Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উচ্চতর বাংলা ব্যাকরণ – বামনদেব চক্রবর্তী

    বামনদেব চক্রবর্তী এক পাতা গল্প986 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    ৩.০৫ বচন

    পঞ্চম পরিচ্ছেদ – বচন

    ৮০। বচন : যাহার দ্বারা ব্যক্তি, বস্তু, গুণ ইত্যাদির সংখ্যা বুঝায় তাহাকে বচন বলে।

    ইংরেজীর মতো বাংলায় বচন দুটি—একবচন ও বহুবচন। সংস্কৃতের দ্বিবচন বাংলায় নাই।

    ৮১। একবচন : একটি বস্তু বা একজনকে বুঝাইলে একবচন হয়। মেয়েটি কাঁদিতেছে। বইখানা খাসা লিখেছ। চোরটাকে আচ্ছা ধোলাই দিল।

    ৮২। বহুবচন : একটির বেশী বস্তু বা ব্যক্তিকে বুঝাইলে বহুবচন হয়। মেয়েদের ডাকো। বইগুলো তুলতে পার না? “আমার সুরগুলি পায় চরণ, আমি পাই নে তোমারে।”

    বচন-সম্বন্ধে আলোচনার পূর্বে পদাশ্রিত নির্দেশক-সম্বন্ধে কিছু বলা প্রয়োজন।

    ৮৩। পদাশ্রিত নির্দেশক : যে কয়েকটি শব্দ বা শব্দাংশ বিশেষ্যের উত্তর বা বিশেষ্যের পূর্বে ব্যবহৃত সংখ্যাবাচক বা পরিমাণবাচক বিশেষণের উত্তর প্রযুক্ত হইয়া সেই বিশেষ্য বা বিশেষণ শব্দগুলির আকার প্রকার সংখ্যা পরিমাণ ইত্যাদি বিশেষভাবে নির্দেশ করে, তাহাদিগকে পদাশ্রিত নির্দেশক বলা হয়। টি, টা, টু, টুক, টুকু, টুকুন, টুকুনি, খান, খানা, খানি, গাছ, গাছা, গাছি, গুলি, গুলা, গুলো ইত্যাদি বাংলা নির্দেশক। এই নির্দেশকগুলি প্রত্যয়ের মতোই শব্দের সঙ্গে অঙ্গাঙ্গিভাবে মিশিয়া যায়। এই নির্দেশকগুলি বাংলা ভাষার বিশেষ সম্পদ। সংস্কৃত, ইংরেজী বা হিন্দীতে অনুরূপ প্রয়োগ একেবারে অনুপস্থিত।

    অপ্রাণিবাচক ও প্রাণিবাচক দুইপ্রকার শব্দেই টি, টা যুক্ত হয়। টি আদর ও ক্ষুদ্রার্থে, টা অনাদর ও ব্যাপকার্থে ব্যবহৃত হয়। আমাদের ছেলেটি খায় যেন এতটি, ওদের ছেলেটা খায় যেন এতটা। “তরুশাখা হতে লতাগুলি বাড়ায়ে পেলব বাহু শুধাইত পথটি আগুলি পুষ্পিত কুশলবাণী।” “প্রতিটি কুটির ছিল মোর পরিচিত।” “মিঠার লোভে তিত মুখে সারাদিনটা গেল।”

    বিশেষণ শব্দে টি টা যুক্ত হইলে বিশেষণটি বিশ্লেষ্য হইয়া যায়। আমরা কেবল ভালোটি চাই, মন্দটা এড়িয়ে যেতে চাই। এতটা না হলেও চলত। সামনের বইটায় হাত দিও না, পাশেরটা সাবধানে তুলে নাও। বই দুটো গেল কোথায়? বাতাবি তিনটে কেটে ফেল। চারটে বেজে গেল যে!—শৈষ তিনটি-উদাহরণে টা “টো” বা “টে” হইয়াছে; “টি”-এর এরূপ ধ্বনিপরিবর্তন হয় না।

     

    আরও দেখুন
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা ফন্ট প্যাকেজ
    বাংলা কুইজ গেম
    ই-বুক রিডার
    গ্রন্থাগার
    Library

     

    সম্বন্ধপদের পরবর্তী বিশেষ্যপদটি যখন লুপ্ত হয় তখন সম্বন্ধপদটিতেই টি টা প্রভৃতি নির্দেশক যুক্ত হয়। তোমাদের ছেলেরা তো সবাই রয়েছে দেখছি, আমাদেরটা গেল কোথা?

    আজকাল সমাপিকা ক্রিয়াতেও টা যোগ হইতেছে। এতসব করে হবেটা কী? এখানে ফালতু বসে না থেকে যাবটা কোথায়?

    টুক টুকু টুকুন টুকুনি—নির্দিষ্ট আকার নাই এমন ক্ষুদ্র বা অল্পপরিমাণ জিনিস বুঝাইতে এই নির্দেশকগুলি প্রযুক্ত হয়। লক্ষ্মী সোনা, দুধটুকু খেয়ে নাও। “বাঁধনটুকু কেটে দেবার তরে।” মরণোন্মুখ রোগীর প্রতি কি আপনাদের এতটুকুন মায়াও জাগে না? এইটুকুনি ছেলে বটে বুকের পাটা কত!

    খান খানা সাধারণতঃ ভারী ও চওড়া জিনিস বুঝাইতে বা অবজ্ঞার্থে, আর খানি ক্ষুদ্র জিনিস বুঝাইতে বা আদরার্থে ব্যবহৃত হয়। “তিনখানা দিলে একখানা রাখে।” “আমার এই দেহখানি তুলে ধরো তোমার ওই দেবালয়ের প্রদীপ করো।” “খাঁচাখানা দুলছে মৃদু হাওয়ায়।” মুখখানি ভার করে সে চলে গেল। “চলেছে পথখানি কোথায় নাহি জানি।” “চুমাটি খাইতে মু’খানি গেল যে নড়ে।”

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    Books
    সাহিত্য পর্যালোচনা
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা কমিকস
    বইয়ের
    বাংলা বই
    বাংলা লাইব্রেরী

     

    গাছ গাছা লম্বা সরু জিনিস বুঝাইতে আর গাছি আদরার্থে ব্যবহৃত হয়। আখগাছা ছেলেমেয়েদের মধ্যে ভাগ করে দাও। “সপ্তদশ বসন্তের একগাছি মালা।” “চিনিল না মোরে, নিয়ে গেল ধরে কাঁধে তুলি লাঠিগাছ।”

    নির্দেশকযুক্ত সংখ্যাবাচক বিশেষণ যখন বিশেষ্যের পূর্বে বসে তখন তাহাতে বিশেষ্যের সংখ্যা নির্দেশ করে বটে, কিন্তু বিশেষ্যটিকে নির্দেশ করে না। কিন্তু ওই বিশেষণটি যখন বিশেষ্যের পরে বসে, তখন সংখ্যাও বুঝায় আবার পূর্বনির্দিষ্টতাও বুঝায়। তিনখানা থালা আন (যেকোনো তিনখানা, কম নয়, বেশীও নয়)। থালা তিনখানা ধুয়ে আন (পূর্বনির্দিষ্ট তিনখানা থালা)। দুটো ছেলে সঙ্গে নিলেই চলবে (অনির্দিষ্ট)। ছেলেদুটো গেল কোথা (পূর্বনির্দিষ্ট দুইটি ছেলে)?

    নির্দেশক প্রত্যয়ের মতো অনির্দেশক প্রত্যয়ও রহিয়াছে। “এক” হইল সেই একমাত্র অনির্দেশক প্রত্যয়। সাধারণতঃ সংখ্যাবাচক বা পরিমাণবাচক শব্দের উত্তর ইহা যুক্ত হয়। গরম গরম লুচি খানআষ্টেক (আষ্টেক = ঠিক আটখানা নয়, কিছু কমবেশী) আনতে বলুন। জনাদুয়েক মজুর হলেই চলবে। পোয়াটাক দুধের ছানা কাটাও। ঘণ্টাখানেক অপেক্ষা করিস। আমায় দিনপাঁচেকের ছুটি দিন।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা অডিওবুক
    গ্রন্থাগার সেবা
    বাংলা সংস্কৃতি বিষয়ক কর্মশালা
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার
    বই পড়ুন
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বিনামূল্যে বই

     

    এইবার বচনভেদে রূপভেদের আলোচনা। বাংলায় বচনভেদে বিশেষ্য ও সর্বনামের রূপভেদ হয়, বিশেষণ ও ক্রিয়াপদের সাধারণতঃ হয় না। অব্যয়ের রূপভেদের তো প্রশ্নই উঠে না। তবে বিশেষণপদ যখন বিশেষ্যপদের মতো ব্যবহৃত হয় তখন উহার বচন হয়।

    বয়োজ্যেষ্ঠকে (একবচন) সম্মান দেখাবে। ছোটোদের (বহুবচন) জায়গা সামনে, বড়োদের (বচন) পিছনে। “কচিকাঁচাগুলি (বহুবচন) ডাঁটো করে তুলি।

    এত ছেলে ফেল করেছে? কত টাকা তুমি চাও? অনেক লোক একসঙ্গে দেখলে বক্তার উদ্দীপনা হয়। তত দিন অপেক্ষা করা চলবে না।—এখানে আয়তাকার বিশেষণপদগুলি স্বভাবতঃই বহুবচন প্রকাশ করিতেছে।

    আবার, ছেলেকে মানুষ করতে গিয়ে অনেকগুলো টাকা জলে দিয়েছি। সবগুলো মাছই কুটে ফেলেছ?—এখানে বহুবচনাত্মক বিশেষণপদে পদাশ্রিত নির্দেশক ‘গুলো’ যুক্ত হইয়াছে।

     

    আরও দেখুন
    পিডিএফ
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বই
    বইয়ের
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ই-বই
    বাংলা সাহিত্য কোর্স
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা গল্প

     

    সমাপিকা ক্রিয়া একবচনেও যেমন বহুবচনেও তেমন। কামনার জালে নিজেকে আষ্টেপৃষ্ঠে বেঁধেছি (একবচন)। “আমরা বেঁধেছি কাশের গুচ্ছ” (বহুবচন) কিন্তু অসমাপিকা ক্রিয়া? পৌনঃপুন্য বুঝাইতে অসমাপিকা ক্রিয়ার দ্বিত্ব হয়।—সোনামণি কাঁদিয়া কাঁদিয়া ঘুমাইয়া পড়িল। মরিতে মরিতে বাঁচিয়া গিয়াছি। তাকে বলে বলে যে হয়রান হয়ে গেলে!

    একবচন

    বাংলায় একবচনের জন্য বিশেষ কোনো প্রত্যয় বা বিভক্তি নাই; মূল শব্দের রূপটিতেই একবচন বুঝায়। শব্দটিকে অবিকৃত রাখিয়া, শব্দটির পূর্বে এক, একটি, একটা, একখানি, একখানা ইত্যাদি বিশেষণ বসাইয়া, অথবা শব্দটির সঙ্গে একবচনের শব্দবিভক্তি বা টি, টা, খানি, খানা, গাছি, গাছা প্রভৃতি নির্দেশক বসাইয়া একবচন বুঝানো হয়। টি, খানি, গাছি আদরার্থে, আর টা, খানা, গাছা অনাদরে যুক্ত হয়।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ভাষা
    বই পড়ুন
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    Library
    বাংলা উপন্যাস
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    ই-বই ডাউনলোড

     

    মৌমাছি সারাদিন পরিশ্রম করে। “এক পয়সায় কিনেছে সে তালপাতার এক বাঁশি।” হারছড়াটির গড়ন বড়ো চমৎকার। মেয়েটি বেশ লজ্জাশীলা। “সারাদিন একখানি জলভরা কালো মেঘ রহিয়াছে ঢাকিয়া আকাশ।” “ফুলের মালাগাছি বিকাতে আসিয়াছি, পরখ করে সবে, করে না স্নেহ।” “বিভেদ ভুলিল, জাগায়ে তুলিল একটি বিরাট হিয়া।” “একজাতি একপ্রাণ একতা।” “ধবলীরে আনো গোহালে।” “এখনি আঁধার হবে বেলাটুকু পোহালে।” “বসন্তেরে পরাস আকুলকরা আপন গলার বকুলমাল্যগাছা।”

    বহুবচন

    শব্দকে বহুবচনের রূপ দিবার জন্য কয়েকটি উপায় অবলম্বন করা হয়।—(১) প্রাণিবাচক শব্দে রা এরা দিগ প্রভৃতি বহুবচনের বিভক্তিচিহ্ন যোগ করিয়া : “ভেদি মরুপথ গিরিপর্বত যারা এসেছিল সবে তারা মোর মাঝে সবাই বিরাজে।” ভালো কথা, তোমরা আসছ কখন? ছেলেমেয়েদের খাওয়া হয়েছে? “বন্দীরা ধরে সন্ধ্যার তান।” “মেঘেরা দল বেঁধে যায় কোন্ দেশে?” [ অপ্রাণিবাচক ‘মেঘ’-এ প্রাণসত্তা আরোপিত হইয়াছে। ]

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ইসলামিক বই
    বাংলা লাইব্রেরী
    গ্রন্থাগার
    বাংলা উপন্যাস
    সাহিত্য পত্রিকা
    সেবা প্রকাশনী বই
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    পিডিএফ
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    গ্রন্থাগার সেবা

     

    (২) বিশেষ্য বা সর্বনামের পূর্বে বহু বিস্তর অজস্র অসংখ্য কত যত এত প্রভৃতি বহুবচনাত্মক বিশেষণ, দুই তিন পাঁচ প্রভৃতি সংখ্যাবাচক বিশেষণ, সব সকল অনেক প্রভৃতি সর্বনামীয় বিশেষণ বসাইয়া : এ বৎসর অজস্র আম ফলেছে। “এত কথা আছে, এত গান আছে, এত প্রাণ আছে মোর!” এমন কত আমি সেই পরম ‘আমি’-তে বিলীন হয়ে গেছে। তিন দিনে পাঁচশ টাকা খরচ! “কর্মধারা ধায় অজস্র সহস্রবিধ চরিতার্থতায়।” “আজ আসিয়াছে অনেক যন্ত্রী শুনাতে গান অনেক যন্ত্র আনি।” “এবার সকল অঙ্গ ছেয়ে পরাও রণসজ্জা।” “সব বেটাকেই চিনি।” “দূরে দূরে গ্রাম দশবারোখানি, মাঝে একখানি হাট।” “শারদ নিশির স্বচ্ছ তিমিরে তারা অগণ্য জ্বলে।” “ক’বিঘা চোতেলি করেছিস এই সন?” “মার খেয়েছে বিস্তর, জাম খেয়েছে আরো অনেক বেশি।”

    (৩) প্রাণিবাচক ও অপ্রাণিবাচক শব্দে “গুলি” “গুলা” “গুলো”—এই বহুবচনাত্মক নির্দেশকযোগে : “নন্দী স্বয়ং আসিয়া কামানের গোলাগুলি লুফিয়া লইয়া গিয়াছে। কৈলাসে গণপতি ও কার্তিকেয় ভাঁটা খেলিবেন।” “নোটন নোটন পায়রাগুলি ঝোটন বেঁধেছে।” ফেলে-আসা দিনগুলি মোর সোনার হরিণ, দেয় না ধরা কভু। বাছুরগুলোর দিকে একটু নজর রেখো। তোমাকে কাল যে কয়েক-শ টাকা দিলাম, সেগুলো রেখেছ কোথা?—লক্ষ্য কর, বহুবচনাত্মক নির্দেশকগুলি সংশ্লিষ্ট পদের পূর্বে বসে না। প্রয়োজন হইলে ইহাদের উত্তরও আবার শব্দবিভক্তি যুক্ত হয়। বইগুলোর কী অবস্থা করেছ! (সম্বন্ধপদের র বিভক্তি যুক্ত হইয়াছে

     

    আরও দেখুন
    বই
    সেবা প্রকাশনী বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা ভাষা শিক্ষার অ্যাপ
    বাংলা বিজ্ঞান কল্পকাহিনী
    বাংলা কুইজ গেম
    বাংলা উপন্যাস
    বইয়ের
    ই-বুক রিডার
    বাংলা ই-বুক রিডার

     

    (৪) প্রাণিবাচক ও তৎসম শব্দে গণ, কুল, জন, দল, বর্গ, বৃন্দ, মণ্ডলী প্রভৃতি যোগ করিয়া : সরকারী সিদ্ধান্তে মহিলামহল উৎফুল্ল। “কোকিলগণ আম্রমুকুলের রসাস্বাদে বিমুখ হইয়া নীরব হইয়া আছে।” “বাষ্পাকুল শিষ্যবৃন্দ।” শ্রোতৃবর্গ তখন আনন্দে করতালি দিয়া উঠিলেন। শিক্ষকমণ্ডলী প্রস্তাবে সম্মতি দিলেন। ছাত্রদলের সম্মুখে কঠোর কর্তব্য। “বৈতালিকদল সুপ্তিতে শয়ান।

    (৫) অপ্রাণিবাচক তৎসম শব্দে রাশি, সমূহ, মণ্ডল, পুঞ্জ, মালা, গুচ্ছ, শ্রেণী, রাজি (রাজী), আবলী (আবলি), চয়, জাল, নিকর, কলাপ, দাম, সমুদয়, কুল, ব্রজ, গ্রাম প্রভৃতি যোগ করিয়া : “তরুশ্রেণী চাহে পাখা মেলি চকিতে হইতে দিশাহারা।” শব্দগুচ্ছ তুচ্ছ হয়ে আসে। “পুষ্পরাশি পড়িয়াছে খসি।” তারকার দীপাবলী নীরব আকাশে জ্বলে। “শরজালে আচ্ছন্ন গগন।” “কুঞ্জ দেয় ফুলপুঞ্জে পাদপদ্মে পরান অঞ্জলি।” (অতৎসম ‘ফুল’-এ পুঞ্জ যুক্ত হইয়াছে।) “পড়িয়াছে বীরবাহু …….. চাপি রিপুচয় বলী।” তদ্রূপ পত্রসমূহ, বিপণীকুল, গ্রন্থসমুদয়, গুণগ্রাম, তরঙ্গনিকর, ক্রিয়াকলাপ, গগনমণ্ডল, তারাদল, দ্বীপপুঞ্জ, বিদ্যুদ্দাম, গিরিব্রজ, কেশদাম।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা অডিওবুক
    বাংলা ইসলামিক বই
    অনলাইন বই
    Books
    সেবা প্রকাশনীর বই
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা সাহিত্য
    বাংলা উপন্যাস
    বই পড়ুন
    গ্রন্থাগার

     

    (৬) সমার্থক বা প্রায়-সমার্থক শব্দযোগে : ছেলেপিলেকে মানুষ করতে হবে তো। জিনিসপত্র গুছিয়ে নিয়েছ মিতা? মাঝে মাঝে চিঠিপত্র দিস বাবা, নইলে ভাবনাচিন্তার আর শেষ থাকে না।

    (৭) একই পদ পাশাপাশি দুইবার বসাইয়া :

    (ক) বিশেষ্যের দ্বিত্ব-প্রয়োগে—“বৃক্ষে বৃক্ষে ফল ধরে না, ফুলে ফুলে গন্ধ নাই, মেঘে মেঘে বৃষ্টি নাই, বনে বনে চন্দন নাই, গজে গজে মৌক্তিক নাই।”—বঙ্কিমচন্দ্র। “মাঠে মাঠে ধান ধরে নাকো আর।” “গ্রামে গ্রামে সেই বার্তা রটি গেল ক্রমে।” “আমার পথে পথে পাথর ছড়ানো।”

    (খ) বিশেষণপদের দ্বিত্ব-প্রয়োগে বিশেষ্যের বহুবচন হয়। “শিলা রাশি রাশি পড়িছে খসে।” [ বিশেষণের দ্বিত্ব-প্রয়োগে ‘শিলা’র বহুবচন ] এমন কচি কচি আম! ওরে নুন-লঙ্কা আন্। [ অনেক আম—সবই কচি ] বাছা বাছা খেলোয়াড় এনেছে রে মাড়োয়ার। [ একাধিক খেলোয়াড়—সবই বাছাইকরা] এক-একদিন মনটা বেজায় কুঁড়ে বনে যায়। “যাঁহারা বড় বড় সাধু চোরের নামে শিহরিয়া উঠেন, তাঁহারা অনেকে চোর অপেক্ষাও অধার্মিক।”—বঙ্কিমচন্দ্ৰ।

     

    আরও দেখুন
    বাংলা ডিটেকটিভ থ্রিলার
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা অনুবাদ সাহিত্য
    বাংলা বই
    বই পড়ুন
    বাংলা রান্নার রেসিপি বই
    বুক শেল্ফ
    বাংলা ভাষা
    Books
    সেবা প্রকাশনী বই

     

    (গ) সর্বনামের দ্বিত্ব-প্রয়োগে—শনিবার যে যে অনুপস্থিত ছিলে, দাঁড়াও। আমার সঙ্গে কে কে যেতে চাও? কেউ কেউ একথা বলেন। কেহ কেহ এখনো গ্রাম্য জীবনই পছন্দ করেন

    (ঘ) ক্রিয়া-বিশেষণের দ্বিত্ব-প্রয়োগে—”আসে দলে দলে তব দ্বারতলে দিশি দিশি হতে তরণী।” [ তরণী নিঃসন্দেহে একাধিক ]

    (ঙ) অসমাপিকা ক্রিয়ার দ্বিত্ব-প্রয়োগে—ছবি দেখিয়া দেখিয়া সময়টা কোথা দিয়া কাটিয়া গেল। [ অনেক ছবি ] রত্নাকর বলল, “মানুষ মেরে মেরে বুকখানা আমার পাষাণ হয়ে গেছে।” [ মানুষ = একাধিক মানুষ ]

    ॥ একবচনের দ্বারা বহুবচনের প্রকাশ ॥

    চেহারায় একবচনের লক্ষণ, কিন্তু অর্থে বহুবচন প্রকাশ পায়, এরূপ প্রয়োগ আমরা প্রায়ই করিয়া থাকি। স্বর্গের নন্দনে কি কেবল দেবতারই অধিকার, মানুষের নয়? বাঙালী আজ কাঙালী বনতে চলেছে। বাসরঘরে সারারাত গান চলল (একটা গান নয় নিশ্চয়ই)। চাকরি না পেয়ে ছেলে (একাধিক ছেলে)) পড়াচ্ছি। “নেমেছে ধুলার তলে হীন পতিতের ভগবান্।” (পতিতের পতিতদিগের) “ফুলের মালাগাছি বিকাতে আসিয়াছি!” (ফুল = অনেক ফুল) “তার পাখির ডাকে ঘুমিয়ে উঠি পাখির ডাকে জেগে।” (পাখি নিশ্চয়ই একটা নয়—একাধিক) পিউ তোমার কী কথাই না বলতে শিখেছে, ন’দি।

     

    আরও দেখুন
    ই-বই ডাউনলোড
    বাংলা স্বাস্থ্য টিপস বই
    নতুন উপন্যাস
    Books
    অনলাইন বুক
    বাংলা সাহিত্য ভ্রমণ
    বাংলা বইয়ের সাবস্ক্রিপশন
    অনলাইন গ্রন্থাগার
    বুক শেল্ফ
    বাংলা উপন্যাস

     

    ॥ বহুবচনের দ্বারা একবচনের প্রকাশ ॥

    সাধারণতঃ সমালোচক, পত্রিকা-সম্পাদক, সভাপতি বা প্রতিনিধি-স্থানীয় ব্যক্তি ‘আমি’ প্রয়োগ না করিয়া গৌরবে বা বিনয়প্রকাশের জন্য ‘আমরা’ বলিয়া থাকেন।

    (ক) “এবিষয়ে আমরা বহুবার সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করিয়াছি।” (পত্রিকা সম্পাদকের উক্তি~~গৌরবে বহুবচন) (খ) আমাদের কুঁড়েতে পায়ের ধুলো দিন না একদিন। (বিনয়প্রকাশ)

    ॥ বহুবচন নিষেধ ॥

    (ক) সাধারণতঃ সংজ্ঞাবাচক, বস্তুবাচক, গুণবাচক ও ক্রিয়াবাচক বিশেষ্যের বহুবচন হয় না। চিনিরা, দিল্লিগুলি, ব্রহ্মপুত্রদের, করুণাগণ, গমনসমূহ—এইপ্রকার প্রয়োগ বাংলায় চলে না। কিন্তু ক্ষেত্রবিশেষে ইহাদেরও বহুবচন হয়। (১) পাশের গ্রামের ঘোষেরা (ঘোষ উপাধিধারী ব্যক্তিগণ) বেশ সঙ্গতিপন্ন। (২) দেশের বুকে কখনই বিভীষণদের (বিভীষণের মতো দেশদ্রোহীদের) ঠাঁই হওয়া উচিত নয়। (৩) সকলেই এসেছেন, শুধু টগাইবাবুরা (টগাইবাবু ও তাঁহার বাড়ির লোকজন অথবা তাঁহার সঙ্গীরা) এখনও আসেননি। (৪) চালগুলো (বিভিন্ন প্রকারের চাউল) পর পর সাজিয়ে রাখ। (৫) ফেরার পথে গাঙ্গুরাম থেকে তিনটে দই আনবে। (৬) মনের ভাবগুলোকে (বিচিত্র ভাব) রসরূপ দেওয়াতেই শিল্পীর আনন্দ। (৭) “চিরকালের রাধারা সেই অভিসারের পথেই চলে।”—আশাপূর্ণা দেবী।

     

    আরও দেখুন
    বই পড়ুন
    Library
    বাংলা গল্প
    বাংলা ই-বুক রিডার
    বাংলা কমিকস
    বাংলা কুইজ গেম
    Books
    বাংলা ক্যালিগ্রাফি কোর্স
    বাংলা শিশু সাহিত্য
    বাংলা টাইপিং সফটওয়্যার

     

    (খ) বহুবচনের আর বহুবচন হয় না–সংস্কৃত ও ইংরেজীতে বহুবচনাত্মক বিশেষণের পর বিশেষ্যটিরও বহুবচন করিতে হয়; বাংলায় কিন্তু বহুবচনাত্মক বিশেষণের পর বিশেষ্যটিকে একবচনে রাখাই শিষ্টরীতি। (i) সকল বালকগণকে ডাক-বাক্যটি ভুল। বলিতে হইবে–(১) সকল বালককে ডাক বা (২) বালকগণকে ডাক। (ii) সমস্ত চিঠিগুলো ডাকে দিয়েছ তো?-অশুদ্ধ। বলিতে হইবে–সমস্ত চিঠিই ডাকে দিয়েছ তো? (iii) “বৃহৎ বৃহৎ বৃক্ষসকল” না বলিয়া বলা উচিত—(১) বৃহৎ বৃক্ষসকল, অথবা (২) বৃহৎ বৃহৎ বৃক্ষ। (iv) যত সব উজবুকের দল পৃথিবীটাকে জাহান্নামে পাঠাচ্ছে। (v) অধিবর্ষে ফেব্রুআরি মাস উনত্রিশ দিনে (দিনগুলিতে নয়) হয়। (vi) “খণ্ড খণ্ড এমনি কতই চিত্র নিয়ে বনপথ মনে মোর জাগিছে স্বতই।”

    Apposition হিসাবে সকলে, সবাই ইত্যাদি সর্বনামপদ বহুবচনাত্মক বিশেষ্যের পরে বসিতে পারে, কদাপি পূর্বে নয়। ইচ্ছা করলে তোমরা সবাই আমার সঙ্গে আসতে পার। “যাত্রীরা সকলেই নৌকার বাহিরে আসিয়া দেখিতে লাগিলেন।” ছেলেরা সব গেল কোথা? [ লক্ষ্য রাখ—সবাই তোমরা নয়, সকল যাত্রীরা নয়, সব ছেলেরা নয়। এখানে সবাই সকলে সব—সর্বনামপদ, কদাপি সমষ্টিবাচক বিশেষণ নয়। ]

    অনুশীলনী

    ১। বচন কথাটির অর্থ কী? বাংলা ভাষায় কয়টি বচন আছে? প্রত্যেকটির দুইটি করিয়া উদাহরণ দাও।

    ২। বাংলায় কোন্ কোন্ পদের বচন হয়? ক্রিয়াপদের বচন হয় কি?

    ৩। পদাশ্রিত নির্দেশক কাহাকে বলে? উদাহরণ দিয়া বুঝাইয়া দাও। টি, টা, খানি, খানা—অর্থগত পার্থক্য উদাহরণ দিয়া বুঝাইয়া দাও।

    ৪। বাংলায় একবচন কী করিয়া প্রকাশ করা হয়? একবচনকে বহুবচনে রূপায়িত করার নিয়মগুলি বল। কোথায় কোথায় বহুবচন হয় না? প্রত্যেকটির উদাহরণ দাও।

    ৫। উদাহরণ দাও : বিশেষ্যপদের দ্বিরুক্তির দ্বারা বহুবচন-গঠন, বিশেষণের দ্বিত্বের দ্বারা বিশেষ্যের বহুবচননির্দেশ, অসমাপিকা ক্রিয়ার দ্বিত্ব-প্রয়োগে বিশেষ্যের বহুবচন, সর্বনামের দ্বিত্ব-প্রয়োগে বহুবচন, রূপে বহুবচন অর্থে একবচন, রূপে একবচন অর্থে বহুবচন, সম্বন্ধপদে নির্দেশকযোগ।

    ৬। আয়ত পদগুলিতে একবচন বা বহুবচনের প্রয়োগবৈশিষ্ট্য দেখাও : “গুঞ্জরিয়া আসে অলি পুঞ্জে পুঞ্জে ধেয়ে।” এমন মরণ মরতে পারে কয়জনা? ভালোগুলো খেয়ে নাও, খারাপগুলো ফেলে দাও। “সম্মুখে চরণ নাহি চলে।” “তেমন সৌন্দর্য কিছু দেখি নাই শিশুর হাসিটি যেমন মিষ্ট।” রক্তে-কেনা স্বাধীনতা দেব নাকো হতে বৃথা। মাঝে মাঝে চিঠিপত্র দিস, বাবা। মানুষের চোখের জল কখনও কখনও ফুল হয়ে ফুটে ওঠে, দেখেছ?

    ৭। শুদ্ধ, না অশুদ্ধ বল, অশুদ্ধ হইলে শুদ্ধ কর : সকল বালকেরা; ছেলেগণ; ফুলসমূহ; গাছশ্রেণী; গুণরাজি; পত্রাবলী; পাকা পাকা ফলগুলি; সকল ছাত্রগণের; মা-গণ; শিক্ষকরাশি; ছাত্রগণেরা; হাসিটুকু; চিন্তারাশি; ভাবনাবৃন্দ; জলগুলো; সবটা দুধ; গজেনদের; অনুভূতিগুলো; মায়ারা; রানী-বউদিদের; আলোকমালা; পাকা চুলগুলো; পচা পচা আঙুরগুলো; প্রত্যেক বাড়ি গিয়ে খোঁজ করেছি; প্রতি ছত্রে ছত্রে তাঁর বুদ্ধিদীপ্ত ঋজুভঙ্গির প্রকাশ; প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছোটো ছোটো ছেলেমেয়েরা রুটি পাচ্ছে না। তালপাতার কুঁড়েগুলি সমস্তই পুড়ে শেষ।

    ৮। পার্থক্য দেখাও : পাঁচটি ছেলে, ছেলে পাঁচটি; আটখানা লুচি, খানআষ্টেক লুচি; দুটো দই, গোটাদুই দই; একদিন, এক-এক দিন; ঝুড়িখানেক আম, একঝুড়ি আম।

    ৯। অধিবাসী, মনীষি, গুণি, সঙ্গী, কর্মি, প্রতিদ্বন্দ্বী, সহযোগি, সহচরী, ভ্রাতৃ, মনীষিণী, মনীষী—প্রদত্ত শব্দগুলোর কোনোরকম পরিবর্তন না ঘটাইয়া প্রত্যেকটিতে সরাসরি (i) গণ, বৃন্দ, (ii) রা, দের, কে প্রভৃতির যতগুলি বসে, যথাযথ বসাও।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleড্রাকুলা – ব্রাম স্টোকার
    Next Article মহাভারত – বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    থ্রিলার পত্রিকা
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026
    Our Picks

    আমাজনিয়া – জেমস রোলিন্স

    March 24, 2026

    হেরুক – সৌমিত্র বিশ্বাস

    March 24, 2026

    বিভাষিকা – ১৪৩২ পূজাবার্ষিকী -(থ্রিলার পত্রিকা)

    March 24, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }