Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উচ্চতর বাংলা ব্যাকরণ – বামনদেব চক্রবর্তী

    বামনদেব চক্রবর্তী এক পাতা গল্প986 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩.০১ পদের প্রকারভেদ (পদ-প্রকরণ)

    তৃতীয় অধ্যায় – পদ-প্রকরণ

    প্রথম পরিচ্ছেদ – পদের প্রকারভেদ

    ব্‌ আ ণ্‌ ঈ–এই চারিটি বর্ণ পরপর যোগ করিলে বাণী কথাটি পাওয়া যায়। বাণী’ বলিলে কাহারও নাম বুঝিয়া থাকি। সুতরাং বাণী’ কথাটির অর্থ আছে। উপরের বর্ণগুলিকে একটু ঘুরাইয়া-ফিরাইয়া যোগ করিলে বীণা কথাটি পাওয়া। যায়। এই বীণা’ কথাটির অর্থ আছে; এই কথাটির দ্বারা কাহারও বা কোনোকিছুর নাম বুঝায়। একাধিক বর্ণের সুষ্ঠু সংযোগে এই যে বাণী ও বীণা কথা দুইটি পাইলাম, ইহাদিগকে ব্যাকরণে শব্দ বলা হয়।

    ৫৭। শব্দ ও একাধিক বর্ণ সুষ্ঠুভাবে যোগ করিয়া অর্থপূর্ণ ও শ্রুতিমধুর যে কথাটি পাওয়া যায়, তাহার নাম শব্দ।

    নিছক শব্দ বাক্যে স্থান পায় না। শব্দটিতে অ, এ, কে, র্‌ প্রভৃতি অতিরিক্ত কোনো-না-কোনো অংশ যোগ করিলে শব্দটি তখন পদ হইয়া উঠে, এবং নবজাত সেই পদটি বাক্যে স্থান পায়। এখন দেখ–

    (ক) বাণী কবিতাটি পড়িয়াছে। (খ) বড়দিমণি বাণীকে ডাকিলেন। (গ) বীণা। এখনও লিখিতেছে। (ঘ) বীণার লেখাটি চমৎকার।

    প্রথমটিতে ‘বাণী’ শব্দ + অ (শূন্যবিভক্তি) = বাণী পদটির সৃষ্টি হইয়াছে, এবং পদটি বাক্যে স্থান পাইয়াছে। দ্বিতীয়টিতে বাণী’ শব্দ + কে বিভক্তি = বাণীকে পদটির সৃষ্টি হইয়াছে, এবং পদটি বাক্যে স্থান পাইয়াছে। তৃতীয়টিতে ‘বীণা’ শব্দের সঙ্গে অ (শূন্যবিভক্তি) যুক্ত হইয়া বীণা পদটির সৃষ্টি করিয়াছে, শেষেরটিতে ‘বীণা’ শব্দটিতে র্‌ বিভক্তি যুক্ত হওয়ায় বীণার পদটি গঠিত হইয়াছে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    পিডিএফ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    Books

     

    উপরের বাক্যগুলির দিকে আবার লক্ষ্য কর–’পড়িয়াছে’, ‘ডাকিলেন’ এবং ‘লিখিতেছে’–এই তিনটি কথাও পদ। এই পদগুলি কীভাবে গঠিত হইয়াছে, দেখ–

    পড়িয়াছে = পড় (ধাতু) + ইয়াছে (বিভক্তি)।

    ডাকিলেন = ডাক্ (ধাতু) + ইলেন (বিভক্তি)।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কুইজ গেম
    PDF
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বাংলা কবিতা
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স

     

    লিখিতেছে = লিখ (ধাতু) + ইতেছে (বিভক্তি)।

    ধাতুকে (√) চিহ্ন দ্বারা বুঝানো হয়। নিছক শব্দ যেমন বাক্যে স্থান পায় না, ধাতুও তেমনি বাক্যে স্থান পায় না। প্রত্যেকটি ধাতুতে কোনো-না-কোনো কাজ করা বুঝায়। ধাতুর সহিত ধাতুবিভক্তিযোগে যে পদটি পাওয়া যায় তাহাতেও সেই কাজ করা বুঝায়; তাই সেই পদটির নাম ক্রিয়াপদ। ক্রিয়াপদ ছাড়া বাক্যে আর যেসব পদ থাকে তাহাদের সাধারণ নাম নামপদ। তাহাদের কোনোটিতে ব্যক্তির নাম, কোনোঠিতে বস্তুর নাম, কোনোটিতে গুণ বা অবস্থার নাম বুঝায়। উপরের বাক্যগুলিতে বাণী, কবিতাটি, বড়দিমণি, বাণীকে, বীণা, এখনও, বীণার, লেখাটি, চমৎকার–প্রত্যেকটিই নামপদ। এইবার পদ কাহাকে বলে দেখ।–

     

    আরও দেখুন
    বই পড়ুন
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বাংলা বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    সাহিত্য পত্রিকা
    বইয়ের
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ই-বুক রিডার
    পিডিএফ

     

    ৫৮। পদ : শব্দ বা ধাতু বিভক্তিযুক্ত হইয়া বাক্যে স্থানলাভের যোগ্যতা পাইলে বিভক্তিযুক্ত সেই শব্দ বা ধাতুকে পদ বলা হয়। প্রতিটি পদই বাক্যের এক-একটি অঙ্গ।

    পূর্বপৃষ্ঠায় প্রদত্ত প্রথম তিনটি বাক্যের প্রত্যেকটিতে তিনটি করিয়া পদ আছে। (ঘ)-চিহ্নিত বাক্যে হয় ক্রিয়াপদটি উহ্য রহিয়াছে। সুতরাং এই বাক্যে পদের সংখ্যা হইল চার। এখন দেখিলে, পদ প্রধানতঃ দুইপ্রকার–নামপদ ও ক্রিয়াপদ।

    ৫৯। নামপদ ও শব্দের সহিত শব্দবিভক্তিযোগে গঠিত পদকে নামপদ বলে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ই-বই
    বাংলা ভাষা
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বই
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    নতুন উপন্যাস
    সাহিত্য পত্রিকা
    বাংলা বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য

     

    ৬০। ক্রিয়াপদ ও ধাতুর সহিত ধাতুবিভক্তিযোগে যে কাৰ্যবাচক পদের সৃষ্টি হয়, তাহার নাম ক্রিয়াপদ।

    নামপদ আবার চারিটি ভাগে বিভক্ত–বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ ও অব্যয়। অতএব পদ মোট পাঁচপ্রকার–বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, অব্যয় ও ক্রিয়া।

    মনে রাখিও–নামপদের বিভক্তিহীন মূল অংশটি যেমন শব্দ, ক্রিয়াপদের বিভক্তিহীন মূল অংশটি তেমনি ধাতু। যতক্ষণ না শব্দকে শব্দবিভক্তিযোগে নামপদে এবং ধাতুকে ধাতুবিভক্তিযোগে ক্রিয়াপদে পরিণত করিতেছ, ততক্ষণ বাক্যে উহাদের স্থান নাই।

     

    আরও দেখুন
    Library
    বাংলা ই-বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    উপন্যাস সংগ্রহ
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    ই-বুক রিডার
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    অনলাইন বুক
    অনলাইন গ্রন্থাগার

     

    শব্দ অধিকাংশ ক্ষেত্রে একাধিক বর্ণের সুষ্ঠু সংযোগে গঠিত হয়; আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে একটিমাত্র বর্ণেও একটি শব্দ হয়, এবং সেই শব্দটি শূন্যবিভক্তিযোগে পদে পরিণত হইয়া বাক্যে স্থান পায়। (ক) অ ভাই, একবারটি শুনুন না। (খ) “আ মরি বাংলা ভাষা!” (গ) এ গান কোথায় শিখেছ? (ঘ) ঐ যা, তোমার বইখানা আজও আনতে ভুলে গেছি। (ঙ) “ও আমার দেশের মাটি, তোমার পরে ঠেকাই মাথা।”

    এতক্ষণ দেখিলে, শব্দ বা ধাতুকে পদে পরিণত করিতে বিভক্তির একান্ত প্রয়োজন। বিভক্তি কাহাকে বলে, দেখা–

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ভাষা
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা সাহিত্য
    ই-বই ডাউনলোড
    Books
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা কবিতা
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বইয়ের
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই

     

    ৬১। বিভক্তি : যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি শব্দ বা ধাতুর সহিত যুক্ত হইয়া পদ গঠন করে, সেই বর্ণসমষ্টিকে বিভক্তি বলে। যেমন-অ, কে, রে, এর, ইয়াছে, ইলেন, ইতেছে, ই প্রভৃতি। বিভক্তি দুইপ্রকার–শব্দবিভক্তি ও ধাতুবিভক্তি।

    ৬২। শব্দবিভক্তি : যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি শব্দের সহিত যুক্ত হইয়া শব্দটিকে নামপদে পরিণত করিয়া বাক্যে স্থানলাভের যোগ্যতা দেয়, সেই বর্ণ বা বর্ণসমষ্টিকে শব্দবিভক্তি বলা হয়। যেমন–অ, কে, রা, এর, এ, তে, এতে ইত্যাদি। শব্দবিভক্তি নামপদের বচন, সম্বন্ধ ও কারক নির্দেশ করে।

     

    আরও দেখুন
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    বাংলা বই
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    বাংলা কমিকস
    বিনামূল্যে বই
    বইয়ের
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা গানের লিরিক্স বই
    বইয়ের

     

    ৬৩। ধাতুবিভক্তিঃ যে বর্ণ বা বর্ণসমষ্টি ধাতুর সহিত যুক্ত হইয়া কার্যবাচক ক্রিয়াপদের সৃষ্টি করে, সেই বর্ণ বা বর্ণসমষ্টিকে ধাতুবিভক্তি বলা হয়। যেমন–অ, ও, এ, এন, ই, ইল, ইতেছি, ইয়াছেন ইত্যাদি। ধাতুবিভক্তি ক্রিয়াপদের কাল ও পুরুষ নির্দেশ করে।

    এখন, বাক্য কাহাকে বলে, দেখ:

    ৬৪। বাক্য ও যে-সমস্ত সুসজ্জিত পদের দ্বারা মনের কোনো একটি ভাব সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করা যায়, সেই পদসমষ্টিকে বাক্য বলে।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা কমিকস
    অনলাইন বই
    ই-বই ডাউনলোড
    বুক শেল্ফ
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা লাইব্রেরী
    বাংলা কবিতা
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ

     

    সুসজ্জিত কথাটির উপর বিশেষ লক্ষ্য রাখিবে। এলোমেলো শব্দসমষ্টিতে বাক্য হয় না। “নরেন টেবিল গোরু মাঠ”–বাক্য নয়। কিংবা যদি বলি–“দলিলটি কাটিয়াছে মূল্যবান্ পোকায়”–ইহাও বাক্য নয়। বলিতে হইবে—”মূল্যবান দলিলটি পোকায় কাটিয়াছে।”–এইবার বক্তব্য বিষয়টি পরিস্ফুট হইল।

    বাক্যে প্রযুক্ত পদের সংখ্যা যাহাই হউক না কেন, প্রত্যেকটি বাক্যের দুইটি প্রধান অংশ থাকে? (১) উদ্দেশ্য ও (২) বিধেয়।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    পিডিএফ
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বাংলা ইসলামিক বই
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা বই
    PDF
    বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার

     

    “বাঁশি বাজে বনমাঝে কি মনমাঝে!”–কী বাজে?–বাঁশি। অতএব বাক্যটিতে ‘বাঁশি’-কে উদ্দেশ করিয়া কিছু বলা হইতেছে। সেইজন্য “বাঁশি” উদ্দেশ্য। আবার, বাঁশি কী করে?–বাজে বনমাঝে কি মনমাঝে। এই অংশটির। দ্বারা বাঁশির সম্বন্ধে কিছু বলা হইতেছে। অতএব “বাজে বনমাঝে কি মনমাঝে এই অংশটি বিধেয়।

    ৬৫। উদ্দেশ্য : যাহাকে উদ্দেশ করিয়া কিছু বলা হয়, তাহাই বাক্যের উদ্দেশ্য।

    ৬৬। বিধেয় উদ্দেশ্য-সম্বন্ধে যাহাকিছু বলা হয়, তাহাই বাক্যের বিধেয়।

     

    আরও দেখুন
    Library
    সেবা প্রকাশনীর বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    নতুন উপন্যাস
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা গল্প
    বাংলা ভাষা
    বাংলা ই-বই
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স

     

    অতএব দেখিলাম, একাধিক বর্ণের সার্থকসমন্বয়ে যেমন পদের সৃষ্টি, তেমনি একাধিক পদের সুষ্ঠু বিন্যাসে বাক্যের সৃষ্টি।

    এইবার বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ, ক্রিয়া ও অব্যয়–ইহাদের সাধারণ। পরিচয়টুকু আলোচনা করিব।

    বিশেষ্য

     

    আরও দেখুন
    বাংলা কমিকস
    অনলাইন বই
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা গল্প
    PDF
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বইয়ের

     

    ৬৭। বিশেষ্যঃ যে শব্দে কোনো ব্যক্তি, বস্তু, স্থান, জাতি, গুণ, ধর্ম, অবস্থা, কার্য, সমষ্টি ইত্যাদির নাম বুঝায়, তাহাকে বিশেষ্যপদ বলে।

    বিশেষ করিয়া বলা হয় বলিয়াই নামটি বিশেষ্য। আর, একটিমাত্র শব্দের দ্বারা কাহাকেও বিশেষ করিতে হইলে তাহার নামটি বলা ছাড়া উপায় নাই। সুতরাং ‘বিশেষ্য’ কথাটির অর্থ হইতেছে কোনোকিছুর নাম। যেমন–রবীন্দ্রনাথ, কাশী, কাঞ্চী, বেদ, আকাশ, বাতাস, সোনা, পা, ব্রাহ্মণ, হিন্দু, খ্রীষ্টান, বৃক্ষ, ব্যাঘ্র, সভা, পাঠাগার, সোনা, মহত্ত, যৌবন, শৈত্য, গৌরব, আচরণ, শ্রবণ, শুশ্রষা ইত্যাদি। এই নয় শব্দ বিভক্তিযুক্ত হইয়া বাক্যে প্রযুক্ত হইলেই তাহাকে বিশদ বলে। যেমন, “কাব্যজগতে যার নাম আনন্দ, তারই নাম (না।” যার বাহুতে শক্তি নেই, তার হৃদয়ের ভক্তিও নিরর্থক। “আলোর স্রোতে পাল তুলেছে হাজার প্রজাপতি।” বিজ্ঞান মানবসমাজকে দিচ্ছে জীবনীরস, সাহিত্য দিচ্ছে আনন্দরস। “ভারতের উদারতার সীমা আকাশ, তার সহ্যের সীমা সম্ভবতঃ হিমালয়।” “কবির সিংহাসন তৈরী হয় না, নিজের থেকে জন্মায়।” পতিত জমিতে পড়া বীজ বসন্তের হাওয়ায় ফনফনিয়ে বেড়ে ওঠে। “আত্মশক্তির আবিষ্কারই শিক্ষার উদ্দেশ্য।” “ক্রিস্টোফার ঈশারউডের মতে শ্রীরামকৃষ্ণ হচ্ছেন অত্যাশ্চর্য একটি ঘটনা (Phenomenon)।”

    সর্বনাম

    যশোদা বেশ শান্ত মেয়ে। যশোদা প্রতিদিন মন দিয়া যশোদার পড়াশুনা। করে। এইজন্য যশোদার শিক্ষিকাগণ যশোদাকে খুবই ভালোবাসেন।–এই বাৰ্যগুলিতে বারবার যশোদা বলায় আদৌ শুনিতে ভালো লাগিতেছে না। কিন্তু যদি বলি, “যশোদা বেশ শান্ত মেয়ে। সে প্রতিদিন মন দিয়া তাহার পড়াশুনা করে। এইজন্য তাহার শিক্ষিকাগণ তাহাকে খুবই ভালোবাসেন।” তাহা হইলে শুনিতে ভালোই লাগিবে। যশোদা’ বিশেষ্যপদটি প্রথমে একবার উল্লেখ করিয়া। যশোদা’ পদটির পরিবর্তে সে, যশোর সদাটর পরিবর্তে তাহার এবং ‘যশোদাকে’ পদটির পরিবর্তে তাহাকে ব্যবহার করা হইয়াছে। এই সে, তাহার, তাহাকে–এক-এটি সর্বনামপদ।

    ৬৮। সর্বনাম : পুর্বে উল্লিখিত কোনো বিশেষ্যপদের পুনরুল্লেখ না করিয়া তাহার পরিবর্তে যে পদ ব্যবহার করা হয়, তাহাকে সর্বনামপদ বলে। যেমন–আমি, তুমি, তাহারা, উনি, যাহা, যিনি, কে, কাহারা, সে, নিজ, আপনি, উভয়, সকল ইত্যাদি। সকলরকম বিশেষ্যপদের পরিবর্তে এইসকল পদ ব্যবহৃত হয় বলিয়াই ইহাদের নাম সর্বনামপদ। যেমন—”যাহারা তোমার বিষাইছে বায়ু নিভাইছে তব আলো, তুমি কি তাদের ক্ষমা করিয়াছ, তুমি কি বেসেছ ভালো?”

    বিশেষণ

    বিনয়ী ছাত্রকে সব শিক্ষকই ভালোবাসেন। দুনিয়ায় পয়সাওয়ালা লোকেরই। সম্মান বেশী। “সাত ভাই চম্পা, জাগো রে।” মধ্যম পাণ্ডব অভিমন্যুর পশ্চাতেই ছিলেন। “সুরনদীর কুল ডুবেছে সুধানিঝর-ঝরা।”

    ‘বিনয়ী’ পদটি ‘ছাত্রকে’ পদের পূর্বে বসিয়া ছাত্রটির গুণ প্রকাশ করিতেছে। ‘পয়সাওয়ালা’ পদটি লোকটির অবস্থা দেখাইয়া দিতেছে। বেশী’ পদটি সম্মানের পরিমাণ প্রকাশ করিতেছে। সাত’ পদটি ভাই-এর সংখ্যা জানাইয়া দিতেছে। ‘মধ্যম’ পদটি পাণ্ডবের ক্ৰম বুঝাইয়া দিতেছে। সুধানিঝর-ঝরা’ পদটি সুরনদীর গুণ প্রকাশ করিতেছে। এইজন্য বিনয়ী, পয়সাওয়ালা, বেশী, সাত, মধ্যম, সুধানিঝর-ঝরা এক-একটি বিশেষণপদ।

    ৬৯। বিশেষণ : যে পদ বিশেষ্যের গুণ, ধর্ম, অবস্থা, পরিমাণ, সংখ্যা ইত্যাদি জানাইয়া দেয়, সেই পদকেবিশেষণপদ বলে। বিশেষণপদ যে পদটিকে বিশেষিত করে সাধারণতঃ তাহার পূর্বেই বসিয়া থাকে।

    ক্রিয়াপদ

    “ঝুরু ঝুরু পাতাগুলি কাঁপছে সমীরে।” “ডিঙাখানি বেঁধে কূলে জেলে ঘরে যায়।” “বন্ধ নাশিবে, তারাও আসিবে, দাঁড়াবে ঘিরে।” “দেখিতে দেখিতে নেত্র হইল নিশ্চল।” “ঘুম ভেঙেছে, আর কি ঘুমাই।”–এখানে কাপিছে, যায়’, ‘নাশিবে’, ‘আসিবে’, ‘দাঁড়াবে’, হইল’, ‘ভেঙেছে’, ‘ঘুমাই’ দ্বারা কোনো-না কোনো কাজ করা বুঝাইতেছে। ইহাদিগকে ক্রিয়াপদ বলে।

    ৭০। ক্রিয়া : বাক্যের অন্তর্গত যে পদের দ্বারা বিশেষ্যের যাওয়া, আসা, করা, থাকা, খাওয়া ইত্যাদি কোনো কাজ করা বুঝায় সেই পদকে ক্রিয়াপদ বলে।

    ক্রিয়ার মূল হইতেছে ধাতু। ধাতুর সহিত ধাতুবিভক্তিযোগে ক্রিয়াপদ গঠিত হয়। ক্রিয়াপদে মূল ধাতুর অর্থটি অটুট থাকে। লক্ষ্য কর, উপরের ক্রিয়াপদগুলির দ্বারা কোনো কাজ শেষ হওয়া বুঝাইতেছে। এই ধরনের ক্রিয়াকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে।

    ৭১। সমাপিকা ক্রিয়া : যে ক্রিয়াতে বাক্য শেষ হইয়া যায়, আর বলিবার বা শুনিবার কিছু থাকে না, তাহাকে সমাপিকা ক্রিয়া বলে।

    সমাপিকা ক্রিয়া বাক্যের অতি প্রয়োজনীয় অঙ্গ। ইহা বাক্যের বিধেয় অংশের মূল। ইহা ব্যতীত বাক্যরচনা অসম্ভব।

    সমাপিকা ক্রিয়া সাধারণতঃ বাক্যের শেষে বসে। কিন্তু কবিতায় ছন্দোমাধুর্য রক্ষা করিবার জন্য সমাপিকা ক্রিয়াকে সুবিধামতো যেকোনো স্থানে বসানো হয়। আবার গদ্য রচনাতেও বিশেষ জোর দিয়া বলিবার সময় কিংবা বাক্যটিকে সুমিষ্ট করিবার জন্য সমাপিকা ক্রিয়াটিকে অন্যত্র বসানো হয়।

    কবিতায় : “পোয় রজনী, জাগিছে জননী বিপুল নীড়ে।” “এসো ব্রাহ্মণ, শুচি করি মন।” “ঘুমিয়ে গেছে শান্ত হয়ে আমার গানের বুলবুলি।” “পড়িছে গভীর শ্বাস গানের বিরামে।” “বুকে আছে আঁকা বৈশাখী ঝঞ্ঝায় কার কবে হায় ভেঙ্গেছিল শাখা।” “দেখেছি নিজের জ্ঞাতি দুর্যোগের মায়ার আড়ালে।” ঝঙ্কারিল মুহুর্মুহুঃ বকুলগন্ধে পাগল-করা নিদহারা এক পিক। “আলোর ঢেউয়ে উঠল নেচে মল্লিকামালতী।”

    গদ্য-রচনায় ও “আমাদের বাসার নিকটে ছিল একটি মুদিখানা।” “তার পাশে থাকত দুটি মেয়ে।” “বৃদ্ধ পড়ছিল রামচন্দ্রের সেই সেতুবন্ধনের কথা।” “লর্ড লিটনের সময় লিখিয়াছিলাম পদ্যে।” “খ্রীষ্টপূর্ব ১৫০০ অব্দেও সুদূর পশ্চিমে…

    ক্রীট দ্বীপের সঙ্গে চলত বাংলার বাণিজ্যিক সম্পর্ক।”–অধ্যাপক লর্ড বেশাম। “বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে শরৎচন্দ্রের ভিতর ঘটিয়াছে যুগসন্ধি।”–শশিভূষণ। খ্রীষ্টের জন্মের উনিশ বছর আগে শেষ হয়েছিল ভার্জিলের এনিড মহাকাব্য।

    মাঝে মাঝে সমাপিকা ক্রিয়া ঊহ্য রাখিয়াও বাক্যরচনা করা যায়।–”তথাপি দেশে ফিরিবার নামে তাহার বড়োই আনন্দ।” নেতাজী ভারতগৌরব। “শাস্ত্রমতে : যেটা সর্বাপেক্ষা অখাদ্য সেইটাতে তার বিশেষ পরিতৃপ্তি।” আকাশ যে এখনও মেঘাচ্ছন্ন। এই বাক্যগুলিতে যথাক্রমে হইল’, ‘হন’, ‘ছিল এত রহিয়াছে। সমাপিকা ক্রিয়াপদগুলি উহ্য আছে।

    সমাপিকা ক্রিয়া ছাড়া আর এক ধরনের ক্রিয়া আছে, যাহার দ্বারা বাক্য শেষ হয় না। এই শ্রেণীর ক্রিয়াকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে।

    ৭২। অসমাপিকা ক্রিয়া : যে ক্রিয়া বাক্য শেষ করিতে পারে না, আরও কিছু শুনিবার বা বলিবার আকাঙ্ক্ষা থাকিয়া যায়, সেই ক্রিয়াকে অসমাপিকা ক্রিয়া বলে। “রামকানাই কাগজ-কলম লইয়া প্রস্তুত হইলেন।” “দেশলাই তৈরি করিতে হইবে, তাহার কাঠি পাওয়া শক্ত।” মন দিয়া পড়াশুনা করিলে ভালো ফল পাইবে। “উঠিতে বসিতে করি বাপান্ত, শুনেও শোনে না কানে।” “বিশ্বভুবন আঁধার করে তোর রূপে মা সব ভূবালি।” “বার বার তার ললাট চুমিয়া জুড়ায়ে দিলেন ক্ষত।” “আর কোনো রাজা সিংহাসনে চড়িয়া বসিয়া রাজত্বের পেখম সমস্তটা ছড়াইয়া দিয়া এমন অপূর্ব নৃত্য করে নাই।” গোলাপ দেখে মনটা আমার গুনগুনিয়ে ওঠে। “সোনালী মেঘ কাজল হয়ে ঘিরল অবনীরে।”

    অসমাপিকা ক্রিয়া চিনিবার সহজ উপায়–এই ক্রিয়ার শেষে সাধু ভাষায় -ইয়া, -ইলে, -ইতে বিভক্তি এবং চলিতে -এ, -লে, -তে বিভক্তি যুক্ত থাকে। মনে রাখিও, অসমাপিকা ক্রিয়া কোনোদিনই উহ্য থাকে না।

    আমরা এতক্ষণ বিশেষ্য, সর্বনাম, বিশেষণ ও ক্রিয়া এই চারিকার পদের আলোচনা করিলাম। ইহাদিগকে সব্যয়পদ বলে। কেননা লিঙ্গ, বচন, পুরুষ, কারক ইত্যাদি ভেদে স্থলবিশেষেইহাদের রূপান্তর ঘটে। রাম’ এই বিশেষ্যপদটি রামেরা, রামকে, রামেদের ইত্যাদি রূপে পরিবর্তিত হয়। তুমি’ সর্বনামপদটিও তেমনি তোমরা, তোমাকে, তোমাদের ইত্যাদি বিভিন্ন রূপ গ্রহণ করে। ‘করি’ ক্রিয়াপদটি ওইভাবে করিবে, করিলাম, করুন, করতিস, করিয়াছিলেন ইত্যাদি রূপে পরিবর্তিত হয়। ধনবান্ বিশেষণটি ধনবতী রূপ লাভ করে। ব্যয় বা পরিবর্তন আছে বলিয়াই এই-সকল পদ সব্যয়।

    ৭৩। সব্যয়পদ? লিঙ্গ বচন পুরুষ ও বিভক্তিভেদে বিশেষ্য সর্বনাম ক্রিয়া ও বিশেষণপদের রূপান্তর ঘটে বলিয়া এই পদগুলিকে সব্যয়পদ বলে।

    অব্যয়

    কিন্তু বাংলা ভাষায় অথচ, এবং, বরং, তথাপি, মরি মরি, যেহেতু, গমগম, ছলছল, কেন, স্বয়ং ইত্যাদি এমন এক ধরনের পদ আছে, কোনো অবস্থাতেই যাহাদের কোনো পরিবর্তন হয় না। এই শ্রেণীর পদকে অব্যয় বলে। তোমরা কি কখনও অথচরা, এবংদের, তথাপিকে, যেহেতুগণ ইত্যাদি শুনিয়াছ, না বলিয়াছ?

    ৭৪। অব্যয় সকল লিঙ্গ বচন পুরুষ ও বিভক্তিতে যে পদ একই রূপে থাকে, কোনো অবস্থাতেই যাহার কোনোরূপ পরিবর্তন হয় না, তাহার নাম অব্যয়।

    কয়েকটি অব্যয়ের উদাহরণ দেখ–“শত ধিক্ তোরে, রে লক্ষ্মণ, ক্ষত্ৰকুলগ্নানি।” “শ্রীকৃষ্ণ বলশালী, সুতরাং ক্রোধশূন্য এবং ক্ষমাশীল।” “আমি কহিলাম, আরে রাম রাম, নিবারণ সাথে যাবে। আপনি তো বলেই খালাস, কিন্তু ঠেলা সামলাবে কে? “অপিচ দুঃখের সম্মুখে আসিবামাত্র তাহার ব্যক্তিত্ব একেবারে অভিভূত হইয়া যাইত।” “হাসে কাঁদে সদাই ভোলা জানে না সে আমা বই।” ভগবান্ কি তপস্যার জিনিস, না ভালোবাসার?

    অনুশীলনী

    ১। সংজ্ঞার্থ বল : শব্দ, পদ, শব্দবিভক্তি, ধাতুবিভক্তি, বাক্য, উদ্দেশ্য, বিধেয়, অব্যয়, সব্যয়পদ।

    ২। শব্দ ও ধাতু কী করিয়া পদে পরিণত হয়? উদাহরণদ্বারা বুঝাইয়া দাও।

    ৩। বাক্যের সহিত পদের সম্পর্ক কী? পদ কয় প্রকার? প্রত্যেক প্রকার পদের একটি করিয়া উদাহরণ দাও।

    ৪। নামপদ কয়টি ভাগে বিভক্ত? পাঠ-সংকলনের অদ্যকার পাঠ হইতে প্রত্যেক প্রকার নামপদের যতগুলি পার উদাহরণ সংগ্রহ কর।

    ৫। ক্রিয়াপদ কাহাকে বলে? ক্রিয়াপদ কী প্রকারে গঠিত হয়? পাঠ-সংকলনের অদ্যকার পাঠ হইতে ক্রিয়াপদগুলি সংগ্রহ কর। উহাদের মধ্যে কোন্‌গুলি সমাপিকা ও কোন্‌গুলি অসমাপিকা নির্দেশ কর।

    ৬। ‘বেশ’ শব্দটিকে বিশেষ্য, বিশেষণ, ক্রিয়া-বিশেষণ ও অব্যয়-রূপে স্বরচিত বাক্যে প্রয়োগ কর।

    ৭। বন্ধনীমধ্য হইতে উপযুক্ত অংশটি বাছিয়া লইয়া শুনাস্থান পূর্ণ কর :

    (i) ….. ক্রিয়াপদ বাক্যে উহ্য থাকিতে পারে। [ সমাপিকা / অসমাপিকা ]

    (ii) ধাতুর সঙ্গে ….. যোগ করিয়া ক্রিয়াপদ পাই। [ শব্দবিভক্তি ধাতুবিভক্তি )

    (iii) শব্দের সঙ্গে শব্দবিভক্তি যোগ করিয়া … পাই। [ ক্রিয়াপদ / নামপদ ]

    ৮। নীচে পাঁচটি করিয়া শব্দ, শব্দবিভক্তি, ধাতু ও ধাতুবিভক্তি ছড়ানো রহিয়াছে। শব্দবিভক্তিযোগে শব্দগুলিকে নামপদ ও ধাতুবিভক্তিযোগে ধাতুগুলিকে ক্রিয়াপদে পরিণত করিয়া প্রত্যেকটি পদ দিয়া এক-একটি বাক্যরচনা করঃ ইতেছিল, এরা, খে, রে, খা, দের, এ, ইলাম, লোক, শুন, রুমা, তুমি, ইবে, পড়, উক, আমি, ইলে, কর, কে, বালক।

    ৯। নিম্নলিখিত বাক্যগুলির অন্তর্গত প্রতিটি পদের শ্রেণীনির্দেশ কর।

    ‘সুদূর প্রাচ্যের শ্যামল ক্ষেত্রে পড়িয়াছিল পশ্চিমের সোনালী আলো।”–শশিভূষণ। বিপ্লবের মূলে থাকবে বলিষ্ঠ দেশপ্রেম, কোনো রাজনীতিক ইজ নয়। ব্যক্তিত্ব জিনিসটি যে কী, তা সুধাংশুবাবুর সান্নিধ্যে এলেই বোঝা যেত। “সেই বাগবাজার থেকে থেকে-থেকেই ছুটে আসে পাগলের মতো।” “ওমা, এ কী! এ তুই কী হয়েছিস?” “তোমার হাতের মোহনবাঁশি বাজল ভূবনময়।” “বেদের প্রত্যেকটি শব্দ পবিত্র।” পালিশ-করা সভ্যতায় প্রাণ ভরে না, কেবল চোখ ধাঁধিয়ে যায়। চন্দন ঘষতে ঘষতে তার দারুত্ব লোপ পায়, কিন্তু তার সৌরভ চারুত্বমণ্ডিত হয়ে ওঠে। কমেডির হাস্য এবং ট্রাজেডির অশ্রুজল দুঃখের তারতম্যের উপর নির্ভর করে। “এক ঘরে মানুষের মেলা, অন্য ঘরে থাকুক ঈশ্বর।” চিনতে পেরেই উৎফুল্ল হাসি ছড়িয়ে দিলেন তিনি আমার ক্লান্ত চোখেমুখে। সিলেবাস-মাফিক শিক্ষাদানটুকুই সাহিত্যশিক্ষকের কর্তব্য নয়, সাহিত্যের উদার অঙ্গনে প্রবেশের সবুজপত্র ছাত্রের হাতে তুলে দিতে হবে। “সকল কার্যেই ভ্রমপ্রমাদ আমাদের একমাত্র শিক্ষক।” “আত্মবোধ জাগিলেই মানুষ হিংসা ভুলিয়া যায়। বন্ধুর সঙ্গে প্রয়োজন হলে আমাদের বন্ধুর পথেও চলতে হবে। কান্না যদি অকৃত্রিম হয়, তাহলে তা নিরালার সম্প। “মৈত্রেয়ীকে নিয়ে বনে যাওয়া চলে, কিন্তু কাত্যায়নীকে ছেড়ে ঘরকন্না চলে না।” “পাথরের চাপ চারিদিকে পড়ে বলিয়াই উৎস ঊর্ধ্বগামী।” “শান্তিনিকেতনের প্রকৃতি রবীন্দ্রকাব্যের টীকাকার আর স্বয়ং বিশ্বপ্রকৃতি বুধীন্দ্রকাব্যের মল্লিনাথ।” “উন্নততম সভ্যতায় সর্বোত্তম আনন্দ হচ্ছে গ্রন্থ।”-ইমার্সন। “বুকের ব্যথায় আসন পাতা, বস মা সেথা দুখদুলালী।” “জীবনে মহতের আর বৃহতের শেষ সীমাই ঈশ্বর।” ধর্মের উদ্দেশ্য চিত্তে আধ্যাত্মিক চেতনা জাগ্ৰৎ করা, পারস্পরিক ঘৃণা জাগানো নয়। আত্মচেতন মানুষই আত্মনির্ভর হয়। “সহজ কথা যায় না বলা সহজে।”সমস্ত বিজ্ঞানের সর্বশ্রেষ্ঠ বিজ্ঞান ঈশ্বর। “যথার্থ ভদ্রতার স্বভাবই হচ্ছে অপ্রগভ।” রসালো শাঁস ভিতরে থাকে, বাইরে যেটা দেখি সেটা ছোবড়া। সহনশীলতাই সহজসাধন। কবিরা সমকালের প্রেক্ষাপটে চিরকালের ছবি আঁকেন। বিত্তবানেরা কঠোর জীবনযাপনে অভ্যস্ত হলে দরিদ্ররাও দুঃখকষ্ট সহ্য করার মানসিকতা পাবে। স্বাধীনতার অর্থ হচ্ছে পরের জন্য ত্যাগস্বীকার ও অধিক পরিশ্রমের অঙ্গীকার। পরকে সুখী করিবার চেষ্টাতেই মানুষের নিজের সুখ নিহিত। “সত্যের চেয়েও হিতকথাই বেশী বলবে।” “যেখানে সংযম সেখানেই শক্তি, আর যেখানে শক্তি সেখানেই শাস্তি।” “বাণে ক্রুসে বা ক্যানসারে কোনো প্রভেদ নেই।” “মর্ত-তনুদ্বারাই দিব্যগতি লাভ করা যায়।” উৎসবের আরেক নাম সংযম। “শুদ্ধান্ন থেকেই সত্ত্বশুদ্ধি, সত্ত্বশুদ্ধিতেই ধ্রুবস্মৃতি।”–উপনিষৎ। “তুমি মরণ ভুলে কোন্ অনন্ত প্রাণসাগরে আনন্দে ভাস।” মনুষ্যত্বের চেয়ে মনস্বিতা বড়ো। ইওরোপে জীবনের মূল্য যত, প্রাণের মূল্য তত নয়।” সহ্য করে যাওয়াই তো সাধন করে যাওয়া। যে বাক্যদ্বারা জীবের সমধিক মঙ্গল সাধিত হয় তাহাই। সত্যবাক্য। “যেটিতে তোমার রতি সেটিতেই ভগবানের আরতি।” “তোমার উতলা উত্তরীয় তুমি আকাশে উড়ায়ে দিও।”

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleড্রাকুলা – ব্রাম স্টোকার
    Next Article মহাভারত – বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }