Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ও ঊনিশ শতকের বাঙালী সমাজ – বদরুদ্দীন উমর

    বদরুদ্দীন উমর এক পাতা গল্প156 Mins Read0
    ⤷

    ঊনিশ শতকের বাঙালী সমাজ – ১

    ১

    ঊনিশ শতকের সংস্কারক ও চিন্তানায়কদের সমাজ সংস্কার এবং ধর্মচিন্তা, সমাজচিন্তা, দার্শনিক ও রাজনৈতিক চিন্তা সম্পর্কে ইদানীং ব্যাপকভাবে কিছু আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে। এইসব সাম্প্রতিক আলোচনাকে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কতকগুলি রাজনৈতিক ক্রিয়া এবং তার প্রতিক্রিয়া হিসেবে বিভক্ত করা চলে।

    বাঙলাদেশে পীর মুর্শিদ অবতারের প্রভাব এখনো সাধারণ মানুষের জীবনে ও চিন্তায় একটা বিশিষ্ট স্থান অধিকার করে আছে। চিন্তার এই কাঠামো সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থেকেই বাঙলা ভাষাভাষী অঞ্চলের শাসকশ্রেণীসমূহ এখন নোতুন উদ্যমে ঊনিশ শতকের সমাজ সংস্কারক ও চিন্তানায়কদের প্রায় অবতার রূপে চিত্রিত করে তার মাধ্যমে রাজনৈতিক ফায়দা ওঠাতে সচেষ্ট হয়েছে। যাঁরা রাজনীতিগতভাবে এই শাসক শোষক শ্রেণীসমূহের বিরুদ্ধে তাঁদের মধ্যে স্বাভাবিকভাবেই এর একটা প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। তাঁরাও এই আধুনিক অবতারবাদকে খণ্ডন করতে বদ্ধপরিকর হয়ে নিজেদের দৃষ্টিকোণ থেকে রামমোহন, বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্রনাথ প্রভৃতির মূল্যায়নে প্রবৃত্ত হয়েছেন।

    এসবের ফলে একদিকে যেমন দেখা যাচ্ছে, শাসক শ্রেণীসমূহ এবং সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় প্রতিপালিত এক শ্রেণীর লেখকরা (যার মধ্যে মার্কসবাদী হিসেবে পরিচয়দানকারী এক ধরনের বুদ্ধিজীবীরাও আছেন) রামমোহন, বিদ্যাসাগর, বঙ্কিম, বিবেকানন্দ প্রমুখের চিন্তাকর্মের শ্রেণী বিচারের ও শ্রেণী পরিধি নির্দিষ্টকরণের বিরোধিতা করে তাঁদের বিশ শতকের দ্বিতীয়ার্ধের জনগণের সামনে আদর্শ পুরুষ হিসেবে উপস্থিত করতে চাইছেন। অন্যদিকে, তেমনই দেখা যাচ্ছে রাজনৈতিক দিক দিয়ে যাঁদের অবস্থান শাসক-শোষক শ্রেণীসমূহের বিরুদ্ধে তাঁরা এই সমস্ত সমাজসংস্কারক ও লেখকদের ঠিক ঊনিশ শতকের মানুষ হিসেবে না দেখে তাঁদেরও যে একটা শ্রেণী পরিধি ছিলো এ কথা অনেকাংশে ভুলে গিয়ে এমনভাবে তাঁদের সমালোচনায় নিযুক্ত হচ্ছেন যেন তাঁরা বিশ শতকের এবং আমাদেরই সমসাময়িক। শুধু তাই নয়, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে যে, তাঁরা ঊনিশ শতকীয় সমাজ সংস্কারকে এবং দার্শনিক ও ধর্মচিন্তায় নিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে সত্যিকার কোন তারতম্য নির্দেশ করতে অক্ষম হয়ে বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্রনাথ প্রমুখের যথেষ্ট সমালোচনা করে তাঁদের প্রস্তরমূর্তি চূর্ণ করলেও বঙ্কিমচন্দ্র এবং বিবেকানন্দকে তাঁরা মোটামুটি ক্ষমার চোখেই দেখছেন। সমালোচনার ক্ষেত্রে এই বিড়ম্বনার পরিণামে তাঁদের সমালোচনা যে পরোক্ষভাবে প্রতিক্রিয়াশীল শক্তিসমূহের হাতকেই জোরদার করছে সে কথা বলাই বাহুল্য।

     

     

    সমালোচনার ক্ষেত্রে এইসব বিভ্রান্তি সৃষ্টিকারী দৃষ্টিভঙ্গীর ঊর্ধ্বে উঠতে না পারলে আলোচনা একদিকে যেমন বিজ্ঞানসম্মত হবে না, অন্যদিকে তেমনই তার দ্বারা লাভের থেকে ক্ষতির পাল্লাই ভারী হবে বেশী।

    এই বিভ্রান্তির নিরসন কিভাবে ঘটানো যায় সে বিষয়ে তত্ত্বের ক্ষেত্রে সাধারণভাবে অবশ্য কোন মতানৈক্য নেই। প্রায় সকলেই এক বাক্যে বলবেন যে, দৃষ্টিভঙ্গীকে বিজ্ঞানসম্মত করতে হলে তৎকালীন পরিপ্রেক্ষিতের ধারণা দরকার এবং তার জন্যে আবার দরকার ঊনিশ শতকীয় বাঙলাদেশের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থার সঙ্গে পরিচিত হওয়া। কিন্তু এই মতৈক্য সত্ত্বেও বাস্তব ক্ষেত্রে এর ঠিক বিপরীতটিই দেখা যায়। কাজেই অধিকাংশ সমালোচকই হয় জনগণকে ঊনিশ শতকে টেনে নিয়ে গিয়ে তাঁদের তৎকালীন সামাজিক রাজনৈতিক ও ধর্মীয় খুঁটিতে বেঁধে রাখার চেষ্টা করেন, নতুবা তাঁরা রামমোহন, বিদ্যাসাগর প্রমুখকে বিশ শতকের সত্তরের দশকে টেনে এনে তাঁদেরকে কাঠগড়ায় দাঁড় করান। উপরে উল্লিখিত ঐতিহাসিক ব্যক্তিদের কার অবস্থান ঠিক কোথায় সেটা নির্ণয়ের জন্যে দরকার ঊনিশ শতকের বাঙলার আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক কাঠামোর চরিত্র নির্দেশ এবং সেই কাঠামোর মধ্যে প্রগতিশীলতার অর্থ ও সেই সঙ্গে তার যথার্থ সীমা ও পরিধি নির্ণয় করা। একমাত্র এ কাজটি উপযুক্তভাবে করতে পারলেই ঊনিশ শতকের পরিপ্রেক্ষিতে ঊনিশ শতকের ব্যক্তিদের কর্মকাণ্ডের প্রগতিশীল ও প্রতিক্রিয়াশীল চরিত্র নির্ণয় ও নির্ধারণ যথাযথভাবে সম্ভব হবে।

     

     

    ২

    ঊনিশ শতকের বাঙলাদেশের আর্থ-সামাজিক ও রাজনৈতিক কাঠামোর সঙ্গে পরিচিত হতে হলে প্রথমেই মনে রাখা দরকার যে, বাঙলাদেশ তখন ইংরেজের অধীন এবং ইংরেজ প্রবর্তিত চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত তখন এ দেশের জনগণের আর্থিক জীবনের মূল ভিত্তি।

    চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত বাঙলাদেশের আর্থিক জীবনে নোতুনভাবে দুটি পরস্পর বিরোধী শ্রেণীর সৃষ্টি করেছিলো। একটি, বন্দোবস্তের দ্বারা উপকৃত জমিদার শ্রেণী; অপরটি তার দ্বারা উৎপীড়িত ও ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক শ্রেণী। একদিকে এই জমিদার শ্রেণী যেমন ছিলো ঊনিশ শতকের নবোত্থিত বাঙালী মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মেরুদণ্ড; অন্যদিকে তেমনই জমিদার শ্রেণীর সাথে মধ্যশ্রেণীর এই সম্পর্কই ছিলো শ্রেণী হিসেবে মেরুদণ্ডহীনতার কারণ।

    স্বাধীন ব্যবসা, বাণিজ্য, শিল্পের ওপর নির্ভরশীল হতে না পেরে ইংরেজ-সৃষ্ট জমিদারীর ওপর মূলতঃ নির্ভরশীল থাকার ফলে মধ্যশ্রেণীর আর্থিক জীবনের এই দুর্বলতাই তার মধ্যে সৃষ্টি করেছিলো ইংরেজ রাজত্বের প্রতি আনুগত্য। ইংরেজ রাজত্ব তাই তাদের কাছে আশীর্বাদস্বরূপ।

     

     

    কৃষক শোষণের ওপর ভিত্তি করে যে মধ্যশ্রেণী তখন দাঁড়িয়েছিলো সে শ্রেণী যে সাধারণভাবে কৃষক সমাজের সুখ দুঃখের সাথে নিজেকে জড়িত করবে না, উপরন্তু কৃষক-স্বার্থকে খর্ব করে নিজের স্বার্থকে রক্ষা ও সম্প্রসারণ করতে সচেষ্ট থাকবে সেটাই স্বাভাবিক এবং ঊনিশ শতকের আর্থ-সামাজিক পরিবেশে সেই স্বাভাবিক জিনিসটিই ঘটেছিলো। এই জন্যেই দেখা যায় যে, তৎকালে বাঙলাদেশে যে সমস্ত কৃষক বিদ্রোহ হয়েছিলো সেগুলি একদিকে যেমন জমিদার শ্রেণী ও তাদের রক্ষক বৃটিশ শাসনের বিরুদ্ধে পরিচালিত হয়েছিলো, অন্যদিকে তেমনি সেইসব বিদ্রোহ জমিদার শ্রেণী এবং তার সাথে প্রায় একাত্ম মধ্যশ্রেণীকে করেছিলো কৃষক-স্বার্থের প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষ বিরোধী এবং বৃটিশ শাসনের প্রতি অধিকতর অনুগত।

    নীলকর সাহেবদের নীল চাষ এবং তার সাথে সম্পর্কিত নির্যাতন মধ্যবিত্ত ও জমিদার স্বার্থকেও ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত করার ফলে একমাত্র নীল বিদ্রোহের সময়েই শহরকেন্দ্রিক মধ্যবিত্তেরা, বিশেষতঃ কলকাতার মধ্যবিত্তেরা, এই বিদ্রোহের প্রতি কিছু প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সমর্থন দান করেছিলো। সেখানেও এ কথা মনে রাখা দরকার যে, নীল বিদ্রোহ, বারাসতের কৃষক-বিদ্রোহ, ফরিদপুরের ফারায়েজী বিদ্রোহ অথবা সাঁওতাল বিদ্রোহের মতো ইংরেজের বিরুদ্ধে ততখানি ব্যাপক ও তীব্র সশস্ত্র বিদ্রোহ ছিলো না। উপরন্তু এই বিদ্রোহ ছিলো অর্থনৈতিক গণ্ডীর মধ্যে সীমাবদ্ধ। এদেশ থেকে ইংরেজের রাজশক্তি উচ্ছেদের মতো কোন রাজনৈতিক লক্ষ্য এর ছিলো না। শেষ পর্যায়ে কিছুটা সশস্ত্র আকার ধারণ করলেও নীল বিদ্রোহ অনেকাংশে কৃষক ধর্মঘটের মতো। কৃষকরা নীলকরদের অধীনে নীলের জন্যে জমি আবাদ করতে অস্বীকার করার ফলেই বিদ্রোহের সূত্রপাত এবং সেই অস্বীকৃতির দ্বারাই নীল বিদ্রোহের সীমা মোটামুটি নির্দিষ্ট। আর একটি কারণেও নীল বিদ্রোহের ক্ষেত্রে মধ্যশ্রেণীর সমর্থন সম্ভব হয়েছিলো। সে কারণটি হলো এই যে, নীলকর সাহেবদের নীল চাষের ব্যাপারে কলকাতার ইংরেজ সমাজ এবং সরকারী প্রশাসনও ঊনিশ শতকের পাঁচের দশকে পুরোপুরি একমত ছিলো না। তাদের মধ্যেও এ বিষয়ে মতানৈক্যের ফলে নীল বিদ্রোহের প্রতি তাদের একাংশের পরোক্ষ সমর্থন ছিলো। এই সমর্থন যে মেরুদণ্ডহীন ভূসম্পত্তি-সচেতন কলকাতার মধ্যবিত্তের একাংশের অন্তরে বিদ্রোহের প্রতি প্রকাশ্য সমর্থন দান করতে প্রেরণা যুগিয়েছিলো সে বিষয়ে কোনো সন্দেহ নেই।

     

     

    ৩

    চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ভূমি অর্থনীতির ভিত্তিতে এবং ইংরেজ শাসনের রাজনৈতিক কাঠামোর মধ্যে ঊনিশ শতকের বাঙলাদেশে এই মধ্যশ্রেণীর উত্থান তৎকালে যে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক আন্দোলনের জন্ম দিয়েছিলো তাকে সাধারণত বাঙালী জাতির রেনেসাঁস বলে আখ্যায়িত করা হয়। অন্ততঃ কিছুকাল আগে পর্যন্ত তাকে নির্বিবাদে এই আখ্যায় ভূষিত করা হতো।

    পূর্বোক্ত আন্দোলনকে এইভাবে আখ্যায়িত করার ফলে একদিকে যেমন ইতিহাসকে এতকাল কদর্যভাবে বিকৃত করা হয়েছে, অন্যদিকে তেমনই সেই আন্দোলন হতে উদ্ভূত বহু প্রতিক্রিয়াশীল ভাবধারা এবং নোতুনতর সামাজিক, ধর্মীয় ও রাজনৈতিক আন্দোলনের প্রতিক্রিয়াশীল চরিত্রকে উদ্ঘাটন না করে তাকে প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে। বাঙলাদেশ ও ভারতের সামাজিক সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক আবহাওয়া এই মূল্যায়ন ও আখ্যার দ্বারা যে কতখানি দূষিত হয়েছে এবং এদেশের গণতান্ত্রিক ও প্রগতিশীল রাজনীতি যে তার দ্বারা কতখানি বিভ্রান্ত ও বিপথগামী হয়েছে তার সঠিক পরিমাপ এখনো সম্ভব হয়নি। এই কারণে শুধু রামমোহন, বিদ্যাসাগর, বঙ্কিম প্রভৃতি ঊনিশ শতকীয় ব্যক্তিদের অবস্থান নির্ণয়ের জন্যেই যে রেনেসাঁস নামে কথিত আন্দোলনের পর্যালোচনা প্রয়োজন তাই নয়, বর্তমান বাঙলাদেশের এবং ভারতের রাজনৈতিক অবস্থার সঠিক উপলব্ধির জন্যেও তার প্রয়োজন অপরিহার্য।

     

     

    ঊনিশ শতকের এই আন্দোলনকে রেনেসাঁস আখ্যা দেওয়া কেন চলে না, সেই আলোচনার পূর্বে ইউরোপীয় রেনেসাঁসের চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলি দেখা দরকার।

    প্রথমতঃ, ইউরোপীয় রেনেসাঁস (এরপর থেকে শুধু রেনেসাঁস নামে উল্লেখ করা হবে) ইতালীতে পনেরো শতকের দিকে যখন শুরু হয় তখন সেখানে সামন্তবাদের অবক্ষয় শুরু হয়েছে। বাণিজ্যিক বুর্জোয়া শ্রেণীই ছিলো সেই আন্দোলনের চালিকাশক্তি। এই বাণিজ্যিক বুর্জোয়াদের দ্বারাই সেকালে ইউরোপীয় বুর্জোয়া সমাজের প্রাথমিক ভিত্তি স্থাপিত হয়। ভূমিস্বার্থের সঙ্গে এই বুর্জোয়া শ্রেণীর কোন সংযোগ ছিলো না বলে নিপীড়িত ভূমিদাসদের সামন্ত শোষণের বিরুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করে তাদের অর্থনৈতিক বিপ্লবের আবর্তের মধ্যে টেনে আনতে তারা সক্ষম হয়েছিলো। অর্থাৎ এই পর্যায়ে বাণিজ্যিক বুর্জোয়া শ্রেণী এবং ভূমিদাস শ্রেণী একত্রে সামন্তবাদের বিরুদ্ধে সংগ্রামে নিযুক্ত হয়েছিলো এবং তার অবক্ষয়কে ত্বরান্বিত করেছিলো।

    দ্বিতীয়তঃ, রেনেসাঁসের সময় ইতালীতে মধ্যযুগীয় দর্শনের প্রভাব বর্তমান থাকা সত্ত্বেও তার সঙ্গে সমান্তরালভাবে সেখানে এক নোতুন মানবতাবাদী সংস্কৃতির উন্মেষ হয়। ফলে একদিকে যেমন প্রাচীনকালের বিশেষতঃ প্রাচীন গ্রীসের, দার্শনিক চিন্তাধারার পুনরুজ্জীবন ঘটে অন্যদিকে তেমনি শুরু হয় বৈজ্ঞানিক চিন্তাধারার বিকাশ। সামাজিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে প্রগতিশীল শক্তিসমূহের সাথে একাত্মতা এবং বিজ্ঞানের এই অনুশীলনের ফলে প্রাচীন দর্শন-চর্চা রেনেসাঁসের নায়কদের পশ্চাৎমুখী না করে তাঁদের চিন্তাধারাকে করেছিলো সৃষ্টিশীল এবং প্রগতির বাহক। অর্থাৎ প্রাচীন দার্শনিক চিন্তা থেকে রস ও শক্তি সংগ্রহ করে রেনেসাঁসের নায়করা নিজেদের চিন্তা ও কর্মের মাধ্যমে সামাজিক, অর্থনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও রাষ্ট্রনৈতিক অগ্রগতির ক্ষেত্রে সহায়ক হয়েছিলেন।

     

     

    তৃতীয়তঃ, রেনেসাঁসের সময় নোতুনভাবে জীবন ও প্রকৃতি সম্পর্কে যে দার্শনিক চিন্তা শুরু হয় সে চিন্তা বাইবেলের তত্ত্বসমূহের ভ্রান্তি উদ্ঘাটন করে তৎকালে প্রচলিত ক্যাথলিক ধর্মের নৈতিকতার মূলে দারুণ আঘাত করে। এর দ্বারা একদিকে বস্তুবাদী দর্শনের প্রভাব এবং অন্যদিকে বৈজ্ঞানিক অনুশীলনের ব্যাপকতা বৃদ্ধি পায়।

    চতুর্থত, আর্থ-সামাজিক জীবনে বৈপ্লবিক পরিবর্তনের প্রক্রিয়া বিজ্ঞানের অগ্রগতির সাথে যুক্ত হয়ে সেকালে সমাজ সম্পর্কেও নানা যুগান্তকারী চিন্তাধারার প্রবর্তন করে। এর ফলে সামন্তবাদী মূল্যবোধ এবং আর্থিক জীবনের ভিত্তিতে গঠিত প্রচলিত সামাজিক ও দার্শনিক চিন্তার কাঠামো চূর্ণ হয়।

    পঞ্চমত, সামন্তবাদ ও ক্যাথলিক ধর্মের ওপর এই আঘাত চার্চ ও রাষ্ট্রের সম্পর্ককে আমূলভাবে পরিবর্তিত করতে সাহায্য করে। এই পরিবর্তনই রাষ্ট্রকে ধর্মীয় প্রভাবমুক্ত করে ব্যক্তি স্বাতন্ত্র্য ও জাতীয় রাষ্ট্রের উৎপত্তি ও বিকাশ ঘটায়।

    রেনেসাঁস শুরু হওয়ার প্রায় একশ বছর পর তার সঙ্গে সমান্তরালভাবে ইউরোপে শুরু হয় রিফরমেশন বা ধর্ম-সংস্কার আন্দোলন। এই আন্দোলনও একদিকে ছিলো সামন্ত-বিরোধী এবং অন্যদিকে সরাসরি ক্যাথলিক চার্চ-বিরোধী। বস্তুতঃপক্ষে, রেনেসাঁসের মধ্যে দিয়ে সামন্ত বিরোধী চিন্তাধারা, বস্তুবাদী দর্শন এবং বৈজ্ঞানিক অনুশীলনের সূত্রপাত হয়েছিলো, রিফরমেশন ছিলো ধর্মীয় আন্দোলনের ক্ষেত্রে তারই অবশ্যম্ভাবী পরিণতি। এ জন্যে রিফরমেশন শুরু হওয়ার সময় ইউরোপে বুর্জোয়া চিন্তা অপেক্ষাকৃত গভীরতা ও প্রসারতা লাভ করে। অর্থনৈতিক জীবনেও যে পরিবর্তন আসে সেটাও খুব ব্যাপক।

     

     

    রিফরমেশন একটি ধর্মীয় আন্দোলন হলেও ইউরোপীয় রাষ্ট্রগুলিকে পোপের প্রভাব থেকে সম্পূর্ণভাবে মুক্ত করতে গিয়ে রাষ্ট্রীয় ক্ষেত্রে ধর্মেরও প্রভাব খর্ব করতে সহায়তা করে। এ ছাড়া সাধারণভাবে সমাজে চার্চের প্রভাব কমে আসাতে পূর্বে বস্তুবাদী চিন্তা ও বৈজ্ঞানিক অনুশীলনের ক্ষেত্রে চার্চ যে দুর্জয় বাধা সৃষ্টি করতো সে বাধাও অপসারিত হয়। এর ফলে বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে দ্রুতগতিতে নানা মৌলিক বৈজ্ঞানিক সূত্র আবিষ্কৃত হতে থাকে এবং সেই সমস্ত আবিষ্কার ইউরোপীয় অর্থনীতির মধ্যে বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধন করে সেখানে ধনতন্ত্রের বিকাশ ঘটায় এবং প্রগতিশীল বুর্জোয়া সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা করে।

    ৪

    ঊনিশ শতকের তথাকথিত বাঙালী রেনেসাঁসের চালিকাশক্তি অভিজাত ও মধ্যশ্রেণীর আর্থিক জীবনের ভিত্তি কি ছিলো, রামমোহন, দ্বারকানাথসহ তৎকালীন মুৎসুদ্দী শ্রেণীকে অনেকে বাণিজ্যিক বুর্জোয়া আখ্যা দিয়ে ইউরোপীয় বাণিজ্যিক বুর্জোয়ার সাথে তাঁদের তুলনা করেন। এই তুলনা খুবই বিভ্রান্তিকর। কারণ ইউরোপীয় বাণিজ্যিক বুর্জোয়ারা ছিলো নিজ নিজ দেশে স্বাধীন ব্যবসায়ী। তারা কোন বৈদেশিক বাণিজ্যিক স্বার্থ এবং বৈদেশিক শাসনের বন্ধনে আবদ্ধ ছিলো না; কিন্তু বাঙালি অভিজাত ও মধ্যশ্রেণীর ব্যবসায়ী স্বার্থ ছিলো বিদেশী ইংরেজের বাণিজ্য ও শাসন-স্বার্থের সাথে অবিচ্ছিন্নভাবে জড়িত। ইংরেজের স্বার্থ উদ্ধারের উদ্দেশ্যেই রামমোহনের মতো ব্যক্তি ইংরেজ কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছিলেন বাঙলাদেশে লবণ প্রস্তুত বন্ধ করে ইংল্যান্ড থেকে লবণ আমদানীর। হয়েছিলোও তাই। এর ফলে একদিকে দেশীয় লবণ-শিল্পের উচ্ছেদ হয়েছিলো, লক্ষ লক্ষ লবণ-শিল্প-শ্রমিক বেকার হয়েছিলো এবং অন্যদিকে রামমোহনের শ্রেণীভুক্ত ব্যবসায়ীরা সেই ব্যবসায়ে অংশগ্রহণ করে ইংরেজের মুনাফার এক ক্ষুদ্র অংশ নিজেদের পাতে উঠিয়েছিলেন রামমোহন ও তাঁর শ্রেণীভুক্ত অন্যান্যদের এই কর্মের ফলে দেশীয় অর্থনীতির বিকাশ না ঘটে তার ধ্বংসের পথই প্রশস্ত হয়েছিলো।[১]

     

     

    আর্থিক জীবনের দিক থেকে ইউরোপীয় বাণিজ্যিক বুর্জোয়া এবং বাঙালী অভিজাত ও মধ্যশ্রেণীর আর একটি মস্ত তফাৎ ছিলো। ইউরোপীয় বাণিজ্যিক বুর্জোয়ার কোন ভূমিস্বার্থ ছিলো না, কাজেই সামন্তবাদের ভিত্তি ক্রমশঃ ধ্বংস করে তারা নিজেদের শ্রেণীস্বার্থকে এগিয়ে নিয়েছিলো। বাঙালী অভিজাত ও মধ্যশ্রেণীর আর্থিক জীবনের মূল ভিত্তি হলো ভূমিস্বার্থ, যে স্বার্থ ছিলো আবার ইংরেজ-সৃষ্ট চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ওপর প্রতিষ্ঠিত।

    ঊনিশ শতকের বাঙালী ব্যবসায়ী শ্রেণীর লোকেরা ইংরেজের মুৎসুদ্দী হিসেবেই নিজেদের ধন সম্পদ বৃদ্ধি করেন। তাঁরা অনেকে মনে করতেন, তাঁদের ধন সম্পত্তি বৃদ্ধির অর্থ দেশের সম্পদ বৃদ্ধি। কিন্তু বাস্তব ক্ষেত্রে যে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তাঁরা ধন-সম্পত্তি অর্জন করেছিলেন সে প্রক্রিয়ার মধ্যে দেশীয় শিল্প, বাণিজ্য ও কৃষির ধ্বংসকে ত্বরান্বিত এবং দুর্দশাকে স্থায়ী করার ব্যবস্থা ছিলো। এ জন্যে দেখা যায় যে, বাঙালী অভিজাত ও মধ্যশ্রেণীর লোকেরা প্রথম দিকে ব্যবসা-বাণিজ্য করে কিছু ধন সম্পদ অর্জন করলেও পুরুষানুক্রমে তাঁরা এ দেশে ব্যবসায়ী পরিবার হিসেবে দাঁড়াতে সক্ষম হননি। ব্যবসার পাট উঠিয়ে জমি ও জমিদারী ক্রয় করেই নিজেদের আর্থিক জীবনের ধ্বংসকে তাঁদের রোধ করতে হয়েছিলো। রামমোহন, দ্বারকানাথ ঠাকুর থেকে শুরু করে ইয়ংবেঙ্গল দলের মুখপাত্রদের প্রায় সকলেরই আর্থিক জীবনের এই একই পরিণতি ঘটেছিলো। যাঁরা চাকুরীতে নিযুক্ত ছিলেন তাঁদের মধ্যেও প্রায় সকলেরই (বিদ্যাসাগর, মাইকেল, অক্ষয় কুমার, দীনবন্ধু, হরিশচন্দ্র প্রভৃতির মতো অল্প কয়েক জনকে বাদ দিয়ে) আর্থিক জীবনের যোগ এইভাবে চিরস্থায়ী বন্দোবস্তের ভূমি- ব্যবস্থার সঙ্গে স্থাপিত হয়েছিলো। অর্থাৎ আর্থিক জীবন ব্যবসা-বাণিজ্য চাকুরী ইত্যাদি অন্য যা কিছুর ওপরই নির্ভরশীল হোক সেকালে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত চুম্বকের মতো প্রত্যেকের আর্থিক জীবনকেই নিজের দিকে আকর্ষণ করতো এবং এই ভূমি-স্বার্থের জন্যে সেকালের মধ্যশ্রেণী শ্রেণীগতভাবে থাকতো কৃষক-স্বার্থের বিরোধী এবং সামন্তবাদের রক্ষক ও মুখপাত্র। এ দিক দিয়ে রেনেসাঁসের বাণিজ্যিক বুর্জোয়ার সাথে ঊনিশ শতকীয় বাঙালী মধ্যশ্রেণীর পার্থক্য যে আকাশ পাতাল সে বিষয়ে বিন্দুমাত্র কোন সন্দেহ নেই।

     

     

    ইউরোপে রেনেসাঁস ও রিফরমেশনের দুটি স্বতন্ত্র ধারা ছিলো। পনেরো শতকে শুরু হয়ে রেনেসাঁস সতেরো শতকের গোড়া পর্যন্ত স্থায়ী হয়। রিফরমেশন ষোলো শতকে শুরু হয়ে লুথার, ক্যালভাঁ প্রমুখের নেতৃত্বে ঐ শতকেই একটা পরিণতি লাভ করে। সামন্তবাদ বিরোধিতা, বৈজ্ঞানিক অনুশীলনের পথ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে পরিষ্কার করা, অভিজাততন্ত্রের বিরুদ্ধে কৃষক ও বুর্জোয়া শক্তিকে সংহত করা, রাষ্ট্রকে ধর্মের প্রভাব মুক্ত করা, জাতীয় রাষ্ট্রের উত্থানে সহায়তা ইত্যাদি দিক দিয়ে এই দুই আন্দোলনের মধ্যে অনেক সাদৃশ্য থাকলেও এই দুই আন্দোলনের ধারা ও নেতৃত্ব এক ছিলো না।

    রিফরমেশনের মূল লক্ষ্য ছিলো প্রচলিত খৃষ্ট ধর্মের সংস্কার। এই সংস্কারের কাজ অন্য কতগুলি কাজকে বাদ দিয়ে সেকালে সম্ভব ছিলো না এবং এই অন্য কাজগুলিই পরোক্ষভাবে ইউরোপে সামন্তবাদ বিরোধিতা, বুর্জোয়া সংস্কৃতির বিকাশ, বিজ্ঞানের অনুশীলন, জাতীয় রাষ্ট্রের প্রতিষ্ঠা ইত্যাদি ক্ষেত্রে সহায়ক হয়েছিলো। মূলতঃ ধর্মীয় আন্দোলন হওয়ার ফলেই আন্দোলনের নেতৃত্ব ছিলো মার্টিন লুথার, ক্যালভা প্রমুখ ধর্মীয় ব্যক্তিদের হাতে।

    রেনেসাঁসের সাথে কোন ধর্মীয় আন্দোলনের যোগ ছিল না। এই আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সেকুলার সংস্কৃতির বিকাশ ঘটেছিলো এবং সামন্ত বিরোধিতা বাণিজ্যিক বুর্জোয়ার অর্থনৈতিক আত্মপ্রতিষ্ঠা, বিজ্ঞানের অনুশীলন ইত্যাদি সেই বিকাশকেই ত্বরান্বিত করেছিলো। রেনেসাঁস ধর্মীয় আন্দোলন ছিলো না বলে রেনেসাঁসের নেতারা সকলে ধর্মীয় চিন্তা সম্পর্কে উদাসীন না হলেও ধর্মীয় আন্দোলনের নেতা তাঁরা কেউই ছিলেন না। মূর, ক্যামপানেলা প্রমুখ রেনেসাঁসের নেতাদের সকলের ক্ষেত্রেই এ কথা প্রযোজ্য।

     

     

    ঊনিশ শতকে বাঙালী মধ্যশ্রেণীর উত্থানের যুগে রামমোহন, দ্বারকানাথ, ডিরোজিও, কৃষ্ণমোহন, রামগোপাল ঘোষ, দেবেন্দ্রনাথ, বিদ্যাসাগর, অক্ষয় দত্ত, মাইকেল, ভুদেব মুখোপাধ্যায়, হরিশচন্দ্র, বঙ্কিম, দীনবন্ধু, বিবেকানন্দ প্রমুখকে ঢালাওভাবে তথাকথিত নবজাগরণের নেতা বলে আখ্যা দেওয়া তো হয়ই উপরন্তু তাঁদের মধ্যে ধর্মীয় আন্দোলনে নিযুক্ত ব্যক্তি এবং ধর্মীয় আন্দোলনের সঙ্গে সম্পর্কহীন ব্যক্তিদের কোন তফাৎ করা হয় না। এর ফলে দাঁড়ায় এই যে, রামমোহন, ডিরোজিও, বিদ্যাসাগর, বঙ্কিম, বিবেকানন্দ সকলেই নির্বিবাদে একই দলভুক্ত হয়ে বাঙালীর নবজাগরণের নায়ক হিসেবে আখ্যায়িত হন। এইভাবে দলবদ্ধ এবং আখ্যায়িত হওয়ার মূল কারণ এই যে, বাঙালী জাতির এই তথাকথিত নবজাগরণ ধর্মীয় চিন্তা ও কুসংস্কার দ্বারা এত প্রবলভাবে আচ্ছন্ন ছিলো যে ধর্মীয় আন্দোলনে নিযুক্ত ব্যক্তিদের থেকে অন্যদের পৃথক করার কোন জরুরী তাগিদ পরবর্তীকালে সমালোচকরাও তেমন অনুভব করেননি।

    এ ক্ষেত্রে তাই একটি বিষয়ের উল্লেখ একেবারে অপরিহার্য। সে বিষয়টি হলো এই, ঊনিশ শতকের বাঙালী মধ্যবিত্তের নেতৃস্থানে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিরা ধর্মীয় আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত থাকুন অথবা না থাকুন, তাতে নেতৃত্ব দেন অথবা নাই দেন, তাঁরা সকলেই জাতি ও ধর্ম সম্প্রদায়কে নিজেদের চিন্তায় এক করে দেখতেন। কাজেই জাতীয় উন্নতি ও মুক্তি বলতে তাঁরা নিজেদের ধর্মসম্প্রদায়ের উন্নতি ও মুক্তিকেই বোঝাতেন। এই দৃষ্টিভঙ্গীই রামমোহন, দেবেন্দ্রনাথ, বিদ্যাসাগর, বঙ্কিম, আবদুল লতিফ, আমীর আলী, বিবেকানন্দ প্রমুখের মাধ্যমে পত্রপল্লবে সুশোভিত হয়ে পরবর্তীকালে পরিণতি লাভ করেছিলো সাম্প্রদায়িকতায়। রাজনীতি ও ধর্ম পরস্পর থেকে বিচ্ছিন্ন না হয়ে ধর্মাশ্রিত রাজনীতিই হিন্দু মুসলমান সম্প্রদায়ের মধ্যে বিস্তার করেছিলো ব্যাপক প্রাধান্য। এদিক দিয়েও রেনেসাঁসের পরিণতি এবং ঊনিশ শতকীয় বাঙালীর সংস্কৃতিচর্চার পরিণতির মধ্যে আমূল পার্থক্য।

     

     

    এ পর্যন্ত যে আলোচনা হলো তাতে দেখা যাচ্ছে যে, বাঙালী মধ্যবিত্তের উত্থান ও প্রাথমিক প্রতিষ্ঠার যুগে বাঙালী মধ্যশ্রেণীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য ছিলো মূলতঃ তিনটি। প্রথমত, বিদেশী ইংরেজ শাসনের প্রতি আনুগত্য (যা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দাসসুলভ)। দ্বিতীয়ত, অর্থনৈতিক জীবনে চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত-সৃষ্ট সামন্ত ভূমি ব্যবস্থার ওপর একান্ত নির্ভরশীল। তৃতীয়ত, সমাজ ও রাষ্ট্র সম্পর্কীয় চিন্তার ক্ষেত্রে ধর্ম ও সম্প্রদায়ের প্রবল প্রাধান্য (জাতিকে ধর্মসম্প্রদায়ের সাথে এক করে দেখার মধ্যে যে প্রাধান্যের প্রায় সর্বজনীন বহিঃপ্রকাশ)।

    এখানে লক্ষণীয় বিষয় এই যে, উপরোক্ত তিনটি মূল চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য রেনেসাঁসের পূর্বোল্লিখিত বৈশিষ্ট্যসমূহের সম্পূর্ণ বিপরীত। কিন্তু তা সত্ত্বেও মধ্যশ্রেণীভুক্ত বুদ্ধিজীবীরা তাকে রেনেসাঁস বা নবজাগরণ আখ্যাই এতদিন দিয়ে এসেছেন।

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleশ্রেষ্ঠ গল্প – বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    Next Article যুদ্ধোত্তর বাঙলাদেশ – বদরুদ্দীন উমর

    Related Articles

    বদরুদ্দীন উমর

    সাম্প্রদায়িকতা – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    সংস্কৃতির সংকট – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    সাংস্কৃতিক সাম্প্রদায়িকতা – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি ১ – বদরুদ্দীন উমর

    October 30, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    চিরস্থায়ী বন্দোবস্তে বাঙলাদেশের কৃষক – বদরুদ্দীন উমর

    October 29, 2025
    বদরুদ্দীন উমর

    পূর্ব বাঙলার ভাষা আন্দোলন ও তৎকালীন রাজনীতি ২ – বদরুদ্দীন উমর

    October 29, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }