Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উইলিয়াম শেকসপিয়র রচনা সমগ্র

    উইলিয়াম শেক্সপিয়র এক পাতা গল্প576 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অলস ওয়েল দ্যাট এন্ডস ওয়েল

    অলস ওয়েল দ্যাট এন্ডস ওয়েল

    রুসিলন ফরাসি সাম্রাজ্যের অধীনস্থ একটি প্রদেশ। সেখানকার শাসনকর্তা কাউন্টের মৃত্যুর পর নতুন কাউন্ট হলেন তারই যুবক পুত্র বারট্রাম। তার বাবা ছিলেন এক সাহসী যোদ্ধা। যুদ্ধে বীরত্ব দেখিয়ে তিনি ফরাসি সম্রাটের প্রিয়পাত্র হয়ে উঠেছিলেন। কাউন্টের মৃত্যুর খবর শুনে মনে খুব আঘাত পেলেন ফরাসি রাজ। তিনি তার প্রৌঢ় অমাত্য লর্ড লাফিউকে রুসিলনে পাঠালেন কাউন্টের ছেলে বারট্রামকে রাজসভায় নিয়ে আসতে। বারট্রামের বিধবা মার কানে যথাসময়ে পৌঁছে গেল সে খবরটা। ছেলেও তার বাবার মতো সাহসী, যুদ্ধবিদ্যায় পারদশী। সে সময় পার্শ্ববতী দেশগুলির ফ্রান্সের সঙ্গে ঝগড়া-বিবাদ লেগেই থাকত। কাজেই যুদ্ধ-বিগ্রহের প্রয়োজনেই যে বারট্রামকে নিয়ে যাওয়া হবে তা বুঝতে বাকি রইল না বিধবা কাউন্টেসের। যথা সময়ে লর্ড লাফিউ এলেন রুসিলনের প্রাসাদে! এগিয়ে গিয়ে তাকে সাদর অভ্যর্থনা জানাল বারট্রাম। লর্ড লাফিউকে দেখেই কান্নায় ভেঙে পড়লেন কাউন্টেস। লাফিউ এর কারণ জানতে চাইলে তিনি দুচোখমুছে ধরা গলায় বললেন, মি লৰ্ড, আপনি তো জানেন সামান্য কিছুদিন আগে আমি স্বামীহারা হয়েছি। এখন ছেলে বারট্রামই আমার একমাত্র অবলম্বন। ও যদি যুদ্ধে চলে যায় তাহলে আমার কী অবস্থা হবে, কীভাবে আমার দিন কাটবে–এসব ভেবেই কাদছি আমি।

    তাকে আশ্বস্ত করে লর্ড লাফিউ বললেন, আপনি মিছামিছিই ছেলের জন্য চিন্তা করছেন কাউন্টেস। যুদ্ধ করতে গিয়ে যদি ওর কোনও ক্ষতি হয়, তাহলে স্বয়ং সম্রাট আপনার ভরণপোষণের দায়িত্ব নেবেন।

    কাউন্টেস বললেন, আমি শুনেছিলাম সম্রাট খুব অসুস্থ। তা এখন তিনি কেমন আছেন?

    মনোেবল ভেঙে পড়ছে। এমন কি রাজবৈদ্যের উপর ভরসা রাখতে না পেরে কদিন আগে তাকেও বিদায় করে দিয়েছেন। দুরারোগ্য রোগের দরুন হতাশা সম্বল করে কোনও মতে বেঁচে আছেন তিনি।

    এ কথা শুনে আক্ষেপের সুরে কাউন্টেস বললেন, আজ যদি হেলেনার বাবা জীবিত থাকতেন তাহলে তিনি অবশ্যই সম্রাটকে সারিয়ে তুলতে পারতেন।

    কার কথা বলছেন কাউন্টেস? জানতে চাইলেন লর্ড লাফিউ। কাউন্টেসের পাশে বসে একটি সুন্দরী যুবতি চুপচাপ চোখের জল ফেলছিল। তাকে দেখিয়ে কাউন্টেস বললেন, আমি এরই কথা বলছি। এর নাম হেলেনা। ওর বাবা গেরার্দ দ্য নিরবোন ছিলেন একজন নামি চিকিৎসক। বাবার মৃত্যুর পর থেকেই ও আমার কাছে আছে, লেখা-পড়া শিখছে। তাছাড়া আরও অনেক গুণ আছে ওর।

    মার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে হেলেনাকে বললেন কাউন্ট বারট্রাম, হেলেনা, আমি যাচিছ। এখন থেকে মার দেখা-শোনার সব ভার রইল তোমার উপর। আর তুমিও নিজের শরীরের যত্ন নেবে। —এই বলে লর্ড লাফিউয়ের সাথে চলে গেলেন।

    আশ্রিতা হলেও কাউন্টেসের ছেলে বারট্রামকে ভালোবাসে হেলেনা, যদিও তার মতো বংশমর্যাদা ও সামাজিক প্রতিষ্ঠা তার নেই। নামি চিকিৎসক হলেও হেলেনার বাবা ছিলেন সমাজের এক সাধারণ স্তরের লোক। এই সামাজিক ব্যবধানের দরুন বারট্রামকে ভালোবাসলেও সে তার স্ত্রী হবার স্বপ্নও দেখেন। ওদিকে বারট্রামও জানেনা হেলেনা তাকে এত ভালোবাসে। মৃত্যুর আগে হেলেনার বাবা তাকে হাতে-কলমে শিখিয়ে গিয়েছিলেন অনেকদুরারোগ্য ব্যাধির চিকিৎসা পদ্ধতি। দুস্তপ্রাপ্য শেকড়-বাকড় আর জড়িবুটির গুণাগুণ। সম্রাটের দূরারোগ্য ব্যাধির বিবরণ শুনে সে স্থির করল। প্যারিসে গিয়ে সম্রাটের চিকিৎসা করবে। তার বিশ্বাস, বাবার শেখানো চিকিৎসা পদ্ধতিতে সম্রাট অবশ্যই আরোগ্যলাভ করবেন। তার মনে এই আশাও উকি দিল প্যারিসে গেলে হয়তো বারট্রামের সাথে তার দেখাও হয়ে যেতে পারে।

    হেলেন যে বারট্রামকে ভালোবাসে এ কথা অজানা নেই। কাউন্টেসের একদিন তিনি মুখ ফুটেই বললেন, হেলেনাকে তিনি পুত্রবধূ হিসেবে চান। তিনি তাকে প্যারিসে গিয়ে সম্রাটের চিকিৎসা করার অনুমতি দিলেন। সেই সাথে প্রয়োজনীয় টাকা-কড়ি আর কয়েকজন বিশ্বস্ত লোকও দিয়ে দিলেন তার সাথে।

     

    শুরুতে রাজি না হলেও যখন শুনলেন হেলেনা গেরার্ড দ্য নিরবোনের মেয়ে, সম্রাট রাজি হলেন তাকে দিয়ে নিজের চিকিৎসা করাতে। তবে শর্ত রইল দু-দিনের মধ্যে সম্রাট সুস্থ হয়ে না। উঠলে প্ৰাণদণ্ড হবে হেলেনার। আর সম্রাট সুস্থ হয়ে উঠলে রাজসভার যে কোনও অভিজাত যুবককে বিয়ে করতে পারবে হেলেনা। সম্রাট নিজে দাঁড়িয়ে সে বিয়ে দেবেন। হেলেনা রাজি হল সম্রাটের প্রস্তাবে।

    হেলেনার দেওয়া ওষুধ খেয়ে দুদিনের মধ্যেই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠলেন সম্রাট। তার মনে হল তিনি যেন নতুন জীবন ফিরে পেয়েছেন। এবার সম্রাটের আদেশে রাজসভার অবিবাহিত অভিজাত যুবকেরা সবাই সারি দিয়ে দাঁড়াল একপাশে। সম্রাট হেলেনাকে বললেন, সে এদের মধ্য থেকে কাউকে স্বামী হিসেবে বেছে নেয়।

    তাদের মধ্যে খুঁজতে খুঁজতে হেলেনার চোখে পড়ল রুসিলনের কাউন্ট বারট্রামকে। সে সরাসরি তার কাছে গিয়ে বলল, আমি আপনাদের আশ্রিতা। সেহেতু আপনাকে আমার স্বামীরূপে ভেবে নেবার সাহস বা অধিকার আমার নেই। আমি শুধু এটুকু আশ্বাস দিতে পারি। যতদিন বেঁচে থাকব। প্ৰাণ দিয়ে আপনাদের সেবা করে যাব।

    তুমি ঠিক লোককেই বেছে নিয়েছ হেলেনা–বললেন সম্রাট। তারপর বারট্রামের দিকে চেয়ে তিনি বললেন, কাউন্ট বারট্রাম, এবার তুমি স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করা হেলেনাকে।

    আমায় মাফ করবেন সম্রাট, বললেন কাউন্ট বারট্রাম, আমি ফ্রান্সের এক অভিজাত বংশের ছেলে, রুসিলনের কাউন্ট। আর হেলেনা এক সাধারণ ঘরের মেয়ে। বংশকৌলিন্য বলে ওর কিছু নেই। ও দেখতে সুন্দরী, অনেক গুণ আছে ওর–তা সত্ত্বেও ওকে বিয়ে করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। ওকে বিয়ে করলে অভিজাত সমাজে আমার মাথা নিচু হয়ে যাবে।

    গভীর স্বরে সম্রাট বললেন, দেখ, কাউন্ট বারট্রাম! তুমি অভিজাত বংশের ছেলে হলেও আমার অধীনস্থ এক সামস্ত রাজা ছাড়া আর কিছু নও। এ কথা মনে রেখ রাজা কখনও তার প্ৰজার অবাধ্যতা সহ্য করে না। আর তার সাথে এটাও জেনে রাখা সম্রাট হিসেবে অধীনস্থ সমস্তরাজার পাত্রী নির্বাচনের অধিকার আমার আছে। সেই অধিকার অনুযায়ী আমি তোমায় আদেশ দিচ্ছি হেলেনাকে তুমি স্ত্রী হিসেবে মেনে নেবে।

    এরপর বারট্রাম সাহস পেলেন না সম্রাটের আদেশ অগ্রাহ্য করার। পরদিন রাজকীয় সমারোহে গির্জায় তার বিয়ে হয়ে গেল হেলেনার সাথে। সম্রাটের আদেশে তাকে বিয়ে করতে বাধ্য হলেও বারট্রাম যে তাকে মন থেকে মেনে নেয়নি। সে কথা জানতে পেরে হতাশ হল হেলেনা।

    এবার হেলেনার থেকে দূরে সরে থাকার এক উপায় খুঁজে বের করলেন বারট্রাম। শত্রুর সাথে মোকাবিলার জন্য ফ্লোরেন্সের ডিউক তার জ্ঞাতিভাই ফরাসি সম্রাটের সাহায্য চেয়েছিলেন। সম্রাট সসৈন্যে বারট্রামকে ফ্লোরেন্সে যাবার অনুমতি দিলেন। যাবার সময় হেলেনাকে ডেকে বারট্রাম বললেন, দ্যাখ, আমি ফ্লোরেন্সে যাচ্ছি যুদ্ধ করতে। কিছুদিন সেখানে আমায় থাকতে হবে। সম্রাটের আদেশেই আমি বাধ্য হয়ে তোমায় বিয়ে করেছি। কিন্তু মনের দিক থেকে তোমায় মেনে নিতে পারছি না।

    হেলেনা বলল, তাহলে এখন আমি কী করব?

    বারট্রাম বললেন, আমি মাকে একটা চিঠি লিখে দিচ্ছি। তুমি সেটা নিয়ে তার কাছে চলে যাও।

    হেলেনা সম্রাটের দুরারোগ্য ব্যাধি সারাতে সক্ষম হয়েছে, বারট্রামের সাথে হেলেনার বিয়ে দিয়েছেন সম্রাট-এ খবর শুনে খুব খুশি হলেন কাউন্টেস। কিন্তু তার চেয়েও বেশি দুঃখ পেলেন যখন শুনলেন হেলেনার সাথে দুর্ব্যবহার করেছে বারট্রাম। মাকে লেখা চিঠিতে বারট্রােম একথাও উল্লেখ করেছেন যে শুধুমাত্র সম্রাটের আদেশেই হেলেনাকে বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছে, আর তার থেকে দূরে সরে থাকার জন্য ফ্লোরেন্সে যাচ্ছেন যুদ্ধ করতে। চিঠির শেষাংশে বারট্রাম হেলেনাকে উদ্দেশ করে লিখেছেন, …যদি কখনও আমার হাতের আঙুল থেকে আংটি খুলে নিতে পার আর আমার সন্তানের জননী হতে পোর, তবেই আমায় স্বামী বলে ডাকার ক্ষমতা পাবে তুমি।

    হেলেনাকে সাস্তুনা দিয়ে কাউন্টেস বললেন, তুমি কিছু ভেবো না। আমার ছেলের ব্যবহারের জন্য আমি লজ্জিত। তবে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ, তোমাকে ছেলের বউ করে আমার শখ তিনি মিটিয়ে দিয়েছেন। বারট্রামের মতো আমিও তোমাকে নিজের সস্তান বলে ভেবে এসেছি। এখন থেকে ছেলের বউ হিসেবে তুমি আগের মতোই আমার কাছে থাকবে। আমার সমস্ত সম্পত্তিতে বারট্রামের মতো তোমারও সমান অধিকার আছে। আমার কথা বিশ্বাস কর হেলেন, আমি বলছি একদিন সব ঠিক হয়ে যাবে।

    কিন্তু হেলেনা মোটেও আশ্বস্ত হতে পারল না। কাউন্টেসের কথা শুনে। এভাবেই কয়েকদিন কেটে গেল। একদিন সকালে ঘুম ভেঙে হেলেনাকে আর খুঁজে পেলেন না কাউন্টেস। তাকে উদ্দেশ করে লেখা হেলেনার একটি চিঠি তার হাতে তুলে দিল গোমস্তা রোনাল্ডো। সেই চিঠিতে লেখা আছে — মা! আমারই জন্য আপনার ছেলে দেশত্যাগী হয়েছে। সে অপরাধে প্ৰায়শ্চিত্ত করতে আমি খালি পায়ে যাচ্ছি সেন্ট জ্যাকুইসে তীৰ্থ করতে। দয়া করে এ খবরটা আপনার ছেলেকে জানাবেন। অনুগ্রহ করে আপনি আমায় ভুল বুঝবেন না। বাবার মৃত্যুর পর আপনি আমায় আশ্রয় দিয়ে যে উপকার করেছেন তার জন্য আমি আপনার কাছে চিরকৃতজ্ঞ হয়ে রইলাম। ইতি —
    হতভাগিনী হেলেনা।

     

    ডিউকের সেনাবাহিনীর নেতৃত্ব দিয়ে ফ্লোরেন্সের যুদ্ধে বারট্রাম জয়লাভ করলেন। মায়েরচিঠি পেয়ে তিনি জানতে পারলেন তাদের প্রাসাদ ছেড়ে চলে গেছে হেলেনা। তিনি নিশ্চিন্ত হলেন এই ভেবে যে আপদ বিদেয় হয়েছে। এরপর তিনি রুসিলনে ফেরার আয়োজন করতে লাগলেন। কিন্তু ইতিমধ্যে হেলেনা যে ফ্লোরেন্সে এসে পৌঁছেছে সে খবর তখনও পর্যন্ত জানতেন না। তিনি! সেন্ট জ্যাকুইসে তীর্থযাত্রা করতে হলে ফ্লোরেন্সের মাঝ দিয়েই যেতে হয়। ফ্লোরেন্সে এসে এক বিধবা মহিলার কাছে আশ্রয় নিল হেলেনা। পরদিন সেই তাকে নিয়ে গেলেন ডিউকের সামরিক বাহিনীর কুচকাওয়াজ দেখাতে। সেনাবাহিনীর পুরোভাগে বারট্রামকে দেখে চমকে উঠল হেলেনা।

    বারট্রামের সাথে তার পরিচয় করিয়ে বিধবা ভদ্রমহিলা হেলেনাকে বললেন, ইনি কাউন্ট বারট্রাম। নবপরিণীতা স্ত্রীর কাছ থেকে দূরে সরে থাকার জন্য ইনি ফ্রান্স থেকে ফ্লোরেন্সে এসেছেন। লড়াই করতে। ভদ্রমহিলার কথার জবাব না দিয়ে চুপ করে রইল হেলেনা। ভদ্রমহিলা বলেই চললেন, আমার মেয়েকে কাউন্ট বারট্রাম খুবই ভালোবাসেন। কিন্তু তিনি বিবাহিত হবার দরুন আমার মেয়ের কাছে বিয়ের প্রস্তাব করতে পারছেন না। আগামী কালই তিনি দেশে চলে যাবেন। তাই উনি চাইছেন আজ রাতে মেয়ের সাথে দেখা করতে। কিন্তু আমার মেয়ে তাকে মোটেও পছন্দ করে না। সে রাজি নয় তার সাথে দেখা করতে।

    বাড়ি ফিরে এসে হেলেনা সেই ভদ্রমহিলাকে বললেন, দেখুন, আমার নাম হেলেনা। কিছুদিন আগে আমারই সাথে বিয়ে হয়েছে কাউন্ট বারট্রামের। আমার কাছ থেকে দূরে সরে থাকতেই উনি ফ্রান্স ছেড়ে ফ্লোরেন্সে এসেছেন। এবার আপনি আর আপনার মেয়ে — দুজনে সাহায্য করলে আমি ফিরে পেতে পারি। আমার স্বামীকে।

    কী সাহায্য তুমি চাও? জানতে চাইলেন ভদ্রমহিলা।

    হেলেনা বলল, আপনি এখনই কাউন্ট বারট্রামকে খবর পাঠান যে আপনার মেয়ে তার সাথে দেখা করতে রাজি আছে।

    এর ফল কী হবে তা ভেবে দেখেছ? জানতে চাইলেন ভদ্রমহিলা।

    হ্যাঃ আমি ভেবে দেখেছি, বলল হেলেনা, খবর পেলে কাউন্ট অবশ্যই এসে যাবেন আজি রাতে। তবে আপনার মেয়ের পোশাক পরে আমি দেখা করব তার সাথে আমার উদ্দেশ্য কাউন্টের আঙুলে যে আংটিটি রয়েছে তা খুলে নেওয়া। তিনি বলেছেন। আংটি খুলে নিতে পারলেই উনি আমায় স্ত্রীর সম্মান দেবেন। আপনি অনুগ্রহ করে কাউন্টকে জানিয়ে দিন যে তার স্ত্রী হেলেনা অর্থাৎ আমি আর বেঁচে নেই।

    হেলেনার দুঃখের কাহিনি শুনে ভদ্রমহিলা তাকে সহানুভূতি জানিয়ে আশ্বাস দিলেন তার পরিকল্পনা রূপায়ণে তিনি অবশ্যই তাকে সাহায্য করবেন।

     

    সেদিন গভীর রাতে সাজগোজ করে কাউন্ট এসে হাজির হলেন সেই মহিলার বাড়িতে। তিনি সোজা ঢুকে গেলেন তার মেয়ে ডায়নার ঘরে। সেখানে তখন ডায়ানার পোশাক পরে অপেক্ষা করছিল হেলেনা। তিনি তাকে চিনতে পারলেন না। ডায়ানা ভেবে তিনি তাকে প্রেম নিবেদন করতে লাগলেন। শেষমেশ তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন। সুযোগ পেয়ে প্রেমের নিদর্শন হিসেবে বারট্রামের একটি আংটি চাইল হেলেনা। শুরুতে রাজি না হলেও শেষমেশ আঙুল থেকে আংটিটা খুলে নিজেই পরিয়ে দিলেন হেলেনার আঙুলে। সারারাত ডায়না-বেশী হেলেনার সাথে কাটালেন বারট্রাম। সকাল হবার আগেই তিনি বিদায় নিয়ে যাত্রা করলেন রুসিলনের পথে। সেই একই দিনে ভদ্রমহিলা ও তার মেয়ে ডায়ানাকে সাথে নিয়ে হেলেনাও রওনা দিলেন রুসিলন অভিমুখে।

    এদিকে বৃদ্ধ কাউন্টেসের অসুস্থতার কথা শুনে ফরাসি সম্রাট স্বয়ং এসেছেন তাকে দেখতে। হেলেনার মৃত্যুসংবাদ শুনে মনে খুব আঘাত পেলেন কাউন্টেস। হেলেনাকে পরিত্যাগ করার জন্য সম্রাট খুবই বাকা-ঝকা করলেন বারট্রামকে। এরই মধ্যে ডায়ানাকে বিয়ে করার সমস্ত ব্যবস্থা ঠিক করে রেখেছেন বারট্রাম। কিন্তু তার আগেই হেলেনা এসে হাজির সেখানে। তার হাতে নিজের আংটি দেখে চমকে উঠলেন বারট্রাম। তিনি হেলেনার কাছে জানতে চাইলেন আংটিটা সে কোথায় পেয়েছে। হেলেনা বলল ফ্লোরেন্সে সেই ভদ্রমহিলার বাড়িতে তিনি সারারাত তার সাথেই কাটিয়েছেন। কিন্তু তার পরনে ডায়ানার পোশাক থাকায় বারট্রাম তাকে চিনতে পারেননি। সে রাতে বারট্রাম নিজেই তার হাতে পরিয়ে দিয়েছেন সেই আংটি। হেলেনা বারট্রামকে এও জানাল যে সে তার সন্তানের জননী হতে চলেছে। বারট্রাম যে সে রাতে হেলেনার সাথেই কাটিয়েছেন তা সমর্থন করল। ডায়ানা ও তার মা। সব কথা শোনার পর কাউন্ট আর দ্বিধা না করে বৈধ স্ত্রী হিসেবে গ্রহণ করলেন হেলেনাকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleডেজার্ট গড – উইলবার স্মিথ
    Next Article Henry VI (Part 1, 2, 3) – William Shakespeare

    Related Articles

    উইলিয়াম শেক্সপিয়র

    Henry IV (Part 1, 2) – William Shakespeare

    July 14, 2025
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র

    Henry VI (Part 1, 2, 3) – William Shakespeare

    July 12, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }