Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উচ্চতর বাংলা ব্যাকরণ – বামনদেব চক্রবর্তী

    বামনদেব চক্রবর্তী এক পাতা গল্প986 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩.০৬ পুরুষ

    ষষ্ঠ পরিচ্ছেদ – পুরুষ

    পুরুষ শব্দটির অর্থ হইল ক্রিয়ার আশ্রয়। ব্যাকরণে পুরুষ কথাটির সহিত স্ত্রী-পুরুষ-লিঙ্গবোধের কোনো সম্পর্ক নাই। ইহা একটি পারিভাষিক নামমাত্র পৃথিবীর সমস্ত ব্যক্তি বা বস্তু ব্যাকরণ-মতে কোনো-না-কোনো পুরুষ।

    ইংরেজী ও সংস্কৃতের মতো বাংলাতেও পুরুষ তিনটি—(১) উত্তমপুরুষ, (২) মধ্যমপুরুষ ও (৩) প্রথমপুরুষ।

    উত্তমপুরুষ (First Person)

    ৮৪। উত্তমপুরুষ : বক্তা নিজ নামের পরিবর্তে যে সর্বনাম প্রয়োগ করেন তাহাই উত্তমপুরুষ। সর্বনাম ‘আমি’ ও তাহার একবচন-বহুবচনের বিবিধ রূপ হইতেছে উত্তমপুরুষ।

    প্রাচীন বাংলায় ‘মুই’ ছিল একবচনের, ‘আমি বহুবচনের। এখন একবচনে ‘আমি’ আর বহুবচনে ‘আমরা’ দাঁড়াইয়াছে। “মুই” কথাটি প্রাচীন কাব্যে যথেষ্ট লক্ষ্য করা যায়, অবশ্য বানানে কখনও কখনও মুঞি’ লেখা হইত।—”জগ-বাহির নহ মুঞি ছার।” বৈষ্ণব কবিতায় “আমি” স্থলে “হাম”, “আমার” স্থলে “মঝু”, “আমায়” স্থলে “মোয়” প্রভৃতি প্রয়োগ খুবই দেখা যায়। “মাধব হাম পরিণাম নিরাশা।” “হরি গেও মধুপুর হাম কুলবালা।” “পিয়া যব আওব এ মঝু গেহে”। “আজু মঝু গেহ গেহ করি মানলু।” “কি পুছসি অনুভব মোয়।”

    আধুনিক কবিতায় শব্দগুলির সাক্ষাৎ বড়ো-একটা পাই না, তবে বঙ্গদেশের বহু অংশে অশিক্ষিত লোকের মুখে ‘মুই’ কথাটি শোনা যায়। অথচ মোর মোরে মম মোরা মোদের আমারে—এই রূপগুলি বাংলা কবিতায় আজও আদরণীয় হইয়া রহিয়াছে। “নমোনমো নমঃ সুন্দরী মম জননী বঙ্গভূমি।” “কণ্ঠে মোদের কুণ্ঠাবিহীন নিত্যকালের ডাক।” “তব শ্রীচরণতলে নিয়ে এস মোর মত্ত বাসনা ঘুচায়ে।” “হে দারিদ্র্য! তুমি মোরে করেছ মহান।” “আমারে রাজার সাজে বসায়ে সংসার-মাঝে কে তুমি আড়ালে কর বাস!” “আমা সবাকার পুণ্য জন্মভূমি এই।” “আমায় ছ জনায় মিলে পথ দেখায় বলে পদে পদে পথ ভুলি হে।” “মোরা গৌরবেরই কান্না দিয়ে ভরেছি মার শ্যাম আঁচল।” স্বামীজী বলতেন, “আমি অশরীরী বাণী, আমি জগতের নৈর্ব্যক্তিক সত্তা।” আমি, আমরা, আমার, আমায়, আমাদের ইত্যাদি রূপগুলি গদ্যপদ্য-নির্বিশেষে সর্বত্রই ব্যবহৃত হয়।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    অনলাইন বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    Books
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    অনলাইন বুক
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ই-বই
    নতুন উপন্যাস

     

    স্ত্রীপুরুষ-নির্বিশেষে যেকোনো ব্যক্তিই নিজের সম্বন্ধে উত্তমপুরুষের সর্বনাম ব্যবহার করিতে পারেন। জনার্দন যজ্ঞেশ্বরকে বলল, “আমার জ্যামিতি বইটা হারিয়ে গেছে ভাই। তোর বইখানি যদি দিনকতক আমাকে দিস।” উমাকে আসতে দেখে রুমা বলে উঠল, “কি রে, আমাদের যে একেবারেই ভুলে গেছিস, দেখছি।”

    অচেতন পদার্থেও যখন প্রাণসত্তা আরোপ করা হয়, তখন উত্তমপুরুষের প্রয়োগ হইতে পারে। “কণাগুলি একে অন্যকে ডাকিয়া বলিল, ‘আইস, আমরা পৃথিবীর দেহ নূতন করিয়া নির্মাণ করি।’ ”

    উত্তমপুরুষের স্থানে অহঙ্কার প্রকাশ করিতে শর্মা আর বিনয় প্রকাশ করিতে দীন, সেবক, অধীন, গরিব, অকিঞ্চন, বান্দা গ্রভৃতি দীনতাসূচক শব্দ প্ৰয়োগ করা হয়। গোড়া কেটে মাথায় যতই জল ঢাল না কেন, এ অপমানের কথা শর্মা কোনোদিনই ভুলবে না। “অমর করিয়া বর দেহ দাসে, সুবরদে।” কী কারণে অকিঞ্চনে স্মরণ হয়েছে প্রভু? প্রয়োজন হলে এ বান্দাকে স্মরণ করে কৃতার্থ করবেন, জনাব। হুজুরের চরণে একবার যখন ঠাঁই পেয়েছি, গরিবকে আর বঞ্চিত করবেন না।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কবিতা
    PDF
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বইয়ের
    বাংলা গল্প
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    পিডিএফ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা ভাষা

     

    তৎসম শব্দের অনুকরণে মগৃহ, অস্মভবন, মৎসদৃশ, মৎপ্রণীত প্রভৃতি সমাসবদ্ধ পদ, মদীয় অস্মদীয় প্রভৃতি সর্বনামীয় বিশেষণ এখনও বাংলা ভাষায় কিছু কিছু চলিতেছে। তবে মমত্ব, মমতা, অহমিকা, অহঙ্কার, আমিত্ব প্রভৃতি শব্দ বাংলায় বহুল প্রচলিত। “আমার আমিত্বটিকে তাঁরা এমনই আবিষ্ট করে রেখেছেন।”

    মধ্যমপুরুষ (Second Person)

    ৮৫। মধ্যমপুরুষ : বক্তা সম্মুখস্থ কাহাকেও কিছু বলিবার সময় সেই ব্যক্তির নামের পরিবর্তে যে সর্বনাম ব্যবহার করেন তাহাই মধ্যমপুরুষ। সর্বনাম ‘তুমি’, ‘আপনি’ ও ‘তুই’—শব্দগুলির একবচন-বহুবচনের বিবিধ রূপই মধ্যমপুরুষ।

     

    আরও দেখুন
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বই
    ই-বুক রিডার
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা ইসলামিক বই
    Books
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    সেবা প্রকাশনী বই

     

    ‘মুই’-এর মতো ‘তুই’ও প্রাচীনযুগে ছিল মধ্যমপুরুষের একবচন, আর ‘তুমি’ ছিল বহুবচন। আচার্য সুনীতিকুমার বলিয়াছেন, “একবচনের রূপ ‘তুই’ তুচ্ছতাবোধক হইয়া দাঁড়াইলে, বহুবচনের ‘তুমি’ গৌরবে বা আদরে একবচনের রূপ ধারণ করে। তদনন্তর ‘তুমি’-র নূতন বহুবচন রূপ ‘তোমরা’ প্রভৃতি দেখা দেয়।”

    তুই : তুচ্ছতাজ্ঞাপক তুই’ সর্বনামটির কয়েকটি বিশিষ্ট প্রয়োগ লক্ষ্য কর।—(ক) অনাদরে বা তুচ্ছার্থে : তোর ব্যাপারখানা কী বল্ দেখি, মন দিয়ে কাজকর্ম করবি, না করবি না [ তুই ঊহ্য ]? তোদের কি কোনোদিনই কাণ্ডজ্ঞান হবে না? মায়ের মর্যাদা ধুলোয় লুটিয়ে দিয়ে বীরত্বের বড়াই তোরাই করতে পারিস। [ নিম্নশ্রেণীর লোকেদের সম্বন্ধে ‘তুই’-এর ব্যবহার ভদ্রসমাজে উঠিয়া যাওয়াই উচিত। ]

     

    আরও দেখুন
    উপন্যাস সংগ্রহ
    গ্রন্থাগার
    বাংলা বই
    অনলাইন বুক
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা ই-বই
    বাংলা কমিকস
    Books

     

    (খ) স্নেহের গভীরতা বা সমবয়সীদের মধ্যে প্রীতির ঘনিষ্ঠতা প্ৰকাশে : “তুই প্রভাতের আলোর সমবয়সী” “কেষ্ট, আয় রে কাছে।” [তুই উহ্য] “ঘুমিয়ে গেছিস, নেতিয়ে গেছিস, বাছা আমার আদুরে!–ওরে আমার জাদু রে!” [ তুই ঊহ্য ] “কে দিল তোর মাথায় বালিশ?” “আজকে যে যা বলে বলুক তোরে।’ “সে তো গেছে এখান থেকে তোকে জাদু আমার কাছে রেখে।” তোর কলমটা একবার দে না, তাই মধু! “ওরে, তুই ভাবমুখে থাক্, আর যা পেলি তা বিলিয়ে দে।” “তুই কি না মাগো তাঁদের জননী, তুই কি না মাগো তাঁদের দেশ!” “ওলো তোরা আয় ওই দেখা যায় কুটির কাহার অদূরে।”

    (গ) অপরিচিত ব্যক্তিদের প্রতি দরদভরা আহ্বানে : “আয় আয় আয় আছ যে যেথায়, আয় তোরা সবে ছুটিয়া।” “ওগো, আজ তোরা যাস্ নে গো তোরা যাস নে ঘরের বাহিরে।” “একবার তোরা মা’ বলিয়া ডাক্।”

     

    আরও দেখুন
    গ্রন্থাগার সেবা
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা কুইজ গেম
    বাংলা বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    Library
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বই পড়ুন

     

    (ঘ) দেবতাকে সম্বোধনে (সাধারণতঃ মাতৃশক্তির আরাধনায়) : “তোর মা কি তোর বাপের বুকে দাঁড়িয়েছিল এমনি করে?” “এবার কালী তোকে খাব।” “কালী হলি মা রাসবিহারী নটবর-বেশে বৃন্দাবনে।” [ তুই উহা ] “একবার খুলে দে মা চোখের ঠুলি, দেখি শ্রীপদ মনের মতো।” [ তুই ঊহ্য ] “তোর ছেলে মা অনাহারে ঘুরে বেড়ায় দ্বারে দ্বারে, তুই যে শ্যামা জগৎ-মাতা, নীরব হওয়া তোর কি সাজে? কানে কি তোর যায় না কাঁদন, মহাকালের শঙ্খ বাজে।” “আর লুকাবি কোথায় মা কালী (তুই উহ্য), বিশ্বভুবন আঁধার করে তোর রূপে মা সব ডুবালি … পূজা করে পাইনি তোরে এবার চোখের জলে এলি (তুই ঊহ্য), বুকের ব্যথায় আসন পাতা, বস মা সেথা দুখদুলালী” (তুহ ঊহ্য)—নজরুল।

    [ তুইতোকারি, তুইমুই কেবল তুচ্ছার্থেই প্রযুক্ত হয়। ]

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা লাইব্রেরী
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বইয়ের
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা উপন্যাস
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    অনলাইন বই

     

    তুমি : সমবয়সী, বয়ঃকনিষ্ঠ, ঘনিষ্ঠ সহকর্মী বা নিম্নতমপদস্থ কর্মচারীর প্রতি তুমি সর্বনামটি ব্যবহৃত হয়। তুমি, তোমরা, তোমার, তোমাদের, তোমাকে ইত্যাদি সাধারণভাবে গদ্য-পদ্য সর্বত্রই ব্যবহৃত হয়। তৰ তোমা তোরে তোমারে মাত্র কবিতায় প্রযুক্ত হয়। “তব গৌরবে গরব মানিব।” “থাকে যেন তোমা ‘পরে অখণ্ড বিশ্বাস।” “তোমারে করিল বিধি ভিক্ষুকের প্রতিনিধি।

    জন্মভূমি ও দেবতাকে সম্বোধনে তুমি ব্যবহৃত হয়। “নিত্য যেথা তুমি সব কর্ম-চিন্তা-আনন্দের নেতা।” “তোমার কাছে আরাম চেয়ে পেলেম শুধু লজ্জা।” “তোমারে লইয়া শুধু করে পূজাখেলা।”

    অবস্থাবিশেষে দূরস্থ বা পরলোকগত ব্যক্তির প্রতি মধ্যমপুরুষের সর্বনাম ব্যবহৃত হয়। তখন বক্তা কল্পনায় অনুপস্থিত ব্যক্তির উপস্থিতি অনুভব করেন। “চিরচঞ্চলের মাঝে তুমি কেন শান্ত হয়ে রও?” “বক্ষ তব দুলিত নিশ্বাসে।” “আমার নিখিল তোমাতে পেয়েছে তার অন্তরের মিল।” “শ্যামলে শ্যামল তুমি নীলিমায় নীল।” “তব সুর বাজে মোর গানে।”

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বই
    বাংলা উপন্যাস
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা ই-বই
    বাংলা কুইজ গেম
    ই-বই ডাউনলোড
    বিনামূল্যে বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা গানের লিরিক্স বই

     

    প্রাচীন কবিতায় “তুমি”-র স্থলে “তুঁহুঁ”, “তোমার” স্থলে “তুয়া”, “তোমাকে” স্থলে “তোয়” প্রচলিত ছিল। এমনকি রবীন্দ্রনাথে (ভানুসিংহ ঠাকুর) পর্যন্ত “তুঁহুঁ”-র সাক্ষাৎ পাই। “তুঁহুঁ জগন্নাথ জগতে কহায়সি।” “মাধব বহুত মিনতি করি তোয়।” “তুয়া পদপল্লব করি অবলম্বন।” “কো তুঁহুঁ বোলবি মোয়।”

    আপনি : সম্মানীয় ব্যক্তি, গুরুজন, উচ্চপদস্থ কর্মচারী, অল্পপরিচিত কিংবা অপরিচিত বয়ঃকনিষ্ঠদের প্রতি মধ্যমপুরুষের সন্ত্রমার্থক রূপ ‘আপনি’ যুক্ত হয়। আপনি আপনাকে আপনাদের প্রভৃতি গদ্যপদ্য-নির্বিশেষে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু আপনারে আপনায় মাত্র কবিতায় ব্যবহৃত হয়। “আপনারে অপরেরে নিয়োজিত তব কাজে।” “আমার আপনার চেয়ে আপন যে জন খুঁজি তারে আমি আপনায়।” কিন্তু পরমগুরু পরমেশ্বর-সম্বন্ধে ‘আপনি’-র ব্যবহার কখনও হয় না।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা সাহিত্য
    সাহিত্য পত্রিকা
    বইয়ের
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বই পড়ুন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই

     

    ‘আপনি’-র প্রয়োগ মধ্যমপুরুষ ছাড়া উত্তমপুরুষ ও প্রথমপুরুষেও পাওয়া যায়। “অয়ি লাবণ্যপুঞ্জে, সময় যেদিন আসিবে আপনি যাইব তোমার কুঞ্জে।” [ উত্তমপুরুষ ] আমি মৃগতৃষ্ণিকায় ভ্রান্ত হইয়া অনর্থক আপনাকে ক্লেশ দিতে উদ্যত হইয়াছি। [ উত্তমপুরুষ ] সকলেই এসে গেছেন, এখন শুধু আপনারই অপেক্ষা। [ মধ্যমপুরুষ সন্ত্রমার্থক ] “তুমি আপনি থাকো আলোর পিছনে।” “কী ধন তুমি করিছ দান না জান আপনি।” [ মধ্যমপুরুষ সাধারণার্থে ] মনুষ্য আপনি আপনার উদ্ধারকর্তা। [ প্রথমপুরুষ সাধারণার্থে ]

    ‘আপনি’-র স্থলে অনেক সময় প্রভু, মহারাজ, জনাব, মহাশয় প্রভৃতি ব্যবহার করা হয়। মহাশয়ের নিবাস কোথায়? “হুজুর, আমি মন্তর-তন্তর কিছুই জানি নে।” “বান্দাকে চিরকাল বান্দা বলেই জানবেন, জনাব।”

     

    আরও দেখুন
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা গল্প
    বাংলা কুইজ গেম
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ইসলামিক বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ভাষা
    গ্রন্থাগার সেবা

     

    সংস্কৃতের অনুকরণে ত্বৎসদৃশ, ত্বদনুগ্রহ, ত্বদীয়, ভবদীয় প্রভৃতি শব্দও বাংলা ভাষায় চলিতেছে।

    মনে রাখিও, বিশেষ্যপদ কখনও উত্তমপুরুষ বা মধ্যমপুরুষ হয় না।

    প্রথমপুরুষ (Third Person)

    ৮৬। প্রথমপুরুষ : অনুপস্থিত কোনো ব্যক্তি বা দূরস্থিত কোনো বস্তুর সম্বন্ধে কিছু বলিবার সময় সেই ব্যক্তি বা নামের পরিবর্তে যে সর্বনাম বা বিশেষ্যপদ ব্যবহৃত হয় তাহাই প্রথমপুরুষ। উত্তমপুরুষ ও মধ্যমপুরুষ ব্যতীত বিশ্বের যাবতীয় ব্যক্তি বা বস্তু প্রথমপুরুষ।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কমিকস
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা গল্প
    ই-বুক রিডার
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বইয়ের
    বাংলা ই-বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    গ্রন্থাগার সেবা

     

    সে, তিনি, ও, উনি, তারা, তাঁরা, তাঁহার, তাঁহাদের, তাঁহাকে, তাঁহাদিগকে, ইঁহাদের প্রভৃতি যাবতীয় সর্বনামপদ এবং সকল শ্রেণীর বিশেষ্যপদ (বিশেষ্যরূপে ব্যবহৃত অন্য পদও) প্রথমপুরুষ। সর্বনামের মধ্যে সে, ও, যে, তারা প্রভৃতি সাধারণভাবে এবং তিনি, উনি, ইনি, যিনি, তাঁহারা প্রভৃতি সম্মানার্থে ব্যবহৃত হয়। যারে, যাঁরে, তারে, তাঁরে, তাহারে, তাঁহারে, যাহারে, যাঁহারে—কেবল কবিতায় ব্যবহৃত হয়। “যারে তুমি নীচে ফেল সে তোমারে বাঁধিবে যে নীচে।” “এবার তোর ভরা আপণ, বিলিয়ে দে তুই যারে তারে।”

    প্রথমপুরুষ সবসময়েই যে অনুপস্থিত থাকিবে বা দূরস্থিত হইবে, এমন কথা নয়। সম্মুখে উপস্থিত কোনো ব্যক্তি বা বস্তুর সহিত বক্তা যখন সরাসরি কথা না বলে, তখনও সেই ব্যক্তি বা বস্তুটি প্রথমপুরুষ। এঁকে চিনতে পার বোধিসত্ত্ব? এমন জিনিস কখনও খেয়েছি বলে তো মনে পড়ছে না।

     

    আরও দেখুন
    ই-বই ডাউনলোড
    Library
    গ্রন্থাগার
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ভাষা
    PDF
    Books
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    অনলাইন বুক
    অনলাইন গ্রন্থাগার

     

    ঈশ্বর সম্বন্ধে মধ্যমপুরুষের সম্ভ্রমার্থক ‘আপনি’ চলে না বটে, প্রথমপুরুষের ‘সে’ও আবার চলে না, কিন্তু সম্মানার্থক প্রথমপুরুষে “তিনি” “যিনি” প্রভৃতি প্রয়োগ করিতে হয়। “এই অনন্ত সুন্দর জগৎশরীরে যিনি আত্মা তাঁহাকে ডাকি।” “ওরে, মানুষ দিলে কুলোয় না, তিনি দিলে ফুরোয় না।”

    “আমার অন্তরতম আমি আলস্য-আবেশে বিলাসের প্রশ্রয়ে ঘুমিয়ে পড়ে।” রবীন্দ্রনাথ। [ একটি অভিনব উদাহরণ—’আমি’ এখানে প্রথমপুরুষ। ] “সকল খেলায় করবে খেলা এই আমি।” “তিনিটি জ্ঞান, তুমিটি ভালোবাসা।” [ তুমিটি= তুমি ভাবটি—প্রথমপুরুষ। ]

    সে তাহা তা—সর্বনামগুলি সংস্কৃত “তদ্‌” শব্দ হইতে আসিয়াছে। এইজন্য, সন্ধি বা সমাসের পূর্বপদরূপে এই “তদ্‌” শব্দটি বাংলায় খুবই প্রচলিত—তদীয়, তদ্বারা, তন্মাত্র, তৎসন্নিধানে, তৎকর্তৃক, তৎপুরুষ, তৎপরতা, তন্নিবন্ধন, তৎসম।

    পুরুষভেদে ক্রিয়ার রূপভেদ

    লিঙ্গ ও বচনভেদে ক্রিয়াপদের রূপভেদ হয় না। একই ক্রিয়া পুংলিঙ্গে যেমন চলে, স্ত্রীলিঙ্গেও তেমনি চলে। একবচনে ক্রিয়ার যে রূপটি প্রয়োগ করি, বহুবচনেও সেই রূপটি প্রযুক্ত হয়। কিন্তু পুরুষভেদে সমাপিকা ক্রিয়ার রূপের পরিবর্তন হয়। এক পুরুষের সমাপিকা ক্রিয়া অন্য পুরুষে চলে না। আমি বা আমরা লিখি। এই লিখি ক্রিয়াটি উত্তমপুরুষের। ইহাকে মধ্যমপুরুষ বা প্রথমপুরুষে ব্যবহার করা চলে না। পুরুষ-অনুযায়ী ইহাকে একটু পরিবর্তিত করিয়া লইতে হয়। তুমি বা তোমরা লেখ; আপনি বা তিনি লেখেন।

    মধ্যমপুরুষের তিনটি রূপ বলিয়া মধ্যমপুরুষের সমাপিকা ক্রিয়ারও তিনটি রূপ। (১) সাধারণ, (২) সম্মানবোধক ও (৩) তুচ্ছার্থক।

    (১) সাধারণ : তুমি বা তোমরা লিখিবে (চলিতে-লিখবে)। (ভবিষ্যৎ কাল)

    (২) সম্মানবোধক : আপনি বা আপনারা লিখিবেন (চলিতে—লিখবেন)। (ঐ)

    (৩) তুচ্ছার্থক : তুই বা তোরা লিখিবি (চলিতে—লিখবি)। (ঐ)

    এখানে দেখ, সাধারণ মধ্যমপুরুনের ক্রিয়া সম্মানবোধক বা তুচ্ছার্থক মধ্যমপুরুষে চলিতেছে না। সেইরূপ, সম্মানবোধক মধ্যমপুরুষের ক্রিয়া সাধারণ বা তুচ্ছার্থক মধ্যমপুরুষে চলিতেছে না; আবার, তুচ্ছার্থক মধ্যমপুরুষের ক্রিয়াও সাধারণ বা সম্মানবোধক মধ্যমপুরুষে চলিতেছে না।

    প্রথমপুরুষের দুইটি রূপ বলিয়া প্রথমপুরুষের সমাপিকা ক্রিয়ারও দুইটি রূপ হয়। (১) সাধারণ ও (২) সম্মানবোধক।

    (১) সাধারণ : সে বা তাহারা লিখিল (চলিতে-লিখল)। (অতীত কাল)

    (২) সম্মানবোধক : তিনি বা তাঁহারা লিখিলেন (চলিতে—লিখলেন)। (ঐ) এখানেও দেখ, সাধারণ প্রথমপুরুষের ক্রিয়া সম্মানবোধক প্রথমপুরুষে যেমন চলে না, সম্মানবোধক প্রথমপুরুষের ক্রিয়াও তেমনই সাধারণ প্রথমপুরুষে চলিতেছে না। অতএব, কেবল পুরুষ হিসাবেই যে সমাপিকা ক্রিয়ার রূপভেদ হয় তাহা নয়। একই পুরুষের গুরুত্ব-লঘুত্ব-অনুসারেও সমাপিকা ক্রিয়ার রূপ—পরিবর্তন হয়। তবে সম্মানবোধক মধ্যমপুরুষ ও সম্মানবোধক প্রথমপুরুষের ক্রিয়া সর্বত্র একই রূপে থাকে।—

    সম্মানবোধক মধ্যমপুরুষ : আপনি বা আপনারা লেখেন। (বর্তমান কাল)

    সম্মানবোধক প্রথমপুরুষ : তিনি বা তাঁহারা লেখেন। (ঐ)

    কিন্তু অসমাপিকা ক্রিয়া তিন পুরুষেই এক : আমি পড়া শেষ করিয়া লিখিব। তুমি পড়া শেষ করিয়া লিখিবে। তাঁহারা পড়া শেষ করিয়া লিখিবেন।

    মাঝে মাঝে উত্তমপুরুষ ও মধ্যমপুরুষ উদ্দেশ্য ঊহ্য থাকে। সেই অবস্থায় ক্রিয়াটির সাহায্যেই ঊহ্য উদ্দেশ্যটিকে বাহির করিতে হয়। এই তো এলাম দিল্লি থেকে। [ আমি ঊহ্য—উত্তমপুরুষ ] “ভালোবাস, প্রেমে হও বলী।” [ তুমি ঊহ্য—মধ্যমপুরুষ সাধারণ ] সকাল-সকাল আসবেন। [ আপনি উহ্য—মধ্যমপুরুষ সম্ভ্রমার্থে ] আমি না আসা পর্যন্ত কোথাও যাস না যেন। [ তুহ ঊহ্য—মধ্যমপুরুষ তুচ্ছার্থে ] প্রথমপুরুষ উদ্দেশ্য ক্বচিৎ উহ্য থাকে। “আবার সাতগাঁ যাইবে, আবার পুরানো খেলুড়িদের সঙ্গে খেলা করিবে, গঙ্গায় স্নান করিবে, ঠাকুরদের বাড়ি ঘুরিবে, তাহার ভারী আহ্লাদ।”—হরপ্রসাদ শাস্ত্রী। [ সে ঊহ্য ]

    অতএব আমরা দেখিলাম, বিশেষণ আর অব্যয় ছাড়া অবশিষ্ট তিনটি পদ পুরুষভেদে পরিবর্তিত হয়।

    অনুশীলনী

    ১। ব্যাকরণে পুরুষ কথাটির অর্থ কী? পুরুষ কয় প্রকার ও কী কী? প্রত্যেকটি পুরুষের দুইটি করিয়া উদাহরণ দাও।

    ২। বাংলায় কোন্ কোন্ পদের পুরুষ আছে? বিশেষ্যপদ কোন্ পুরুষ? সর্বনামপদ কোন্ পুরুষ?

    ৩। উত্তমপুরুষ কাহাকে বলে? উত্তমপুরুষের সর্বনামের কোনগুলি কেবল কবিতায় ব্যবহৃত হয়? উদাহরণ দাও। স্ত্রীপুরুষ-নির্বিশেষে যেকোনো বক্তাই নিজের সম্বন্ধে উত্তমপুরুষের সর্বনাম প্রয়োগ করিতে পারেন, উদাহরণ দাও।

    ৪। মধ্যমপুরুষ কাহাকে বলে? মধ্যম পুরুষকে কয়টি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়? প্রত্যেকটির নাম বল এবং একটি করিয়া উদাহরণ দাও।

    ৫। আপনি’ কোন্ পুরুষ? শব্দটিকে তিনটি পুরুষেই প্রয়োগ করা যায়, উদাহরণ দাও। “নিল সে আমার কালব্যাধিভার আপনার দেহ ‘পরে।”—নামপদগুলির পুরুষ নির্ণয় কর।

    ৬। তুচ্ছার্থক মধ্যমপুরুষ কোনটি? সেটি কি সর্বদাই তুচ্ছার্থে ব্যবহৃত হয়? সেই সর্বনামটির বিচিত্র প্রয়োগ দেখাও।

    ৭। প্রথমপুরুষ কাহাকে বলে? প্রথমপুরুষকে যে কয়টি ভাগে ভাগ করা হয়, তাহাদের নাম বল এবং প্রত্যেকটির দুইটি করিয়া উদাহরণ দাও।

    ৮। আপনি, তুমি, তিনি, তাহারা, সে—কোগুলি ঈশ্বর-সম্বন্ধে ও কোন্‌গুলি পিতামাতা—সম্বন্ধে প্রয়োগ করা হয়?

    ৯। (ক) উদাহরণ দিয়া বুঝাইয়া দাও : অহংকার-প্রকাশে উত্তমপুরুষ, বিনয়-প্রকাশে উত্তমপুরুষ, বয়ঃকনিষ্ঠের প্রতি ‘আপনি’, পরলোকগত ব্যক্তির প্রতি মধ্যমপুরুষ, উপস্থিত ব্যক্তির প্রতি প্রথমপুরুষ, পরমপূজ্যের প্রতি ‘তুমি’।

    (খ) মুই, মঝু, হাম, তোয়, মোর, মোয়, শর্মা, বান্দা, আমি (প্রথমপুরুষ), আমিত্ব, গরিব (উত্তমপুরুষ), তুঁহুঁ, মদীয়, ভবদীয়, তদ্দ্বারা, তোরে, ত্বদীয়, তদীয়—প্রয়োগ দেখাও।

    (গ) বাংলা কবিতায় ব্যবহৃত হয় এমন পাঁচটি উত্তমপুরুষের সর্বনাম, চারিটি মধ্যমপুরুষের সর্বনাম ও তিনটি প্রথমপুরুষের সর্বনাম উল্লেখ কর।

    ১০। (ক) পুরুষভেদে ক্রিয়ার রূপভেদ হয়, উদাহরণ দিয়া বুঝাইয়া দাও। এ বিষয়ে অসমাপিকা ক্রিয়া-সম্বন্ধে তোমার বক্তব্য কী?

    (খ) একই পুরুষে গুরুত্ব-লঘুত্ব-অনুসারে ক্রিয়ার রূপভেদ হয়—এই কথাটি কোন্ কোন্ পুরুষে প্রযোজ্য? উদাহরণ দাও।

    (গ) সম্ভ্রমার্থক মধ্যমপুরুষ ও সম্ভ্রমার্থক প্রথমপুরুষের ক্রিয়া একই চেহারায় থাকে, উদাহরণ দাও।

    ১১। উত্তমপুরুষ, মধ্যমপুরুষ ও প্রথমপুরুষ উদ্দেশ্য উহ্য রাখিয়া দুইটি করিয়া বাক্য গঠন কর। ১২। নীচের নির্ভুল মন্তব্যটির মাথায় টিকচিহ্ন ( /) দাও এবং ভুল মন্তব্যটির মাথায় ক্রসচিহ্ন ( ×) দাও : (i) উত্তমপুরুষকে দুইটি ভাগে ভাগ করা হয়। (ii) মধ্যমপুরুষকে তিনটি ভাগে ভাগ করা হয়। (iii) প্রথমপুরুষকে দুইটি ভাগে ভাগ করা হয়। (iv) কোনো পুরুষের একবচনের ক্রিয়াপদ বহুবচনেও চলে। (v) তব মম আপনারে তোরে—গদ্যপদ্য-নির্বিশেষে ব্যবহৃত হয়। (vi) বিশ্বভুবনে প্রথমপুরুষের সংখ্যাই সবচেয়ে বেশী।

    ১৩। মোটা অক্ষরের ক্রিয়াপদগুলির পুরুষ নির্ণয় কর : ছোটো আমিটা মাঝে মাঝে বড়ো জ্বালায়, দেখছি। এ কথা শিখলি কোথা, ওরে আদরিণী! তোকে না একটু অপেক্ষা করতে বললাম? “এতদিন কোথায় ছিলেন?” “আমার এই দেশেতেই জন্ম, যেন এই দেশেতেই মরি।” এখন আসছ কোথা থেকে? “ভারত আবার জগৎসভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে।” “আঁধার রাতে আছাড় খেয়ে তর্কবাগীশমশাই অতর্কিতে ভাঙ্গলেন দুই হাত।” “তুমি যত ভার দিয়েছ সে ভার করিয়া দিয়েছ সোজা, আমি যত ভার জমিরে তুলেছি সকলি হয়েছে বোঝা।” “ওরে সবুজ, ওরে অবুঝ, আধমরাদের ঘা মেরে তুই বাঁচা।” “সকল কালিমা মুছে দিয়ে মোরে নিয়েছ আপন করে।” “মা আছেন আর আমি আছি।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleড্রাকুলা – ব্রাম স্টোকার
    Next Article মহাভারত – বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }