Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইহুদী জাতির ইতিহাস ২ (ইসরাইলের উত্থান-পতন) – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

    লেখক এক পাতা গল্প270 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায়-২১ : জায়োনিস্ট আন্দোলনের সূচনা

    জেরুজালেম নগরীতে ছোট্ট বিশেষ এক পাহাড় আছে। ‘পাহাড়’ না বলে অবশ্য ‘টিলা’ বলাটাই বেশি সঠিক। নিচের ছবিতে যেমনটা দেখতে পাচ্ছেন— সুন্দর উঁচু নিচু পাহাড়ি এলাকা, এটাই সেই পাহাড়, বা টিলা। একে ডাকা হয় ‘হার সিওন’। হিব্রু ভাষায় ‘হার’ মানে ‘পাহাড়’, আর ‘সিয়ন’ মানে যে কী, সেটা হিব্রুভাষীরাই সঠিক জানে না, আমাদের তো জানার প্রশ্নই আসে না। এই ‘সিয়ন’ বা ‘জিয়ন’ পাহাড়কে ইংরেজিতে বলা হয় ‘মাউন্ট জায়োন’। আরবিতে ‘জাবালে স্বহ-ইউন’।

    মাউন্ট জায়োনের ভেতরে এক কক্ষেই যীশু তার শিষ্যদের সাথে শেষ ভোজ বা ‘দ্য লাস্ট সাপার’ করেছিলেন বলে মনে করা হয়। এই সেই ‘জায়োন’, যাকে নিয়ে এত রক্তপাত। এই সেই জায়োন, ইহুদীরা যাকে ‘পবিত্র ভূমি’ বা হোলি ল্যান্ডের কেন্দ্র হিসেবে জানে, যার কোলে রয়েছে- অন্তত তাদের বিশ্বাসমতে- হযরত দাউদ (আ)-এর সমাধি, বা ডেভিড’স টুম্ব। এই সেই জায়ন, যেখান থেকে জায়োনিজমের উৎপত্তি; যে জায়োনিজমের ফসল হলো যুগ যুগ ধরে চলে আসা ইসরাইল-ফিলিস্তিন রক্তপাত।

    ১৮৭০ ও ১৮৮০-র দশকে ইউরোপের ইহুদী সমাজ জোরেসোরেই আলাপ করতে লাগলো প্রাচীন ইসরাইল ভূমিতে ফিরে যাবার ব্যাপারে। সেখানে গিয়ে তারা আদি মাতৃভূমি পুনঃপ্রতিষ্ঠা করতে চায়। হিব্রু বাইবেলে জেরুজালেমে ফেরত যাওয়া নিয়ে করা ভবিষ্যদ্বাণীকে বাস্তবে পরিণত করা ছিল তাদের আরেকটি উদ্দেশ্য; প্রথম বাইতুল মুকাদ্দাস বা টেম্পল অফ সলোমন ভাঙার পর রাজা সাইরাসের পৃষ্ঠপোষকতায় ইহুদীদের জেরুজালেমে ফিরে আসাকে উজাইর (আ) ও নেহেমিয়া (আ) বলেছিলেন ‘শিভাৎ সিওন’। আরেকটি শিভাৎ সিওনের খোঁজে ছিল ইউরোপীয় ইহুদীরা।

    ১৮৮১ সালে ‘হোভেভেই সিওন’ অর্থাৎ ‘জায়োনপ্রেমী’ বা ‘হিব্বাত সিওন’ নামে এক বা একাধিক সংঘ প্রতিষ্ঠিত হয়। মূলত রুশ সাম্রাজ্যে ইহুদী বিরোধী মনোভাবের প্রত্যুত্তরে এগুলোর জন্ম। ১৮৮২ সালে বর্তমান তেলআবিব শহরের ৫ মাইল দক্ষিণে রিশন লেসিওন নামে একটি শহর গড়ে তোলে এই হোভেভেই সিওনের সদস্যরা, যারা অভিবাসন করে ওই অঞ্চলে চলে যায়। এটি ছিল অটোমান ফিলিস্তিনের দ্বিতীয় ইহুদী শহর। এর আগের গ্রাম ১৮৭৮ সালে তেলআবিবের কাছে গড়ে ওঠে। এর নাম ছিল পেতাহ তিকভা, কিন্তু ১৮৮৩ সালের আগে সেটি শহরে পরিণত হয়নি।

    ১৮৮২ সালের দিকে রাশিয়া থেকে পালিয়ে আসে ‘বিলু’ আন্দোলনের নেতারা। তাদের দাবি হলো, ইসরাইল ভূমিতে কৃষিকাজের মাধ্যমে স্থায়িত্ব অর্জন করতে হবে। এর সদস্যদের বলা হতো ‘বিলুইম’।

    ১৮৮৪ সালের নভেম্বরে বিভিন্ন দেশ থেকে হোভেভেই সিওনের সদস্যরা তৎকালীন জার্মানির (বর্তমান পোল্যান্ডের) কাতোভিস শহরে মিলিত হয়। সেখানে তাদের আলোচনার বিষয়বস্তু ছিল একটি ইহুদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করা। রাশিয়া থেকে ২২ জনসহ মোট ৩২ জন সদস্য ছিল এ কনফারেন্সে। প্রথম জায়োনিস্ট কংগ্রেসেরও ১৩ বছর আগের কথা এটি।

    ইসরাইল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার যে জায়োনিস্ট আন্দোলন, তার শুরুটা যে স্ক্যান্ডালের মাধ্যমে হয়েছিল, সেটা সম্পর্কে খুব কম লোকই জানেন। এটাকে “ড্রায়ফাস স্ক্যান্ডাল” বা “ড্রায়ফাস অ্যাফেয়ার” ( Dreyfus affair) বলা হয়। ঘটনাটা এরকম, ১৮৯৪ সালের ডিসেম্বরে ফরাসি বাহিনীর আর্টিলারি অফিসার ক্যাপ্টেন আলফ্রেড ড্রায়ফাসকে বিশ্বাসঘাতকতার দায়ে অভিযুক্ত করা হয় এবং উত্তর আটলান্টিকের ডেভিলস আইল্যান্ডে যাবজ্জীবন দণ্ড দেয়া হয়। অভিযোগ হলো, তিনি নাকি প্যারিসের জার্মান এমব্যাসিতে ফ্রেঞ্চ মিলিটারির গোপন তথ্য পাচার করছিলেন। সমস্যাটা হলো, ড্রায়ফাস ছিলেন ইহুদী, এবং ইহুদীরা তখন প্রতিবাদ শুরু করে। দুবছরের মাথায় তদন্তে বেরিয়ে এলো, আসলে তথ্য পাচার করছিলেন অন্য এক আর্মি মেজর, ড্রায়ফাস নন। ফ্রেঞ্চ আর্মি নতুন তথ্য-প্রমাণ ধামাচাপা দিতে চেষ্টা করে। কিন্তু এক পর্যায়ে ফরাসি রাষ্ট্রপতির ক্ষমাও জুটে যায় ড্রায়ফাসের, সুপ্রিম কোর্টও তাকে নির্দোষ ঘোষণা করে। তিনি আর্মিতে মেজর হিসেবে যোগ দেন এবং প্রথম বিশ্বযুদ্ধে অংশও নেন। ড্রায়ফাসের ঘটনা ওখানেই শেষ।

    কিন্তু এই স্ক্যান্ডাল থেকে জনৈক ভদ্রলোক এই সিদ্ধান্তে আসেন যে, ইহুদীদের ইউরোপে আর থাকা যাবে না। এই ভদ্রলোকের নাম থিওডোর হার্ৎজেল (Theodor Herzl), অস্ট্রিয়া-হাঙ্গেরির একজন ইহুদী সাংবাদিক ও লেখক। তাকে ‘আধুনিক ইসরাইল রাষ্ট্রের জনক’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

    ‘ইহুদী রাষ্ট্র” (দ্য জ্যুয়িশ স্টেট) নামে তার জার্মান ভাষায় লেখা বইতে হার্ৎজেল লিখেন, ক্রমবর্ধমান ইউরোপীয় ইহুদীবিদ্বেষের একমাত্র সমাধান আলাদা এক ইহুদী রাষ্ট্র। ১৮৯৭ সালে জায়োনিস্ট সংঘ গড়ে তোলা হয়। প্রথম জায়োনিস্ট কংগ্রেসে লক্ষ্য ধার্য করা হয়, ফিলিস্তিনে ইহুদী আবাসভূমি গড়ে তুলতে হবে। প্রথমে ফিলিস্তিনের নাম আসেনি, এর আগে এশিয়া, আফ্রিকা বা দক্ষিণ আমেরিকার যেকোনো জায়গায় ইহুদী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রস্তাব আসে। কিন্তু ১৯৭ জন ইহুদী প্রতিনিধিই একমত হন ফিলিস্তিনের ব্যাপারে।

    ১৯০২ সালের মাঝে ৩৫,০০০ ইহুদী চলে আসে ফিলিস্তিনে, যেটা বর্তমানে ‘ইসরাইল’ নামে পরিচিত। তখন সেটা অবশ্য মুসলিম অধিকারে। এটাকে বলা হয় ‘প্রথম আলিয়া’। আলিয়া হলো ইহুদী পুনর্বাসন, যখন অনেক ইহুদী একসাথে সরে আসে। তখন মুসলিম-প্রধান ফিলিস্তিনে দেখা গেল, জেরুজালেমের সিংহভাগই হঠাৎ করে ফিরে আসা ইহুদী।

    ১৯০৫ থেকে ১৯১৪ সাল পর্যন্ত ফিলিস্তিন অঞ্চলে ইহুদীদের জনসংখ্যা ছিল মোটে কয়েক হাজার। কিন্তু প্রথম বিশ্বযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে ব্রিটিশদের সহযোগিতায় ফিলিস্তিনে ইহুদীদের সংখ্যা দাঁড়ায় ২০ হাজার! ১৯১৪ সালের মাঝে দ্বিতীয় আলিয়া হয়ে গেল, ৪০,০০০ ইহুদী এ এলাকায় চলে এলো। প্রথম বিশ্বযুদ্ধে ইহুদীরা সমর্থন দেয় জার্মানিকে, কারণ তারা শত্রু রাশিয়ার বিরুদ্ধে লড়ছিল। ভাগ্যের পরিহাসে, পরের বিশ্বযুদ্ধেই এই জার্মানি ইহুদীদের একদম নিশ্চিহ্ন করতে নেমে পড়েছিল!

    প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শেষ হয় ১৯১৮ সালে, আর তাতে হেরে যায় কেন্দ্রীয় শক্তি (অক্ষশক্তি) বা সেন্ট্রাল পাওয়ার্স। এই বিজিত কেন্দ্রীয় শক্তির অধীনে ছিল জার্মান সাম্রাজ্য, অস্ট্রিয়া, হাঙ্গেরি, মুসলিম অটোমান সাম্রাজ্য (উসমানি সাম্রাজ্য) আর বুলগেরিয়া। যুদ্ধে জিতে যায় মিত্রশক্তি (অ্যালাইড)। আসলে ১৯১৮ সালের ১১ নভেম্বর অস্ত্রবিরতি হলেও, কাগজে কলমে যুদ্ধের ইতি ঘটে ১৯১৯ সালের ২৮ জুন। সেদিন প্যারিস থেকে ২০ কিলোমিটার দূরে ফ্রান্সের রাজপ্রাসাদ ভের্সাই প্রাসাদে সাক্ষরিত হয় ভের্সাই চুক্তি, যেখানে জার্মানি আর মিত্রশক্তির যুদ্ধের ইতি টানা হয়। ঠিক পাঁচ বছর আগে এক অস্ট্রিয়ান আর্চডিউকের গুপ্তহত্যার কারণে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়েছিল।

    বিশ্বযুদ্ধের পরপর মিত্রশক্তি ১৯১৯ সালে ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে একটি সম্মেলন আয়োজন করে, একে ‘প্যারিস পিস কনফারেন্স’ বা ‘প্যারিস শান্তি সম্মেলন’ বলা হয় (যার ফল ছিল এ ভের্সাই চুক্তি)। সেখানে যোগদান করেন ৩২টিরও বেশি দেশ থেকে আসা কূটনীতিকগণ। এ সম্মেলনের উদ্দেশ্য ছিল, এই যুদ্ধে হেরে গেল যে দেশগুলো, তাদের সাথে কী করা যায়, সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়া। পরাজিত কেন্দ্রীয় শক্তির দেশগুলোর জন্য বিভিন্ন শর্ত তৈরি করা হয় এ সম্মেলনে। পুরো যুদ্ধের জন্য দায়ী করা হয় জার্মানিকে। দেশটিকে যুদ্ধের কারণে হওয়া ক্ষয়ক্ষতির দায়ভার বহনের জন্য জরিমানা করা হয়। জার্মানি প্রচণ্ড অপমানিত হলেও ১৯৩১ সাল পর্যন্ত একটি বড় অংকের ক্ষতিপূরণ দিয়েছিল। তবে এর ফলে স্বভাবতই ইউরোপের অন্য দেশগুলোর প্রতি জার্মানদের মনে ঘৃণা তৈরি হয়।

    প্যারিস শান্তি সম্মেলনে নেয়া দুটো বড় সিদ্ধান্ত আমাদের এ বইয়ের পটভূমি বোঝার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সিদ্ধান্ত এক, একটি আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান তৈরি করা হবে, যার নাম হবে ‘লিগ অফ ন্যাশনস’। আর দুই, জার্মানি আর অটোমান সাম্রাজ্যের অধীনে যুদ্ধ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত যে যে বিদেশী এলাকাগুলো ছিল, সেগুলো মিত্রশক্তির মাঝে বিলি করে দেয়া, বিশেষ করে ফ্রান্স আর ব্রিটেনের মাঝে।

    জাতিসংঘ সৃষ্টির আগে পুরো বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক যে সংঘের উপস্থিতি ছিল, সেটিই লিগ অফ ন্যাশনস (League of Nations), যাকে সংক্ষেপে LON-ও ডাকা হতো। প্যারিস শান্তি সম্মেলনের ফলশ্রুতিতে ১৯২০ সালের ১০ জানুয়ারি জন্ম নেয় এ লিগ। জাতিসংঘ জন্ম নেবার আগ পর্যন্ত, অর্থাৎ ১৯৪৬ সাল পর্যন্ত লিগ অফ ন্যাশনস তার কাজ চালিয়ে যায়। এর পতাকায় ব্রিটিশদের ভাষা ইংরেজি আর ফ্রান্সের ভাষা ফরাসিতে নাম লেখা ছিল (Société des Nations ), যেমনটি এখানে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে-

    লিগ অফ ন্যাশনসের পতাকা
    লিগ অফ ন্যাশনসের পতাকা

    তো যা বলছিলাম, যুদ্ধে পরাজিত দেশগুলোর বিদেশী অধিকৃত এলাকাগুলোকে বিলি করে দেবার কথা। এই এলাকাগুলোকে বলা হতো লিগ অফ ন্যাশনস ম্যান্ডেট। একেকটি ম্যান্ডেট একেক জয়ী দেশের অধীনে চলে গেল। তাদের দায়িত্ব- লিগ অফ ন্যাশনসের হয়ে এ জায়গাগুলোর দেখাশোনা করা, সেখানকার লোকদের অধিকার সংরক্ষণ করা। এই ম্যান্ডেটতন্ত্র তৈরি করা হয় লিগ অফ ন্যাশনস চুক্তিপত্রের আর্টিকেল ২২ অনুযায়ী। লিগ অফ ন্যাশনসের পর এগুলো জাতিসংঘের অধীনে চলে গিয়েছিল।

    তিনটি শ্রেণী বা ক্লাসে ভাগ করা হয় ম্যান্ডেটগুলোকে। মোট ১৬টি ম্যান্ডেট। পশ্চিম এশিয়া কভার করা ক্লাস-এ’তে ৫টি, আফ্রিকা কভার করা ক্লাস-বি’তে ৭টি এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল কভার করা ক্লাস সিতে আছে ৪টি ম্যান্ডেট। আমাদের আলোচ্য বিষয় ক্লাস-এ, অর্থাৎ পশ্চিম এশিয়া। এতে আছে সিরিয়া, ট্রান্সজর্ডান, মেসোপটেমিয়া, লেবানন আর ফিলিস্তিন।

    সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়ায়, ফিলিস্তিন কার অধিকারে যাবে?

    প্রথম বিশ্বযুদ্ধ যখন শুরু হয়েছিল, তখন মুসলিম-প্রধান ফিলিস্তিন অটোমান সাম্রাজ্যের অধীনে, খুব কম সংখক ইহুদীই সেখানে বসবাস করত। তখন থেকেই ব্রিটিশ ওয়ার কেবিনেট চিন্তা করা শুরু করে ফিলিস্তিনের ভবিষ্যৎ নিয়ে। তৈরি করা হয় ‘ব্যালফোর ঘোষণা’, যাকে ইসরাইল রাষ্ট্র সৃষ্টির ভিত্তি হিসেবে ধরা হয়।

    এই ঘোষণাটি মূলত একটি চিঠি, তাতে তারিখ দেয়া- ২ নভেম্বর, ১৯১৭। চিঠিটি ব্রিটিশ পররাষ্ট্র সচিব আর্থার ব্যালফোর সেখানকার ইহুদী সমাজের নেতা লর্ড রথসচাইল্ডকে পাঠান। উদ্দেশ্য ছিল ব্রিটেন আর আয়ারল্যান্ডের জায়োনিস্ট সংঘে প্রচার করা। জায়োনিস্ট বলতে বোঝায়, ইহুদীদের নিজস্ব এলাকা প্রতিষ্ঠা এবং সারা দুনিয়ায় ইহুদীদের প্রতিরক্ষার আন্দোলন।

    ব্যালফোর ঘোষণায় বলা হয়, ব্রিটিশ সরকার ফিলিস্তিনে ইহুদীদের জন্য জাতীয় আবাসভূমি তৈরি করতে সায় দিচ্ছে, এবং এর জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করবে। তবে এতে করে যেন সেখানকার অ-ইহুদী সম্প্রদায়ের অধিকার ক্ষুণ্ন না হয়, সেদিকে নজর দিতে হবে। অন্যান্য দেশে বসবাসরত ইহুদীদের অধিকারও যেন অক্ষুণ্ণ থাকে, সেটিও খেয়াল করতে হবে।

    ব্যালফোর ঘোষণায় ইহুদী আবাসভূমি বললেও সেটি আলাদা রাষ্ট্র হবে কি না, সেটা বলা নেই। ব্রিটিশ সরকার ইচ্ছে করেই সেটি চেপে যায়। তারা আলাদা করে নিশ্চিত করে যে, ফিলিস্তিনকে ইহুদী আবাসভূমি বললেও তারা কখনও চায়নি, পুরো ফিলিস্তিন জুড়েই ইহুদী আবাস হোক।

    আজকে যা সৌদি আরব, তখন তা হেজাজ নামের পরিচিত ছিল। সেখানকার ক্ষমতা ছিল হাশেমি পরিবারের অধীনে। হাশেমিদের নেতা শরিফ হুসাইন বিন আলী ১৯১৫-১৯১৬ সালে দশটি চিঠি আদানপ্রদান করেন মিসরের ব্রিটিশ হাই কমিশনারের সাথে। ১৯১৫ সালের ২৪ অক্টোবর যে চিঠি পাঠানো হয়, তাতে স্পষ্ট করে লেখা- যদি বিশ্বযুদ্ধে অটোমানদের বিরুদ্ধে মক্কার নেতা শরিফ একটি বিদ্রোহ শুরু করতে পারে, তাহলে যুদ্ধ শেষে ব্রিটিশ সরকার আরবদের স্বাধীনতা দেবে। মিত্রশক্তির বিরোধী পক্ষ ছিল অটোমানরা। যুদ্ধে জিততে হলে তাদের বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলা ব্রিটিশ সরকারের জন্য খুব জরুরি ছিল। কারণ, তাদের শাসিত খোদ ভারতবর্ষেই ৭ কোটি মুসলিম তখন, তারা নৈতিকভাবে সমর্থন দেয় অটোমান খেলাফতকে; এরকম অনেকেই যোগ দিয়েছে ভারতীয় সেনাবাহিনীতে, এদেরকে বিশ্বযুদ্ধে ব্যবহার করা হবে। কিন্তু তারা যদি দেখে যে মক্কা নিজেই অটোমানদেরকে সমর্থন দেয় না, বরং মিত্রশক্তিকে দেয়, তাহলে এই বিশাল জনসংখ্যাকে নিজেদের পক্ষে পাবে ব্রিটিশ সরকার।

    মক্কার নেতা শরিফ হুসাইন নির্দিষ্ট করে দিলেন যে তিনি কোন কোন আরব এলাকার স্বাধীনতা চান। তবে তিনি ফিলিস্তিনের কথা বলেছিলেন কি বলেননি, সেটা আজও বিতর্কের বিষয়। অন্যদিকে একই সময়ে সোভিয়েত আর ইতালির সায় নিয়ে যুক্তরাজ্য আর ফ্রান্স নিজেদের মাঝে একটি গোপন চুক্তি সেরে নেয়। এই চুক্তিতে ব্রিটেনের অধীনে চলে যায় আজকের ইসরাইল, ফিলিস্তিন, জর্ডান, ইরাকের দক্ষিণাংশ ইত্যাদি। এ তো গেল গোপনে হওয়া চুক্তি, কিছু সময় পরে সেটি জনসম্মুখেও চলে এলো। এবার আনুষ্ঠানিকতার পালা।

    প্যারিস শান্তি সম্মেলনে এ নিয়ে আলোচনা হলো। ১৯২০ সালে লন্ডনের সম্মেলনেও সে আলোচনা চলতে থাকে। অবশেষে সে বছরের এপ্রিলে ইতালির উপকূলীয় শহর স্যানরেমোতে হওয়া সম্মেলনে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দেয়া হয়। মিত্রশক্তির সুপ্রিম কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ফিলিস্তিন আর মেসোপটেমিয়ার ম্যান্ডেট গেল ব্রিটেনের কাছে, আর সিরিয়া ও লেবানন গেল ফ্রান্সের কাছে।

    আরও বলা হলো, হেজাজের রাজা শরিফ হুসাইনের তিন ছেলে বা আমিরগণ বিভিন্ন বিজিত মুসলিম অঞ্চলের রাজা হবেন। ব্রিটিশদের আমন্ত্রণে প্যারিস সম্মেলনে আরবদের পক্ষ থেকে যোগ দেন হাশেমিদের প্রতিনিধি আমির ফয়সাল। বিশ্ব জায়োনিস্ট সংঘের পক্ষ থেকে যে দল এসেছিল, তাদের নেতা ছিলেন রুশ বায়োকেমিস্ট হাইম আজরিয়েল ওয়াইজম্যান, যিনি পরে গিয়ে ইসরাইলের প্রথম প্রেসিডেন্ট হন।

    এর আগেই অবশ্য ইহুদী জায়োনিস্টরা ফয়সালের সাথে দেখা করেছিল, প্রায় দুসপ্তাহ আগে। তখন তারা ফিলিস্তিনের ব্যাপারে ইহুদী পরিকল্পনা নিয়ে ফয়সালের সায় নেয়। কিন্তু সম্মেলনে তারা ফয়সালের হাতে লেখা সে শর্ত উপস্থাপন না করে চেপে যায়, যেখানে আমির ফয়সাল লিখেছিলেন, তিনি এ শর্তে সায় দিচ্ছেন যে, ফিলিস্তিনকেও স্বাধীনতা দিতে হবে অন্যান্য আরব দেশের মতো। এই চেপে যাওয়ার মধ্য দিয়েই ১৯১৯ সালের ৩ জানুয়ারি ফয়সালের সাথে ওয়াইজম্যানের চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়ে যায়।

    ফিলিস্তিন এখন পরিচিত হবে ব্রিটিশদের ম্যান্ডেট হিসেবে – ফিলিস্তিন ম্যান্ডেট।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগল্পসম্ভার – আব্দুর রউফ চৌধুরী
    Next Article ইহুদী জাতির ইতিহাস – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }