Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইহুদী জাতির ইতিহাস ২ (ইসরাইলের উত্থান-পতন) – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

    লেখক এক পাতা গল্প270 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায়-২৮ : ইহুদী এসকাটোলজি

    কটমটে একটি নাম দিয়ে দিলাম অধ্যায়ের। ইতিহাস তো শেষ, বর্তমানও বলে ফেললাম। এবার তাই ভবিষ্যতের পালা। কিন্তু ভবিষ্যৎ তো বলা যায় না!

    কিন্তু তারপরও যুগে যুগে নানা ধর্মে ভবিষ্যদ্বাণী হয়ে এসেছে, আসছে দিনগুলোতে কী হবে না হবে, তা নিয়ে। কিন্তু সবচেয়ে বেশি আলাপ হয়েছে দুনিয়া ধ্বংসের সময় এগিয়ে এলে কী হবে, সে বিষয়ে। বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, এ নিয়ে এক আলাদা ধর্মবিদ্যাই আছে! গ্রিক থেকে ইংরেজিতে এসে সেই বিদ্যার নাম হয়েছে এসকাটোলজি (Eschatology), যার মানে ‘অন্তিম সময়ের বিদ্যা’। গ্রিক শব্দ ‘এসকাটোস’ মানে ‘অন্তিম’। ১৮৪৪ সালে এ শব্দটি প্রথম ব্যবহৃত হয়। এ অধ্যায়ে আমরা মূলত জানার চেষ্টা করব সেমিটিক এসকাটোলজি নিয়ে, অর্থাৎ শেষ সময় নিয়ে এ ধর্মগুলো কী বলে থাকে, বিশেষ করে ইহুদী ধর্ম, যেহেতু তারাই আমাদের বইয়ের বিষয়বস্তু।

    ইহুদী ধর্মে শেষ সময়কে বলা হয় ‘আহারিত হা-ইয়ামিম’, তাদের পবিত্র তানাখ গ্রন্থে বারবার এসেছে এ শব্দটি। অন্তিম সময় বা এন্ড অফ টাইমস নিয়ে ইহুদীদের যত ভবিষ্যদ্বাণী, তার মূল উৎস হলো তানাখ বা হিব্রু বাইবেল। নির্বাসনের আগের নবীদের কিতাবে তারা এগুলোর খোঁজ করে, বিশেষ করে ইশাইয়া (আ), ইয়ারমিয়া (আ), হিজকীল (আ) এবং মূসা (আ)।

    ইহুদীদের হিজকীলের কিতাব থেকে ভবিষ্যদ্বাণী হলো, ইহুদীদের নির্বাসন শেষে তারা যখন ঘরের ছেলে ঘরে ফিরে আসবে, তখন অনুষ্ঠিত হবে ইয়াজুজ মাজুজের যুদ্ধ। [ইয়াজুজ মাজুজ ইসলাম ছাড়াও অন্যান্য ধর্মে কীভাবে উল্লেখিত, তা বিস্তারিত জানতে পড়ুন আমার ‘অতিপ্রাকৃতের সন্ধানে’ বইটি।] মধ্যযুগীয় র‍্যাবাই এবং তাওরাত বিশারদ দাউদ কিমহির মতে, এই যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হবে জেরুজালেমে, বা জেরুজালেমকে ঘিরে। তবে হাসিদী ইহুদীরা মনে করতো, ইহুদীদের দুঃখ মোচন হবার আগ পর্যন্ত এ যুদ্ধ হবে না।

    ইহুদী ভবিষ্যৎবাণী অনুযায়ী, আল্লাহ দাউদ (আ)-এর বংশধারাকে আবার সিংহাসনে বসাবেন, রাজত্ব দেবেন। আবার দাঁড়াবে বাইতুল মুকাদ্দাস বা থার্ড টেম্পল অফ সলোমন। দাউদের বংশধারা থেকে আগত মাসীহ বা মেসায়া (খ্রিস্ট) ইহুদীদেরকে নেতৃত্ব দেবেন এবং এক মসীহ যুগের (মেসায়ানিক এজ) সূচনা করবেন। সেই যুগ হবে শান্তি ও সমৃদ্ধির। সারা পৃথিবীর সকল মানুষ ইহুদীদের ঈশ্বরকে এক ঈশ্বর বলে মেনে নেবে। অতঃপর কিয়ামত হবে এবং আল্লাহ সকল মৃতকে জীবিত করবেন, শুরু হবে নতুন জীবন।

    মুসলিমদের মাঝে সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞাসিত একটি প্রশ্ন হলো, ইহুদীদের মাসিহ কি দাজ্জাল? ইসলামি বিশ্বাস অনুযায়ী, মাসিহ আদ-দাজ্জাল বা ভণ্ড মাসিহের আগমন ঘটবে শেষ যুগে, যাকে হত্যা করবেন ঈসা (আ), যিনি খ্রিস্ট ও ইসলাম ধর্ম অনুযায়ী প্রকৃত মাসিহ বা খ্রিস্ট। হিব্রু মাসিয়াহ (p) শব্দের আক্ষরিক অর্থ ‘যার গায়ে মেখে দেয়া হয়েছে’, অর্থাৎ রাজ-অভিষেকের সময় অভিষিক্তের শরীরে তেল মাখিয়ে দেয়া হতো, তাই এর ভাবার্থ হলো ‘ত্রাণকর্তার পদে যিনি অভিষিক্ত’, আরবিতে আল-মাসিহ (+ে wall)। ইহুদী ধর্মে আসলে চারজন মাসিহের উল্লেখ আছে। এরা হলেন- ‘দাউদের বংশের মাসিহ, ‘ইউসুফের বংশের মাসিহ’, ইলিয়াস (আ)- যাকে ইহুদী মতে জীবিত আকাশে উঠিয়ে নেয়া হয়েছিল, এবং সর্বশেষ আসবেন একজন ইমাম, যাকে কেবল ‘সৎ ইমাম’ বলে উল্লেখ করা হয়েছে। আর একজন আসবে ভণ্ড মাসিহ, যাকে হত্যা করবেন দাউদের বংশের মাসিহ। কে কোন সময় আসবেন, তা নিয়ে আছে বিতর্ক। সাধারণ বিশ্বাস হলো, প্রথমে ইউসুফের বংশের মাসিহ আসবেন, তিনি ইসরাইলের সন্তানদের একত্রিত করবেন, তাদের নিয়ে যাবেন জেরুজালেমে। জেরুজালেম বিজয়ের পর তিনি বাইতুল মুকাদ্দাস বানাবেন, এবং নিজের রাজত্ব শুরু করবেন। তখন ইয়াজুজ মাজুজ কিংবা দাজ্জালের আগমন হবে। কোনটা আগে হবে, তা বলা যায় না।

    ইহুদী ধর্মে এই দাজ্জাল বা খ্রিস্টবিরোধী চরিত্রের নাম আরমিলাস। আরমিলাস এসে পুরো পৃথিবী জয় করে নেবে খুব কম সময়ে, এরপর জেরুজালেমে তার রাজধানী করবে এবং সেখান থেকে রাজত্ব করবে এবং নিজেকে খোদা দাবিও করবে। এবং এটি সম্পন্ন করতে গিয়ে আরমিলাস হত্যা করবে ইউসুফের বংশের মাসিহকেই, তার দেহ কবর না দেয়া অবস্থায় পড়ে থাকবে জেরুজালেমে। তখন ফেরেশতারা তার মৃতদেহ আড়াল করে রাখবেন, যতক্ষণ না দাউদের বংশের মাসিহের আগমন না ঘটে। তিনি আসার পর ইউসুফের বংশধারার মাসিহকে পুনরুজ্জীবিত করা হবে। ইলিয়াসও (আ) আসবেন দাউদের বংশের মাসিহের সাথে। এই মাসিহ নামার সময় ফেরেশতা পরিবেষ্টিত হয়ে নামবেন এবং তিনি আরমিলাসকে হত্যা করবেন কেবল তার শ্যেন দৃষ্টি বা নিঃশ্বাসের আঘাতেই। এই দাউদের বংশের মাসিহ হলেন আসল মাসিহ, যাকে ইহুদীরা আরামায়িকে ‘মালকা মেশিহা’ বা হিব্রুতে ‘মেলেখ মাশিয়াহ’ (রাজা মাসিহ) বলে থাকে।

    ইসলামের নানা ভবিষ্যদ্বাণীর সাথেই ইহুদীদের কিছু ভবিষ্যদ্বাণী মিলে যায়, চরিত্রগুলোর গড়মিল আছে যদিও। যেমন, ইয়াজুজ মাজুজের আগমনের কথা রয়েছে ইসলামেও। “আর যে জনপদকে আমি ধ্বংস করে দিয়েছি, তার অধিবাসীদের ফিরে না আসা অবধারিত। যে পর্যন্ত না ইয়াজুজ ও মাজুজকে বন্ধন মুক্ত করে দেয়া হবে এবং তারা প্রত্যেক উচ্চভূমি থেকে দ্রুত ছুটে আসবে।” (কুরআন, সূরা আম্বিয়া, আয়াত ৯৫-৯৬)

    আবু দাউদ শরিফের একটি হাদিসে এসেছে, মুয়ায ইবনে জাবাল (রা)-কে রাসুল (সা) বলছেন, “জেরুজালেমের রাজ্য বিকাশমান হবে যখন ইয়াসরিবের অবস্থা করুণ, ইয়াসরিবের অবস্থা করুণ হবে যখন মালহামা (শেষ যুদ্ধ) আসবে, আর মালহামার সাথে আসবে কনস্ট্যান্টিনোপল জয়, আর তার সাথে আসবে দাজ্জালের আগমন। রাসুল (সা) নিজের উরু বা কাঁধে চাপড় দিয়ে বললেন, তুমি (মুয়ায) আমার সামনে বসে আছ তা যেমন সত্য, আমার এ কথাগুলোও তেমন সত্য।” (আবু দাউদ ৪২৯৪, ৩৯/৪ বা ৩৮/৪২৮১)

    আরেকটি হাদিসে এসেছে, “আমার উম্মাতের একটি দল হকের ওপর বিজয়ী থেকে কিয়ামত পর্যন্ত লড়াই করতে থাকবে। অতঃপর ঈসা ইবনে মারইয়াম (আ) অবতরণ করবেন। তাকে দেখে মুসলমানদের আমির বলবেন, “আসুন! আমাদেরকে নিয়ে নামাযের ইমামতি করুন।’ ঈসা (আ) বলবেন, ‘না; বরং তোমাদের আমির তোমাদের মধ্যে হতেই (হবে)।’ এই উম্মাতের সম্মানের কারণেই তিনি এ মন্তব্য করবেন।” (সহিহ মুসলিম)

    এরকম হাদিসগুলো বর্ণনা করে শেষ করা যাবে না সংক্ষেপে, তবে যে যুদ্ধের কথা বলা হচ্ছে অর্থাৎ মালহামা, তা অন্যান্য ধর্মে আর্মাগেডন (Armageddon) নামে পরিচিত। এটি আসলে কোনো মূল ইংরেজি শব্দ নয়, বরং হিব্রু থেকে এসেছে। মূল শব্দটি ছিল ‘হার মেগিদো’ অর্থাৎ মেগিদো পাহাড়। ইহুদী ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী, মেগিদো টিলার কাছেই সর্বশেষ মহাযুদ্ধের বাহিনীগুলো জড়ো হবে। এজন্যই এর নাম আর্মাগেডন।

    অনেক গোঁড়া ইহুদীর মাঝেই ভবিষ্যদ্বাণী ত্বরান্বিত করার একটি প্রবণতা থাকে, আর সেই সূত্রে বলতে হয় ‘পবিত্র গাভীর ইহুদী বৃত্তান্ত’। এ অদ্ভুত বিষয়ে অনেকের নানা জিজ্ঞাসা থাকে আমার কাছে। মসীহবাদী ইহুদীদের সবচেয়ে বড় স্বপ্ন অপেক্ষা প্রতীক্ষা যা নিয়ে, তার পেছনে আছে এক পবিত্র লাল গরু। কেন?

    ব্যাপারটা খুলে বলা যাক। ইহুদীদের তাওরাত কিতাব বা অন্যান্য নবীদের কিতাব বলে বিশেষ এক নবী আসবেন। আর অন্তত একজন মাসিহ (Messiah) আসবেন। সেই নবী কে, সেটি এই বইয়ের আলোচ্য বিষয় নয়- এ নিয়ে লিখতে হলে অনেক বড় পরিসরে আলোচনা করতে হবে। কিন্তু সেই মেসায়া (ক্রাইস্ট) কে, সেটা বড়ই গুরুত্বপূর্ণ। নবী নিয়ে ইহুদীদের মাথাব্যথা নেই।

    হযরত ঈসা (আ) যে সেই মেসায়া বা খ্রিস্ট, সেই বিষয়ে অন্য দুই সেমিটিক ধর্ম ইসলাম আর খ্রিস্ট ধর্মবিশ্বাসে কোনোই দ্বিমত নেই। বাগড়াটা ইহুদী ধর্মবিশ্বাসে। কারণ, ইহুদী বিশ্বাসে যীশু হলেন ভণ্ড মেসায়া, অনেক ভণ্ডের একজন। তাদের যুক্তি যে নেই, তা নয়, সেই যুক্তি হলো, কিং ডেভিড অর্থাৎ দাউদ (আ) এর বংশধর সেই মেসায়া এসে জেরুজালেম থেকে দুনিয়া শাসন করবেন, বাইতুল মুকাদ্দাস তথা টেম্পল অফ সলোমন হবে তার শাসনকেন্দ্র। তার কিছুই করে দেখাতে পারেননি যীশু খ্রিস্ট। তার ওপর, তিন ধর্মমতেই, স্বয়ং ইহুদীরাই যীশুকে রোমানদের দ্বারা ক্রুশে চড়িয়ে মৃত্যুদণ্ডের বিধানের ব্যবস্থা করে। ইহুদীরা একজন মৃত ও ব্যর্থ কাউকে খ্রিস্ট মানতে নারাজ। সুতরাং, খ্রিস্টের আগমন এখনও বাকি। যিনি আসবেন, এসে ইসরাইলকে সেরা বানাবেন, টেম্পল অফ সলোমন নির্মাণ করবেন আবার, সেখান থেকে দুনিয়াজুড়ে কর্তৃত্ব করবেন, যা বললাম এতক্ষণ আরকি। যে সব ইহুদী তখন যীশুর বাণীতে সাড়া দেয়, তারা পরিচিত হয় যীশুর গ্রামের বাড়ি নাসরতের (নাজারেথ) নামে-নাসারা, নাজারিন (অন্য এক সূত্রে, সাহায্যকারী অর্থে নাসারা)। এই ইহুদী আর নাসারাদের খ্রিস্ট দ্বন্দ্বের মাঝেই হাজির হয় ইসলাম। ইসলামেও যীশুই খ্রিস্ট। কিন্তু ইহুদীদের নিজস্ব হিসাবানুসারে যীশু তো আসলেই অনেক কিছু পূরণ করেননি, অন্তত নবী হিজকীল (আ) আর ইশাইয়া (আ) মেসায়া সম্পর্কে যা যা ভবিষ্যৎবাণী করে রেখে গিয়েছিলেন, সেগুলোর মাঝে এক দাউদের বংশ ছাড়া বাকিগুলোর পূরণ হওয়াটা জরুরি তাদের মতে।

    এখানেই ঘটনার শুরু।

    ইহুদী ধর্ম যীশুর ব্যাপারে অবশ্যই আর কিছুই কখনও বলেনি, এক অবিবাহিতা নারীর অবৈধ সন্তান ও ভণ্ড মেসায়া দাবিদার- এটুকুই ইহুদী ধর্মে তার পরিচয়। অন্যদিকে, ইসলাম ও খ্রিস্টধর্ম আরেকটি ব্যাপারে বেশ একমত, সেটি হলো, যীশুর দ্বিতীয় আগমন। তিনি আসবেন এবং শেষ যুদ্ধ করবেন ভণ্ড মেসায়ার বিরুদ্ধে, যাকে খ্রিস্টানরা বলে অ্যান্টিক্রাইস্ট, আর মুসলিমরা বলে মাসিহে দাজ্জাল (“ভণ্ড মসীহ”)। তিনি তারপর জেরুজালেম থেকে শান্তির রাজত্ব কায়েম করবেন, ইত্যাদি। এদিক থেকে তার খ্রিস্টত্বের শর্ত পূরণ হয়ে যায়। ইসলামে অবশ্য কোনো গ্রন্থে বা কোথাও এই শর্ত পূরণ নিয়ে কথা হয়নি, তবে ইহুদী খ্রিস্টান ধর্ম আবার এ ব্যাপারে বেশ সতর্ক। প্রশ্ন হলো, সেই আগমনটা কবে? ইহুদীরা যদি যীশুকে ভণ্ড বলে, তাহলে অপরজন যাকে বাকি দুই ধর্ম ভণ্ড বলবে, তাকেই ইহুদীদের সত্য বলে মেনে নেবার কথা। এবং এটাই ইসলামি এসকাটোলজি বলে, ইহুদীরা সেই ভণ্ড মেসায়ার অনুসারী হবে দলে দলে। কথা হলো, এই সত্য মিথ্যা মেসায়ার আগমন বিষয়ে ইহুদী এসকাটোলজি কী বলে?

    খ্রিস্টপূর্ব প্রায় অর্ধসহস্র বছর আগে প্রথমবারের মতো বাইতুল মুকাদ্দাস বা টেম্পল অফ সলোমন ধ্বংস করে দেন ব্যবিলনের সম্রাট নেবুকাদনেজার, ইহুদী কিতাব তাই বলে। ইহুদীরা দাসবন্দী অবস্থা থেকে আবার ইসরাইলে ফিরে, বানায় সেকেন্ড টেম্পল। এই বাইতুল মুকাদ্দাস এবার ৭০ সালের দিকে আবার ভেঙে দিয়ে যায়, এবার ভাঙে রোমানরা। সুতরাং, মেসায়ার আগমন সত্য হতে হলে, তাকে টেম্পল অফ সলোমন থেকে রাজত্ব করতে হলে, ওই স্থানে থার্ড টেম্পল প্রয়োজন, যা অরিজিনাল বাইতুল মুকাদ্দাসের আর্কিটেকচারাল ডিজাইনে নির্মিত হবে। ডিজাইন সংরক্ষিত আছে ভালোভাবেই। সেটা সমস্যা না। কিন্তু থার্ড টেম্পল কিন্তু যেন তেন সময় বানানো যাবে না! থার্ড টেম্পল নির্মাণের সংকেত কী হবে জানেন?

    ইহুদী ধর্মগ্রন্থ বলে থাকে, টেম্পলের পবিত্রতার জন্য প্রয়োজন এক লাল গরুর দেহভস্ম। এক নিখুঁত লাল গরুর। শত শত বছর আগে এই একই রকম গরুর খোঁজে হন্যে হয়ে গিয়েছিলো ইহুদীরা। থার্ড টেম্পলকে পবিত্র করে ব্যবহার উপযোগী করতে যা যা প্রয়োজন, তার জন্য নিরলস কাজ করে যাচ্ছে দ্য টেম্পল ইনস্টিটিউট। সবই প্রস্তুত, কাজ শুরু হলে শেষও হয়ে যাবে। কিন্তু গরুর খোঁজ কই?

    এ গরু হতে হবে— “লালের নিখুঁত উদাহরণ। যদি দুটো লোমও পাওয়া যায়, যেটা একটু হালকা লাল, তাহলেও সেই গরু বাদ, অন্য রঙ তো পরের কথা। খুরের রংও হতে হবে লাল। বয়স তিন থেকে চার বছর, এর কম হবে না। সূচ পরিমাণ কোনো ক্ষতও থাকতে পারবে না। কোনোদিন তাকে দিয়ে কোনো কাজ করানো হয়নি, এমনটি হতে হবে। উৎসর্গ বাইতুল মুকাদ্দাসে নয়, জেরুজালেমের জলপাই পাহাড়ে হবে।” (তাওরাতের গণনাপুস্তক)

    ১৯৯৭ সালে টেম্পল ইনস্টিটিউট এক লাল গাভীর সন্ধান পায়, কিন্তু সেই গাভীর ইতিহাস ঘাঁটতে গিয়ে খুঁত পাওয়া যায়। একই ঘটনা ঘটে ২০০২ সালেও, সেবারের লাল গরুরও পরে খুঁত ধরা পড়ে। গরুকে আবার ইসরাইলি হতে হবে, এমন শর্তের কথাও শোনা যায়। ১৯৮৭ সালে টেম্পল ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠিত হয় থার্ড টেম্পল নির্মাণের উদ্দেশ্যে। গত দুহাজার বছরেও কোনো নিখুঁত লাল গরুর জন্ম হয়নি বলে তারা জানায়। ২০১৮ সালে এক লাল গরুর জন্মের সন্ধান তারা পায়, যা আগামী কয়েক বছর চোখে চোখে রাখা হবে বলে জানানো হয়, কোনো খুঁত ধরা পড়ে কি না, দেখার জন্য। হিব্রুতে এ গরুকে বলা হয় “পারাহ আদুমাহ” বা লাল গরু (Red Heifer)। তবে বিকল্প হিসেবে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের মাধ্যমে নিখুঁত লাল গরু উৎপাদনের চেষ্টাও যে করা হচ্ছে না, তা নয়। এ সবই কেবল থার্ড টেম্পল নির্মাণের পথ খুলে দেবার প্রচেষ্টা, যেন আগমন করতে পারেন মেসায়া। সাদিয়া গাওনের মতো ইহুদী ব্যাখ্যাবিশারদ হিব্রু ‘আদুমাহ’ শব্দটিকে লাল নয় বরং হলদে অনুবাদ করেছেন। ইহুদী পণ্ডিতগণ অনেকেই ভেবেছেন, কেন এই গরু এত জরুরি। কিন্তু কোনো উত্তর না পেয়ে শেষমেশ এটিকে ঐশী আদেশ হিসেবেই মেনে নিয়েছেন তারা, যার উত্তর স্রষ্টা ছাড়া কেউ জানে না।

    বর্তমানে যে স্থানে সোনালি গম্বুজের ডোম অফ দ্য রকের অবস্থান, সেখানেই ফার্স্ট এবং সেকেন্ড টেম্পল অফ সলোমন তথা বাইতুল মুকাদ্দাসের অবস্থা ছিল অন্তত ৭০ সাল পর্যন্ত। এটি গুঁড়িয়ে থার্ড টেম্পল বানালেই মেসায়ার আগমনের ভবিষ্যৎবাণী পূর্ণ হবে, এমনটাই প্রত্যাশা সেই ইহুদীদের।

    বহুকাল আগে যখন নিখুঁত গরুর খোঁজ করছিল মরুচারী ইহুদী জাতি এবং প্রশ্নবাণে জর্জরিত করেছিল হযরত মূসা (আ)-কে, সে ঘটনাকে পবিত্র কুরআনেও (২:৬৭-৭১) উল্লেখ করা হয়েছে, সেখানে গরুর রঙ লাল নয়, হলুদ। এই ঘটনার কারণে পবিত্র কুরআনের দ্বিতীয় সুরার নামকরণ করা হয় “বাকারা” বা “গরু”।

    ২০২২ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি বিবিসির খবরে আসে, যেহেতু জেরুজালেমের টেম্পল মাউন্ট এলাকায় ইহুদীদের প্রার্থনা করতে ঢোকা বলতে গেলে নিষিদ্ধই, সেহেতু অনেকেই মুসলিম সেজে সেখানে ঢুকে পড়ে; এজন্য তারা মুসলিমদের নামাজ পড়ার রীতিনীতিও শিখে নেয়। এদের সাথে কথা বলে জানা যায়, তাদের প্রত্যাশা এখানকার মসজিদ দ্রুত ভাঙা হবে, গড়ে তোলা হবে থার্ড টেম্পল, যেন ভবিষ্যৎবাণী ত্বরান্বিত হয়।

    ভবিষ্যতের ব্যাপার ভবিষ্যতেই দেখা যাবে। এখন কেবল দেখার পালা, বর্তমানের স্রোত গড়ায় কোনদিকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগল্পসম্ভার – আব্দুর রউফ চৌধুরী
    Next Article ইহুদী জাতির ইতিহাস – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }