Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইহুদী জাতির ইতিহাস ২ (ইসরাইলের উত্থান-পতন) – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

    লেখক এক পাতা গল্প270 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায়-১৮ : মধ্যযুগ থেকে আধুনিক ইউরোপে

    স্পেন, মধ্যপ্রাচ্য এবং বর্তমান রাশিয়ার ক্রাইমিয়া যে জায়গা, সেখান থেকে মধ্যযুগে আশকেনাজি ইহুদীরা ধীরে ধীরে পোল্যান্ডে চলে আসতে থাকে। পোল্যান্ডের কালিশের যুবরাজ ১২৬৪ সালে ঘোষণা দিলেন, সকল ইহুদী আইনি প্রতিরক্ষার অধীনে থাকবে। পরবর্তী শতকে রাজা তৃতীয় কাসিমির পুরো পোল্যান্ড জুড়েই এ আজ্ঞা জারি করে দিলেন। সেই থেকে পোল্যান্ড ইহুদীদের অভয়ারণ্য।

    ১৩৮৮ সালে লিথুয়ানিয়ার গ্র্যান্ড ডিউকও একই রকম সুবিধা দিলেন ইহুদীদেরকে। এ দুটো দেশে তাই ইহুদীরা নিরাপদেই বাস করতে লাগলো ইউরোপে। পোলিশ ইহুদীরা কর সংগ্রাহক, বিভিন্ন জমিদার বাড়ির ব্যবস্থাপক, ইত্যাদি পদে চাকরি করতে লাগলো। সেই সাথে বিভিন্ন কৃষিকাজ, উৎপাদন, রপ্তানি, ইত্যাদি কাজেও নিয়োজিত ছিল তারা। তবে তাদের সাথে যে বৈষম্য করা হতো না, তা নয়। যেমন, তাদেরকে আলাদা পোশাক পরতে বাধ্য করা হতো। আর মাঝে মাঝে খ্রিস্টীয় প্রথায় বাধা দানের অভিযোগে অভিযুক্ত করা হতো তাদেরকে।

    পঞ্চদশ শতকের দিকে পোল্যান্ডে ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার ইহুদী ছিল। পরের শতকে সংখ্যাটি হয়ে দাঁড়ায় দেড় লাখ! ষোড়শ ও সপ্তদশ শতকে পোলিশ জমিদারেরা তাদের জমির দেখাশোনার জন্য নিয়োগ দিতেন ইহুদীদের, তারা কর তুলতো। অভিজাতদের নিজস্ব শহরেও কর তোলার কাজ করতো তারা।

    পোল্যান্ড হয়ে উঠলো ইহুদীদের জ্ঞানচর্চার এক চারণভূমি। তবে সপ্তদশ শতকে এসে ইহুদী সমাজের প্রায় এক চতুর্থাংশ হত্যাকাণ্ডের শিকার হয় ইউক্রেনীয় কোস্যাকদের হাতে। এরপর পোল্যান্ডে তাদের অবস্থান অস্থিতিশীল হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু লিথুয়ানিয়াতে বেশ স্বাভাবিকভাবেই জীবন কাটাতে লাগলো ইহুদীরা। মধ্যযুগে স্পেন ও দক্ষিণ-পূর্ব ফ্রান্সের প্রোভোসের ইহুদীদের হাতে তাদের কাব্বালা ও দর্শন উন্নতি লাভ করে। ১৫০০ সালের দিকে ফেরার, মান্তুয়া, ভেনিস, পাদুয়া, ফ্লোরেন্স ও রোমে ইহুদীদের সমাজ ছিল গমগমে। ইতালির রেনেসাঁর যুগে কিছু কিছু ইহুদী বনেদি ইতালীয়দের মতোই জীবন যাপন করতে লাগলো, ইতালীয় মানবতাকর্মীদের সাথে তাদের বেশ খাতির তখন। সেই ইতালীয়রা ইহুদীদের কাব্বালার পাঠ্যবই জোহার দ্বারা অনুপ্রাণিত হয়ে খ্রিস্টীয় কাব্বালা নিয়ে লেখালেখি শুরু করে দেয়। আবার রেনেসাঁর প্রভাবও পড়ে ইহুদীদের মাঝে। মোট কথা, ইতালি তখন ইহুদী প্রিন্টিং, সিনাগগ (উপাসনালয়) সঙ্গীত ও অন্যান্য উন্নতির প্রাণকেন্দ্র। হিব্রু নাটকের জন্য ইতালিতে ইহুদী থিয়েটার গড়ে তোলেন লিওঁ দেসোমো (১৫২৭-১৫৯২)।

    তবে এরপরই শুরু হয় ইহুদীদের বিপদ- খ্রিস্টীয় ইহুদী নিধন আর বিতাড়ন। ষোড়শ শতকে কাউন্টার রিফরমেশন চার্চ ইহুদী সমাজকে আলাদা করে ফেলতে চায়। ১৫৫৩ সালে ইহুদীদের পবিত্র গ্রন্থ তালমুদ পোড়ানো হয়, এবং দুবছর পরে পোপ চতুর্থ পল ইহুদীদেরকে আলাদা গেটোতে বসবাসের আদেশ জারি করেন। ইহুদীদের সংস্কৃতি গ্রহণ করা মারানোদেরকেও আগুনে পুড়িয়ে মারা হয়। চার্চের অধীনে থাকা এলাকাগুলো থেকে বের করে দেয়া হলো ইহুদীদেরকে।

    ওদিকে জার্মানিতে প্রোটেস্ট্যান্ট খ্রিস্টানদের তোপ বাড়ছে, আর সেই সাথে বাড়ছে সেখানকার ইহুদীদের ওপর চাপ। প্রথম দিকে জার্মান ধর্মযাজক মার্টিন লুথার (১৪৮৩-১৫৪৬) ইহুদীদের সাথে ভালো সম্পর্ক রাখলেও দ্রুতই তিনি বুঝতে পারেন, এদের ধর্মান্তরিত হবার কোনো সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না। তখনই তিনি ইহুদীদের প্রতি খারাপ মনোভাব দেখাতে শুরু করেন।

    ইহুদীদের তৎকালীন ত্রাণকর্তা ছিল তাদের ব্যবসায়ীরা, যারা বিভিন্ন জার্মান যুবরাজ এবং গণ্যমান্যদের সাথে সুসম্পর্ক রাখতো। তাদের বরাতে কখনও কখনও ইহুদীদের ওপর শ্যেনদৃষ্টি পড়া বাদ যেত আরকি।

    সপ্তদশ শতকে হল্যান্ডের অ্যামস্টারডামে এসে পৌঁছে আশকেনাজি ইহুদীরা, সেখানে তারা নানা ব্যবসায়িক কাজ শুরু করে দেয়। সপ্তদশ শতক শেষ হবার আগেই সেখানে প্রায় ১০,০০০ ইহুদী হয়ে যায়। তারা স্টক এক্সচেঞ্জ থেকে শুরু করে চিনি, তামাক, হীরা, বীমা, পণ্য উৎপাদন, নাটক, প্রিন্টিং, ব্যাংকিং, ইত্যাদি কাজ করত। তবে ইহুদীরা হল্যান্ডে নাগরিকত্ব পায়নি, তাই কখনও স্বাধীনভাবে ধর্মপালনের অধিকারও পায়নি।

    অষ্টম শতকে ইহুদীদের ইউরোপীয় সমাজের অবস্থা কাহিল হয়ে দাঁড়ায়। তুর্কি সেফার্দি ইহুদী সাব্বাতাই জেভি কনস্ট্যান্টিনোপলে আসেন ১৬৬৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে। প্রধান উজির ফাজিল আহমেদ পাশার আদেশে তাকে গ্রেফতার করা হয়। বন্দী অবস্থাতেই তিনি ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করলে প্রায় ৩০০ ইহুদী পরিবারও একই কাজ করে। তার এহেন কর্ম ইউরোপীয় ইহুদীদের ব্যাপক হতাশ করে ফেলে। এ বইতেই কিছু আগে হাসিদী দলের কথা বলেছি, হিব্রু ‘হাসিদ’ শব্দের অর্থ ‘ধার্মিক’। জেভির ইসলাম গ্রহণের পর অনেকেই মূলধারার র‍্যাবাইকেন্দ্রিক ইহুদী ধর্ম বাদ দিয়ে নিজকেন্দ্রিক হাসিদী ইহুদী হয়ে যায়। এটি হাসিদী আন্দোলন নামেও পরিচিত। অবশ্য মূলধারার ইহুদীরা দ্রুতই ১৭৮১ সালের মাঝে হাসিদী ইহুদীদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে।

    ১৭৭০ সালের দিকে খ্রিস্টান ইউরোপের ইহুদী জনসংখ্যা ছিল প্রায় ২০ লাখ। ইংল্যান্ড ও হল্যান্ডে তাদের জীবন আরামের হলেও মধ্য ইউরোপে অবস্থা ছিল খারাপ। যে করেই হোক, ইহুদীদের এমন কাপড় পরতে হতো, যেন দেখলেই বোঝা যায় তার ধর্ম-পরিচয় ইহুদী। তবে ওই শতকের আশির দশকে ইহুদীদেরকে কিছুটা কম ঝামেলা পোহাতে হয়।

    রোমান সম্রাট দ্বিতীয় জোসেফ (১৭৪১-৯০) ১৭৮১ সালে ইহুদীদের বাধ্যতামূলক ভিন্ন পোশাক বা চিহ্ন ধারণ করার প্রথা বাতিল করেন। এর পরের বছর তিনি ভিয়েনাতে ইহুদীদের যেকোনো ব্যবসায় অংশ নেয়ার অধিকার দেন ইহুদী সমাজের বাইরেও। তখন থেকে ইহুদীরা তাদের সন্তানদেরকে সরকারি স্কুলেও পড়াতে পারতো, নিজেদের স্কুলও বানাতে পারতো। ১৭৮৪ সালে জার্মানির সেনাবাহিনীতে ইহুদীরা চাকরিও পেয়ে যায়।

    ধীরে ধীরে ফ্রান্সেও পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়ে আসতে থাকে। অবশ্য প্যারিস এবং দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম ফ্রান্সের সেফার্দি ইহুদীরা আরামে থাকলেও, বাদবাকি ফরাসি জায়গার আশকেনাজি ইহুদীরা তখনও নানা বৈষম্যের শিকার হতো। ১৭৯০ সালে দক্ষিণ-পশ্চিম ফ্রান্সের সেফার্দি ইহুদীদের নাগরিকত্ব দেয়া হয়। ১৭৯৬ সালে হল্যান্ডেও তাদেরকে নাগরিক করা হয়। পরের বছর পাদুয়া ও রোমে ইহুদীদের গেটোতে থাকবার নীতি উঠিয়ে দেয়া হয়।

    সম্রাট নেপোলিয়ন ১৮০৪ সালে সকল নাগরিকের জন্য সমান অধিকার ঘোষণা করেন। ফলে ইহুদীরা তখন পূর্ণ স্বাধীনতা পেয়ে যায়, তবে নেপোলিয়ন পরে ইহুদীদের কিছুটা নিয়ন্ত্রণে রাখতে চেয়েছিলেন। ১৮০৬ সালে তিনি কিছু প্রশ্ন উত্থাপন করেন ইহুদীদের নিয়ে। ইহুদীদের বিবাহ ও বিচ্ছেদ রীতি কি ফরাসি নীতির সাথে সাংঘর্ষিক? ইহুদীরা কি খ্রিস্টানদের বিয়ে করতে পারবে? ফরাসি ইহুদীরা কি দেশপ্রেমিক? তারা কি ফ্রান্সকে তাদের নিজেদের দেশ বলে মনে করে? এর জবাবে সংসদ জানায়, ইহুদী রীতি আর ফরাসি রীতি সাংঘর্ষিক নয়। পরের বছর নেপোলিয়ন ইহুদীদের সানহেদ্রিনের সদস্যদের তলব করলেন, নিশ্চিত করতে জিজ্ঞেস করলেন, তারা কি সংসদের বক্তব্যের সাথে একমত? তারা বললেন, হ্যাঁ একমত। তখন নেপোলিয়ন ১৮০৮ সালে দুটো নিয়ম করলেন ইহুদীদের নিয়ে। এক, তিনি কয়েকজন ইহুদী আইনপ্রণেতা রাখলেন, যারা ফরাসি সরকারের অধীনে থেকে এসব বিষয় দেখভাল করবেন। আর দুই, ইহুদীদের প্রতি যারা ঋণী ছিলো, সেই ঋণগুলো তিনি বাতিল করে দিলেন, এবং তাদের জন্য ব্যবসায়িক রীতি নিয়ন্ত্রণ করে দিলেন।

    নেপোলিয়ন হেরে যাবার পর ক্ষমতা ছেড়ে দিলেন, এবং তখন ভিয়েনা কংগ্রেস নতুন করে ইউরোপের মানচিত্র আঁকলো ১৮১৪ ও ১৮১৫ সালে। এর সাথে সাথে কংগ্রেস ইহুদীদের জীবনধারা উন্নত করার সুযোগ দেয়ার কথাও বলে দিল। কিন্তু জার্মান সরকার তা না মেনে, ইহুদীদের আগের স্বাধীনতা বাতিল করে আবার তাদের ওপর যত রকম নিয়ম জারি করা যায়, তা করে দিলো। ১৮১৯ সালে জার্মানে ইহুদীদের ওপর আক্রমণ চালানো হয়। অবশ্য ১৮৩০ সালের দিকে ইহুদীদের ব্যাপারে অনেকে শিথিলতা আসে, অনেকে পক্ষেও কথা বলতে থাকে তাদের।

    ১৮৪৮ সালে শুরু হলো ফরাসি বিপ্লব। এর ফলশ্রুতিতে প্রুশিয়া, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, ইতালি ও বোহেমিয়ার শাসকেরা এমন সংবিধান জারি করতে বাধ্য হয়, যেখানে সবার স্বাধীনতাই আগের চেয়ে বেশি ছিল। ফলে ইহুদীদের লাভই হলো। অবশ্য, বিপ্লব পুরোপুরি শেষ হবার আগ পর্যন্ত এই সংবিধানগুলো কার্যকর হয়নি। ১৮৬৯ সালে উত্তর জার্মান ফেডারেশন ইহুদীদের ব্যাপারে সমস্ত বিধিনিষেধ তুলে দেয়ার ঘোষণা দিল সংবিধানে। এরপর ১৮৭১ সালে অস্ট্রিয়া ও পুরো জার্মানি হোয়েনজলার্ন রাজপরিবারের অধীনে খ্রিস্টীয় জার্মান রাইখের (সাম্রাজ্যের) অধীনে চলে আসে, তখন থেকে পুরো রাজ্য জুড়েই ইহুদীদের আর কোনোই বাধা থাকলো না। হোক সেটা চাকরি, ব্যবসা, বিবাহ কিংবা ভোটের অধিকার।

    প্রশ্ন জাগতে পারে, ইউরোপে কিছু হলেই এত ক্ষেপে যেতে কেন লোকে ইহুদীদের ওপর? খ্রিস্টীয় সাধারণ সমাজে যীশুর ক্রুশবিদ্ধের ঘটনা নিয়ে এমনিতেই ইহুদীদের প্রতি একটা ঘৃণা কাজ করতো বটে, কিন্তু তার চেয়েও বেশি রাগের কারণ ছিল তাদের মহাজনি সুদ প্রথা। চড়া সুদে ঋণ দেয়ার রীতি অনেকের এতই বিপদ ডেকে আনে যে খুব দ্রুতই ইহুদীরা চক্ষুশূল হয়ে পড়ে। শেক্সপিয়রের ‘মার্চেন্ট অফ ভেনিস’-এর শাইলক চরিত্র থেকে মোটামুটি ভালই আন্দাজ করা যায় ইহুদীদের প্রতি সাধারণ মনোভাব তখন কেমন ছিল। নেপোলিয়ন তো আইন করেই ইহুদী কর্তৃক ঋণ প্রদান রীতি বাতিল করেন।

    অন্যদিকে পূর্ব দিকে রুশ অঞ্চলগুলোতে ইহুদীরা স্বাধীনভাবে ব্যবসা করতে থাকলেও ক্যাথারিন দ্য গ্রেট ১৭৯১ সালে মধ্য রাশিয়াতে ইহুদীদের থাকা নিষিদ্ধ করে দিলেন। তখন থেকে কেবল দক্ষিণ ইউক্রেনে থাকতে পারবে ইহুদীরা। ১৮০৪ সালে জার প্রথম আলেকজান্ডার (১৮০১-২৫) পশ্চিম রাশিয়ার কোন কোন জায়গায় ইহুদীরা থাকতে পারবে, সেটা চিহ্নিত করে দিলেন। তিনি কয়েকবার চেষ্টা করেছিলেন পুরো দেশ থেকেই ইহুদীদের তাড়িয়ে দিতে। ১৮১৭ সালে তিনি নতুন এক রীতি করলেন, ইসরাইলি খ্রিস্টান সংঘ থেকে ধর্মান্তরিত ইহুদীদেরকে (মানে যারা ব্যাপ্টাইজ হয়ে খ্রিস্টান হলো), তাদেরকে আর্থিক ও অন্যান্য সহায়তা করা হবে। ১৮২৪ সালে গ্রামগুলো থেকে ইহুদীদের বের করে দেয়া শুরু হলো। তবে সে বছরই জার প্রথম আলেকজান্ডার মারা গেলেন এবং ক্ষমতা পেলেন জার প্রথম নিকোলাস (১৮২৫-৫৫)। তিনি আবার ইহুদীদের প্রতি প্রচণ্ড ক্ষেপা। তিনি নিয়ম জারি করলেন, ইহুদী ছেলেদেরকে অবশ্যই ২৫ বছরের জন্য সেনাবাহিনীতে যোগদান করতে হবে, যদি না তারা ধর্মান্তরিত হয়ে খ্রিস্টান হয়ে যায়। তিনি ১৮৩০ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন গ্রাম ও প্রদেশ থেকে ইহুদী বিতারণ করেন। ১৮৩৫ সালে পশ্চিম রাশিয়ার ইহুদীদের ব্যাপারে আইন পুনঃসংস্কার করা হলো। ১৮৪৪ সালে সম্রাট নিকোলাস ইহুদীদের সমাজকে পুলিশি নজরে রাখার আদেশ দিলেন। ১৮৫০ ও ১৮৫১ সালে সরকার চেষ্টা করলো ইহুদী পোশাক আশাক, ধর্মীয় জুলফি, ইত্যাদি নিষিদ্ধ করতে।

    ১৮৫১ সালে রাশিয়ার সকল ইহুদীকে আর্থিক শ্রেণীকরণ করা শুরু হলো, যেন কাকে দিয়ে কোন কাজ করানো যায়, তা ঠিক করা যায়। যেমন কেউ কামার, কেউ কৃষক, কেউ বণিক, ইত্যাদি। অবশ্য ১৮৫৩-৫৪ সালের ক্রাইমিয়ান যুদ্ধের পর জার দ্বিতীয় আলেকজান্ডার (১৮৫৫-৮১) এসব নীতি বাদ দেন। ফলে সেইন্ট পিটার্সবার্গ এবং মস্কোর মতো জায়গাতেও ইহুদীদের দেখা যেতে লাগলো। সীমিত সংখ্যক ইহুদীদেরকে তখন আইনি পেশাতেও যোগ দেয়ার অনুমতি দেয়া হয়। উনিশ শতকের ষাট ও সত্তরের দশকে অনেক ইহুদীই তখন রাশিয়ার অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অবদান রাখতে শুরু করলো।

    উনিশ শতকের শেষ দিকে যদিও ইউরোপীয় ইহুদীরা স্বাধীন জীবন কাটাতে পেরেছে, তারপরও সত্তরের দশক থেকেই জার্মানিতে আবার মাথা চাড়া দিয়ে ওঠে ইহুদী-বিরোধী মতবাদ।

    একটি কথা না বললেই নয়, পশ্চিমারা একে অ্যান্টি-সেমিটিজম বলতে পছন্দ করে, তবে এ টার্মটি ভুল। কেন? কারণ, সেমেটিক ধর্ম বলতে ইসলাম ও খ্রিস্টধর্মও বোঝায়। তাই কেবল ইহুদী ধর্মের বিরুদ্ধে কিছু বললে তাকে ‘অ্যান্টি- সেমিটিজম’ বলা হবে, কিন্তু খ্রিস্ট ধর্ম বা ইসলাম ধর্মের বেলায় নয়, এটি ভাষাগত দিক দিয়েই ভুল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগল্পসম্ভার – আব্দুর রউফ চৌধুরী
    Next Article ইহুদী জাতির ইতিহাস – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }