গ্রানাদার আমির দ্বাদশ মুহাম্মাদ রানী ইসাবেলার হাতে চাবি তুলে দিতে বাধ্য হন। পতন হয় গ্রানাদার আলহামরা (Alhambra) প্রাসাদের। যদিও মুসলিম ইতিহাস এ বইয়ের অংশ নয়, তবুও প্রাসঙ্গিকভাবে কিছু আলাপ করা যায়।

    এপ্রিল ফুল প্র্যাংকের শুরুটা ভিন্ন। পহেলা এপ্রিল তারিখে কাউকে পোড়ানো না হলেও স্পেনে যে আগে ও পরে অত্যাচার অনেক হয়েছে, এটা খুবই সত্য। এবং এ অত্যাচারে ক্যাথোলিক পোপের সমর্থন ছিল, সেটাও সত্য।

    ৭১১ সালে মুসলিমরা অধিকার করে নেয় স্পেন। না, স্পেন বলা ঠিক হচ্ছে না, স্পেনের একটা অংশ; তখন তো আর স্পেন নাম ছিল না। এ অভিযানের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন খলিফার নির্দেশে উমাইয়া কমান্ডার তারিক বিন জিয়াদ, তার কথা একটু আগে বলা হয়েছিল। এমন না যে তিনি একই বিনা সাহায্যে এই অসাধ্য সাধন করে ফেলেন। তাকে স্পেনের অন্যরাই সাহায্য করেছে। স্পেনের ক্ষমতায় তখন ছিলেন রডেরিক, তিনি এক সম্ভ্রান্ত ব্যক্তি জুলিয়ানের মেয়েকে ধর্ষণ করেন। ক্রুদ্ধ জুলিয়ান তখন তারিককে (মানে, আরবদেরকে) আমন্ত্রণ করেন স্পেন অধিকার করে নিতে, তিনি তাদেরকে গোপনে জিব্রাল্টার পার করে দেবেন। জুলিয়ানের কাছে কিছু বাণিজ্য জাহাজ আর স্প্যানিশ দুর্গ ছিল। মোটামুটি ১২,০০০ সেনা নিয়ে তারিক বিন জিয়াদ রডেরিকের এক লাখের সেনাবাহিনীকে পরাজিত করেন। রডেরিক নিহত হন, ‘ভিসিগথ রাজ্য’ হাতে আসে মুসলিমদের। এরপর জুলিয়ানের পরামর্শে গ্রানাদা, কর্দোভা ইত্যাদি জয় করতে তারিক সেনা পাঠান। সেই ছিল শুরু।

    স্পেন-পর্তুগালের এ অঞ্চলকে মুসলিমরা ডাকতো ‘আন্দালুস’। মোটামুটি ১৪৯২ পর্যন্ত এ অঞ্চলের ক্ষমতা হাতে থাকে মুসলিমদের। এ সময় ‘আহলে কিতাব’ হিসেবে খ্রিস্টান ও ইহুদীদের সাথেই সহাবস্থানে থাকে মুসলিমরা, ৭০০ বছরেরও বেশি। তবে বেশ আগে থেকেই ধীরে ধীরে নানা অঞ্চল হারাতে থাকে মুসলিমরা, ক্যাথোলিক খ্রিস্টানদের হাতে। আর ক্রুসেড তো চলছিলই। ক্রুসেডের তিনটি ফ্রন্টের একটি ছিল স্পেন ও মাগরিব (উত্তর-পূর্ব আফ্রিকা)।

    এখানেই সেই দুজনের নাম চলে আসে- ক্যাস্টিলের ইসাবেলা আর অ্যারাগনের ফার্দিনান্দ, সহস্র প্রাণ বধকারী, হাজারো মুসলিম, ইহুদী ও প্রটেস্টান্ট খ্রিস্টানের রক্তে রাঙানো ছিল তাদের হাত; যার বর্ণনা এতক্ষণ দেয়া হলো। তারা জোরদার করেন বহু আগে শুরু হওয়া ‘রিকনকুইস্টা’, অর্থাৎ মুসলিমদের হাত থেকে স্পেন পুনরুদ্ধার অভিযান। একে একে বিভিন্ন অঞ্চল পুনর্দখল করতে করতে শেষে বাকি থাকে গ্রানাদা। গ্রানাদার নেতৃত্ব বিভক্ত ছিল, সেটা গ্রানাদার জন্য ছিল একটা বড় সমস্যা। তারপরেও ১৪৮২ থেকে ১৪৯২, দশ বছর লাগে গ্রানাদা পুরোপুরি হাতে আসতে ইসাবেলার।

    ইসাবেলা কেন বলা হচ্ছে? কারণ, বেশি উদ্যমটা তারই ছিল, স্বামী ফার্দিনান্দ সাহায্য করেছিলেন ঋণ আর নেভি সাপোর্ট বা গোলাবারুদ দিয়ে। সিরিয়াল কিলিংয়ের মতো করে সিরিয়াল জেনোসাইড শুরু করেছিলেন তারা, ১৪৯৯ সালের আগে থেকেই পরিমিত আকারে ধারাবাহিকভাবে করে যাওয়া এ জেনোসাইডের শিকার ছিলেন আন্দালুসিয়ার মুসলিম আর ইহুদীরা। তৎকালীন ক্যাথোলিকদের নয়নমণি হলেও ভিক্টিমদের কাছে তিনি ‘ক্যাস্টিলের কসাই’ ইসাবেলা। তিনি ও ফার্দিনান্দ যে জেনোসাইড বা গণহত্যা করছিলেন, সেটাকে বলতে হয় Ethnic Cleansing, অর্থাৎ একদম জাতিবিনাশ। সেই সাথে ক্যাথোলিকদের বাইরে থেকে নিয়ে আসা হয় গ্রানাদাতে ক্যাথোলিক জনসংখ্যা বাড়াবার জন্য, এই সেটলাররাই পরে ইসাবেলার কাজকে সহজ করে দেয়। অনেকটা যেমন, ফিলিস্তিনে ইহুদীরা এলো সেটলার হিসেবে, পরে রাষ্ট্রটাই হয়ে গেল ইসরাইল রাষ্ট্র। ক্যাথোলিকদের সাথের এ লড়াইতে ইহুদী আর মুসলিমরা একত্রিত হয়েছিল, কিন্তু শেষরক্ষা হয়নি।

    ১৪৯১ সালের ২৫ নভেম্বর স্বাক্ষরিত হয় গ্রানাদা চুক্তি। তাতে দুমাস সময় দেয়া হয় শহরটিকে। শর্তাবলি মেনে নিয়ে ১৪৯২ সালের ২ জানুয়ারি দ্বাদশ মুহাম্মাদ শহরটি ছেড়ে দেন ইসাবেলার কাছে। কারণ তাদের আর প্রতিরোধের ক্ষমতাটিও ছিল না। আলহামরা প্রাসাদে সেদিনই খ্রিস্টান সেনারা ঢুকে পড়ে, পাছে কোনো প্রতিরোধের সম্মুখীন হতে হয়। কিন্তু কোনো প্রতিরোধ আসেনি মুসলিমদের দিক থেকে।

    কনস্ট্যান্টিনোপলের জয় (১৪৫৩) মুসলিম ইতিহাসে যত বড় একটা বিষয়, খ্রিস্টান ইতিহাসে তত বড় হিসেবেই দেখা হয় গ্রানাদা পুনরুদ্ধারকে (১৪৯২)। অন্তত পাল্টা ধাওয়ার মতো।

    গ্রানাদা চুক্তির শর্ত আপাতদৃষ্টিতে মুসলিমদের অনুকূলে ছিল বলে মনে হচ্ছিল, তাই দ্বাদশ মুহাম্মাদ হয়তো গ্রানাদা ছেড়ে দিয়েছিলেন শেষমেশ :

    -তিন বছর পর্যন্ত মুসলিমরা নিজ দেশে ফিরে যেতে পারবে। কেউ বাধা দেবে না।

    -গোলাবারুদ অনুমোদিত না হলেও, অন্যান্য অস্ত্র রাখতে পারবে মুসলিমরা। এক মাস পর্যন্ত।

    -কোনো মুসলিমকে ধর্মান্তরিত হতে জোর করা হবে না এ সময়ের মাঝে। এমনকি যেসব খ্রিস্টান মুসলিম হয়েছিলেন, তাদেরকেও আগের ধর্মে ফিরে আসতে বলা হবে না।

    -দ্বাদশ মুহাম্মাদকে অর্থকড়ি আর পাহাড়ি এলাকায় আলপুজারাসের শাসনক্ষমতা দেয়া হয়। (তিনি অবশ্য পরের বছরই মরক্কো চলে যান।)

    আরও ছিল কিছু বিষয়। পরবর্তী সাতটি বছরে মুসলিম জনসংখ্যা কমে আসে অনেক। তবে কাগজে কলমে মুসলিমদের অধিকার ছিল ইসলাম পালনের।

    কিন্তু প্রাথমিক নির্যাতনটা ছিল ইহুদীদের জন্য। চার মাসের মাঝে সকল ইহুদীকে চলে যেতে হবে। নয়তো জোরপূর্বক খ্রিস্টান হতে হবে। আর যারা চলে যেতে চেয়েছিলো, তারাও তাদের বাড়িঘর ধনসম্পদ এগুলো বিক্রি করতে পারেনি। যারা ধর্ম পাল্টাবেও না, চলেও যাবে না, তাদের জন্য ছিল বিনা বিচারে মৃত্যুদণ্ড। ২ লাখ ইহুদী ধর্ম পাল্টায়।

    এত কিছু বলার কারণ, ইতিহাসের কষ্টিপাথরে এপ্রিল ফুলের মিথ্যে গল্পটা যাচাই। ১৪৯২ সালের ১ এপ্রিল অন্তত পুড়িয়ে মারা হয়নি কাউকে ওভাবে।

    ১৪৯২ সালে পাঁচ কি ছয় লাখ মুসলিম ছিল আন্দালুসে, কিন্তু এর দুবছর আগেও জানা যায় মুসলিম জনসংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ ছিল, কোথায় গেলেন তারা? ধারাবাহিক জেনোসাইডের শিকার সম্ভবত। ইহুদীদের সংখ্যাও কমে যায়।

    ১৪৯৯ সালে শুরু হয় আসল ঘটনা। টলেডোর আর্চবিশপ সিসনেরোস জোরপূর্বক চেষ্টা করতে থাকেন সব নাগরিকদেরকে খ্রিস্টধর্ম গ্রহণ করাতে। বাধা হিসেবে দাঁড়ায় মুসলিম সম্প্রদায়। ফলে তাদের ঘর-বাড়ি কিংবা মসজিদ যেখানেই পাওয়া যায়, ক্যাথোলিকেরা কচুকাটা করতে শুরু করে। জোর করে তাদের বাড়ির আঙিনায় শূকর হত্যা করে রক্ত ও উচ্ছিষ্ট ছড়ানো হয়। মুসলিমদের পবিত্র রাতগুলোতে খ্রিস্টান যুবকেরা মদ পান করে মসজিদ এবং মুসলমানদের বাড়িতে কুলি করতো দাঙ্গাকে প্রণোদনা দিতে। ক্ষিপ্ত কোনো মুসলমান বিদ্রোহ করলে সাথে সাথে তাকে হত্যা করা হতো। মুসলিম ও ইহুদী নারীদের তুলে নিয়ে নির্যাতন চলতে থাকে সমান তালে। মুসলিমদের বিদ্রোহের অজুহাতে গ্রানাদা চুক্তিতে কথা দেয়া সকল শিথিলতা আর সুবিধা কেড়ে নেয়া হয়। তখন থেকে ধর্মান্তর-প্রচেষ্টা দ্বিগুণ হয়ে যায়। আর কখনও কখনও সেটা সরাসরি হত্যানীতি।

    ১৫০১ সালে গ্রানাদায় ‘আনুষ্ঠানিকভাবে’ আর কোনো মুসলিম রইলো না। তারা কোথায় গেল? অনেকেই নিহত, আর অনেকেই রাজ্যত্যাগ করেছিলো, স্পেন থেকে মরক্কো কিংবা আফ্রিকার নানা দেশে তাদের পালিয়ে যাবার দলিল রয়েছে। এ ‘সাফল্যে’ অনুপ্রাণিত হয়ে ইসাবেলা গ্রানাদার বাইরেও শুরু করেন ধর্মান্তরকরণ। একমাত্র অ্যারাগনের রাজারা দীর্ঘকাল পর্যন্ত মুসলিমদের ধর্মান্তর করতে বাধা দেন, তারা ইসাবেলার বিরুদ্ধাচরণ করেন। কিন্তু সেটাও শেষ হতে বাধ্য হয় ১৫২৪ সালে। ১৫২৫ সালে আইন জারি করা হয়, ইসলাম বলে আর কিছু থাকবে না স্পেনজুড়ে। অবশ্য মুসলিম যে ছিল না স্পেনে তা নয়, বাইরে খ্রিস্টান রীতিনীতি পালন দেখালেও ঘরের ভেতরে তারা ইসলাম পালন করতো। একে ক্রিপ্টো-ইসলাম (গুপ্ত-ইসলাম) বলা হতো। মরক্কো পালিয়ে যাওয়া একজন প্রাক্তন ক্রিপ্টোমুসলিম আহমদ ইবনে কাসিমের লেখা গ্রন্থ ‘কিতাব নাসির আল- দ্বীন’-এ আমরা স্পেনের তৎকালীন মুসলিমদের গোপন জীবন সম্পর্কে ধারণা পাই। অবশ্য ১৫০৪ সালের ক্রিপ্টো-ইসলাম জারি করার ফতোয়া অনেকে অস্বীকার করেন। অন্তত দেড় থেকে সাড়ে তিন লাখ মুসলিম উধাও হয়ে যান ইতিহাসের পাতা থেকে।

    মানব সভ্যতার ইতিহাসের কালোতম অধ্যায়গুলোর একটি এটি। নারীদের গণধর্ষণ থেকে শুরু করে আগুনে পুড়িয়ে মারা, ক্রুশে পেরেক ঠুকে মারা, ভারী পাথর দিয়ে শরীরের অঙ্গ থেঁতলে দেয়া, জ্যান্ত মানুষকে করাত দিয়ে চিরে ফেলা, শরীর থেকে জীবন্ত মানুষের চামড়া ছিলে নেয়া, গরম পানি ও তেল ঢেলে শরীর ঝলসে দেয়া, সাঁড়াশি দিয়ে দাঁত উপড়ানো কিংবা মাথার চুল ও মুখের দাড়ি ছিড়ে নেয়া, প্রকাশ্যে জননাঙ্গ কর্তন, নারীদের গোপনাঙ্গে মোটা কাঠের গজাল ঢুকিয়ে হত্যা করা, মা-বাবার সামনে শিশুদের পুড়িয়ে মারার মতো কুকর্ম ইসাবেলা- ফার্দিনান্দের প্রণোদনায় শুরু হয়েছিল।

    ফ্রান্সে ষোড়শ শতকে মার্চের ২৫ তারিখে নববর্ষ উদযাপিত হতো বসন্তের আগমনে। উৎসবটা এক সপ্তাহ ধরে চলত, এপ্রিলের ১ তারিখ পর্যন্ত। কিন্তু ১৫৬৪ সালে পোপ গ্রেগরির প্রভাবে ক্যালেন্ডার পরিবর্তন হলো, গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে বসন্তের বদলে পহেলা জানুয়ারিতেই নববর্ষ উদযাপন করতে হবে, এই ছিল রাজা নবম চার্লসের আদেশ। রক্ষণশীলরা ব্যাপারটার বিরোধিতা করতে চাইলেন, কিন্তু কে শোনে কার কথা। নববর্ষ স্থায়ী হলো পহেলা জানুয়ারি। আর সেই যে ২৫ মার্চ থেকে এক সপ্তাহ? সেটি থাকলো বসন্তবরণ হিসেবে। যারা এ পুরনো উৎসব পালন করত, তাদেরকে নতুন ধারার ফরাসিরা টিটকারি দিত, প্র্যাংক বা মজা করত, নির্বোধ সব উপহার দিত আর পার্টির আমন্ত্রণপত্র পাঠাতো; গিয়ে দেখা যেত সেখানে আসলে কোনো পার্টি নেই। চলতো ১ এপ্রিল পর্যন্ত। এই প্র্যাংকের শিকারদের বলা হতো এপ্রিল ফুলের ভিক্টিম। অবশ্য তখন এ প্র্যাংককে ডাকা হতো ‘এপ্রিল ফিশ’ (poisson d’avril)। ফিশ কেন? কারণ, সে সময় সূর্য মৎস্য রাশির ইতি ঘটিয়ে নতুন রাশিতে ঢুকেছে। ইংল্যান্ডেও পরবর্তীতে চলে আসে এ প্র্যাংক ডে, আর ইংলিশ, স্কটিশ ও ফ্রেঞ্চরা নিয়ে আসে আমেরিকায়।

    এপ্রিল ফুলের উৎপত্তি নিয়ে আরও বেশ কিছু তত্ত্ব আছে, তবে আগুনে পোড়ানোটা সত্য নয়।

    জানা মতে, ১৯৯৭ সালের ২৮ মার্চ একটি ইমেইলের মাধ্যমে প্রথম এ ভুয়া কাহিনী ছড়িয়ে দেয়া হয়।

    শেষ কথা, আগুনে স্প্যানিশ মুসলমান পোড়াবার তত্ত্ব বিশ্বাস করানোটাই বরং সবচেয়ে বড় এপ্রিল ফুল প্র্যাংক।

    লক্ষ প্রাণের খুনী কুখ্যাত ইসাবেলা আর ফার্দিনান্দ একটি কারণে আবার ইউরোপীয় ইতিহাসে বিখ্যাত। তারা ক্রিস্টোফার কলোম্বাসের আমেরিকা ভ্রমণের অর্থায়ন করেছিলেন, তাই তাদের নাম ইউরোপিয়ানদের আমেরিকা আবিষ্কারের ইতিহাসে ভালোর খাতায় লিপিবদ্ধ। সেই সালটাও ১৪৯২!

    রানী ইসাবেলা ‘আলহামরা ডিক্রি’ নামের একটি ফরমানে সই করেন এপ্রিলের এক তারিখ নয়, তার একদিন আগে, মার্চের ৩১ তারিখ। সেখানে জোর করে ইহুদী বিতাড়ন কিংবা তাদেরকে ধর্মান্তরের আদেশ ছিল। এ ডিক্রি একই সাথে মুসলিমদেরও কফিনে পেরেকের মতোই ছিল।

    এপ্রিল ফুলের মতো একটি নগণ্য ব্যাপার দিয়ে স্পেন অর্থাৎ তৎকালীন আন্দালুসিয়ার কান্নাকে হালকা করার প্রচেষ্টা আসলে খুবই হাস্যকর প্রচেষ্টা। সারা ইতিহাসে খোঁজ নেই, কিন্তু আবেগান্বিত জনতা কেবল পহেলা এপ্রিলের আগুন দেয়ার ভুয়া ইতিহাস নিয়ে কাদা ছোঁড়াছুঁড়িতে ব্যস্ত থাকে। অথচ স্পেনে মুসলিম ও ইহুদীদের ওপর অত্যাচার হয়েছিল দীর্ঘ একটি সময় জুড়ে, একটি দিনকে কেন্দ্র করে নয়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগল্পসম্ভার – আব্দুর রউফ চৌধুরী
    Next Article ইহুদী জাতির ইতিহাস – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }