Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ইহুদী জাতির ইতিহাস ২ (ইসরাইলের উত্থান-পতন) – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

    লেখক এক পাতা গল্প270 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অধ্যায়-৩ : হেলেনিজম শেষে

    সেলুসিদদের রাজা সপ্তম অ্যান্টিয়কাস মারা যাবার পর হিরক্যানাসের আর্থিক সমস্যার সমাধান হয়ে গেল। কারণ, সেলুসিদরা এ সময় দুর্বল হয়ে যায়। তাই তাদেরকে আর কর দিতে হতো না। এরপর হিরক্যানাস যখন নিজের নামে মুদ্রা চালু করলেন, তখন অর্থনীতি আরও চাঙ্গা হয়ে উঠলো।

    হিরক্যানাস জুদাহ জুড়ে নানা ধরনের নির্মাণকাজ শুরু করেন। অ্যান্টিয়কাস যে দেয়ালগুলো ভেঙে ফেলেছিলেন, সেগুলো তিনি পুনর্নির্মাণ করেন। বাইতুল মুকাদ্দাসের উত্তর দিকে একটি দুর্গও নির্মাণ করেন, নাম দেন ‘বারিস’। এছাড়া নিজের নামেও দুর্গ বানান তিনি।

    তার চেয়েও বড় কথা, রোমান রিপাবলিক আর অন্যান্য জেন্টাইল (অ-ইহুদী) ক্ষমতাগুলোর সাথে তিনি সখ্যতা বাড়াতে লাগলেন। রোমান সিনেটেই দুটো বিল পাশ হয়, যাতে ইহুদী সাম্রাজ্যের সাথে মিত্রতার কথা বলা হয়। এমনকি রোমানরা হাসমোনীয় সাম্রাজ্যকে স্বাধীন থাকতে দেয়। রোমানদের সমর্থনকে পুঁজি করে চমৎকারভাবে শাসন করতে থাকেন হিরক্যানাস।

    শুধু রোমানদের সাথেই নয়, মিসরের টলেমি সাম্রাজ্যের সাথেও তার সুসম্পর্ক। সম্ভবত মিসরে বসবাস করতে থাকা ইহুদীদের টলেমির দরবারে ভালো যোগাযোগ থাকার কারণে এটা সম্ভব হয়েছিল। রোমকে সন্তুষ্ট করতে গ্রিক শহর অ্যাথেন্স আর পার্গামনও হিরক্যানাসকে সম্মান জানালো।

    বেথেলহেমে খনন করে হিরক্যানাসের তেষট্টিটি মুদ্রা পাওয়া গেছে, যার এক পাশে লেখা “প্রধান ইমাম ইউহানা” আর অন্য পাশে লেখা “ইহুদী জামাত”। এ থেকে আন্দাজ করা যায়, তখনকার সময়ে ইহুদীদের মনোরঞ্জন করে চলা শাসক হিরক্যানাসের জন্য দরকারি ছিল।

    জীবনের শেষ কাজ হিসেবে তিনি ধর্ম আর শাসনকাজ আলাদা করে যান। তিনি মারা যাওয়ার পর তার বিধবা স্ত্রী শাসনকার্য হাতে নেন। আর তার ছেলে জুডাস অ্যারিস্টোবুলাসকে দেয়া হয় প্রধান ইমামের দায়িত্ব। অবশ্য, ছেলে জুডাসের এ ব্যাপারটা পছন্দ হয়নি। তিনি নিজের মাকে গ্রেফতার করে জেলখানায় পুরলেন, তাকে খাবার দাবারও দিতেন না।

    জুডাসের কথায় একটু পর আসছি। তার আগে জুডাসের বাবা হিরক্যানাসের সাথে সাদুকি আর ফারিসিদের দ্বন্দ্বের বিষয়টা জেনে নেয়া যাক।

    ইহুদীদের তৎকালীন সমাজে সবাই তাওরাতে বিশ্বাস করত বটে, তারপরেও মতবিভেদের অভাব ছিল না। অসংখ্য ভাগ উপবিভাগ দেখা যেত। প্রথম শতকের ইতিহাসবিদ জোসেফাসের মতে, এর মাঝে তিনটি প্রধান দলের কথা উল্লেখ করার মতো। এরা হলো সাদুকি, ফারিসি আর এসিন।

    সাকিরা ছিলেন আর্থ-সামাজিক দিক থেকে একদম উঁচু স্তরের লোক। সম্ভবত রাজা দাউদ (আ)-এর ইমাম সাদুক-এর নাম থেকে এসেছে সাদুকি নামটি। হিব্রুতে এর অর্থ ‘সৎ’, আরবিতে ‘সাদিক’ নামের কাছাকাছি; যদিও ইংরেজিতে ‘স্যাজুসি’ ডাকা হয়। সাদুকিরা তাওরাতের সমস্ত আইন মানতে রাজি, তবে কেবলই আক্ষরিকভাবে। তারা পরকাল আর আত্মার অমরত্বে বিশ্বাস করত না, এমনকি ফেরেশতাদের অস্তিত্বেও না। মৃত্যুর পরপর আত্মার বিনাশ হয়, এটাই তাদের বিশ্বাস। প্রত্যেক মানুষের স্বাধীন ইচ্ছা আছে, ভাগ্য আগে থেকে নির্ধারিত থাকে না। দুনিয়ার ভালো-খারাপ কর্মকাণ্ডের কোনো প্ৰতিফল নেই।

    দ্বিতীয় দলটি হলো ফারিসি। এটি প্রাচীন গ্রিক শব্দ থেকে এসেছে, কিংবা হিব্রু ‘পারুশ’ থেকে, যার অর্থ ‘আলাদা’। কিছু স্কলার বলেন, তারা নিজেদেরকে আলাদা রাখতেন পবিত্রতার জন্য। এটি ছিল একটি সামাজিক আন্দোলন, একটি চিন্তাধারা। তারা বিশ্বাস করতেন, তাওরাতের আইনের ব্যাখ্যা হওয়া উচিৎ মূসা (আ)-এর সময়ের হিসেব ধরে। পাশাপাশি তারা পরকাল ও আত্মার অমরত্বে বিশ্বাস করতেন। কেউ বলেন, ইতিহাসবিদ জোসেফাস একজন ফারিসি ছিলেন; আবার কেউ বলেন, তিনি ফারিসিদের থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চলতেন। তৎকালীন সময়ে প্রায় ৬,০০০ ফারিসি ছিলেন। সেইন্ট পল ছিলেন একজন ফারিসি। ফারিসিরা আইন ব্যাখ্যায় ওস্তাদ ছিলেন, তারা ভাগ্যে খুবই বিশ্বাস করতেন।

    আর তৃতীয় দলটি ছিল এসি। তারা বিচ্ছিন্নতাবাদী। এদের অনেকেই জগৎ সংসার বিমুখী হয়ে জুদাহ রাজ্যের মরুভূমিতে সন্ন্যাসব্রতে ব্যস্ত থাকতেন। তাদের একটি দল বিয়ে করতেন না। সবাই একসাথে থাকতেন, একসাথে খেতেন। তারা ইসরাইলের রাজনীতিতে কোনো অবদানই রাখতেন না। তাই এদের সাথে কারও সখ্যতা বা শত্রুতা, কিছুই নেই। ধারণা করা হয়, ডেড সি স্ক্রল নামের যে লেখাগুলো এখন পাওয়া যায়, সেটি এসিনদেরই লেখা।

    ইহুদীদের কেন্দ্রীয় বিচার আদালত ছিল সানহেদিন, অর্থাৎ ‘কাউন্সিল’। তেইশ বা একাত্তর জন র‍্যাবাইয়ের সম্মিলনে এ আদালত গঠিত। ফারিসি আর সাদুকি, দুই দলই সানহেদ্রিনের সদস্য ছিলেন। পরবর্তী যুগগুলোতে ইহুদীরা যখন নির্যাতিত জীবন কাটায়, তখন সানহেদ্রিন নাম লুকিয়ে একে ‘বাইত হা-মিদ্রাস’ বা ‘শিক্ষাঘর’ বলে ডাকা হতো।

    একটু আগে উল্লেখ করা ডেড সি স্কুলের বিষয়ে আসা যাক। জুদাহ রাজ্যের মরুভূমির বুকে কুমরান গুহা থেকে উদ্ধার করা হয় প্রাচীন ইহুদীদের এসব হিব্রু পাণ্ডুলিপি। এ গুহাগুলো মৃত সাগর বা ডেড সির উত্তর তীরে। তাই উদ্ধারকৃত পাণ্ডুলিপিগুলোকে ‘ডেড সি স্ক্রল’ বলা হয়; আবার ‘কুমরান কেভ স্ক্রল’ নামেও ডাকা হয়। খ্রিস্টপূর্ব শেষ তিনটি শতক আর প্রথম খ্রিস্টীয় শতক জুড়ে এ স্ক্রলগুলো লেখা হয়েছিল বলে বিশেষজ্ঞদের ধারণা। এ পর্যন্ত আবিষ্কৃত হারিয়ে যাওয়া স্ক্রলগুলোর মাঝে সবচেয়ে বিখ্যাত এই ডেড সি স্ক্রল। বাইবেলের বাইরের অনেক কিছুই আমরা এ স্ক্রলগুলো থেকে জানতে পারি। প্রায় সবগুলো স্ক্রলই ইসরাইল জাদুঘরে সংরক্ষিত আছে এখন, যদিও জর্ডান আর ফিলিস্তিনও এ স্ক্রলগুলোর মালিকানার দাবিদার।

    ডেড সি এলাকা থেকে কয়েক হাজার স্ক্রল উদ্ধার করা হয়েছে। তবে খুব কম স্ক্রলই ঠিকভাবে পড়ার মতো অবস্থায় আছে। এর মাঝে কুমরান গুহারগুলোই উল্লেখযোগ্য। এগারোটি গুহা থেকে মোট ৯৮১টি স্কুল পাওয়া গেছে এখন পর্যন্ত প্রথম আবিষ্কারের কৃতিত্ব কয়েকজন রাখালের।

    ১৯৪৭ সালের দিকে মুহাম্মেদ, জুমা আর খলিল মূসা নামের কয়েকজন বেদুইন রাখাল কুমরানের গুহায় একটি কলসে সাতটি স্কুল আবিষ্কার করে, যখন তাদের একজন ভুল করে গুহার ভেতরে পড়ে যায়। মুহাম্মেদ গুহা থেকে বেরিয়ে এল হাতে কয়েকটি স্ক্রল নিয়ে। সেগুলো শিবিরে নিয়ে গিয়ে পরিবারকে দেখায় সে। কী করবে ভেবে না পেয়ে তারা সে স্ক্রলগুলো টানিয়ে রাখলো তাঁবুর খুঁটির সাথে। মাঝে মধ্যে লোক এলে খুলে খুলে দেখায়। একটা পর্যায়ে একটি স্কুল ছিঁড়ে দুভাগ হয়ে যায়। তখন স্কুলগুলোকে বেথেলহেমের এক ডিলারের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু সেই ডিলার এগুলোকে মূল্যহীন বলে ফিরিয়ে দিল। তবে বেদুইনরা হাল ছাড়লো না, একজনের কাছে তিনটি স্কুল প্রায় সোয়া তিনশো ডলার মূল্যে বিক্রি করতে পারলো। পরের বছর সাতটি স্ক্রল নজরে পড়ে আমেরিকান স্কুলস অফ অরিয়েন্টাল রিসার্চের বিশেষজ্ঞ জন ট্রেভরের। তার উদ্যোগে আনুষ্ঠানিকভাবে এ স্কুলগুলো উদ্ধারের ব্যবস্থা করা হয়। এ স্কুলগুলোতে পাওয়া যায় নানা অজানা তথ্য। তবে আজও সমস্ত স্কুলের মানে বের করা যায়নি।

    একটু আগে মাকে গ্রেফতার করা জুডাস অ্যারিস্টোবুলাসের কথা বলছিলাম। ইতিহাসের পাতায় তাকেই হাসমোনীয় সাম্রাজ্যের প্রথম রাজা বলা হয়। খ্রিস্টপূর্ব ১০৪ সালে তিনি ক্ষমতা হাতে নেন, আর তার মৃত্যু হয় ঠিক এক বছর পরেই। তখন এ ক্ষমতা চলে যায় তার ভাই জোনাথান আলেকজান্ডারের হাতে। তবে তার নাম বদলে রাখা হয় আলেকজান্ডার ইয়ান্নাই।

    রাজা আলেকজান্ডার তার মৃত ভাইয়ের বিধবাকে বিয়ে করেন। সামরিক অভিযান থেকে শুরু করে গৃহযুদ্ধ মিলিয়ে তার পুরো শাসনকাল ছিল রক্তপাতময়। তবে বাইবেলের বাইরে আলেকজান্ডারের রাজত্বকেই সবচেয়ে শক্তিশালী আর সবচেয়ে বড় ইহুদী রাজ্য হিসেবে ইতিহাসে দেখা হয়। ফিলিস্তিনের ভূমধ্যসাগর থেকে জর্ডান নদীর আশেপাশের অঞ্চল পর্যন্ত আলেকজান্ডারের রাজত্ব ছিল 1 দ্বিমতের কারণে তিনি অনেক মানুষকে হত্যা করেন।

    আলেকজান্ডারের রাজত্বের সময় ফারিসিরা তার বিরুদ্ধে আন্দোলন করেন। তাদের দাবি, তিনি হেলেনিস্টিক প্রভাব ফেলছেন রাজ্যে। ফারিসিরা তাই আলেকজান্ডারকে অগ্রাহ্য করে নিজেরাই মুদ্রা বানাতে শুরু করেন। কিন্তু এই বিদ্রোহ টেকেনি, মাঝ দিয়ে অনেকে প্রাণ হারালেন।

    আলেকজান্ডার মারা যাবার পর তার স্ত্রী (যিনি আগের রাজারও স্ত্রী ছিলেন) ক্ষমতা হাতে তুলে নেন। রানী সালোমি আলেক্সান্দ্রা ক্ষমতায় আরোহণ করে সব নিয়ম বদলে দিলেন। হেলেনিজমের ছিটেফোঁটা থাকলেও তা বাতিল করলেন। সব রায় দিলেন ফারিসিদের পক্ষে, যেন তারা তার হাতে থাকেন। তিনি খ্রিস্টপূর্ব ৭৬ থেকে ৬৭ সাল পর্যন্ত রাজত্ব করেন। তিনি স্বাধীন ইসরাইলের শেষ রানী, এবং শেষ শাসক। সত্যি বলতে, ইসরাইলের ইতিহাসে কেবল দুজন নারী শাসক ছিলেন। এক এই আলেক্সান্দ্রা, অন্যজন রাজা আহাব আর রানী জেজেবেলের কন্যা আতালিয়া।

    রানী আলেক্সান্দ্রার মৃত্যুর পর তার দুই পুত্র ক্ষমতা নিয়ে কাড়াকাড়ি শুরু করে দেন। তাদের দুজনের নামই পূর্ববর্তী রাজাদের নামে-দ্বিতীয় হিরক্যানাস ও দ্বিতীয় অ্যারিস্টোবুলাস। দক্ষিণ ইসরাইলের ইদুমিয়া থেকে অ্যান্টিপার্টার নামের এক গোত্রপতি এলেন দ্বিতীয় হিরক্যানাসের আমন্ত্রণে। হিরক্যানাস তাকে বললেন, তিনি যেন তার মিত্র জর্ডানের নাবাতীয়দের নিয়ে হিরক্যানাসের সমর্থনে জেরুজালেম আক্রমণ করেন। কিন্তু তারা চিন্তাও করেননি, অন্য দিক থেকে কেউ এসে তাদের সব পরিকল্পনা ভণ্ডুল করে দিয়ে যাবে।

    তখন সদ্য সিরিয়া জয় করেছেন রোমান নেতা পম্পে। তার অভিযানেই নির্ধারিত হবে হাসমোনীয়দের ভবিষ্যৎ। খ্রিস্টপূর্ব ৬৩ সালে পম্পে দ্য গ্রেটকে অনুরোধ করা হলো হাসমোনীয় রাজ্যের উত্তরাধিকারের ব্যাপারটা একটু দেখে দিতে। তিনি ভালো মতোই দেখে দিলেন! হাসমোনীয় সাম্রাজ্য ধ্বংস হয়ে গেল।

    দুই ভাই-ই সিরিয়ার দামেস্কে গিয়ে পম্পেকে বলেন, বিষয়টা সমাধান করে দিতে। পম্পে বললেন, তিনি স্বয়ং জুদাহ রাজ্যে এসে সমাধান করবেন। অ্যারিস্টোবুলাস পম্পের সমাধানের অপেক্ষায় না থেকে দামেস্ক ত্যাগ করে আলেকজান্দ্রিয়াম দুর্গে নিজেকে আটকে রাখলেন। এতে পম্পের রাগ উঠে গেল। তিনি তার বাহিনী নিয়ে জুদাহ গেলেন, তার বাহিনী দেখেই অ্যারিস্টোবুলাস আত্মসমর্পণ করলেন। কিন্তু যখন জেরুজালেম অধিকার করে নিতে গেল তার বাহিনী, তখন অ্যারিস্টোরুলাসের সমর্থকরা রোমানদের ঢুকতে দিল না। আবারও রেগে গিয়ে পম্পে অ্যারিস্টোবুলাসকে গ্রেফতার করলেন, এবং জেরুজালেম অবরোধ করলেন।

    জোসেফাস বলেন, পম্পে দেখতে পেলেন জেরুজালেমের দেয়ালগুলো এত শক্তিশালী যে এগুলো ভেদ করে আক্রমণ করা বৃথা। তার ওপর শহরে যদি ঢুকেও যান তিনি, লোকজন টেম্পল অফ সলোমনে আশ্রয় নিতে পারবে। সেই টেম্পলের দেয়াল আরও শক্তিশালী।

    তবে দ্বিতীয় হিরক্যানাসের সমর্থকেরা সম্ভবত শহরের উত্তর-পশ্চিম দিকের একটি দেয়াল খুলে দিল। সেখান দিয়ে রোমানরা ভেতরে প্রবেশ করলো। এর ফলে পম্পে প্রাসাদ আর জেরুজালেমের ওপরের দিকের দখল পেয়ে গেলেন, কিন্তু অ্যারিস্টোরুলাসের সমর্থকেরা শহরের পুব দিক অর্থাৎ বাইতুল মুকাদ্দাস এলাকা নিজেদের দখলে রেখেছে। পম্পে তাদেরকে আত্মসমর্পণের সুযোগ দিলেন, কিন্তু তারা প্রত্যাখ্যান করল।

    পম্পে রেগে গিয়ে পুরো বাহিনী নিয়ে আক্রমণ করলেন বাইতুল মুকাদ্দাস। কিন্তু সেখানকার প্রতিরক্ষা খুবই ভালো। নানা ফন্দি ফিকিরে তিন মাস কেটে যাবার পর পম্পের বাহিনী বাইতুল মুকাদ্দাসে প্রবেশ করতে পারলো। ভেতরের ১২,০০০ ইহুদীকে গণহত্যা করা হলো। এ সময় মাত্র কয়েকজন রোমান সেনা মৃত্যুবরণ করে।

    আর্ক অফ দ্য কোভেন্যান্ট রাখার জায়গাকে বলা হয় হোলি অফ দ্য হোলি’জ, সেখানে কেবল প্রধান ইমামের প্রবেশের অনুমতি থাকে। স্বয়ং পম্পে সেখানে প্রবেশ করে বিনষ্ট করেন সবকিছু। তবে তিনি সেখান থেকে কিছু সরাননি, কোনো ধনসম্পদ বা একটি মুদ্রাও নয়। বরং পরদিনই তিনি আদেশ করেন পুরো বাইতুল মুকাদ্দাস ধুয়ে মুছে ঠিক করতে, আবার ইহুদী রীতি চালু করতে। অ্যারিস্টোবুলাসকে ধরে নিয়ে গেলেন পম্পে, রোমে প্রবেশ করলেন বিজয়ীর বেশে।

    তবে যাওয়ার আগে পম্পে দ্বিতীয় হিরক্যানাসকে প্রধান ইমাম পদে বসিয়ে যান। কিন্তু তার শাসক উপাধি কেড়ে নেয়া হয়। অনেকদিন পর, ৪৭ খ্রিস্টপূর্বাব্দে রোম তাকে জুদাহ ও গালিলির শাসক হিসেবে পরিচয় দিয়েছিল। কাগজে কলমে জুদাহ স্বাধীন রইলো, কিন্তু সিরিয়ার রোমান শাসকদের কাছে কর দিতে হতো। পুরো রাজ্যকে পাঁচটি জেলায় ভাগ করা হলো। প্রত্যেক জেলার স্থানীয় শাসকগোষ্ঠী থাকবে, যাদের বেশিরভাগ সাদুকি। যেমন একটু আগে অ্যান্টিপার্টারের নাম বলা হলো, তিনি ক্ষমতা পেলেন ইদুমিয়ার, সেই সাথে তিনি কর সংগ্রাহকের দায়িত্বও পেলেন।

    খ্রিস্টপূর্ব ৪৮ সালে পম্পে মারা যাবার পর, দ্বিতীয় হিরক্যানাস আর অ্যান্টিপাটার মিসরের বিরুদ্ধে সৈন্য দিয়ে সমর্থন দিলেন জুলিয়াস সিজারকে। এর পুরস্কার হিসেবেই আসলে হিরক্যানাসকে শাসক উপাধি ফিরিয়ে দেয়া হয়, আর তার মন্ত্রী হন অ্যান্টিপাটার। জুলিয়াস সিজার জুদাহ বা ইহুদী রাজ্যের বাইরে ইহুদীদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেন। ইহুদীদেরকে উপাসনায় কেউ বাধা দেবে না। তারা বিনা বাধায় জেরুজালেমের বাইতুল মুকাদ্দাসে উপহার পাঠাতে পারবে। তাদেরকে জোরপূর্বক সামরিক বাহিনীতে যোগ দিতে হবে না। নিজেদের বিচার আচার ইহুদী সানহেদ্রিন নিজেরাই করবে। রোমানদের সাহায্য চাইলেই কেবল চূড়ান্ত বিচারে সাহায্য করা হবে।

    অ্যান্টিপার্টারের পুত্র ফাসেল হলেন জেরুজালেমের গভর্নর। তার আরেক পুত্র হেরোদ হলেন গালিলির গভর্নর। গালিলিতে একটি বিদ্রোহ হয়েছিল এ সময়, হেরোদ সেটি তুলেমূলে নির্মূল করেন। তার নির্দয়তার কারণে সানহেদ্রিন তাকে জুদাহ থেকে বহিষ্কার করে।

    ব্রুটাস আর ক্যাসিয়াসের মতো সিনেটরদের হাতে নিহত হলেন জুলিয়াস সিজার। তখন খ্রিস্টপূর্ব ৪৪ সাল, অর্থাৎ ইহুদীদের এ নতুন সুযোগ সুবিধার মাত্র তিন কি চার বছর হলো। তবে সিজারের গুপ্তহত্যার পর ক্যাসিয়াস হেরোদকে গুরুত্বপূর্ণ সামরিক দায়িত্ব দিয়েছিলেন, যেমনটি সিজার বেঁচে থাকার সময়ও সিরিয়ার গভর্নর দিয়েছিলেন।

    জুলিয়াস সিজারের মৃত্যুর প্রতিশোধ নিতে মার্ক অ্যান্টনি আর অক্টাভিয়ান এগিয়ে আসেন, তাদের হাতে পরাজিত হয়ে ক্যাসিয়াস আত্মহত্যা করেন। মার্ক অ্যান্টনি ও অক্টাভিয়ান ফাসেল আর হেরোদকে শাসক হিসেবে রাখেন, যদিও হেরোদের ব্যাপারটা মেনে নিতে চায়নি ইহুদীরা। তাতে অ্যান্টনি ও অক্টাভিয়ানের কিছু যায় আসেনি। রোমানদের অধীনস্ত রাজা হিসেবে ফাসেল ও হেরোদ জুদাহ শাসন করতে থাকেন।

    কিন্তু কিছু সময় পরেই, খ্রিস্টপূর্ব ৪০ সালে পারস্যের পার্থিয়ানরা আক্রমণ করে রোমানদের অধিকৃত এশিয়া মাইনর অঞ্চল, আর সেই সাথে সিরিয়া ও জুদাহ। ভাইপো অ্যান্টিগোনাসের হাতে সিংহাসন ছেড়ে দিতে বাধ্য হন রাজা দ্বিতীয় হিরক্যানাস: পার্থিয়ানদেরকে ডেকে এনেছিলেন এই অ্যান্টিগোনাসই।

    হেরোদ এ চাল বুঝে যান, তিনি পার্থিয়ানদের সাথে শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করতে তাদের শিবিরে যেতে মানা করেন ফাসেলকে। কিন্তু তবুও সেখানে যান ফাসেল, সাথে ছিলেন হিরক্যানাস। হিরক্যানাসের জীবিত দেহ ক্ষতবিক্ষত করে পার্থিয়ানরা। এমন ভাগ্য যেন বরণ করতে না হয়, সেজন্য নিজের মাথার মগজ নিজেই খুলি ফাটিয়ে বের করে আত্মহত্যা করেন ফাসেল। মারা যাবার আগে তিনি নিশ্চিত করেন যে, ছোট ভাই হেরোদ (airpin হিব্রু হোর্দোস’) জেরুজালেম থেকে পালিয়ে নিজের জীবন রক্ষা করেছেন।

    কিন্তু পালিয়ে যাওয়া হেরোদ হয়তো তখনও জানতেন না, তার দম ফুরায়নি। তিনি আরও অনেক বছর টিকে থাকেন। এই সেই ‘হেরোদ দ্য গ্রেট’, যার সময় জন্ম নেন যীশু খ্রিস্ট বা হযরত ঈসা (আ)।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleগল্পসম্ভার – আব্দুর রউফ চৌধুরী
    Next Article ইহুদী জাতির ইতিহাস – আব্দুল্লাহ ইবনে মাহমুদ

    Related Articles

    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    আমাদের মহাভারত – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    March 20, 2026
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    বিপিনের সংসার – বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়

    January 8, 2026
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    ভয় সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    কিশোর অ্যাডভেঞ্চার সমগ্র – হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়

    December 9, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    প্রকাশ্য দিবালোকে – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 18, 2025
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    তারপর কী হল – সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

    November 17, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }