Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    উত্তরসাধক – বাণী বসু

    বাণী বসু এক পাতা গল্প289 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    উত্তরসাধক – ১৪

    অধ্যায় : ১৪

    সেবার নতুন বছরের শুরুতেই ছাত্রসংঘের প্রেসিডেন্ট মৈথিলী ত্রিপাঠী সংঘের সাধারণ সভায় ঘোষণা করল তারা তাদের লক্ষ্যে পৌঁছতে পেরেছে। এই লক্ষ্য হচ্ছে সঙ্ঘবদ্ধ ছাত্রশক্তি দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের একটি ছোট্ট অবহেলিত, অনুন্নত, নিরন্ন গ্রামকে সব দিক থেকে স্বয়ম্ভর করে তোলা। সেক্রেটারি উজান আফতাব তার সুলিখিত প্রতিবেদন পড়ে শোনায় সঙ্গে সঙ্গে তার তাৎক্ষণিক টীকা ভাষ্য। সে জানায় দক্ষিণ চব্বিশ পরগনার ওই কেওড়া গ্রাম এখন জেলার সবচেয়ে উন্নত মানের গ্রামগুলির মধ্যে অন্যতম। এখানে প্রত্যেকটি গ্রামবাসী বাংলা ও ইংরেজিতে প্রাথমিক স্তরের পড়াশোনা করতে পারেন, দলিল-দস্তাবেজ ফর্ম ইত্যাদি পড়ে পূরণ করা এবং সই করবার বিদ্যা প্রত্যেকটি বয়স্ক মানুষের আয়ত্ত হয়েছে। অল্প বয়সীরা এখন নানারকম বৃত্তিমূলক শিক্ষায় উৎসাহী। যথাসম্ভব কাছাকাছি তাদের প্রশিক্ষণের কাজ ছাত্রসংঘ আরম্ভ করে দিয়েছে। একটি গ্রন্থাগার স্থাপিত হয়েছে। গ্রামের চাষীরা আপাতত বলদ এবং লাঙল নিয়ে পুরনো পদ্ধতিতেই চাষ করছেন। তা সত্ত্বেও তাঁদের জমি তেফসলি। ইঁদারা, পাতকুয়ো এবং নলকূপ যথেষ্ট পরিমাণে থাকায় এবং শস্যক্ষেত্রের মধ্যবর্তী অগভীর ডোবাগুলি ভালোভাবে খুঁড়ে বড় পুকুরে পরিণত হওয়ায় সেচের সমস্যা মিটেছে। তাঁদের প্রধান উৎপাদন নানারকম ফল ও সবজি তাঁরা নিজস্ব ভ্যান গাড়ি করে গঞ্জের বাজারে নিয়ে বিক্রি করে আসেন। প্রায় প্রতিদিন। পাইকারের হাত-ফেরতা হয়ে যায় না বলে লাভ অনেক বেশি থাকে। উদ্‌বৃত্ত ফল এবং কিছু কিছু আনাজ দিয়ে আচার-চাটনি তৈরি করার একটি মহিলাপ্রকল্প হয়েছে। এইসব বিশুদ্ধ ফলের আচার ছাত্রমেলায় বিক্রি হয়, ছাত্রসংঘের অফিসেও পাওয়া যায়, শহরের দোকানে সাপ্লাই দেওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে। মহিলাদের দ্বিতীয় সমিতি সেলাইয়ের কাজ করে। জামা-কাপড় সেলাই ও বোনা, এর ফলে নিজেদের গ্রামে তো বটেই, আশপাশের গ্রামেও সস্তায় ভালো টিকসই জামা এবং গরম জামা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। গ্রামে রয়েছে একটি মাধ্যমিক স্কুল। বয়স্ক শিক্ষা কেন্দ্রে এখনও গ্রামের মানুষ আরও উচ্চস্তরের পড়াশোনার জন্য আসছেন। গ্রামের রাজ এরং ছুতোর মিস্ত্রিরা মিলে একটি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খুলেছেন, তাছাড়াও রয়েছে একটি ছোটখাটো আসবাব কারখানা। গ্রামান্তর থেকেও বহু ছাত্র এখানে শিক্ষা নিতে আসে। গ্রামগঞ্জে ব্যবহারের উপযোগী আসবাব তৈরি করে এবং মাদুর ও বেত বুনে এঁরা ভালোই উপার্জন করেন। সবচেয়ে মুশকিলে পড়া গিয়েছিল তেওড় পাড়া বা জেলে পাড়া নিয়ে। এঁদের অনেকটা পথ মাতলা বিদ্যাধরী দিয়ে গিয়ে হয় সুন্দরবনের বিপজ্জনক এলাকায় স্থানীয় মৎস্যজীবীদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করে মাছ ধরতে হত, নয়ত ক্যানিঙের আড়ৎ থেকে মাছ কিনে ফেরি করতে হত। মাতলা নদীও গ্রাম থেকে যথেষ্ট দূরে। হাঁটা পথ, জলপথ দুবার অতিক্রম করে সামান্য উপার্জন নিয়ে এঁরা ঘরে ফিরতেন। এখন গ্রামের মধ্যে একটি চমৎকার পুকুর বড় করে কাটিয়ে দিঘি করার এবং গ্রামের প্রান্তিক খাল ও জলাগুলির সংস্কার করে আল দেওয়ায় মৎস্যচাষের সুবিধে হয়েছে। ইতিমধ্যেই কিছু সুফল পওয়া গেছে। এ ছাড়াও তেওড় পাড়ার বেকার মানুষদের গ্রামের যৌথ ডেয়ারি ও পোলট্রির ভার দেওয়া হয়েছে। মৌমাছির চাষও শুরু হয়েছে। ডেয়ারির উদ্বৃত্ত দুধে ছানা, দই, মাখন ও ঘি হচ্ছে, স্থানীয় বড় গঞ্জে এগুলোর দারুণ চাহিদা। গ্রামে আছে পাতাল ফোঁড় শিবের মন্দির ও ফকিরসাহেবের মাজার সংলগ্ন একটি মসজিদ। চৈত্র সংক্রান্তিতে এবার ফুলতলির মাঠে বিরাট মেলা বসানো হয়, মেলাটি সম্পূর্ণ ভাবেই বাংলার গ্রামীণ সংস্কৃতির মেলা, মেলার পরিচালনাভার ছিল স্থানীয় স্কুলের হেডমাস্টার মশাই নিরঞ্জন খাঁড়ার ওপরে। গ্রামে বেশ কিছু সঙ্গীত প্রতিভা আছে, একটি সঙ্গীত শিক্ষালয় খুলে ছাত্রসংঘ আপাতত এ গ্রামকে স্বয়ম্ভর, শিক্ষিত, স্বাস্থ্যসচেতন, সংস্কৃতিবান একটি আদর্শ গ্রাম বলে ঘোষণা করছে।

     

     

    এই দিনের অধিবেশনের পরে ছাত্রদের মধ্যে অভূতপূর্ব উৎসাহ লক্ষ্য করা যায়। ওই একদিনে তিন হাজার নতুন ছাত্র সদস্য হবার জন্য আবেদনপত্র পেশ করে। স্বতঃস্ফূর্ত কবিতা গান নাচ পাঠ কথকতা ইত্যাদির পর ছাত্রসংঘের আয়োজিত স্টল থেকে নানারকম মুখরোচক খাবার খেয়ে ছেলেমেয়েরা বাড়ি ফিরে যায়।

    বার্ষিক অধিবেশন শেষ হয়ে যাবার পর মৈথিলী রাত নটায় অত্যন্ত ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফিরেছে। মেধাদির ফোন পেল। মৈথিলী আজকাল বেশির ভাগ চ্যাপেল রোডেই থাকছে। সে মায়ের চিঠি পাচ্ছে মাসে একটা করে। তার ছোটমামা সত্যেন সোরেন ইতিমধ্যে তার সঙ্গে একবার দেখা করে গেছেন। কাজেই সে এখন অনেকটা স্বাভাবিক হয়ে গেছে। বাবা যখনই কলকাতায় থাকছে সে-ও চ্যাপেল রোডের বাড়িতে এসে থাকছে। মেধাদি বললেন—‘বৈজুলালকে বলে আজ রাতটা এখানে চলে আয়। কিছু দরকারি কথা আছে।’

    ছাত্রসঙ্ঘের এই অধিবেশনটা হয় মউমিতাদের বহুতল ফ্ল্যাট কমপ্লেক্সের নিচের তলায়। শুধু ওদের কো-অপারেটিভের অনুমোদন ছাড়া আর কিচ্ছু লাগেনি। অধিবেশনের ছিল খানিকটা উৎসবের চেহারা। মুখে মুখে প্রচারিত এই ছাত্রমেলায় বহু ছাত্রছাত্রী সারাদিন ধরে এসেছে, গেছে। মৈথিলী আর উজানের গলায় রেকর্ড করা, ছাত্রসঙ্ঘের উদ্দেশ্য, তাদের কাজকর্ম এবং সাফল্যের খতিয়ান বারে বারেই টেপে বেজেছে। সঙ্গে পালান এবং সম্প্রদায়ের টেপ করা গান, আনোয়ারের মেয়ে ফতিমা ও ছেলে সুলেমনের গান। জায়গাটা ফার্ন-প্লেস থেকে বেশি দূরে নয়। মেধাদি আগে বললে মৈথিলী ওখানেই চলে যেত সোজা। কিন্তু এখন ন-টা তো বেজে গেছেই। আলিপুরের রাস্তা নির্জন। বড্ড ছিনতাই হচ্ছে আজকাল।

     

     

    বৈজু বলল—‘আমি তোমাকে ছোট থেকে দু হাতে মানুষ করেছি মুন্নি, এই রাত্তিরে একা একা মুখের খাবার ফেলে যেতে চাও যাও, কিন্তু বৈজুর বুকে কষ্ট দিয়ে যাবে। চাকর-বাকর হতে পারি কিন্তু ভেবে দেখো আমি তোমার মায়ের কাজও করেছি, বাবার কাজও করেছি।’

    মুন্নি আবার দিদিকে ফোন করল, বলল—‘রাত হয়ে গেছে, বৈজুদা যেতে দিচ্ছে না।’

    মেধা বললেন, ‘ঠিক আছে তোর বৈজুদাকে বল, আমাকেও যেন খাওয়ায়।

    আধঘণ্টার মধ্যে স্কুটারের আওয়াজ পাওয়া গেল। মেধাদি ঢুকতে ঢুকতে বললেন—‘বাঃ, এই বেশ ভালো হল। রোজ রোজ এক জায়গায় ঘুমোতে ভালো লাগে? কি বৈজু খুশি তো? কি খাওয়াবে?’

    —‘আমি যা রাঁধি তা তো আপনার চলে না দিদি’—বৈজু গোমড়া মুখে বলল। অরুণা চলে যাবার পর দীর্ঘ দিন মুন্নি দিদির কাছে থেকেছে। তাকে মুন্নির ভার দেওয়া হয়নি, যদিও অরুণা দিল্লি গেলে বরাবর মুন্নি বৈজুর কাছে একলাই থেকেছে, সে এটা ভুলতে পারে না।

     

     

    —‘কি রেঁধেছো বলোই না।’ মেধা হাসিমুখে বললেন।

    —‘কিমাকারি আছে, আর গোল গোল পরোটা, ফিশ ফিংগার করেছিলুম কয়েকটা।’

    —‘বাববাঃ এতো? তো ঠিক আছে, তোমার জন্য কি করেছো?’

    বৈজু বলল—‘আলুচোখা আর চাটনি।’

    —‘বাঃ তাই দিয়েই আমার হয়ে যাবে। আজ আমি বাড়ি তালা দিয়ে এসেছি।’

    খাওয়া-দাওয়ার পর ধীরে সুস্থে গল্প-সল্প করলেন মেধা, মৈথিলীর সঙ্গে খানিকটা, বৈজুলালের সঙ্গে খানিকটা। তারপর বললেন—‘মৈথিলী, তোদের সভায় কোনও সাংবাদিক যায়নি?’

    —‘কই না তো?’

     

     

    —‘যায়নি? তাহলে যাবে। খবরটা ওদের কাছে খুব সম্ভব দেরিতে পৌঁছেছে। আমার কাছে এসেছিল।

    —‘তাই নাকি? আপনি কি বললেন?’

    —‘আমি বলেছি ছাত্রদের প্রতিষ্ঠানের কথা ছাত্ররাই জানে। আমি বিশেষ কিছু জানি না।’

    —‘এ কথা কেন বললেন, দিদি?’

    —‘সে কথাটাই তোকে বোঝাতে এসেছি। ছাত্রসঙ্ঘ গড়েছিলি প্রধানত তুই উজান আর দেব। আমাদের কয়েকজনকে তোরা উপদেষ্টা হিসেবে চেয়েছিলি। বাইরে থেকে এইরকম কিছু পরামর্শ দেওয়া ছাড়া আমরা আর কিছু করিনি।’

    —‘কথাটা তো সত্যি নয়, দিদি!’

    —‘শোন মৈথিলী, তোরা ঠিক কর তোরা প্রচার চাস কি না।’

     

     

    মৈথিলী খানিকটা হকচকিয়ে গেছে। দিদি কি তাকে কোনও পরীক্ষার মধ্যে ফেলতে চাইছেন! সে বলল—‘আপনি কি বলতে চাইছেন আমি বুঝতে পারছি না দিদি।’

    —‘যতক্ষণ তুই প্রাণপণ পরিশ্রম করছিস, একটা কিছু গড়বার সঙ্কল্প করে প্রাণপাত করছিস, ততক্ষণ দেখবি নানাজনে তোর সঙ্কল্প নিয়ে অনেক কথা বলবে। কেউ বলবে বোকামি, কেউ বলবে মতলব আছে, কেউ বলবে অবাস্তব ব্যাপার, কিন্তু যে মুহূর্তে সাফল্য পাবি অমনি এই লোকগুলোই তোকে ছেঁকে ধরবে। প্রচার এক হিসেবে খুব ভালো। কাগজে, টিভিতে, রেডিওতে। জনসাধারণ জানতে পারবে ছাত্ররা ভালো ভালো কাজ করছে। তোদের হয়ত সাহায্য করতে অনেক লোক এগিয়ে আসবে। কিন্তু এই প্রচারের একটা মারাত্মক বিপদের দিক আছে।’

    —‘কি?’ মৈথিলী জিজ্ঞেস করল।

    —‘জনসাধারণের সঙ্গে সব সময়ে মিশে থাকে কিছু বাজে লোক যারা স্বার্থসিদ্ধি ছাড়া আর কিচ্ছু বোঝে না। অনেক সময়ে এরা এমনকি কারণ বিনাই কুচক্রে লিপ্ত হয়। এই সব লোকেদের চোখে পড়ে গেলে তোর ছাত্রসঙ্ঘ ছত্রখান হয়ে যাবে। তোরা আর এগোতে পারবি না। দেখবি নানা দিক থেকে নানা বাধা আসছে। পাবলিসিটি অতি ভয়ানক জিনিস। আমার মনে হয় তোরা এই স্কুপ-নিউজ খুঁজতে আসা সাংবাদিকগুলোকে এড়িয়ে চল। প্রসারের জন্য প্রচার ভালো। কিন্তু প্রচারের জন্য প্রচার খুব বিপজ্জনক জিনিস। আরেকটা কথা, শীগগীরই তোরা অর্থাৎ তুই, লুকু, উজান, দেব তোদের গ্রুপটা আর ছাত্র থাকছিস না। তোকে দেবকে ইনটার্নি থাকতে হবে। প্রচণ্ড খাটুনি, উজানও যদি প্রথম পাস করার পরই কোনও ভালো জায়গায় চাকরি ধরতে না পারে ওর শিক্ষাটা অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। তোরা এখন থেকেই ঠিক করতে থাক, কে বা কারা তাদের জায়গা নেবে।’

     

     

    মৈথিলী অবাক হয়ে বলল—‘কেন দিদি, না-ই বা ছাত্র থাকলাম।’

    মেধা হেসে বললেন—‘তোর কি মায়া হচ্ছে? এই মায়া কিন্তু একেবারেই ভালো নয়। ব্যাপারটা কি জানিস দেশের কল্যাণের জন্যে চিরকালই মুষ্টিমেয় মানুষ পরিশ্রম করে গেছে, আত্মত্যাগ করে গেছে, তাতে তাদের তো ভালো হয়ই নি, দেশেরও হয়নি। একটা প্রতিষ্ঠানের হাতে বা গুটিকয় মানুষের হাতে সমস্ত ভুবনের ভার সঁপে দিয়ে স্বার্থপর আত্মসুখে কাল কাটাবার এই ভারতীয় অভ্যাসটা আমাদের ছাড়াতে হবে। তোরা এই ছাত্রসঙ্ঘের ব্যাপারটাকে চলিষ্ণু রাখ। এত বড় বিরাট দেশ, দেশের অভ্যন্তরে কত যুগের আশঙ্কা, কুসংস্কারে আবদ্ধ বিশাল জনতা—এদের উন্নয়ন একা তোরা আমরা কতটুকু করতে পারি, অথচ এটাই আসল কাজ। এবং এটা এক জেনারেশনের কাজও নয়। তাই প্রজন্মের পর প্রজন্ম যাতে খুব স্বাভাবিকভাবে এই কাজটা জীবনের আর কয়েকটা প্রয়োজনীয় কাজের মতো করে করে যায়, তবেই সত্যিকার কিছু কাজ হবে। কেওড়াখালি নিয়ে আমরা যেটা করলুম সেটা একটা এক্সপেরিমেন্ট। এক্সপেরিমেন্টটা সফল হয়েছে। এবার এটাকে আমরা পেটেন্ট নেবো। রূপরেখাটা আমাদের জানা হয়ে গেছে। এই প্রজেক্ট এখন একসঙ্গে অনেকগুলো শুরু কর। যে কটা পারিস। তোদের জনবল, অর্থবল বুঝে। এবং বিভিন্ন প্রজেক্টের ভার দিতে থাক দায়িত্বশীল, উৎসাহী, কর্মী ছাত্রদের। এইভাবে তোদের উত্তরাধিকারী তৈরি হবে। তোরা ছাত্রাবস্থা থেকে বেরিয়ে যাবি, যুক্ত থাকবি হয়ত অনেক দিন উপদেষ্টা হিসেবে, কিন্তু ক্রমশ নিজের নিজের পেশায় ব্যস্ত হয়ে পড়বি, গৃহস্থ হবি, সচেতন নাগরিক, দেশ-সচেতন, মূল্যবোধ-সচেতন গৃহস্থ। তোদের পরবর্তী বছরের ছাত্ররা আসবে, তারাও ঠিক এইভাবে কাজ করে যাবে, তৈরি করবে ভবিষ্যতের নেতাদের। এই চেনটা তৈরি করতে থাক, না হলে তোদের সঙ্গে সঙ্গে সমস্ত শেষ হয়ে যাবে। আর এক একটা গ্রাম বাছবি খুব সাবধানে। রাজনীতির আওতার বাইরে দরিদ্র, নিঃস্ব, ছোট্ট গ্রাম। শহরে, গঞ্জে, মফঃস্বলেও তোরা প্রজেক্ট কর, তবে সেগুলোর প্রকৃতি ন্যাচার‍্যালি আলাদা হবে। চিন্তা কর সে ক্ষেত্রে তোদের প্ল্যানে কোথায় কি অদলবদল হবে।’

     

     

    মৈথিলী বলল—‘দিদি। আমরা কেউ কেউ যদি পুরো জীবনটাই এই কাজে থাকি তাতে ক্ষতি কি?’

    মেধা হেসে বললেন—‘এসব কাজ এতো সময়সাপেক্ষ, এতো একঘেঁয়ে যে একটা সময় হতাশা আসবে, কল্পনাশক্তি ব্যবহার করতে পারবি না, নূতনত্বের স্বাদ না পেলে ক্লান্ত হয়ে পড়বি মৈথিলী। তাছাড়া আজ মনে হচ্ছে এই নিয়েই কাটাবি। সব সময়েই এইরকম মনোভাব থাকবেই তা বলা যায় না। না থাকাই স্বাভাবিক। মানুষের ফুল লাইফ চাই। পূর্ণ জীবন। সব চাই। স-ব। একটা ব্রতে নিজেকে সারাজীবনের জন্য বেঁধে ফেললে একদিন মুক্তির জন্য ছটফট করবি। কিম্বা অত্যধিক আসক্ত হয়ে, অটোক্র্যাট হয়ে যাবি, কাজটা মাঝখান থেকে মাটি হয়ে যাবে।’

    কিন্তু এতো সাবধানতা সত্ত্বেও কলকাতার এক মাঝারি দৈনিকে ছবিসহ এক স্টোরি বেরিয়ে গেল। মেধা ভাটনগরের ছবি, মৈথিলীর ছবি, কেওড়াগ্রামের উন্নতিতে তাদের অবদানের কথা।

    কার্য-নির্বাহক কমিটির মিটিং-এ উপস্থিত থেকে মেধা বললেন—‘সাংবাদিকদের কাছে আমিও মুখ খুলিনি, মৈথিলীও না। তোরা কে এ কাজ করেছিস স্বীকার কর। কাজটা হয়ত তোরা ভালো ভেবেই করেছিস, কিন্তু ঠিক করিসনি।’

     

     

    উজান, দেবপ্রিয়, লুকু, গুঞ্জন কেউই স্বীকার করল না। মেধা বললেন—‘যাই হোক, তোদের জানা ছিল না, এখন জেনে রাখ প্রচার আমরা চাই না। প্রচার বিষ। আমরা নিঃশব্দে কাজ করে যাবো।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleএকুশে পা – বাণী বসু
    Next Article শ্বেত পাথরের থালা – বাণী বসু

    Related Articles

    বাণী বসু

    নূহর নৌকা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    ছোটোগল্প – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    অন্তর্ঘাত – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খনামিহিরের ঢিপি – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    খারাপ ছেলে – বাণী বসু

    November 3, 2025
    বাণী বসু

    মোহানা – বাণী বসু

    November 3, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অমিতাভ চক্রবর্তী
    অমৃতা কোনার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আবদুল হালিম
    আয়মান সাদিক
    আর্নেস্ট হেমিংওয়ে
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    ঋজু গাঙ্গুলী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক শেফার
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতম বসু
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সায়ক আমান
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিক দে
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    সৌরভ চক্রবর্তী
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026
    Our Picks

    কালীগুণীন ও চতুরঙ্গের ফাঁদ – সৌমিক দে

    March 24, 2026

    কপিলাবস্তুর কলস – প্রীতম বসু

    March 23, 2026

    তালদিঘিতে ভাসিয়ে দেব – সায়ক আমান

    March 23, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }